Malay Roychoudhury
গ্রাহক হন
শিশু কিশোর কিশোরী বৃদ্ধ বিশেষ ভাবে সক্ষমদের দেখার দায়িত্ব রাষ্ট্রের। সব নাগরিকের শিক্ষা স্বাস্থ্য ভরণপোষণের দায়িত্ব রাষ্ট্রের। মার্কসবাদ এটাই শেখায়। অন্য ভাবনা মার্কসবাদ নয়। ... ...
একান্ন বছর পার হলো তুমি নেই।তোমার মুখে ই শোনা তোমার জন্ম কথা -রূপকথার মতো লাগতো!উনিশশো ন'য়ে জন্ম তোমার ন'বছরে বিয়ে; ব্রাক্ষণ কন্যা বলে কথা! ঘরে রাখা পাপ!সামাজিক পাপের হাত ধরে এক আধবুড়ো খামখেয়ালি চাষার ঘর আলো করতে বাধ্য হলে!সুন্দরী ছিলে তুমি।ভাসুরের কোলে চড়ে উঠেছিলে শ্বশুরবাড়ি;সম্পন্ন চাষী পরিবার।তবে দেবর ছিল শিক্ষিত; স্টেশন মাস্টার।ভাসুর,দেওরের চোখরাঙানি ছিল না। ছিল স্নেহ আর ভালোবাসা। শুধু তোমার সাতপাকে বাঁধা মেজাজি চাষী ভাইএর সাথে দেখা হতো সেই কেরোসিন বাতির আলোয় রাত গভীর হলে।অতঃপর সময় নিজের মতো করে গড়িয়ে চললো কিছুদিন। সংসার বুঝতে চেষ্টা করছিল কি চায় তোমার কাছ থেকে।তাই আঁটকুরো বদনামের আগেভাগেই তুমি সন্তান ধারণ করলে। তখন তুমি ত্রয়োদশী।তবু গোঁয়ারের ... ...
কচাকরিজীবী আর গায়েগতরে খেটে খাওয়া পরস্পরের মিত্র হবেন সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এখন বেশ কিছু চাকরিজীবী নিজেদের অধিকার নিয়ে সচেতন, গরিব খেটেখাওয়া মানুষের বেলায় নির্মম। গরিবের কি অধিকার নেই সরকারের সহায়তা পাওয়ার? কমিউনিজম তো বলে সামর্থ্য অনুযায়ী দেবেন, চাহিদা অনুযায়ী পাবেন। তাহলে?.দ্বন্দ্ব তো এখানেই। গরিবদের দিলে ভিক্ষা। চাকরিজীবীদের দিলে অধিকার ভাবা! বেকার ভাতা বিধবা ভাতা বামফ্রন্ট সরকার চালু করেছিল ১৯৭৭-এ। তখনকার ৫০ টাকা একজন খেতমজুরের আড়াই মাসের বেতনের সমান ছিল। দিনে ৬০ পয়সা বেতন ছিল ১৯৭৭ এ। এখনকার হিসেবে সেটা ১৫০০০ টাকার সমান। খেতমজুরের ... ...
আসাম ও পশ্চিমবঙ্গের তুলনা। আসামের এন আরসির চেয়েও কঠিন পরীক্ষা পশ্চিমবঙ্গে। পশ্চিমবঙ্গে জমির দলিল নিচ্ছে না, নিজের পাসপোর্ট, মাধ্যমিক পাশের শংসাপত্র দিয়েও হচ্ছে না। বাবা মায়ের জন্মস্থানের প্রমাণ চাইছে। বাবা মায়ের জন্মস্থানের প্রমাণ লিখিতভাবে একমাত্র বার্থ সার্টিফিকেট/ পাসপোর্টে থাকে। কতজনের আছে? বাবা মায়ের সঙ্গে ১৫ বছর বয়সের তফাৎঠাকুর্দা/ ঠাকুমা দিদিমার সঙ্গে ৪০ বছরের তফাৎছয় জনের বেশি সন্তান নিয়ম আসামের এন আরসিতে ছিল না। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি বলে শব্দটি ছিল না। তবে নামের বানানে এদিক ওদিক খুব দেখা হয়েছে। এগুলো কি জানেন? নিজেরা এআই দিয়ে বাংলাকে ইংরেজি/ রোমানে করে বানান ভুল করে ভোটার/ বিএলও/ এইআরও দের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। ১. ১৯৫১ সালের এনআরসি (1951 NRC): প্রথম এনআরসি-র প্রতিলিপি [১, ... ...
হয়তো বা ঘাস হয়ে রয়ে যাবো বাটেচলে গেলে সবাই তো হয় না মহান। ভোরের শিশিরসিক্ত বেল ফুল হাটে জুটুক না জুটুক পদ্ম,দোয়েল গায় গান। ... ...
(১)সিংহাসনে নদীর শাহ্-মহান ধাপ্পাবাজ!স্বাস্থ্য মর্গে! শিক্ষা সংঘে-হাহাকারে মরে কাজ!! (২)শংসাপত্রে চায়ের দাগ টা-মুছতে পারবে না।নোবেল প্রাপ্ত হচ্ছে ব্রাত্য!-একি লাঞ্ছনা !! ... ...
অপর মানে আপনার কাছে মাথা নীচু করে থাকবেহেঁ হেঁ করবেহাত কচলাবে। বলবে, আপনার মতো লোক হয় নাঅপর মানে তাকে নীচু চোখে দেখবেঅপর মানে যা খুশি বলা যাবেঅপর মানে নেমন্তন্ন করে খাওয়াবেঅপর মানে ম্লান মুখে ঘুরে বেড়াবেঅপর মানে সংখ্যালঘুঅপর মানে সুবিধাবঞ্চিতঅপর মানে মহিলাঅপর মানে দলিতঅপর মানে অপরঅপর মুখ খুললে বলে দাও, কমিউনালবলে দাও, কাস্টিস্টবলে দাও, নারীবাদীবলে দাও, জঙ্গি কিংবা মাওবাদীঅপর যেদিন তোমাকে অপর বানাবেহে হোঁদল কুঁতকুঁত হায়নামুখো ... ...
বাইশে এপ্রিল, পঁচিশ, যেন বাইশে শ্রাবণের শূন্যতা নিয়ে আছে -বছর পেরোলো প্রায়;শুধু ছাব্বিশ প্রাণ শুয়ে আছে আজো -বৈসারন উপত্যকায়!বিস্ফারিত চোখে প্রশ্ল শুধূই, কেন যে ছিল না প্রহড়ীর গর্জন! -অথচ ভূস্বর্গের টানেপর্যটকের বারোমাসই আগমন!এ কেমন নাট্যরূপ হে তোমার বহুরূপী !লাবণ্যে ভরা শিল্পীরা সব মহড়া দিতে মত্ত !মঞ্চ সাজাতে প্রকৃতি এঁকেছে দুহাত দিয়ে আল্পনা ! বেলা বয়ে যায় পাদপ্রদীপের আলো ছায়া সামলাতে !অরুন তখন আয়েশ করে আলতো হেলেছে পশ্চিমে।তার বর্ণালী ছটায় শেষ দুপুরে, মঞ্চ দিব্যময় !এক অপার্থিব সৌন্দর্যের রহস্য দিয়ে ঢাকা রয়েছেমঞ্চ!মৃদু মন্দ বাতাস যেন উথলে উঠেছে সঙ্গতে।গুন গুন করে বাঁধছে সে সুর সন্তুর আর সারেঙ্গীতে !উপত্যকা আজ টইটম্বুর ধ্রুপদী সঙ্গীতে -আসর ... ...
তখন নিতান্তই হাতেখড়ি র বয়স। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিদ্যা দেবীর পূজায় নামাবলীতে মোড়া একটা শক্ত হাত, আমার খড়ির পেন্সিলে ধরা হাতটা আর ও শক্ত করে ধরে কালো স্লেটের ওপরে লিখিয়ে নিলো - অ,আ, ই, ঈ... আমি প্রচন্ড কাঁদছিলাম !সঠিক কারণ আজ আর মনে নেই! তা প্রায় সেই থেকে, কোনো দিনই তাকে দেবী বলে মনে হয়নি আমার!আমার শৈশব কৈশোর নমঃ নমঃ করে, পার হলোযৌবনে হলো মতিভ্রম, আমি হলাম নষ্ট নর!তোমরা যারা পায়ের কাছে বই খাতা কি বাদ্যযন্ত্র রাখতে-আমার কিন্তু তেমনটা নয়! পুষ্পাঞ্জলি নয় - অনায়াসে খেয়েই চলেছি - শাঁখালু, নারকোলি আর টোপা কুল! এছাড়াও ছিল দুই চুরির গুঞ্জন। দিনে ক্ষিচুরি, রাতে কচু্রি!তবু ... ...
( ১ )সংশোধনের তালিকা তৈরি শুরু!ভেতর থেকে সার্কাসটা চালায় ভন্ড গুরু! অনুগত গোবর গনেশ চাইছে কাগজ, আতঙ্কে দেশ! বকলমে লিখছে ভাগ্য;জনগন কি গরু! ( ২ )হরেক রকম ভেক ধরে সেফিকির খোঁজে ফকির বেশে ; স্বাস্থ্য কোমায় আই সি ইউ তে !শিক্ষা মনুসংহিতা তে! মাইক্রোস্কোপের তলায় শুয়ে শিল্প মুচকি হাসে! ( ৩ )হতাশায় মরে পোলাপান; -শুধু দুঃস্থ বাবার পেনসান ! চলছে না আর চলছে না!! সূর্য শিকার হচ্ছে না! দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পেয়ে সওয়ার চন্দ্রযান! ... ...