• টইপত্তর  সিনেমা

  •  বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত এবং  আমাদের না হওয়া নবতরঙ্গের অবসান  

    Sandipan Majumder লেখকের গ্রাহক হোন
    সিনেমা | ২৩ জুন ২০২১ | ৩৩৩ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • গত শতাব্দীর সাতের দশকের শেষে এবং আটের দশকের  গোড়ায় বেশ কয়েকজন  বাঙালি চলচ্চিত্র  পরিচালক   বেশ সাড়া জাগিয়ে আবির্ভাব ঘটিয়েছিলেন । এঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য বুদ্ধদেব দাশগুপ্ত, গৌতম ঘোষ, উৎপলেন্দু চক্রবর্তী,  অপর্ণা সেন, নব্যেন্দু চট্টোপাধ্যায় প্রভৃতি। ঋত্বিক ঘটক প্রয়াত হলেও সত্যজিত রায় , মৃণাল সেন তখনও সৃষ্টিশীল আছেন। তবুও এই নতুন পরিচালকরা তাঁদের সৃষ্টিকর্মের দিকে আলাদা করে নজর কেড়ে নিতে পেরেছিলেন। ফলে অনেক আলোচক এমনও বলতে শুরু করেছিলেন যে বাঙালি পরিচালকরা এক নবতরঙ্গের জন্ম দিয়েছেন। ষাটের দশকের গোড়ায় ফ্রান্সে পাঁচ পরিচালকের ছবিকে যে ভাবে নবতরঙ্গ  (নুভেল ভাগ) আখ্যা দেওয়া হয়েছিল, এটা অনেকটা সেই রকম। কিন্তু সময়ের ব্যবধান পেরিয়ে এসে বোঝা যায় যে আমাদের এখানে আদৌ কোনো নবতরঙ্গ হয় নি ফ্রান্সের মত। ফ্রান্সে নবতরঙ্গর মূল লক্ষণ ছিল যে তাঁরা সিনেমার প্রচলিত ভাষা ও  ন্যারেটিভকে প্রশ্ন করে নতুন ভাষার জন্ম দিয়েছিলেন। ঐ নবতরঙ্গের অন্যতম প্রাণপুরুষ জাঁ লুক গোদার জাম্পকাট এবং  হ্যাণ্ডহেল্ড ক্যামেরার ব্যবহারে, ফ্রাঁসোয়া ত্রুফো   ফ্রিজ শটের উদ্ভাবনে আমাদের চমকে দিয়েছিলেন। আমাদের এখানে সিনেমার ন্যারেটিভ বা ভাষা নিয়ে সেরকম কোনো প্রতিপ্রশ্ন পরিচালকদের ছিল না। ফলে এখানে সিনেমায় নবতরঙ্গ বলে তখনও কিছু ছিল না, এখন তো আরও নেই। এর একটা বড় কারণ শুধু ফর্ম নয়, বিষয়বস্তুর দৈন্যও বটে। আমরা যাঁদের দিকে বড় ভরসা নিয়ে তাকিয়ে ছিলাম তাঁদের সিনেমাও, ব্যতিক্রম ব্যতিরেকেই,পরবর্তীকালে রক্তাল্পতায় ভুগেছে। অথচ যাঁর মধ্যে এই অন্য ধারার সিনেমার প্রস্ফুটিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে প্রবল ছিল তিনিই সম্প্রতি চলে গেলেন। হ্যাঁ, আদি পর্ব বাদ দিলে বুদ্ধদেব দাশগুপ্তের সিনেমার বাঙালির সাংস্কৃতিক জীবনে কোনো প্রভাব ছিল না।সেটা তাঁর কোনো ছবিই এখানকার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেত না ,শুধু সেই কারণেই নয়। দেশ বিদেশের চলচ্চিত্র উৎসবে তাঁর ছবি নিয়মিত প্রদর্শিত হলেও তিনি যে নতুন কিছু করছেন না, পুনরাবৃত্তির চক্রে ঘুরপাক খাচ্ছেন সেকথা প্রকৃত চলচ্চিত্র রসিকদের কাছে অজানা ছিল না । তবু আমাদের কাছে সত্যজিত-ঋত্বিক-মৃণাল  উত্তর পর্বে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় পরিচালক যে বুদ্ধদেবই ছিলেন সে ব্যাপারে কোনো সন্দেহ নেই । অন্তত তাঁর একদম প্রথম  কাহিনীচিত্র’ দূরত্ব’ (১৯৭৮) এবং মাঝে’ নিম অন্নপূর্ণা’(১৯৭৯)কে বাদ দিয়ে ‘গৃহযুদ্ধ’ (১৯৮২) এবং হিন্দীতে ‘আন্ধি গলি’ (১৯৮৪)  এই  চিত্রত্রয়ী বা ট্রিলজি যে তর্কমুখরতার জন্ম দিয়েছিল, সামাজিক ও রাজনৈতিক আদর্শের অবক্ষয়কে চিহ্নিত করেছিল তা যেন আজকে আরো প্রাসঙ্গিক মনে হয়। এরমধ্যে গৃহযুদ্ধর একটা চলনসই, দূরত্বের একটা খারাপ এবং আন্ধি গলির একটা জঘন্য মানের  প্রিন্ট ইউ টিউবে পাওয়া যায়।সেটাই মন্দের ভালো। আমরা তাই প্রয়াণলেখ হিসেবে এই চলচ্চিত্রত্রয়ী নিয়েই শুধু কিছু কথা বলব।

    পরিচালক অশোক বিশ্বনাথন একবার  এক ঘরোয়া আলাপচারিতায় বলেছিলেন , বুদ্ধদেব পরে অনেক ছবি বানালেও  প্রথম ছবি ‘দূরত্ব’ই তাঁর শ্রেষ্ঠ ছবি। কথাটার সঙ্গে অনেকে একমত নাও হতে পারেন কিন্তু দেখলে বোঝা যায় আজও একটা  টাটকা  নির্মাণের  ছাপ এর সর্বাঙ্গে, যেন মেধা, শ্রম আর কল্পনাশক্তির পূর্ণ ব্যবহার করেই এই ছবির ফ্রেমগুলি  তৈরি করা হয়েছে। এই ছবির নায়ক অধ্যাপক মন্দার বসু (প্রদীপ মুখার্জী ) কলেজে রাষ্ট্রবিজ্ঞান পড়াতে গিয়ে  এঙ্গেলসের  পরিবারপ্রথা, মাতৃত্ব আর পিতৃতন্ত্রের সম্পর্ক পড়ায় কিন্তু নিজের জীবনে তা প্রয়োগ করতে পারে না, নিজে একসময় বিপ্লবী মার্কসবাদী রাজনীতির অংশীদার  হওয়া সত্ত্বেও। তাই  অঞ্জলির সঙ্গে বিয়ের পরপরই তার বিচ্ছেদ হয়ে যায় কারণ অঞ্জলির গর্ভে অন্য কারো সন্তান ছিল বিয়ের আগেই।এই সন্তান এসেছিল পরিস্থিতির চাপে যাকে নষ্ট করতে চায় নি অঞ্জলি ।  অঞ্জলি আজকের নারীবাদী নায়িকা নয় যে, সে সিঙ্গল পেরেন্ট হয়ে উঠবে। তাই মন্দারের প্রেমে সাড়া দিয়ে সে তাকে বিয়ে করেছিল । সন্তানের একটা পিতৃপরিচয় চেয়েছিল সে। পাশাপাশি ভেবেছিল মন্দার নিশ্চয় অন্যরকম মানুষ যে তাকে বুঝবে। না, মন্দার বোঝেনি। বিপ্লবী রাজনীতি ব্যক্তিজীবনে  প্রয়োগ করতে পারে নি সে । এই দূরত্ব রয়েই গেছে। সামাজিক বিপ্লব না করতে পারার অক্ষমতা রাজনৈতিক বিপ্লব না করতে পারার অক্ষমতায় পরিণত হয়েছে।সাদা কালো এই ছবিতে একটি অসাধারণ স্বপ্নদৃশ্য মন্দারের চেতনায় ঘুরে ঘুরে আসে। যেখানে এক ফাঁকা বালিয়াড়িতে অঞ্জলির কাছে পৌঁছোনোর পথ কেবলই বেঁকেচুরে যায়, কর্কশ টিয়াপাখির ডাকের সঙ্গে হ্যাণ্ডহেল্ড ক্যামেরার ব্যবহারে।

    ট্রিলজির দ্বিতীয় ছবি ‘গৃহযুদ্ধ’ তে মধ্যবিত্তের এই পলায়নপর স্বভাব, এই বিশ্বাসভঙ্গের প্রবণতার প্রতি আরও কঠোর সমালোচক বুদ্ধদেব। কিন্তু এই ছবির  থ্রিলারঘেঁষা আঙ্গিক চমকে দেবার মত। ছবির প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত চারটি খুন আছে ।খুনী কে আমরা শুধু আন্দাজ করতে পারি কিন্তু তা স্পষ্টভাবে দেখতে পাই না।বুঝতে পারি এর পেছনে আছে  বৃহৎ কোম্পানির প্রত্যক্ষ হাত যাঁরা গণমাধ্যম,পুলিস থেকে শুরু করে গোটা ব্যবস্থাটা চালায়। এদের হাতে খুন হয় শ্রমিকদের বিপ্লবী ইউনিয়নের প্রতি সহানুভূতিসম্পন্ন আদর্শবাদী  স্টিলওয়েভ কোম্পানির লেবার অফিসার, ঐ ইউনিয়নের  সাহসী নেতা প্রবীর, প্রবীর ও লেবার অফিসারের মৃত্যু নিয়ে তদন্তরত সাংবাদিক সন্দীপন রায় (গৌতম ঘোষ)  এবং কাজ ফুরিয়ে যাওয়ায় খুন হয় প্রবীরকে খুনের দলে যাঁরা ছিল সেই ভাড়াটে খুনীদের অন্যতম শীতল দাস (সুনীল মুখার্জী)। প্রবীরের সঙ্গী বিজন নন্দী, যে প্রবীরের বোন নিরুপমার প্রেমিকও বটে, প্রবীরের খুনের পর বোম্বে পালিয়ে যায়।যখন সে ফিরে আসে তখন সে এক পালটে যাওয়া মানুষ। প্রবীরের রাজনৈতিক আদর্শকে তার এখন  ইলিউশন বলে মনে হয়। তার মনে হয় কিছুই পালটায় না তাই ব্যবস্থাটাকে পাল্টানোর চেষ্টা করাই বৃথা। সে এখন আত্মপ্রতিষ্ঠায় মন দিয়ে কলকাতায় একটা ফ্ল্যাট কিনতে সচেষ্ট। নিরুপমা রাজনীতির তত্ত্ব না বুঝলেও এই পালটে যাওয়া বিজনকে মেনে নিতে পারে না। সে বোঝে এই রাজনৈতিক বিস্মৃতি আসলে মানবিক মূল্যবোধের বিস্মৃতির পটভূমিকা মাত্র। বিজনকে নিরুপমা ফিরিয়ে দেয়।আঙ্গিকের ক্ষেত্রেও এই রঙিন ছবি নতুন সম্ভাবনার দরজা খুলে দেয়। থ্রিলারের  ঘরানা ব্যবহার করেও এখানে তার প্রধান শর্তকে উল্লঙ্ঘন করা হয়। থ্রিলারে  অপরাধীকে   চিহ্নিত করার নিয়মকে গুরুত্ব না দিয়ে এখানে ছবি ওপেন এন্ডেড ভাবে শেষ করা হয়।

    ট্রিলজির তৃতীয় ছবি ‘আন্ধি গলি’ তে  মূল চরিত্র হেমন্ত (কুল্ভূষণ খারবান্দা)  অতীতে কলকাতায় বিপ্লবী রাজনীতিতে যুক্ত থাকলেও এখন  বোম্বেতে থাকাকালীন সেকথা মনেই করতে চায় না। সম্ভবত এখানে কোনো বিশ্বাসঘাতকতা করে কোনো কমরেডকে ধরিয়ে দিয়েই সে পালিয়ে গিয়েছিল।জয়াকে  (দিপ্তী নাভাল) বিয়ে করে  সে সুখী হতে চায়। কিন্তু বোম্বেতে একটা ফ্ল্যাট কেনার জন্য টাকা জোগাড় করতে গিয়ে সে হন্যে হয়ে ওঠে। অবশেষে ইচ্ছের বিরুদ্ধে জয়াকে মডেলিং এর কাজে নামায়। ফ্ল্যাটের  টাকা জোগাড় হয় বটে কিন্তু চুক্তি মাফিক ছোটো পোষাকে মডেলিং করার জন্য জয়ার ওপর চাপ আসে। জয়া রাজি হয় না। হেমন্ত তাকে জোরাজুরি করে, এমনকি শারীরিকভাবে আঘাতও করে।উঁচু ব্যালকনি থেকে ঝাঁপিয়ে পড়ে জয়া আত্মহত্যা করে।  গোটা ছবি জুড়েই উচ্চতা বনাম ভূমির এই দ্বন্দ্ব। ছবি জুড়ে অজস্রবার প্লেনের উড়ান দেখানো হয় ( হেমন্তর উচ্চাকাঙ্খার মতই তা গগনচারী ) । মাটির আশ্রয়ে শুয়ে থাকে জয়া, যেভাবে আগের একটি সিকোয়েন্সে মাটির নিচে স্থান পেয়েছিল তাঁর গর্ভচ্যুত সন্তান।  এই ট্রিলজি শেষ বিচারে বাঙালির রাজনৈতিক স্বপ্নভঙ্গের দলিল,  বিশ্বাসভঙ্গের বেদনার্ত আখ্যান। সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে একে মিলিয়ে পড়তে তাই আমাদের কোনো অসুবিধা হয় না, আজও।

     

     

আরও পড়ুন
হে রাম! - Ranjan Roy
আরও পড়ুন
চুপির চর  - Abhyu
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
    • কি, কেন, ইত্যাদি
    • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
    • আমাদের কথা
    • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
    • বুলবুলভাজা
    • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
    • হরিদাস পালেরা
    • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
    • টইপত্তর
    • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
    • ভাটিয়া৯
    • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
    যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


    পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন