এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  গপ্পো

  • অপূর্ব যোগ

    মোহাম্মদ কাজী মামুন লেখকের গ্রাহক হোন
    গপ্পো | ১৪ এপ্রিল ২০২৩ | ৪৪৩ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • ‘’আমরা যে কদিন গ্রামের বাড়িতে ছিলাম, একদমই পানি দাওনি।“ - বাবার কণ্ঠে অভিযোগ, রাগ, হতাশা ছাপিয়ে উথলে উঠে শোক, তার ঢেউ গম্‌গম্‌ আওয়াজ তোলে নোনা ধরা দেয়ালটার রুগ্ন শরীরে।
     
    জমিজমার হিসেব-নিকেশে বাবা বাড়ি গিয়েছিল। বয়েস হয়েছে বাবার, তাকে দেখে রাখার জন্য মাও সঙ্গে চলল; আর মায়েরও তো বয়েস একদম কম হয়নি, তাই একমাত্র বোনটিও সঙ্গী হল। চাকুরি খুঁজছি দিনরাত, সামনেই কয়েকটি পরীক্ষা, তাই ছুটির কথাটা পাড়ার সাহস হল না। তারা সপ্তাহখানেকের জন্য গিয়েছিল, কিন্তু প্রায় তিন সপ্তাহ কাটিয়ে এল, এবং দেখতে পেল বারান্দার টবগুলোতে যেন গ্রহণ লেগেছে, শুয়ে গেছে সবগুলো চারা।
     
    এবারের বর্ষাটা যেন কেমন ছিল! শুকোতে শুকোতে বনের গাছগুলো কাঠ হচ্ছিল ফার্নিচার হাউজে উঠার আগেই, তাও দেখা মিলছিল না রিমঝিমের। শুরুর দিকে চুইয়ে চুইয়ে পড়তো, তখন সবার আশা ছিল, আসুক শ্রাবণ, এমন করে ভাসাবে সবকিছু যে মাছেদের মত হাপুসহাপুস করে ক্ষিদে মেটাবে জলতরঙ্গের ঘূর্ণিতে। কিন্তু এহেন ছন্নছাড়া মুখ আর মলিনবেশ তার অনেকদিন দেখা যায়নি! এমনো দিন গেছে, মানুষ এক ঢোক জলের জন্য তেষ্টায় থাকতে থাকতে অবাক হয়ে আবিষ্কার করেছে, জল নামছে তার জামা-কাপড় ছাপিয়ে, শরীরটা উষ্ণ প্রস্রবণ হয়ে! সম্পূর্ণ বিপরীত স্বভাবের পিঠাপিঠি ভাই ভাদ্র কিন্তু শ্যেন দৃষ্টিতে তাকিয়ে ছিল শ্রাবণের দিকে - শ্রাবণ যাই করুক, ভাদ্র ভাই তার স্বভাব চরিত্র বিসর্জন দেবে না কিছুতেই; লোকে যেন কইতে না পারে, কই তোর আর কী আলাদা! সব তো তোর আগের কালেই দেখে এলুম! প্রবল এক জাত্যাভিমান থেকে ভাদ্র দেখিয়ে চলল সচেতন ভেল্কি যা পুরনো সব রেকর্ড ভেঙেচুড়ে তসনস করে দিলে! মানুষ এসি বাসেও শান্তি পেলে না, আর এসিগুলো ভাদ্রের গরম নিঃশ্বাসের সাথে যুঝতে যুঝতে প্রাণবায়ু হারালে!
     
    সত্যি, আমি ভুলে গিয়েছিলাম, বা, আমিও এই ফাঁকে ফাঁকা বাসায় না কাটিয়ে বন্ধুর বাসা, বনে-বাদাড়ে কাটিয়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু যখন মনে পড়েছে, তখন কিন্তু পানি দিয়েছি, এমনকি ভর দুপুরে বা রাতের আঁধারে! এবং যখন দিয়েছি ইচ্ছেমত দিয়েছি, যতক্ষণ না কাদায় থিক্‌ থিক্‌ করতে দেখেছি, ততক্ষণ দিয়েই গিয়েছি। কিন্তু এসব তো আর বলা যায় না, তাই আমি গাছগুলির দিকে চেয়ে রইলাম, নাহ্‌, আমার মধ্যে কোন অপরাধবোধ নেই, আমি বরং গাছগুলোর নবায়ন নিয়ে ভাবছি; কঠিন কাজ না, বাড়ির কাছেই নার্সারি, আর সেখানে অভাব নেই এই ঘরানার চারাগুলোর - নানা জাতের, নানা বর্ণের আর গন্ধের ফুটফুটে বৃক্ষশিশুরা মুখরিত করে রেখেছে সেই নার্সারিটি! এবার অবশ্য সার নিয়ে আসতে হবে অনেক, তখন আর মরতে হবে না দুষ্টগুলিকে! ভারী এক খেলা শুরু করে দিয়েছে বজ্জাতগুলো, বাড়ি করে বয়ে নিয়ে আসতেই টুপ করে মরে যাওয়া!
     
    বাবা গাছগুলোকে নিয়ে পড়ে থাকলো। দিন নেই, রাত নেই - ওগুলোকে জলখাবার খাওয়াল, রোদে গোসল করিয়ে আনলো, দোকান থেকে মালমশলা কিনে নিজের হাতে বেঁটে আর পিষে স্প্রে করলো। বাবার মত অবসর থাকলে আমিও তো করতুম! চাকরি খোঁজা, ট্যুইশানির পাশাপাশি ক্লাব চালানো দুটো! পাড়ার কতগুলি ছেলেপুলে আমার দিকে তাকিয়ে, তারা বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আসে, শলা-পরামর্শ, আপোস-রফা; মাঝে মাঝে ট্যুর থাকে, ট্রেকিং চলে। আমি আনমনে গাছগুলি আর বাবাকে দেখতে থাকি। বাবা গাছগুলির সাথে এমনি মিশে থাকে যে, কোনটা গাছ, আর কোনটা বাবা -আলাদা করে চিনতে পারি না, প্রবল এক দৃষ্টি বিভ্রমে ভুগতে থাকি।
     
    গাছগুলোর উপর চোখ বুলোতে বুলোতে একদিন বাবাকে বলি, “বেলি গাছটা মরে গেছে, দেখতে খারাপ লাগে খুব, তুলে ফেললে হয়। নতুন একটা এনে দেব নে।“ গাছটা বারান্দার কোণ দখল করে শুধু লম্বায় বাড়ছিল, শুধু একটি ডাল কোনমতে মুখ তুলে ছিল, আশেপাশের ডালগুলি একে একে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ছিল। আসলে এটির কি অভাব, তা কখনো বুঝতে পারিনি। এটি কি রোদ পছন্দ করে, না জল-হাওয়া, বা কি এদের বিশেষ কোন মিশ্রণ আর সমীকরণ, তা কখনোই মেলাতে পারিনি।
     
    “কেন গাছটাতে পানি দিতে পারতে না।“- বাবা মনে হয় আমার কথা কানেই তোলেনি, এক দৃষ্টিতে কিছুক্ষণ চেয়ে থেকে সেই আগের কথাটিরই পুনরুক্তি করলো। বুড়ো বয়সের এই আশ্চর্য ঝোঁক, কিছু কথা একেবারেই যক্ষের মত আগলে রাখবে, আর অধিকাংশই ভুলে যাবে।
     
    “পানি দিয়ে কি করব? এক বছর ধরে পুষছি ওটাকে, একটাও ফুল দিয়েছে?”
    বাবা আমার কথার কোন উত্তর দিল না। বা, প্রয়োজন মনে করলো না। আমার সব কিছুতেই তার তাচ্ছিল্য। আমি যা করতে চেয়েছি জীবনে সে না করেনি, আবার পছন্দও করেনি। একবারতো পরীক্ষা ড্রপ করলাম, সামনে ছিল বিশ্বকাপ, দল বেঁধে বন্ধুরা সবাই ব্যানার করছে, ক্লাবঘর সাজানো হচ্ছে, জায়ান্ট স্ক্রিন ফিট করা হচ্ছে, সেই সময় পরীক্ষার আগের রাতগুলো বইয়ের দিকে তাকিয়ে কাটাতে হবে, ভাবতেই জ্বর আসলো গায়ে, আর ফিস সব জলে গেল। মায়ের কাছে সব শুনে বাবা রাগ করলেন না একটুও, শুধু বললেন, যার যার জীবন তার ইচ্ছেমত বেছে নেয়ার অধিকার আছে; সে যদি পরনির্ভর হয়ে বাঁচতে ভালবাসে, তাই করুক!
     
    বাবা রঙ্গন শেষ করে টগরের দিকে হাত বাড়িয়েছে, বেলি গাছটা আছে আরো দূরে। কিন্তু সেদিকে না, আমি তাকিয়ে আছে একেবারে উল্টো দিকে, টব আলোকিত করে রাখা গোলাপ গাছটার দিকে। বাসায় তোলার পর থেকেই সে ফুল ফুটিয়ে যাচ্ছিল। নিজের বাড়ি থেকে সাথে করে আনা কলি ফুরোনোর পরও সে মিইয়ে যায়নি, জিরোয় নি এক প্রহরও। আত্মপ্রসাদে না ভুগে আরো কলির গয়না গড়িয়ে নিয়েছিল নিজের কচি অঙ্গে। গোলাপ গাছটি রোদ খুব পছন্দ করে, আর তা পর্যাপ্ত ছিল আমাদের খোলামেলা বারান্দাটায়। কিন্তু সেই-ই তার জ্বলজ্বলে পারফর্মেন্সের একমাত্র রহস্য ছিল না। আসলে যে গরু দুধ দেয়, তাকে আদর করতেও ইচ্ছে করে! আমার এই গোলাপ গাছটা সর্বদা ইনটেনসিভ কেয়ারে থাকতো। সে পরিমিত আহার করতো, মেপে চলতো তার শয়ন আর কান্ড-ক্রীড়ার মানঘন্টা। সে কখনো অভাবের মুখ দেখেনি। তার জন্য ছিল সার্বক্ষণিক গার্ড, প্রতীরক্ষার এক নিশ্ছিদ্র দেয়াল।
     
    দেখতে দেখতে ভাদ্র মিলিয়ে যেতে লাগলো, আশ্বিন আসি আসি করছে। বাবা আগের মতই ঋতুগুলোর সাথে তাল মিলিয়ে চলতে লাগলো, আমি আমার গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলি করে যেতে লাগলাম। ছুটি ঘনিয়ে এলে ছোটবোন বাড়িতে যাওয়ার জন্য অস্থির হয়ে উঠলো, মাত্রই মাস তিনেক আগে ঘুরে এসেও তাকে নাকি আবার যেতে হবে, কিছু কাজ আধেক, আর কিছু একদম না করেই চলে এসেছে যে! কিন্তু আমি কি করে যাই! আরও কিছু চাকরীর এক্সাম পড়ে গেছে, আমাদের অফিসগুলো তো আর স্কুলের মত এক সপ্তাহ পুজোর ছুটি কাটায় না! এছাড়া আমার দল-বলের কুয়াকাটা যাওয়ার একটা হাল্কা সম্ভাবনা উঁকি মারছে পরিষ্কার নীল আকাশে! তারা কি আমাকে না নিয়ে যেতে পারে? বা, আমারই কি উচিত তাদের একলা ছেড়ে দেয়া!

    ফাঁকা বাসায় থাকতে ভাল লাগে না, বাইরে বাইরেই বেশী কাটাই, এমনকি অপ্রয়োজনে ঘুরাঘুরি করি। যখন রাতে বাসায় আসি, তখন এত নিঃশেষিত লাগে! একা বাসায় কি কোন অদৃশ্য চাপ থাকে, যা পিষে পিষে ক্লান্তি উৎপাদন করে? সেদিন সেই ক্লান্তিকেই ঝেড়ে ফেলতে কিনা জানি না, পায়চারি করতে লাগলাম ঘর জুড়ে, মাঝে মাঝে গিয়ে দাঁড়ালাম বারান্দায়, আর এ করতে করতেই যখন গোলাপ গাছটার দিকে চোখ পড়ল, রীতিমত হতভম্ব হয়ে গেলাম! গত কদিন খুব করে বৃষ্টি হচ্ছিল, আর মানছি এ কদিন বাসার বারান্দা আর গাছ মাথা থেকে উধাও হয়ে গিয়েছিল। বাবা-মা-বোন-বিহীন বাসাটা থেকে ভোরে বেরিয়ে যাওয়া, আর রাতে বিছানায় শরীরখানা পেতে দেয়া – এই ছিল আমার বাঁধাধরা দিন-পরিক্রমা। শুধুমাত্র তাদের বাড়ি যাওয়ার দিনটির বিকেলে এক ঝলক বারান্দায় এসেছিলাম, কিছু জামাকাপড় ছিল ধাতব তারে আবদ্ধ, গাছগুলোর সাথে তারাও ভিজেছে সকাল থেকে। গোলাপ গাছটিকে দেখলাম পুরো ডুবে রয়েছে টবের চৌবাচ্চায়; ভেবেছিলাম ভাল হচ্ছে, পানি পাচ্ছে, এবার হয়তো আরো বেশী ফুলের রোশনাইতে ভরে উঠবে আমার গোলাপঘর। কিন্তু এ কি দেখছি আমি? নিজের চোখকেও বিশ্বাস করতে পারছি না যে! একটি মৃত কঙ্কাল আমার চোখের সামনে! কি করে তার মৃত্যু ঘনিয়ে এল? এত অল্প সময়ের মধ্যে? মাত্রই তো তিনটে দিন চোখের বাইরে ছিল! বাইরের মুক্ত হাওয়া, আকাশ আর বর্ষার পানি সে সইতে পারেনি? এত অল্পতেই এমন অসুখ করলো যে গা কাঁপিয়ে জ্বর এল? তাকে অনেক চিকিৎসা দেয়া হল, অনর্গল ছিটানো হল জীবনুনাশাক জল, খালি হল সিরাপের পর সিরাপ। কিন্তু কিছুতেই কিছু হল না, সে চিরদিনের মত হেলে পড়লো, তার শরীরের মিহি মাংসদানাগুলো ক্ষয়ে ক্ষয়ে পড়তে লাগলো।
     
    মনে আছে, পুরো তিনটে দিন বিছানায় শুয়ে ছিলাম, বাইরে বেরুতে পারিনি, রোদ সহ্য হত না। একদিন কি হল, সময়ের অনেক আগেই আঁধার নামতে শুরু করল, প্রবল বর্ষনের সাথে দাপিয়ে বেড়াল হিমেল বাতাস। এদিকে শুয়ে থাকতে থাকতে আমার পিঠে শেকড় গজিয়ে উঠছিল, শেষমেশ দুর্বল শরীরটা নিয়েই বারান্দাটায় পা বাড়ালাম সন্ধ্যের দিকে। বৃষ্টির তীর ঝাঁকে ঝাঁকে তখন বিঁধছে এর ইস্পাতের খাঁচাটায়, আমার গায়েও এসে পড়তে লাগলো তার ফলা। বাদল-সোহাগ থেকে বাঁচতেই কিনা, হঠাৎ দেয়ালের কোণটাতে ঝুঁকে গেলাম আমি, আর তখনই একটা দৃশ্য চমকে দিলে, আকাশের মেঘের থেকেও বেশী ভয়ানক করে। বেলি গাছটা যে মরে গিয়েছিল, তার মাথায় জ্বলজ্বল করছে একটি ক্ষুদে হিরের কণা! অনেক দিন পানি দেয়া হয়নি, সেই গাছ হঠাৎ জেগে উঠেছে, বেড়ে উঠেছে নিজের মত করে, ফুল ফুটিয়েছে আপন শক্তিতে! তার পুরো দেহ ঝকমক করছে, যৌবন উপচে উপচে পড়ছে! তার মনে হয় তীব্র এক আকাঙ্ক্ষা ছিল, এই বৃষ্টিটুকুর জন্যই যেন ছিল তার যুগযগান্তের তৃষ্ণা, এর জন্যই সে ধরে রেখেছিল তার প্রাণবায়ু হাজারো অনাদর, আর অবহেলা সয়ে! আমি আবেগাপ্লুত হয়ে তাকে জড়িয়ে ধরলাম, প্রাণভরে নিলাম সেই পারিজাতের সুবাস, আমিও যেন একে খুঁজছিলাম জন্ম-জন্মান্তর ধরে! অবশেষে তাকে পেলাম!
     
    রাত শেষ হয়েছে, কিন্তু ভোরের সূর্য তখনো ঘোমটা পরে! নির্মল শুভ্র আকাশ, আলো-জল-রোদ-হাওয়ার এক অপূর্ব যোগ বিশ্বচরাচরে! দু’পাড়ের কাশ-সাম্রাজ্য দেখতে দেখতে বিভোর হয়ে পড়েছিলাম, অথচ আর কিছুটা এগুলেই ঘাট, আর তারপরেই গ্রামের বাড়ি। যে নৌকোটা করে নদী পার হচ্ছিলাম, সে মনে হল একা একাই চলেছে, তারও যেন এক প্রতীক্ষা, স্রোতের গঞ্জনা সয়ে সয়ে! এদিকে মাঝি উদাস মনে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে; মাঝে মাঝে দুয়েকটা প্রশ্ন করেছি, কিন্তু উত্তর পাইনি। কাউকে না বলেই সেই সাত সকালে একটা ছোট্র ব্যাগ কাঁধে নিয়ে রওনা দিয়েছি, চাকুরি, এক্সাম, ক্লাব, ট্যুর - সবকিছুকে ছুটি দিয়ে! 
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • গপ্পো | ১৪ এপ্রিল ২০২৩ | ৪৪৩ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    ইঁদুর  - Anirban M
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন