
বাংলায় বলে প্রজাতন্ত্র দিবস, কিংবা সাধারণতন্ত্র দিবস, দূরদর্শনপ্রচারিত হিন্দি মাধ্যমে এরই নাম গণতন্ত্র দিবস। শুদ্ধ হিন্দিতে মূর্ধণ্য ণ-টা একেবারে মূর্ধণ্য ণ-য়ের মতই উচ্চারণ হবে, খানিকটা "ড়ঁ' ঘেঁষা। গড়ঁতন্ত্র দিবস। ... ...

দিল্লি অতি খাজা জায়গা .... সেই কবে কোন বিস্মৃত অতীতে অর্ণব চ্যাটার্জি অ্যালিয়াস ন্যাবা চিঠিতে লিখে সাবধান করেছিল তার প্রিয় বন্ধু আসমা চৌধুরি জয়িতা, ওরফে জয়ি-কে। তা, কে কার কথা শোনে! এই যুগে ভালো কথার কে-ই বা দাম দেয়, কে-ই বা শোনে। গ্যাঁড়ারই বা অতএব, শোনার কী দায় পড়েছে! একবিংশ শতাব্দী ঝক্কাস করে এসে পড়েছে তার স্লোডাউন সমেত, ওয়াইটুকে-র ম্যাজিক তখন একেবারে গায়ব-ইট'স গন-চলে গেছে কেস, তখন গ্যাঁড়ার দিব্যদৃষ্টি খুলে গেল, একেবারে পোষ্কারভাবে গ্যাঁড়া বুঝতে পারল জীবনের সমস্ত সাফল্য দিল্লিতেই মিলবে। ভুবনেশ্বরে নয়, বাড়ির পাশে কলকাতাতে তো নয়ই, প্রেমিকাকে বিয়ে করে শুরু থেকে পাশে পেতে হলে দিল্লিই একমাত্র সম্ভাব্য ডেস্টিনেশন। ... ...

কোনও ধারাবাহিক স্মৃতিচারণ হিসেবে রাখতে চাইছি না আমার এই লেখা, কারণ এই লেখার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার কোনও গুরুদায়িত্ব আমার ঘাড়ে নেই। নিছকই কিছু অদূর অতীতের স্মৃতিচারণ, লিখতে গিয়ে যখন যা যেমন মনে আসবে, লিখে ফেলব, তাতে করে পরের ঘটনা আগে আসতে পারে, আগের ঘটনা পরে। অনুচ্ছেদের পরে আরেকটা অনুচ্ছেদ ঠিকই আসবে, পড়তে গিয়ে পাঠক হয় তো খেইও হারিয়ে ফেলবেন না, তবে কোনওরকমের ক্রোনোলজিকাল অর্ডার মেইনটেইন করতে আমি রাজি নই। ... ...

পাকিস্তান ছাড়ল শেষ রেলগাড়ি ১৯৪৯এর কোলকাতা। ফাগুনমাসের শেষ। পশ্চিম আকাশে লজ্জা-লজ্জা গোলাপী আভা তখনও মিলিয়ে যায়নি। মনুমেন্ট ময়দানের পাশ দিয়ে কোণাকুণি হাঁটছেন সলিলকুমার। রোজ ফোর্ট উইলিয়মের ডিউটি সেরে এই পথেই কিছুটা এগিয়ে পার্কসার্কাস লেখা বোর্ড টাঙানো ২০নং ট্রাম ধরে বাড়ি ফেরেন। ... ...

এই রাস্তায় কিছুদিন না যাওয়াই ভাল। রাত যত বাড়ছে কুকুরেরা তত প্রবল হয়ে পড়ছে। ইতস্তত ভাবে ইঁটগুলোও ছড়িয়ে থাকবে। ঠোক্কর খেতে খেতে আমিও লাট খাওয়া ঘুড়ির মত এদিক-সেদিক। ঘুম অনেক স্মুথ আসে। নলেন গুড়ের মত। তারপর যা হয়, ইচ্ছেকে আটকাতে নেই। দুধে আম দাও, ব্যস সব ছানাকাটা। ... ...