• হরিদাস পাল  আলোচনা  বিবিধ

    Share
  • সুখ-দুঃখ- কৌতুকঃ এক ছদ্ম ত্রিভুজের গল্প

    পিনাকী ভট্টাচার্য লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ১২ মে ২০২০ | ৯১৯ বার পঠিত | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
  • বকের সামনে দাড়িয়ে যুধিষ্ঠির... একের পর এক প্রশ্ন ধেয়ে আসছে তার দিকে। মৃত ভাইদের প্রাণ ফিরিয়ে আনতে সমস্ত প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে হবে তাকে। মৃত্যুর সাথে পরোক্ষ লড়াইরত ধর্মরাজের কাছে প্রশ্ন এলো পৃথিবীতে সুখি কে? ভাতৃশোকে আহত ধর্মরাজ বললেন- যে মানুষ অঋণী, নিজগৃহে সামান্য খাদ্য গ্রহণ করে নিশ্চিন্তে নিদ্রা যেতে পারে... সুখি সেই।...আমাদের পকেটে ক্রেডিট কার্ড, রেল লাইনে হাঁটা পরিযায়ী শ্রমিকই হই বা প্লেনেফেরা এলিট ক্লাস, কসমোপলিটান কালচারে নিবাস কথাটা এক ধরনের obsolete term... খাদ্যের আগে ডিলিসিয়াস না বসলে তাকে অ-খাদ্য ভাবাটাই এখন দস্তুর, আর হবে নাই বা কেন যে শব্দের উৎপত্তি ল্যাটিন শব্দ deliciae থেকে তাকে তো pleasure দিতেই হবে।আর নিদ্রা? গুপি বাঘার গানের কথায় “ডাকাইতের ভয় তো রেতে ঘুম নাই” তাই শোকেসে সার দিয়ে সাজানো ঘুমের ওষুধ। এই অবধি এসে সভ্যতার সংজ্ঞা নিয়ে দ্বিধান্বিত জালদাদু মনমোহন মিত্র হয়তো প্রশ্ন করে বসতো…..তাহলে ধর্মরাজ এবার বলো সুখি কে?...
    না এই প্রশ্ন তাকে বকও করেনি, জালদাদু ও করেনি, বরং ধর্মরাজের ঠিক বিপরীত রাস্তায় হাঁটা মানব সমাজ কেবল মৃত্যু ভয়ে আজ একশো আশি ডিগ্রি ঘুরে ধর্মরাজের ঐ তত্ত্বকে অজান্তেই স্মরণ করছে, এযেন back to the basic!!! এটাই হয়, গ্রীনটপ উইকেটে পা ব্যাটের মাঝে ফাঁক রাখতে নেই, রিভার্সসুইপ তো কোন ছাড়। ছেলে মেয়ের well establish হওয়ার গল্প সবাইকে করার ফাঁকে যখন খবর আসে তারই অফিসে আগুন লেগেছে তখন সকল চাওয়া পাওয়া তুচ্ছ মনে হয়, কোনও গল্প আর থাকে না মনে হয় সে শুধু সুস্থ হয়ে ফিরে আসুক আর কিছু চাইনা। সমস্ত চাওয়া পাওয়ার নীচে এটা সত্য বিরাজ করে, আর কোনও সত্যই মৃত্যুরচেয়ে বড় সত্য নয়। কিন্তু মুস্কিল হলও মন সত্যকে চিনতে পারেনা, সে চঞ্চল, সে বিজ্ঞানকেও মানতে চায়না, না হলে চোখের সামনে দাড়িয়ে থাকা দুর্বাসা মুনিকে শকুন্তলা এড়িয়ে গেলো কি করে? চোখের সামনে যেকোনো অস্বচ্ছ বস্তু থাকলে তা তো সুস্থ চোখে ধরা পড়ার কথা। আসলে মন “সুখান্বেষী”, সত্যান্বেষী নয়। তাই সুখ বুঝতে হলে মনকে, আর মন বুঝতে হলে সুখকে চিনতে হবে। নৈয়ায়িক গদাধর ভট্টাচার্য তার “মুক্তিবাদ”গ্রন্থে দেখিয়েছেন আমাদের সকল চাওয়ায় লুকিয়ে আছে সুখ, সুখের অনুভূতি এবং দুঃখের অভাব এই তিনটি স্বতঃপ্রয়োজন, বাকি সবকিছুই এদের পারমুটেশন আর কম্বিনেশন। গতিময় জগতে এই তিনটি intrinsic value কে একভাবে, একরূপে পাওয়া যায়না। তাই তো মন চঞ্চল হয়। যে সুখের কথা যুধিষ্ঠির বলেছে তা need ভিত্তিক, want ভিত্তিক নয়। Need এর একটা infimum থাকে যাকে আমরা basic need বলে থাকি কিন্তু basic want বলে কোনও শব্দ হয়কি? আজকের বাজারমুখী সভ্যতায় ব্যাবসা করতে হলে basic আর want এর মধ্যের দেওয়াল টা তুলে দিতে হবে, আর তা তুলে দেওয়ার সহজ উপায় লোভ ও প্রয়োজনকে এক করে তোলা।এটা বাজার পারে। বাজার তো আর হাট নয়, যদিও সবার জন্যই তার দরজা হাট করে খোলা। এখানে সূর্যের প্রবেশ নিষেধ, এক কানে মুঠোফোন নিয়ে আরেক কান কে সদা জাগ্রত রাখতে হয় মাইকের মুখনিঃসৃত বানীর দিকে যেখান থেকে ঘোষিত হয় অন্তহীন সুখের পথ।

    আমি বাজারকে অর্থ দিতে পারি, বিনিময়ে বাজার আমায় কি দিতে পারে? সুখ কি? না সুখ দেওয়ার ক্ষমতা তার নেই, সে দেয় সুখের উপকরণ। সেই উপকরণ থেকে আমায় সুখ extract করতে হবে। কিন্তু সুখকে আমি পাবো, ধরে রাখবো কি করে? যখন কোনও একটি জিনিস আমি পাইনি, আর সেই জিনিসটি যখন পাই, এই দুটো অবস্থার মধ্যে একটা খামতি থেকে যায়, তা হলো "অপ্রাপ্তি"। যতক্ষণ কোনও বস্তু আমরা পাইনা ঐ অপ্রাপ্তি এক কুহকের জন্ম দেয়, যা হাতে এলে আর থাকে না একটি গুন সে হারায়। শুধু তাই নয়, অর্থের বিনিময়ে পাওয়া উপকরণ গুলো কিন্তু পৃথক স্বত্বা, আমি নই... আর কথাই আছে "সর্বম পরবশম্ দুঃখম" যা আমার control এ নেই তাই দুঃখ। একটা বাজখাঁই মুঠোফোন কিনলাম, কিন্তু তা কাজ করছে না, নিজের পরম আত্মীয়ের অসুস্থতার সময় আমার কেনা অমন দামের গাড়িটা স্টার্ট নিল না( পশ্চিম ভারতের এক অত্যন্ত প্রভাবশালী king maker এর স্ত্রীর মৃত্যুর নাকি এ ধরনের বিভ্রাট হয়েছিল),মুঠোফোন, গাড়ি, "আমি নই" পর,তাই তাকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা আমার নেই । একথা শুধু ভারতীয় দর্শনের কথা নয়, স্টোয়িক দর্শন ও একই ভাবে দুঃখ কে দেখিয়েছে। এই কারণেই সুখ থাকতে চায়না কারণ- "সর্বম আত্মবশম সুখম", অগত্যা জন্মনেয় দুঃখ। দুঃখের প্রধান গুন, তা আাসা মাত্রই আমাদের ভাবতে বাধ্য করে "এ কখন যাবে"? আর আমরা এখনতো ভয়ঙ্কর ভাবে "কখন যাবে?" সিনড্রোমে রয়েছি, পসিটিভ প্লেসার এখন দুরস্ত ( যদিও প্লেটোর কথায় এটা নাকি হয়ই না), আমরা এখন অ্যাবসেন্স পেইন কেই সুখের স্বরূপ হিসাবে দেখছি।
    ইংরাজি তে আপ ও ডাউন কথা দুটো পরস্পরের বিপরীত বলেই জানতাম,কিন্তু এই দুই শব্দের আগে লক কথাটি প্রিফিক্স হয়ে বসায় উৎপন্ন নতুন দুটি কথা সমার্থক হয়ে গেলো। যা লকআপ তাই লকডাউন!! মানুষ গৃহবন্দী, পশুরা স্বাধীন আর আমরা সবাই "এখানে পিঞ্জরের" উত্তমকুমারের মতো আটকে পরেছি। কিন্তু পিঞ্জরে কি সময় কাটে? পিঞ্জরেতো সময় এসে মন আর শরীরকে কাটে ব্যাথা দিয়ে। এ দুঃখ, যন্ত্রণা তো খাঁচার বাঘ জানে, বারান্দায় থাকা ময়না জানে, কিন্তু মানব সভ্যতা সামগ্রিক ভাবে এই সামগ্রিক দুঃখ বিষয়ে কতোটা অবগত?
    আইনস্টাইনের আপেক্ষিকতাবাদ অঙ্ক কষে দেখিয়ে দিয়েছে গতি বাড়লে সময় আস্তে চলে। ভয়ানক গতিতে চলা বিশ্বপুঁজি আর তার সেই লোভ কি আমাদের পায়ে এই সময়ের লাগাম পড়াল? সময় কাটে না, কারণ আমাদের মধ্যের অব্যক্ত লোভ আর প্রয়োজনের যুগলবন্দী এক ব্যাথা হয়ে আমাদের চেপে ধরে। আবার সময় না গেলে সেই ব্যাথাও যে যাবে না। পুঁজিবাদের প্রকাণ্ড আকারের তুলনায় নগন্য এক ভাইরাস আমাদের চারপাশে লক্ষণের গণ্ডি আঁকার সাহস পেল কি করে? আসলে পুঁজিবাদী ব্যাবস্থা শ্রম এবং জমি অর্থাৎ মানুষ এবং প্রকৃতি কে ধংস করেই বেঁচে থাকে এবং নিজেকে নতুন করে সৃষ্টি করে এবং সেটা করে যখন সে একমেবাদ্বিতীয়ম। কিন্তু এখন সে একা নয় সমগুনসম্পন্ন আরেক জন তার সামনে, তাই তার আর গুনময় বাগচীর ট্রাইসেপস হয়ে, যমের সামনে সে সাড়ে সতেরো হওয়া হলো না!!

    ইন্দ্রিয় দ্বারা প্রত্যক্ষ না হলে কোনও প্রমাণ মানা যায় না- এই অভিমতের ভিত্তিতে চার্বাকরা আজকের দিনে কি অভিমত দিতো কে জানে!! এমনকি অনুমান প্রিয় নৈয়ায়িকের কাছেও হয়তো এই কথা হেঁয়ালির মতো ঠেকতো "আর কদিন লাগবে স্বাভাবিক হতে? কবে কাটবে এই দুঃখ?" যদি বা মুক্তি মেলে তারপরে কি? এই ভয়ানক স্থিতি জাড্যকে নড়াবে কে? এতো দিনের চালিকা শক্তি পুঁজিবাদ নিজেই তো গেয়ে চলেছে আমার হাত ধরে তুমি নিয়ে চলো সখা আমি যে পথ চিনিনা। এক আনন্দ যেমন কখনোই অন্য দুঃখকে ভুলিয়ে দিতে পারেনা তেমনই কোন এক দিনে মুক্তির পর আনন্দের মাঝেও আমাদের নাকে লক্ষ লক্ষ লাশের গন্ধ লেগে থাকবে। আজকের মতো অনুভুতিটা থাকবে না। তবে ভবিষ্যতে পুরুষকার আর বাহুবল দেখানোর আগে মানব জাতি একবার এই অদৃশ্য মৃত্যুকে নিশ্চয়ই স্মরণ করবে। হাজার হোক তাকে দিয়েও ছিল যে, নিয়েও ছিল তো সে। দেওয়া নেওয়ার মধ্যদিয়ে সে মানুষের অহং কে চূর্ণ করে বুঝিয়ে গেলো সেই সব। পৃথিবীর প্রান্তরে প্রান্তরে জমে থাকা বেদনা তাকে ভুলতে দেবেনা।

    কিন্তু এর সাথে কৌতুকের যোগসূত্র কোথায়? এইকথা বুঝতে হলে আমাদের সবাইকে একবার স্মৃতি রোমন্থন করে দেখতে হবে আমাদের মুঠোফোনের মুখবইতে ভেসে ওঠা নানাবিধ করোনা সংক্রমিত জোকস্ গুলো। সামনে টিভির পর্দায় ক্ষণে ক্ষণে ভেসে উঠছে মৃত্যুর হিসাব আর একই সংঙ্গে মুখবই বা হোয়াটস অ্যাপে চলে আসছে নানা মানুষের তৈরী জোকস্। একই সাথে হাস্য রস এবং ভয়ানক রসের সহাবস্থান!! এটাকি একরকমের double thought এর পরিণাম? প্লেটো তার বিখ্যাত ফিলেবাস বইটি তে লিখেছিলেন কৌতুক আসলে দুঃখের মধ্যে সুখের ভ্রম, যার পিছনে থাকে অজ্ঞতা, এক রকমের অনুচিত অবজ্ঞা। করোনা সিক্ত পরিবেশে, ভয় দুঃখের এক আবহয়ে ভাইরাস টি সম্পর্কে একরকমের অজ্ঞতা আর অবজ্ঞাই কি আমাদের এতো কৌতুকপ্রিয় করে তুলছে? কৌতুকের কাজ সত্যের দৃঢ় বর্ম কে ভেদ করে আমাদের সকল অহং কে ফুঁৎকারে উড়িয়ে দিগম্বর সত্যের একটু কাছে নিয়ে যাওয়া। সত্যতার লক্ষণ হলো সঙ্গতি, সামঞ্জস্য, যা আমরা এখন ভালোই টের পাচ্ছি। আর দুঃখর চেয়ে বড় সত্য কিই বা হতে পারে। এদিকে কৌতুকের আবশ্যক গুণ ঠিক উল্টো, অসঙ্গতি, অসামঞ্জস্য, sudden spike। সমস্ত কৌতুকে হয়তো দিগম্বর সত্যের দর্শন হয় না তবে বক্তব্যের শেষে থাকা punch line এ যে পর্দাটা ওঠে তাতে আমরাই হয়তো জীবনানন্দের ভূয়োদর্শি সুবিনয় মুস্তফী হয়ে উঠে নরক আর বৈকুণ্ঠের থেকে নিজেদের দূরত্ব ভুলে, আলো অন্ধকারের হেঁচকা মাটির পৃথিবীতে আরেকটু বাঁচার স্বাদ পেতে চাই, সুখ পেতেচাই অসময়ে।
  • বিভাগ : আলোচনা | ১২ মে ২০২০ | ৯১৯ বার পঠিত | | জমিয়ে রাখুন পুনঃসম্প্রচার
    Share
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • প্রশ্ন | 162.158.50.247 | ১২ মে ২০২০ ২০:৩৮93224
  • হুম্ম।

    কিন্তু দুঃখ ছাড়া কৌতূক আসেনা নাকি?
  • পিনাকী ভট্টাচার্য | 162.158.165.25 | ১২ মে ২০২০ ২১:০০93226
  • না না তা কেনো? প্রশ্নটা তো এটাই এই দুঃখের আবহে কৌতুক এলো কি করে.... 

  • অর্ণব | 172.69.135.129 | ১২ মে ২০২০ ২১:৪১93229
  • খুব ভালো লাগলো

  • | 162.158.207.135 | ১২ মে ২০২০ ২৩:২৭93244
  • হেঁচকা মাটির পৃথিবীতে আরেকটু বাঁচার স্বাদ পেতে চাই- অবশ্যই। সার্খক এই গুরুগিরি। 

  • | 162.158.50.254 | ১২ মে ২০২০ ২৩:৩৬93246
  • যথারীতি উপরের পোস্টটা আমার নয়।

    আমার ভুমিকায় অভিনয় করার জন্য আমি সাজার জন্য এই মরীয়া লেউ লেউ হ্যাঙলা ভিখিরিপনা দেখে বুঝলাম যাক চুরি করার মত লোভনীয় নেট প্রেজেন্স বানিয়েছি।
  • অরজিনাল দ | 162.158.207.135 | ১২ মে ২০২০ ২৩:৪৩93248
  • সাইবার ক্রাইম ডিপার্টমেন্টের জন্য উপরের পোস্টের ss  নিয়ে রাখছি। 

  • পিনাকী | 162.158.166.22 | ১৩ মে ২০২০ ০০:৪৩93252
  • বুঝলাম না

  • | 172.69.70.4 | ১৩ মে ২০২০ ০৪:২৬93256
  • সারণী থেকে সারি থেকে সার, তেমন ভাবেই ঘুমের ওষুধগুলোর দাঁড়িয়ে থাকার কথা।
    সাড়া পাওয়া থেকে সাড় বা অসাড়। সেভাবে তো ওষুধের শিশি সম্পর্কিত থাকার কথা না, সরাসরি।
  • বিপ্লব রহমান | 172.69.159.133 | ১৩ মে ২০২০ ১৫:৫৪93287
  • প্লেগের মড়কে একের পর এক গংগা যাত্রা আর দিনের পর দিন  "বলো হরি, হরি বোল!" ধ্বনি শুনতে শুনতে নাকি সাহেবরা ইংরেজিতে "হরেবল!" কথাটি আপ্ত করেছে। 

    আপনার লেখাটি পড়তে পড়তে এই কথাটি মনে পড়লো।  উড়ুক   

  • Jharna Biswas | 2409:4040:e8c:dc9:9cd0:551:3990:f7fe | ১৬ মে ২০২০ ১৬:৫১93398
  • দারুন লেখা। ছোট ছোট রেফারেন্সগুলো আলাদা মাত্রা দিয়েছে। 

আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত