• বুলবুলভাজা  আলোচনা  সমাজ

  • জাপানী পুতুল উৎসবের ইতিকথা

    পূরবী গঙ্গোপাধ্যায়
    আলোচনা | সমাজ | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৯৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)

  • “লে গয়ি দিল গুড়িয়া জাপান কি”- জাপানী পুতুলের মনোমোহিনী রূপের প্রেমে পড়বে না এমন মানুষ নেই বললেই চলে। যদিও জাপান ছাড়াও বিভিন্ন দেশে পুতুল শিল্প একটি অতি সমৃদ্ধ শিল্প তবুও পুতুল সাধারণভাবে ঘর-সাজানর সামগ্রী বা ছোটদের (প্রধানত ছোট মেয়েদের) খেলনা রূপেই আমরা দেখে থাকি। কিন্তু, পুতুলকে নিজেদের জীবনের সাথে প্রকৃত অর্থেই জড়িয়ে নিয়ে তাকে লৌকিক আচারের অঙ্গ করে শতাব্দী-প্রাচীন কাল থেকে ফি-বছর তাকে বিভিন্ন উৎসবে সসম্মানে ভক্তি-শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জাপানের অধিবাসীরা।

    উৎসবের দেশ জাপানের পাঁচটি ঋতু-কেন্দ্রিক উৎসবের অন্যতম দুটি হল পুতুল-কেন্দ্রিক। পুতুল উৎসবের একটি ৩রা মার্চ অনুষ্ঠিত “হিনা মাৎসুরি”। এর অন্য নাম “বালিকা-উৎসব”। অন্যটি হল ৫ই মে অনুষ্ঠেয় “তানগো-নো-সেক্কু” বা “বালক-উৎসব”। জাপানের অন্যান্য উৎসবের মত এই পুতুল উৎসব দুটিরও শুরু বহুযুগ আগেই। তবে নিঃসন্দেহেই বলা যেতে পারে যে, নানা পরিবর্তন ও পরিবর্ধনের পথ পেরিয়ে বর্তমানের উৎসব অন্যরূপে প্রতীয়মান।

    কিন্তু বালিকা উৎসব বা পুতুল উৎসবের অথবা বালক উৎসবের বিস্তারিত বর্ণনা দেবার আগে জাপানের লৌকিক সংস্কৃতিতে এই পুতুলের উৎস সম্বন্ধে কিছু কথা:
    এই যে জাপানী জীবনে পুতুলের একাত্মতা, তার ইতিহাস সেই জোমোন যুগ (আনুমানিক ১০,০০০ খৃষ্টপূর্বাব্দ থেকে ৩০০ খৃষ্টপূর্বাব্দ) থেকে চলে আসছে। সেই প্রাচীন কালে জাপানে প্রাতিষ্ঠানিক ধর্ম হিসাবে মান্যতা পেত প্রকৃতি-পূজা। এই প্রকৃতি পূজার অন্যতম উপকরণ ছিল “দোগু” নামের এক কিম্ভুত আকৃতি ছোট্ট ছোট্ট পুতলি (ছবি-১)।


    ছবি-১
    সূত্রঃ উইকিমিডিয়া কমন্স


    পুতুলের গায়ে থাকত পাকানো দড়ি দিয়ে ডিজাইন করা আর এই পাকানো দড়ির নকশা থেকেই সেই সময়কে জোমোন’ যুগ বলা হয়ে থাকে।
    বেশ কিছু বছর পরে “কোফুন যুগে”(৩০০ খৃষ্টপূর্বাব্দ থেকে ৩০০ খৃষ্টাব্দ) অন্য এক পুতুলের প্রবর্তন জাপানের পুতুল শিল্পে এক বিশাল চমক আনল। এই পুতুলের নাম “হানিওয়া” (ছবি ২)।


    ছবি-২
    সূত্রঃ উইকিমিডিয়া কমন্স


    হানিওয়া তৈরির ইতিহাসও খুবই চমকপ্রদ। তৎকালীন জাপানে এক অতি নিষ্ঠুর প্রথা প্রচলিত ছিল। সেই প্রথা অনুসারে কোনো রাজ পরিবারের সদস্য, সদস্যা বা সম্ভ্রান্ত পুরুষ ও মহিলার মৃত্যু হলে তাঁদের ব্যক্তিগত অনুচর ও পরিচারক ও পরিচারিকা বৃন্দদেরও সমাধিক্ষেত্রে তাদের প্রভুর পথ অনুসরণ করতে হত। অর্থাৎ পরলোকে গিয়ে মৃত প্রভুর আত্মার সঙ্গে মিলিত হয়ে তাঁদের সেবাতেই নিযুক্ত থাকতে হবে এমনই ছিল বিধান। কাজেই সেই সব পরিচারক-পরিচারিকা বৃন্দদের বা অন্যান্য অনুচরদের তাঁদের প্রভুর সমাধি গর্ভে তাঁর মৃতদেহের পাশে দাঁড় করিয়ে মাটি চাপা দিয়ে দেওয়া হত। অবশ্য জীবন্ত মানুষগুলির নিজেদের প্রাণ যে তাদের প্রভু অপেক্ষা প্রিয় তা বোঝা যেত যখন এরা চাপা দেওয়া মাটি ঠেলে নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস নেবার তাগিদে উপরে উঠে আসার চেষ্টা করতেন। এদের মধ্যে কেউ কেউ কিছুদিনের জন্য অর্ধ প্রোথিত হয়ে বেঁচে থাকতেন। আর তখন সমাধি-ক্ষেত্রটি ভরে থাকত সেইসব মানুষগুলির বাঁচার আর্তিতে বুকফাটা কান্নায়। শেষপর্যন্ত তাঁরাও তাঁদের প্রভুদের সাথে মিলিত হবার পথেই যেতে বাধ্য হতেন।
    অবশেষে সম্রাট সুইনিন (আনুমানিক ২৯ খৃষ্টপূর্বাব্দ থেকে ৭০ খৃষ্টাব্দ) এই নারকীয় প্রথার অবসান করেন। সম্রাট সুইনিনকে এই সব জীবন্ত মানুষগুলির কান্না ব্যথিত করে তুলেছিল। তিনি এই প্রথার বিলোপ সাধনের জন্য তাঁর সভাসদ ও অমাত্যদের সঙ্গে আলোচনা করেন। সেই সকল সভাসদদের মধ্যে একজন, নোমি-নো-সুকুনে সম্রাটকে জীবন্ত মানুষের পরিবর্তে তাদের পোড়ামাটির প্রতিকৃতি বানিয়ে মৃতদেহের সাথে সমাধিস্থ করার পরামর্শ দেন। সম্রাটের এই মত বেশ পছন্দও হয়ে যায়। তখন নোমি-নো-সুকুনের তত্ত্বাবধানে ও নেতৃত্বে জাপানের ইজুমো অঞ্চলে মাটির জিনিষপত্র বানাতে পারে এমন একশ জন ব্যক্তিকে এই পোড়া মাটির পুতুল বানানোর দায়িত্ব দেওয়া হয়। তৈরি হয় বিভিন্ন পুতুল। তার মধ্যে মানুষের প্রতিকৃতিও যেমন ছিল তেমন-ই ছিল পশু-পাখি ইত্যাদিও। যাতে পরলোকে থাকাকালীন মৃত ব্যক্তিটি তাঁর প্রিয় পোষ্য-টির বা তাঁর অনুগত বাহনটির সান্নিধ্য থেকেও বঞ্চিত না হন। এইভাবে হানিওয়ার উদ্ভব ও ক্রমে ক্রমে তার পরিবর্ধন ও পরিমার্জন হতে হতে বর্তমানের মনোমোহিনী জাপানী পুতুলের প্রকাশ।

    এবার আসি জাপানের পুতুল উৎসবের প্রসঙ্গে।
    প্রথমেই বলি “হিনা-মাৎসুরী” বা বালিকা দিবসের কথা। মার্চ মাসের তিন তারিখ জাপানী বালিকাদের কাছে এক অতি বিশেষ দিন। এখন কথা হচ্ছে কি এই “হিনা-মাৎসুরী”? এর তাৎপর্যই বা কি? এই বিশেষ উৎসবের তাৎপর্য হল জাপানের মানুষ এই উৎসবের মাধ্যমে তাঁদের বাড়ির বাচ্চা মেয়েটির শারীরিক সুস্থতা ও ভবিষ্যৎ জীবনের সাফল্য কামনা করে থাকেন। একদম প্রথমদিকে এই উৎসবটি পীচ উৎসব নামেও পরিচিত ছিল। ইতিহাস বলে প্রথম দিকে “হিনা-পুতুল” নৌকাতে সাজিয়ে জলে ভাসিয়ে দেওয়া হত। বিশ্বাস ছিল ঐসব পুতুলের সাথে মেয়েটির জীবনের সমস্ত পাপ ও গ্লানি জলে ভেসে বেরিয়ে যাবে। পরবর্তী কালে ওইভাবে “হিনা-নাগাসি” বা “হিনা পুতুল ভাসান” প্রথাকে বাদ দিয়ে সুন্দর শিল্প কীর্তিগুলিকে বাড়িতে সাজিয়ে রাখার প্রথার প্রচলন হয় তোকুগাওয়া যুগে (১৬০০-১৮৬৮ খৃষ্টাব্দ)। প্রথমে কাগজের পুতুলের প্রচলন থাকলেও কাঠ ও মাটির পুতুল গ্যালারিতে সাজিয়ে “হিনা-মাৎসুরি” পালন করা রীতির আরম্ভ হয়।


