বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • বাংলা ব্যানারে কালি মাখানোর প্রতিবাদেতথা বাংলা ভাষা সাহিত্য চর্চার অধিকার প্রসঙ্গেতিনসুকিয়ার বিভিন্ন  সাহিত্য –সাংস্কৃতিক ও সামাজিক সংগঠন ও ব্যক্তির যৌথ বিবৃতি 

    Sushanta Kar লেখকের গ্রাহক হোন
    ১২ জুলাই ২০২২ | ৫২১ বার পঠিত | রেটিং ৩ (১ জন)
  •  
     
     
     
    সুধী,
                 অসম ভাষা আইনে পরিষ্কার এই কথা লেখা আছে... ‘Without prejudice to the provisions of article 346 and 347 of the constitution of India and subject as here in after provided. Assamese shall be used for all or any of the official purpose of the state of Assam’ ১৯৬১ তে ভাষা আইনের সংশোধনীতে কাছাড় জেলাতে বাংলাকে সরকারি ভাষা হিসেবে মেনে নেওয়া হয়েছে। অসমিয়া যারা জানেন না, তারা ইংরাজি ব্যবহার করতে পারবেন—সেই অনুমতিও রয়েছে আইনে। সংবিধানের ৩৪৬ নং অনুচ্ছেদেই ইংরাজিকে আবশ্যিকভাবে রাখার কথা রয়েছে। আরও কিছু কিছু ছাড় দেওয়া রয়েছে। এর মধ্যে ব্রহ্মপুত্র উপত্যকাতেও বাংলা সহ সমস্ত ভাষিক সংখ্যালঘু সম্প্রদায় নিজেদের ভাষা-মাধ্যমে লেখাপড়া করতে পারবেন, বিদ্যালয় খুলতে পারবেন –সেই সব কথাও লেখা আছে। সেই আইনকে এখন অব্দি রাজ্যের প্রতিজন ভাষিক সংখ্যালঘু মেনে আসছেন। আমরাও মেনেই চলি।
                কিন্তু এই আইন—যার অসমিয়া নয়, ইংরাজি প্রতিলিপিই সহজে মেলে—এতে পরিষ্কার লেখা আছে ভাষা আইন ‘official purpose’ – অর্থাৎ সরকারি কাজেরই জন্যে। সাইন বোর্ড লেখা থেকে শুরু করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান কোন ভাষা ব্যবহার করবেন—সেই নিয়ে আইনে কোনও স্পষ্ট নীতি নির্দেশিকা নেই। তবু সারা ব্রহ্মপুত্র উপত্যকাতে অনসমিয়ারাও ব্যবসায়ীক প্রতিষ্ঠানগুলোতেও অসমিয়াই ব্যবহার করে থাকেন। তখনকার কাছাড় তথা বরাক উপত্যকাতে তেমনি বাংলা ব্যবহার করে থাকেন। যদিও সেখানে যে দুই চারটি অসমিয়া বিদ্যালয় রয়েছে—তাঁরা অসমিয়া ব্যবহার করলেও আজ অব্দি কাউকে আপত্তি করতে দেখা যায় নি। অসম সাহিত্য সভার মতো বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ব্যানারে সাইনবোর্ডেও যথারীতি অসমিয়াই ব্যবহৃত হয় বরাক উপত্যকাতেও। কেউ আজ অব্দি সেখানে আপত্তি করেন নি। সম্প্রতি শিলচর রেলস্টেশনের একটি সাইনবোর্ডে কালি মাখানোর মতো যে অনাকাঙ্খিত নিন্দনীয় ঘটনা ঘটেছিল—সেটি ছিল মূলত সরকারি বিজ্ঞাপনে ভাষা আইন লঙ্ঘনেরই প্রতিবাদ। যার জন্যে সরকার পরে সেই সাইনবোর্ড পালটে দেন। কিন্তু ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার অনেকেই সেই সরকারি ভাষা আইন মেনে সাইনবোর্ড পালটে দেবার সরকারি পদক্ষেপেরও ,আমরা দেখেছি, নিন্দে করলেন।
                কিন্তু এখন তিনসুকিয়াতে সম্প্রতি নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলন, বর্ণালি শিশু কল্যাণ সংস্থা সহ আরও দুই একটি সংগঠনের বাংলা ব্যানারে যেভাবে কালো রং মেখে দেওয়া হল—এর সঙ্গে ভাষা আইনের কোনও সংযোগ আমাদের কাছে স্পষ্ট নয়। বাঙালি নিজের ভাষা সাহিত্য শিল্প চর্চা করতে পারবে না, বা নিজেদের বাংলা অনুষ্ঠানের প্রচারও বাংলাতে করতে পারবেন না—এমন কোনও নির্দেশ অসম ভাষা আইনে নেই। তবু এহেন চাপে এত দিন উজান অসমের একাধিক জেলাতে বাংলা ভাষা সাহিত্য শিল্প চর্চা প্রায় বন্ধই হয়ে গেছে। তিনসুকিয়া ডিব্রুগড়ের মতো দুই একটি শহরে যেটুকু হচ্ছে—তাকেও এখন মনে করা হচ্ছে অসমিয়া ভাষার অবমাননা। অথচ এই সমস্ত সংগঠনের অনুষ্ঠানে প্রায়ই অসমিয়া সাহিত্য শিল্প নিয়ে কথা হয়, অনুষ্ঠান হয়। তাতে বিদগ্ধ অসমিয়ারাও বিনা আপত্তিতেই যোগ দিয়ে থাকেন।  যেভাবে লাচিত সেনা নামের সংগঠনটি এইসব কাজ করে সেগুলোই বা কতটা আইনসিদ্ধ এবং তাতে অসমিয়া সমাজ ও সংস্কৃতির কতটা মান বাড়ছে—ভাবার বিষয়। আর বাঙালিকে যদি বৌদ্ধিক চর্চার থেকে সরিয়ে ফেলা হয়—আর এইভাবে ভয় দেখিয়ে অসমিয়া ভাষা সাহিত্য চর্চা করতে বলা হয়—তবে সে তা আন্তরিকভাবে ভালোবেসে  করতে পারে না। সে বৌদ্ধিক ও সাংস্কৃতিক চর্চার থেকে দূরে সরে যাওয়াই নিরাপদ মনে করবে। এভাবে একটি নির্বোধ রক্ষণশীল সমাজ গড়ে উঠতে পারে। আর সেটাই ঘটে আসছে আজ কয়েক দশক ধরে। তাতে অসমের বৃহৎ সমাজ জীবনের কতটুকু লাভ হচ্ছে সেই সমীক্ষা যেমন বাঙালি সমাজের করা দরকার --- সেভাবে অসমিয়া ভাবুক সৃজনী ব্যক্তিত্বকেও ভাবা দরকার। এবং আইন বহির্ভূত এহেন অপমানের নিন্দেতে সরব হওয়া দরকার। আমরা দুঃখের সঙ্গে দেখছি—সেটি ঘটছে না।
                দেশের সংবিধানের ২৯ নম্বর অনুচ্ছেদ দেশের সমস্ত ভাষিক সংখ্যালঘুকে অধিকার দিয়েছে যে কোনও প্রদেশে নিজের ভাষা সংস্কৃতি সুরক্ষা ও সমৃদ্ধির স্বার্থে কাজ করবার। সেখানে লেখা আছে, “Any section of the citizens residing in the territory of India or any part thereof having a distinct language, script or culture of its own shall have the right to conserve the same” যে অধিকার বলে পশ্চিম বাংলা, ত্রিপুরা সহ দেশের সর্বত্র অসমিয়া সংগঠনগুলোও কাজ করে যাচ্ছে কোনও বাধা বিঘ্ন ছাড়াই এবং স্থানীয় বাঙালিদের সহযোগিতাতে। অসমের বাঙালিদেরও এই সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। অথচ কিছু সামাজিক সংগঠন সেই সব স্বীকার করতে রাজি না। এদের কাজে কর্মে প্রশাসনের নীরবতাও আমাদের ব্যথিত করে।
                নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের ব্যানারে কালি মাখানোর পরে ভাটি অসম থেকে দুই একটি বাঙালি সংগঠন যেভাবে লাচিত সেনার কর্মীদের মারধর করবেন বলে হুঙ্কার দিয়েছেন—আমরা তারও নিন্দে করি। এভাবে আইন হাতে নেবার কারও অধিকার নেই—আর তাদের সেই ক্ষমতাও নেই -- তাও ইতিমধ্যে জলের মতো স্পষ্ট হয়ে গেছে। শুধু শুধু গোটা অসম জুড়ে সংবাদ ও সামাজিক মাধ্যম জুড়ে এক কুৎসিত বিতর্কের আবহ তৈরি হয়েছে এবং বাঙালি আরও বেশি বেশি আতঙ্কের মুখে পড়েছেন।
                এমনিতেও আমরা গোটা দেশের লোকে মেনে নেওয়া কবি রবীন্দ্রনাথের সেই উক্তিকেই ভারতবর্ষের মর্মবাণী বলে মনে করি—যেখানে তিনি লিখছেন, “কেহ নাহি জানে কার আহ্বানে / কত মানুষের ধারা / দুর্বার স্রোতে এল কোথা হতে / সমুদ্রে হল হারা।/                           হেথায় আর্য, হেথা অনার্য/ হেথায় দ্রাবিড়, চীন--/ শক-হুন-দল পাঠান মোগল/এক দেহে হল লীন।”আমাদের প্রিয় প্রদেশ অসমেরও মর্মবাণী তাইই। রবীন্দ্রনাথই লিখেছেন , “দিবে আর নিবে, মিলাবে মিলিবে/যাবে না ফিরে।” আমাদের জাতীয় সঙ্গীতেরও একই বাণী—এক বাক্যে এর সারকথা ‘বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য’। অসমের সমাজ জীবনে শ্রমে ও ঘামে, ভাবে ও মননে বাঙালি রোজ রোজ নিজের অবদান রেখে যাচ্ছে। শ্রম দিচ্ছে না, কেবল মুখ ব্যবহার করে খাচ্ছে—এমন মনে করাটাই অপমান জনক। বৈচিত্র্য ধ্বংস করে যে ঐক্য—তাতে কোনও সুস্থির ও শান্ত সমাজ গড়ে উঠতে পারে না। আমাদের গভীর বিশ্বাস অসমিয়া সমাজেরও সংবেদনশীল মানুষ তা জানেন বলেই আমাদের অনুষ্ঠানাদিতে তাঁরাও সানন্দে অংশ নিয়ে থাকেন।
                আমরা তাই
    ১) মনে করি নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের তিনসুকিয়া শাখা বা বর্ণালি শিশু কল্যাণ সংস্থা কোনও বে-আইনি বা অসাংবিধানিক কাজ করেন নি। বরং যারা কালি মাখিয়েছেন—তাঁরাই আইন এবং সংবিধান বিরুদ্ধ কাজ করেছেন। 
    ২) কোনো বেসরকারি সংগঠনের ব্যানারের ভাষা নিয়ে কারো আপত্তি থাকলে তিনি বা তাঁরা আইনের দ্বারস্ত হতেই পারেন। কিন্তু এভাবে কালো কালি মাখা বা ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে আইন হাতে নিয়ে নেওয়া তথা কোনও এক ভাষিক গোষ্ঠীকে অপমান করবার প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
    ৩) আমরা সরকার তথা প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি যে যারাই এভাবে আইন হাতে তুলে নিয়ে ভাষিক সাম্প্রদায়ীক পরিবেশ
    গড়বেন তাদের বিরুদ্ধে পক্ষপাত হীন ভাবে ব্যবস্থা নেবেন।
    ৪)  সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি যে অসমের ভাষা আইনকে সম্মান জানিয়েও বাংলা ভাষা সাহিত্য ও সংকৃতি চর্চার অধিকার
    আমাদের সাংবিধানিক অধিকার—আমরা সেই অধিকার রক্ষার স্বার্থে সাহিত্য-সাংস্কৃতিক তথা সামাজিক কাজকর্ম  করে
    এসেছি— তাই করে যাব।  

    ক্রমিক নং
    ব্যক্তি   নাম
    সংগঠনের নাম


    সৌমেন ব্যানার্জি
    সম্পাদক, তিনসুকিয়া শাখা; নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলন


    মলয় দে
    তিনসুকিয়া শাখা; নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলন


    নির্মলেন্দু চ্যাটার্জি
     কলাভারতী


    পথিক দেব
    অধিবক্তা ও সমাজ কর্মী


    বিজয় চন্দ
    সম্পাদক, কেন্দ্রীয় সমিতি;সারা আসাম বাঙালি যুবছাত্র ফেডারেশন


    অজিত দেবনাথ
    সভাপতি , তিনসুকিয়া জেলা;সারা আসাম বাঙালি যুবছাত্র ফেডারেশন


    শুভঙ্কর শর্মারায়
    সভাপতি , তিনসুকিয়া আঞ্চলিক;সারা আসাম বাঙালি যুবছাত্র ফেডারেশন


    প্রমেশ দাস
    সারা আসাম বাঙালি যুবছাত্র ফেডারেশন


    রাজা সাহা
    সারা আসাম বাঙালি যুবছাত্র ফেডারেশন

    ১০
    দেবরাজ ভৌমিক
    কার্যকরী সভাপতি, সারা আসাম বাঙালি পরিষদ

    ১১
    টাবলু দে
    সভাপতি, সারা আসাম বাঙালি পরিষদ

    ১২
    সুরজিত দাস
    সম্পাদক, সারা আসাম বাঙালি পরিষদ

    ১৩
    বাণ্টি দেব
    সারা আসাম বাঙালি পরিষদ

    ১৪
    রঙ্গদুলাল দে
    সারা আসাম বাঙালি পরিষদ

    ১৫
    অসীম দাস
    সারা আসাম বাঙালি পরিষদ

    ১৬
    পল্লব ভদ্র
    সারা আসাম বাঙালি পরিষদ

    ১৭
    সুস্মিতা দে
    সারা আসাম বাঙালি পরিষদ

    ১৮
    ডাঃ নক্ষত্র বিজয় চৌধুরী
    উপদেষ্টা, উজান সাহিত্য গোষ্ঠী

    ১৯
    প্রশান্ত ভট্টাচার্য
    সহ-সভাপতি, উজান সাহিত্য গোষ্ঠী

    ২০
    সুশান্ত কর
    সহ-সভাপতি; উজান সাহিত্য গোষ্ঠী।

    ২১
    ভানু ভুষণ দাস
    সম্পাদক,উজান সাহিত্য গোষ্ঠী

    ২২
    সবিতা দেব নাথ
    সম্পাদিকা, ‘উজান’ পত্রিকা; উজান সাহিত্য গোষ্ঠী

    ২৩
    জীবন কৃষ্ণ সরকার
    সহ-সম্পাদক; উজান সাহিত্য গোষ্ঠী

    ২৪
    শীলা দেব দে সরকার
    সাংস্কৃতিক সম্পাদিকা, উজান সাহিত্য গোষ্ঠী

    ২৫
    গোপাল মজুমদার
    সন্ধানী নাট্য গোষ্ঠী এবং উজান সাহিত্য গোষ্ঠী

    ২৬
    দীপক চক্রবর্তী
    উজান সাহিত্য গোষ্ঠী, দুর্গাবাড়ি মিউজিক কলেজ ও সম্পাদক, সঞ্চয়িতা

    ২৭
    ত্রিদিব দত্ত
    উজান সাহিত্য গোষ্ঠী

    ২৮
    জীবেশ দেব
    উজান সাহিত্য গোষ্ঠী

    ২৯
    নন্দিতা মুখার্জি
    উজান সাহিত্য গোষ্ঠী

    ৩০
    সুতনুকা ভট্টাচার্য
    উজান সাহিত্য গোষ্ঠী

    ৩১
    চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য
    উজান সাহিত্য গোষ্ঠী

    ৩২
    সোমনাথ ব্যানার্জি
    উজান সাহিত্য গোষ্ঠী ও নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলন

    ৩৩
    অমল মুখার্জি
    সঙ্গীত শিক্ষক, সঞ্চয়িতা ও কার্যকরী সদস্য,দুর্গাবাড়ি মিউজিক কলেজ

    ৩৪
    সংকর্ষণ পড়ুয়া
    চিত্রকলা শিক্ষক, দুর্গাবাড়ি মিউজিক কলেজ

    ৩৫
    রতন দেব
    যন্ত্রশিল্পী, দুর্গাবাড়ি মিউজিক কলেজ

    ৩৬
    শুভ্রজ্যোতি বর্ধন
    সমাজকর্মী

    ৩৭
    কাজল চৌধুরী
    সাংবাদিক, দৈনিক যুগশঙ্খ

    ৩৮
    পান্নালাল গুপ্ত
    সমাজ কর্মী

    ৩৯
    হিমাংশু শেখর বিশ্বাস
    অবসর প্রাপ্ত অধ্যাপক ও সঙ্গীত শিল্পী

    ৪০
    অলক সরকার
    নেতাজি সুভাষ সোসিয়েল ওয়েলফেয়ার সোসাইটি, তিনসুকিয়া

    ৪১
    নীলদীপ চক্রবর্তী
    কবি

    ৪২
    অনুপ কুমার রায়
    সমাজ কর্মী

    ৪৩
    কাজল কুমার ভৌমিক
    প্রাক্তন বায়ু সেনানি ও সমাজকর্মী

    ৪৪
    সুশান্ত দাস
    সমাজকর্মী

    ৪৫
    সঞ্চিতা চক্রবর্তী দেব
    সঞ্চিতা ড্যান্স একাডেমি

    ৪৬
    মঞ্জুশা চক্রবর্তী
    তারানা ড্যান্স একাডেমি

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন