• খেরোর খাতা

  • ব্যর্থ প্রেম থেকে আত্মহত্যার চব্বিশ ঘন্টা আগে বিয়ে; এ এক অন্য হিটলারের গল্প

    Debabrata Mondal লেখকের গ্রাহক হোন
    ১৪ মার্চ ২০২১ | ৫৯০ বার পঠিত
  • ১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল। ঘড়ির কাঁটা বলছে সময়টা মধ্যরাত। গোটা বার্লিন শহর গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। শুধু ঘুম নেই এক নবদম্পতির চোখে। দুজনের প্রেম দীর্ঘ পনেরোটি বসন্ত পেরিয়ে এসে আজ পূর্ণতা লাভ করেছে। এই অনন্ত অপেক্ষার অবসানের দিনেও খুশির লেশমাত্র নেই তাদের চোখে মুখে। যে ছেলেটি কিশোরবেলায় দানিউব নদীর তীরে বসে তার ক্যানভাসে ঝড় তুলতো, যার তুলির মূর্চ্ছনায় প্রাণ পেতো পড়ন্ত বিকেলের ভেনিস থেকে রূপবতী অষ্টাদশী কন্যার মুখ সেই ছেলেটি আজ সদ্য বিবাহিতা স্ত্রীর সঙ্গে গভীর উৎকণ্ঠায় নিঃশব্দ মৃত্যুর প্রহর গুনছে। ঘড়ির কাঁটা জানান দিচ্ছে রাতের বয়স ক্রমশ বাড়ছে। একসময় খবর এলো রেড আর্মি বার্লিন শহরের দখল নিচ্ছে। অতঃপর! আত্মহত্যা!

    যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে সেই সময়ে পরিবর্তন ঘটছে সমাজ অর্থনীতি এবং বিশ্বরাজনীতির মানচিত্রে। খুব দ্রুত বদল ঘটছিল মানুষের যাপনে। কিছুদিনের মধ্যেই পৃথিবীর বুকে শুরু হলো প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। দানিউব নদীর ধারে যে ছেলেটির তুলি হাজারো সৃষ্টিশীলতার উৎস হয়ে উঠেছিল বিশ্বযুদ্ধের আঁচ এসে লাগলো তার গায়েও। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে এক সাধারণ সৈন্য হিসেবে যোগ দিলেন অ্যাডলফ হিটলার। হিটলারের বাবা ছিলেন একজন জারজ সন্তান। ফলে অপমান আর উপেক্ষা দৈনন্দিন সঙ্গী ছিল হিটলারের। দানিউব নদীর তীরে বসে যে যুবকের স্বপ্নালু চোখ স্বপ্ন দেখতো একাডেমী অফ ফাইন আর্টসে যোগ দেওয়ার, যে সৃষ্টিশীল কিশোরের তুলি হাজারো নতুনের সৃষ্টি করতো সেই বছর আঠেরোর যুবক প্রত্যক্ষ করলো চূড়ান্ত অমানবিকতা আর নৃশংসতা। তুলির বদলে অ্যাডলফ হিটলার হাতে তুলে নিল বন্দুক।

    প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ক্ষতে সম্পূর্ণভাবে প্রলেপ পড়তে না পড়তেই বিশ্বের সমস্ত শান্তিকামী মানুষের রাতের ঘুম কেড়ে পৃথিবীর বুকে হাজির হলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। আর দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের হাত ধরেই আবির্ভাব ঘটলো বিশ্বত্রাস সৃষ্টিকারী এক নেতার। নাম তার অ্যাডলফ হিটলার। কিছুদিনের মধ্যেই ইহুদীদের কাছে স্বৈরাচারীতার অপর নাম হয়ে উঠলেন হিটলার। তার নেতৃত্বাধীন নাৎসী দল পঞ্চাশ লক্ষের বেশি ইহুদিকে হত্যা করেছিল। যা পৃথিবীর ইতিহাসে 'হলোকেস্ট' নামে পরিচিত। এই পর্যন্ত ইতিহাস প্রায় সকলেরই জানা। কিন্তু আজ আমরা খোঁজ করবো দানিউব নদীতীরের সেই স্বপ্নময় কিশোরটির। ইতিহাসের পাতা উল্টে ফিরে যেতে চাইবো অমানবিক নৃশংস হিটলারের আড়ালে লুকিয়ে থাকা প্রেমিক হিটলারের কাছে।

    মেয়েটির নাম ছিল স্টিফানি আইজ্যাক। ভেনিসের এক ধনী পরিবারের কন্যা। স্টিফানির বাবা ছিলেন ভেনিসের একজন গণ্যমান্য ব্যক্তি। একদিন শেষ বিকেলের সূর্যকে সঙ্গী করে দানিউব নদীর তীরে তার নিত্যদিনের বৈকালিক ভ্রমণে ব্যস্ত স্টিফানি এবং তার বাবা। সঙ্গে এক অজ্ঞাতনামা চিত্রশিল্পী। শেষ বিকেলের নিভে আসা সূর্য আর পাখির কলতান সমগ্র প্রকৃতিতে এক অপরূপ মোহমায়া সৃষ্টি করেছে। স্টিফানির চোখ পড়লো রোগা দোহারা চেহারার সেই কিশোরের দিকে। ঠোঁটে জ্বলন্ত চুরুট। একমনে চেয়ে আছে স্রোতস্বিনী দানিউবের দিকে। এই শিল্পী আসলে তার বাবার কৃপাপ্রার্থী। তার ছবি নিয়ে একটা একজিবিশন করতে চায় কিন্তু টাকা পয়সার অভাব। সেখানেই স্টিফানিকে প্রথম দেখেন হিটলার। স্টিফানি ছিলেন সেই সময় ভিয়েনার অন্যতম ডাকসাইটে সুন্দরী। প্রথম দেখাতেই প্রেমে পড়ে গিয়েছিলেন পরবর্তীকালের বিশ্বযুদ্ধের অবিসংবাদিত এই খলনায়ক। কিন্তু পূর্ণতা পেয়েছিলো কি হিটলারের এই প্রথম প্রেম?

    উত্তর হলো না পায় নি। অ্যাডলফ হিটলার শেষ পর্যন্ত জীবনসঙ্গিনী হিসেবে পান নি স্টিফানি আইজ্যাককে। কিছুদিনের মধ্যেই এই সম্পর্কের ব্যাপারে জেনে যায় স্টিফানির পরিবার। আইজ্যাক পরিবারের মেয়ের সঙ্গে প্রেম করবে একজন জারজের সন্তান! ছো! সমাজে মুখ দেখাবেন কি করে? এই ছিল স্টিফানির বাবার মনোভাব। সুতরাং বন্ধ হলো প্রেমপত্র বিনিময়। প্রথম প্রেমের সেখানেই ইতি। যদিও অনেক পণ্ডিতের মতে স্টিফানি আইজ্যাক কোনোদিনই ভালোবাসেন নি হিটলারকে। এই প্রেম ছিল একতরফা। যদিও প্রথম প্রেমকে কোনোদিনই ভুলতে পারেননি হিটলার। এমনকি অনেক পণ্ডিত হিটলারের 'হলোকেস্ট'-এর পেছনে প্রথম প্রেমের ব্যর্থতাকেই দায়ী করেছেন। যদিও শেষ পর্যন্ত এ নিয়ে বিতর্কের অবকাশ থেকেই যায়।

    এরপর আসা যাক ইভা ব্রাউনের প্রসঙ্গে। ইভা ব্রাউনের যখন সতেরো বছর বয়স তখন তার পরিচয় হয় হিটলারের সঙ্গে। কিছুদিনের মধ্যেই পরিচয় গড়ায় প্রেম পর্যন্ত। শেষ পর্যন্ত ১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল ইভা ব্রাউনকে বিয়ে করেন হিটলার। অন্যদিকে নাৎসী বাহিনী তখন পর্যদুস্ত, বার্লিনের পতন শুধু সময়ের অপেক্ষা। বিয়ের পর একটা রাতও সম্পূর্ণ অতিক্রান্ত হয়নি। পনেরো বছর আগে ইভা যে মানুষটার শিল্পীমন আর স্বপ্নালু চোখ দুটোর প্রেমে পড়েছিলেন আজকের হিটলারের সঙ্গে সেই মানুষটার আসমান জমিন ফারাক। সেদিনের সেই সপ্তদশী ইভা হিটলারকে দেখে যে সোনালী স্বপ্নের জাল বুনেছিলেন সেই স্বপ্নজাল আজ নিষ্ঠুর বাস্তবতায় ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। সেদিনের সেই স্বপ্নালু চোখ দুটো আজ বারংবার মৃত্যুভয়ে সাদা হয়ে আসছে। ইভা হিটলারের যে শিল্পীমনটাকে সযত্নে লালন করতে চেয়েছিলেন, বিশ্বজয়ের উদগ্র বাসনা চরিতার্থ করতে গিয়ে হিটলার নিজেই সেই মনকে টুঁটি টিপে মেরে ফেলেছেন। বিশ্বজয়ের স্বপ্নও ব্যর্থ হয়েছে। একের পর এক পরাজয়, একের পর এক মৃত্যু কিন্তু ইভা ছেড়ে যাননি হিটলারকে।

    একসময় খবর এলো রেড আর্মি বার্লিনে প্রবেশ করতে শুরু করেছে। হিটলার আর ইভা তার পূর্বেই তাদের কর্তব্যে স্থির। ১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল আত্মহত্যা করলেন নবদম্পতি অ্যাডলফ হিটলার এবং ইভা ব্রাউন। বিয়ের পরে সাকুল্যে চব্বিশ ঘণ্টা সময়ও স্বামীর সঙ্গে কাটাতে পারেননি হতভাগ্য ইভা।

    হিটলারের রাজনৈতিক জীবনের ওঠাপড়া দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমস্ত কিছু নিয়ে চর্চার মধ্যেই বারংবার আড়ালে চলে যায় হিটলারের হারিয়ে যাওয়া প্রথম প্রেম অথবা শুধু ভালোবেসে মৃত্যুকে হাসিমুখে মেনে নেওয়া ইভা ব্রাউনের গল্প।

    ঋণ - https://www.kolkata24x7.com/a-few-hour-before-death-hitler-married-eva-braun/

     

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বাইরে দূরে | ১৫ মার্চ ২০২১ ১৪:৩৮103711
    • আমাদের জানা তথ্যের সঙ্গে আপনার প্রতিবেদনের অনেকটাই মিলছে না ।  

       

      ষ্টেফানি ভেনিসের নয়, লিন্তস শহরের মেয়ে । তার পক্ষে ভিয়েনার ডাক সাইটে সুন্দরী বলে গণ্য হবার সম্ভাবনা ক্ষীণ 

       

      তরুণী ষ্টেফানির শেষ বিকেলের সূর্যকে সঙ্গী করে বাবার সঙ্গে দানিউব নদীর তীরে বৈকালিক ভ্রমণ একটু শক্ত ব্যাপার  ছিল । তাঁর বাবা কয়েক বছর আগেই ইহলোক পরিত্যাগ করেছেন। অবশ্য কল্পনায়  ষ্টেফানি বাবার সঙ্গে যে কোন জায়গায় ঘুরে বেড়াতে পারেন। 

       

      ষ্টেফানির চোখ যে রোগা দোহারা চেহারার কিশোরের দিকে পড়লো তাঁর মুখে জ্বলন্ত চুরুট থাকাটা সম্ভব নয় কারণ সেই কিশোর ধূমপান করতেন না ।  

       

      এই শিল্পী ষ্টেফানির বাবা কৃপা প্রার্থী হতে পারেন না এবং তাঁর বাবার রোষানলে পড়তে পারেন না তাঁর কারণ আগেই উল্লিখিত – তিনি বেঁচে নেই ! 

       

      হিটলার কবিতা এবং প্রেম পত্র লিখেছেন সেটা সত্য কিন্তু সেগুলোর কোনটাই ষ্টেফানির হাত অবদি পৌঁছয় নি সেটাও অবিসম্বাদিত সত্য ( কুবিজেকের বইটি দ্রষ্টব্য ) এই সব গল্প করেছেন কবিতা পড়ে শুনিয়েছেন কুবিজেককে মাত্র । 

       

      প্রেমপত্র বিনিময় হয় নি তাই সেটা  বন্ধ হবার প্রশ্ন ওঠে না 

       

      এটাও বোধ হয় জানানো উচিত যে ষ্টেফানি হিটলারের সঙ্গে  কোনোদিন বাক্য বিনিময়  অবদি করেন নি । 

       

      সন্ধ্যা মুখোপাধ্যায় যেমন শুনিয়েছেন - আমি দূর হতে তোমারেই দেখেছি !

       

      কোন পণ্ডিত ষ্টেফানি আখ্যানের সঙ্গে হলকস্তকে  ( হলকেস্টা নয়!! ) জড়িয়েছেন জানতে পারলে বাধিত হই । 

       

      এভা ব্রাউনের সঙ্গে যখন হিটলারের পরিচয় হয় ( তিনি হিটলারের  ফোটোগ্রাফার হফমানের দোকানে কাজ করতেন ) সে সময় তিনি যার গভীর প্রেমে নিমজ্জিত তাঁর নাম প্রথম  আঙ্গেলা ( গেলি ) রাউবাল যিনি  দু বছর বাদে, মাত্র ২৩ বছর বয়েসে আত্মহত্যা করেন।  হিটলারের ক্ষমতায় আসতে তখনো দু বছর বাকি 

  • দেবব্রত মন্ডল | 157.43.223.201 | ১৫ মার্চ ২০২১ ১৮:৩৮103721
  • বাইরে দূরে - হিটলারের জীবন প্রকৃতপক্ষে রহস্যময়।তার জীবন সম্পর্কে বিভিন্ন পণ্ডিত বিভিন্ন সময় ভিন্ন ভিন্ন মতামত পোষণ করেছেন।আমি নির্দিষ্ট একটি তথ্যসূত্র ফলো করার চেষ্টা করেছি যার লিংকও লেখাটির সঙ্গে দেওয়া আছে।এরপরেও লেখাতে তথ্যগত কোন ভুল থাকলে আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

  • বাইরে দূরে | ১৫ মার্চ ২০২১ ১৯:০৬103723
  • সুধী

     

    আপনার দেয়া লিংকের তথ্য প্রামাণ্য ,  এভা ব্রাউন সম্বন্ধে । আমার প্রশ্ন অন্যত্র 

    আপনি ষ্টেফানির ( স্টিফানি নয়)  সম্বন্ধে যা লিখেছেন তার সূত্র কি ? অস্ট্রিয়ান সঙ্গীতজ্ঞ কুবিজেকের “ যুবক হিটলারকে যেমন দেখেছি “ বইয়েতে ষ্টেফানি প্রসঙ্গ আছে । কুবিজেককে হিটলার তাঁর কবিতা ও প্রেমপত্রের গল্প শোনাতেন ।  সেই মেয়েটির সঙ্গে কোনদিন কথা  বলার সাহস অবদি হয় নি । ষ্টেফানি হাঁটতেন মায়ের সঙ্গে , নদীর ধারে । বাবা অনেকদিন মারা গেছেন ।  তাঁর কাছে  হিটলারের ছবির এক্সিবিশন করার জন্য সাহায্য প্রার্থনা  সম্পূর্ণ অবান্তর । আর হিটলার সঠিক  ছবি আঁকা শুরু করেন ভিয়েনা যাবার পরে ।  

    আপনি ভেনিসের প্রসঙ্গ কোথায় পেলেন ? ভেনিসে দানিউব বয়ে যায় বলে শুনি নি । আপনার তথ্য সূত্রে কি তাই পেয়েছেন? জানার আগ্রহ রইল।

    হিটলার বিষয়ে অনেক পণ্ডিতের লেখা পাওয়া যায় । এতো বেশি আর কারও সম্বন্ধে লেখা হয়েছে বলে জানি না।  তার কিছু আমার পড়া আছে তাই প্রশ্ন করছি ।  হলোকসট ( হলকেষ্ট নয় ) নাৎসিদের উর্বর মস্তিষ্ক প্রসূত বর্বরতা , ইহুদি বিদ্বেষ হাজার বছরের পুরনো ইউরোপীয় ব্যাধি 

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:

কুমুদি পুরস্কার   গুরুভারআমার গুরুবন্ধুদের জানান


  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঝপাঝপ মতামত দিন