  • ছবি-৩
    সূত্রঃ উইকিমিডিয়া কমন্স


    গ্যালারিতে পুতুল সাজানর রীতিও বেশ চমকপ্রদ (ছবি ৩,৪)। গ্যালারির সর্বোচ্চ স্তরে দেখা যায় একজন সম্ভ্রান্ত পুরুষ এবং একজন সম্ভ্রান্ত মহিলাকে। এই পুতুল যুগল রাজা-রাণী হিসাবেও গণ্য হয়ে থাকেন। পারিবারিক এবং ব্যক্তিগত রুচির সঙ্গে তাল মিলিয়ে এই গ্যালারি সাজান হয়ে থাকে। তবে এই দুটি রাজকীয়-পুতুলের মাঝে সাধারণত: বসান থাকে একটি পীচের ডাল দিয়ে সাজান ফুলদানী। আবার এই রাজা-রাণীর অবস্থানেও (ডান-বাম অবস্থান) অঞ্চল ভিত্তিক পার্থক্য থাকে।


    ছবি-৪
    সূত্রঃ উইকিমিডিয়া কমন্স


    দ্বিতীয় স্তরে সাধারণত: থাকে তিনজন পরিচারিকা। রাজা-রাণীকে সাকে পরিবেশন করার জন্য। তাই তাঁদের হাতে থাকে পরিবেশন পাত্র ও বড় চামচ। মরসুমি ফল, মিষ্টি ইত্যাদি পরিপূর্ণ একটি টেবিল-ও থাকে। তৃতীয় স্তরে থাকেন বাজনদার এবং গায়কগণ। বিভিন্ন জাপানী বাদ্যযন্ত্র নিয়ে চার-পাঁচজন দাঁড়িয়ে থাকেন। আর গায়কের হাতে থাকে জাপানী পাখা। চতুর্থ স্তরে বিরাজ করেন দুজন রাজ কর্মচারী। এঁদের মধ্যে একজন যুবক হলেও অপরজন অপেক্ষাকৃত বয়স্ক। এঁদের দুজনার মাঝে রাখা থাকে মোচি (জাপানী চাল দিয়ে তৈরি একধরণের পিঠে)। এছাড়াও পঞ্চম থাকের ডানদিক ও বামদিকে থাকে কমলালেবু ও চেরি গাছের প্রতিকৃতি। এই দুটি গাছের মাঝে বসে থাকেন তিনজন পুতুল যারা নাকি রাজা রাণীর দেহরক্ষী। কিন্তু এরা তিনজনই সুরা পানের নিমিত্ত তুরীয় অবস্থায় থাকার ফলে একজন ভীষণ রাগী, অন্যজন ক্রন্দনরত এবং অপর আরেকজন লুটোপুটি খেয়ে হাসছেন এমনভাবে প্রদর্শিত হয়ে থাকেন। ষষ্ঠ ও সপ্তম স্তরে থাকে নানা রকম খেলনা আসবাব (আলমারি থেকে শুরু করে প্রাত্যহিক জীবনের প্রয়োজনীয় সামগ্রী), নানা রকম খেলনা যানবাহন (পালকি, গরুর গাড়ি, যা কিনা ৮ম-৯ম শতাব্দীতে জনপ্রিয় ছিল)। মোট কথা একজন মানুষের সংসারে ও প্রাত্যহিক জীবনে যা যা জিনিষ অতি প্রয়োজনীয় বলে বিবেচিত তার সবই থাকে এই সাজান গ্যালারিতে। ফেব্রুয়ারি মাস থেকে একটু একটু করে এই সুন্দর পুতুল-গ্যালারি সাজিয়ে জাপানের ছোট্ট মেয়েরা অপেক্ষা করে মার্চ মাসের জন্যে। তারা তাদের বন্ধু-বান্ধবীদের নেমন্তন্ন করে অন্য বন্ধুদের নেমন্তন্নে সাড়া দিয়ে এই উৎসব পালন করে। যদিও মার্চের ৩ তারিখ-ই হিনা-মাৎসুরির দিন কিন্তু আসল উৎসব শুরু হয় ফেব্রুয়ারিতে। ৩রা মার্চ সেই সাজান পুতুলের গ্যালারি ভেঙে সযত্নে তুলে রাখা হয় আগামী বছরের প্রতীক্ষায়। বাড়িতে কোনো মেয়ে জন্মালেই বাড়ির বড়রা সেই মেয়ের জন্য কিনে দেন বিশেষ “হিনা-পুতুল”। বংশ পরম্পরায় পুতুলের উত্তরাধিকারীও হয়ে থাকেন বেশিরভাগ মেয়েরা। এমনকি বিয়ের পরে পুতুল নিয়ে যান তারা তাদের নতুন বাড়িতে।

    এই যে পুতুল সাজিয়ে ঘটা করে পুতুলকে নিয়ে উৎসব করা, এই দিনটিকে জাতীয় ছুটির দিন হিসাবে গণ্য করা এই সব কিছুর সূচনা আনুমানিক ১৬২৫ খৃষ্টাব্দে, যখন সম্রাট গো-মিজুনোর কন্যা ওকি-কো কে পুতুল খেলার জন্য তার সমস্ত পুতুল সাজিয়ে দিতেন রাজ মহিষীর সহচরীরা। পরে ওকি-কো সম্রাজ্ঞী মেঈশো নামে সিংহাসনে বসলে “হিনা-মাৎসুরি” জাতীয় উৎসবের মর্যাদা পায়। আমাদের বাড়ির শিশু-কন্যাদের পুতুল খেলার ধরণের সঙ্গে এই পুতুল উৎসবের অনেক সামঞ্জস্য খুঁজে পাওয়া গেলেও বালিকাদের পুতুল খেলাকে এক জাতীয় উৎসবের মর্যাদা দেওয়া বোধহয় জাপানীদের মত উৎসব-প্রিয় দেশেরই সম্ভব।


    কিনতারো তানগো-নো-সেক্কু
    সূত্রঃ উইকিমিডিয়া কমন্স


    এরপর মে মাস। ৫ই মে হল জাপানের শিশু-দিবস বা বালক উৎসবের দিন। জাপানী নাম “তানগো-নো-সেক্কু”। এই অনুষ্ঠানের প্রধান উপকরণ যদিও মৎসাকৃতির বিশাল বিশাল ঘুড়ি কিন্তু বাড়ির বালকদের জীবনের শুভকামনায় কিছু যোদ্ধা-পুতুলও সজ্জিত থাকে। জাপানী কিংবদন্তির দুই বীর চরিত্র কিনতারো এবং মোমোতারো, সামুরাই যোদ্ধাদের পুতুলকে শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয়ে থাকে। হিনা মাৎসুরির মত এত বিশাল ঘটাপটা না থাকলেও বছরের পঞ্চম মাসের পঞ্চম দিনে বেশির ভাগ জাপানী বাড়ির বাইরে উড়তে থাকে বিরাট আকৃতির মাছ (কোইনোবোরি), যারা নাকি ড্রাগনদের-ও তাড়িয়ে দিতে পারে নিজেদের শারীরিক ক্ষমতায়। এই সব মৎসাকৃতির ঘুড়িদের দেখলে দুদণ্ড দাঁড়িয়ে যাবেন না তাও কি হয় নাকি? লাল, নীল, সবুজ, কমলা, কালো রং-এর মেলায় ঝকমক করে জাপানী বাড়ির চারপাশ।


    কোইনোবোরি (মৎসাকৃতি বিশাল ঘুড়ি)
    সূত্রঃ উইকিমিডিয়া কমন্স


    এ সব তো কেবল পুতুল নিয়ে খেলা নয়। সবাই মিলে সারা বছরের অপেক্ষায় সযত্ন সংরক্ষণে কিছু পুতুলের মাধ্যমে নিজেদের সংস্কৃতিকে শ্রদ্ধা জানানো।

  • বিভাগ : আলোচনা | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১ | ৫৯৫ বার পঠিত | রেটিং ৫ (১ জন)
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • kk | 68.184.245.97 | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ ০২:১৭498646
  • হানিওয়া পুতুল খুব সুন্দর দেখতে তো!
  • Sharmistha Banerjee | 2409:4072:648e:61b2:8566:d8f4:b09e:c856 | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৩:৫২498656
  • খুব ভালো লাগলো লেখাটা পড়ে, অনেক নতুন কথা জানা গেলো জাপানের সংস্কৃতি সম্বন্ধে ।আগামী দিনে জাপানের বিষয়ে  আরো অনেক লেখা পড়তে চাই 
  • Abak Chittri | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১৫:৫৩498659
  • সম্পূর্ণ  নতুন  তথ্যে ভরা অপূর্ব সুন্দর লেখা।খুব ভালো  লাগল ।
  • পাঞ্চালী বন্দ্যোপাধ্যায় | 42.110.137.148 | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ ১২:৫০498740
  • এমনিতেই পূরবী সেনসেই অসাধারণ লেখেন। এটা পড়ে অনেক গল্প মনে পড়ে গেল। উনি যেগুলো আমাদের শোনাতেন কখনো সখনো পড়ানোর ফাঁকে ফাঁকে। এরকম আরো লেখা পড়তেই হবে। অপেক্ষায় রইলাম।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ক্যাবাত বা দুচ্ছাই মতামত দিন