এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  রাজনীতি

  • তুমি তো প্রহর গোনো, তারা মুদ্রা গোনে কোটি কোটি

    অতনু চক্রবর্তী 
    আলোচনা | রাজনীতি | ২৭ জুলাই ২০২২ | ১০৫১৩ বার পঠিত | রেটিং ৪.৪ (৭ জন)
  • রাজ্য রাজনীতিতে বিরাট  তোলপাড় তুলে উদ্ধার কোটি কোটি টাকা,  দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হয়ে গ্রেপ্তার  পার্থ চট্টোপাধ্যায় যিনি রাজ্য মন্ত্রীসভার দ্বিতীয় ব্যক্তি । শুধু প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীই নন, তিনি তৃণমূল দলের বিরাট মাপের এক নেতা, শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কমিটির চেয়ারম্যান ও বটে । শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব যার উপর দল  সঁপেছিল তিনিই এতো বড় কেলেঙ্কারি, আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লেন --- নির্মম পরিহাসের এর থেকে বড় উদাহরণ সাম্প্রতিক সময়ে রয়েছে কিনা সন্দেহ আছে । তাঁর সাঙাততন্ত্রের  কদর্য চেহারাও  দেখলো গোটা রাজ্য। কিভাবে তাঁরই এক ঘনিষ্ঠ সহযোগীর বিলাসবহুল আবাসন থেকে উদ্ধার হল গুপ্তধন, কোটি কোটি টাকা,  অঢেল বিদেশি মুদ্রা ও সোনার অলঙ্কার! মিলল কি বিপুল স্থাবর  সম্পত্তির হদিশ । কুৎসিত বৈভবের নির্লজ্জ প্রদর্শনী চোখে আঙুল তুলে দেখিয়ে দিল ক্ষমতার অলিন্দে থাকা এই সমস্ত হোমরা চোমরা নেতা - মন্ত্রী কত বড় বহরের অন্যায় - অবিচার - কে গোপনে সংগঠিত করেছিল বছর বছর ধরে। এতোবড় দুর্নীতির সাথে নাম জড়ানো  সত্ত্বেও রাজ্য মন্ত্রীসভা থেকে পার্থবাবুকে বরখাস্ত করা হল না। বোঝাই গেল, দুর্নীতির প্রশ্নে শূন্য সহনশীলতার নীতি আমাদের নীতিবাগিশ  মুখ্যমন্ত্রীর না- পসন্দ। আর তারপরেও সবাইকে  অবাক করে  মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, তিনি নাকি এই সমস্ত কিছুর বিন্দু - বিসর্গ ও জানতেন না!!  

    কিন্তু, এতো বড় অন্যায়ের শিকার যাঁরা হলেন, তাঁদের কি হবে?  রাজ্যের সাধারণ ঘরের অগুনতি  ছেলে মেয়েরা বহু পরিশ্রম করে এসএসসি পরীক্ষায় সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হয়ে মেধা তালিকায় নাম ওঠার পরও দেখলেন তাঁদের চাকরি হলো না। উল্টে তা বিপুল টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়ে গেল।   এদিকে, ডাহা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিজেকে বাঁচাবার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছেন।  বঙ্গ - সম্মান প্রদানের মঞ্চকে তিনি আত্মপক্ষ সমর্থনের মঞ্চে পরিনত করে অবলীলায় জানালেন যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির বিষয়ে তিনি আগে কিছুই জানতে পারেননি। অথচ কে না জানে, ২০১৯ সালের এসএলএসটি - র মেধা তালিকায় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে- র নাম হঠাৎ উড়ে এসে জুড়ে বসল আর তিনি চাকরি পেয়ে গেলেন "যাদুকরী"  স্পর্শে।  গেজেট অনুযায়ী নিয়োগ না করার প্রতিবাদে ২০১৯ -র ২৮ শে ফেব্রুয়ারি কলকাতার মেয়ো রোডে প্রেস ক্লাবের সামনে ' যুব ছাত্র অধিকার মঞ্চ' এর ব্যানারে দুর্নীতি মুক্ত স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে শুরু হয় অনশন আন্দোলন। ২৯ দিনের মাথায় হঠাৎ অনশনস্থলে আবির্ভূত হলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি এসএসসি কে ঘুঘুর বাসা হিসাবে আখ্যায়িত করেন। তিনি সেখানে গঠন করেন একটা কমিটি ---- আর, সেখানে তাঁদেরই রেখে দিলেন  যাঁরা ইতিমধ্যেই দুর্নীতিবাজ হিসাবে চিহ্নিত।  কে না জানে, তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর এসএসসি - র মাধ্যমে শিক্ষক ও অশিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা অচিরেই বন্ধ হয়ে যায়। ২০১২ সালে যে পরীক্ষা হয়, তাতেও লেপ্টে ছিল দুর্নীতির বড়সড় অভিযোগ। টেট কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে যে এলো, তাও কি মুখ্যমন্ত্রী জানতেন না?  হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি - র নিয়োগ দুর্নীতি যাচাই করতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন। এটাও কি জানতেন না মুখ্যমন্ত্রী? হাইকোর্ট নিযুক্ত বাগ কমিটি এসএসসির বিরুদ্ধে দুর্নীতির যে আঙুল তুলেছিলেন, তাও কি শুনতে পাননি মুখ্যমন্ত্রী?  না কি শুনতে চাননি? একদিকে   ক্ষমতার দম্ভ ও দাপটের মিশেল, অন্যদিকে ঠগ খুঁজতে দল উজাড় হওয়ার আশঙ্কায় তিনি নীতিহীন আপোষ করেছেন দুর্নীতির সাথে। 

    ২০১৫ সালে সংঘটিত আপার প্রাইমারি প্যানেলের মধ্যে বিরাট অসঙ্গতি থাকায় আদালত নির্দেশ দিয়েছিল অবিলম্বে তা সংশোধন করতে।   আজও ওই প্যানেলের নিয়োগ সম্পন্ন হলো না। ফলে, প্যানেলের মধ্যে থাকা চাকুরিপ্রার্থীরা ২০১৫- ২০২২ - --- এই দীর্ঘ সাত বছর ধরে যে স্বপ্ন সযত্নে লালন পালন করেছিলেন, তার ভ্রূণ হত্যা হল। টেট কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসলেও তার সমাধান আজ পর্যন্ত হল না। এদিকে,  সংকট থেকে পরিত্রাণ খুঁজতে মুখ্যমন্ত্রী আদালতের দিকে দায় ঠেলে দিলেন। হাইকোর্ট ও শিক্ষা সচিবের কাছ থেকে জানতে চেয়েছে কোন কোন শূন্যপদ পূরণ আদালতের রায়ের কারণ বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে, তা হলফনামা পেশ করে জানাতে। 

    সাম্প্রতিক দুর্নীতি কান্ডে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে রাজ্যে আতঙ্কজনক কর্মহীনতার ছবি। রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থায় ঘনিয়ে ওঠা সরকার - সৃষ্ট নৈরাজ্য, পড়ুয়া -পিছু শিক্ষকদের লজ্জাজনক ঘাটতি, রাজ্য সরকারি - আধা সরকারি - স্বশাসিত সংস্থাগুলোতে বছরের পর বছর বিপুল পরিমাণে শূন্যপদ না পূরণ করার আখ্যান। পড়ুয়া - শিক্ষক অনুপাতের চরম দৈন্যতা আজ রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে গিলে খাচ্ছে। সংবাদে প্রকাশ, মুর্শিদাবাদের শমসেরগঞ্জে সাকার ঘাট জুনিয়ার হাই স্কুলে উচ্চ প্রাথমিকে ৭৭২ জন পড়ুয়া পিছু শিক্ষকের সংখ্যা মাত্র ১! এটা কোন ব্যতিক্রমী উদাহরণ নয়। বহু উচ্চ প্রাথমিক স্কুলে মাত্র এক বা দু' জন শিক্ষকের উপর পঠন পাঠনের পুরো দায়ভারটি ন্যস্ত। এমনও দেখা যায়, সেই এক বা দু'জন শিক্ষক ছুটিতে গেলে স্কুলের গ্রুপ -  ডি কর্মীকে ক্লাস নিতে হয়। কখনও বা আংশিক সময়ের শিক্ষক নিয়োগ করে এই অবস্থার সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলে। শিক্ষার প্রতি এই নির্দয় অবহেলা অপরাধসম। শিক্ষার অধিকার আইনের পরিপন্থী। শিক্ষাকে জাতির মেরুদন্ড বলে ক্লান্তিহীন বিজ্ঞাপন যতই দেওয়া হোক না কেন, এই রাজ্য সরকার তিলে তিলে গোটা শিক্ষাব্যবস্থাকেই ভেঙে গুড়িয়ে দিয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ছয় মাস পার হওয়া সত্ত্বেও  ২০২১ সালের টেট লিখিত পরীক্ষায় পাশ করা কর্মপ্রত্যাশীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুই করা গেল না। আরও উল্লেখ্য, এই নিয়োগ সংক্রান্ত ক্ষেত্রে কোন ধরনের মামলাই দায়ের করা হয়নি।

    শুধু পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাবই নয়, সরকার এবং সরকার - পোষিত স্কুলগুলোতে শিক্ষার ন্যূনতম পরিবেশ, পরিকাঠামো পর্যন্ত নেই। নেই পর্যাপ্ত স্কুল ঘর, কোথাও খোলা আকাশের নীচে চলছে পঠন পাঠন, কোথাও শিক্ষক নেই, নেই শৌচাগার - পরিশ্রুত পানীয় জল - এমনই করুন অবস্থা রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে। গোটা শিক্ষাক্ষেত্র জুড়ে কত শূন্যপদ রয়েছে ( শিক্ষক - অশিক্ষক পদে)  তার কোন সরকারি হিসাব আজ পর্যন্ত পেলনা রাজ্যবাসী। অথচ, তুমুল মস্করা করে, ২১ জুলাই মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বললেন রাজ্যে নাকি ৩০ হাজার চাকরি তৈরি! সরকার নাকি শুধুমাত্র নিয়োগ পত্র দেওয়ার অপেক্ষায়। আর, ঠিক ক'দিন আগে সংবাদে প্রকাশিত হল রাজ্যে কর্মসংস্থানের আরেকটি মর্মান্তিক ছবি। সংবাদে প্রকাশ, মালদায় সরকারি কর্মসংস্থান কেন্দ্র পরিচারিকাদের জন্য একটা প্রশিক্ষণ শিবির সংগঠিত করে, যাতে অংশ নেয় ৪০ জন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর মহিলারা। 

    এতো বড় একটা ঘটনার পরও রাজ্যের নাগরিক  সমাজ নীরব নিশ্চল! ক্ষমতার উদ্ধত চোখে চোখ রেখে প্রশ্ন তোলার মূল্যবোধ এ রাজ্যে যেন বড়ই বিষম বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু, যে সমস্ত টগবগে প্রাণ কাউকে তোয়াক্কা না করে গান্ধী মূর্তির পাদদেশকে পরিনত করেছেন তাঁদের প্রতিবাদ প্রতিরোধের তীর্থস্থান, এক গণ আদালত, এক গণ সংসদে -- সেটাই আগামীতে রাত্রির গভীর বৃন্ত থেকে ছিঁড়ে আনবে এক ফুটন্ত সকাল! সেই অবিচল, অবিনশ্বর বিশ্বাসের উপর ভর করেই উত্তাল সমুদ্রে বেয়ে চলেছে নবজীবনের তরনী। সমস্ত বাধা বন্ধনকে উপেক্ষা করে।

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • আলোচনা | ২৭ জুলাই ২০২২ | ১০৫১৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দীপ | 2402:3a80:a06:b9df:0:46:2b1c:8801 | ০৬ জুন ২০২৩ ২৩:১৮520267
  • দীপ | 2402:3a80:a06:b9df:0:46:2b1c:8801 | ০৬ জুন ২০২৩ ২৩:২৭520268
  • সাতের দশকে সিদ্ধার্থশঙ্কর ও তার চ্যালারা ঠিক এটাই ভেবেছিল। আমাদের পূর্ববর্তী প্রজন্ম সেই দিনগুলো দেখেছিলেন। কিন্তু তারপর তাদের কি হয়েছিল সেটাও আমরা জানি। ইন্দিরা গান্ধী, কেন্দ্রীয় সরকার; কেউ তাদের রক্ষা করতে পারেনি!  বাংলা থেকে তারা ধুয়েমুছে গেছে! 
    এই শুয়োরের বাচ্চা সেটা ভুলে গেছে! 
    যে মাতব্বর "আমরা ২৩৫, ওরা ৩০" বলে লাফালাফি করেছিল; সে নিজেই এখন অর্ধমৃত হয়ে পাপের প্রায়শ্চিত্ত করছে!
    জানোয়ারের তাতেও শিক্ষা হয়নি!
  • দীপ | 42.110.144.204 | ১২ জুন ২০২৩ ১৫:১০520384
  • হুজুরের নতুন ফতোয়া!
  • দীপ | 42.110.144.204 | ১২ জুন ২০২৩ ২৩:৪৮520390
  • উন্নয়ন বটে!
  • দীপ | 42.110.145.190 | ০৪ জুলাই ২০২৩ ২২:৩০521003
  • শাসকের ঔদ্ধত্যের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ প্রতিবাদ! 
     
  • PIJUS SARKAR | ০৩ নভেম্বর ২০২৩ ১১:৫২525472
  • চাকরি দেওয়ার মুরোদ নেই অথচ ঢওল পিটছে শাসকদল।
  • দীপ | 2402:3a80:196f:1f36:878:5634:1232:5476 | ১৫ মার্চ ২০২৪ ১২:২৪529388
  • দীপ | 2402:3a80:a3b:e0e3:0:44:b15e:3d01 | ১৫ মার্চ ২০২৪ ১৬:১২529397
  • দীপ | 2402:3a80:a11:695a:0:55:7503:4801 | ১৬ মার্চ ২০২৪ ১২:২৪529454
  • দীপ | 42.110.139.117 | ১৮ মার্চ ২০২৪ ২১:১২529566
  • Kolkata Corporation ২০১০ সালে দখল করেছিল তৃণমুল কংগ্রেস। গত ১৪ বছরে শুধু কোলকাতা করপোরেশন এলাকায় ৫০০০ এর উপর জলাভূমি বেআইনি ভাবে বুজিয়েছে তৃণমূল কাউন্সিলর - বিধায়ক - মন্ত্রী - প্রশাসন - প্রমোটার নেক্সাস । সবার কাট মানি আছে । ২২ টা গ্যারেজের মালিক বিধায়ক হয়ে, ডিসপিউট জমিতে ভারত মাতার মন্দির বানিয়ে ,আর এস এস এর প্রতি তার রাজনৈতিক ঋণ শোধ করেছেন , একদিকে । এই যাদবপুরের আরেক কাউন্সিলর তো রেলের জমিতে প্রমোটিং করে দিলেন , এক জেলে থাকা মন্ত্রী কুকুরের হাসপাতাল বানাবেন বলে কলোনির পার্কের জমি দখল করলেন , কতো লিখব । শুধু যাদবপুর নিয়ে লিখলেই একটা বই হয়ে যাবে ।  কোলকাতা নিয়ে লিখলে বইয়ের সিরিজ হবে । আর বাংলা নিয়ে লিখলে মহাকাব্য । এরা যেভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ, মানুষের বাঁচার মৌলিক নিরাপত্তা লুঠ করেছে , সেটার সাথে বিজেপির দেশ বেচা তুলনীয়।

    গার্ডেনরিচ - এ যে বাড়িটা ভেঙে পড়েছে ,সেটা ১৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে । কাউন্সিলর সামস ইকবাল । ৫ কোটি টাকার গাড়ি করে পৌরসভা আসেন । ৯৮.৩৪% ভোট পেয়ে জিতেছেন । ববি হাকিমের ডানহাত । শুধু গার্ডেনরিচ অঞ্চলেই ৮০০র উপর বেআইনি নির্মাণ আছে । এই সমস্ত কিছুর পেছনে ওই নেক্সাস , যার মুখ সমস ইকবাল । পুরানো বাড়ি গুলির রক্ষণাবেক্ষণ করতেও ব্যর্থ তৃণমুল। "আই লাভ আমার পায়খানার দরজা " - মার্কা বলদা বলদা গ্লো শাইন, আর অকারণ আলো দিয়ে মিউনিসিপ্যাল গভর্ন্যান্স হয় না।  ব্রিজ ভেঙে পড়ে ,বাড়ি ভেঙে পড়ে। মানুষ মরে যায় । যারা চোখ থেকেও অন্ধ তারা দেখতে পান না । যারা দেখতে পান , তারা কথা বলুন ।

    [ অবিন দত্তগুপ্ত ]
  • দীপ | 2402:3a80:a30:3af1:0:45:4646:2c01 | ১৯ মার্চ ২০২৪ ২৩:০৮529600
  • দীপ | 2402:3a80:a30:3af1:0:45:4646:2c01 | ১৯ মার্চ ২০২৪ ২৩:০৯529601
  • কলকাতার বহুতল আবাসন।
  • দীপ | 2401:4900:3fbb:9266:7bcb:e086:59d0:8435 | ২১ মার্চ ২০২৪ ১১:২৩529633
  • দীপ | 2402:3a80:196c:521a:778:5634:1232:5476 | ২২ মার্চ ২০২৪ ১১:৪৪529671
  • দীপ | 42.110.139.88 | ২৩ মার্চ ২০২৪ ১৫:৪৭529734
  • দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনৈতিক দল ও তাদের সহযোগী কর্পোরেটগোষ্ঠী। সাধারণ মানুষকে ছিবড়ে করাই এদের উদ্দেশ্য।
  • দীপ | 2402:3a80:a1f:d38a:0:6a:d965:8101 | ৩১ মার্চ ২০২৪ ১৭:১৪530066
  • দীপ | 2402:3a80:a33:1d3a:0:68:360d:9b01 | ০৫ এপ্রিল ২০২৪ ১৬:৫৯530261
  • দীপ | 42.110.139.157 | ০৬ এপ্রিল ২০২৪ ২২:৩২530307
  • পশ্চিমবঙ্গে ভোট, অথচ বাংলাভাষায় প্রচার নেই! 
    এঁরাই আবার মাতৃভাষার মর্যাদা নিয়ে বড়ো বড়ো কথা বলবেন!
  • @দীপ | 2601:5c0:c280:d900:a09c:ff80:ca4d:69e6 | ০৭ এপ্রিল ২০২৪ ০২:৫৮530323
  • dc | 2402:e280:2141:1e8:83:64de:a4d6:fa58 | ০৭ এপ্রিল ২০২৪ ০৭:৪৯530337
  • বেচারা দীপচাড্ডি ভোটের বাজারে কটা টাকা উপায় করছে, স্প্যাম ইত্যাদি বলে ইনকামের পথ বন্ধ করে দেওয়াটা কি ঠিক হবে? 
  • দীপ | 42.110.147.68 | ০৮ এপ্রিল ২০২৪ ১৩:৫১530378
  • লুবানা পারভিন উত্তর দিয়েছেন -
    "নিজেদের দাবির ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা করতে বিকাশ ভবন, এসএসসি, নবান্ন কোথায় কোথায় না গেছি।সবাই বলেছেন তোমাদের নিয়ে আমরা চিন্তিত নই। তৎকালীন ডেপুটি ডিরেক্টর অলোক সরকার তো বলেছিলেন... তোমরা জাহান্নামে যাও। চোখের জলে বুক ভাসিয়েছি। তরুণের স্বপ্ন আজ ঝাপসা হয়েছে। চাকরি পাবো... আমি যোগ্য সেই উন্মাদনা কোথায় মরে গেছে। সমাজে সকলের করুণার পাত্রী হয়েছি। ক্ষমতার দম্ভের কাছে সব চাপা পড়ে গেছে। এরই মধ্যে ভাগ্যদেবী মুচকি হেসেছে। বেকারের যন্ত্রণা তার চোখের জল কখনো বৃথা যায় না।"
     
     
    দুই বছর আগের প্রতিবেদন। আবার মনে করিয়ে দিলাম।
  • দীপ | 42.110.138.6 | ০৯ এপ্রিল ২০২৪ ০০:১৪530389
  • দীপ | 42.110.147.187 | ০৯ এপ্রিল ২০২৪ ২০:২৫530399
  • অভিজিৎ আর গরুর রচনা/ 
    ভোটের ডাইরি ১
     
    অভিজিৎ গাঙ্গুলি এবং রচনা ব্যানার্জি এরা দু জনেই যে কার্যত অশিক্ষিত এবং ভোটে জিতলে সংসদে আর পাঁচ জনের সঙ্গে আরও দু'জন অশিক্ষিত, ভাঁড় জাতীয় প্রাণীর মাথা গুনতি বাড়বে, মিডিয়ার সামনে তাঁদের মুখ নিঃসৃত বাণীতে তা স্পষ্ট ধরা পড়েছে। নিজেদের সেলিব্রেটি ভাবা এই শ্রেণীর মানুষরা যে এমন কুৎসিত রকম মূর্খ হয়, অতীতে দেখিনি।
     
    প্রথমে আসি গাঙ্গুলির কথায়। উনি দেখলাম এক টিভি সাক্ষাৎকারে অশান্ত মণিপুর নিয়ে বলছেন, ওখানে বিজেপি কী করবে ? সবাইকে তো পুলিশ দেওয়া সম্ভব নয়.. ইত্যাদি। 
     
    অভিজিৎ ভাই আমার, মণিপুরে কাদের শাসন চলছে? মুখ্যমন্ত্রী কে? তিনি কোন দলের ? আইন শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব কার? যদি দাঙ্গা হয়, কে সামলাবে ? হিন্দু মাইথিদের কে উস্কে দিল খ্রিস্টান আদিবাসীদের বিরুদ্ধে? কেন্দ্রের শাসন ক্ষমতায় কে ? ভাই অভিজিৎ এই সব ক'টি প্রশ্নের একটাই জবাব : বিজেপি। 
     
    কোন বুদ্ধি এবং পড়াশুনা নিয়ে আপনি এতদিন বিচারপতির আসনে বসে ভগবানের ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন জানি না! বিচারপতির আসনে বসতে হলে তো দেশের আইন ও সংবিধান জানতে হয়! সে সম্পর্কে আপনার নূন্যতম জ্ঞান আছে বলে তো মনে হয় না। 
     
    যেদিন আরেক টিভি সাক্ষাৎকারে দেখলাম, জাতির পিতা গাঁধী? না তার হত্যাকারী গডসে ? প্রশ্নের উত্তর আপনি দিতে পারেন নি, সেই দিনই বুঝেছিলাম, আপনি ওই চেয়ারে বসার সম্পূর্ণ অনুপযুক্ত ছিলেন। ফ্যাসিস্ট মোদীকে এই প্রশ্ন করলে আমি নিশ্চিত, তিনিও পাবলিকের সামনে উত্তর দিতেন, গাঁধী।
     
    এবার আসি রচনার কথায়। দিদি নম্বর ওয়ান যে নিজে থেকে একটা কথাও বলতে পারেন না, সবটাই তাঁর কানে লাগানো যন্ত্রের মাধ্যমে পর্দার পিছন থেকে প্রম্পট করতে হয়, সিঙ্গুরের গরুর গাছ পাতা খাওয়া, দুধের গুণ কীর্তন, দই পাতা এবং "কত কারখানা , কত ধোঁয়া উড়ছে" কথা থেকেই স্পষ্ট। এত কম বুদ্ধির অতি চালাক মহিলার পক্ষে সংসদে যাওয়ার থেকে না যাওয়াই ভালো। 
     
    অভিজিৎ গাঙ্গুলি এবং রচনা ব্যানার্জির থেকে কোনও সাধারণ বাড়ির কমন ম্যান, খেটে খাওয়া মানুষ বা সাধারণ গৃহবধূ প্রার্থী হলে ভালো হত। অন্তত বাঙালির সন্মান বাঁচত।
     
    C@ প্রসূন আচার্য
  • দীপ | 2402:3a80:a0e:4c7c:0:66:c9ba:3501 | ১০ এপ্রিল ২০২৪ ১৫:২৬530413
  • *ভোটরঙ্গ*
     
    এশিয়াডে পদকজয়ী জ্যোতির্ময়ী শিকদার ভোটে দাঁড়ান একবার। তিনি কৃষ্ণনাগরিক, প্রাবন্ধিক ও সুপণ্ডিত সুধীর চক্রবর্তীর বাড়ি যান ভোটের প্রচারে। সুধীরবাবু ওনাকে জিগেস করেন, 'আপনি দৌড়তেন না?' জ্যোতির্ময়ী - হ্যাঁ। সুধীরবাবুর বিনীত জিজ্ঞাসা - তাহলে দাঁড়ালেন কেন? 
     
    -ফেসবুক থেকে সংগৃহীত।
  • দীপ | 2402:3a80:a3e:2235:0:67:b62d:8401 | ১২ এপ্রিল ২০২৪ ১৫:২১530508
  • ২০০৯ এ সদ্য লোকসভা নির্বাচন মিটেছে । প্রায় মাস তিনেক বাদে অনেক কষ্টে সৌগত রায়ের দশ মিনিটের একটা এপয়েন্টমেন্ট নিয়ে তাঁর বাড়ি পৌঁছেছিলাম এক সকালে ।

    পানিহাটি অঞ্চলের অনেকগুলো বন্ধ কারখানার জমির তালিকা, বন্ধ কবে থেকে, কার মালিকানায় রয়েছে সব ফাইল বন্দী করে পৌঁছেছিলাম । এক ঝলক চোখ বুলিয়ে বলেছিলেন এত তথ্য তুমি পেলে কি ভাবে ? কোথা থেকে ? বললাম অনেক খেটে পরিশ্রম করে জোগাড় করেছি । একটু চেষ্টা শুরু করুন, কেন্দ্রে ইউ পি এ সরকার, আপনি মন্ত্রী,আপনি পারবেন কিছুটা কাজ এগোতে ।

    ফাইলটা রেখে দিয়ে বলেছিলেন তুমি মাঝে মাঝে যোগাযোগ রেখ। যা আপডেট পাবে দিও । কিন্তু পুর বোর্ড তো বামেদের, ওরা তো character conversion করে দেবে । আমাদের আসা দরকার । এলে এগুলো আটকে আমরা যা করার করব । এত তথ্য তুমি কিভাবে সংগ্রহ করলে সেটা ভেবে আমি অবাক হচ্ছি ।
    বললাম, কোনটা ট্রেড ইউনিয়ন লিডার নারায়নদার কাছ থেকে পেয়েছি, কোনটা জগমোহন ত্রিবেদীর কাছ থেকে সংগ্রহ করেছি, কোনটা রমেন দত্তর সূত্রে পেয়েছি । একটু দেখুন যদি কিছু করা যায় কি না ।

    আজ ২০২৪এর অবসরে সেই দুপুরের ঘটনাটা খুব মনে পড়ছিল । হিসেব করছিলাম কালের নিয়মে তাঁর (সৌগত রায়ের) সাংসদ জীবনের ১৫ বছর (২০০৯ থেকে) পূর্ণ হয়েছে দমদম থেকে । চতুর্থ বারের জন্য এখন তিনি পাড়ায় পাড়ায় দৌড়চ্ছেন । কখনো নাচছেন, কখনো সুইমিং পুলে নামছেন । বোঝানোর চেষ্টা করছেন আমার বয়স হয়নি । আমার ৭৯ র যৌবন ভোট চাইছে, দেবে তো ? তোমরা ? বড্ড খিদে যে! কি আকুল আর্তি প্রচণ্ড তাপদাহেও। দেখছিলাম ।

    হিসেব কষছিলাম, তাঁর হাতে দেওয়া তালিকার প্রায় প্রত্যেকটি ( গোটা পাঁচেক বাদে,) কারখানায় আজ মাথা তুলে দাঁড়িয়েছে অট্টালিকা । প্রায় প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে তাঁর দলের পানিহাটির কালোয়াররা involved। ২০১৩ এ তৃণমূল বোর্ড আসার পরও দেখা করেছিলাম সম্ভবত তাঁর নিজাম প্যালেসের অফিসে । সেই ফাইলের প্রতিলিপি নিয়ে ।  ২০০৯ থেকে ২০১৩ যতবার দেখা হয়েছে কাকুতি মিনতি করেছি । বারবার বলেছি, আপনি চাইলে পারবেন, একটু রুখে দাঁড়ান সৌগতদা।

    একদিন প্রায় প্রকাশ্যে ধমক দিয়েছিলেন, বলেছিলেন তোমার এত মাথা ব্যাথা কিসের ? আর কেউতো এসব নিয়ে আসেনা । সেই শেষ যাওয়া, সম্ভবত ২০১৫ সালে । অপমানিত, অসম্মানিত হয়ে যাওয়া বন্ধ করেছিলাম, প্রত্যাশার সব দরজা বন্ধ করেছিলাম এই লোকটির কাছে । 

    বুঝেছিলাম, শুনেওছিলাম লোক মুখে পেছনের ইতিহাস ।

    নিজেকে বুঝিয়ে ছিলাম অসভ্য, ইতর, বর্বরের কাছে প্রত্যাশার ঝুলি খুলতে নেই । সেই থেমেছিলাম। যাওয়া এবং কথা বলা।
    তারপর চোখের সামনে একে একে দেখেছি কারখানা গুলোর চরিত্র বদল হওয়া । আন্দাজ করেছি লক্ষে নয় কোটির গন্ধে বিভোর শাসক । পুরসভা, বিধানসভা, লোকসভার প্রতিনিধিরা কি ভাবে নিংড়ে নিয়ে মুছে দিয়ে চলে যাচ্ছে একটি ছোট্ট প্রান্তিক মফস্বলের শিল্পনগরীর সব ইতিহাসকে।

    একদা যে মফস্বলের এই নগরীতে আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে নিয়ে পা দিয়েছিলেন বাসন্তী কটন মিলের জমিতে সেখানে আজ রাজনৈতিক শকুনের নিত্য আনাগোনা, দাপাদাপি, দর দস্তুর । 
    সৌগত রায়ের মত লোকেদের ক্ষুধার্ত পদচারণা ।

    মন চাইছিল প্রকাশ্যে প্রশ্নটা করতে এরপরও ভোটটা দেবেন তো এঁকে ? এই ধান্দাবাজকে ?
    প্রশ্নটা থাকল । ভাববেন । দমদমের মানুষ, আপনারা ।

    সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় 
    (৯৮৩০৪২৬০৭৮)
  • দীপ | 2402:3a80:a08:2c4e:0:5f:5765:6401 | ১৩ এপ্রিল ২০২৪ ১৩:০৭530556
  • দীপ | 42.110.146.254 | ১৩ এপ্রিল ২০২৪ ১৪:৩৩530560
  • গোবিজী!
  • দীপ | 2402:3a80:a09:4741:0:6a:bed:6001 | ২১ এপ্রিল ২০২৪ ১৬:২১530855
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে প্রতিক্রিয়া দিন