বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  স্মৃতিচারণ

  • বিদায় বোধিসত্ত্ব – চলে গেলেন গোদার

    তুহিনাংশু
    স্মৃতিচারণ | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৪০৪ বার পঠিত | রেটিং ২.৩ (৩ জন)

  • অবশেষে শূন্য হল দেবালয়।
    গোদারকে নিয়ে কখনো লিখব ভাবিনি। বা ভাবলেও সেই সাহস হয়নি। সাহস যদিও বা খুঁজে পেতাম অভাব হত প্রকৃত শৈলীর কিংবা বোধের। আজ এ মোরো হৃদয়ের বিজন আকাশে তিনি যখন নক্ষত্র হয়ে আরোহণরত, আজ যখন তিনি স্বর্গাভিযানের দোরগোড়ায়, তখন মনে হল আর প্রয়োজন নেই দুশ্চিন্তার – এখন তো রোজই আমাদের চিন্তায় মগজে ভাবনার ছায়াপথে অনবরত আসবেন জ লুক গোদার, কথা বলবেন আমাদের সাথে অনন্ত এর পাঁচিল পেরিয়ে। আজ তাঁর দুর্বোধ্যতা অতীত, জীবন থেকে একপ্রকার স্বেচ্ছা নির্বাসন নিয়ে তিনি এখন ভীষ্মের মতন পরমাত্মায় জ্ঞান ধারণ ধরে উপবিষ্ট। আমরা কি গিয়ে বসব যুধিষ্ঠিরের মতন তাঁর শায়িত মেধার পাশে?

    গোদার বিপ্লব। গোদার নাশকতা। গোদার ধ্বংস, সৃষ্টি, স্পর্ধা সব কিছুই। বিংশ শতাব্দী জ পল সাত্র, বব ডিলান বা বিটলস ছাড়া এরকম সুগভীর চুম্বনের স্বাদ খুব একটা পেয়েছে বলে মনে করা যায় না। তাঁর যাবতীয় রহস্য, দুর্বোধ্যতা, ইমেজ সমস্ত কিছু নিয়ে পাতার পর পাতা লেখাপত্র হয়েছে, তুফান উঠেছে চায়ের কাপে, গবেষণা কাটাছেঁড়া বিতর্ক কিছুই নেই যা এই নামটিকে ঘিরে হয়নি। তিনি সিনেমার শতাব্দী স্পন্দিত নায়ক। তাঁর অরৈখিক সম্পাদনা, কাহিনী বিরোধিতা, জাম্প কাট, প্রতিবিল্পব ও প্রতিসংস্কৃতি প্রায় রূপকথার মতন পঠিত। আজ বিয়োগের মুহূর্তে সেইসব আলোচনা করে আমি এই শূন্য দেবস্থানে বিলাপ করতে চাইনা। কেবল রইল গোদার নামক কোন এক ধ্রুবতারার সাথে একুশ শতকের একটি তাল-ভোলা যুবকের আলাপ আর সম্পর্কের কিছু চিরকুট।

    গোদার এর ছবি প্রথম দেখা নিতান্তই কাকতালীয় ভাবে, একটি পেইন ড্রাইভে ভুল ফাইল আসার সৌজন্যে। যার মারফত সেটির আমদানি, আমার সেই অকাল প্রয়াত দাদার মুখ আজ ভেসে উঠল হঠাৎ-ই। যে বয়সে ব্রেথলেস প্রথম দেখা, তখন তা ভীষণ ই অবিন্যস্ত অগোছালো নিতান্ত প্রয়োজন বিহীন মনে হয়। তাই ছিল তখন স্বাভাবিক কিন্তু তা সেই দাদার নিকট ব্যক্ত করায় নিদারুণ তিরস্কৃত হবার দরুন না চাইতেও একপ্রকার সন্দেহের চোখে দেখা শুরু ভদ্রলোকটিকে। তবে গোদারের সাথে আমার নিজস্ব আলাপ ভিভরে সা ভি এই সৌজন্যে। বা বলা ভালো আনা কারিনার সৌজন্যে। সেই মায়াবী হরিণীর মতন গোদারের প্রথম সঙ্গিনী কে দেখে, তার চকিত চাহনি, উৎফুল্ল যৌবন জিজ্ঞাসায় অনেকের মতন আমিও জর্জরিত ছিলাম বেশ কিছু দিন। তবে সেই অভিসন্ধি যোগে নাপাম বোমার মতন আছড়ে পড়বেন গোদার আমার মননে তা আমি কল্পনাও করতে পারিনি। আমার মতন আরো সহস্র যুবক যুবতীকে ক্যামেরা নামক ইচ্ছে যন্ত্রটিকে স্পর্শ করবার যে সাহস তিনি দিয়ে যান, আমাদের গোপনে গোপনে তিনি পাচার করেন যে স্পর্ধা যা পুঁজিহীন, বেকার উদ্দেশ্য শূন্য আমাদের কুড়ি বছরের রক্তমাংসে একেবারে লেপটে যায়, কেবল তার কারণেই ইতিহাস তাঁকে রাজপদে অভিষিক্ত করতে পারত।

    গোদার অদ্ভুত, কঠিন এবং জট পাকানো, যেমন আমাদের পৃথিবী, আমাদের মানুষেরা, আমাদের সভ্যতা সমাজ ঠিক তেমনই। তাঁর একাধিক অসহ্যকর ভ্রান্তির মাঝেও তাঁর আকর্ষণ দুর্নিবার তারুণ্যের মতন। আর এখানেই আমাদের মতন উপনিবেশবাদ এ মাখানো মোড়ানো জাতিসত্তাও তাঁর পায়ে পায়ে চলতে চায় স্ব ইচ্ছায় কারণ প্রথম বিশ্বের যাবতীয় ঢং আর আমোদের এর গালে জীবনভর যে চড় তিনি কশিয়ে গেছেন এক জেদি যুবকের মতন - তাতে তার বয়স ধ্রুবক হয়ে থমকে দাঁড়িয়ে থাকে। গোদার ফুরিয়ে যেতে চান নি, বুড়ো হতে চান নি, পুরোনো গ্রামোফোনের মতন ঐতিহ্যে বাজতে চান নি, তিনি আজন্ম খালি চেয়ে গেছেন প্রাসঙ্গিক হতে। এই মুহূর্তে - এই সময়কে ধরতে – বুদ্ধিমানেরা যত বাণী দেয় শত শত – সেসব কে একপাশে ফেলে রেখে গোদার উলঙ্গ সমকাল কে কেবল বর্ণনা করে গেছেন। শুধু সেটুকুই তিনি চেয়েছিলেন। একাধিক আলাপে তিনি বলেওছেন, সিনেমাকে নারীর মতন স্পর্শ করার কোন অভিপ্রায় তাঁর নেই। আসলে সিনেমা কে নিয়ে আমাদের যে দ্বিধা থরথর চুড়ো – যা সময়ের যাবতীয় ক্লিন্নতা কে স্পর্শ করে তাকে মাখনমন্দিত করে তোলে আর তার স্বাদে পুলকিত করে আমাদের দেহমন – এই আপাদমস্তক হলিউডি ট্র্যাডিশনটিকেই গোদার ঘৃণা করে গেছেন। আর আমাদের মতন দেশে দুর্নীতি দারিদ্র দুঃশাসন এ মজ্জিত রাষ্ট্রব্যবস্থায় যারা হতাশ, যারা ক্ষতিগ্রস্ত, যারা একা রোদনে অভ্যস্ত - বিজনের রক্ত-প্রস্রাবের কাহিনী পড়তে পড়তে সন্দীপনের সাথে সাথে তাদেরও কারো কারো শরীর মন হঠাৎ অধিকার করে নেন গোদার।

    পিয়ে লে ফ্যু অথবা আলফাভিল এ সিনেমার ভাষায় যাকে বলে অফ দ্য স্ক্রিন তার ব্যবহার নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। ওই ধরণের আলোচনায় আমি আজ আগ্রহী ও নই। বরং গোদার দর্শক তো বটেই এমনকি যারা তাঁর ছবি দেখেন নি তাদের জন্যও আমি বলতে চাই যে চলচ্চিত্রের যে ব্যক্তিগত পরিসর অর্থাৎ যার ভেতর দিয়ে পরিচালক অথবা চরিত্র আমাদের সাথে গোপন স্তরে যোগাযোগ তৈরি করে, তার খোঁজ পেতে হলে গোদার এর ছবিগুলি দেখতে পারেন। আমার কেবলই আশ্চর্য লাগে যে এই রকমের দুর্লঙ্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করে কিকরে তিনি তার এক একটি ছবির ভেতর দিয়ে ফিসফিসিয়ে কথা বলে গেছেন আমাদের সঙ্গে। মূলত ১৯৭০ পরবর্তী গোদার, কিছুদিন জিগা ভেরতোভ পর্ব চলার পর সদ্য দুর্ঘটনা ও অসুস্থতা থেকে উঠে আসা জ লুক (যে নাম তিনি তখন বেশি পছন্দ করতেন) সেই যে দার্শনিকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হলেন, তু ভা বিয়ে থেকে যে নতুন যাত্রাপথের তিনি আমরণ যাত্রী, সেই পথে আমরা কেবলই কান পেতে থাকি তার কণ্ঠস্বরের খোঁজে, যেন চলচ্ছবি নয়, বরং একটিই দার্শনিক ইশতেহার গায়ত্রী মন্ত্রের মতন কানে কানে পাচার করছেন তিনি, অথবা গুপ্তপথে ফেলে আসছেন লাল চিঠি। এই গোপন আলাপ, এই নিভৃত একাকী স্বরের কথোপকথন – এটাই আমার প্রজন্মের কাছে গোদার হওয়া উচিত বলে আমি মনে করি।

    গোদারকে নিয়ে সত্তর আশির দশকে অনেক লোমহর্ষক আলোচনা বিতর্ক বাগ বিতণ্ডা, মৃণাল সত্যজিৎ তর্কাতর্কি এসব আমরা শুনে শুনে বড় হয়েছি। ভেবে শরীর কম্পিত হয়েছে যে কফি-হাউসের টেবিল চাপড়ে গোদারের সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি নিয়ে আলোচনা করেছেন কৃত্তিবাসের কবিকুল কিংবা হাংরি ঘরানার শিল্পীরা। কিন্তু আমাদের প্রজন্মের ধমনীতে সেই উত্তাল রক্তস্রোত ছিলনা। কিন্তু তবুও ছিলেন গোদার। তার ফিল্ম সোসালিসম কিংবা গুডবাই টু ল্যাঙ্গুয়েজ মুক্তির অপেক্ষায় তাই আমরাও ছিলাম। আবারও সেই ফিসফিসিয়ে কথা বললেন আধুনিক বোধিসত্ত্ব। উদগ্র লোভ, বিকৃত কামনা, পুঁজি, মার্কিন পৌত্তলিকতা, হিটলার , স্ট্যালিন, মাও, সোভিয়েত, চীন এমনকি ভারত কি ছিল না তার ফিল্মগ্রাফিতে। সিনেমাকে শিল্প, কারুকার্য, গল্প, ছলনা এসব কিছু থেকে বার করে এনে এক ব্যক্তিগত অভিজ্ঞান এর বিষয় করে তোলেন তিনি। গ্রিসের আর্থিক দুরবস্থার কথা শুনে কিছু বছর আগেও বলেন যে, যতবার আমরা লজিক ব্যবহার করব, ১০ ইউরো করে গ্রিস কে দিয়ে দিলেই হয়ে যায় কারণ গ্রীসের কাছ থেকেই আমরা লজিক পেয়েছি। ছাত্র বিপ্লবের সময় বারবার দৌড়ে ভেঙে ফেলেছেন চশমা, ছাত্রদের মাঝে ‘বুর্জোয়া’ কটূক্তি শুনেও ছেড়ে দেননি সমর্থন। বয়কট করেছেন কান ফিল্ম উৎসব। আবার দু বছর আগেই আইফোনে ফেসবুক লাইভে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন জীবনের শেষ কান উৎসবে। আসলে সিনেমা ছাড়া কোনদিন কিছু ভাবতে পারেননি তিনি। রিচার্ড ব্রডি ঠিক ই নাম রেখেছিলেন তাঁর আত্মজীবনীর। এভরিথিং ইজ সিনেমা। সব কিছুই সিনেমা। কাইয়ে পত্রিকায় বিস্ফোরক সব সমালোচনা থেকে লা লুভ দ্য ইমেজ। অত্যাশ্চর্য এক অগ্নিকুণ্ড! আর কি বলব গোদারকে। স্করসিসির ট্যাক্সি ড্রাইভার থেকে ট্যারান্টিনোর প্রোডাকশন হাউস। আজকের বিনোদন ছবির গানের দৃশ্যে মারামারির দৃশ্যে জাম্প কাট। সবেতেই তিনি আছেন। ছবিতে ন্যুড দৃশ্য নিয়ে প্রশ্ন করায় ফচকে সাংবাদিক কে বলেন, হোয়াট ডু ইউ এক্সপেক্ট, আই এম এ ম্যান। তার প্রায় সমস্ত উত্তরের শেষেই থাকত একটি অসামান্য হালকা হাসি। সেই হাসি ছিল সত্যির হাসি। গোপনীয়তার হাসি। তাঁর ছবিতে কোন স্ক্রিপ্ট থাকে না – সেই প্রশ্নের উত্তরে পকেট থেকে দুটো ছোট ডায়রি বার করে চ্যাপলিনেস্ক মজা উপহার দিতে পারেন গোদার। আসলে তাঁর নিজের কথাই তাঁর ছবিকে বা তাঁকে বর্ণনা করার জন্য আদর্শ হতে পারে। শিল্প আমাদের আকর্ষণ করে তখনই যখন তা আমাদের গোপন আমি কে খুঁজে আনে। অবশ্য আদর্শে তাঁর বিশেষ বিশ্বাস ছিল বলে মনে হয় না। সাবটাইটেল পছন্দ করতেন না, চাইতেন তাঁর ছবি নোরম্যান মেইলারের মতন কেউ এসে প্রবাসী দর্শকের সামনে উপস্থাপন করুক, আসলে তিনি তো মূলতঃ প্রাবন্ধিক। ম্যাসকুলা ফেমিনার জ পিয়ে ল্যদ এর মতন তিনি নিজেই অনুসন্ধান করেছেন এই হতাশ পৃথিবীর প্রতিটি নোংরা গর্তকে, যেখানে বিষ্ঠা কিংবা শুধুই পোড়া মাংসের প্রদর্শন আর লোলুপ হায়না। প্রতিটি সম্পাদনাই মিথ্যা। তিনি বলতেন, কারণ তার কাছে ছবি ছিল একটাই। সময়- বর্তমান- যা তিনি বারবার করে ছুঁড়ে ছুঁড়ে দিয়েছেন আমাদের আর জানিয়েছেন, জীবন দুঃখের কিন্তু সব সময়েই অতি অবশ্যই- সুন্দর।।

    আরো অনেক কিছুই বলা যেত। তবে এই মুহূর্তে আর নয় ।
    বাকিটা যেমন পিয়ের কে তাঁর বান্ধবী বলেছিল…... eternity…..
    বিদায় বোধিসত্ত্ব।।

  • স্মৃতিচারণ | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২২ | ৪০৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Sandipan Majumder | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৯:৫৫511973
  • বেশ ভালো  লাগলো  লেখাটি। 
  • Tirtho Dasgupta | ২১ সেপ্টেম্বর ২০২২ ০৪:৩১512172
  • অনবদ্য আলাপ । তার সিনেমাই আজকে আমাদের  চারপাশের বাস্তব জীবন - অ্যাবসার্ড,এক্সিসটেনশিয়াল ,ফ্র্যাগমেন্টেড। কোনটা বাস্তব কোনটা বিভ্রম তা বোঝা ভার ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আদরবাসামূলক মতামত দিন