এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  বিবিধ

  • লজ্জা ও ঘৃণার কালো ইতিহাস

    ঝিনুক চক্রবর্তী লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ২৫ আগস্ট ২০১৪ | ১৬৭৬৩ বার পঠিত
  •  কোলকাতা বইমেলার আয়োজক পাবলিশার্স ও বুকসেলার্স গিল্ড এর মুখপত্র ‘পুস্তক মেলা’য় প্রকাশিত এই লেখাটিকে লোপাট করা হয়েছিল।পৃষ্ঠা কেটে সেখানে লাগিয়ে দেওয়া হয়েছিল অন্য বইয়ের সমালোচনা।‘পুস্তক মেলা’য় একই সংখ্যার (ষষ্ঠ বর্ষ, প্রথম সংখ্যা, বৈশাখ – আষাঢ় ১৪০৯ ) দুটি কপিই আমাদের হাতে আছে ঐতিহাসিক প্রমাণ হিসাবে। – তুষার ভট্টাচার্য সম্পাদিত ‘অপ্রকাশিত মরিচঝাঁপি’ থেকে। 


     ------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------


    ‘এই উদ্বাস্তরা অন্য রাজ্য থেকে আসা অবাঙ্গালি অধিবাসীদের মতো কলকাতার রেলস্টেশন বা ফুটপাথ দখল করতে চান নি, তারা সত্যি সত্যিই পুনর্বাসনের পরিকল্পনা নিয়েই সুন্দরবনের মরিচঝাঁপি দ্বীপে যাচ্ছিলেন। কিন্তু হাসনাবাদে না যেতে দিয়ে, বর্ধমানের কাশীপুরে গুলি চালিয়ে ৬ জনকে মেরে, জোর করে অনেক উদ্বাস্তুকে দণ্ডকারণ্যে ফেরত পাঠান। বামফ্রন্ট নেতারা ভারত সেবাশ্রম সংঘ, রামকৃষ্ণ মিশন, মাদার টেরেসা, লুথারিয়ান চার্চ – কাউকে সেবাকাজ করতে দেয় নি। এমন কী শিশুদের বৃদ্ধদের দুধ দিতে দেয় নি। ফলে হাসনাবাদে প্রায় দেড় হাজার শিশু ও বৃদ্ধ বিনা চিকিৎসায় মারা যান।’– শক্তি সরকার (সুন্দরবনের প্রাক্তন সাংসদ)। সূত্রঃ নিরঞ্জন হালদার সম্পাদিত ‘মরিচঝাঁপি’,পৃষ্ঠা ৫২-৫৩।


    ‘পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় উদ্বাস্তুদের থামানো হয়েছে। তাঁদের অধিকাংশকে বেশ সফল ভাবে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেইরকম একটি দলকে আমি হাসনাবাদ স্টেশনে দেখি, যারা ফেরত ট্রেনে ওঠার জন্য সরকারি অফিসে লাইন দিয়েছে স্বেচ্ছায়। তারা প্রায় প্রত্যেকেই তিন-চার দিন খায়নি। তাদের মনোবল ভেঙ্গে দেওয়া গেছে স্রেফ ক্ষুধার অস্ত্রে। তারা গোটা পশ্চিমবাংলাকে অভিসম্পাত দিতে দিতে ফিরে গেল।’– সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়। সূত্রঃ ‘মরিচঝাঁপি সম্পর্কে জরুরি কথা – আনন্দবাজার পত্রিকা, ১১.৯.১৯৭৮।


