• টইপত্তর  আলোচনা  রাজনীতি

  • বিগত তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতা - বাংলামাধ্যম সরকারি শিক্ষা

    Somnath Roy লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | রাজনীতি | ০৩ মে ২০২১ | ৩৯৯ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • গত দশবছরে তৃণমূল সরকারের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা ছিল শিক্ষা ক্ষেত্রে- মাধ্যমিক শিক্ষায়। এস এস সি (এবং প্রাথমিকে টেট) এ যথাযথ নিযুক্তি না হওয়ায় কয়েক লাখ কর্মপ্রার্থী সরকারি চাকরি পান নি, কিন্তু তার থেকেও বড় বিপর্যয় হয়েছে বাংলামাধ্যম শিক্ষাব্যবস্থায়। ছাত্র শিক্ষক সংখ্যার সামঞ্জস্য থাকেনি। স্বচ্ছল, অর্ধস্বচ্ছল মানুষ সন্তানের শিক্ষার জন্য ইংরিজি মাধ্যম বাইরের বোর্ডের বেসরকারি স্কুল বেছে নিতে বাধ্য হয়েছেন। অথচ, আমাদের রাজ্যের স্কুলশিক্ষা কতটা উৎকৃষ্ট ছিল, আমরা যারা সেখান থেকে বেরিয়েছি, সকলেই জানি।
    দুর্ভাগ্য, বিরোধীরা চাকরি নিয়ে যত বলেছেন, কয়েক কোটি সন্তান সন্ততির শিক্ষা নিয়ে তত বলেন নি।
    তৃতীয় তৃণমূল সরকার কি এইদিকে লক্ষ্য রাখবেন? বাংলার নিজস্ব শিক্ষাব্যবস্থাকে শক্তিশালী না করে বাঙালির হয়ে খুব বেশি কিছু করা যাবে না।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • এলেবেলে | 202.142.96.251 | ০৩ মে ২০২১ ১৩:০৬734262
  • বিগত দশ বছরে (যেহেতু তিনো আমল এই লেখার বিষয়বস্তু তাই বাম আমলের কথার উল্লেখ করলাম না) সরকারি বা সরকার পোষিত বাংলা মাধ্যম স্কুলগুলোর অবস্থা শোচনীয়। শেষ শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে আজ থেকে ৮ বছর আগে। ফলে প্রত্যেকটা স্কুল শিক্ষক স্বল্পতায় ভুগছে।


    প্রশাসনে মারাত্মক রকমের দলীয় রাজনীতিকরণ হয়েছে। অভিভাবক প্রতিনিধিদের নির্বাচন বন্ধ করা হয়েছে। স্থানীয় এমেলের প্রতিনিধি হিসেবে একজনকে প্রেসিডেন্ট করা হচ্ছে, সঙ্গে ঢাকের বাঁয়া হিসেবে আরও দুজনকে। তাঁরাই দুজন অভিভাবক প্রতিনিধি বেছে নিচ্ছেন। প্রশাসনে বকলমে ছড়ি ঘোরাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট এবং প্রায় ৮০% ক্ষেত্রে মিডডে মিলের পুরো দায়িত্ব কব্জা করে দেদার লুঠ চালাচ্ছেন বীরবিক্রমে। গত আট বছর নতুন করে শিক্ষক প্রতিনিধি অবধি নির্বাচন করা হয়নি।


    মাইনরিটি গ্র্যান্টের পরিমাণ অবশ্যই বেড়েছে কিন্তু সেখানেও বিশেষত প্রাথমিকে শূন্য পাওয়া ছাত্রদের ৫০% নম্বরপ্রাপ্ত দেখিয়ে গ্র্যান্ট দেওয়া হচ্ছে। ফলে মেরুকরণ ও অসন্তোষ বাড়ছে। পার্শ্বশিক্ষকদের অবস্থা শোচনীয়। বেতনবৃদ্ধি বলতে গেলে হয়নি কিন্তু দায়িত্ব বেড়েছে অস্বাভাবিকহারে। দলীয় শিক্ষকদের রবরবা বাম আমলের মতোই অব্যাহত আছে। এমনকি প্রধান শিক্ষকরাও নিয়মের তোয়াক্কা না করে চুটিয়ে টিউশন করে চলেছেন বুক ফুলিয়ে।


    ছাত্রদের ইউনিফর্ম প্রস্তুত করার চুক্তি করছে স্থানীয় প্রশাসন এবং দেদার কাটমানির আদানপ্রদান চলছে। বছরে বুকগ্র্যান্ট হিসেবে ৪০০ টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে। পরিবর্তে সরকারি বই দেওয়া হচ্ছে। ফলে পাঠ্যপুস্তক বিক্রেতারা পথে বসেছেন। কোনও রেফারেন্স বই পড়ার চল উঠে গেছে। সরকারি টাকায় টেস্ট পেপার দেওয়া হচ্ছে বটে কিন্তু তার গুণমান অতি জঘন্য। 


    সবচেয়ে বড় কথা, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার খাতা দেখার ক্ষেত্রে অতি ঢিলেমি ও ঢালাও নম্বর দেওয়ার প্রস্তাব করা হচ্ছে। কলকাতা শহরের একাধিক বাংলা মাধ্যম স্কুলের ছাত্রসংখ্যা বছরের পর বছর শোচনীয়ভাবে কমছে এবং সেসব স্কুলকে মার্জিং করার কোনও সুষ্ঠু পরিকল্পনা দেখা যাচ্ছে না।


    যাঁরা অবস্থাপন্ন তাঁরা বিকল্প হিসেবে ইংরেজি মাধ্যমের দিকে ঝুঁকছেন এবং বাকিরা হাতের পাঁচ বাংলা মাধ্যম। সমস্যাগুলো তুলে ধরলাম। সমাধানের বিষয়টা লাখ টাকার প্রশ্ন।

  • Somnath Roy | ০৩ মে ২০২১ ১৯:৪০734270
  • একমত

  • C.P. Ghosal | ০৬ মে ২০২১ ১৪:৪৮734356
  • শিক্ষক-স্বল্পতার কারণে শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে,আবার শিক্ষার্থীর ঘাটতির কারণে শিক্ষকের পদ পূরণ করা হবে না -- এ এক অদ্ভুত খুড়োর কলে পড়ে খাবি খাচ্ছে অধিকাংশ সরকারি বিদ্যালয়। এ সমস্যার নিরসন করবে কে? 

  • Somnath Roy | ০৬ মে ২০২১ ১৫:৪২734358
  • শিক্ষার্থীঃ শিক্ষক রেশিও সরকারের নির্দেশিকা মতে ৩০ঃ১, ভারতের গড় মান ৩৬ঃ১ আর পশ্চিমবঙ্গের সরকারি স্কুলে তা ৭২ঃ১- এইটা প্রাথমিকের হিসাব

  • Abhyu | 47.39.151.164 | ০৬ মে ২০২১ ১৯:০৬734359
  • "আমাদের রাজ্যের স্কুলশিক্ষা কতটা উৎকৃষ্ট ছিল, আমরা যারা সেখান থেকে বেরিয়েছি, সকলেই জানি।"


    হাড়ে হাড়ে জানি। এখনকার অবস্থা ভালো সেটা বলছি না তবে আমাদের সময়ের (শ্রদ্ধেয় অনিল বাবুর সময়ের) শিক্ষাব্যবস্থার যে মুখ আমি দেখিয়াছি, নিজে ছাত্র আর মা অ-সিপিয়েম শিক্ষিকা হিসেবে, তার কথা বলে আর হৃদয় খুঁড়ে বেদনা জাগানোর মানে হয় না। 


    তবে পরিস্থিতি এখন নিশ্চয় আরো খারাপ। 

  • Somnath Roy | ০৬ মে ২০২১ ২২:৩০734360
  • আমার ইস্কুল খুবই ভালো ছিল। পরবর্তীকালে যতটুকু যা করতে পেরেছি স্কুলশিক্ষার ভূমিকা তাতে প্রচুর। একমাত্র বাজে জিন্সি ছিল টেস্ট আর মাধ্যমিকের মধ্যে তিন মাস সময় নষ্ট করা হত।

  • সম্বিৎ | ০৬ মে ২০২১ ২৩:২২734361
  • আমি বাইরে থেকে যা দেখি, বাম আমলের থেকে এখন শিক্ষার অবস্থা অনেক খারাপ। বাম আমলও মোনোলিথ কছু নয়। আটের আর নয়ের দশকে প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক সত্যিই ভাল ছিল। নয়ের মাঝামাঝি থে পড়তে শুরু করে। তবে আটের দশক থেকেই স্কুল-কলেজে ছাত্র রাজনীতি বাড়ান হয়েছে পরিকল্পিতভাবে। 

  • &/ | 151.141.85.8 | ০৬ মে ২০২১ ২৩:৩০734362
  • আমার ছিল অজপাড়াগাঁয়ের বাংলামাধ্যম স্কুল। পরিকাঠামো বলতে কিছুই ছিল না। অথচ সেই স্কুলের কারণেই কিছুকিঞ্চিৎ শিক্ষালাভ করে রুটিরুজির ব্যবস্থা পরবর্তীকালে করতে পেরেছি। তার অন্যতম কারণ, স্কুলের পরিবেশ। সেই সময়ে, অর্থাৎ কিনা গত শতকের আশি-নব্বইয়ের দশকে সেই স্কুলে ছাত্রছাত্রী হিসেবে যারা আসত তারা ছিল সমাজের প্রায় সর্বস্তরের, শিক্ষক অধ্যাপক চিকিৎসক অফিসার ইঞ্জিনিয়ার সকল পেশার বাবামায়ের সন্তানরা ওই বাংলামাধ্যম স্কুলে পড়ত । বহুরকম অভিযোগ ( প্রধান অভিযোগ ছিল ইংরেজীর ব্যাপারে অভিযোগ, ভালো ইংরেজী শেখার ব্যবস্থা ছিল না, বলা ও শোনার কিছুই ছিল না, লেখা ও পড়ার ইংরেজীও নোট থেকে শেখা, খুবই খামতি ছিল ) ও অভাব থাকা সত্ত্বেও। তদানীন্তন শিক্ষক শিক্ষিকারা অনেকেই প্রাইভেট টুইশন করলেও কেউ কেউ স্কুলেও ভালো করে পড়াতেন।
    এখনকার দিনে তো শুনছি শিক্ষক চিকিৎসক অধ্যাপক কেউই নিজের সন্তানদের বাংলামাধ্যম স্কুলে পাঠান না।
    যে যাই বলুক, স্কুলের নামডাক হয় প্রধানতঃ ছাত্র-ছাত্রীদের কারণে, শিক্ষকদের ভূমিকা থাকে যদিও। কিন্তু সমাজের এই শিক্ষানুরাগী মুখগুলো, অর্থাৎ অধ্যাপক ইঞ্জিনিয়ার ডাক্তার ইত্যাদিরা যদি নিজের সন্তানদের সরকারী সরকারপোষিত স্কুলে না পাঠান, তাহলে কোথাও একটা বিরাট গন্ডগোল আছে।

  • &/ | 151.141.85.8 | ০৬ মে ২০২১ ২৩:৪৭734363
  • আরো একটা কথা, সেই আমলে অর্থাত গত শতকের আশিনব্বইয়ের দশকে ক্লাস ফোর অবধি প্রাইভেট ইংরেজিমাধ্যম স্কুলে পড়েছে, এমন ছাত্রছাত্রীরাও ক্লাস ফাইভে এসে সরকারী বা সরকারপোষিত বাংলামাধ্যম স্কুলে ভর্তি হত। পরিবেশের ব্যাপারটা এতটাই গুরুত্বের।

  • Somnath Roy | ০৬ মে ২০২১ ২৩:৫৫734365
  • সরকারের ঘাড়ে সমস্ত দোষ দেওয়া যায় না কিন্তু, সেটাও আগে বলা দরকার।
    আমি যাদের পড়াই, তারা ভারতের শ্রেষ্ঠ ছাত্রছাত্রী। কিন্তু, নিজের কোর এরিয়ার বাইরে একটা ভূগোল বা ইতিহাসের টপিক এলে তারা হিমসিম খায়। একটা প্রশ্নের বিশ্লেষণাত্মক উত্তর লিখতে ঠিক করে পারে না-- এইটা স্কুল শিক্ষার একটা সামগ্রিক অবক্ষয়। যেটাকে বাদ দিয়ে স্কুল শিক্ষা নিয়ে কথা বলা যায় না।
    আরও একটা কথা, আমার সময়ে ইস্কুলে যাঁরা পড়াতেন, তাঁদের অনেকেরই ব্যক্তিগত মেধা, নৈপুণ্য এবং নিষ্ঠা প্রশ্নাতীত। আমি জীবনে খুব 'ইন্টেলিজেন্ট' যত মানুষকে দেখেছি, তাদের দু একজন ইস্কুল শিক্ষকও ছিলেন। আজ সেই মেধার মানুষ ইস্কুল শিক্ষায় আসবেন না। কারণটা বোধগম্য। কদিন আগে একজন ইলেক্ট্রনিক-টেলি মিডিয়ায় কাজ করা সাংবাদিকের সংগে কথা হচ্ছিল, তিনি বলছিলেন তিনি বিশ্বায়নের জন্যেই করে খেতে পারছেন। কিন্তু, কুড়িবছর আগে হলে তিনি হয়ত স্কুল শিক্ষক হতেন এবং একজন অসাধারণ শিক্ষক হতেন বলে আমার ধারণা। তাঁর মাইনে কম হত, কিন্তু চাকরির নিরাপত্তা কম থাকত না। এই পরিবর্তনটাকে বাদ দিয়েও স্কুলশিক্ষা নিয়ে কথা বলা যায় না।
    তারপরেও তৃণমূল সরকারের এইক্ষেত্রে সার্বিক ব্যর্থতা আছে মেনে নিতে হবে। এমন লিস্ট যদি সরকার করে, যা নিয়ে বিরোধী উকিল কোর্টে যেতে পারে, সেইটা সেই উকিলের যত হারামিপনা, তার থেকে বেশি সরকারের অপারদর্শিতা। গত দশবছরে ছাত্র শিক্ষক সংখ্যার হার দেখা দরকার। এই সরকার সব ছড়িয়েছে এমন নয়। প্রাথমিকের পাঠ্যপুস্তক দেখে আমার মনে হয়েছে এমন বই আমাদের সময়ে কেন ছিল না! বাচ্চা মেয়েদের স্কুল শিক্ষা সম্পূর্ণ করার নিশ্চয়তা অনেক বাড়িয়েছে।
    কিন্তু, তথাপি যে খামতি থেকে গেছে, তার সুরাহা হওয়া দরকার। অন্ততঃ ছাত্র-শিক্ষক অনুপাত ঠিক রাখা দরকার, আর স্কুলের ওয়ার্ক এথিক্স, ওয়ার্ক কালচার। সেইটুকু না হলে কিছু এগোবে না
  • &/ | 151.141.85.8 | ০৭ মে ২০২১ ০০:২৮734366
  • আমাদের সেই স্কুলেই এখন কিছু সহপাঠী বন্ধু শিক্ষকতা করছেন। তাঁরা কেউই নিজের সন্তানদের ওই স্কুলে ভর্তি করেন নি। মহার্ঘ্য প্রাইভেট স্কুলে পাঠিয়েছেন।
    স্কুলের পরিবেশ এখন সম্পূর্ণ বদলে গিয়েছে। এমনকি এখন মাধ্যমিকে উচ্চমাধ্যমিকে ওই স্কুল থেকে বোর্ডে র‌্যান্ক পাওয়া রেজাল্ট হয়। তাতেও কিস্যু এসে যায় না। এই বন্ধুরা কেউ তাদের সন্তানদের ওখানে পাঠাবে না।
    অর্থাৎ মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক এই পরীক্ষাগুলোই এখন মূল্যহীন হয়ে গিয়েছে। অন্ততঃ লোকজনের প্রতিক্রিয়া দেখে তাই সন্দেহ হয়।

  • &/ | 151.141.85.8 | ০৭ মে ২০২১ ০০:৩৩734367
  • পশ্চিমবাংলার শিক্ষাব্যবস্থাটা (যে শিক্ষা স্বীকৃতি পাবে যে শিক্ষার ভিত্তিতে জীবনের জীবিকা ইত্যাদি হবে ) আস্তে আস্তে অবাঙালি ব্যবসায়ীদের হাতে চলে যাচ্ছে। রাজনীতির নাট্যরঙ্গ নিয়ে ব্যস্ত থাকতে থাকতে আমাদের সবচেয়ে বড়ো জিনিস ডাকাতি হয়ে যাচ্ছে। সামনের ইঁদুর নিয়ে ব্যস্ত হয়ে আছি, পেছন দিয়ে হাতী চলে যাচ্ছে।

  • &/ | 151.141.85.8 | ০৭ মে ২০২১ ০৪:৩৬734368
  • এই নতুন সরকার কী করবেন কেজানে! হয়তো সব প্রাইভেট করে দেবেন। মিষ্টি মিষ্টি হেসে হেসে বলবেন, "আহা, আপনাদের ছেলেমেয়েরা যখন প্রাইভেট স্কুলেই পড়ছে, তখন আপনারাও প্রাইভেট স্কুলে চাকরি করুন। দেখুন কত ধান্যে কত তন্ডুল। কত মৌচাকে কত মধু। কত ঝাড়ে কত বাঁশ। কত চিনিতে কত মিষ্টি । "

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
    • কি, কেন, ইত্যাদি
    • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
    • আমাদের কথা
    • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
    • বুলবুলভাজা
    • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
    • হরিদাস পালেরা
    • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
    • টইপত্তর
    • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
    • ভাটিয়া৯
    • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
    যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
    মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


    পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে মতামত দিন