• খেরোর খাতা

  • গল্প

    moulik majumder লেখকের গ্রাহক হোন
    ২১ এপ্রিল ২০২১ | ২৭৬ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • আরেকটি গল্প শেয়ার করলাম


    নয়ন


    মৌলিক মজুমদার


    স্পষ্ট বুঝতে পারছে অভিলাষ,  তার দৃষ্টিটা সহ্য করতে পারছেন না অনিন্দ্য জোয়ারদার। ব্যাঙ্কের  শীতাতপনিয়ন্ত্রিত ম্যানেজারি ঘরে বসেও রীতিমতো ঘামছেন। উশখুশ করছেন। টাইয়ের নট আলগা করে হাঁসফাঁস করছেন। একটু পর পর গ্লাস থেকে ঢেলে জলপান করছেন। প্রবল অস্বস্তির লক্ষণ তাঁর শরীরে। যেন চেয়ারে একটা আস্ত হিপোপটেমাস বসে রয়েছে। কাদায় ফেঁসে গেছে। 


    অভিলাষ মনে মনে হাসছে। কুল কুল করে পেট গুলিয়ে হাসি উঠছে তার। সে জানে তার চোখে একটা খুনে গোরিলা থাকে, সময় সময় তার দৃষ্টি বড় বড় হনুকে কুপোকাৎ করে দিতে পারে। এ তো নিরীহ এক হিপোপটেমাস। নইলে তার মতো হাভাতে দুস্থ বেকারকে কে আর কবে পাত্তা দিয়েছে। এইভাবে প্রতিপক্ষের শরীরে আদিম এক শিরশিরানি বইয়ে দিয়ে কাজ হাসিল করে অভিলাষ। 


    "আমার লোনটা হয়ে যাবে তো স্যর? " চোখের পলকে রজনীকান্ত স্টাইলে চোখে রোদচশমা গলিয়ে নেয় অভিলাষ। স্পষ্টতই হাঁফ ছাড়লেন ব্যাঙ্কের ম্যানেজার। নাক দিয়ে ফরফর করে শ্বাস বেরোল। কলিং বেল চাপলেন।


    জীবনে কলিং বেলই শেষকথা নয়। কলিং বেলে বদলায় না কিছু। এই যেমন ব্যাঙ্ক ম্যানেজারের ঘরে এইমাত্র কলিং বেল বাজল। মুশকো মতো একটি লোকের আবির্ভাব ঘটল। আর অর্ধচন্দ্র। অভিলাষের গোরিলাচোখ কোনো কাজে এলো না। ছিটকে পড়েছে ব্যাঙ্কের সামনে ফুটপাথে। গোটা মঠ চৌমুহনি তার দিকে চেয়ে দাঁত কেলিয়ে হাসছে। হাসার মতোই দৃশ্য বটে। একটি বছর পঁচিশেকের যুবক ছেতরে পড়ে রয়েছে রাস্তায়। গোটা দুনিয়া হাসছে। হিসেবে ভুল হয়ে গেছে। রোদচশমাটা চোখে গলানো উচিৎ হয়নি। খোলা ক্যাটকেটে  চোখে লোনের ব্যাপারটা ফয়সালা করা উচিৎ ছিলো। ম্যানেজার যথেষ্ট ভড়কে গেছিলো। লোনটা প্রায় হয়ে এসেছিলো। গোরিলাচোখ কাজ হাসিল করে এনেছিলো প্রায়। মুহূর্তের ভুলচুক হয়ে গেলো। এরকম মাঝেমধ্যে হিসেবে গোলমাল হয়ে যায় অভিলাষের। আদপেই সে একটি ভুলভাল মানুষ। পরের বার শুধরে নেবে। 


    উঠে ধুলো ঝাড়ে অভিলাষ। সানগ্লাসটা পড়ে আছে দু হাত দুরে। সকাল এগারোটার ব্যস্ত ফুটপাথ পদভারে ভারী। শত শত পায়ের ফাঁকে নিজের আব্রু বাঁচিয়ে পড়ে আছে সস্তার রোদচশমা। যেটা ছাড়া অভিলাষ ড্রাকুলার মতো অসহায়। ওর গোরিলাচোখ ও সযত্নে সানগ্লাসের আড়ালে লালন করে। সচরাচর জনসমক্ষে আনে না। তাই ভরভরন্ত রোদে ড্রাকুলার মতো এঁকেবেঁকে সানগ্লাসের দিকে এগোল অভিলাষ। 


    রোদচশমাটা চোখে গলিয়ে দুমিনিট ভাবল সে। এই মঠ চৌমুহনী শহরের একটা গুরুত্বপূর্ণ জায়গা। এখান থেকে উত্তরে গেলে আশ্রম চৌমুহনী, চন্দ্রপুর ও সংলগ্ন শহরতলি। পুবের দিকে কিছুদূর গেলে এম বি বি কলেজ ও তার বিরাট খোলামেলা এলাকা। এখানে চান্দ্রেয়ীর সাথে প্রেম করে অভিলাষ। পশ্চিমে অতি অবশ্যই ল্যাণ্ডমার্ক জি বি হাসপাতাল, যার মেল ওয়ার্ডে মেঝেতে এই মুহূর্তে কাতরাচ্ছে বাবা, এপেণ্ডিসাইটিসের ব্যথায়। সার্জারি করার পয়সা নেই। আর দক্ষিণে রম্যনগরী। মূল শহর। যেখানে থোকায় থোকায় রাষ্ট্রায়ত্ব, বেসরকারি ব্যাঙ্ক ফলে রয়েছে আঙুরফলের মতো। বেজায় টক। কোনো এক ব্যাঙ্ক ম্যানেজারকে গোরিলাচোখে আজ কাৎ করতেই হবে। টাকাটা খুব দরকার। না হলে না হয়। দক্ষিণে এগোয় অভিলাষ। এঁকেবেঁকে এগোয়। সর্পিল গতিতে এগোয়। আর হঠাৎ মনে পড়ে যায় যে তার খুব পিপাসা পেয়েছে। মরণ উচাটন তেষ্টা। এককাপ চা না পেলে এক্ষুণি মরে যাবে সে। এক শলা সিগারেট। আজ মাসের কত তারিখ? একটা একশো টাকার নোট সযত্নে বাঁচিয়ে রেখেছে ছেঁড়া মানিব্যাগের অন্দরে। ভেঙে ফেলবে? মাস পুরতে আরো সাত দিন বাকি। তারপর জুটবে টিউশনির টাকা। বা তারো দু চার দিন পর। পিপাসার মা ইনিয়ে বিনিয়ে বলবেন "ছাত্রী তো এগোচ্ছে না! ধাক্কা দাও বাবা। কোনোমতে মাধ্যমিকটা উতরে দাও। তারপর দিই মেয়ের হাত রাঙা করে। নেহাত পোড়ামুখীর একগুঁয়েমি, তোমাকে ছাড়া পড়বে না, নইলে বাবা সানগ্লাস পড়া টিউটর আমার বাপের জন্মে কেউ দেখেনি। দিতাম কবেই ভোঁ কাট্টা করে। " গজগজ করতে করতে টাকার খামটা রেখে উনি পিছু হটবেন। তবে ময়দান ছাড়বেন না। ইজি চেয়ারে স্মার্টফোন নিয়ে খুটখাট করবেন আর মাঝেমাঝে ছাত্রী মাষ্টারের উপর অগ্নিদৃষ্টি হানবেন। 


    চা'টা বাদ থাক। একটা শলা হয়ে যাক। ভুস ভুস করে ধোঁয়া ছাড়ে অভিলাষ। মাথার উপর দিয়ে বিমান যায়। বিমানের ধোঁয়া অভিলাষের ধোঁয়া এক হয়ে যায়। পাইলটের চাকরিটাই একমাত্র সুট করতো। চশমা খোলার দরকার পড়তো না। দিব্যি এক হাতে সিগারেট অন্য হাতে স্টিয়ারিং, কিছু বোতাম টোতাম টেপো, জনমনিষ্যি নেই। ক্যায়াবাৎ! বেশ খুল্লামখুল্লা জীবন হতো। গরিলাচোখ অব্যবহারে মানুষের মৃদু ভালোবাসাময় নয়ন হয়ে উঠত নিশ্চই। কোনো এয়ার স্টুয়ার্ডের সাথে ইন্টু মিন্টু প্রেমও হয়ে যেত। সেই স্বর্ণকেশী বক্ষলগ্না হয়ে বলতো "তোমার চোখ কত বাঙ্ময়!"


    কিন্তু শালার একজোড়া জুলজুলে গোরিলাচোখ! অভিলাষের জ্বলন্ত বাস্তবতা। অভিলাষের চিরসাথী। 


    গুটি গুটি পায়ে আবার দক্ষিণমুখী হয় সে। শহরের খোপে খোপে বসন্ত লেগে আছে। আকাশে আকাশে বসন্ত লেগে আছে। চাটতে চাটতে এগোয় সে। চান্দ্রেয়ীকে সে কোনোদিন চাটেনি। সুন্দরী মেয়েরা নোনাস্বাদের হয়। বড়লোক মেয়েরা নোনাস্বাদের হয়। জীবনানন্দ বলেছেন।  একবার জোর করে চান্দ্রেয়ীর হাত টেনে চাটার চেষ্টা করেছিল। স্বাদ বোঝার জন্য। নোনাস্বাদের থিয়োরিটা ঠিক আছে কিনা বোঝার জন্য। কষিয়ে চড় মেরেছিলো চান্দ্রেয়ী। রোদচশমা উড়ে গিয়ে পড়েছিলো গ্যালারির তিন রো নিচে। স্বাদ জানা হয়নি। এ শহরের স্বাদটাও এখন খানিক নোনা লাগছে! শহরটা কী বড়লোক হয়ে গেল? "সানগ্লাসের ভিতর থেকে কোন দিকে চেয়ে থাকো বলত? আমার বুক দ্যাখো নিশ্চই! যতই পাগল সেজে থাকো, তুমি আসলে সেয়ানা পাগল, মিচকে শয়তান। " চোরকাঁটার শাঁস চিবোতে চিবোতে বলবে চান্দ্রেয়ী। "তবে আমার জীবনে তুমি একটা অধ্যায়। আমার যখন বিয়ে হয়ে যাবে, হানিমুনে সুইজারল্যান্ড যাবো, শাদা ধবধবে বিছানায় বরের সুঠাম কাঁধের পেছনে যে ফায়ারপ্লেসের গনগনে লাল আগুন, তা মনে করাবে তোমার গোরিলাচোখ দুটোকে। তোমাকে আমি ভালোবাসিনা অভিলাষ। ভালোবাসি তোমার চোখজোড়াকে। সানগ্লাসটা খুলে আমার দিকে একবার তাকাও তো সোনা!"


    চান্দ্রেয়ীর ভাবনা ওকে আত্মবিশ্বাস দিলো। সাতপাঁচ ভাবতে ভাবতে মোটরস্ট্যান্ড ক্রস করে ফেলেছে। সামনে কাঁসারি পট্টি। সামনেই সারি সারি ব্যাঙ্ক। অভীষ্ট সাধনের কয়েক কদম বাকি। কেরামতি দেখাবে অভিলাষ। কোনো একটা ব্যাঙ্কে।


    আচমকাই সে বুঝল, একটা মিছিলের ল্যাজে পা দিয়ে ফেলেছে। বিশাল মিছিল, দিগন্তবিস্তৃত। জোড়া লেন ধরে যাচ্ছে সে মিছিল। আসা যাওয়ার রাস্তা নেই। পা ফেলবার রাস্তা নেই। অস্থির হয়ে ওঠে অভিলাষ। ব্যাঙ্কে পৌঁছানো আশু প্রয়োজন। মিছিলের মৃদুমন্দ গতি। তার ড্রাকুলাচলনের মতোই যেন অনেকটা। অনেকটা জম্বি মিছিল যেন। হেলেদুলে চলছে। ধৈর্যের বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে।


    শেষের লোকটার কাঁধ ধরে হ্যাঁচকা টান মারে অভিলাষ। ঘুরে দাঁড়ায় লোকটি। আর অবাক চোখে দেখে তার সামনে দাঁড়িয়ে রোদচশমা পরিহিত অভিলাষ মজুমদার। হতভম্ব হয়ে এগোয় অভিলাষ। মিছিল ভেদ করে এগোয়। কিছুদূর গিয়ে ঘুরে দাঁড়ায়। প্রত্যেকটি লোক রোদচশমা পরা অভিলাষ মজুমদার।


    চিৎকার করে " তোমরা কারা? তোমরা কোথায় যাচ্ছো? পথ ছাড়ো, আমি ব্যাঙ্কে যাবো। আমার আশু প্রয়োজন। "


    উত্তর আসে, " আমরা অভিলাষ মজুমদার। আমরা ত্রিপুরার স্বনির্ভর কর্মীদল। ব্যাঙ্কে যাচ্ছি। আমাদের লোন স্যাঙ্কশন হয়ে গেছে। "

  • ২১ এপ্রিল ২০২১ | ২৭৬ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
আরও পড়ুন
চিনি - Tanima Hazra
আরও পড়ুন
স্বগগ - aftab hossain
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • r2h | 49.206.14.58 | ২৫ এপ্রিল ২০২১ ১১:০০105132
  • পড়লাম, আপনার লেখা আরো পড়তে চাইছি।

  • moulik majumder | ২৬ এপ্রিল ২০২১ ০০:৫৪105183
  • R2h অনেক শুভেচ্ছা আপনাকে। নিশ্চই পড়াবো যখনই লিখি। 

  • :|: | 174.251.172.204 | ২৬ এপ্রিল ২০২১ ০৩:২০105184
  • "মরণ উচাটন তেষ্টা" মানে কী? হয় তো বলতে চেয়েছেন খুব তেষ্টা। কিন্তু এই রকম অর্থহীন উপমার  প্রয়োগ আমার সীমিত জ্ঞানে কোনও দিন পড়িনি। 


    তন্ত্রে মারণ উচাটন বশীকরণ ইত্যাদি ব্যাপার আছে। সেসবের সঙ্গে এর যোগ আছে বলে মনে হচ্ছে না। 

  • দু | 47.184.13.36 | ২৬ এপ্রিল ২০২১ ০৮:৩২105188
  • গল্পের সেটিং    ভিস‍্যুয়াল   ভালোো   লাগলো

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লড়াকু মতামত দিন