এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • গুরুর কথা

    সৈকত বন্দ্যোপাধ্যায় লেখকের গ্রাহক হোন
    ০৮ অক্টোবর ২০২৩ | ৬৪৮ বার পঠিত | রেটিং ৪.৭ (৭ জন)
  • বিকল্প মিডিয়া নিয়ে কিছু কথা লিখেছিলাম আগের দিন। আমাদের কথা, অর্থাৎ গুরুচণ্ডা৯ নিয়ে কিছু লিখিনি। সেটাও বলা দরকার। আগামী বছর গুরুচণ্ডা৯র  কুড়ি বছর হবে। ২০০৪ সালে ওয়েবসাইট খোলা থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত গুরুচণ্ডা৯ সম্পূর্ণ অলাভজনক একটি প্রতিষ্ঠান। অর্থাৎ, আমরা বই ছাপি, বিক্রিও করি, কিন্তু যদি তা থেকে লাভ-টাভ কখনও হবার সম্ভাবনা হয়, তাহলে সেটা পকেটে পুরে কেউ বাড়ি নিয়ে যায়না। বইয়ের ক্ষেত্রে লাভ করার বিশেষ চেষ্টাও অবশ্য আমরা করিনা, কম দামে সুলভে বই দেওয়াটাই আমাদের লক্ষ্য। লেখালিখির ক্ষেত্রে লক্ষ্য, 'অন্যরকম' ঘরানাকে উৎসাহ দেওয়া, তৈরি করা। আর ইন্টারনেটে লক্ষ্য একটা আলোচনার পরিসর তৈরি করা। বাণিজ্যিক, রাজনৈতিক অ্যাফিলিয়েশন আমাদের কোত্থাও নেই। কোথাও কোনো টিকি বাঁধা নেই, বাধ্যবাধকতা নেই। আমরা কোনো গোষ্ঠীতে নেই।

    এই পুরোটা নিশ্চিত করার জন্য আমাদের আছে একটা ট্রাস্ট। তার নামও গুরুচণ্ডালি, সেটাই পুরো উদ্যোগটাকে পরিচালনা করে। কোনো কোম্পানি নেই, কোনো বিনিয়োগ নেই, ছিলওনা কখনও। পুঁজির যথেষ্ট অভাব আছে, এবং বইয়ে ভরতুকি দিতে হয় বলে, আমরা বই ছাপি চেয়েচিন্তে। লোকজন অর্থসাহায্য করেন, যেটাকে আমরা বলি দত্তক নেওয়া। কাদের দত্তকে বই ছাপা হল, সেটা বইয়েই লেখা থাকে, যদি না নাম-প্রকাশে-অনিচ্ছুক হন। আমাদের সমস্ত উদ্যোগই ঢিলেঢালা, কারণ পুরোটাই স্বেচ্ছাশ্রম দিয়ে চলে। অ্যাপ বানানো, ওয়েবসাইট তৈরি, বইয়ের পেজমেকিং, লেখার প্রুফ দেখা, প্রচার-টচার সবই নিজেদের হাতে। একদল পার্টটাইম স্বেচ্ছাসেবী দিনের কাজকর্ম সেরে রাতে গুরুর কাজ নিয়ে বসেন। শ্রম নিয়ে তাঁরা ঢাক পেটাননা, কিছু ফিরে পাবার, এমনকি নামেরও প্রত্যাশা করেননা। নিজেদের মধ্যে মতবিরোধও হয় বিস্তর, কিন্তু সবাই জানেন, যে, মতামতের পার্থক্যই গুরুর চালিকাশক্তি। গ্রুপ, সাইট, বইমেলা, কোনোটাই স্বয়ংক্রিয় নয়, আস্ত একটা স্বেচ্ছাশ্রমের টিম আছে তার পিছনে, এবং এই পুরো দলটার জন্য, আমি ব্যক্তিগতভাবে গর্বিত। আমরা সাড়ে-তিন-দিনে একটা বই ছেপে বার করে দিতে পারি, বাণিজ্যিক সাইটের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আমাদের সাইটে লেখাপত্তর চলে, কিছু সম্পাদিত, বেশিরভাগই লোকজনের ব্লগ-খেরোর খাতা। চাপ পড়ে গুচ্ছের, অনেকেই আমাকে বলেন, এত লিখি কেন, কিন্তু বিশ্বাস করুন, এ হল গোটা কাজের ভগ্নাংশ। এবং আমি না গোটা একটা দল, এই চাপ নেয়। অগোছালো কিন্তু স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে এই একটা আস্ত বাস্তুতন্ত্র যে চলছে, আমাদের এই যে কাউকে-কেয়ার-করিনা হাবভাব, কোনোটাই এই টিম ছাড়া হতনা।

    এর পরেও খরচাপাতি কিছু আছে। পার্টটাইম কর্মী আছেন আমাদের একজন। তিনিও যতটা কর্মী তার চেয়ে বেশি স্বেচ্ছাসেবক। প্রেসও বস্তুত তাই। আগে তো ছাপুন, বিক্রি হলে বিল মেটাবেন - এই মোডে চলেন। বইপত্তর স্টক করার কিছু খরচা আছে। বইয়ের দাম ছাপার খরচের অন্তত পাঁচগুণ রাখাটাই এখন দস্তুর, সেটা করলে, এই খরচাপাতিগুলো সামান্যই হত। তার সঙ্গে বাইরে থেকে বিনিয়োগ নিলে ব্যাপারটা মসৃণতর হত। কিন্তু সেসব আমরা করিনা, ফলে টানাটানি যায়। বছর-বছর আয়ব্যয় মোটামুটি কুলিয়ে গেলেও, মাঝেমধ্যে গোলমাল হয়। একবার প্রচুর বই নষ্ট হল বৃষ্টিতে। বছর দুই আগে পরিকল্পনার গোলমালে প্রচুর ঘাটতি হয়ে গিয়েছিল। সেসব পকেট থেকে মেটাতে হয়েছে। এগুলো থেকে আমরা শিখেছি, এখন সতর্কও, এসব আর হবে না, আশা করা যায়।

    এই কৃচ্ছসাধন কেন? কারণ, প্রথম থেকে এখনও, আমরা স্টার্ট-আপ সংস্কৃতিতে কখনও ঢুকিনি। সেটা আমাদের নিজেদের পছন্দ। শখের কারণে নয়, এটা সত্যিই আমরা বিশ্বাস করি, যে, অর্থ বা অন্যরকম সাহায্য বিনাশর্তে আসেনা। এটা তো অন্য কোনো পণ্য নয়, যে বিনিয়োগকারীর সঙ্গে দরাদরি করে কিছু একটা ঠিক করব। আমরা পেশাগতভাবে, সর্বত্রই পুঁজি বা ক্ষমতার কাছে নতজানু, কোনো-না-কোনো ভাবে নিগড়ে আটকে, কিন্তু এটা তো আমাদের পেশা না। লিনাক্সের মতোই, এটা একটা আদর্শ, এটা একটা চলবার ভঙ্গী। এটা সম্পূর্ণই নিজের এবং ব্যবহারকারীদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ব্যাপার, ফলে কোনো শর্ত আমরা মানার প্রশ্নই নেই। 'বিকল্প' হবার এটাই প্রাথমিক শর্ত বলে আমরা মনে করি। কর্পোরেট কারবার অনৈতিক কিছু না, ব্যবসাও বহু লোকেই করেন, কিন্তু মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে সেই একই জিনিস যদি ঢুকি, তো খামোখা নিজেদের 'বিকল্প' বলব কেন?

    তা, এই করেই বছর কুড়ি চলে গেল। ক্ষতি কিছু হয়নি। বিনিয়োগ খুঁজে বেড়ালে, আরও একটু ঝকঝকে হওয়া যেত, ঝুড়িতে আরও কটা জিনিস ঢুকত, কিন্তু স্বেচ্ছাশ্রমের ফুর্তি, কেয়ার-করিনা ঔদ্ধত্য, এবং নিজেদের একটা জিনিস করছি, এই বোধ, কোনোটাই পাওয়া যেতনা। এবং, আমি বছর-কুড়ি গুরু করছি, তার আগে থেকেই কর্পোরেট চাকরি, সব দেখা-টেখার পর আমার উপলব্ধি, যে, স্বেচ্ছাশ্রমের কমিটমেন্ট, অন্য কোথাও, কোনোভাবে পাওয়া যায়না। এই নিও-লিবারালিজমের বাজারে, সেই উপলব্ধিই বা কম কী।

    এই নিয়ে প্রশ্ন-টশ্ন উঠেছে। ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াচ্ছে কুড়ি বছর ধরে? এর মানে কী? নিশ্চয়ই পিছনে কিছু গপ্পো আছে। ফান্ডিং আছে। লাভের ব্যাপার আছে। রাজনৈতিক প্রভাব আছে। এর মধ্যে কিছু কুৎসা। যাঁরা ফান্ডিং-টান্ডিং খোঁজেন, তাঁরাই মূলত করেছেন। তাতে খারাপ লেগেছে, কোনো সমস্যা হয়নি তাও না, কিন্তু ভয়াবহ কিছু ক্ষতি হয়নি। কারণ আমরা একরকম করে বেড়েই তো চলেছি। তার পিছনে এঁদেরও অবদান আছে। কারণ, কুৎসা বাদ দিলেও, প্রশ্নগুলো তো সত্যিই। যাঁরা আমাদের চেনেননা, তাঁদের মাথাতেও আসতেই পারে। এবং সৎ প্রশ্নে কোনো দোষ নেই। এইটা আমরা বুঝতে পেরেছি। এবং স্বতঃপ্রণোদিতভাবে পুরোটা বুঝিয়েও বলি লোকজনকে, প্রশ্নের অপেক্ষায় থাকিনা। এই এখন যেমন বললাম। 'বিকল্প' হয়ে উঠতে গেলে বাকি কাজের সঙ্গে এটাও একটা কাজ। আপনি যদি 'বিকল্প' হতে চান, বিশেষ করে এই অদ্ভুত যুগে, এটা আপনাকে লোকজনকে বলতেই হবে। যে, আপনি ট্রাস্ট না কোম্পানি, না স্রেফ ব্যক্তিগতভাবে একটা জিনিস চালান। যদি কোম্পানি হন, বা ট্রাস্ট হলেও, পিছনে বিনিয়োগ কার আছে। ভারতীয় পুঁজি, না আমেরিকান, না ইউরোপীয়। বিনিয়োগকারীর অন্য কী ব্যবসা আছে। ইত্যাদি। প্রশ্নগুলো এইরকম ভাবে নাও আসতে পারে, কিন্তু আপনার স্বচ্ছতার দায় আপনার। ব্যবসামুখী হলেও কোনো ক্ষতি নেই, গুগল-সার্চ থেকে স্মার্টফোন অবধি সবই ব্যবসায়িক উদ্যোগ। কিন্তু এটা যেহেতু মতপ্রকাশ এবং মতনির্মাণের পরিসর, তাই কীসের পিছনে কার কতটা স্বার্থ, এই ব্যাপারে পরিষ্কার থাকা ভালো। 

    এই ব্যাপারটা লিটল ম্যাগের যুগে দরকার হতনা। কারণ ৯৯% ক্ষেত্রে ওগুলো বনের মোষ তাড়ানো ছিল, সেটাই ছিল চালু ব্যাপার। কোনো লিটল-ম্যাগের বিরাট অফিস, একগাদা কর্মী, তাঁদের ভ্রমণ, এসব কেউ কখনও দেখেনি। কিন্তু এখন তো স্টার্ট-আপ সংস্কৃতি এসে বিষয়টাই ঘেঁটে দিয়েছে। সংস্কৃতিটাই বদলে দিয়েছে। অনেক কুৎসার পর আমরা ঠেকে শিখেছি, যে, আমরা যে এই সংস্কৃতির অংশ নই, সেটা  বলে দেওয়া দরকার। তাই গুরুর দিক থেকে জিনিসটা কী, পরিষ্কার করে বলে দিলাম। বলাবাহুল্য অন্যকে বিচার করার ক্ষেত্রেও আমি ব্যক্তিগতভাবে এই মাপকাঠিই প্রয়োগ করি। আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাস, যে, 'বিকল্প' হতে গেলে এই স্বচ্ছতার কোনো বিকল্প নেই। কেউ নিজেকে 'বিকল্প' বলে দাবী করলেই (আমি সহ) সব্বাইকে এই প্রশ্নগুলো করুন, দেখে নিন উত্তর কী আসে, বা আসে কিনা। কুৎসা একেবারেই ভালো জিনিস না, কিন্তু প্রশ্নগুলো যথাযথ ও জরুরি। গুরু সহ সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। বলাবাহুল্য, সবাই আমার চিন্তার ধরণে একমত নাই হতে পারেন। বহুজাতিক পুঁজিই সাংস্কৃতিক বিকল্পের উৎসও ভাবতেই পারেন। মতবিরোধে আমার কোনো সমস্যা নেই। তবে সেক্ষেত্রেও, স্বচ্ছতা ব্যাপারটা জরুরি, এ নিয়ে আশা করি এই লেখার পাঠককূলের সঙ্গে কোনো দ্বিমত হবেনা।
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • upal mukhopadhyay | ০৮ অক্টোবর ২০২৩ ১০:৪৩524408
  • এই অলাভজনক কালেক্টিভের বিকল্প মডেলই ভরসা। যত দিন যাচ্ছে ততো এর প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হচ্ছে। অন্য ধারার লেখকরাও কর্পোরেট বা বাংলার ক্ষয়িষ্ণু প্রথাগত বামপন্থী ঘরানা সহ নানা প্রভাববৃত্তের চক্করে ফেঁসে না গিয়ে, পাবলিশ অর পেরিশের বদ চক্কর থেকে বেরিয়ে, গুরুচণ্ডালীর মতো কালেক্টিভে জমায়েত হোন। নচেৎ, শক্তিক্ষয় করতেই পারেন। 
  • অমিতাভ চক্রবর্ত্তী | ০৮ অক্টোবর ২০২৩ ২৩:০৮524411
  • yes
     
    " তবে সেক্ষেত্রেও, স্বচ্ছতা ব্যাপারটা জরুরি, এ নিয়ে আশা করি এই লেখার পাঠককূলের সঙ্গে কোনো দ্বিমত হবেনা।"
     
    - তা কেন, এই নিয়েও দ্বিমত হোকনা - সেইটেই ত গুরুচণ্ডা৯! smiley
  • aranya | 2601:84:4600:5410:9d37:c8f2:f046:4af7 | ০৯ অক্টোবর ২০২৩ ০০:৫৪524413
  • ২০ বছর হয়ে গেছে, জাস্ট ভাবাই যায় না। 
    আমি খুবই খুশী, গর্বিত ও বটে, যে গুরু পাঠক সংখ্যা বাড়ছে (অন্য টই-তে পড়লাম আড়াই লাখ ইউনিক সাইট ভিজিট, গত মাসে, জাস্ট টু গুড)।  বই মেলায় স্টলে প্রচুর ভিড় হয়, অনেক তরুণ মুখ -ও দেখা যায়, যেটা বিশেষ প্রাপ্তি। 
  • aranya | 2601:84:4600:5410:9d37:c8f2:f046:4af7 | ০৯ অক্টোবর ২০২৩ ০১:৫৫524414
  • ২০০৭ থেকে গুরু পড়ছি, ২০০৯ থেকে গুরুতে আড্ডা। প্রথম দিকে যারা যুক্ত ছিলেন, অনেক কাজ করেছেন, সময়ের সাথে সাথে তারা অনেকেই চলে গেছেন, নতুন মুখ এসেছে, রিলে রেসের বেটন হাত বদল হওয়ার মত, কাজ থেমে থাকছে না, এটা খুবই আনন্দের
    এই যে ​​​​​​​নতুন ​​​​​​​লেখক, কর্মীরা ​​​​​​​গুরুর ​​​​​​​সাথে ​​​​​​​যুক্ত ​​​​​​​হচ্ছেন, ​​​​​​​তার ​​​​​​​মূল ​​​​​​​কারণ ​​​​​​​আমার ​​​​​​​মনে ​​​​​​​হয়, যে ​​​​​​​ধরণের ​​​​​​​লেখা ​​​​​​​বা ​​​​​​​বই ​​​​​​​পত্র ​​​​​​​প্রকাশিত হচ্ছে, ​​​​​​​তার ​​​​​​​সাথে ​​​​​​​মুক্তমনা;  ​​​​​​​মানুষ, ​​​পরিবেশ, প্রকৃতি-কে ​​​​​​​ভালবাসা ​​​​​​​লোকজনেরা ​​​​​​​একাত্ম ​​​​​​​বোধ ​​​​​​​করতে পারেন। 
  • বিপ্লব রহমান | ১৮ অক্টোবর ২০২৩ ১৫:৪০524749
  • স্বেচ্ছা শ্রম আছে বলেই গুরুর টিকি কোথাও বাধা নেই। আছে সত্য প্রকাশের দুরন্ত সাহস। 
     
    ভাবতে ভালো লাগছে, গুরুচাণ্ডালীর পথ চলার বছর কুড়ির মধ্যে ১৩ বছর গুরুর সংগে আঠা লাগিয়ে নিজেকে জড়িয়ে রেখেছি। 
     
    কুৎসা রটনাকারীরা আগেও ছিলো, এখনো আছে, ভবিষ্যতেও হয়তো থাকবে। আর এক্ষেত্রে মেহের আলীর "তফাৎ যাও! তফাৎ যাও! সবকুছ ঝুটা!" হুংকারই বাস্তবতা। 
     
    জয় গুরু! 
  • kalyan sengupta | ০৪ জানুয়ারি ২০২৪ ১২:৫৬527389
  • গুরুচন্ডালি র উদ্যোগ অভিনব উজ্জ্বল ও সাধারণ লেখকদের আশা ও ভরসার স্থল। এর সর্বাত্মক সাফল্য কামনা করি ও সাধ্য, সুযোগ মতো সক্রিয় থাকার চেষ্টা করতে পারি।
  • Sara Man | ০৫ জানুয়ারি ২০২৪ ১২:৩৭527407
  • গুরুচন্ডালেরা দীর্ঘজীবী হউন। 
  • | ০৫ জানুয়ারি ২০২৪ ১৫:১৭527410
  • স্বচ্ছতা তো বটেই আরো একটা জিনিষও খুব জরুরী। সেটা হল অ্যাকাউন্টেবিলিটি বা দায়বদ্ধতা।  একটা কাজ নিলে সেটা না পারলে তৎক্ষণাৎ (বা যখনি বোঝা গেল পারব না) তখনই জানানো. কাজের পরিসর কতটা হবে সেটা পরিস্কার করে বলে নেওয়া ইত্যাদি বেশ জরুরী ব্যপার। 
     
    আর ট্রাস্ট পুরোটা চালায়? ভ্যাট! অথবা ট্রাস্টের ভেতরে কোন কোর ট্রাস্ট আছে যা চালায় হতে পারে। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি প্রতিক্রিয়া দিন