বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • খেরোর খাতা

  • হত্যা করেছিলেন পাঁচশোর বেশি পুরুষকে; সিরিয়াল কিলার গিউলিয়া কি হয়ে উঠেছিলেন ইতালীয় নারীদের রক্ষাকবচ? 

    Debabrata Mondal লেখকের গ্রাহক হোন
    ১১ মার্চ ২০২১ | ১৪২৯ বার পঠিত | রেটিং ৫ (২ জন)
  • শীতের অলস দুপুর। পড়ে আসা সূর্যালোক খেলা করছে গ্রান্ড ক্যানেলের জলে আর পিছুটান ভুলতে না পারা পাখির দল কিচিরমিচির জুড়েছে ঘরে ফিরতে চেয়ে। এসবের যোগফলেই সমগ্র প্রকৃতিতে সৃষ্টি হয়েছে অপূর্ব এক মাধুরী। ইতালি, গ্র্যান্ড ক্যানেলের তীরে দাঁড়িয়ে থাকা সপ্তদশ শতাব্দীর নবজাগরনের অন্যতম প্রাণকেন্দ্র। বতিচেলিল থেকে রাফায়েল হয়ে ভিঞ্চির তুলিতে প্রাণ পেয়েছে রূপকথার এই শহর। ইতিহাস এখানে সর্বক্ষণ কথা বলে। ফ্লোরেন্স থেকে ভেনিস শহরের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে রয়েছে নতুনভাবে বাঁচতে শেখার, ভাবতে শেখার হাজারো প্রমাণ। ইতালির গৌরবের সাক্ষী হিসেবে হাজারো ইতিহাস বহমান তাদের হাত ধরেই। কিন্তু শুধুই কি আলোর হাতছানি? প্রদীপের নিচে অন্ধকার কি একেবারেই ছিল না? চলুন নবজাগরণের পরে এতগুলো বছর পেরিয়ে এসে ফিরে দেখি নবজাগরণের দিনের সেই গল্পগুলোকে। যার বেশিরভাগটাই অন্ধকারের চাদরে মোড়া।

    নবজাগরণের হাওয়া তখনও ফ্লোরেন্স থেকে ইতালির প্রান্তবর্তী গ্রাম পালমেরোতে পৌঁছয়নি। অবশ্য শুধুমাত্র পালমেরো নয় সেই সময় ইতালির বেশ কিছু গ্রামে প্রচলিত ছিল মধ্যযুগীয় প্রথা। গ্রামের মুখিয়ারা ছিলেন সমস্ত সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে শেষ কথা।সমাজ ছিল পুরুষশাসিত। বিয়ের পরে অধিকাংশ নারী বিবেচিত হতেন পুরুষদের ভোগ্যবস্তু রূপে। স্বামীর বিরুদ্ধে কথা বললেই কপালে জুটতো নারকীয় অত্যাচার। যথেচ্ছ অত্যাচারের পাশাপাশি পুরুষরা অনৈতিক কাজে ছিল সিদ্ধহস্ত, ধর্ষনের মতো ঘটনাও ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। ফলে অধিকাংশ বিবাহিত মেয়েদের জীবন হয়ে উঠেছিল নরক গুলজার।

    বিবাহিতারীদের উপর অত্যাচার যখন লাগামছাড়া রূপ নিল ঠিক তখনই পালমের গ্রামে আবির্ভাব ঘটলো এক মেক আপ আর্টিস্টের, নাম তার গিউলিয়া তেফানা। সালটা ১৯৩০, মায়ের সঙ্গে প্রসাধনী সামগ্রীর ব্যবসা শুরু করলো গিউলিয়া। অনেকের মতে ব্যবসা করতে করতেই গিউলিয়া একভাবে হয়ে উঠেছিল পালমার গ্রামের নারীদের রক্ষাকবচ, যদিও তা নিয়ে বিতর্কের অবকাশ থেকেই যায়। অন্যান্য অনেক ইতালীয় নারীর মতোই গীউলিয়া ছিল অত্যাচারিত। ইতালির পুরুষশাসিত সমাজের কুৎসিত রূপ তার কাছে অজানা ছিল না। পালমের গ্রামের নারীদের অবস্থা স্বচক্ষে প্রত্যক্ষ করলো সে।ন বজাগরণের ঝলমলে আলোয় ইতালির সমাজের এই অন্ধকার দিকটি অনেকেরই চোখের আড়ালে চলে গিয়েছিল, যা এক লহমায় উন্মোচিত হয়ে পড়লো যুবতী গিউলিয়ার চোখের সামনে। আর এরপরই পালমের গ্রামে পুরুষদের উপযুক্ত শিক্ষা দেওয়ার জন্য এক উপায় বার করলো সে। আর্সেনিকের সাহায্যে তৈরি করলো 'একুয়া তোফানা'
    নামক এক প্রাণঘাতী বিষ।

    কিছুদিনের মধ্যেই পালমের গ্রামে মৃত্যু হতে থাকলো একের পর এক পুরুষের। টনক নড়লো তৎকালীন প্রশাসনের। কিন্তু তদন্তই সার। মৃত্যুর কারন খুঁজতে গিয়ে বাঘা বাঘা প্রশাসনিক কর্তাদেরও হতে হলো ল্যাজেগোবরে। হাজারো চেষ্টার পরেও প্রকৃত অপরাধীকে জালে তুলতে পারলেন না তদন্তকারীরা।

    গিউলিয়া মূলত বিভিন্ন অছিলায় পালমের গ্রামের ভিন্ন ভিন্ন বাড়িতে চালাতো তার অপারেশন, অপারেশনের আগে চলত রেইকি। তার আগেই সেই বাড়ি সম্পর্কে সম্যক ধারণা নিতো সে, তৈরি হতো অপারেশনের ব্লু প্রিন্ট। গ্রামের পুরুষদের খুন করতে স্লো পয়জনকেই হাতিয়ার করেছিল গিউলিয়া, আর এই বিষয়ে তাকে সাহায্য করতো পালমের গ্রামের অত্যাচারিত মহিলারা। এমনকি গিউলিয়ার তৈরি বিষ মৃতের শরীর থেকে কর্পূরের মতো বেমালুম উবে যেতো কয়েক ঘন্টার মধ্যে। হাজার চেষ্টা সত্ত্বেও বিষের হদিস পেতেন না কেউ। হ্যাঁ শুনতে অবাক লাগলেও এটাই সত্যি, গিউলিয়ার তৈরি মারণ অস্ত্র ভ্যানিশ হয়ে যেত কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই। অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচতে পালমের গ্রামের নারীরাও শরণাপন্ন হয় গিউলিয়ার। পদ্ধতিও সহজ। খাবার বা পানীয়ের সঙ্গে মাত্র চার ফোঁটা 'একুয়া তফানা' মিশিয়ে দিলেই কেল্লাফতে। আর মহিলাদের প্রসাধনী সামগ্রীর আড়ালে এই মারাত্মক বিষ এমনভাবে লুকিয়ে রাখা হতো যা সাদা চোখে বোঝা ছিল দুঃসাধ্য।

    এভাবেই বেশ চলছিল। কিন্তু ধর্মের কলও বাতাসে নড়ে। একদিন পালমের গ্রামের এক নারী তার স্বামীর খাবারে 'একুয়া তোফানা' মেশাতে গেলে হাতে নাতে ধরা পড়ে যায়। তাকে জেরা করতেই বেরিয়ে পড়ে এই জঘন্য অপরাধের আসল মাথা কে। ততদিনে অবশ্য গিউলিয়া পালমের গ্রামের প্রায় পাঁচশোর বেশি পুরুষকে হত্যা করে ফেলেছে গিউলিয়া। নবজাগরণের ইতালিতে অন্যতম নৃশংস সিরিয়াল কিলারের তকমা নিঃসন্দেহে দেওয়া চলে এই ঠান্ডা মাথার খুনীকে।

    গিউলিয়ার শেষ পরিণতি সম্পর্কে জানা যায় ১৬৫০ সালে তার কার্যকলাপ ফাঁস হয়ে গেলে গিউলিয়া পালিয়ে একটি চার্চে আশ্রয় নেয়, এবং পরবর্তীকালে সেই চার্চ থেকেই তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পুলিশি জেরার মুখে গিউলিয়া স্বীকার করে ১৬৩৩-১৬৫১ এই আঠেরো বছরে পাঁচশোর বেশি পুরুষকে সে হত্যা করেছে 'একুয়া তেফানা'- র সাহায্যে। শেষ পর্যন্ত ১৯৫৯ সালে বিচারে গিউলিয়া এবং তার সাহায্যকারীদের ফাঁসি হয়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সুসানা ফাজেকাস যেমন হাঙ্গেরির অসংখ্য পুরুষকে হত্যা করেছিলেন শুধুমাত্র আর্সেনিককে হাতিয়ার করে ঠিক একইভাবে গিউলিয়া হত্যা করেছিলেন ইতালীর পালমের গ্রামের প্রায় পাঁচশো পুরুষকে। বিবাহিত মহিলাদের অত্যাচারের হাত থেকে বাঁচাতে আইন তুলে নিয়েছিলেন নিজের হাতে।

    নবজাগরণের বুকে দাঁড়িয়ে ইতালীর ইতিহাসে অন্যতম কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে যা খ্যাত হয়ে আছে। তবে সেই নবজাগরণের দিনেও ইতালীয় নারীদের উপর যে ন্যাক্কারজনক অত্যাচার চলতো তার সমস্ত হাল-হকিকত জেনেও একপ্রকার চুপ ছিল ইতালীর প্রশাসন। সেই পরিস্থিতিতে হয়তো একপ্রকার বাধ্য হয়েই অত্যাচারী পুরুষদের খুন করতে শুরু করে গিউলিয়া, পাঁচশোর বেশি পুরুষকে হত্যা করেও সে হয়তো পালমার গ্রামের অত্যাচারিত নারীদের কাছে মুক্তির একঝলক বাতাস হয়ে উঠতে পেরেছিল। অত্যাচারিত প্রতিটি মহিলার দৃষ্টিকোণ থেকে ভাবলে কি এই সত্যই উঠে আসেনা আমাদের চোখের সামনে? প্রশ্ন কিন্তু থেকেই যায়...

    তথ্যসূত্র - https://egiyecholo.com/article/geulia-tofana-incident
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Rajkumar Mahato | ১৩ মার্চ ২০২১ ১১:১০103587
  • লেখাটা খুব ভালো। তবে ১৬০০ আর ১৯০০ এর মধ্যে আপনি গুলিয়ে ফেলেছেন মনে হচ্ছে। ঠিক করে নেবেন দোয়া করে। ভালো লাগলো। 

  • দেবব্রত মন্ডল | 2409:4061:386:c24:e7a:c98b:b376:d03c | ১৩ মার্চ ২০২১ ১৯:৪৬103602
  • রাজকুমার মাহাতো,আপনাকে অনেক ধন্যবাদ মতামত জানানোর জন্য।পরবর্তী লেখাগুলি পড়ে মতামত জানালে উপকৃত হব।

  • বাইরে দূরে | ১৫ মার্চ ২০২১ ১৫:৩৬103714
  • আমরা ইউরোপ ও বিশ্ব চিনেছি ইংরেজের চোখ দিয়ে তাই আপনি ইংরেজি অক্ষর অনুযায়ী “ গিউলিয়া “ লিখেছেন ইতালিয়ান ভাষায় লেখা হয় ইংরেজি হরফের জি দিয়ে অতএব যাকে আপনি গিউলিয়া বলেছেন তাঁর নাম জুলিয়া যেমন ইতালিয়ানে জুলিয়াস  হল জুলিও ( Giulio) গিউলিও নয় ।

     

    জুলিয়ার পদবী তোফানা ( তেফানা নয় )

     

    তাঁর প্রাণ হরণকারী দাওয়াইয়ের নাম আকুয়া ( একুয়া নয় ) তোফানা  আকুয়া মানে জল যার সূত্র সংস্কৃত আপ

     

    আরেকটি অজানা অধ্যায় আছে –যে চার্চ তাঁকে আশ্রয় দিয়েছিল,  তাঁর মৃতদেহ সেই চার্চের দেয়ালের ভেতরে ছুঁড়ে ফেলা হয়

     

    পালেরমো ইতালির কোন প্রান্তবর্তী গ্রাম নয় সিসিলি দ্বীপের রাজধানী ( দুঃখের বিষয় আজকের মাফিয়াদের জন্মভূমি ) রোম জন্মাবার অনেক আগেই এই দ্বীপের নাম ইতিহাসে উজ্জ্বল হয়ে আছে -হানিবালের আমল থেকে

  • দেবব্রত মন্ডল | 2409:4061:2ec6:b18b:78d2:5c1e:a12a:806b | ১৬ মার্চ ২০২১ ০৭:০১103752
  • বাইরে দূরে - দেখুন ইংরেজি বানান অনুসারে উচ্চারণের কমবেশি পার্থক্য হয়েই থাকে।এবং আমি যে তথ্যসূত্র দিয়েছি সেখানে ' গিউলিয়া ' বলা হয়েছে।একইভাবে আকুয়া বা একুয়ার কথাও বলা চলে।


    পালেরমোকে যে ইতালির প্রান্তবর্তী গ্রাম বলা হয়েছে তা শুধুমাত্র লেখার তাগিদেই।মনে রাখতে হবে এখানে কোনো বিশেষ অঞ্চলের ভৌগলিক বিবরণ দেওয়া হচ্ছে না।সিরিয়াল কিলার হিসেবে এক মহিলার ভূমিকা উল্লেখ করা হয়েছে মাত্র।

  • বাইরে দূরে | ১৬ মার্চ ২০২১ ১২:০৪103767
  • আপনার দেয়া লিংক খোলা গেল না া অতএব বোঝা মুশকিল। মনে হয় এটি বাংলা সাইট। এগিয়ে চলো। সেখানে জুলিয়াকে গিউলিয়া নামক কিমভুত চেহারা দেয়া হবে না। কারন বাংলা ফোনেটিক ভাষা। বিশেষ অনচলের ভৌগোলিক বিবরন দেবার দাবী করি নি। ইতালী নামক কোন দেশই  তখন ছিল না । অপরিচিত শবদের সঠিক উচচারন গুগলে পাওযা যায়। 

     
  • Debabrata Mondal | ১৬ মার্চ ২০২১ ১২:৩৭103769
  • বাইরে - দূরে আপনার মতামত পরবর্তীতে আমার লেখার পাথেয় হয়ে উঠুক এটাই কাম্য।আপনি যে ছোট - বড়ো ভুলগুলি পয়েন্ট আউট করেছেন তার জন্য অনেক ধন্যবাদ।পরবর্তী লেখাগুলির ক্ষেত্রে আশা করি আপনার গুরুত্বপূর্ণ মতামত পাওয়া যাবে।সঙ্গে থাকুন।

  • বাইরে দূরে | ১৭ মার্চ ২০২১ ১৯:৩৩103835
    • তথ্যের সত্যতা নির্ধারণ করা ও তার সঠিক প্রচেষ্টা চালানো লেখকের কাজ।  নইলে সেটা ওই হোয়াটসআপ বিশ্ব বিদ্যালয়ের গাল গল্পে  পরিণত হয়।  এই তখ্য নিরীক্ষণের ভার আমাকে দেবেন না। নিজে ফ্যাক্ট চেকিং  করুন।  পাঠক সেটি আপনার কাছে আশা করে। 

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। পড়তে পড়তে প্রতিক্রিয়া দিন