এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  লঘুগুরু

  • প্রতিবন্ধকতার অবস্থার পরিবর্তন আদৌও সম্ভব!

    Dr. Bubai Bag লেখকের গ্রাহক হোন
    লঘুগুরু | ০২ ডিসেম্বর ২০২১ | ৯৪২ বার পঠিত | রেটিং ৪ (১ জন)
  • প্রতিবন্ধী মানুষ অধিকার আইন পাঁচ বছর অতিক্রান্ত হতে চলেছে। কতটুকু বদল ঘটেছে বঙ্গীয় তথা ভারতীয় প্রতিবন্ধকতার অবস্থানের ক্ষেত্রে?

    তিন দশক ধরে প্রতিবন্ধকতার অভিজ্ঞতা ও এক দশকে প্রতিবন্ধকতা নিয়ে ভাবনাচিন্তা ও গবেষণা করার ফলে এই বিষয়ে সামান্য জ্ঞান রয়েছে বলে লোকে বিশ্বাস করে। সেই সুবাধে এক বন্ধু জিজ্ঞাসা করল সঠিক শব্দ চয়নটা কোনটা- ‘People with Disabilities’ or ‘Differently abled’? বন্ধুটি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধকতা বিষয়ে গবেষণা করছে। সে ১০০% নিশ্চিত হয়ে ‘People with Disabilities’ শব্দ চয়নে বিশ্বাসী হলেও তাঁর সহকর্মিরা কোনভাবে মানতে রাজী নয়। অগত্যা আরও নিশ্চিন্ত হতে এই অধমের দ্বারস্থ হয়েছে। ওঁর সহকার্মীদের আর কি দোষ! ভারতের বৃহত্তম সামাজিক সংখ্যালঘু প্রতিবন্ধকতাকযুক্ত মানুষদের নিয়ে ‘বালখিল্যে’র পর্যায়ে নামানো যায় তা বেশ কিছুদিন আগে তো ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেখিয়ে দিয়েছেন ‘দিব্যাঙ্গ’ শব্দ প্রয়োগ করে। ভক্তরা অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে সেই শব্দ রেল স্টেশন থেকে শুরু করে সরকারী অফিস, আদালত, বিমান বন্দর ছয়লাপ করে দিল। অথচ তিনি যখন অত্যন্ত সাড়ম্বরে ‘সুগম্য ভারত অভিযান’ (সেপ্টেম্বর, ২০১৫) ডাক দিলেন তার রূপায়ণে খুব একটা উদ্যোগ দেখা গেল না। তাই হয়ত মাত্র দুই বছরের মাথায় (২০১৭) প্রকল্পের ব্যার্থতা একপ্রকার শিকার করে নিয়েছিলেন।

    ইদানীংকালে বেশ কিছু অতি হিতসাধনকারী ব্যক্তিবর্গ ‘বিশেষ সক্ষম বুবাই বাগ’ অভিধায় ভূষিত করে যেনতেন প্রকারে প্রমাণ করতে চাই তারা কত প্রতিবন্ধী মানুষদের প্রতি ‘সংবেদনশীল’ ‘সচেতন’। আসলে সেই কথা মধ্যে যতটা ব্যক্তিগত সাফল্যকে গৌরবান্বিত করা হয় ততটা বোধহয় জীবনযাপনে আগত প্রতিবন্ধকতা বা বাধা নিয়ে ভাবা হয় না। সঠিক শব্দ চয়ন বা চিহ্নিতকরণের উপযুক্ত ভাষা নিয়ে অন্তহীন আলোচনা চলতে পারে। সে থাক! শুধু এটুকু বলার যে ১৯৯৫ সালের ‘প্রতিবন্ধী মানুষ আইন’ (“The Persons with Disabilities (Equal Opportunities, Protection of Rights and Full Participation) Act, 1995) ও ২০১৬ সালের ‘প্রতিবন্ধী মানুষ অধিকার আইনে’ (The Rights of Persons with Disabilities Act, 2016) প্রতিবন্ধকতাযুক্ত মানুষদের যে শব্দচয়নে চিহ্নিত করা হয়েছে তা ব্যবহার করলে বোধহয় প্রতিবন্ধকতাযুক্ত মানুষদের কোন অংশে কম সম্মান করা হবে না।

    বিশ্বের প্রথম সারির দেশেগুলিতে মনে হয় না শাসকেরা বারেবারে চিহ্নিতকরণের ভাষা পরিবর্তন নিয়ে ব্যস্ত থাকে না। বরং তারা ‘প্রতিবন্ধী মানুষ’দের জন্য পরিকাঠামোগত উন্নয়নে অধিক মনযোগী থাকে। সেখানে প্রতিবন্ধী মানুষেরা যানবাহনের জন্য নির্দিষ্ট স্টপেজে অপেক্ষা করে। বাস ও ট্রামের সুপরিকল্পিত র‍্যাম্পের মাধ্যমে প্রতিবন্ধকতাযুক্ত মানুষেরা স্বচ্ছন্দে যাতায়াত করে। কথা গুলো শনলে এক কল্পীয় স্বর্গরাজ্যের অনুভূতি আসে। আর আমাদের এখানে স্ট্যান্ডে দৃশ্যত প্রতিবন্ধী মানুষ (কালো চশমা হাতে লাঠি বা ক্র্যাচ ব্যবহারকারী ব্যক্তি) দেখলে বাস ড্রাইভার ও কন্ডাকটর কিছুটা দূরে দাঁড়িয়ে যাত্রী তোলার চেষ্টা করে। ফলে কোন পরিস্থিতিতে এদেশে প্রতিবন্ধদশা অতিবাহিত হয় তা সহজেই অনুমেয়।

    বছর কয়েক আগে ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবসে সাড়ম্বরে সূচনা করেছিলেন ‘সুগম্য ভারত অভিযান’। উদ্দেশ্য ছিল সমগ্র ভারতবর্ষে প্রতিবন্ধী মানুষদের যাতায়াতের পথকে বাধাহীন করা। সুগম্য যাত্রা আজও শুরু হয়েছে বলে মনে হল না। এব্যাপারে প্রধান চার মহানগরের (দিল্লী, মুম্বাই, ব্যাঙ্গালোর এবং কলকাতা) মধ্যে খুব একটা ফারাক নেই। ক্রাচ্‌ বা হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী মানুষেরা অনায়াসে যাতায়াত করতে সক্ষম তেমন কোন যানবাহনের দেখা আজ মেলে না।

    পরিবহণের পাশাপাশি প্রতিবন্ধকতাযুক্ত মানুষদের সর্বাধিক দুর্দশা প্রতিফলিত হয় শিক্ষা ক্ষেত্রে। ২০০৯ সালের ‘শিক্ষার অধিকার আইনে’ ১৪ বছর পর্যন্ত ‘সবার জন্য শিক্ষা’কে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সেই আইনে প্রতিবন্ধকতাযুক্ত শিশুদের জন্য ‘অন্তর্ভূক্তিমূলক শিক্ষা’র ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপিত হয়েছে। যদিও ‘সবার শিক্ষা’র বিষয় আমাদের দেশে ‘সোনার পাথরবাটি’। প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সেই প্রতিবন্ধী বান্ধব পরিবেশের অভাব। এব্যাপারে জেলার সঙ্গে কলকাতার প্রথমসারির প্রতিষ্ঠানগুলির পার্থক্য খুব কম। অনেক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ‘হেরিটেজ বিল্ডিং’-এর তকমা দিয়ে প্রতিবন্ধী বান্ধব পরিবেশ সৃষ্টিতেও অনীহা দেখিয়ে চলেছে। উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রতিবন্ধকতাযুক্ত ছাত্রছাত্রীদেরর প্রবেশের দরজা শুধু প্রাকৃতিক ভাবেই সীমাবদ্ধ নয়, সঙ্গে পরিকাঠামো নির্মাণে প্রধানদের নেতিবাচক মানসিকতাও কৃত্রিম প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে। ফলস্বরূপ শিক্ষার আঙিনায় সার্বিক অন্তর্ভূক্তিকরণ এখনও প্রান্তিক স্থানেই। অথচ আমরা জানি যে শিক্ষার মাধ্যমেই কোন জাতি বা সম্প্রদায়ের উন্নতি ঘটতে পারে। অন্তত ২০০৬ সালের সন্মিলিত জাতিপূঞ্জের ‘প্রতিবন্ধী মানুষদের অধিকার বিষয়ক সনদে’ সেই প্রতিজ্ঞাতে স্বাক্ষর করেছিল ভারত সরকার।

    ভারতে গত সত্তর বছরে সামাজিকভাবে বৃহত্তম সংখ্যালঘু সম্প্রদায় প্রতিবন্ধী মানুষদের (২০১১ সালের আদমসুমারী অনুযায়ী ২ কোটি ৬৮ লক্ষ তবে তা নিয়ে অনেকেই সন্দেহ প্রকাশ করে) উন্নয়নে একাধিক সরকারি প্রকল্প গৃহীত হলেও তার বাস্তবায়ন বা সাফল্য নিয়ে আশ্চর্যজনকভাবে নীরবতা লক্ষণীয়। তা সুগম্য ভারত অভিযান হোক বা শিক্ষা ও চাকুরীর ক্ষেত্রে সংরক্ষণ হোক। তার কারণ কি শুধুই ‘ভোটব্যাংক’? নাকি ভৌগলিকভাবে নির্দিষ্ট অঞ্চলের অধিবাসী না হওয়াতেই এতটা অবহেলা? কেনই বা প্রতিবন্ধী মানুষ অধিকার আইন পাশের এক বছর পরেও তারা অধিকারের নূন্যতম ছোঁয়া পেল না?

    তবে সমস্ত সমস্যার দায় সরকার বা প্রশাসনের ওপর চাপিয়ে দিলে একপ্রকার সরলীকরণ হয়ে যাবে। সত্যি বলতে অন্যান্য প্রান্তিক মানুষদের (বিশেষত দলিত বা আদিবাসী অধিকার আন্দোলনে) আন্দোলনে যেভাবে নাগরিক সমাজের বৃহৎ অংশের প্রতিনিধিত্ব চোখে পড়ে কিছুটা অস্পষ্টতা ও আড়ষ্টতার কারণে প্রতিবন্ধকতার ক্ষেত্রে সেই ধরণের চিত্র দেখা যায় না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে ‘ওদের বিষয়’ বলে নাগরিক সমাজ প্রতিবন্ধকতাকে ‘না দেখা’র চেষ্টা’ করেছে বা উদাসীনতার ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তি বা তার পরিবারের নিকট আত্মীয়ের বাইরে প্রতিবন্ধকতাকে বোঝার দায় খুব একটা দেখা যায় না বললে অতুক্তি হয় না।

    ভারতীয় গণতন্ত্রে শুধুমাত্র আইনের মাধ্যমে যে সব কিছুর পরিবর্তন হয় না, তার দৃষ্টান্ত গত সত্তর বছরে বারবার দেখা গেছে। প্রতিবন্ধী মানুষদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। প্রতিবন্ধী মানুষদের কর্মক্ষমতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সেই আইনগুলি অন্যতম অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। সেই আইনের মাধ্যমে সমাজের সর্বক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে পারলেই অবস্থার পরিবর্তন ঘটতে পারে। শুধুমাত্র মুষ্টিমেয় কয়েকজন ব্যক্তি প্রতিবন্ধকতার সাফল্যের জয়গান না গেয়ে অন্য প্রতিবন্ধকতাযুক্ত মানুষেরা কীভাবে সেই সিঁড়িতে উঠতে পারে, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র পরিসরে তার বাস্তবায়ন আবশ্যক বলে মনে হয়। তার জন্য অবশ্য প্রথমে প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে অস্পষ্ট ধারণাগুলির দূর করা কাম্য।

    - ড. বুবাই বাগ, প্রতিবন্ধী অধিকার কর্মী
  • লঘুগুরু | ০২ ডিসেম্বর ২০২১ | ৯৪২ বার পঠিত
  • আরও পড়ুন
    হিরো - Malay Roychoudhury
    আরও পড়ুন
    নেতা - Nirmalya Nag
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন