এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  স্মৃতিচারণ  নস্টালজিয়া

  • কাবলিদাঃ স্মৃতির কোলাজ

    Ranjan Roy লেখকের গ্রাহক হোন
    স্মৃতিচারণ | নস্টালজিয়া | ০৩ জানুয়ারি ২০২৩ | ৪৩১ বার পঠিত | রেটিং ৪.৫ (২ জন)
  • কাবলিদাঃ এক লাইট হাউস

    ফর্সা ছোটখাটো মানুষটি, মাথায় চকচকে টাক, চোখে চশমা এবং মুখের অনাবিল হাসিতে মিশে থাকে অনুচ্চারিত আপ্যায়ন — এসো আমার ঘরে এসো!

    সালটা বোধহয় ২০১০। আমি ছত্রিশগড় থেকে বইমেলা উপলক্ষে কোলকাতায় আসব, লক্ষ্য গুরু ও চণ্ডালদের সঙ্গে আড্ডা। তখন গুরু তার সামান্য সামগ্রী নিয়ে পসরা সাজিয়ে বসত লিটল ম্যাগ প্যাভিলিয়নের একটি টেবিলে। তাই নিয়েই কাবলিদার কত উৎসাহ।

    গুরুর পাতায় সেটা লিখতেই কাবলিদার ফোন — আমার বাড়িতে উঠতে পার, যদি সুনীতার হাতের রান্না তোমার মুখে রোচে!

    সবিনয়ে জানাই যে আমার ভাইয়ের বাড়িতেই উঠছি, কিন্তু ওনার বাড়ির ভাটে আসছি। সেই প্রথম চাক্ষুষ দেখা।

    জমে গেছল ভাট। খাওয়া দাওয়ার দায়িত্বে ছিলেন ব্রতীন, সুমেরু এবং সামরান। শেষ দুজন এখন ভিন্ন পথের পথিক।

    টিপ টিপ করে বৃষ্টি আর ঝোড়ো হাওয়ার কাঁপন।

    এসেছিলেন রাবণদা ও মান্দুবৌদির ছড়া লিখে সর্বজনপ্রিয় হয়ে ওঠা তীর্থংকর, এখন বিদেশে। এলেন গুরুগাঁওবাসী রাজদীপ এবং বুনান। একটু বেলায় এলেন টিম বা মিঠুন। ইনিও প্রবাসী। এলেন ভিয়েতনাম ঘুরে আসা বড় এম বা মানসী। শেষ বেলায় দর্শন দিলেন   এখন সুইডেন প্রবাসী হয়েও গুরুর সঙ্গে যুক্ত পিনাকী।

    সেই সময় অসুস্থ জ্যোতি বসু সদ্য প্রয়াত হয়েছেন। ২০১১তে আসন্ন নির্বাচনে বাম সরকার ক’টা সীট খোয়াবে সেই নিয়ে জল্পনাকল্পনা।  ভাটের অনেকেই বাম-মনোভাবাপন্ন, কেউ আগমার্কা বাম, তো কেউ আই এস আই ছাপমারা বাম। না, বামফ্রন্টের বিদায়বেলার কথা কেউ ভাবে নি।

    কাবলিদা বা সুব্রত মুখোপাধ্যায় ভবানীপুরের বনেদী কংগ্রেসি পরিবার। পাড়াটা অবশ্যই মমতা দিদির। বলরাম বসু ঘাট রোড ধরে একটু এগিয়ে গেলেই বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি। উনি স্পষ্টতঃই প্রাক্তন যুব কংগ্রেসি নেতা দিদির দিকে ঝুঁকে। তাতে আমাদের সঙ্গে আলোচনা করতে কোন অসুবিধে হয় নি।

    আবার বিজেপি নেতা এবং ত্রিপুরা ও মেঘালয়ের প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায় তাঁর শিবপুর বি ই কলেজের বন্ধু।

    তবে আমেরিকার জীবন ও সরকার নিয়ে কিঞ্চিৎ স্পর্শকাতর ছিলেন। আমাকে ছোট্ট পকেট ডিকশনারির মত আমেরিকার সংবিধান দেখাতেন, ফার্স্ট অ্যামেন্ডমেন্ট এবং অস্ত্র আইন বোঝাতেন। লিবারেলদের মত খণ্ডন করতেন।

    একবার গুরুর মায়াপাতায় আমি আমেরিকান সরকারের কোন নীতি নিয়ে কোন সমালোচনা করায় উনি তৎক্ষণাৎ সুভদ্রভাবে আমার তথ্যের খামতিটা দেখিয়ে দিয়েছিলেন।

    গোড়ার দিকে কয়েকবার কাবলিদা বইমেলায় গুরুর স্টলে ভীষ্ম পিতামহের মত বসে থাকতেন। তাঁর গাড়ি এবং ড্রাইভার ব্যবহৃত হত ছাপাখানার গোডাউন থেকে বই নিয়ে আসা এবং ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজে।

    একবার মেলায় গুরুচণ্ডালি নিয়ে কোন চ্যানেল ইন্টারভিউ করলে গুরুর হয়ে কথা বলেন কাবলিদা।

    তারপরে বেশ কয়েকবার ভাটে ওঁর বাড়িতে গেছি। একবার সৈকত “পাগলা মনটারে তুই বাঁধ” গেয়ে ফাটিয়ে দিল। সেবার সাত্যকি এসেছিলেন ইলেক্ট্রনিক দোতারা নিয়ে। বেশ কিছু চমৎকার ইন্টারল্যুড বাজিয়ে ছিলেন। হো-হল্লার চোটে পাশের বাড়ি থেকে কাবলিদাকে বলল — আওয়াজ একটু কম করতে।

    কিন্তু সেবার ইন্দোডাক্তার আ্সতে পারেন নি তবে তাঁর স্ত্রী রাত্রি গানের ভেলায় ভেসে গিয়ে ডাক্তারকে ফোন করে জানালেন — আহা! কী শুনিলাম, মজিলাম ও আনন্দসাগরে ভাসিলাম। এসেছিলেন লেখিকা এবং পরিবেশকর্মী জয়া মিত্র একজন সাথীকে নিয়ে। বেশ বেলাআ করে এলেন চিন্টুবাবু একটি জ্যামাইকা রামের বোতল নিয়ে।

    আর একবার এলেন হুতো এবং লামা দুইভাই, সঙ্গে প্র্যামে দুই বাচ্চা এবং বেটারহাফদ্বয়। সেবার হুতোর স্ত্রী সুতো বাঙাল ভাষায় নিজের কিছু স্মৃতির ঝাঁপি খুলে আমাদের হাসিয়ে মেরেছিলেন। বিশেষ করে স্টেশনমাস্টার ও লেখক তপনবাবুর গল্পটি।

    পাশে বসেছিল কাবলিদার পোষা সোনালী রঙা আড্ডাবাজ সারমেয়টি। ওকে বেঁধে রাখলে চেঁচায়, আড্ডায় বসিয়ে দিলে চুপটি করে সবার কথা শোনে। সে ও চলে গেছে ক’বছর আগে।
    এসেছিলেন নেতাই ও রুবি, এখন বোধহয় নয়ডাবাসী;  আর শুভজিৎ, সাত্যকির বন্ধু।

    উনি ছিলেন গুরুচণ্ডালীর লাইটহাউস। গুরুর কোন খবর জানতে হলে চলে যাও পূর্ণ সিনেমার পাশে বলরাম বসু ঘাট রোড ধরে। পেরিয়ে যাও মিত্র ইন্সটিট্যুশন, হরিশ মুখার্জি রোডের ক্রসিং, গোবিন্দ ঘোষাল লেন। একটি দেশি ময়রার মিষ্টির দোকানে দুপুরের ঘুম থেকে উঠে  কারিগর সিঙারার খোল আর পুর বানাতে ব্যস্ত। এবার ওখান থেকে কিছু কিনে পাশের গলিতে ঢুকে একের পর এক এগিয়ে গিয়ে শেষ দেওয়ালের সামনে দাঁড়িয়ে বাঁদিকের দরজায় কলিং বেল।

    কুকুর ডেকে উঠবে। টুক করে খুলে যাবে দরজা । উনি দোতলায় বসে সুতো নেড়ে লিভার সরিয়ে খুলে দিয়েছেন এবং তুমি ছিটকিনি তুলে দোতলায় উঠে যাও। বিছানায় উপুড় হয়ে বসে তাস খেলছেন কাবলিদা। আমাকে বললেন—তোমরা এখানে এইসব বায়নাক্কা কর;দুপুরে এটা খায় না।রাত্রে ওটা খায় না। দূর দূর! আমাদের আমেরিকায় এনি টাইম ইজ ড্রিংক টাইম।

    কাবলিদার সঙ্গে পরিচয় বেড়ে চলে। হায়দ্রাবাদের রামোজী রাও স্টুডিওয় আমাদের সাতদিনের প্রবাস—উপলক্ষ ই-টিভির ক্যুইজ প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ। ওসব ছেঁদো কথা।

    আসল হল কাবলিদা, তাঁর ভবানীপুর মিত্র ইন্সটিটুশনের বন্ধু আবেশদা (আবেশ গুপ্ত), আমি এবং কল্লোলের মত বুড়ো ও গুরুর তখনকার সক্রিয় চণ্ডাল কমবয়েসি সিকি’র একসাথে সাতদিন ওদের গেস্টহাউসে থেকে খেয়েদেয়ে গড়ানো এবং নির্ভেজাল আড্ডা মারা। তারমধ্যে এক রোববার দলবেঁধে যাওয়া হল শিবাংশু দে’র বাড়ি। দারুণ সব খাওয়াদাওয়া এবং টপ্পা ও অন্য গানে আমরা মজে গেলাম।

    তারপরেও বেশ কয়েকবার গেছি। ২০১৮ সালে কোলকাতা ছাড়ার আগে শেষবার। দু’বার শ্রীমতী রায়কে নিয়ে। তখন গুরুর ছাপা ম্যাগাজিনও বেরোত। কাবলিদার অনুরোধে এক শীতের সন্ধ্যেয় রত্না একগাদা ম্যাগাজিনের কপির বড় খামে সুন্দর হাতের লেখায় প্রাপকের নাম ও ঠিকানা লিখে দিল।

    কিন্তু অসুস্থ কাবলিদা কেন হাঁপানির টান ওঠা সত্ত্বেও ইনহেলার নেওয়ার পরে ফের সিগ্রেট ধরান? কেন যখন তখন হুইস্কি? এটা াওয়াকি আত্মধ্বংসের দিকে এক পা এক পা করে এগিয়ে যাওয়া নয়?

    রত্নার প্রশ্নের উত্তরে কাবলিদা সম্মতিসূচক মাথা নাড়লেন।

    বললেন-ওনার স্ত্রী গত হয়েছেন দশ বছর। গুণী মহিলা, পিয়ানো ও ভায়োলিনে সমান দক্ষ, ভারতীয় এবং পাশাত্ত্য দুটো ধারাতেই। সামাজিক ভাবে সক্রিয় ছিলেন, রাজনীতিতে ডেমোক্র্যাট।
    তাঁর চলে যাওয়ার পর কাবলেবুড়ো বড্ড একলা, বাঁচার ইচ্ছেটাই চলে গেছে। জীবন অর্থহীন লাগে। “মনে হয় রাত্তিরে শোয়ার পর সকালে যেন আর জেগে না উঠি”।

    শেষবারের কথা মনে পড়ছে। এলোমেলো বিছানায় একা বসে তাস খেলছেন, বাংলা সিরিয়াল দেখছেন। গাড়ি বেচে দিয়েছেন।

    বাড়িতে কাজকর্মের লোক কমে গেছে। নীচের তলায় ভাড়াটে এক  পাঞ্জাবি পরিবার, ট্যাক্সিচালক। কাবলিদার মা পাঞ্জাবিদের পছন্দ করতেন। উনিই এনে বসিয়ে ছিলেন। বহু বছর হয়ে গেছে। ভাড়া সেই মাসিক চারশ’। সেটাও দেয় না।
    আমি উত্তেজিত।
    -- ইয়ার্কি নাকি? ভাড়া অন্ততঃ এক হাজার টাকা করুন।
    হো হো করে হেসে উঠলেন কাবলিদা।
    -- ভাল বুদ্ধি দিলে! এখন চারশ দেয় না, তারপর একহাজারও দেবে না। তাতে দুঃখ বাড়বে না কমবে? থাক না যেমন আছে, অন্ততঃ কাকু বলে ডাকে, অসুস্থ হলে ওর গাড়ি করে পিজি হাসপাতাল নিয়ে যায়।

    শেষপাতে কাবলিদার নিজের মুখে শোনা গল্প বলি।

    ওঁরা সাবর্ণ চৌধুরির বংশজ, নিজেদের ধারাটিও দেড়শ’ বছরের।
    -- সাবর্ণ চৌধুরিরা ব্রাহ্মণ?
    -- ধ্যাৎ, এটাও  জানতে না?
    -- আচ্ছা, জোছন দস্তিদার এই পাড়াতেই থাকতেন না?
    খুব জোরে হেসে উঠলেন।
    -- শোন, শুধু উনি কেন বুড়োদাও (উত্তমকুমারের ভাই তরুণকুমার) থাকতেন। শোন, ওঁরা নাটকের মহলা দিতেন আমার নীচের তলায় যেখানে গুরুচন্ডালির বইয়ের গুদাম, সেই ঘরটাতে।
    সেবার ওঁরা নাটক করছেন ”নীচের মহল”, গোর্কির ‘লোয়ার ডেপথস্‌” এর বাংলা। ফুটপাথে থাকা ভবঘুরেদের জীবন নিয়ে। চরিত্রদের মুখে বেশ কিছু গালাগাল আছে। আজকের দিনে সেসব নিরিমিষ, কিন্তু তখন স্কুলের বাচ্চারা শালা উচ্চারণ করলে ঠ্যাঙানি খেত। তা হয়েছএ কি আমাদের জয়েন্ট ফ্যামিলির ভাইবোনেরা সব তখন প্রাইমারির ছাত্র। জানলায় উঠে গরাদ ধরে ওদের রিহার্সেল দেখি।
    তারপর নিজের ঘরে গিয়ে ওদের নকল করি। এ’ব্যাপারে আমার দিদি এককাঠি এগিয়ে। সন্ধ্যেবেলা ডালহৌসি পাড়া থেকে পায়ে হেঁটে অফিস ফিরে বাবা ও জ্যেঠুর আক্কেল গুড়ুম। সবাই কানমলা খেলাম।
    পরের দিন বাবা জ্যোছনদা ও বুড়োদাকে ডেকে ধমকালেন। নাটক বন্ধ কর, এসব বেলেল্লাপনা আমার বাড়িতে নয়।
    বূড়োদা অনেক অনুনয় বিনয় করে বললেন—সাতদিন পরে মুক্তাঙ্গনে শো, টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। এবার চান্স দিন। কথা দিচ্ছি, বাচ্চাদের  ধারে কাছে আসতে দেব না, এবং জানলা বন্ধ থাকবে।

    -- আচ্ছা কাবলিদা, তিষামপতি দত্তকে চিনতেন? উনিও তো আপনার মত শিবপুর বি ই কলেজের সিভিল।
    -- কোন তিষামপতি? হাওড়ার নকশাল নেতা? তবে শোন। একজন মহিলাকে নিয়ে আমি ও তিষামপতি অক্সফোর্ডের মাঠে ডুয়েল লড়েছিলাম। সন্ধ্যের সময়,উপস্থিত ছিলেন একজনই — সেই মহিলা।
    -- অক্সফোর্ড???
    -- আরে আমাদের কলেজের দুটো মাঠ, একটার নাম অক্সফোর্ড, অন্যটা?
    -- কেম্ব্রিজ! আচ্ছা, মহিলাটি খুব সুন্দরী ছিলেন?
    -- তেমন নয়, তবে ষাটের দশকে ইঞ্জিনিয়ারিং পড়তে যাওয়া মেয়েদের সংখ্যা আঙুলে গোনা যেত।
    হাসতে হাসতে কাশি উঠে গেল।

    -----------------------------------------------------------------------------
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aranya | 2601:84:4600:5410:659a:82d6:b61f:5113 | ০৩ জানুয়ারি ২০২৩ ২৩:৩১739203
  • সুন্দর স্মৃতিচারণ 
  • Ranjan Roy | ০৩ জানুয়ারি ২০২৩ ২৩:৩৪739204
  • একটু ভুল লিখেছি। রাজনীতিতে রিপাবলিকান এবং গান লাইসেন্সের পক্ষে। কিন্তু ওনার স্ত্রী সোশ্যাল অ্যাক্টিভিটি এবং বিভিন্ন চ্যারিটির সূত্রে হিলেরি ক্লিন্টনের বন্ধু।
  • তুতো | 2600:1002:b155:20b5:718a:ffb7:7556:c749 | ০৫ জানুয়ারি ২০২৩ ০৯:৩১739218
  • তবে কি ​​​​​​​কাব্লিদা ​​​​​​​আর ​​​​​​​মলয়সাহেব ​​​​​​​সম্পর্কিত? ​​​​​​​যদি ​​​​​​​দুজনেই সাবর্ণ চৌধুরী ​​​​​​​হয় ​​​​​​​...
     
  • শিবাংশু | ২১ জানুয়ারি ২০২৩ ১১:৫৪739292
  • মসৃণ, স্মৃতিগন্ধময় , 
    কাবলিদাকে এভাবেই মনে থাকবে ...
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন