বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • পরাণ বাগ্দী - ৯

    Anjan Banerjee লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৮ জুন ২০২২ | ২৯৭ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  •      
    সকালবেলায় দেবমাল্য বলল, ' কলতানদা পরাণের পরিবারকে একবার দেখে আসবেন নাকি ? ওদের সঙ্গে অনেকদিন যোগাযোগ করা হয়নি । কিছু টাকাও দিয়ে আসতে হবে । গত তিন বছরে কেসটা তুলে নেবার জন্য অনেক হুমকি ফেস করতে হয়েছে । কিন্তু পরাণের স্ত্রী 
    সুজাতা তবু হাল ছাড়েনি। দাঁত কামড়ে পড়ে ছিল পাক্কা তিনবছর  আমার ওপর নির্ভর করে।তাছাড়া আর একজন ওদের সাপোর্ট বলুন, শেল্টার বলুন প্রচুর দিয়েছিলেন । তিনি হলেন  বীরেন ঘোষ মশাই । নাহলে এদের বেঁচে থাকাই প্রায় অসম্ভব ছিল । ওদের ছেলেগুলো প্রচুর প্রোটেকশান দিয়েছিল ... সুজাতা তার দুই ছেলেমেয়ে নিয়ে এখন পাশের গ্রাম ছামুড়িতে  আছে ওর এক বোনের কাছে । এখানকার থানার দায়িত্বে স্বরূপ রাউথ আসার পর থেকে ওরা অনেকটা নিরাপদে আছে । জানি না  স্বরূপবাবু কতদিন এখানে থাকতে পারবেন । 
    ---- ' হ্যা ... ওদের কাছে অবশ্যই যেতে হবে । ওদের হয়েই তো আমরা লড়ছি । ওদের বলা দরকার আমরা ওদের ন্যায়বিচার দেবার জন্য আপ্রাণ লড়ব ... ' কলতান বলল ।
        
       ছামুড়ি গাঁয়ে গেল দেবমাল্য আর কলতান । রিক্শায় কুড়ি মিনিটের রাস্তা । মেঠো পথের ধারে মাটির ভাঙ্গাচোরা ঘর । ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল সুজাতা । দেবমাল্যকে দেখে ছুটে এল । 
    ----- ' আপনি এসেছেন বাবু ... '
    ----- ' হ্যা ..... অনেকদিন দেখা হয়নি ..... কেমন আছ ? '
    ----- ' আমাদের আর থাকা .... বেঁচে আছি কোনমতে .... তাও যদি লোকটা থাকত ... সে তো কতদিন ধরে হাজতে কষ্ট পাচ্ছে ...' 
    সুজাতার চোখ ফেটে কান্না বেরিয়ে আসছিল । দেবমাল্য তাড়াতাড়ি বলল, ' আহা ... তুমি এত  ভেঙে পড়ো না ... ব্যবস্থা একটা হবেই ... আমি লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি । এতদিন সহ্য করলে ... আর একটু ধৈর্য ধর ... ' 
    ----- ' সে আর কি বলব ... আপনার আর বীরেন ঘোষ বাবুর ওপর ভরসা করেই তো বেঁচে আছি ...  ওনার দলের ছেলেরা দু একদিন অন্তর এসে আমার খবর নেয় ... এ ঋণ তো কখনও শোধ হবার নয় ...' 
    সুজাতা বারবার কলতানের দিকে তাকাচ্ছিল । সেটা লক্ষ্য করে দেবমাল্য বলল , ' এই বাবু কলকাতা থেকে এসেছেন পরাণের হয়ে কাজ করার জন্য ... খুব নামজাদা লোক ... ' 
    সুজাতা কৃতজ্ঞতায় গলে গিয়ে কলতানকে গড় হয়ে প্রণাম করতে যাচ্ছিল । কলতান ওকে থামাল । 
    ----- ' আরে ... আরে কি করছ ! আমি একজন সাধারণ মানুষ ..... তুমিও যা আমিও তা ... '
    সুজাতা লজ্জায় জিভ কেটে বলল , ' কি যে বলেন বাবু ... কোথায় আপনি আর কোথায় আমি ... ' 
    এ প্রসঙ্গ নিয়ে বাদানুবাদ করার কোন মানে হয় না । কলতান তাই চুপ করে রইল । 
    দেবমাল্য বলল , ' তোমার ছেলেমেয়েকে দেখছি না ...' 
    সুজাতা একদিকে হাত দেখিয়ে বলল, ' ওই ... ওদিকে আমতলার বিলে মাছ ধরা দেখতে গেছে ... আর কোন কাজ নেই তো .... রাতদিন শুধু ঘুরে ঘুরে বেড়ায় ..... কি যে হবে ওদের ...'
    ------ ' কিচ্ছু চিন্তা করো না .... সব ঠিক হয়ে যাবে ... এই নাও এটা রাখ ... আবার কবে দেখা হবে ... '
    দেবমাল্য  পাঁচটা একশো টাকার নোট দিল সুজাতাকে । সুজাতার কোন উপায় নেই । সে টাকাটা নিল । মাথার ওপর আকাশ বেশ মেঘলা । বৃষ্টি হতে পারে । 
    *********         *************      **********
     কুলতলার মাঠে আগে জমাটি ফুটবল ম্যাচ হত। এপাশের ওপাশের গ্রামের ক্লাবগুলো এই মারকাটারি টুর্নামেন্টে অংশ নিত । সে সব পাট চুকে গেছে বছর পাঁচেক আগেই । মাঠের চারদিক এখন ঘেরা হচ্ছে টিন দিয়ে । একটা কন্স্ট্রাকশান সাইটের বোর্ড পড়েছে । কাজ শুরু হয়নি এখনও ।
    সালোয়ার কুর্তা পরে সাইকেল চালিয়ে মৌসুমী 
    এসে নামল মাঠের ধারে । দেখল বসন্ত এসে দাঁড়িয়ে আছে তার আগেই । কোন সাইকেল টাইকেল কিছু নেই । রিক্শা করে এসেছে বোধহয় ।  
    মৌসুমী মধুর ভঙ্গীমায় হেসে বলল , ' কতক্ষণ এসেছ ? '
    ----- ' এই ... মিনিট দশেক ... '  
    বসন্তর আবিষ্ট ভাব এখনও কাটেনি ।  সে নীরবে মৌসুমীর দিকে তাকিয়ে রইল । 
    মৌসুমী বলল, 'ওই ওপাশটায় গিয়ে বসলে হয় না ? ' 
    ----- ' হ্যা ... চল ... ' 
    বসন্ত মাঝে মাঝে রাস্তার এদিকে ওদিকে দেখছিল । দুজন আড়তদার এই সময়ে রোজ এখান দিয়ে যায় স্টেশানের দিকে । তারা মনে হয় এতক্ষণে চলে গেছে । বসন্ত বেশ সতর্ক। ব্যাপারটা এখনই পাঁচ কান না হওয়াই ভাল । বাপ জানতে পারলে আবার ...
     
       মাঠের একপাশে নারকেল গাছের সারি ।  লোকজন কেউ নেই । গেরস্থ ঘরবাড়িও এ দিকটায় হয়নি ।    
    মৌসুমী সাইকেলটা দাঁড় করিয়ে রেখে বলল,
     ' এস বসি এখানে ... '  । দুজনে বসল গাছের নীচে ঘাসের ওপর । ওদিকে পশ্চিমের আকাশ লাল হয়ে উঠেছে । সূর্য ঢলে পড়ল বলে । মনোরম পরিবেশ । 
    ----- '  জায়গাটা কিন্তু সত্যি সুন্দর । মনে হয় সারাদিন বসে থাকি ... তাই না ? ' 
    বসন্ত এতকাল মহাজন, আড়তদার আর পঞ্চায়েতের মুরুব্বি চরিয়ে এসেছে । ফেরেব্বাজ লোকজন নিয়ে তার কাজ কারবার।  সে এই উন্মদ কিন্তু অনভ্যস্ত পরিস্থিতি কি করে যথাযথভাবে সামাল দেবে তা নিয়ে বেশ বিপাকে পড়ে গেল । তার ওপর, হাজার হোক সে তো গ্রামের ছেলে । পালিশ করা কথোপকথন ঠিক আয়ত্ত্বে নেই ।
    সে বলল , ' হ্যা ... সেটা ঠিক ... দারুন  দারুন ... '
    আসলে যে প্রশ্নটা তার মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে সেটা হল ,  হঠাৎ তার অনুকূলে মৌসুমীর হৃদয় পরিবর্তনের কারণটা কি ? কিন্তু এ কথাটা ঠিকমতো গুছিয়ে কিভাবে উপস্থাপনা করা যেতে পারে সেটা ভেবে ঠিক করতে পারল না । তাই প্রস্তাবনাটা ভবিষ্যতের জন্য মুলতুবি রাখল। 
    মৌসুমী একটা ঘাস তুলে দাঁত দিয়ে কাটছিল দূর দিগন্তের দিকে তাকিয়ে । মাথার খোলা চুল মুখের দুপাশ দিয়ে বুকের কাছে নেমে এসেছে । 
    বসন্ত এক লহমায় সম্মোহিত হল । সবই বোধহয় মৌসুমীর পূর্ব পরিকল্পিত । মাঠে খেলতে নামলে হোমওয়ার্ক করেই তো নামতে হবে । পুরুষ আর নারীর মধ্যে মূল তফাৎ হল, একজন পুরুষ শুধু পুরুষের মনস্তত্ত্ব আন্দাজ করতে পারে আর একজন নারী, পুরুষ ও নারী উভয়েরই মনের ভাব পড়ে নিতে পারে ।
    বসন্ত যে বিবশ হয়েছে মৌসুমী অনুমান করতে পারল ।
    সে হঠাৎ বিষণ্ণতায় মাদকতা মিশিয়ে বলল, ' আমার না ... আজকাল কিচ্ছু ভাল লাগে না ... '
    বসন্ত জড় জগতের রক্ত মাংসের সমস্যা সম্পর্কে সম্পূর্ণ সজাগ ও ওয়াকিবহাল । সে মুহুর্তের মধ্যে সপ্রতিভ হয়ে উঠল বলল , ' কেন কেন ..... কেউ ঝামেলা করেছে নাকি ? একবার শুধু নামটা বল তো ...'  
    তারপর একটু অতিরিক্ত উত্তেজনার বশে বলে উঠল , ' দুনিয়া থেকে মুছে দেব ... বল না ...' 
    এটা তার প্রতি গাঢ় অনুভূতিশীলতা থেকে বলল বসন্ত , সেটা বুঝলেও, কথাটা শুনে মৌসুমীর বুক কেঁপে উঠল । 
    ----- ' দূ..র ... কি বলছ বোকার মতো ... আমি কি ওসব কিছু বলছি নাকি ? ' 
    অনিয়ন্ত্রিত অপরিশীলতা প্রকাশ করে ফেলায় বসন্ত ভীষণ লজ্জায় পড়ে গেল ...
    ----- ' ইয়ে ...সরি ...কিছু মনে কোরো না ... তেমন লেখাপড়ার তো সুযোগ পাইনি ... তাছাড়া দুনিয়ার লাথখোর নিয়ে কারবার ...'
    ----- ' কি খোর ...? '
    ---- ' ওই লাথ ... না না কিছু না ...কিছু না ... '
    বসন্তর সঙ্গে ন্যাকামির অভিনয় করতে মৌসুমীর গা ঘিনঘিন করছিল , কিন্তু কি করা যাবে ..... তার কাঁধে একটা গুরুদায়িত্ব চেপেছে। এখন পিছিয়ে গেলে তো চলবে না ।
    ----- ' বলছিলাম যে , আমরা যেমন ভাল আছি সকলেই যদি তেমন থাকতে পারত ... '
    কথাটা বসন্তর কাছে আগাগোড়া ধোঁয়াশা মনে হল । 
    সে কোনরকমে বলল, ' তাই তো ...তাই তো...'
     যতই  অস্বস্তি হোক মৌসুমী বসন্তর গা ঘেঁষে বসে আছে । বসন্তর মন প্রাণ বাসন্তী হিল্লোলে দোল খাচ্ছে । ঠিক স্ববশে নেই । 
    মৌসুমী স্নায়ুবিবশ করা স্বরক্ষেপে বলল,
     ' খারাপ লাগে না বল ? '
    ----- ' কি বলতো ? '
    ----- ' এই যে ..... আমরা কতো আনন্দে আছি , আর কেউ হয়ত বিনা দোষে জেলে পচে মরছে....'
    কথাটা শুনে বসন্ত কেমন চমকে উঠল । মৌসুমীর মুখের দিকে ভুরু কুঁচকে তাকাল । সে চাউনিতে কোন রোম্যান্টিক বিবশতা নেই । 
    মৌসুমী মনে মনে কেঁপে গেলেও সামলে নিল সঙ্গে সঙ্গে । সে বুঝতে পারল যে সে খুব তাড়াহুড়ো করে একটা বড় দান খেলে ফেলেছে বড্ড তাড়াতাড়ি । 
    সে খেলাটা ঘোরাবার চেষ্টা করল । প্রবল বিতৃষ্ণা চেপে রেখে বসন্তর হাতে হাত রাখল ।
    বসন্তর শরীর বেয়ে তরঙ্গ বয়ে যাচ্ছে । 
    আবার মদালসা স্বরে বলল, ' যা বলব শুনবে তো সব ... '
    ----- ' কেন শুনব না ..... একবার বলেই দেখ না ... এতদিন ধরে তো তোর কথা শুনতেই চেয়েছি .....  তুইই তো ...' 
    ----- ' আমাকে যদি ভালবাস ... আমার মনের কষ্টটা দূর করে দাও ... ' 
    চারদিক নিস্তব্ধ । সাঁঝের পর্দা ঝুলে পড়েছে আকাশ থেকে । ঝিঁঝিঁর বাজনা শুরু হল ...
    কেঠো বসন্ত টাল খেয়ে গেল । সে বাক্যহারা হয়ে আধো অন্ধকারে মৌসুমীর মুখের দিকে তাকিয়ে রইল ।
    হঠাৎ বসন্তর পকেটের চরম বেরসিক মোবাইলটা ডাকতে শুরু করল । 
    চরম বিরক্তিতে বসন্তর মুখ কুঁচকে গেল কারণ মোবাইলের পর্দায় সে দেখল --- হৃদয় মন্ডল কলিং ...
    বাড়ি ফিরে মৌসুমী কলতানকে ফোন করল । বলল যে, সেকেন্ড পেপারটা তেমন ভাল হয়নি স্যার ... কোয়েশ্চেন বেশ টাফ ছিল । 
    ওদিক থেকে উত্তর এল ----- নো প্রব্লেম । গো অ্যহেড পর দা থার্ড ওয়ান ... অল দা বেস্ট ...
       ( ক্রমশঃ ) 
    ************************************************************************************

     
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Mousumi Banerjee | ১৮ জুন ২০২২ ১০:০৪509129
  • থার্ড পেপার তাড়াতাড়ি আসুক।
  • যোষিতা | ১৮ জুন ২০২২ ১৩:১৩509134
  • হ্যাটস অফ টু মৌসুমী
  • Sobuj Chatterjee | ১৯ জুন ২০২২ ১৬:১৫509171
  • বেশ বেশ। 
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন