• বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়।
    বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে।
  • করোনা নিয়ে প্যানিক কোরোনা

    অমৃতা পান্ডা
    বিভাগ : বুলবুলভাজা | ২৪ মে ২০২০ | ২৯৬৮০ বার পঠিত
  • বাড়ির ছোট মেয়ে আমি। আমি ছাড়া বাড়িতে আছেন মা, বাবা (৬৫ বছর), দাদু(৮২ বছর, হাই প্রেশার), দিদা(৭৬ বছর, Alzheimer's patient), দিদি, জামাইবাবু আর তাদের দুই বছরের ছোট ছেলে।

    লকডাউনের বেশ কিছুদিন আগেই আমার দাদু দিদা আমাদের বাড়িতে এসে আটকে পড়েন। এসেছিলেন ডাক্তার দেখাতে। লকডাউনের কারণে ফেরা হয়নি। দিদি জামাইবাবুও তাই।

    লকডাউনে আমরা সেভাবে কেউ বাড়ি থেকে বেরোতাম না। আমি কেবল ওষুধ কিনতে যেতাম। কখনো দিদি, কখনো আমি বাড়ির আবর্জনা ফেলতে যেতাম। তাও মাস্ক পরে বেরোতাম। বাড়ি ফিরে স্নান করে নিতাম। সকল নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যাদি বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে যেত। সেগুলো আলাদা একটা ঘরে রাখা হত এবং পরে তা তুলে এনে ব্যবহার করা হত। এমনকি খবরের কাগজও নিইনি। মাঝে ডাক্তার দেখাতে নিয়ে গেছিলাম বাবা মাকে। তাও বাড়িতে ঢোকার সময় ওই একইভাবে সতর্কতা বজায় রেখে ঢুকেছি। আমরা নিজেরাও বুঝিনি এত সতর্কতার পরেও আমাদের বাড়িতে কীভাবে করোনা আসতে পারে! জানিনা কোন গাফিলতির জেরে এমন ঘটনা ঘটল। আজও আমি এর উৎস খুঁজে পাইনি।

    এদিকে দাদুর জ্বর আসে ৩০ শে এপ্রিল। বাবা, মা, দিদি, জামাইবাবুর জ্বর আসে পয়লা মে। তখনও অবধি আমার জ্বর আসেনি। জ্বর আসেনি আমার ছোট্ট বোনপোর আর আমার দিদার। সকলে ভেবেছিলাম সাধারণ জ্বর। তবে সে জ্বর যখন আর কমছিল না, মনে সন্দেহ জাগে। ডাক্তার দাদা, বন্ধু সকলের সঙ্গে কথা বলতে থাকি। আমাদের কি করণীয় সেসব জানতে থাকি। তারপর আমরা স্বেচ্ছায় প্রাইভেটে দাদুর টেস্ট করাই। রিপোর্ট আসে দাদুর কোভিড পজিটিভ।

    ১০ তারিখ রাত্রে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার থেকে আমাদের ওই রিপোর্ট জানানোর কয়েক মুহূর্ত পরেই দাদুর হঠাৎ শ্বাস নিতে অসুবিধে শুরু হয়। তখনও সুস্থ বলতে আমি একাই। অ্যাম্বুলেন্স নিয়ে মাঝরাতে দাদুকে নিয়ে বেরিয়ে পড়ি। অ্যাপোলোতে বেড পাইনি। ওরা রেফার করে এম আর বাঙুরে। ওখানে দাদুকে ভর্তি করানো হয়।



    এরপর শুরু হয় যুদ্ধটা। সকাল হতে না হতেই আমরা প্রায় সকল প্রতিবেশীকে ফোন করে জানাই যে আমাদের বাড়িতে কোভিড কনফার্মড। কাউকে না জানাতে পারলেও খবর পৌঁছে দিই। আতঙ্কিত হয়ে চারপাশের বাড়ির সবাই দরজা জানালা বন্ধ করে দেন এবং কেউ কেউ আমাদেরও জানালা বন্ধ করতে নির্দেশ দিতে থাকেন। ভেবেই রেখেছিলাম, যদি বাড়াবাড়ি হয়, তাহলে পুলিশে খবর দেব। যদিও অতদূর যেতে হয়নি। আমরা ভালোভাবে বোঝাই এবং জানালা খুলে রাখি।
    আমি ফেসবুক স্টেটাসে জানিয়ে দিই আমাদের বাড়িতে কোভিড পজিটিভ এবং আমি মনে করি আমি সচেতন নাগরিক এবং সকলকে আমাদের থেকে দূরে রাখা ও কিছু ভ্রান্ত ধারণা দূর করা আমার কর্তব্য। তবু দাদুর কথা জানাতেই অনেকে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। আমার বাবা আমাদের বাড়ির কাছেই একটি স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষক। তাঁর জ্বর আসছে শুনে তাঁর ছাত্রছাত্রীরা ভয়ে ফোন করতে থাকে। অনেক পরিবার পরিজন অপরিচিত হায় হায় করতে থাকেন। বোধ হয় ভাবতে থাকেন, এই বুঝি সব গেল আর কি।

    বিশ্বাস করুন, হারব না জিতব ভাবিনি। বারবার ভেবেছি, লড়তে হবে। ভেবেছি মন দিয়ে লড়লে ৮২ বছরের দাদুকে ( হাই প্রেশার) ফিরিয়ে আনা যাবে, ৬৫ বছরের বাবাও সুস্থ হয়ে উঠবেন।

    ফেসবুকে স্টেটাস দেওয়ার পর কেউ কেউ হা হা রিয়্যাক্ট দেন। কমেন্টে উত্তেজিত করতে থাকেন। আমি ধরে ধরে হয় কমেন্ট ডিলিট করি, নয়তো ব্লক করতে থাকি। কারণ মনে হয়েছিল কান আর চোখ দুটো বন্ধ রেখে আমাদের লড়াইটা মন দিয়ে লড়তে হবে। নইলে এইসব কমেন্ট পড়ে গালমন্দ খেয়ে অপরাধ না করেও অপরাধবোধে ভোগার কোনো মানেই হয়না। বন্ধ করলাম চোখ।

    ছাদে জামাকাপড় মিলতে ওঠার পর দূর থেকে চিৎকার শুনেছি। আমার দিকে আঙুল দেখিয়ে চিৎকার করে ব্যঙ্গের সুরে বলে গেছেন কেউ কেউ, ' দেখ, আরে যে জামাকাপড় মিলছে, ওদের বাড়িতেই করোনা।' তাঁরা চিহ্নিত করতেই পারেন। তবে মানুষের এতটাই রুচিবোধের অভাব যে, তাঁদের সেই কথাগুলো যে আমার কান অবধি আসছে, সেটা তাঁরা বুঝতেই পারেননি। আমি ছাদ থেকে নেমে আসি।
    আতঙ্কে ফোন আসতে থাকে, খবর রটে যায় আমার দাদু এক্সপায়ার করে গেছেন। বাবাও নাকি এক্সপায়ার করে গেছেন। দাদু নাকি বাঙুর হাসপাতালের মেঝেতে গড়াগড়ি দিচ্ছে। যাই হোক, এবার কান বন্ধ করলাম।

    তারপর সরকারিভাবে বাড়ির সকলের টেস্ট হল যেহেতু আমরা সকলেই দাদুর সঙ্গে ছিলাম। রিপোর্টে জানা গেল আমাদের কারও কোভিড পজিটিভ (asymptomatic) , কারও নেগেটিভ, কারও 'inconclusive'..হেলথ ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে কথা হল। আমরা CMOH এর পারমিশন নিয়ে সকলে হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকার সিদ্ধান্ত নিলাম। তারপর থেকে যে কোনো প্রয়োজনে পাশে ছিলেন ডাক্তার বন্ধু, দাদা আরও অনেকে। এদিকে আমি ফেসবুকে প্রতিদিন সকলের সেরে ওঠার আপডেট দিতে থাকি। অনেকে তাতে আশ্বস্ত হন। ফেসবুক মারফৎ অনেক পরিচিত - অপরিচিতদের সন্ধান পাই যাঁরা আমাকে সাহায্য করতে থাকেন।

    খুব কঠিন ছিল দু বছরের বোনপোকে ঘরে আটকে রাখা বা দূরে সরিয়ে রাখা। ওকে আটকানোর জন্য ওর দিকে মোবাইল বাড়িয়ে দিতে হয়েছে। কঠিন ছিল দিদাকে সামলানো। Alzheimer's patient - তাঁকে শুতে বললে সেটা তিনি বুঝতে সময় নেন কমপক্ষে ১৫ মিনিট। কিছুই আর বুঝতে পারেন না। কাউকে চেনেন না। খাইয়ে দিতে হয়। নিজের ঠাকুমার কাছে যেতে চান। এর ওর ঘরে ঢুকে পড়েন। এসবের মাঝে দিদাকে সামলানো সত্যিই একটা চ্যালেঞ্জ ছিল।

    ইতিমধ্যে ভালো কিছু ঘটে গেছে। যাঁদের সঙ্গে বিবাদের কারণে কথা হত না, তাঁরা খোঁজ নিতে থাকেন। অনেকে শুভ কামনা করতে থাকেন। প্রতিবেশীদের মধ্যে একটি পরিবার ছাড়া সক্কলে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। কেউ খাবার পৌঁছে দেন। কেউ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস, ওষুধ এনে দেন। কেউ তা না পারলেও খোঁজ নিতে থাকেন কেমন আছি, কিছু দরকার কিনা.... ইত্যাদি। আমাদের প্রাক্তন কাউন্সিলর থেকে শুরু করে এখানকার নোডাল অফিসার, বাবার কিছু ছাত্রছাত্রী, দিদির বন্ধু, আমাদের আত্মীয়, অনেকে মিলে যথেষ্ট সহযোগিতা করতে থাকেন।

    ওদিকে দাদুরও ধীরে ধীরে শারীরিক উন্নতির খবর পাই। বাঙুর থেকে প্রতিদিন ভিডিও কল করানো হত। দাদু কানে কম শোনার কারণে খুব বেশি কথা বলা হয়ে উঠত না। তবু দাদুর হাসিমুখ দেখলেই মনে বল পেতাম। ওখানে সকলের সঙ্গে নাকি গল্প করতেন। যে নার্স দিদি কথা বলিয়ে দিতেন, তিনি বলতেন, 'আপনার দাদু তো খুব মজা করেন!'
    দাদুও তাঁকে চিনিয়ে দিতে থাকেন,'এই দেখ, এটা আমার নাতনি, ওটা আমার গিন্নি, আমার মেয়েকে দেখ! '
    দুপুরের ফোনে এভাবেই যেন একটা ছোট পরিবারের সঙ্গে দেখা হত। নার্স দিদিকে আমরা ধন্যবাদ জানিয়ে বলতাম, ' আপনিও ভালো থাকবেন, সাবধানে কাজ করবেন, সুস্থ থাকবেন। ' আসলে এক তরফা মানবিকতা দেখালেই সবাই মিলে বাঁচা যায়না। এই যুদ্ধটা সব্বার। আমরা নাগরিক বলে শুধু নিজের পাওনাটুকু বুঝে নেব বললেই হয়না। যাঁরা জীবনকে বাজি রেখে, পরিবারকে ছেড়ে দিনের পর দিন বাইরে থেকে আমার আপনার মত হাজার হাজার মানুষকে পরিষেবা দিচ্ছেন, তাঁরাও তো মানুষ! তাঁদেরও নিশ্চয়ই মন খারাপ হয় বাড়ির ছোট মেয়ের জন্য, বুড়ো বাপ মার জন্য.. তাঁরাও নিশ্চয়ই ক্লান্ত হন।

    বাঙুর নিয়ে যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল, তা দেখে আমিও ভয় পেয়েছিলাম। তবু এই মধ্যবিত্ত চাহিদায় যেটুকু পেয়েছি, সেটুকুতে আমরা ধন্য। ফেসবুক মারফৎ অনেকে জেনে যাওয়ার ফলে কেউ মাঝে মাঝে দাদুকে শুকনো খাবার, ফল পৌঁছে দিতেন। কেউ কিন্তু একটা পয়সাও নেননি। দাদু সেগুলো খেয়েছেন। ভালো থেকেছেন। যাঁরা সেসব খাবার পৌঁছে দিয়েছেন, তাঁদের মন ভরে আশীর্বাদ করেছেন। বাঙুরে পরিচিত নার্স গিয়ে দেখেও এসেছেন দাদুকে - দাদু সুস্থ, সবল, হাসিখুশি, স্বাভাবিক।
    আমরাও এদিকে সেরে উঠতে থাকি। আর কারও জ্বর আসেনা। দিদি, জামাইবাবু সবাই মিলে হাতে হাতে কাজ করতে থাকি। বাড়িতে গান শোনা থেকে শুরু করে দূরত্ব বজায় রেখে মজা করা, সব করি। কেউ কেউ আমাদের সুস্থ হয়ে উঠতে দেখে, এতটা আনন্দে থাকতে দেখে প্রশ্ন করে বসেন, 'তোদের আদৌ করোনা হয়েছিল তো?!'

    আসলে করোনার ভয় এমনভাবে সকলকে গ্রাস করেছে যে অনেকে ধরেই নিয়েছেন করোনা মানেই মৃত্যু। একেবারে তা নয় কিন্তু। এসব ভেবে নিজের ঘুম বিসর্জন দেওয়ার চেয়ে ইমিউনিটি বাড়ানো ভালো। প্রয়োজন প্যানিক না করে সতর্ক থাকা। ভালো থাকুন, সতর্ক থাকুন, জল খান, ভালো ভালো খাবার খান, ছাদে যান, আনন্দে বাঁচুন। এটা যেভাবে asymptomatic হয়ে উঠেছে, হয়তো বুঝতেই পারবেন না আপনার করোনা হয়েছে বা আপনি হয়তো কবেই তাকে জয় করে ফেলেছেন! আর একটা কথা, প্রতিবেশীর মধ্যে কারোর করোনা হলে সহানুভূতিশীল হন। সতর্কতা বজায় রেখে এগিয়ে যান, পাশে দাঁড়ান।

    যাই হোক, তারপর একদিন হঠাৎ কলিং বেল- দরজা খুলে দেখি আমার ৮২ বছরের দাদু মাস্ক পরে হাসছে। চোখদুটো উজ্জ্বল। হাসপাতাল থেকে বাড়ি পৌঁছে দিয়েছে। সত্যি বলতে কি, সরকারি হাসপাতাল থেকে এভাবে পরিষেবা পাব, আমরাও ভাবিনি। দাদু বিশ্রাম নেওয়ার পর সব কথা বলতে শুরু করেন, কেমন ছিলেন, কীভাবে কেটেছে।
    বলেন,' অত খাবার পাঠিয়েছিলি, অত সব খাওয়া যায়! পারিনি রে। ওখানে যারা আমার মত কিছু বয়স্ক লোক ছিল, তাদের দিয়ে এসেছি। আমি কিন্তু বেশ ভালোই ছিলাম! প্রথম কয়েকদিন জ্বর এসেছিল। তারপর আসেনি। কিছুই তো হয়নি আমার! কি করোনা! কিচ্ছু না। গল্প করে দিব্যি কদিন কাটালাম। সকলকে হাসাতাম। আরে অত ভয় পেলে হয়!? যাই বলিস, ওরা কিন্তু দিনে তিন চারবার করে জায়গাটা মুছত। খাবার দিত ভালোই। আসার সময় আবার নার্সরা আমাকে বলল, দাদু , টাটা - বাই বাই, ভালো থাকবে। আসলে এই কদিনে ভালোবেসে ফেলেছিল তো.... '



  • বিভাগ : বুলবুলভাজা | ২৪ মে ২০২০ | ২৯৬৮০ বার পঠিত
  • আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1 | 2
  • ? | 14.139.221.129 | ২৭ মে ২০২০ ২১:৫৩93785
  • সেনবাবু, এটা আপনার নিজের অভিজ্ঞতা? কবে নাগাদ এই অভিজ্ঞতা একটু জানাবেন? মানে, কোন মাস, হপ্তা নাগাদ। জানালে খুব উপকার হত। এই গত দুই হপ্তা বা এই মাসে কি?
  • ~ | 2405:201:8805:37e9:2044:122d:990f:fee8 | ২৭ মে ২০২০ ২২:২১93788
  • নিজের অভিজ্ঞতা বোধয় নয়। এটা কারো ফেসবুক পোস্ট, খুব সম্ভবত মুছে ফেলা হয়েছে এখন, তবে তার আগে শেয়ার ইত্যাদি হয়েছে, কয়েকটা ওয়েবজিনে প্রকাশিতও হয়েছে। পোস্টটাকে সন্দেহ করার কারন নেই, অব্যবস্থা তো আছেই। তবে কারো নিজের অভিজ্ঞতাকে কাউন্টার করার জন্যে যথেষ্ট নয়।

    ইনফ্যাক্ট নিজের বক্তব্য ছাড়া ব্ল্যাটান্ট ফেসবুক কপি পেস্টকে স্প্যাম হিসেবে কনসিডার করা হবে কিনা সেটা নিয়ে তর্ক হতে পারে।

  • সত্যি-মিথ্যে? | 47.39.151.164 | ২৭ মে ২০২০ ২২:৩৩93789
  • এটা বুঝলেন না? ডিসক্রেডিট করতে হবে - প্রথমে দিদা ঠাকুমাকে গুলিয়ে দিয়ে আলতো করে বলার চেষ্টা হল অমৃতা মিথ্যে কথা বলছেন। তা সেটা দাঁড়াল না। তখন সেন ফিল্ডে নামলেন। অন্ততঃ উপরের ~র ২৭ মে ২০২০ ২২:২১ পোস্ট সত্যি ধরে নিলে অন্যের ফেসবুক পোস্ট কপি করে পোস্ট করাকে কি আর বলার আছে!
  • অমৃতা পান্ডা | 103.75.163.62 | ২৮ মে ২০২০ ২১:৫৬93812
  • সেনবাবু, আমি অমৃতা। আমার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট আছে অমৃতা পান্ডা নামে। চাইলে আমার টাইমলাইন ঘুরে আসতে পারেন। প্রয়োজনে যোগাযোগও করতে পারেন। এখানে আমি আমার অভিজ্ঞতাটুকু লিখেছি। ঝড়টা সামলাতে আমার/আমাদের সময় লেগেছে ঠিকই। কিন্তু এটুকু বলি, আমি নিজে গিয়ে দাদুকে বাঙুরে ভর্তি করিয়েছি। সেক্ষেত্রে ব্যাপারটা সহজ ছিলনা বলতে কি বলতে চাইছেন, বুঝলাম না। কিছু জানতে চাইলে বলুন, আমি সব তথ্য দিতে রাজি। সবার অভিজ্ঞতা তো একই হবেনা, এটা একদমই ঠিক কথা। তাই আমার লেখা নিয়ে কোথাও কোনো সন্দেহ থাকলে প্রশ্ন করুন আমাকে। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতা লিখতে গিয়ে যদি বলেন আমি ভালো স্ক্রিপ্ট রাইটার, তাহলে আর কি বলব বলুন! আপনি যেটুকু মানতে পারছেন না, সেটুকু আমার থেকে জেনে নিন বরং। আমি তো হাত বাড়ালাম। এবার আপনি কি করবেন, আপনার বিষয়।

  • আরে | 2402:3a80:a2f:73e5:0:56:de4f:cf01 | ২৮ মে ২০২০ ২২:০২93813
  • সেনবাবু টুকলি করে ধরা পড়েছেন। তাই আর আসবেন না৷ ওই sg র মতই। বা, অভিজিত মজুমদারের লেখার সুতোয় আমাদের অন্য অভিজ্ঞতা বলা লোকজনের মতই। তাঁদের বিস্তারিত অভিজ্ঞতা জানতে চাইলেই পালিয়ে যান। কারণ, থাকলে তো বলবেন৷ হোয়াটাসপের কাট পেস্টে পরে প্রশ্ন এলে কী উত্তর দিতে হবে লেখা থাকেনা তো
  • অমৃতা পান্ডা | 103.75.163.62 | ২৯ মে ২০২০ ০১:১৭93816
  • আর হ্যাঁ, পরে দেখলাম কমেন্টে আপনি আমাকে Script 'Righter' লিখেছেন। এটা দেখে খুব কষ্ট পেলাম। আপনি  Script 'Writer' বললেও না হয় ভবিষ্যৎ নিয়ে ভাবা শুরু করতাম।

  • K I Sen | 2401:4900:314a:d83:d4b6:6166:751b:e167 | ৩০ মে ২০২০ ০২:৫৮93829
  • Sorry for the spelling mistake .It should be script writer. Thanks for catch the mistake by you. Your case is false, I never feel so. My only question was that your patients " very easily got admitted in the Hospital "

    Remember the news, when Suman Dey's friend (ABP Anando) was asking a bed for his mother. After that what happened you might know.

    And  after the viral video of mrbsh

    Mobile phone was banned inside the hospital  ,was it false ?

  • বিপ্লব রহমান | 119.30.32.155 | ৩০ মে ২০২০ ০৬:৩০93830
  • অমৃতা পান্ডা কে সাধুবাদ লড়াকু মনোভাবের জন্য। সবাই মিলে আনন্দ নিয়ে বাঁচুন। 

    হা হা রিয়েক্টকারী সেন বাবুদের জন্য করুণা (corona নয়, খেয়াল করে), তাদের উপেক্ষা করাই ভাল। 

    শুভ কামনা  

  • K K Sen | 2401:4900:3144:98af:8892:a1a0:b17d:a23d | ০১ জুন ২০২০ ১৬:৪৪93872
  • Mr. Biplab,

    U r a great man. I am a small man.I don't know your profession. Will you tell me ?

    Your beloved sympathy is not required for me at all. I did not react

    On Ms. Panda's post. My only question was the easily admission of patient in MRBSH. Finally I realized that " apnar kata gha a number chite poreche "

  • K K Sen | 223.191.63.65 | ০১ জুন ২০২০ ১৯:১৪93874
  • Mr. Bilab

    Please read nun ( salt) in place of number. 

  • অমৃতা পান্ডা | 2409:4060:2090:f140::1de0:d0ad | ০২ জুন ২০২০ ০০:১০93877
  • সেন বাবু,

    আপনি কেমন সমস্যার কথা বলতে চাইছেন, আমি জানিনা। তবে আমার দাদুর কোভিডের রিপোর্ট আসে রাত্রি ১০:৩০ টা নাগাদ। তার কিছুক্ষণ পর দাদুর শ্বাসের সমস্যা শুরু হয়। আমি কর্পোরেশনের অ্যাম্বুলেন্স ডাকি। তাতে আমি আমার দাদুকে নিয়ে বেরিয়ে যাই। তখন রাত ২:৩০ হবে হয়তো। দাদুকে প্রথমে Apollo তে নিয়ে গেলেও বেড পাইনি। ওরা বাঙুরে রেফার করে। তারপর বাঙুরে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করে দিই। এতে অসুবিধের কি আছে বুঝতে পারলামনা। আমাকে জিজ্ঞেস করা হয় যে পেশেন্টের কাছে মোবাইল আছে কিনা। আমি বলি, 'নেই।' আমার দাদু মোবাইল ব্যবহার করতে জানেন না এবং নিজের কোনো মোবাইলও নেই। ওনারা সেই মুহূর্তে জানান যে চিন্তা করার কোনো কারণ নেই। ওনারা ভিডিও কল করাবেন। এমনকি ভয়েস কলের ব্যবস্থাও ছিল। ওনাদের ওয়ার্ডে যে ফোন আছে, ওখান থেকেই ওনারা নিয়মিত ফোন করাতেন। আমি আমার সঙ্গে ঘটে যাওয়া এই সহজ ঘটনাটার মধ্যে সত্যিই কোনো জটিলতা খুঁজে পাচ্ছিনা।

  • বিপ্লব রহমান | 119.30.32.109 | ০২ জুন ২০২০ ০৬:৫১93879
  • সেন বাবু,  

    গুরুচণ্ডালীতে চড়ে বেড়াচ্ছি অনেক বছর, চণ্ডালের এইটুকু পরিচয়ই আপাতত থাক,  নামের নানান কিসিমের কিম্ভুত বানান শিক্ষার পরিচয় বোধহয়, সেটা বিনোদনই।        

    বাংলিশে সম্ভবতঃ যে "কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা"র কথা বলেছেন, সেটা ঠিকই আছে,  লএর আরেক নাম "শুভ বুদ্ধি"।  তবে কুতর্কের যে স্তরে আপনি রয়েছেন, সেখান থেকে তা বোঝা মুস্কিল। 

    আপনাকে ধন্যবাদ।        

    অমৃতা পান্ডা, 

    আপনার যুক্তিতর্ক ও শান্ত আলোচনা সত্যিই প্রশংসনীয়। গুরুতে নিয়মিত লিখুন, অনুরোধ রইল। শুভেচ্ছা       

  • অমৃতা পান্ডা | 2409:4060:2094:6343::2277:68ad | ০৬ জুন ২০২০ ১৯:২২94043
  • বিপ্লব রহমান বাবু,

    ধন্যবাদ। লেখার চেষ্টা করব।

  • করোনা ভাইরাস

  • পাতা : 1 | 2
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত