এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  বিবিধ

  • লজ্জা ও ঘৃণার কালো ইতিহাস

    ঝিনুক চক্রবর্তী লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ২৫ আগস্ট ২০১৪ | ১৬২২৩ বার পঠিত
  •  কোলকাতা বইমেলার আয়োজক পাবলিশার্স ও বুকসেলার্স গিল্ড এর মুখপত্র ‘পুস্তক মেলা’য় প্রকাশিত এই লেখাটিকে লোপাট করা হয়েছিল।পৃষ্ঠা কেটে সেখানে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল অন্য বইয়ের সমালোচনা।‘পুস্তক মেলা’য় একই সংখ্যার (ষষ্ঠ বর্ষ, প্রথম সংখ্যা, বৈশাখ – আষাঢ় ১৪০৯ ) দুটি কপিই আমাদের হাতে আছে ঐতিহাসিক প্রমাণ হিসাবে। – তুষার ভট্টাচার্য সম্পাদিত ‘অপ্রকাশিত মরিচঝাঁপি’ থেকে। 


     ------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------


    ‘এই উদ্বাস্তরা অন্য রাজ্য থেকে আসা অবাঙ্গালি অধিবাসীদের মতো কলকাতার রেলস্টেশন বা ফুটপাথ দখল করতে চান নি, তারা সত্যি সত্যিই পুনর্বাসনের পরিকল্পনা নিয়েই সুন্দরবনের মরিচঝাঁপি দ্বীপে যাচ্ছিলেন। কিন্তু হাসনাবাদে না যেতে দিয়ে, বর্ধমানের কাশীপুরে গুলি চালিয়ে ৬ জনকে মেরে, জোর করে অনেক উদ্বাস্তুকে দণ্ডকারণ্যে ফেরত পাঠান। বামফ্রন্ট নেতারা ভারত সেবাশ্রম সংঘ, রামকৃষ্ণ মিশন, মাদার টেরেসা, লুথারিয়ান চার্চ – কাউকে সেবাকাজ করতে দেয় নি। এমন কী শিশুদের বৃদ্ধদের দুধ দিতে দেয় নি। ফলে হাসনাবাদে প্রায় দেড় হাজার শিশু ও বৃদ্ধ বিনা চিকিৎসায় মারা যান।’– শক্তি সরকার (সুন্দরবনের প্রাক্তন সাংসদ)। সূত্রঃ নিরঞ্জন হালদার সম্পাদিত ‘মরিচঝাঁপি’,পৃষ্ঠা ৫২-৫৩।


    ‘পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় উদ্বাস্তুদের থামানো হয়েছে। তাঁদের অধিকাংশকে বেশ সফল ভাবে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেইরকম একটি দলকে আমি হাসনাবাদ স্টেশনে দেখি, যারা ফেরত ট্রেনে ওঠার জন্য সরকারি অফিসে লাইন দিয়েছে স্বেচ্ছায়। তারা প্রায় প্রত্যেকেই তিন-চার দিন খায়নি। তাদের মনোবল ভেঙ্গে দেওয়া গেছে স্রেফ ক্ষুধার অস্ত্রে। তারা গোটা পশ্চিমবাংলাকে অভিসম্পাত দিতে দিতে ফিরে গেল।’– সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। সূত্রঃ ‘মরিচঝাঁপি সম্পর্কে জরুরি কথা – আনন্দবাজার পত্রিকা, ১১.৯.১৯৭৮।


    ‘যে সমস্ত পরিবার আজ ওখানে (দণ্ডকারণ্যে) ফিরে আসছেন, তাঁদের প্রায় সকল পরিবার থেকে শিশু অথবা বৃদ্ধ অথবা দুই-ই তাঁরা পথে পথে চিরদিনের মতো হারিয়ে এসেছেন। তাঁদের শোক, দুঃখবোধও এই প্রচণ্ড আঘাতে ও প্রতারণায় বিফল। ফেরতগামী ট্রেনে পশ্চিমবঙ্গ সরকার থেকে ২-৩ জন করে অফিসার পাঠানো হচ্ছে শরণার্থীদের তদারকি করার জন্য। তাঁদের মুখেই শুনলাম, ফিরবার পথে মৃত শিশুদের তাঁরা ট্রেন থেকে ফেলে দিয়েছেন। পরবর্তী কোনো স্টেশনে তাদের সদগতির জন্য অপেক্ষা করেনি।’ পান্নালাল দাশগুপ্ত। সূত্র যুগান্তর, ২৫ শে জুলাই, ১৯৭৮।


    ইতিহাস দাগ রেখে যায়। সে-দাগ মোছে না কখনও। একদিন না একদিন তা মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। করেই। আপাতভাবে আড়াল করে রাখলেও সময়ই তাকে টেনে খুঁড়ে বের করে আনে। মানুষই ইতিহাস সৃষ্টি করে, আঁচড় কাটে। চাপা পড়ে থাকা ক্ষত উঠে আসে যখন, শিউরে উঠতে হয়। এমনও হয় তাহলে। অস্বীকার করা যায় না কিছুতেই। হয়েছে তো এমনই।


    সময়ের পরিবর্তনে মানুষ হয়তো অবস্থান বদলায়, কিন্তু ইতিহাস বদলায় না। মানুষ লজ্জিত হয়। ইতিহাসই মানুষকে ধিক্কার দেয় কখনও কখনও। একটি করে পৃষ্ঠা উল্টেছি আর লজ্জায় ধিক্কারে ঘৃণায় ক্ষোভে শোকে অবনত করেছি মুখ। প্রগতিশীল বামপন্থার আড়ালে তবে এত অন্ধকার।


    ‘সমস্ত সরকারি বাধা অতিক্রম করে ১৯৭৮ সালের এপ্রিলে ৩০ হাজারের মতো নরনারী, শিশু, বৃদ্ধ মরিচঝাঁপি দ্বীপে পৌঁছান। নিজেদের শ্রম ও সামর্থ্যে তারা ১৯৭৯ সালের মে মাস পর্যন্ত থাকতে পারেন। – দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় জার্মান কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে যে-ভাবে বন্দীদের না খেতে দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছিল, সেইভাবে মরিচঝাঁপির মানুষদের মেরে ফেলার চক্রান্ত শুরু হয়। ১৯৭৮ সালের সেপ্টেম্বরে ঝড় বন্যার মধ্যেও ৬, ৭, ৮ সেপ্টেম্বর জ্যোতি বসুর সরকার পুলিশ লঞ্চের সাহায্যে উদ্বাস্তুদের নৌকাগুলি ডুবিয়ে দেয়। … ১৯৭৯ সালের ২৪ শে জানুয়ারি ব্লকেড করে পাশের দ্বীপ থেকে আসা খাদ্য ও পানীয় জল আনা বন্ধ করা হয়। পশ্চিমবঙ্গে বামফ্রন্ট রাজত্বে ৩১শে জানুয়ারী (১৯৭৯) প্রথম গুলি চলে। মরিচঝাঁপির লোকদের ছাপানো এই অক্ষরমালাকে ‘মিথ্যে বানানো পরিকল্পিত কুৎসা’ বুলে উড়িয়ে দিতে পারলে কোনো কষ্ট হত না। কিন্তু ওই যে ইতিহাস। অমোঘ শক্তি তার। নির্মম সত্যের ওপর দাঁড়িয়ে সে। গায়ের জোরে অস্বীকার করার চেষ্টা করলেও মনে মনে সত্যের কাছে মাথা নোয়াতেই হয়।


    আমরা তাহলে পেরেছিলাম।


    আবাল্য স্বপ্নভূমি-বীজভূমি নিজস্ব উঠোনটুকু কেড়ে নিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষকে ‘উদ্বাস্তু করেছিল’ যে স্বাধীনতা, তার সব দায় তাহলে ঐ হতভাগ্য মানুষগুলোর। সাতজন্মের পাপের ফল, নাকি দুর্ভাগ্য ওঁদের। আমরা যারা স্বাধীনতার ক্ষীরটুকু চাটতে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম, স্বাধীন গদিতে আপ্লুত হলাম, তাদের কাছে ওই সবহারানো নেই – মানুষগুলো রাতারাতি শরণার্থী হয়ে গেল।


    দাঙ্গা-কাটাকাটি সে না হয় হয়েছে, কিন্তু রাষ্ট্র তো পুনর্বাসনের চেষ্টা করেছে যথাসাধ্য। সুজলা-সুফলা-সবুজ নদীমাতৃক ভূমিপুত্রদের খুলনা যশোর ফরিদপুর জেলার নমঃশূদ্র-পৌণ্ড্রক্ষত্রিয় কৃষকদের পুনর্বাসন দেওয়া তো হল পাথর-কাঁকর-টিলা-অধ্যুষিত দণ্ডকারণ্যে।


    অহো, সরকার যে করেনি তা-তো নয়।


    কিন্তু দণ্ডকারণ্যের এই পুনর্বাসন বাঙালি কৃষক উদ্বাস্তুদের কাছে হয়ে উঠেছিল ‘নির্বাসন’। পশ্চিমবঙ্গের শিবিরবাসী এইসব উদ্বাস্তুদের ১৯৬১ সালে দণ্ডকারণ্যে পাঠানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ডোল বন্ধ করে দিলে তাঁরা পশ্চিমবঙ্গে পুনর্বাসনের দাবিতে অনশন করে। ১৯৬১ সালের ১৩ই জুলাই উদ্বাস্তুদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে জ্যোতি বসু অনিচ্ছুক উদ্বাস্তুদের দণ্ডকারণ্যে পাঠানো বন্ধ করার জন্য পশ্চিমবঙ্গের তদানীন্তন রাজ্য পুনর্বাসন মন্ত্রী প্রফুল্লচন্দ্র সেনকে একটি চিঠিতে লিখেছিলেনঃ “…although it was stated by the Government the West Bengal has reached a saturation point. I feel, therefore, that the rest may be found rehabilitation here provided there is willingness on the part of the Govt.”(যদিও পশ্চিমবঙ্গ সরকার বারবার বলছেন যে, এই রাজ্যে উদ্বাস্তু পুনর্বাসনের জন্য একতিল জমি নেই, তথাপি মনে করি সরকারের অভিপ্রায় থাকলে অবশিষ্ট উদ্বাস্তুরা এ রাজ্যে পুনর্বাসন পেতে পারে।)


    সে সময় পশ্চিমবঙ্গে উদ্বাস্তু শিবিরগুলি বন্ধ করে দিতে কেন্দ্রীয় সরকারও বদ্ধপরিকর। ১৯৫৯ সালের অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু কলকাতায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ প্রসঙ্গে বলেছিলেনঃ ‘যদি মাথায় আকাশ ভাঙ্গিয়া পড়ে এবং কলকাতার পথে পথে দাঙ্গাও শুরু হয়, তাহা হইলেও আমরা উদ্বাস্তু ক্যাম্পগুলি বন্ধ করে দিব বলিয়া স্থির করিয়াছি।’ (সূত্রঃ আনন্দবাজার পত্রিকা, ২২.১০.১৯৫৯)।


    কেন্দ্রীয় সরকারের অনমনীয় মনোভাবের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য সেদিন জ্যোতি বসু উদ্বাস্তুদের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন। ১৯৭৫ সালের ২১ শে জুন কলকাতায় জ্যোতি বসুর সভাপতিত্বে বামপন্থী দলগুলি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলঃ ‘তাদের (উদ্বাস্তুদের) পুনর্বাসনের সব দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নিতে হবে।’ (সূত্রঃ মরিচঝাঁপি – নিরঞ্জন হালদার, পৃ-৩৩)।


    জ্যোতি বসুর এই দরদ(!)এর কথা মাথায় রেখেই বোধহয় ১৯৭৭ সালে বামফ্রন্ট সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে ১৯৭৮ সালের প্রথমদিকে দণ্ডকারণ্যে নির্বাসিত উদ্বাস্তু মানুষজন পুনর্বাসিত হওয়ার আকাঙ্খায় পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের দিকে রওনা দেন।


    হায় রে আশা! গদিতে বসলে নেতাকে যে রাজার মতোই আচরণ করতে হয়। এই বুঝি গণতন্ত্রের নিয়ম।


    ১৯৭৮ সালের ১৮ই এপ্রিল দশ হাজার উদ্বাস্তু পরিবার সুন্দরবনের কুমিরমারি পার হয়ে মরিচঝাঁপিতে আশ্রয় নেন। তাঁরা পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে কোনো সাহায্য চান নি। তাঁদের দাবি ছিল ‘আমাদের শুধু মরিচঝাঁপিতে ভারতবর্ষের নাগরিক হিসাবে থাকতে দাও।’ তাঁদের ভরসা ছিল, এখানে পাঁচ ফুটের বেশি উঁচু জোয়ার আসে না। এখানকার কাছাকাছি গ্রামের লোকজন যদি পাঁচ ফুট বাঁধ দিয়ে নোনাজল ঠেকিয়ে একশো বছর ধরে চাষ করতে পারেন, তাহলে তাঁরা পারবেন না কেন? তাছাড়া মাছ ধরার সুযোগ তো আছে।


    পশ্চিমবঙ্গের বামফ্রন্ট সরকার কী সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন, তাঁরা তখন জানতেন না, হায়।


    সিপিআই(এম) এর রাজ্য কমিটি তখন রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন ‘দণ্ডকারণ্যের যে-সব উদ্বাস্তু পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন, প্রয়োজন হলে,তাদের বল প্রয়োগ করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সরিয়ে দিন।’ কমিটির তিন দিনের অধিবেশনের পর দলের সম্পাদক প্রমোদ দাশগুপ্ত সাংবাদিকদের বলেছিলেন “এইসব উদ্বাস্তুদের নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে”। (সূত্রঃ আনন্দবাজার পত্রিকা, ২.৭.১৯৭৮)।


    এই ষড়যন্ত্র বাস্তবায়িত হতে দেরি হল না। ১৯৭৮ সালের ১৯ অগস্ট বহু পুলিশ ও কুড়িটির লঞ্চের সাহায্যে সামরিক কায়দায় নদীপথ অবরোধ করা হল এবং উদ্বাস্তুরা তাতেও দমে না দেখে ৬ই সেপ্টেম্বর সেইসব লঞ্চ নিয়ে উদ্বাস্তুদের রসদ জ্বালানি কাঠ ও অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস বোঝাই করা ২০০টি নৌকা ডুবিয়ে দেওয়া হল। (সূত্রঃ মরিচঝাঁপি কি মরীচিকা? শৈবাল গুপ্ত। নিরঞ্জন হালদার সম্পাদিত ‘মরিচঝাঁপি, পৃ। ২৬-২৭ )।


    নৃশংসতার ছবি পাওয়া যায় সমসাময়িক সংবাদপত্রেও “উদ্বাস্তুরা যে ঘরগুলি তৈরি করেছিলেন তার সংখ্যা কোনোক্রমে এক হাজারের কম নয়। ঘরগুলির অধিকাংশই দৈর্ঘ্যে ১০০-১৫০ হাত, প্রস্থে ১২-১৪ হাত। ঘরগুলি শুধু ভেঙ্গে দেওয়া হয় নি, পুড়িয়েও দেওয়া হয়েছে। পুলিশ অকথ্য অমানুষিক অত্যাচার, লাঠিপেটা, নারীধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুঠতরাজের মাধ্যমে ১০-১৫ দিন ধরে অনবরত সন্ত্রাস ও ভীতি প্রদর্শন করেও উদ্বাস্তুদের সম্পূর্ণ উৎখাত করতে সক্ষম হয়নি। (যুগান্তর, ২০ ফাল্গুন, ১৩৮৪)।


    ‘যেন যুদ্ধক্ষেত্রে এসে উপস্থিত হয়েছি।অথবা শত্রুদেশের সীমানায়। মাঠে মাঠে সশস্ত্র পুলিশের ছাউনি, পুলিশ চাইলেই আপনাকে হাত উঁচু করে হাঁটতে হবে। খানাতল্লাসি করবে। ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে আটক করবে। জেরা করবে। অথচ জায়গাটি সরকার ঘোষিত বনাঞ্চল নয়। এই জায়গাটার নাম কুমিরমারি। মরিচঝাঁপির লাগোয়া এক জনবহুল দ্বীপ। বামপন্থী সি পি আই এর মুখপত্র ‘কালান্তর’ পত্রিকায় ‘চার ভাঁটার পথঃ নিষিদ্ধ দ্বীপ’ শিরোনামে দিলীপ চক্রবর্তী ধারাবাহিক সংবাদ পরিবেশন করতে গিয়ে যে বর্ণনা দেন তা না পড়লে শিউরে উঠতে হয়।


    “...ওখানকার মানুষরা চৌদ্দ দিন এপারে আসেনি। ভাত খেতে পারেনি। জলও পায়নি। পুলিশ ঘিরে রেখেছে দ্বীপ। প্রথম প্রথম ২-৩ দিন বেশি শব্দ হয় নি।এরূপ কান্না শোনা যেত রোজ।কু মীর আর কামট-ভরা নদী পার হয়ে কিছু লোক লুকিয়ে আসত রাতে-চাল ইত্যাদির খোঁজে। জলের খোঁজে।এরপর তাও বন্ধ হল। জালিপাতা আর যদু পালং খেয়ে থেকেছে ওরা,মরেছেও অনেক। ওদের কান্না এখান থেকে রোজই শুনতে পাই।


    “... ২৪ শে জানুয়ারি থেকে সরকার দ্বীপ অবরোধ করে। ৩১ শে জানুয়ারি গুলি চলে। ৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের ইনজংশন অনুযায়ী জল-অন্ন আনার উপর থেকে বাধা প্রত্যাহৃত হয়।কিন্তু এর পরেও কড়াকড়ি চলছে। ...একমাত্র ১৬ ফেব্রুয়ারি তারিখেই চাল আনতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছেন অনন্ত মণ্ডল, অরবিন্দ রায়, নিরঞ্জন বাড়ৈ, কার্তিক সরকার, রণজিৎ মণ্ডল, কৃষ্ণদুলাল বিশ্বাস। ...২৪ জানুয়ারি সরকারের পক্ষ থেকে দ্বীপ অবরোধ করার পর ওখানে অনাহারে মারা গিয়েছেন ৪৩ জন।‘ (সূত্রঃ কালান্তর,২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯)। 


    ‘ব্লকেডের সময় ওরা তখন কী খেত শুনবে? এক ধরনের ঘাস সেদ্ধ করে তাই দিয়ে সবাই পেট ভরায়।ঘাসের নামটা মনে পড়ছে না – ওখানে ওটা নাকি অপর্যাপ্ত জন্মায়। তখন কাশীকান্ত মৈত্র পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলের নেতা ছিলেন,তাঁকে ঘাসটা দেখাতে পেরেছিলাম।’ (সূত্রঃ সাংবাদিক নিরঞ্জন হালদারকে লিখিত কমলা বসুর চিঠি)।


    ২৪শে জানুয়ারি ১৯৭৯ থেকে মরিচঝাঁপির নেতাজীনগরে অনাহারে মৃত ব্যক্তিদের নামের তালিকায় রয়েছেন ১৩৬ জন।অখাদ্য কুখাদ্য খেয়ে বিনা চিকিৎসায় মৃত ব্যক্তির তালিকায় ২৩৯ জন।ধর্ষিতা মহিলাদের তালিকায় ২৩ জন।নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকায় ১২৮ জন। ৩১শে জানুয়ারি ১৯৭৯ গ্রেফতার হয়ে বসিরহাট ও আলিপুর জেলে আটক ব্যক্তিদের তালিকায় ৫২ জন। পরবর্তী সময় জেলে আটক ১৩০ জন। ২৪ শে জানুয়ারি ১৯৭৯ জল সংগ্রহ করতে গিয়ে আটক ৩০ জন। ২৪ শে জানুয়ারি থেকে ১১ই ফেব্রুয়ারি (১৯৭৯) পর্যন্ত পুলিশ-কর্তৃক ছিনতাই হওয়া নৌকার সংখ্যা ১৬৩। – এজাতীয় অসংখ্য প্রামাণ্য তথ্য।


    লজ্জায়, অবরুদ্ধ কান্নায় একের পর এক পৃষ্ঠা ওল্টাই, আর কেবলই মনে হয়, কেউ এসে চিৎকার করে বলুক – এ মিথ্যে মিথ্যে মিথ্যে।


    মানুষের অমানবিক প্রবৃত্তিতেই সংঘটিত হয় গণহত্যা। সেই কালো ইতিহাস একদিন উঠে আসে সাদা আলোয়। চব্বিশ বছর পরে এভাবে সমস্ত প্রামাণ্য বিশ্বাস্য নথি-সহ উঠে এল মরিচঝাঁপি।


    এ লজ্জা কোথায় লুকোব! ইস! আমি যে ভারতীয়, এই বাংলারই একজন। আর কী আশ্চর্য, মরিচঝাঁপি এই বাংলাতেই। প্রগতিশীল বাংলায় ‘মরিচঝাঁপি’ নিয়ে একটা ঝড় উঠবে না!


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • আলোচনা | ২৫ আগস্ট ২০১৪ | ১৬২২৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PT | 213.110.243.21 (*) | ৩০ অক্টোবর ২০১৪ ০৮:১৭88412
  • তখন তিনোদের ক্ষমতায় নিয়ে যাওয়াটা আসল উদ্দেশ্য ছিল বলে ভোট বয়কট বা নোটার ডাক দেননি কেউ। এখন ছুঁচো গেলা অবস্থা। তিনোর কল্যাণে বিজেপি পব-তে ক্ষমতায় এলেও আসতে পারে।
    এখন তাই নোটার কোলে আশ্রয় নেওয়া ছাড়া আর কি-ই বা করার থাকতে পারে?

    "কল্লোলকে অসাধু বলেছেন"
    না, কোন ব্যক্তিকে অসাধু বলিনি। তাঁদের চর্চিত রাজনীতিকে অসাধু বলেছি।
    সেই হিসেবে সিদ্ধার্থ শংকর রায় ব্যক্তি হিসেবে (যতদূর জানি) সাধু কিন্তু অসাধু রাজনীতির চর্চা করতেন।

    আবার সিঙ্গুরের চাষীকে যারা টাকা না নিয়ে জমি ফেরতের জন্য আন্দোলন করার জন্য তাতিয়েছিল তারা অসাধু রাজনীতির চর্চা করেছে কেননা তারা চাষীদের বলেনি যে সরকার একবার জমি অধিগ্রহণ করলে তা ফেরত দেওয়া যায়না। বিশেষতঃ যারা শিক্ষিত, মোটামুটি আইন বোঝে তাদের এক্ষেত্রে আর বালখিল্য বলা যায়্না।
  • সিকি | 132.177.154.219 (*) | ৩০ অক্টোবর ২০১৪ ০৮:২২88413
  • ছাগরিপেলিং টার্মটা একঘর হয়েছে। :)
  • এজমালি | 152.4.206.228 (*) | ৩০ অক্টোবর ২০১৪ ০৮:৩৫88415
  • আঃ অসাধু রাজনীতির চর্চা আবার কারা করেছে? যারা দেশবিদেশ থেকে এসে আন্দোলন করে গেল তারা কেউ জানতই না তো বলবে কেন? সরকার একবার জমি অধিগ্রহণ করলে তা ফেরত দেওয়া যায়না - কেউ জানত না। এই তো সবে দুয়েকদিন হলো জানতে পেরেছে। এবার আবার প্রেস কনফারেন্স হবে।
  • Reshmi | 129.226.173.2 (*) | ৩০ অক্টোবর ২০১৪ ০৮:৩৫88414
  • এই প্রশ্নটা আমার অনেকদিনের, কিন্তু তর্কাতর্কিকে বেশ ভয় পাই বলে করে উঠতে পারছিলাম না। সেই এক আলোচনা গোলগোল গোলগোল ক্রমাগত ঘুরেই চলেছে দেখে দেখে মনে হল সাহস করে করেই ফেলি।

    মানে বলছিলাম আরকি, পব তে বিজেপির উত্থান তৃণদের অবদান, বটেই তো, তা সেই একই যুক্তিতে তৃণদের উত্থান কেন সিপুএম এর অবদান না হয়ে "বালখিল্য বুজি" দের হল সেটা কেউ একবার পরিস্কার করে বুঝিয়ে দিলেই আর এ নিয়ে রা ও কাড়ব না।
  • PT | 213.110.243.21 (*) | ৩০ অক্টোবর ২০১৪ ০৯:০৯88416
  • "তৃণদের উত্থান কেন সিপুএম এর অবদান না হয়ে......."

    তিনোর জন্ম সিপিএমের আমলে হয়েছে ঠিকই কিন্তু তার উত্থান বলতে যা বোঝায় তা শুরু হয় রামধনু জোট দিয়ে। তার প্রথম কারিগর কাকা চাটুজ্জে। এসব কথা বহুবার লিখেছি পড়ে নেবেন।

    কিন্তু বা ও ধা বুজীরা তিনোর হয়ে ও বামেদের বিপক্ষে মিথ্যার চর্চা করে তিনোর বিশ্বাসযোগ্যতা বাড়ায়। এতে সকলের ব্যক্তিগত ক্যারিশ্মা কাজে লাগে-যেমন কবীর সুমন। আর তারা যে ব্যাপক মিথ্যা চাড়িয়েছিল সেটা এখনকার শাঁওলী, ব্রাত্য, অর্পিতা, জয় ইত্যাদিদের ক্যামেরা দেখলেই পালানোর অবস্থা থেকে ব্যাপারটা বোঝা যায়।

    ২০১১-র ভোট, আবার বলি আর সব ৫-বছুরি ভোটের থেকে সম্পুর্ণ আলাদা ছিল। এই বুজীরা ময়ূরপুচ্ছধারী কাককে ময়ূর হিসেবে প্রতিষ্ঠা না করলে ভোটের ফলাফল কি হত কে জানে।

    বিজেপিকে মালপো খাওয়ার জন্য তিনোরা নেমন্তন্ন করে পব-তে ঢুকিয়েছে। আর যৌথভাবে ভোট লড়ে তাদের বিধানসভায় জায়গাও করে দিয়েছে আগে। তদুপরি তিনোর সংখ্যালঘু সাম্প্রদায়িকতা বিজেপিকে সংখ্যাগুরু সাম্প্রদায়িকতার চর্চা করে ভোট বাড়াতে সাহায্য করছে।

    কাজেই সিপিএমের আমলে তিনোর উত্থান আর তিনোর আমলে বিজেপির উত্থানের মধ্যে বিস্তর ফারাক।
  • ranjan roy | 132.176.201.37 (*) | ৩০ অক্টোবর ২০১৪ ০৯:২৫88417
  • রেশমী,
    সিপিএম কিছু করে না। সিপিএম সাংখ্যের পুরুষ, নিষ্ক্রিয় নির্বিকল্প।
    তাই তিনো যদি ৩৪ বছর পরে ক্ষমতায় আসে তার দায়িত্ব সিপিএম এর নqঅয়, বুজীদের।
    তার দু-এক টার্ম পরে যদি বিজেপি এসে ক্ষমতায় বসে তার দায়িত্ব সিপিএম এর নয়-- তিনোদের।
    যদি আগামী ২০১৬ তে বিজেপি সিপিএম এর থেকে প্রধান বিরোধী দলের তকমা কেড়ে নেয় তার দায়িত্বও সিপিএম এর নয়। RR গোছের পাপী বুজিদের এবং তিনোদের।
    কিন্তু মুশকিল হচ্ছে খোদ সিপিএম এর পলিটব্যুরো ও সিসি এই বুজিতত্ত্বে আস্থা রাখছে না। তারা এগুলোকে নিজেদের রণকৌশলের বা তার প্রয়োগের দুর্বলতা মনে করে তীব্র মতাদর্শগত সংগ্রাম চালিয়ে যাচ্ছেন। আবার গতবারের মমতার ফ্রন্টের সঙ্গী এসইউসিআই ও কিচু নকশালগ্রুপদের সঙ্গে যুক্তফ্রন্ট করার চেষ্টা চালাচ্ছেন।

    শুধু গুরুর পাতায় পিটিভাই একা কাল্পনিক সাতজার্মান (বুজি) তত্ত্ব খাড়া করে "এলোপাথাড়ি ছাতার বাড়ি ধুপুস ধাপুস যত" চালিয়ে যাচ্ছেন।
  • ranjan roy | 132.176.201.37 (*) | ৩০ অক্টোবর ২০১৪ ০৯:৩২88418
  • এতদপান্ডিত্যপূর্ণ টীকাতেও স্পষ্ট হইল না যে ৩৪ বছর ধরিয়া বামেদের সুশাসনে সুখী জনগণ কেমনে হাফডজন বুজির প্ররোচনায় তিনোকে ভোট দিল।
    কেমনে তৃণমূল স্তর হইতে মজবুত সংগঠন থাকা সত্ত্বেও সিপিএম জনগণকে সাধু রাজনীতি শিখাইতে পারিল না।
    কেমনে বিজেপির বিরুদ্ধে জনমত তৈয়ারি করিতে বাম অপারগ হইল। কেমনে আড়বাণী ( থুড়ি বাজপেয়ীর ) হাত জ্যোতিবসু ধরিলেও তাহা বঙ্গে বিজেপিকে আনয়নের প্রথম প্রচেষ্টা বা হিমালয়ান ব্লান্ডার হইবে না?
  • কল্লোল | 111.63.205.102 (*) | ৩০ অক্টোবর ২০১৪ ০৯:৫৯88419
  • পিটি।
    এই শেষবার জিজ্ঞাসা করছি।

    Comment from PT on 29 October 2014 22:09:03 IST 213.110.246.25 (*) #
    ১) "যারা তিনোর জয়ধ্বনি দিয়ে টাকা-কড়ি, সম্মাননা, মোটা মাইনের চাকরী গুছিয়ে নিয়েছে তারা অবশ্যই অসাধু রাজনীতির সম্প্রসারণে সাহায্য করেছে।"

    ২) "যারা সিঙ্গুরের চাষীদের মিথ্যে কথা বলে ভুল বুঝিয়েছিল তারা অবশ্যই অসাধু রাজনীতির চর্চা করে।"

    ৩) "মমতাকে যারা কৃষক নেত্রী বলে তোল্লাই দিয়েছে তারা অবশ্যই অসাধু রাজনীতির চর্চা করেছে।"

    আমার সম্পর্কে তুমি খুব স্পেসিফিকালি এই তিনট অভিযোগ করেছো। আমি এর মধ্যে কোনটা করেছি বা বলেছি, তার প্রমাণ চাই।

    নইলে আমিও এবার ...............
  • PT | 213.110.243.21 (*) | ৩০ অক্টোবর ২০১৪ ১০:০৪88420
  • "পিটিভাই একা কাল্পনিক সাতজার্মান (বুজি) তত্ত্ব খাড়া করে......"

    আমার তত্বে শুধু বুজী নাই, অতিবাম ইত্যাদি অনেকেই আছে। রামধনু জোটের কথা আছে। সর্বোপরি আছে গোয়েবেল-ধাঁচে মিথ্যা প্রচার। আরেকবার ধৈর্য সহকারে পড়ুন।

    আর আমি যেহেতু ভোটে দাঁড়াইনা তাই আমার চেপেচুপে কিছু বলার কোন প্রয়োজন নেই। ওটা সিপিএমের নিজস্ব সমস্যা।

    "সিপিএম জনগণকে সাধু রাজনীতি শিখাইতে পারিল না।"
    এবার কি তবে আপনি জনগনকে ছাগল বলছেন যে যাদের নিজস্ব কোন অবস্থান নেই? পার্টি শেখালে সেই কথাই বলবে বা শুনবে? তবে মনে করিয়ে দিই যে জরুরী অব্স্থার পরেও খোদ পব-তে কং প্রায় ৩০% ভোট পেয়েছিল। যার সেই কং-কে ভো০ট দিয়েছিল তাদের আপনার কি মনে হয়?

    আর আপনার ঐ "জরুরী অবস্থার খলনায়কের" হাত ধরার কেসটা খোলসা করুন। বিজেপিকে আটকানোর জন্য কং-এর হাত ধরে সিপিএম ঠিক না ভুল করেছিল?
  • PT | 213.110.243.21 (*) | ৩০ অক্টোবর ২০১৪ ১০:০৯88421
  • কল্লোলদা, উত্তর দিয়েছিঃ
    30 October 2014 13:04:22 IST
  • কল্লোল | 111.63.205.102 (*) | ৩০ অক্টোবর ২০১৪ ১০:২০88422
  • না। ওটা উত্তর নয়।

    ১) আমি কি "তিনোর জয়ধ্বনি দিয়ে টাকা-কড়ি, সম্মাননা, মোটা মাইনের চাকরী গুছিয়ে নিয়েছে" -তাদের একজন?
    ২) আমি কি, "যারা সিঙ্গুরের চাষীদের মিথ্যে কথা বলে ভুল বুঝিয়েছিল" - তাদের একজন?
    ৩) আমি কি, "মমতাকে যারা কৃষক নেত্রী বলে তোল্লাই দিয়েছে" - তাদের একজন?

    তা যদি হয় তবে প্রমাণ দাও।

    নইলে...............
  • PM | 193.89.97.182 (*) | ৩০ অক্টোবর ২০১৪ ১০:২৭88423
  • আহঃ বাজার বেশ গরম। ক্লায়েন্টের কাছে প্রেসেন্টেসনে ব্যস্ত থাকলেও মনটা এদিকেই পড়ে ছিলো ঃ)

    আমার ছেটানো একটু ঘি--

    "এতদপান্ডিত্যপূর্ণ টীকাতেও স্পষ্ট হইল না যে ৩৪ বছর ধরিয়া বামেদের সুশাসনে সুখী জনগণ কেমনে হাফডজন বুজির প্ররোচনায় তিনোকে ভোট দিল।
    "
    আর সারদার টাকাকে ধর্তব্যের মধ্যেই আনলেননা রন্জনদা!! ধর্মে সইবে ?? অ্যাম্বুলেন্স ভর্তি সারদার টাকার কি কোনো মুল্য নেই গো!!!
  • PT | 213.110.243.21 (*) | ৩০ অক্টোবর ২০১৪ ১১:১৩88424
  • কল্লোলদা

    তুমি যেহেতু "যে আসে আসুক সিপিএম যাক" নামক এক বালখিল্য তত্বের প্রবক্তা তাই তুমি আমার তালিকার সব গুলো অসাধু রাজনীতির প্রয়োগের জন্য পরোক্ষে দায়ী। কেননা তুমি এই অসাধু রাজনীতিকদের ক্ষমতায় যাওয়ার পথ প্রশস্ত করেছ।

    আর যেহেতু APDR-এর সব অবস্থানকেই সমর্থন জানিয়েছ তাই, APDR সিঙ্গুরের যা যা ব্যাপারে মিথ্যাচার করেছে তার জন্যেও তুমি পরোক্ষে দায়ী।(সিঙ্গুরে APDR কাদের সঙ্গে ছিল তার লিং আগে দিয়েছি)

    তোমার মত মানুষেরা তিনোর সমর্থকদের মিথ্যাভাষণের কোন প্রতিবাদ জানায়নি। সেই কারণে আর এই পরোক্ষ সমর্থনে তিনো ও তার চামচারা পরিপুষ্ট হয়েছে দিনের পর দিন।

    কাজেই এখন যা জা নয়ায় ঘটছে (ঐ তিন্টি পয়েন সহ) তার সব গুলোর জন্যই তুমি পরোক্ষে দায়ী।
  • PT | 213.110.243.21 (*) | ৩০ অক্টোবর ২০১৪ ১১:১৫88425
  • যা যা অন্যায় ঘটছে....
  • pinaki | 93.180.243.109 (*) | ৩০ অক্টোবর ২০১৪ ১১:২৮88426
  • কিন্তু সিপিএমের যাবতীয় অসাধু রাজনীতি আর মিথ্যাচারের জন্য আপনি দায়ী নন। এই ডিসক্লেমারটা সাথে না দিলে জমছে না। :-D
  • Reshmi | 129.226.173.2 (*) | ৩০ অক্টোবর ২০১৪ ১১:৩৪88427
  • তেমন পরিষ্কার করে বুঝলাম না। উল্টে আরো প্রশ্ন পেয়ে গেল। এই জন্যই প্রশ্ন করতে চাই না। যাক গে, ভুলটা আমারই, বানানটাই ঠিক করে লিখতে পারিনি, তো পরিষ্কার হবে কি করে?

    তবে একটা কথা বুঝছি, সব রামধনু জোট বা হাত ধরাধরি নয় সমান!
  • PT | 213.110.243.21 (*) | ৩০ অক্টোবর ২০১৪ ১১:৩৮88428
  • আমি তো সিপিএম-কে ক্ষমতায় আনার জন্য কোন তত্বের প্রবক্তা ছিলাম না ১৯৭৭-এ। সিপিএমের হয়ে ভোটেও দাঁড়াইনি। আমি দায়ী হতে যাব কিসের জন্য?

    আর ৪৯০০০ বার বলেছি যে সিপিএমের অন্যায় কোর্টে গিয়ে প্রমাণ করে তাদের সকলকে জেলে পাঠানো হোক। তাতে পার্টিটা উঠে যায় যাক। তা সে ধক কারো আছে বলে তো মনে হচ্ছে না। শুধু তদন্তগুলো আটকে দেওয়া হচ্ছে বা তদন্ত মাঝপথে এসে পথহারা পাখী হয়ে যাচ্ছে।
  • সিকি | 132.177.154.219 (*) | ৩০ অক্টোবর ২০১৪ ১১:৪০88430
  • :)
  • সিকি | 132.177.154.219 (*) | ৩০ অক্টোবর ২০১৪ ১১:৪০88429
  • :)
  • কল্লোল | 125.242.68.5 (*) | ৩০ অক্টোবর ২০১৪ ১২:২০88382
  • "যারা তিনোর জয়ধ্বনি দিয়ে টাকা-কড়ি, সম্মাননা, মোটা মাইনের চাকরী গুছিয়ে নিয়েছে তারা অবশ্যই অসাধু রাজনীতির সম্প্রসারণে সাহায্য করেছে।"

    "যারা সিঙ্গুরের চাষীদের মিথ্যে কথা বলে ভুল বুঝিয়েছিল তারা অবশ্যই অসাধু রাজনীতির চর্চা করে।"

    "মমতাকে যারা কৃষক নেত্রী বলে তোল্লাই দিয়েছে তারা অবশ্যই অসাধু রাজনীতির চর্চা করেছে।"

    আমার এট্টা কোশ্ন ছিলো। আমি এর মধ্যে কোনটা?
  • PT | 213.110.247.221 (*) | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ০১:০২88554
  • ৭০ একরটা ঢপ ছিল না। রাজ্যপালের উপস্থিতিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর প্রস্তাব ছিল। এসব নিয়ে আর রগড়ে লাভ নেই।

    শুনতে পাচ্ছি যে তিনোমুল ভবনের বাইরে চুণ আর কালির হান্ডা রাখা আছে। ভবনে ঢোকার আগে সবাই মুখে মেখে নিচ্ছে। মেধা, অনুরাধা আর অতিবদ অতিবামেদের নিমন্ত্রণ জানানো হয়েছে চুণ-কালি উৎসবে যোগ দেওয়ার জন্য। অবিশ্যি এগুলো ঢপ হলেও হতে পারে।
  • সিকি | 132.177.39.14 (*) | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ০১:০৪88555
  • কোনও প্রমাণ যাতে না থাকে, তার জন্য সর্বতোভাবে চেষ্টা করা হয়েছিল যাতে পরে সোনামুখ করে সততার সঙ্গে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো যেতে থাকে। তার ফলে একদিকে গুজবে ভর করে চালকে বিরিয়ানি বলে দেওয়া হয়, অতএব উল্টোদিকে সোনামুখ করে সততার সঙ্গে নিরপেক্ষ ব্যক্তি বলেন, চাল? কই! খালিপেটে ছিলাম তো।

    শুনেছি জার্মানিতে নিও নাজিরাও এই রকমই করে। জিউ হলোকাস্ট নাকি পুরোই মনগড়া কল্পনা বলে প্রচার করে। অনেকেই সেই তত্ত্বে বিশ্বাসও করে।
  • pinaki | 90.254.154.105 (*) | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ০১:০৯88556
  • 'সত্তর একরেই আসলে সমস্যার সমাধান হয়ে যেত' - এইটা ঢপ ছিল।

    শুনছি সবেতে চক্রান্ত খোঁজা সিপিএম সমর্থকদের সংরক্ষণ করা হচ্ছে। বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতি হিসেবে। অবশ্য সেটা ঢপ হতে পারে। ঃ-)
  • PT | 213.110.247.221 (*) | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ০১:৪৬88557
  • সিঙ্গুরে গাড়ীর কারখানার পরে এবার নন্দীগ্রামে কেমিকাল হাব হওয়ার অপেক্ষাতে রইলাম!!
  • PT | 213.110.246.23 (*) | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:০০88499
  • পিনাকি
    লিং-এর জন্য ধন্যবাদ।
    এবারে CBI-এর চার্জশীটটাও পড়ে নিন। Nandigram firing: Full text of CBI's Nandigram chargesheet
    http://timesofindia.indiatimes.com/india/Nandigram-firing-Full-text-of-CBIs-Nandigram-chargesheet/articleshow/29665581.cms
    তার পরে বোঝার চেষ্টা করুন যে কেন তিনো সরকার তদন্তের অনুমতি দেয়নি।

    "হাজার হাজার লাশ হলদি নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে আর ৫০০ মায়ের স্তনবৃন্ত কেটে দেওয়া হয়েছে - এই দুটো কথার লিং পাওয়া যাবে? মানে আমার ভেরিফাই করার ইচ্ছে 'হাজার হাজার' আর '৫০০' এই দুটো সংখ্যা সত্যিই বলা হয়েছিল কিনা। আমি শুনি নি কোথাও। "
    এ এক না জেনে তক্ক করার আনন্দ। প্রথমটি শাঁওলীর লেখা একটি প্রবন্ধ। দ্বিতীয়টি অপর্ণা সেনের টিভি বাইট মমতার পাশে দাঁড়িয়ে। আর শিশুবধের মিথ্যাটি কবীর সুমনের। পুরো ঘটনাগুলই যেহেতু কল্পিত, সেখানে সংখ্যাটি জরুরী বিষয় নয়। হাজার কমিয়ে একশ, ৫০০ কমিয়ে ৫০ বললেও তার বিভৎসতা কমে না। এই বিভৎস রস নিয়ে বাঙ্গালী বুজীরা খেলা করেছে একসময় ভাবলেই নিজেকে বাঙ্গালী বলতে ঘৃণা হয়। আর এই বিভত্সতাকে জিইয়ে রাখার জন্যেই তিনো সরকার CBI তদন্ত করার অনুমতি দেয়নি।

    "গুরুতে সিপিএম বিরোধী প্রশ্নে যে রকম লাগামছাড়া অসহিষ্ণু হয়ে যায়, সেটা খুবই কৌতুহলোদ্দীপক।"
    কতটা অসততা থেকে এই বাক্যটি টাইপানো যায়? পিটিকে গাল দিয়ে কত পোস্টিং পড়েছে আর তার জন্যে আলাদা টইও খোলা হয়েছে? আর পিটি কতটা অসহিষ্ণুতা দেখিয়েছে তার একটা তুলনা করে দেখাও কল্লোলদা।

    "আমি কোথাও কখনো মমতাকে কৃষক নেত্রী বলে "তোল্লাই" দেওয়াতো দূরস্থান "উল্লেখ"ই করিনি। "
    "জিরাফেও আছি ধর্মেও আছি ঐজন্যেই লেখা হয়েছে।"
    "যে আসে আসুক সিপিএম যাক" আসলে যে মমতাকে ক্ষমতায় আনার স্লোগান সেটা এটা কচি বাচ্চাও বোঝে। আর কল্লোলদার প্রিয়্তম APDR সহ অন্যান্য অতিবামেরা মমতাকে কৃষক নেত্রী বানিয়ে মানুষের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা বড়িয়েছে। কল্লোলদার মৌনতা সেই পদ্ধতিকে পোক্ত করেছে। তবে আবার বলি এটা ব্যক্তি কল্লোল্দার প্রতি নিক্ষিপ্ত নয়-কল্লোলদার মত একদল বাঙ্গালী এই খেলাটি খেলেছে-যেখানে মিথ্যের পাহাড় তৈরি করা হয়েছে। এই খেলাটি একমাত্র উচ্চ্শিক্ষিত বুদ্ধিমানেরাই খেলতে পারে। তাতে সিঙ্গুরের চাষী যদি সরকারী ভিক্ষাতে বেঁচে থাকে তাতে কার কিই বা আসে যায়?
    "কত GB বুদ্ধি থাকলে বুদ্ধিgb হওয়া যায়"?

    "আশা করি পিটির মতি ফিরুক"
    আশা করি কল্লোলদার-ও মতি ফিরবে। অন্ততঃ একবার মিথ্যা প্রচারের (APDR-এর সহ) প্রতিবাদ জানাবে। নাহলে জানব চুপ করে থেকে কল্লোলদা অসাধু রাজনীতিক্দের এখনো তোল্লাই দিয়ে যাচ্ছে। তবে আজও আমার কল্লোলদার উপর ব্যক্তিগত কোন উষ্মা নেই।
  • সিকি | 132.177.39.14 (*) | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:২৪88559
  • অসম্ভব ডিসগাস্টিং।
  • জটাশঙ্কর ওঝা | 99.0.101.110 (*) | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:২৪88558
  • analogy
    əˈnalədʒi/Submit
    noun
    noun: analogy; plural noun: analogies
    a comparison between one thing and another, typically for the purpose of explanation or clarification.
    "an analogy between the workings of nature and those of human societies"
    a correspondence or partial similarity.
    "the syndrome is called deep dysgraphia because of its analogy to deep dyslexia"
    a thing which is comparable to something else in significant respects.
    "works of art were seen as an analogy for works of nature"
    LOGIC
    a process of arguing from similarity in known respects to similarity in other respects.
    "argument from analogy"
    synonyms:similarity, parallel, parallelism, correspondence, likeness, resemblance, correlation, relation, kinship, equivalence, similitude, symmetry, homology
    "an analogy between the workings of nature and those of human societies"
    antonyms:dissimilarity
    LINGUISTICS
    a process by which new words and inflections are created on the basis of regularities in the form of existing ones.
    BIOLOGY
    the resemblance of function between organs that have a different evolutionary origin.
  • S | 160.148.14.8 (*) | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:৫৫88560
  • এই টইটার জন্য সবচেয়ে অ্যাপ্রোপ্রিয়েট কোট -
    "Insanity: Doing the same thing over and over again and expecting different results" - Albert Einstein
  • ন্যাড়া | 172.233.205.42 (*) | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:০৭88561
  • জ্যোতিবাবু বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বলেছিলেন প্রফুল্ল ঘোষ স্টিফেন হাউস কিনে নিয়েছেন।

    - এই মিথ্যাপ্রচার সম্বন্ধে পিটিবাবুর অবস্থান কী?

    দুকুরদিকে আমার অন্তরের হার্দিক, শ্রদ্ধাপূর্ণ অভিযোগ জানালাম যে পিটিবাবু অভব্যের মতন ব্যবহার করছেন, প্রশ্নের জবাব দিচ্ছেন না।
  • কল্লোল | 125.242.70.31 (*) | ৩১ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:২৭88500
  • পিটি। একটু মাত্রা ছাড়া হয়ে যাচ্ছ নাকি?
    "গুরুতে সিপিএম বিরোধী প্রশ্নে যে রকম লাগামছাড়া অসহিষ্ণু হয়ে যায়, সেটা খুবই কৌতুহলোদ্দীপক।"
    কতটা অসততা থেকে এই বাক্যটি টাইপানো যায়? পিটিকে গাল দিয়ে কত পোস্টিং পড়েছে আর তার জন্যে আলাদা টইও খোলা হয়েছে? আর পিটি কতটা অসহিষ্ণুতা দেখিয়েছে তার একটা তুলনা করে দেখাও কল্লোলদা।"
    এই যুক্তিগুলোই অসহিষ্ণুতার লক্ষন।
    প্রথমতঃ আবারও আমায় অসৎ বল্লে। দ্বিতীয়তঃ তুমি চুরি করলে কেন? তার উত্তরে যখন যুক্তি আসে "ওরা তো আরও বেশী চুরি করেছে", তখন অসহিষ্ণুতা প্রকট হয়ে যায়।
    তোমায় গালি দিতে যে টইটি তৈরী হয়েছিলো তাতে আমি সকলের প্রথম কয়েকজনের একজন যারা প্রতিবাদ করেছিলো।
    কচি বাচ্চারা কি বোঝে জানি না, তবে আমি বুঝি আমার প্রতি তোমার অভিযোগের প্রমাণ দিতে না পেরে নানান উদ্ভট যুক্তি সাজাচ্ছো।
    বিষয়টা এখানেই শেষ করতে চাই।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লাজুক না হয়ে প্রতিক্রিয়া দিন