এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  রাজনীতি

  • তুমি তো প্রহর গোনো, তারা মুদ্রা গোনে কোটি কোটি

    অতনু চক্রবর্তী 
    আলোচনা | রাজনীতি | ২৭ জুলাই ২০২২ | ৯৬২৬ বার পঠিত | রেটিং ৪.৪ (৭ জন)
  • রাজ্য রাজনীতিতে বিরাট  তোলপাড় তুলে উদ্ধার কোটি কোটি টাকা,  দুর্নীতির দায়ে অভিযুক্ত হয়ে গ্রেপ্তার  পার্থ চট্টোপাধ্যায় যিনি রাজ্য মন্ত্রীসভার দ্বিতীয় ব্যক্তি । শুধু প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রীই নন, তিনি তৃণমূল দলের বিরাট মাপের এক নেতা, শৃঙ্খলা রক্ষাকারী কমিটির চেয়ারম্যান ও বটে । শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব যার উপর দল  সঁপেছিল তিনিই এতো বড় কেলেঙ্কারি, আর্থিক অনিয়মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়লেন --- নির্মম পরিহাসের এর থেকে বড় উদাহরণ সাম্প্রতিক সময়ে রয়েছে কিনা সন্দেহ আছে । তাঁর সাঙাততন্ত্রের  কদর্য চেহারাও  দেখলো গোটা রাজ্য। কিভাবে তাঁরই এক ঘনিষ্ঠ সহযোগীর বিলাসবহুল আবাসন থেকে উদ্ধার হল গুপ্তধন, কোটি কোটি টাকা,  অঢেল বিদেশি মুদ্রা ও সোনার অলঙ্কার! মিলল কি বিপুল স্থাবর  সম্পত্তির হদিশ । কুৎসিত বৈভবের নির্লজ্জ প্রদর্শনী চোখে আঙুল তুলে দেখিয়ে দিল ক্ষমতার অলিন্দে থাকা এই সমস্ত হোমরা চোমরা নেতা - মন্ত্রী কত বড় বহরের অন্যায় - অবিচার - কে গোপনে সংগঠিত করেছিল বছর বছর ধরে। এতোবড় দুর্নীতির সাথে নাম জড়ানো  সত্ত্বেও রাজ্য মন্ত্রীসভা থেকে পার্থবাবুকে বরখাস্ত করা হল না। বোঝাই গেল, দুর্নীতির প্রশ্নে শূন্য সহনশীলতার নীতি আমাদের নীতিবাগিশ  মুখ্যমন্ত্রীর না- পসন্দ। আর তারপরেও সবাইকে  অবাক করে  মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, তিনি নাকি এই সমস্ত কিছুর বিন্দু - বিসর্গ ও জানতেন না!!  

    কিন্তু, এতো বড় অন্যায়ের শিকার যাঁরা হলেন, তাঁদের কি হবে?  রাজ্যের সাধারণ ঘরের অগুনতি  ছেলে মেয়েরা বহু পরিশ্রম করে এসএসসি পরীক্ষায় সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হয়ে মেধা তালিকায় নাম ওঠার পরও দেখলেন তাঁদের চাকরি হলো না। উল্টে তা বিপুল টাকার বিনিময়ে বিক্রি হয়ে গেল।   এদিকে, ডাহা মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী নিজেকে বাঁচাবার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করে চলেছেন।  বঙ্গ - সম্মান প্রদানের মঞ্চকে তিনি আত্মপক্ষ সমর্থনের মঞ্চে পরিনত করে অবলীলায় জানালেন যে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে দুর্নীতির বিষয়ে তিনি আগে কিছুই জানতে পারেননি। অথচ কে না জানে, ২০১৯ সালের এসএলএসটি - র মেধা তালিকায় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী পরেশ অধিকারীর মেয়ে- র নাম হঠাৎ উড়ে এসে জুড়ে বসল আর তিনি চাকরি পেয়ে গেলেন "যাদুকরী"  স্পর্শে।  গেজেট অনুযায়ী নিয়োগ না করার প্রতিবাদে ২০১৯ -র ২৮ শে ফেব্রুয়ারি কলকাতার মেয়ো রোডে প্রেস ক্লাবের সামনে ' যুব ছাত্র অধিকার মঞ্চ' এর ব্যানারে দুর্নীতি মুক্ত স্বচ্ছ নিয়োগের দাবিতে শুরু হয় অনশন আন্দোলন। ২৯ দিনের মাথায় হঠাৎ অনশনস্থলে আবির্ভূত হলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানেই তিনি এসএসসি কে ঘুঘুর বাসা হিসাবে আখ্যায়িত করেন। তিনি সেখানে গঠন করেন একটা কমিটি ---- আর, সেখানে তাঁদেরই রেখে দিলেন  যাঁরা ইতিমধ্যেই দুর্নীতিবাজ হিসাবে চিহ্নিত।  কে না জানে, তৃণমূল ক্ষমতায় আসার পর এসএসসি - র মাধ্যমে শিক্ষক ও অশিক্ষক নিয়োগের পরীক্ষা অচিরেই বন্ধ হয়ে যায়। ২০১২ সালে যে পরীক্ষা হয়, তাতেও লেপ্টে ছিল দুর্নীতির বড়সড় অভিযোগ। টেট কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে যে এলো, তাও কি মুখ্যমন্ত্রী জানতেন না?  হাইকোর্টের বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চ গ্রুপ সি ও গ্রুপ ডি - র নিয়োগ দুর্নীতি যাচাই করতে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেন। এটাও কি জানতেন না মুখ্যমন্ত্রী? হাইকোর্ট নিযুক্ত বাগ কমিটি এসএসসির বিরুদ্ধে দুর্নীতির যে আঙুল তুলেছিলেন, তাও কি শুনতে পাননি মুখ্যমন্ত্রী?  না কি শুনতে চাননি? একদিকে   ক্ষমতার দম্ভ ও দাপটের মিশেল, অন্যদিকে ঠগ খুঁজতে দল উজাড় হওয়ার আশঙ্কায় তিনি নীতিহীন আপোষ করেছেন দুর্নীতির সাথে। 

    ২০১৫ সালে সংঘটিত আপার প্রাইমারি প্যানেলের মধ্যে বিরাট অসঙ্গতি থাকায় আদালত নির্দেশ দিয়েছিল অবিলম্বে তা সংশোধন করতে।   আজও ওই প্যানেলের নিয়োগ সম্পন্ন হলো না। ফলে, প্যানেলের মধ্যে থাকা চাকুরিপ্রার্থীরা ২০১৫- ২০২২ - --- এই দীর্ঘ সাত বছর ধরে যে স্বপ্ন সযত্নে লালন পালন করেছিলেন, তার ভ্রূণ হত্যা হল। টেট কেলেঙ্কারি প্রকাশ্যে আসলেও তার সমাধান আজ পর্যন্ত হল না। এদিকে,  সংকট থেকে পরিত্রাণ খুঁজতে মুখ্যমন্ত্রী আদালতের দিকে দায় ঠেলে দিলেন। হাইকোর্ট ও শিক্ষা সচিবের কাছ থেকে জানতে চেয়েছে কোন কোন শূন্যপদ পূরণ আদালতের রায়ের কারণ বাধাপ্রাপ্ত হয়েছে, তা হলফনামা পেশ করে জানাতে। 

    সাম্প্রতিক দুর্নীতি কান্ডে ঢাকা পড়ে যাচ্ছে রাজ্যে আতঙ্কজনক কর্মহীনতার ছবি। রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থায় ঘনিয়ে ওঠা সরকার - সৃষ্ট নৈরাজ্য, পড়ুয়া -পিছু শিক্ষকদের লজ্জাজনক ঘাটতি, রাজ্য সরকারি - আধা সরকারি - স্বশাসিত সংস্থাগুলোতে বছরের পর বছর বিপুল পরিমাণে শূন্যপদ না পূরণ করার আখ্যান। পড়ুয়া - শিক্ষক অনুপাতের চরম দৈন্যতা আজ রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থাকে গিলে খাচ্ছে। সংবাদে প্রকাশ, মুর্শিদাবাদের শমসেরগঞ্জে সাকার ঘাট জুনিয়ার হাই স্কুলে উচ্চ প্রাথমিকে ৭৭২ জন পড়ুয়া পিছু শিক্ষকের সংখ্যা মাত্র ১! এটা কোন ব্যতিক্রমী উদাহরণ নয়। বহু উচ্চ প্রাথমিক স্কুলে মাত্র এক বা দু' জন শিক্ষকের উপর পঠন পাঠনের পুরো দায়ভারটি ন্যস্ত। এমনও দেখা যায়, সেই এক বা দু'জন শিক্ষক ছুটিতে গেলে স্কুলের গ্রুপ -  ডি কর্মীকে ক্লাস নিতে হয়। কখনও বা আংশিক সময়ের শিক্ষক নিয়োগ করে এই অবস্থার সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলে। শিক্ষার প্রতি এই নির্দয় অবহেলা অপরাধসম। শিক্ষার অধিকার আইনের পরিপন্থী। শিক্ষাকে জাতির মেরুদন্ড বলে ক্লান্তিহীন বিজ্ঞাপন যতই দেওয়া হোক না কেন, এই রাজ্য সরকার তিলে তিলে গোটা শিক্ষাব্যবস্থাকেই ভেঙে গুড়িয়ে দিয়েছে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ছয় মাস পার হওয়া সত্ত্বেও  ২০২১ সালের টেট লিখিত পরীক্ষায় পাশ করা কর্মপ্রত্যাশীদের নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরুই করা গেল না। আরও উল্লেখ্য, এই নিয়োগ সংক্রান্ত ক্ষেত্রে কোন ধরনের মামলাই দায়ের করা হয়নি।

    শুধু পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাবই নয়, সরকার এবং সরকার - পোষিত স্কুলগুলোতে শিক্ষার ন্যূনতম পরিবেশ, পরিকাঠামো পর্যন্ত নেই। নেই পর্যাপ্ত স্কুল ঘর, কোথাও খোলা আকাশের নীচে চলছে পঠন পাঠন, কোথাও শিক্ষক নেই, নেই শৌচাগার - পরিশ্রুত পানীয় জল - এমনই করুন অবস্থা রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্রে। গোটা শিক্ষাক্ষেত্র জুড়ে কত শূন্যপদ রয়েছে ( শিক্ষক - অশিক্ষক পদে)  তার কোন সরকারি হিসাব আজ পর্যন্ত পেলনা রাজ্যবাসী। অথচ, তুমুল মস্করা করে, ২১ জুলাই মঞ্চ থেকে মুখ্যমন্ত্রী বললেন রাজ্যে নাকি ৩০ হাজার চাকরি তৈরি! সরকার নাকি শুধুমাত্র নিয়োগ পত্র দেওয়ার অপেক্ষায়। আর, ঠিক ক'দিন আগে সংবাদে প্রকাশিত হল রাজ্যে কর্মসংস্থানের আরেকটি মর্মান্তিক ছবি। সংবাদে প্রকাশ, মালদায় সরকারি কর্মসংস্থান কেন্দ্র পরিচারিকাদের জন্য একটা প্রশিক্ষণ শিবির সংগঠিত করে, যাতে অংশ নেয় ৪০ জন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর মহিলারা। 

    এতো বড় একটা ঘটনার পরও রাজ্যের নাগরিক  সমাজ নীরব নিশ্চল! ক্ষমতার উদ্ধত চোখে চোখ রেখে প্রশ্ন তোলার মূল্যবোধ এ রাজ্যে যেন বড়ই বিষম বস্তু হয়ে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু, যে সমস্ত টগবগে প্রাণ কাউকে তোয়াক্কা না করে গান্ধী মূর্তির পাদদেশকে পরিনত করেছেন তাঁদের প্রতিবাদ প্রতিরোধের তীর্থস্থান, এক গণ আদালত, এক গণ সংসদে -- সেটাই আগামীতে রাত্রির গভীর বৃন্ত থেকে ছিঁড়ে আনবে এক ফুটন্ত সকাল! সেই অবিচল, অবিনশ্বর বিশ্বাসের উপর ভর করেই উত্তাল সমুদ্রে বেয়ে চলেছে নবজীবনের তরনী। সমস্ত বাধা বন্ধনকে উপেক্ষা করে।

     
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • আলোচনা | ২৭ জুলাই ২০২২ | ৯৬২৬ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    ইঁদুর  - Anirban M
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • দীপ | 2402:3a80:a06:b9df:0:46:2b1c:8801 | ০৬ জুন ২০২৩ ২৩:১৮520267
  • দীপ | 2402:3a80:a06:b9df:0:46:2b1c:8801 | ০৬ জুন ২০২৩ ২৩:২৭520268
  • সাতের দশকে সিদ্ধার্থশঙ্কর ও তার চ্যালারা ঠিক এটাই ভেবেছিল। আমাদের পূর্ববর্তী প্রজন্ম সেই দিনগুলো দেখেছিলেন। কিন্তু তারপর তাদের কি হয়েছিল সেটাও আমরা জানি। ইন্দিরা গান্ধী, কেন্দ্রীয় সরকার; কেউ তাদের রক্ষা করতে পারেনি!  বাংলা থেকে তারা ধুয়েমুছে গেছে! 
    এই শুয়োরের বাচ্চা সেটা ভুলে গেছে! 
    যে মাতব্বর "আমরা ২৩৫, ওরা ৩০" বলে লাফালাফি করেছিল; সে নিজেই এখন অর্ধমৃত হয়ে পাপের প্রায়শ্চিত্ত করছে!
    জানোয়ারের তাতেও শিক্ষা হয়নি!
  • দীপ | 42.110.144.204 | ১২ জুন ২০২৩ ১৫:১০520384
  • হুজুরের নতুন ফতোয়া!
  • দীপ | 42.110.144.204 | ১২ জুন ২০২৩ ২৩:৪৮520390
  • উন্নয়ন বটে!
  • দীপ | 42.110.145.190 | ০৪ জুলাই ২০২৩ ২২:৩০521003
  • শাসকের ঔদ্ধত্যের বিরুদ্ধে বলিষ্ঠ প্রতিবাদ! 
     
  • PIJUS SARKAR | ০৩ নভেম্বর ২০২৩ ১১:৫২525472
  • চাকরি দেওয়ার মুরোদ নেই অথচ ঢওল পিটছে শাসকদল।
  • দীপ | 2402:3a80:a15:bc76:0:59:3faa:3701 | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ০০:৪৯528332
  • ৫৬ ঘণ্টা জ্বলছে সন্দেশখালি। 
    দ্বীপ থেকে অন্য দ্বীপে ছড়াচ্ছে আগুন । 
    শিবু হাজরাকে উদ্ধার করে নিয়ে আড়াল করছে সন্দেসখালি থানা ।
    উত্তম সরদারকে অবস্থা বুঝে অন্তরালে সরিয়ে পুলিশ প্রটেকশন দিয়েছে বসিরহাট পুলিশ । 
    মাথা শেখ শাজাহানকে উত্তর থেকে দক্ষিণে ভাইপোর জেলায় পৌঁছে দিয়েছে খোদ পুলিশ কর্তারা ।
     
    গত ৯ বছর ধরে প্রান্তিক আদিবাসী মানুষের বিঘের পর বিঘে জমি, ভেড়ি এরা লুঠ করেছে । একশো দিনের কাজের টাকা, জব কার্ডের টাকা ব্যাংকের সামনে দাঁড়িয়ে থেকে হাতিয়ে নিয়েছে । মহিলাদের রেট ঠিক করে দিয়েছে । রাত ১২ টায় নেতাদের ডাকে ছুটতে বাধ্য করা হয়েছে । আজ এসবই এঁরা সামান্য একটু স্পেস পেয়েই বলতে শুরু করেছেন । এঁরা অধিকাংশই প্রান্তিক আদিবাসী । 

     
    কে জানে, সব কিরকম সব গুলিয়ে যায় । খামোখা মুখ গুলো শুধু মনে পড়ে । আর ওই আদিবাসী মহিলাদের কথা গুলো খালি কানে ভেসে আসে । লজ্জা বাড়ায়, নিজেকে অপরাধী মনে হয় । একজন একটু চেতনা নিয়ে বেঁচে থাকা এক বাঙালি হিসেবে !!
     
    সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় (৯৮৩০৪২৬০৭৮)
  • দীপ | 2402:3a80:a1c:1bf1:0:4f:948a:fd01 | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৫:১৮528345
  • আবার সন্দেশখালিতে দিল্লীর পাঁচ সদস্যের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি !
    গত তিন বছরে এরকম প্রায় ৩৫ টি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি এসেছে । তাঁরা ফ্লাইটে এসেছেন, ফাইভ স্টার হোটেলে উঠেছেন, প্রচুর সিকিউরিটি নিয়ে রাজকীয় স্টাইলে ঘুরে বেড়িয়েছেন, প্রেস বাইট দিয়ে " ভোজন " শেষে দিল্লীর ফিরতি ফ্লাইট ধরেছেন । 
     
    কেউ জানেন ? কেউ বলতে পারবেন এই ৩৫টি ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির দেওয়া রিপোর্টের ভিত্তিতে আজ পর্যন্ত কি ব্যবস্থা নিয়েছে কেন্দ্র ? একটি উদাহরণ কেউ দিন ।
     
    তাহলে এই ন্যাকামো কেন ? এই অর্থব্যয় কেন ? কেনই বা লোককে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির নামে আশান্বিত করা ? - যে এবার এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে ।
     
    দিল্লীর কর্তাদের কাছে অনুরোধ এই ধ্যাস্টামো বন্ধ করুন । গত তিন বছরে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে যা ব্যবস্থা নিয়েছেন তা টেবিল করুন । আমরা জানি, আমরা আশ্বস্ত হই অন্তত এইটুকু জেনে যে ট্যাক্স পেয়ারের টাকায় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের ভ্রমণের নামে যে কয়েক কোটি টাকা গেছে তা জলে যায়নি, স্থলেই গেছে এবং আছে ।
     
    সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় (৯৮৩০৪২৬০৭৮)
  • দীপ | 2402:3a80:a34:4408:0:2:87e6:2c01 | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৫:২০528346
  • সন্ময় সেটিং টা পরিষ্কার করে বলে দিলেন!
  • দীপ | 2402:3a80:a34:4408:0:2:87e6:2c01 | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৫:২৫528347
  • বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব মমতাকে কখনই চটাবেন না৷ কারন তিনিই ইন্ডি জোটের পিন্ডি চটকিয়ে বিজেপির সুবিধা করে দিয়েছেন।
     
    লিখেছেন মলয় মুখোপাধ্যায়।
  • দীপ | 42.110.138.4 | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৫:১২528431
  • নির্লজ্জ শাসকের অসভ্য ঔদ্ধত্য!
  • দীপ | 2402:3a80:a31:8853:0:5c:e735:7301 | ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ২১:০১528495
  • '... গ্রেফতার করা হয়েছে রেশন বন্টন দুর্নীতিতে অভিযুক্ত বিশ্বজিৎ দাসকে। রেশন দুর্নীতিতে ধৃত শঙ্কর আঢ্যর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত বিশ্বজিৎ। এই মামলায় রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, তাঁর ঘনিষ্ঠ রেশন ডিলার বাকিবুর রহমান ও শঙ্কর আঢ্যর পরে এ নিয়ে এটি চতুর্থ গ্রেফতার। 
     
    ... আদালতে ইডির তদন্তকারী অফিসার লিখিত ভাবে দাবি করেছেন, বিশ্বজিতের দুবাই ও বাংলাদেশে ব্যবসা রয়েছে। রেশন বন্টন দুর্নীতিতে বিদেশে পাচার হওয়া ২০ হাজার কোটি টাকার মধ্যে দু'হাজার কোটি টাকা বাংলাদেশ থেকে হাওয়ালা মারফত দুবাইয়ে পাঠানো হয়েছে। ওই বেআইনি আর্থিক লেনদেন বিশ্বজিৎ মারফত হয়েছিল। 
     
    তদন্তকারীদের দাবি, রেশন বন্টন দুর্নীতিতে ২০ হাজার কোটি টাকা মুদ্রা বিনিময় সংস্থা এবং হাওয়ালা মারফত বিদেশে পাচার করা হয়েছে। ইডি সূত্রের আরও দাবি, তার মধ্যে জ্যোতিপ্রিয়রই প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা রয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি অনুযায়ী, দুর্নীতির নগদ টাকা শঙ্করের কাছে পৌঁছে দিতেন জ্যোতিপ্রিয়। ওই টাকা বিশ্বজিতের কাছে পৌঁছলে তিনি ফরেক্স ও হাওয়ালার মাধ্যমে তা বিদেশে পাচার করতেন।' (আবাপ ১৫ ফেব্রুয়ারি '২৪)
     
    জিনিয়াস জ্যোতিপ্রিয়র জিনিয়াস সহযোগী!
  • দীপ | 2402:3a80:a3a:54e7:0:56:a5da:ff01 | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৪:০৪528579
  • দীপ | 2402:3a80:a3a:54e7:0:56:a5da:ff01 | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৪:০৪528580
  • ভাইপোর ব্যাপারে আদালতে আপোসহীন ছিলেন মানুষটি, বিল্লদল ভট্টাচার্য  । কলকাতা হাইকোর্টে । 
    দিল্লির সরকারের অস্বস্তি বাড়ছিল । সরিয়ে দেওয়া হল তাঁকে । আর এস এসের তদবিরে ।
     মমতাকে ভেট !! 
    তোফা, তোফা ।

    সন্ময় বন্দ্যোপাধ্যায় (৯৮৩০৪২৬০৭৮)
  • দীপ | 2402:3a80:a3f:dfd1:0:1f:99ae:d201 | ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪ ১৫:০৩528614
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন