এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  কাব্য  তর্জমা

  • পাঞ্জাবী ভাষার কবি 'পাশ' এর ৫টি কবিতার বাংলা অনুবাদ সহ তাঁর জীবনের কথা

    Suchetana Mukhopadhyay লেখকের গ্রাহক হোন
    কাব্য | তর্জমা | ১৩ অক্টোবর ২০২২ | ১৬২ বার পঠিত | রেটিং ৩ (১ জন)
  •  
    কবিতা ১ : স্বপ্ন
    স্বপ্ন সবার চোখে ধরা দেয়না..
    মৃত বারুদের কণার বুকে 
    শুয়ে থাকা 
    ঘুমন্ত আগুনের স্বপ্ন 
    দেখেনা সবাই..
    অন্যায়ে জড়ানো দুহাত
    ঘামে আর ভেজেনা যেমন..
    শেল্ফের আড়ালে থাকা
    ইতিহাসের বই যেমন
    স্বপ্ন দেখেনা একটাও..
     
    স্বপ্ন দেখার জন্য আসলে জরুরি 
    সব সয়ে যাওয়া হৃদয়ের ধক..
    আর এক অতন্দ্র দৃষ্টি..
    স্বপ্ন সবার চোখে তাই ধরা দেয়না..।

    কবিতা ২ : আমি ঘাস 
    আমি ঘাস
    তোমার সমস্ত অপকর্মের লুকানো কবর ফুঁড়ে
    ঠিক উঠে আসবো আমি।
    বিশ্ববিদ্যালয়ে যতই বোমা মারো 
    হস্টেলগুলোকে ধ্বংসাবশেষ বানাও
    আমাদের বস্তিগুলোর ওপর 
    যতই ছড়িয়ে দাও ক্ষারের সোহাগা…
    আমাকে কি করে আঁটকাবে তুমি?
    আমি তো ঘাস
    সব, সবকিছুর ওপর গজিয়ে উঠবোই যে।
    বঙ্গাকে ঘায়েল করো
    সঙ্গরুরকে শেষ করো
    ধুলোয় চাইলে মিশিয়ে দাও
    গোটা লুধিয়ানা জেলাটা…
    কিন্তু আমার শ্যামলিমা 
    ঠিক নিজের কাজ করে যাবে...
    দুবছর পর… দশবছর পর
    যাত্রীরা আবার কোনো কন্ডাক্টরকে শুধোবে,
    এটা কোন জায়গা?
    আমায় বারনালায় নামিয়ে দিও কিন্তু,
    যেখানে গাঢ় সবুজ ঘাসের জঙ্গল আছে…
     
    আমি ঘাস, আমি আমার কাজ করেই যাব।
    তোমার সব কুকাজের বুকে ঠিক জন্মে যাব।

    কবিতা ৩ : ভারত
    ভারত, 
    আমার সম্মানবোধের সবচেয়ে মহতী শব্দ
    যখনই তাঁকে উচ্চারণ করি,
    বাকি সমস্ত শব্দ অর্থহীন হয়ে যায়।
    এই শব্দের মানে তুমি খুঁজে পাবে
    ক্ষেতে কাজ করা সেই ছেলেগুলোর মধ্যে
    যারা আজো গাছের ছায়ায় বসে 
    সময় মাপে…
    ওদের কাছে ভূখ ছাড়া আর
    সত্যিই কোন সমস্যা নেই।
    খিদে পেলে ওদের,
    নিজদেহ চিবিয়ে খেতেও ইচ্ছে জাগে
    ওদের জন্য জীবন কেবল
    বেঁচে থাকার এক বেমতলব পরম্পরা
    আর মৃত্যু বলতে মুক্তিই বোঝে ওরা। 
    কেউ যখনই এখন 
    সমগ্র ভারতের
    'জাতীয় ঐক্যের' কথা তোলে
    তখনই মনে হয় - - -
    ওর পন্ডিতি টুপিটা 
    খোলা বাতাসে উড়িয়ে দিই
    আর বলি,
    কোন দুষ্যন্তের ছেলের মধ্যে 
    কোনদিন খুঁজোনা
    ভারতের মানে,
    কারন ভারত রয়েছে,
    ক্ষেতে খলিয়ানে
    যেখানে অন্নের জন্ম হয়
    যেখানে সিঁধও কাটা যায় সহজেই..।

    কবিতা ৪ : ভগত সিংহই প্রথম বার
    ভগত সিংহই প্রথমবার 
    আদিম, অজ্ঞান পাঞ্জাবকে 
    চালিত করেছিলেন
    প্রজ্ঞাবাদের অভিমুখে।
    যে দিন ফাঁসি হয়েছিল 
    সেইদিন, তাঁর কুঠুরির ভিতর
    বই পাওয়া গিয়েছিল লেনিনের,
    একখানা পাতা যার তখনো মোড়া..
    পাঞ্জাবের দিনকালকে 
    সেই অন্তিমদিনের অন্য পাড়ে
    এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে,
    মুড়ে রাখা সেই পাতা
    পার করে আমাদের
    হাঁটতেই হবে,
    সামনের দিকে।
     
    কবিতা ৫ : সংবিধান
    এই বইখানি মরে গেছে
    একে পড়োনা তুমি আর
    প্রতি অক্ষরে এখন ওর মৃত্যুর শীতলতা
    আর এক-একটা পাতা
    জীবনের শেষ মুহূর্তের মতোই ভয়ঙ্কর
    এই বই যখন লেখা হয়েছিল 
    তখন আমি পশু ছিলাম
    শুধুই ঘুমন্ত একটা পশু
    তারপর আমার জাগরণ আর 
    মানুষ হয়ে ওঠার যাত্রাবৃত্তের মাঝে
    বইটা মরে গেল 
    এবার এখন তুমি 
    যদি এই বইখানি পড়ো
    তাহলে নিশ্চিত পশু হয়ে যাবে
    শুধুই একটা ঘুমন্ত পশু।
     
    কবি অবতার সিংহ সন্ধু 'পাশ' এর সংগ্রামী জীবন: 
    অবতার সিংহ সন্ধু 'পাশ' -এর জন্ম হয়েছিল ১৯৫০ এ, সেপ্টেম্বর মাসের ৯ তারিখে। পাঞ্জাবের জলন্ধরের তালওয়ান্দি সালেম গাঁয়ে। দেশভাগের আঘাত গোটা পাঞ্জাবের আমজনতার দগদগে যে ঘা তৈরি করেছিল, তার হদিস মেলে পাশ-এর   ছাপোষা সৈনিক বাবা, সোহন সিংহ সন্ধু'র কবিতাতেও। 
     
    কবি বাবার কবি ছেলে কবিতা লেখা শুরু করেন ১৫ বছর নাগাদ। কারণ এই কৈশোরই ছিল অবতারের রাজনৈতিক সচেতনতা আর মতাদর্শের জন্মকালও। বাবার অনুপস্থিতি, নিরক্ষর মা, বিপথগামী দাদা, প্রবল দারিদ্র আর রোজগারের তাগিদ তাঁকে প্রথাগত পড়াশুনো থেকে সরে আসতে বাধ্য করেছিল। 
     
    দেশের টালমাটাল এক সময়ে অন্য অনেক সমবয়সীর মতোই মার্ক্সবাদ-লেনিনবাদের অভিমুখে ধাবিত হলো ধারালো সংবেদনশীল কিশোরটি। এসময় থেকেই পুঁজিবাদ-ধর্মীয় মৌলবাদ-বিচ্ছিন্নতাবাদ- অযৌক্তিক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক রীতিনীতি সমেত সমস্ত সঙ্কীর্ণতাকে পেরিয়ে এক নতুন ভারত গড়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে অবতার। স্বাভাবিকভাবেই সেই স্বপ্ন প্রতিফলিত হতে থাকে তাঁর কবিতাতেও। 
    অবতারের শুরুর দিকের কবিতায় স্পষ্ট ছিল তাঁর প্রিয় কবি ফয়েজ আহমেদ ফয়েজ, ইয়ানিস রিটসস বা মাহমুদ দারবিশ আর সর্বোপরি জার্মান নাট্যকার ব্রেখটের প্রগাঢ় সাহিত্যিক ও রাজনৈতিক প্রভাব। তবে তখনো অবতার 'পাশ' হয়ে ওঠেননি।  ৬০-এর দশকের শেষদিকে কবি অবতার সরাসরি নকশাল আন্দোলনে যোগ দিলেন। কোনরকম মধ্যপন্থা নয়, সকল ভারতীয়ের জন্য শ্রেণীহীন ও সাম্যবাদী এক স্বপ্নের দেশ গড়ার একমাত্র পথই হলো শ্রেণী সংগ্রামের পথ, মনে করতেন ২০ বছরের সদ্য সেই সদ্য তরুণ। 
     
    "প্রেমিক, পাগল আর কবিরা একই উপাদানে তৈরি"... ভগত সিংহের সেই অমর উক্তির এক আগাগোড়া বাস্তব উদাহরণ ছিলেন কবি পাশ। ১৯৭০ এই প্রকাশিত হলো তাঁর প্রথম কবিতার বই, 'লোহ-কথা'( 'লোহার কথা')। এই পর্বে বিপ্লবী কবিটি ব্রেখট ছাড়াও নেরুদা, ট্রটস্কি এবং গোর্কির লেখা দ্বারা প্রভাবিত হন। গোর্কির 'মা' উপন্যাসের শ্রমিক চরিত্র 'পাশা'কে ভালোবেসে অবতার নিজের কবিনাম রাখলেন, 'পাশ'। 
     
    'লোহ-কথা' বইটি যেমন পাঞ্জাবি সাহিত্যের আঙিনায় আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল, তেমনি পরের বই 'বিচ নু রাস্তা না হোতা' কবি 'পাশ'কে পাঞ্জাবের  রাজনৈতিক কবিতার জনপ্রিয়তম ব্যক্তিত্ব হিসেবে সবস্তরের পাঠকের কাছে পৌঁছে দিচ্ছিল। বইটি প্রচুর সংখ্যায় বিক্রি হলেও, গোটা বছরে বইটির প্রকাশক তরুণকবিকে তাঁর অতি দরকারের একটা টাকাও দেননি। কালি-কলম-অক্ষরের সঙ্গে যুক্ত এক প্রতিষ্ঠিত প্রকাশকের এই প্রতারণা কবি ও মানুষ পাশকে গভীর ভাবে প্রভাবিত করে এবং তিনি মানবমনের বহুমাত্রিকতা নিয়েও লিখতে শুরু করেন, যেখানে ক্রমে রাজনৈতিক দর্শনের পাশাপাশি উঠে আসতে থাকে; প্রকৃতির নানা রূপ, মায়ের স্নেহ, প্রেমের আকুলতা, বন্ধুত্বের গভীরতার মতো আটপৌড়ে নানাদিক।
     
    ২২ বছর বয়সেই সিয়ারহ ('লাঙলরেখা') , আর 'রোহলে বাণ' ('আগুনের তীর') নামের দুটি নকশালপন্থী পত্রিকার সম্পাদনা শুরু করেন পাশ। এরপর ১৯৭৩ এ বেরোয় তাঁর তৃতীয় কবিতাসংগ্রহ 'উড্ডিয়া বাজাঁ মগর'( 'উড়ন্ত বাজদের অনুসরণ করে') এবং ১৯৭৮ এ বেরোয় 'সাডে সামিয়া ভিচ'('আমাদের সময়ের মধ্যে')। ১৯৮৯ তে পাশ-এর মৃত্যুর ৩বছর পর, তাঁর শেষ কাব্যগ্রন্থ 'খিল্লরে হুয়ে ভারকে'( 'ছন্নছাড়া পাতাগুলি') প্রকাশিত হয়েছিল। 
     
    যেহেতু সাহিত্য আর রাজনীতি পাশ-এর কাছে চিরদিনই ছিল একে অপরের পরিপূরক, তাই 
    লেখালেখির মতো তাঁর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডও ক্রমে গোটা পাঞ্জাব হরিয়ানা ও সংলগ্ন রাজ্যগুলো জুড়ে ছড়িয়ে যেতে শুরু করেছিল ১৯৬৮ থেকেই। গোটা ৭০ এর দশক জুড়েই ছাত্র- শ্রমিক- চাষি- মজুর তথা পাঞ্জাবের হতদরিদ্র শ্রমজীবী জনতার মধ্যে নিবিড়ভাবে নকশাল ভাবধারা প্রচার আর সংগঠন তৈরির কাজ করে চলেন তিনি। এজন্য তাঁর ওপর প্রায়ই নির্মম পুলিশি নির্যাতন তো চলতোই, সঙ্গে ১৯৭০, ১৯৭২, ১৯৭৪-এ বারবার এবং ১৯৭৫ এর ইমারজেন্সির সময় অনির্দিষ্টকালের জন্য তাঁকে যেতে হয়েছিল জেলেও।
     
    পাশ শুরু থেকেই পাঞ্জাবের বিচ্ছিন্নতাবাদী শিখ খালিস্তানী আন্দোলনের কট্টর সমালোচক ছিলেন। তিনি মনে করতেন, কোন বিভাজনই কখনো এক সদর্থক ভবিষ্যতের ভিত হতে পারেনা। ফলে কবিতার ভাষায়, প্রতিরোধ আন্দোলনের ভাষায়, জনমত গঠনের ভাষায় পাশ, ১৯৭০ এর দশকের শেষ থেকেই ক্রমবর্ধমান খালিস্তানপন্থী অশান্তির বিরুদ্ধে সক্রিয়তর হয়ে উঠছিলেন। তাঁর কাজকর্ম আর জনপ্রিয়তায় তাই খাপ্পা হয়ে উঠছিল খালিস্তানী জঙ্গিরা। তাদের তরফে লাগাতার আসতে থাকা খুনের হুমকির মুখে পড়ে আর পরিবারের চাপে পাশকে দেশ ছেড়ে মার্কিন দেশে পাড়ি দিতে হলো ১৯৮৬র এক অশান্ত সময়ে। 
     
    তবে মার্কিন মুলুকে বসেও নিজের কাজ চালিয়ে গেছিলেন সেই নির্ভীক বিপ্লবী কবি। শিখ খালিস্তানের অযৌক্তিকতা ও উত্তর ভারত জুড়ে চলতে থাকা বিচ্ছিন্নতাবাদী হিংসার বিরুদ্ধে পরবাস থেকে পাশ প্রকাশ করলেন Anti-1947 নামে বিখ্যাত একটি জার্নাল। সঙ্গে অদ্ভুত সংবেদনশীল সব কবিতায় এসময় ভরে উঠছিল তাঁর কবিতার খাতাও। 
     
    ১৯৮৮ সাল। পাশকে অল্পদিনের জন্য দেশে ফিরতেই হলো তাঁর ভিসার পুনর্নবীকরনের উদ্দেশ্যে। কিন্তু এবার আর রেহাই পেলেন না তিনি…। ২৩ মার্চ দিল্লির পথে তাঁর গাড়ি আঁটকে অবতার সিংহ সন্ধু পাশকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল খালিস্তানী জঙ্গিরা। প্রিয়তম স্বদেশ-স্ত্রী-শিশুকন্যা- থেকে বহুদূরে একাকী পাশের শেষদিকের কবিতাগুলিতে রয়েছে গভীর মনখারাপের ছাপ, 'এবার আমি বিদায় নেব' কবিতায় যেমন তিনি লিখছেন,
    "বাঁচার আমার তীব্র-তীব্ররকম ইচ্ছা ছিল / আকন্ঠ ডুবে যেতে চাইতাম আমি জীবনের বুকে / আমার ভাগের জীবনটাও বেঁচে নিস, বন্ধু আমার…"
     
    অবতার সিংহ সন্ধু পাশ মানে আসলে এক নিখাদ অনিঃশেষ আগুন..। স্বপ্নের -আদর্শবাদের- লড়াইয়ের- আবেগের- কবিতার- প্রেমের- জীবনের- জিজীবিষার সেই রক্তিম আগুনের আলো আর ওম দেশকালভাষার সমস্ত কাঁটাতার পেরিয়ে তাঁর কবিতার পংক্তি ছুঁয়ে বেঁচে থাকুক আবহমানকাল ধরে।
  • কাব্য | ১৩ অক্টোবর ২০২২ | ১৬২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • aranya | 2601:84:4600:5410:bd4d:ee11:c7bf:c1b8 | ১৩ অক্টোবর ২০২২ ২৩:৪১512822
  • ভাল লাগল - পাশ-এর জীবন ও অনুদিত কবিতা 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। হাত মক্সো করতে মতামত দিন