এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  আলোচনা  অর্থনীতি

  • আবাসন সংগীত ও উন্মাদ নৃত্য

    মোহাম্মদ কাজী মামুন লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | অর্থনীতি | ২০ জানুয়ারি ২০২৩ | ১৬৮ বার পঠিত
  • ‘ঢাকার বাড়িওয়ালারা পাঁচ বছর পর ভাত পাইব না।’ কৌতুক জড়ানো কণ্ঠে বলল লোকটি। সে নিজেও একজন বাড়িওয়ালা, পায়রার খোপের মতো করে একটি বিশাল বাড়ি করছে আশুলিয়ার উপকণ্ঠে, শিল্পকারখানার স্বল্প আয়ের শ্রমজীবী মানুষকে টার্গেট করে। লোকটি ব্যাংকের নিকট ঋণের আবেদন করেছিল। রাজধানী থেকে দূরে হলেও বাড়িভাড়া নিয়ে সে নিঃসংশয় ছিল। সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের পক্ষে তার নির্মাণাধীন বাড়ি পরিদর্শনে গেলে, সে আমায় উল্টো ঢাকার বাড়িগুলো নিয়ে মাথা ঘামানোর পরামর্শ দিল।

    করোনাকালে ‘টু-লেট’ বা ‘অ-বিক্রীত ফ্ল্যাট’ ঢাকার আকাশ ছেয়ে ফেললেও আমার বেশির ভাগ গৃহঋণ গ্রাহক নির্মাণকাজ চালিয়ে গেছেন। কারণ জানতে চাইলে একজন বললেন, ‘এখন ঢাকা যতটুকু খালি হচ্ছে, করোনা শেষ হলে তার দ্বিগুণ ভরে যাবে।’ লাগামহীন প্রত্যাশার ঘটনা বিরল নয় অর্থনীতির ইতিহাসে। শুক্র অথবা মঙ্গলের পথ বেয়ে স্বর্গে পৌঁছানোর আকাঙ্ক্ষার মতোই চরম অভিঘাত অনেক সময় চরম উচ্চাশার জন্ম দিয়ে থাকে বিনিয়োগকারীদের মাঝে।

    একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, রাজধানীর ১১টি প্রধান আবাসিক এলাকায় ২০১৫ সালের ফ্ল্যাটের গড় মূল্য ছিল প্রতি বর্গফুট ৯০৯১ টাকা, কয়েক বছর প্রায় একই রকম থেকে ২০২০–এর করোনাকালে এ হারের উল্লম্ফন ঘটে ১১ হাজার ৪৫৫ টাকায়। অনেকে বলছেন, করোনা প্রণোদনার একাংশ ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে যায়নি। করোনাকালীন রেমিট্যান্সের বিপুল বিস্ফোরণ আন্দোলিত করেছে আবাসনের পর্দাকেও। ব্যাংকগুলোর একক অঙ্কের সুদ যুগে প্রবেশ ব্যাংক আমানতকে অনাকর্ষণীয় করে তুলেছে, সুতরাং মাথার ওপর আশ্রয় হওয়ার পাশাপাশি ফ্ল্যাট হয়ে উঠেছে সঞ্চয়ের উপকরণও। রিহ্যাব প্রেসিডেন্টের মতে, রিয়েল এস্টেট সেক্টরে প্রায় সাড়ে তিন হাজার কোটি টাকার অপ্রদর্শিত আয় ঢুকেছে গত বছরের শেষ ছয় মাসে। অর্থাৎ এটা স্পষ্ট যে রিয়েল এস্টেটের এই প্রবৃদ্ধি মানুষের আয়-উপার্জনের স্বাভাবিক প্রবৃদ্ধির সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।

    মাঝে মাঝে আমার মনে হয়, আমি এক আবাসন কারখানায় বসবাস করছি। যেখানে তাকাই সেখানেই আবাসন ব্যবসা, প্রতি মুহূর্তে জন্ম নিচ্ছে এই ব্যবসা। যাঁরা বাপ-দাদার কাছ থেকে সম্পত্তি পেয়েছেন, তাঁরা তো আছেনই, পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত পেশাজীবী, রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, ডাক্তার, উকিল, ইমাম, আমলা—সবাই নেমে পড়ছেন এই ব্যবসায়। কিছুদিন আগে একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের কাছে গিয়েছিলাম। কয়েকজন বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে একটি প্লট কিনেছেন দুই বছর আগে, ফ্ল্যাট বানানোর জন্য এখন গৃহঋণ চাই তাঁর, বিস্তারিত শুনে বললাম, ‘স্যার, এসব ক্ষেত্রে তো গৃহঋণ হয় না, রিয়েল এস্টেট ডেভেলপার হলে করে দেওয়া যেত।’ প্রধান শিক্ষক মহোদয় উৎসাহের সঙ্গে বলে উঠলেন, ‘আমি তো ডেভেলপারই, আপনি আমাকে রিয়েল এস্টেট লোনই করে দিন।’

    ঢাকায় আনুমানিক ১৩ হাজার ৯০০ একর খালি জায়গা রয়েছে যার জন্য হাউজিং প্রজেক্টের অনুমোদন দেওয়া আছে, এখন শুধু ধুমধাম করে শুভ মহরতের অপেক্ষা। আবাসন উন্মত্ততা এমন চরমে পৌঁছেছে যে টিসিবির মাধ্যমে নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রীর পাশাপাশি রড আমদানির সুপারিশ করেছে কন্সট্রাকশন কোম্পানিগুলোর অ্যাসোসিয়েশন রডের দাম ২০ শতাংশ বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে। আমি একজন ব্যবসায়ীকে চিনতাম, নিজের লাইনে ঈর্ষণীয় সাফল্য পাচ্ছিলেন। হঠাৎ তাঁর মাথায় আবাসন ব্যবসার পোকা ঢুকে গেল। ফি সপ্তাহে তিনি আমার কাছে একটি করে নতুন ভবনের খবর নিয়ে আসেন, তাঁর বর্তমান ব্যবসার কয়েক গুণ দামের একটি বাড়ি ঋণ করে ক্রয় করলে যে বিপুল পরিমাণ কিস্তি প্রদেয় হবে, তা শোধ করবেন কী করে জানতে চাইলে, ভদ্রলোক আমার অঙ্ক জ্ঞানে সন্দেহ প্রকাশ করে বলে উঠলেন, ‘আপনে আর কয় টাকা কিস্তি নেবেন, তার দ্বিগুণ ভাড়া উঠবে দালান থেকে।’

    ইতিহাসের সবচেয়ে আলোচিত আর্থিক সংকটগুলো এসেছে আবাসন প্লাবনের পথ ধরেই। বিশ্বের গগনচুম্বী অট্টালিকাগুলোর জন্ম সনে চোখ বোলালে দেখা যাবে সংশ্লিষ্ট দেশের আর্থিক সংকটে জড়িয়ে আছে তারা। নিউইয়র্কের প্রথম আকাশছোঁয়া দালান আম্পায়ার স্ট্রিট বিল্ডিংয়ের জন্ম হয়েছিল ১৯২৯ সালে, মহামন্দার ঠিক পূর্বেই। আশির দশকের শেষ দিকে উঁচু দালান বানাতে অভ্যস্ত ক্রেনগুলোর ৮০ ভাগই ছিল টোকিওতে, এটা সে সময় যখন ‘Japan as Number One’ বইটি কাটতিতে ছাড়িয়ে গিয়েছিল অন্য সব বইকে। তখন টোকিও স্টক এক্সচেঞ্জের একটি বড় অংশজুড়ে ছিল রিয়েল এস্টেট কোম্পানি। রিয়েল এস্টেট ব্যবসার মুনাফা হার অন্যান্য ইন্ডাস্ট্রি থেকে বেশি হওয়ায় জাপানের আবাসন শিল্পে বুম দেখা দিয়েছিল। কোম্পানিগুলোর মূল্যবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে জামানতকৃত সম্পত্তির মূল্যও বেড়ে যায়, যা আরও ব্যাংকঋণ উসকে দেয়; অথচ রিয়েল এস্টেটের মূল্য যে হারে বাড়ছিল, তার থেকে অনেক কম হারে বাড়ছিল বাড়িভাড়ার হার, যা যথেষ্ট ছিল না ঋণের কিস্তি পরিশোধে; কিছু ঋণগ্রহীতা সেই ঘাটতি পূরণ করছিলেন অতিরিক্ত ঋণ করে। ঋণ দিয়ে ঋণ পরিশোধ করার এই অসুস্থ রীতি জাপানের অর্থনীতিকে দেউলিয়াত্বের মুখে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছিল। ১৯৮৯ সালে ইয়াসুক মিয়েনো ‘ব্যাংক অব জাপানের’ দায়িত্ব নেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই রিয়েল এস্টেট লোনের ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করলেন। অনেক আবাসন ব্যবসায়ী বাধ্য হলেন তাঁদের আবাসন প্রকল্পগুলো বিক্রি করে দিতে, দাম এতটাই কমে যাচ্ছিল যে বিক্রয়লব্ধ অর্থ দিয়েও ঋণ শোধ হচ্ছিল না, ব্যাংকগুলোর আবাসন সাম্রাজ্য ধসে পড়তে শুরু করেছিল।

    ‘ম্যানিয়াস, প্যানিক অ্যান্ড ক্রাশেস’ গ্রন্থের রচয়িতা চার্লস কিন্ডেলবার্গের মতে, কোনো একদল ঋণগ্রহীতার ঋণের বার্ষিক ২০- ৩০ শতাংশ প্রবৃদ্ধি ঘটলে এবং তা দুই, তিন বা আরও বেশি বছর ধরে চলতে থাকলে সেখানে বাবল বা বুদ্‌বুদের সৃষ্টি হয়। এই বুদ্‌বুদ বাচ্চাদের বেলুনের মতো একসময় ফুটো হয়, আপনাআপনি বা অভিভাবক শ্রেণির কারও হাত ধরে, এর পরের অপেক্ষা শুধু বিস্ফোরণের। বাংলাদেশ ব্যাংকের ‘শিডিউল ব্যাংক স্ট্যাটিসটিকস’ অনুযায়ী, ২০১৯ থেকে ২০২০-এ সামগ্রিক ঋণের প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯.২৪%, অথচ ফ্ল্যাট ঋণের প্রবৃদ্ধি দাঁড়িয়েছে ৪৬.৮৪%। বিআইবিএম থেকে ২০১৮ সালে প্রকাশিত ‘ব্যাংকগুলোর গৃহঋণ: প্রবণতা ও প্রভাব’ শীর্ষক মূল ভাষণ পত্রে উল্লেখ করা হয়, ২০০৫ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত সময়কালে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর গৃহঋণের বার্ষিক যৌগিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২০.০২%। অথচ এই সময়টাতে দেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ঘোরাফেরা করেছে ৬% এর আশপাশে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ফাইন্যান্সিয়াল স্ট্যাবিলিটি রিপোর্ট-২০১৯ অনুযায়ী, আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর খাতভিত্তিক ঋণের পরিসংখানে ট্রেড অ্যান্ড কমার্সকে (১৩.৯%) টপকে শীর্ষস্থানে রয়েছে গৃহঋণ (১৯.৩%)। কয়েক বছর ধরে গৃহঋণ শুধু রাজত্বই করছে না, রাজত্বের সীমাও বড় করে যাচ্ছে।

    ঊনবিংশ শতাব্দীর বিশিষ্ট ব্রিটিশ ব্যাংকার লর্ড ওভারস্টোন আবাসন সংকটের মধ্যে একটি জৈবিক প্যাটার্ন লক্ষ করেছিলেন, নিশ্চলতা, উন্নতি, আত্মবিশ্বাস, সমৃদ্ধি, উত্তেজনা বা অধীরতা, অতি ব্যবসা, খিঁচুনি, চাপ, স্থবিরতা এবং সবশেষে আবার নিশ্চলতা। বাংলাদেশের আবাসন শিল্প এখন ‘উত্তেজনা’ পর্যায়ে আছে, সরকারের ‘গ্রামকে শহর করা’র স্লোগানের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শহর, অলস টাকার সাগরে হাবুডুবু খাওয়া ব্যাংকগুলো গৃহঋণের নিরাপদ খুঁটি আঁকড়ে ধরতে চাইছে। তবে ‘অতি ব্যবসা’র লক্ষণ কিন্তু একটু একটু হলেও টের পাওয়া যাচ্ছে। দীর্ঘমেয়াদি ‘স্থবিরতা’ আসার আগেই বেলুন ফুটো করা প্রয়োজন। সে ক্ষেত্রে মন্দার দিকে আরও দ্রুতপানে অগ্রসর হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, তবু কিছু একটা করতেই হবে, ভুল হলে তবু সংশোধন করা যাবে, কিন্তু কিছু না করে চুপচাপ বসে থাকলে সংশোধনের সুযোগও থাকবে না।

    কী করে ছিপি এঁটে দেওয়া যায় বাড়ির বুদ্‌বুদের? রাজউক একটি অর্থনীতিবান্ধব ‘ভবন অনুমোদন নীতি’ প্রণয়ন করতে পারে। আইএমএফ এক সেট আর্থিক নিরাময় সূচক প্রস্তাব করেছে যার মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে সামগ্রিক ব্যাংকঋণের সঙ্গে আবাসন ঋণের অনুপাত। বাংলাদেশে ক্রমেই বিপজ্জনক হয়ে ওঠা এই হারকে নিয়ন্ত্রণে আনতে বাংলাদেশ ব্যাংক মূলধন অংশীদারত্বের কঠিনতর শর্ত বেঁধে দিতে পারে। সরকারের রাজস্ব নীতি সম্পদ-কর ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করতে পারে। মাইক্রো হাউজিংয়ের প্রবর্তন মধ্য ও নিম্নবিত্তের আবাসন সংকট ঘোচাতে পারে এবং একই সঙ্গে বাড়ি নির্মাতার বিনিয়োগ তুলে আনতে পারে।

    ২০০৭ সালে যখন ফেডারেল রিজার্ভের কর্তাব্যক্তিরা ঝুঁকিপূর্ণ বিনিয়োগ থেকে সৃষ্ট আর্থিক সংকট নিয়ে সতর্ক করে যাচ্ছিলেন, তখন পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ সিটি ব্যাংকের তৎকালীন চেয়ারম্যান চার্লস প্রিন্স একটি স্মরণীয় উক্তি করেন, ‘তোমাকে নেচে যেতে হবে যতক্ষণ সংগীত বেজে চলছে।’ আমাদের অনেকেরও তেমনি ধারণা, আবাসনের আকাশে কালো মেঘ ক্রমে বড় হতে থাকলেও যেহেতু অর্থনীতির সংগীত বহমান, সেহেতু বাড়ি নির্মাণ করেই যেতে হবে। কিন্তু সেই বছরেরই ৪ নভেম্বর চার্লস প্রিন্সকে চাকরি খোয়াতে হয় প্রায় ১১ বিলিয়ন ডলার সম্পদ সংকোচনের দায়ভার মাথায় নিয়ে, স্পষ্টতই সংগীত ও নৃত্য দুটোই থেমে গিয়েছিল সিটি ব্যাংকের জন্য, ত্রিশ-পরবর্তী সবচেয়ে বড় মন্দার মুখে পড়েছিল
  • আলোচনা | ২০ জানুয়ারি ২০২৩ | ১৬৮ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। খেলতে খেলতে মতামত দিন