• মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • বিপ্লব রহমান | ০২ মে ২০২০ ২১:১১92922
  • এই কাণ্ড এপারে হলে একটুও অবাক হতাম না।  

    করোনা রাক্ষুসি অনেক সংহার করছে, আবার অনেক শিক্ষাও দিয়ে যাচ্ছে।            

  • একলহমা | ০২ মে ২০২০ ২২:০৩92926
  • "'কিচ্ছু বদলায় নি। সব কিছু একই আছে।" - এইটা সবচেয়ে মর্মান্তিক।

  • সোম | 172.68.146.127 | ০২ মে ২০২০ ২২:১২92927
  • ডাক্তার বাবু,ওই হাসপাতালে সিসিটিভি নেই? মানে আইসলেশন ওয়ার্ডে ঢোকার আগে?
    এতো জন জুটলোই বা কিভাবে?
    লোকজনের প্রাণে করোনার ভয় নেই?!
  • sm | 172.68.146.127 | ০২ মে ২০২০ ২২:১৩92928
  • আগের পোস্ট sm হবে।গুগল অটো ট্রান্সলেট হয়ে গেছে।
  • যে তিমিরে... | 162.158.50.254 | ১২ মে ২০২০ ২২:১২93235
  • আমি এই লেখাটা ভীষণ রাগ, দুঃখ আর হতাশা নিয়ে লিখছি। হয়তো সবটাই কেটে যাবে, অবসাদ আমাকে বিশেষ গ্রাস করে না, তবে এই মূহুর্তে এই ভাবনাগুলো দূরে সরিয়ে রাখাটা খুব কঠিন হয়ে যাচ্ছে।

    কাল, ১১ই মে অবধি আমাদের দেশে ডবলিং টাইম ১১.৮৫ দিন, অর্থাৎ এই সময়ে আমাদের কেসের সংখ্যা দ্বিগুণ হচ্ছে। ইংল্যান্ড ৩৫.৫১, আমেরিকা ৩৬.৯২, ইতালি ১৪০.৭৮, জার্মানি ১৫৩.৯৬ দিন। আমরা লকডাউন করেছি অনেকের অনেক আগে। বহু মানুষের সমস্যা হচ্ছে, কাজ চলে গেছে, মানুষ করোনায় না মরুক, ট্রেনের তলায়, রাস্তায় হেঁটে, না খেতে পেয়ে, ডিহাইড্রেশনে, ডিপ্রেশনে, অন্য রোগে মরছে, বহু মানুষ মরছে। লকডাউন দরকার ছিল অবশ্যই, কিন্তু তার উদ্দেশ্য সাধন কি হয়েছে? আমরা এরপরে কী তাহলে এর থেকে বেরিয়ে আসার চিন্তাভাবনা করতে পারি? তার ব্লুপ্রিন্ট কী তৈরি হয়েছে? কারুর জানা নেই। এবার আপনি বলবেন লকডাউন না করলে সংখ্যাটা আরো অনেক অনেক বেশি হতো। একদম, আপনি সঠিক বলেছেন। তার উপযোগীতা নিয়ে আমার প্রশ্ন নয়, আমার প্রশ্ন এবার কী হবে? মাথায় রাখতে হবে উপরে ডবলিং টাইমের যে তুলনাটা দেওয়া হলো সেটা পুরোপুরি সঠিক নয় এই কারণে যে আমরা বাকি দেশগুলোর মতো টেস্ট করছি না। অর্থাৎ আমাদের থেকে ঢের বেশিগুণে পরীক্ষা করে বাকিরা ওই জায়গায় আছে, আমরা টেস্ট কম করে, কঠিনতম লকডাউন করেও ওই জায়গায়। অন্যদের মতো টেস্ট করলে কোথায় থাকতাম একমাত্র মা গঙ্গাই জানেন। এই জায়গাটায় সবাই একমত আমরা আগের তুলনায় বেশি হলেও বাকিদের তুলনায় এখনও অনেক কম পরীক্ষা করছি। ফেসবুকে জ্ঞানীগুণীজন সে বিষয়ে লিখছেনও। কিন্তু সত্যিই কম পরীক্ষা করার জন্যে কী সরকারকে দোষ দেওয়া যায়? বাস্তব কী বলছে?

    থালা বাজালাম, বাজি ফাটালাম, ফুল ছড়ালাম কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা খরচ করে, এমনকি ইতালি, ইংল্যান্ড, স্পেনের ছবি দেখিয়ে সেগুলো জাস্টিফাই করলাম। কিন্তু বাস্তব যে অনেক অনেক কঠিন। আমাদের হাসপাতালে দুটো পেশেন্টের পজিটিভ রিপোর্ট আসার পরে কার্যত অস্পৃশ্য হয়ে গেছি সবাই। যদিও রিপোর্ট আসার সাথে সাথেই পেশেন্টদের নির্দিষ্ট কোভিড হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে, আমরা সবাই পিপিই পরেই ডিউটি করছি, যা যা সরকারী প্রটোকল আছে সব মেনেই কাজ করছি। আমার স্ত্রী ডাক্তার হয়েও হাসপাতালে কাজ করতে যেতে পারছে না বিগত দেড়মাস ধরে কারণ আমাদের দেড় বছরের বাচ্চাটাকে যিনি দেখতেন তিনি আসবেন না, আমাদের ডাক্তারদের গাড়ি যেখানে মাসিক টাকার বিনিময়ে আমরা পার্কিং করি, সেখানে আজ থেকে পার্কিং করতে দেওয়া হচ্ছে না। আমাদের কমপ্লেক্সের এসোসিয়েশন থেকে ডাক্তারদের বলা হচ্ছে হাসপাতালে না যেতে! হাসপাতালের গ্রুপডি কর্মচারীদের পাড়া থেকে আসতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি একথাও শুনতে হচ্ছে যে রোগ হাসপাতাল থেকে ছড়াচ্ছে। পেশেন্ট যেদিন ভর্তি হয় সেদিন সাথে সাথেই স্যাম্পল যায়, তার মধ্যেই নাকি তার হাসপাতাল থেকে সংক্রমণ হয়ে গেছে! সবাই গা বাঁচিয়ে চলছে, বলছে আমরা তো চল্লিশ দিন বাড়ি থেকে কোথাও বেরোইনি, জানিনা কোত্থেকে হলো। বলি হাসপাতালে তো আমরা প্রোটেকশন নিয়ে প্রোটোকল মেনে কাজ করছি, আর আপনারা মুখে গামছা বেঁধে বাজার যাচ্ছেন, মদ কিনছেন, এত এত মানুষ স্টেশনে, বাস টার্মিনাসে, রাস্তায় হাঁটছেন, আর আপনারাই জানেন না কোথা থেকে হলো? এবার টেস্ট হলো বলে জানা গেল রিপোর্ট পজিটিভ, না হলে জানা যেত না, তাহলেই সবকিছু নর্মালই মনে হতো আর আমাদেরও এই সবকিছু দেখতে হতো না। এই ফলস সেন্স অফ সিকিউরিটি নিয়ে কদিন বাঁচবেন? সত্তর হাজার কেস আছে তাতেই নোংরামো কোন পর্যায়ে গেছে, ডব্লিইএইচও-র কথা মত টেস্ট, টেস্ট, টেস্ট করে সংখ্যাটা যদি দুলাখ হত? আপনারা তো গৃহযুদ্ধ লাগিয়ে ফেলতেন এতদিনে! করোনা নিয়ে আমাদের দীর্ঘদিন বাঁচতে হবে সেটাই তো কেউ মেনে নিতে পারছেন না!!

    শুনুন, অনেক বেদনার সাথে বলছি, আপনারা জাস্ট ডিজার্ভ করেন না, কোনো ভাল জিনিস ডিজার্ভ করেন না। আপনারা ওই চোর চিটিংবাজ নেতা মন্ত্রী আর তাদের আনুষ্ঠানিকতা আর মার্কেটিং ছাড়া আর কিচ্ছু ডিজার্ভ করেন না। আপনারা অসুস্থ হলে চিকিৎসা অবশ্যই করব কিন্তু অন্তর থেকে কষ্টের ভাগীদার কোনোদিনও হব না...

    সৌম্যদীপ বিশ্বাস
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে মতামত দিন