এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  অন্যান্য  মোচ্ছব

  • তোমার পতাকা যারে দাও তারে বহিবারে দাও শকতি 

    সমরেশ মুখার্জী লেখকের গ্রাহক হোন
    অন্যান্য | মোচ্ছব | ২৫ জানুয়ারি ২০২৪ | ১৫৫ বার পঠিত
  • অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ ধ্বংস করে দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের অন্তে সুপ্রিম কোর্ট থেকে রামমন্দির নির্মাণের ছাড়পত্র পেয়ে দ্রুত‌গতিতে মন্দির নির্মাণ করে গত ২২শে জানুয়ারি রামলালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা করা আসলে কেন্দ্রীয় সরকারের অতঃপর জাতীয়তাবাদী এবং হিন্দু‌ত্ববাদীর হাওয়ায় ভারতের বহুত্ববাদী সত্তা বিলুপ্ত করে হিন্দু‌রাষ্ট্র প্রবর্তন করার পরিকল্পনা।
     
    তাই নিয়ে অনেকে শংকিত। আমি এক বড়িষ্ঠ নাগ‍রিক। ছাত্রজীবনে ভালো করে পড়াশোনা করিনি। অতঃপর কোনোরকমে একটা সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্ৰি হাসিল করেছি নিছক জীবিকা‌নির্বাহের জন‍্য। বস্তু‌গত আকাঙ্খা কম বলে চাকরি‌জীবনে‌ও স্বেচ্ছায় ইতি টেনেছি সাড়ে পঞ্চান‌য়। VRS নয়, স্রেফ ছেড়ে দিয়ে‌ছি চাকরি। পড়াশোনা‌র পরিধি সামান্য। অনেক তথাকথিত ডিগ্ৰি‌ধারী শিক্ষিত লোক যেমন অনেক কিছুই বোঝে  না -  এবং না বুঝেই কথা বলে - আমি‌ও তেমন। আমার আত্মবিশ্বাসের‌ও যথেষ্ঠ অভাব - তাই আমার অনেক অভিমতের পিছনে‌ই ফে‌উয়ের মতো থাকে হয়তো, বোধহয়, সম্ভবত গোছের সংশয়সূচক শব্দাবলী। আমি আত্মকেন্দ্রিক এবং ভীতু‌। তাই রাস্তায় নেমে প্রতিবাদ মিছিলে যোগ দিয়ে জলকামান, কাঁদানে গ‍্যাস বা পুলিশের‌ লাঠি, গুলি খাওয়া‌র হিম্মত‌ নেই। নিজের এই সব সীমাবদ্ধ‌তা এবং ক্ষুদ্রতা উপলব্ধি করে খুব খারাপ‌ লাগে। তবে ব‍্যক্তি‌গত খারাপ লাগা দিয়ে কখোনো, কোথাও ভালো কিছু হয় নি। অর্থাৎ আমার মতো লোক দিয়ে সমাজের বাঞ্ছিত পরিবর্তন আসা সম্ভব নয়। এটা আমার কাছে খুব‌ই নিরাশাজনক অনুভব।
     
    আমার ব‍্যক্তি‌গত নিরাশার বিপরীতে আছে আশার আলো - অধিকাংশ‌ মানুষ আমার মতো নয়। দেশে বহু প্রতিবাদী মানুষ আছেন। যেমন এই গুরুর পাতাতেই দেখছি বর্তমান সরকারের এই সুদূর‌প্রসারী পরিকল্পনা‌র বিরুদ্ধে সমষ্টিগত প্রতিবাদ - তা যতো ক্ষুদ্র‌ই হোক - তা হ‌ওয়া‌র প্রয়োজনীয়‌তা নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। সেই প্রসঙ্গে‌ ভাটে দেখলাম সেই প্রতিবাদের সামগ্ৰিক প্রতীক স্বরূপ পতাকা বহনের কথাও হচ্ছে। পতাকার একটি সম্ভাব‍্য ডিজাইন‌ও রাখা হয়েছে। এসবই আশা‌র আলো।

    ঘোষিত‌ভাবে “গম্ভীর নয়” গুরুচণ্ডা৯র ভার্চুয়াল পাতায় অনেকে নিকের আড়াল থেকে লেখেন এবং অন‍্যের লেখায় মন্তব্য করেন। অনেকের‌ DPতে নিজের ছবির বদলে থাকে চিহ্ন, মুখোশ, জীবজন্তু ইত্যাদি। কেউ আত্মগোপন করে ছদ্মনামে নয় বরং স্বনামে - পরিস্কার নিজের বদনের একটি DP ছবি দিয়ে লিখলে  - তার মতামত, দৃষ্টিভঙ্গি পছন্দ না হলে অনেক নিকধারী তাকে ব‍্যঙ্গ, বিদ্রুপ করতে এবং কদর্য ভাষায় গালি দিতেও দ্বিধা করেনা।
     
    তবু আশার কথা এই যে - যখন বোঝা যাবে ভার্চুয়াল ফোরামে শাসকশ্রেণীর বিরুদ্ধে সমালোচনা ও বিষোদ্গার ক‍রে‌ কাজের কাজ কিছু হবে না - তখন এই নিকধারী‌রাই প্রতিবাদের পতাকা কাঁধে বাস্তবে প্রতিবাদ মিছিলে পথে নামবে। তখন‌ই আসবে বাঞ্ছিত পরিবর্তন। অথবা রোধ হবে সমাজে অবাঞ্ছিত পরিবর্তন।

    আমার মতো আত্মকেন্দ্রিক, সুবিধা‌বাদী মানুষ অপরের প্রতিবাদের সুফল ভোগ করবে। আর কিছু যখন করতে পারবো না - তখন সেই সব দিনের কথা ভেবে তাদের জন‍্য প্রার্থনা তো করতেই পারি - তাই এ লেখা‌র ঐ শিরোনাম।

    পুনশ্চঃ
    কর্মজীবনে‌র শেষ পর্বে নভী মুম্বাইয়ের থানে বেলাপুর রোডে ভারতের প্রথমসারির এক সুবিশাল প্রাইভেট কোম্পানির হেড‌অফিসে তখন বসি। কোম্পানি একটি প্রোডাক্ট আইডিয়া এক্সপ্লোর করতে চাইলো। তার কিছুদিন আগে, চিরকাল কনস্ট্রাকশন ফিল্ডে কাজ করে, কোনোদিন ডিজাইন অফিসের ধারকাছ না মাড়িয়ে, StaddPro সফটওয়্যারের ABCD না জেনে, নিতান্তই ফার্স্ট প্রিন্সিপল থেকে আমি একটি ডিজাইন মডিফিকেশন সাজেস্ট করেছি‌লাম। যে ডিজাইনে দু বছর ধরে ভারতব‍্যাপী একটি বিশেষ বস্তুর ফাউন্ডেশন নির্মাণ কাজ হয়ে চলেছে। হেড‌অফিসে আসার আগে ঐ ডিজাইনে আমি‌ও জমি‌তে কাজ করেছি আমেদাবাদে। তখনই মনে হয়েছিল - ডিজাইন‌টি Impractical, time consuming and unduly difficult to execute. 
     
    আমার সাজেশন পেয়ে কোম্পানির ইনহাউস ডিজাইন ডিপার্টমেন্টে বেশ খলবলি পড়ে গে‌‌ল। কী এতো আস্পদা? কোথাকার কে হরিদাস পাল (তখন গুরুতে সেই উপাধি‌ও পাই নি), সে কিনা বলে, এই ডিজা‌ইন ওভার সেফ, ইম্প্র‍্যাক্টাক‍্যাল? 
     
    ব‍্যস শুরু হয়ে গেল ইমেলে বিতণ্ডা। মামলা পৌঁছে গেল এমডি তক। তিনি কোম্পানির বহু পুরোনো, বিচক্ষণ  কর্মী। কোনো কূটকচালি‌তে গেলেন না‌। ওনার নির্দেশে ঐ বিষয়ে চেন্নাইয়ের এক ইনডিপেনডেন্ট স্ট্রাকচারাল কনসালট্যান্টের কাছে চলে গেল আমার চার পাতার এক্সেল শিটে করা ক‍্যালকুলেশন। সেই কনসালট্যান্ট পুরোদস্তুর প্রফেশনাল। আমার প্রস্তাব যাচাই করে লিখিত রায় দিলেন - প্রস্তাবিত সাজেশনটি আগের ডিজাইন থেকে much better and economic solution. কানের পাশ দিয়ে তীর বেরিয়ে গেল। আমার ভুল হলে হয়তো তিন মাসের নোটিশ পে নিয়ে ঐ বয়সে আবার চাকরি খুঁজতে বেরুতে হোতো।
     
    ফলে আমার ইমিডিয়েট বস - যিনি আবার অল ইন্ডিয়া কন্সট্রাকশন হেড - ভাবলেন এর হয়তো জমি‌তে কাজের থেকেও কাগজপত্রে মাথা ঘামাতে বেশী ভালো লাগে। তাই একদিন চেম্বারে ডেকে একতাড়া কাগজ দিয়ে বললেন, তুমি এই প্রোডাক্ট আইডিয়া থেকে প্রোটোটাইপ ডেভেলপ করে, টেষ্টিং করে ভ‍্যালিডেট করবে। দু তিন ওসব কাগজ ওপর ওপর দেখে একদিন লাঞ্চের পর যখন একটু খোশ মেজাজে থাকেন তিনি, ওনার চেম্বারে গিয়ে করুণ মুখে মিনমিন করে বললুম, স‍্যার এটা তো সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের আঙিনায় পড়ে না - পিভিসি কম্পাউন্ড, শিট / ডাফ (dough) মোল্ডিং, ইঞ্জেকশন মোল্ডিং এসব সম্পর্কে তো কিছুই জানি না।
     
    IIT মুম্বাইয়ের ফিফথ্ ব‍্যাচের পাশ‌আউট সিং সাহেব, কোম্পানির এক পিলার, বহুদিনের এমপ্লয়ি, অবসরের পরেও অনেকদিন আছেন এক্সটেনশনে, কোম্পানি‌ই ছাড়ে নি, সাইবেরিয়া‌ন বাঘের মতো চেহারা এবং কণ্ঠস্বর। তবে সেদিন হয়তো আমায় দেখে একটু স্নেহবশত‌ই নরম ক‍রে বললেন, তোমার তো মাথা ঘামাতে ভালো লাগে, দ‍্যাখো একটু চেষ্টা করে। মনে হয় অসুবিধা হবে না। তাছাড়া কোম্পানি মিস্টার শঙ্করণকে রেখেছেন ইন্ডিয়ান কনসালট্যান্ট হিসেবে। উনি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। এই কোম্পানি‌তেই বিশ বছর চাকরি করে প্রেসিডেন্ট হিসেবে অবসর নিয়েছে‌ন। গুণী মানুষ। আইডিয়া‌টা বিদেশের। ভারতে এ জিনিস এখনো অবধি কোথাও হয়নি। ব্রিটেন এবং নেদারল্যান্ডসের একজন করে এক্সটার্নাল কনসালট্যান্ট থাকবেন। তুমি ইনহাউস রিসোর্স হিসেবে এদের সাথে মিলেমিশে কাজ করবে। ভয় পেয়ো না, তোমায় একা কিছু ক‍রতে হবে না। আমার মনে হয় নতুন কিছু জানতে পেরে তোমার ভালো‌ই লাগবে। 
     
    এমন আশ্বাসে‌র পর দ্বিধা থাকার কথা নয়। লেগে পড়লুম তা নিয়ে। মাস চারেকের মধ‍্যে অনেক কিছু নতুন বিষয় জানলাম। বিদেশি কনসালট‍্যান্ট দুজন‌ও দারুণ মানুষ। ওরা এবং মিস্টার শঙ্করণের সাথে পুনেতে মাহিন্দ্রা রাইস, আমেদাবাদে সিনটেক্স ইনডাস্ট্রিস, গুরগাঁ‌ওতে একটি অটো কম্পোনেন্ট প্রস্তুতকারক সংস্থায় একসাথে কয়েকটি ভিজিটে গেলাম। কিন্তু প্রোটোটাইপ তৈরি করেও টেস্টিং স্টেজে কিছুতে‌ই দাঁড়াচ্ছে না প্রোডাক্ট। ব্রিটিশ কনসালট্যান্ট‌ও ভেবে আকুল।
    একদিন সিনিয়র ভিপি প্রকাশ সিন্ধে (নাম পরিবর্তিত) বান্দ্রা অফিস থেকে হেড অফিসে এসেছেন এক মিটিং‌য়ে। উনি আমার ইন্টারভিউ নিয়ে‌ছেন। ভালো করে চেনেন আমায়। বললেন, কী সমরেশ, কদ্দুর দাঁড়ালো ওটা? জিনিসটা দাঁড়ালে শহরের মধ্যে কাজে খুব সুবিধা হবে। উনি মুম্বাই মেট্রোপলিটান রিজিয়নের হেড। তাই আগ্ৰহ আছে। বললুম অসুবিধার কথা। খুব রসিক মানুষ এবং মুখ আলগা। বললেন, আমার আগেই মনে হয়েছিল ওটা হয়তো দাঁড়াবে না। আমি বলি, যদি নাই হতে পারে তাহলে কোম্পানি ওটা ডেভেলপ করতে আমায় লাগালো কেন? অনেক পয়সা‌ও তো খরচ হচ্ছে?
     
    সিন্ধে সাহেব বলেন, আগে তোমার দ্বিতীয় প্রশ্নের জবাব দিই। এ কোম্পানির কাছে যে পয়সার অভাব নেই, সেটা দু দফায় এখানে দশ বছরের ওপর কাজ করে তোমার বোঝা উচিত। আর তোমায় কেন এতে লাগালো? হয়তো এই Exercise এক ধরনের Mental Masterbation. আমি ভ‍্যাবাচ‍্যাকা খেয়ে বলি, মানে? উনি হাসতে হাসতে বলেন, মানে কেউ একটা আইডিয়া দিয়েছে, সেটা এক কথায় নাকচ করার আগে - তোমায় লাগিয়ে দিয়েছে - সেটা‌র সম্ভাব্য‌তা যাচাই করতে। তোমার দেওয়া আগের সাজেশনে কোম্পানির হয়তো মনে হয়েছে - তোমার একটু গভীরে গিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে ভালো লাগে। কোম্পানির‌ও হয়তো মনে হয়েছে, এই mental masterbation এর পরিণাম Retrograde ejaculation. তবে যদি কোনোভাবে আইডিয়া‌টা ক্লিক ক‍রে যায় তাতে লাভ ব‌ই, লোকসান তো নেই। 
     
    আমি আর সেদিন মুখ ফুটে বলতে পারিনি, স‍্যার - Retrograde ejaculation টা কি জিনিস? এ তো আজ অবধি শুনিনি কখনো? উনি চলে যেতে গুগল করে জানলাম - In case of retrograde ejaculation semen enters the bladder and later comes out thru urine instead of emerging through the penis during orgasm. Although one may still reach a sexual climax,  however, he might ejaculate very little or no semen. This is sometimes called a dry orgasm.
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • অন্যান্য | ২৫ জানুয়ারি ২০২৪ | ১৫৫ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    পরবাস  - Esha Ghosh
    আরও পড়ুন
    ইঁদুর  - Anirban M
    আরও পড়ুন
    ** - sumana sengupta
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। চটপট মতামত দিন