    ‘যে সমস্ত পরিবার আজ ওখানে (দণ্ডকারণ্যে) ফিরে আসছেন, তাঁদের প্রায় সকল পরিবার থেকে শিশু অথবা বৃদ্ধ অথবা দুই-ই তাঁরা পথে পথে চিরদিনের মতো হারিয়ে এসেছেন। তাঁদের শোক, দুঃখবোধও এই প্রচণ্ড আঘাতে ও প্রতারণায় বিফল। ফেরতগামী ট্রেনে পশ্চিমবঙ্গ সরকার থেকে ২-৩ জন করে অফিসার পাঠানো হচ্ছে শরণার্থীদের তদারকি করার জন্য। তাঁদের মুখেই শুনলাম, ফিরবার পথে মৃত শিশুদের তাঁরা ট্রেন থেকে ফেলে দিয়েছেন। পরবর্তী কোনো স্টেশনে তাদের সদগতির জন্য অপেক্ষা করেনি।’ পান্নালাল দাশগুপ্ত। সূত্র যুগান্তর, ২৫ শে জুলাই, ১৯৭৮।


    ইতিহাস দাগ রেখে যায়। সে-দাগ মোছে না কখনও। একদিন না একদিন তা মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে। করেই। আপাতভাবে আড়াল করে রাখলেও সময়ই তাকে টেনে খুঁড়ে বের করে আনে। মানুষই ইতিহাস সৃষ্টি করে, আঁচড় কাটে। চাপা পড়ে থাকা ক্ষত উঠে আসে যখন, শিউরে উঠতে হয়। এমনও হয় তাহলে। অস্বীকার করা যায় না কিছুতেই। হয়েছে তো এমনই।


    সময়ের পরিবর্তনে মানুষ হয়তো অবস্থান বদলায়, কিন্তু ইতিহাস বদলায় না। মানুষ লজ্জিত হয়। ইতিহাসই মানুষকে ধিক্কার দেয় কখনও কখনও। একটি করে পৃষ্ঠা উল্টেছি আর লজ্জায় ধিক্কারে ঘৃণায় ক্ষোভে শোকে অবনত করেছি মুখ। প্রগতিশীল বামপন্থার আড়ালে তবে এত অন্ধকার।


    ‘সমস্ত সরকারি বাধা অতিক্রম করে ১৯৭৮ সালের এপ্রিলে ৩০ হাজারের মতো নরনারী, শিশু, বৃদ্ধ মরিচঝাঁপি দ্বীপে পৌঁছান। নিজেদের শ্রম ও সামর্থ্যে তারা ১৯৭৯ সালের মে মাস পর্যন্ত থাকতে পারেন। – দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের সময় জার্মান কনসেনট্রেশন ক্যাম্পে যে-ভাবে বন্দীদের না খেতে দিয়ে মেরে ফেলা হয়েছিল, সেইভাবে মরিচঝাঁপির মানুষদের মেরে ফেলার চক্রান্ত শুরু হয়। ১৯৭৮ সালের সেপ্টেম্বরে ঝড় বন্যার মধ্যেও ৬, ৭, ৮ সেপ্টেম্বর জ্যোতি বসুর সরকার পুলিশ লঞ্চের সাহায্যে উদ্বাস্তুদের নৌকাগুলি ডুবিয়ে দেয়। … ১৯৭৯ সালের ২৪ শে জানুয়ারি ব্লকেড করে পাশের দ্বীপ থেকে আসা খাদ্য ও পানীয় জল আনা বন্ধ করা হয়। পশ্চিমবঙ্গে বামফ্রন্ট রাজত্বে ৩১শে জানুয়ারী (১৯৭৯) প্রথম গুলি চলে। মরিচঝাঁপির লোকদের ছাপানো এই অক্ষরমালাকে ‘মিথ্যে বানানো পরিকল্পিত কুৎসা’ বুলে উড়িয়ে দিতে পারলে কোনো কষ্ট হত না। কিন্তু ওই যে ইতিহাস। অমোঘ শক্তি তার। নির্মম সত্যের ওপর দাঁড়িয়ে সে। গায়ের জোরে অস্বীকার করার চেষ্টা করলেও মনে মনে সত্যের কাছে মাথা নোয়াতেই হয়।


    আমরা তাহলে পেরেছিলাম।


    আবাল্য স্বপ্নভূমি-বীজভূমি নিজস্ব উঠোনটুকু কেড়ে নিয়ে লক্ষ লক্ষ মানুষকে ‘উদ্বাস্তু করেছিল’ যে স্বাধীনতা, তার সব দায় তাহলে ঐ হতভাগ্য মানুষগুলোর। সাতজন্মের পাপের ফল, নাকি দুর্ভাগ্য ওঁদের। আমরা যারা স্বাধীনতার ক্ষীরটুকু চাটতে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম, স্বাধীন গদিতে আপ্লুত হলাম, তাদের কাছে ওই সবহারানো নেই – মানুষগুলো রাতারাতি শরণার্থী হয়ে গেল।


    দাঙ্গা-কাটাকাটি সে না হয় হয়েছে, কিন্তু রাষ্ট্র তো পুনর্বাসনের চেষ্টা করেছে যথাসাধ্য। সুজলা-সুফলা-সবুজ নদীমাতৃক ভূমিপুত্রদের খুলনা যশোর ফরিদপুর জেলার নমঃশূদ্র-পৌণ্ড্রক্ষত্রিয় কৃষকদের পুনর্বাসন দেওয়া তো হল পাথর-কাঁকর-টিলা-অধ্যুষিত দণ্ডকারণ্যে।


    অহো, সরকার যে করেনি তা-তো নয়।


    কিন্তু দণ্ডকারণ্যের এই পুনর্বাসন বাঙালি কৃষক উদ্বাস্তুদের কাছে হয়ে উঠেছিল ‘নির্বাসন’। পশ্চিমবঙ্গের শিবিরবাসী এইসব উদ্বাস্তুদের ১৯৬১ সালে দণ্ডকারণ্যে পাঠানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকার ডোল বন্ধ করে দিলে তাঁরা পশ্চিমবঙ্গে পুনর্বাসনের দাবিতে অনশন করে। ১৯৬১ সালের ১৩ই জুলাই উদ্বাস্তুদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করে জ্যোতি বসু অনিচ্ছুক উদ্বাস্তুদের দণ্ডকারণ্যে পাঠানো বন্ধ করার জন্য পশ্চিমবঙ্গের তদানীন্তন রাজ্য পুনর্বাসন মন্ত্রী প্রফুল্লচন্দ্র সেনকে একটি চিঠিতে লিখেছিলেনঃ “…although it was stated by the Government the West Bengal has reached a saturation point. I feel, therefore, that the rest may be found rehabilitation here provided there is willingness on the part of the Govt.”(যদিও পশ্চিমবঙ্গ সরকার বারবার বলছেন যে, এই রাজ্যে উদ্বাস্তু পুনর্বাসনের জন্য একতিল জমি নেই, তথাপি মনে করি সরকারের অভিপ্রায় থাকলে অবশিষ্ট উদ্বাস্তুরা এ রাজ্যে পুনর্বাসন পেতে পারে।)


    সে সময় পশ্চিমবঙ্গে উদ্বাস্তু শিবিরগুলি বন্ধ করে দিতে কেন্দ্রীয় সরকারও বদ্ধপরিকর। ১৯৫৯ সালের অক্টোবরে প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু কলকাতায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ প্রসঙ্গে বলেছিলেনঃ ‘যদি মাথায় আকাশ ভাঙ্গিয়া পড়ে এবং কলকাতার পথে পথে দাঙ্গাও শুরু হয়, তাহা হইলেও আমরা উদ্বাস্তু ক্যাম্পগুলি বন্ধ করে দিব বলিয়া স্থির করিয়াছি।’ (সূত্রঃ আনন্দবাজার পত্রিকা, ২২.১০.১৯৫৯)।


    কেন্দ্রীয় সরকারের অনমনীয় মনোভাবের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য সেদিন জ্যোতি বসু উদ্বাস্তুদের পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন। ১৯৭৫ সালের ২১ শে জুন কলকাতায় জ্যোতি বসুর সভাপতিত্বে বামপন্থী দলগুলি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলঃ ‘তাদের (উদ্বাস্তুদের) পুনর্বাসনের সব দায়িত্ব কেন্দ্রীয় ও পশ্চিমবঙ্গ সরকারকে নিতে হবে।’ (সূত্রঃ মরিচঝাঁপি – নিরঞ্জন হালদার, পৃ-৩৩)।


    জ্যোতি বসুর এই দরদ(!)এর কথা মাথায় রেখেই বোধহয় ১৯৭৭ সালে বামফ্রন্ট সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে ১৯৭৮ সালের প্রথমদিকে দণ্ডকারণ্যে নির্বাসিত উদ্বাস্তু মানুষজন পুনর্বাসিত হওয়ার আকাঙ্খায় পশ্চিমবঙ্গের সুন্দরবনের দিকে রওনা দেন।


    হায় রে আশা! গদিতে বসলে নেতাকে যে রাজার মতোই আচরণ করতে হয়। এই বুঝি গণতন্ত্রের নিয়ম।


    ১৯৭৮ সালের ১৮ই এপ্রিল দশ হাজার উদ্বাস্তু পরিবার সুন্দরবনের কুমিরমারি পার হয়ে মরিচঝাঁপিতে আশ্রয় নেন। তাঁরা পুনর্বাসনের জন্য সরকারের কাছে কোনো সাহায্য চান নি। তাঁদের দাবি ছিল ‘আমাদের শুধু মরিচঝাঁপিতে ভারতবর্ষের নাগরিক হিসাবে থাকতে দাও।’ তাঁদের ভরসা ছিল, এখানে পাঁচ ফুটের বেশি উঁচু জোয়ার আসে না। এখানকার কাছাকাছি গ্রামের লোকজন যদি পাঁচ ফুট বাঁধ দিয়ে নোনাজল ঠেকিয়ে একশো বছর ধরে চাষ করতে পারেন, তাহলে তাঁরা পারবেন না কেন? তাছাড়া মাছ ধরার সুযোগ তো আছে।


    পশ্চিমবঙ্গের বামফ্রন্ট সরকার কী সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন, তাঁরা তখন জানতেন না, হায়।


    সিপিআই(এম) এর রাজ্য কমিটি তখন রাজ্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছিলেন ‘দণ্ডকারণ্যের যে-সব উদ্বাস্তু পশ্চিমবঙ্গে এসেছেন, প্রয়োজন হলে,তাদের বল প্রয়োগ করে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সরিয়ে দিন।’ কমিটির তিন দিনের অধিবেশনের পর দলের সম্পাদক প্রমোদ দাশগুপ্ত সাংবাদিকদের বলেছিলেন “এইসব উদ্বাস্তুদের নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র হচ্ছে”। (সূত্রঃ আনন্দবাজার পত্রিকা, ২.৭.১৯৭৮)।


    এই ষড়যন্ত্র বাস্তবায়িত হতে দেরি হল না। ১৯৭৮ সালের ১৯ অগস্ট বহু পুলিশ ও কুড়িটির লঞ্চের সাহায্যে সামরিক কায়দায় নদীপথ অবরোধ করা হল এবং উদ্বাস্তুরা তাতেও দমে না দেখে ৬ই সেপ্টেম্বর সেইসব লঞ্চ নিয়ে উদ্বাস্তুদের রসদ জ্বালানি কাঠ ও অন্যান্য নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস বোঝাই করা ২০০টি নৌকা ডুবিয়ে দেওয়া হল। (সূত্রঃ মরিচঝাঁপি কি মরীচিকা? শৈবাল গুপ্ত। নিরঞ্জন হালদার সম্পাদিত ‘মরিচঝাঁপি, পৃ। ২৬-২৭ )।


    নৃশংসতার ছবি পাওয়া যায় সমসাময়িক সংবাদপত্রেও “উদ্বাস্তুরা যে ঘরগুলি তৈরি করেছিলেন তার সংখ্যা কোনোক্রমে এক হাজারের কম নয়। ঘরগুলির অধিকাংশই দৈর্ঘ্যে ১০০-১৫০ হাত, প্রস্থে ১২-১৪ হাত। ঘরগুলি শুধু ভেঙ্গে দেওয়া হয় নি, পুড়িয়েও দেওয়া হয়েছে। পুলিশ অকথ্য অমানুষিক অত্যাচার, লাঠিপেটা, নারীধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুঠতরাজের মাধ্যমে ১০-১৫ দিন ধরে অনবরত সন্ত্রাস ও ভীতি প্রদর্শন করেও উদ্বাস্তুদের সম্পূর্ণ উৎখাত করতে সক্ষম হয়নি। (যুগান্তর, ২০ ফাল্গুন, ১৩৮৪)।


    ‘যেন যুদ্ধক্ষেত্রে এসে উপস্থিত হয়েছি।অথবা শত্রুদেশের সীমানায়। মাঠে মাঠে সশস্ত্র পুলিশের ছাউনি, পুলিশ চাইলেই আপনাকে হাত উঁচু করে হাঁটতে হবে। খানাতল্লাসি করবে। ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে আটক করবে। জেরা করবে। অথচ জায়গাটি সরকার ঘোষিত বনাঞ্চল নয়। এই জায়গাটার নাম কুমিরমারি। মরিচঝাঁপির লাগোয়া এক জনবহুল দ্বীপ। বামপন্থী সি পি আই এর মুখপত্র ‘কালান্তর’ পত্রিকায় ‘চার ভাঁটার পথঃ নিষিদ্ধ দ্বীপ’ শিরোনামে দিলীপ চক্রবর্তী ধারাবাহিক সংবাদ পরিবেশন করতে গিয়ে যে বর্ণনা দেন তা না পড়লে শিউরে উঠতে হয়।


    “...ওখানকার মানুষরা চৌদ্দ দিন এপারে আসেনি। ভাত খেতে পারেনি। জলও পায়নি। পুলিশ ঘিরে রেখেছে দ্বীপ। প্রথম প্রথম ২-৩ দিন বেশি শব্দ হয় নি।এরূপ কান্না শোনা যেত রোজ।কু মীর আর কামট-ভরা নদী পার হয়ে কিছু লোক লুকিয়ে আসত রাতে-চাল ইত্যাদির খোঁজে। জলের খোঁজে।এরপর তাও বন্ধ হল। জালিপাতা আর যদু পালং খেয়ে থেকেছে ওরা,মরেছেও অনেক। ওদের কান্না এখান থেকে রোজই শুনতে পাই।


    “... ২৪ শে জানুয়ারি থেকে সরকার দ্বীপ অবরোধ করে। ৩১ শে জানুয়ারি গুলি চলে। ৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের ইনজংশন অনুযায়ী জল-অন্ন আনার উপর থেকে বাধা প্রত্যাহৃত হয়।কিন্তু এর পরেও কড়াকড়ি চলছে। ...একমাত্র ১৬ ফেব্রুয়ারি তারিখেই চাল আনতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছেন অনন্ত মণ্ডল, অরবিন্দ রায়, নিরঞ্জন বাড়ৈ, কার্তিক সরকার, রণজিৎ মণ্ডল, কৃষ্ণদুলাল বিশ্বাস। ...২৪ জানুয়ারি সরকারের পক্ষ থেকে দ্বীপ অবরোধ করার পর ওখানে অনাহারে মারা গিয়েছেন ৪৩ জন।‘ (সূত্রঃ কালান্তর,২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯)। 


    ‘ব্লকেডের সময় ওরা তখন কী খেত শুনবে? এক ধরনের ঘাস সেদ্ধ করে তাই দিয়ে সবাই পেট ভরায়।ঘাসের নামটা মনে পড়ছে না – ওখানে ওটা নাকি অপর্যাপ্ত জন্মায়। তখন কাশীকান্ত মৈত্র পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় বিরোধী দলের নেতা ছিলেন,তাঁকে ঘাসটা দেখাতে পেরেছিলাম।’ (সূত্রঃ সাংবাদিক নিরঞ্জন হালদারকে লিখিত কমলা বসুর চিঠি)।


    ২৪শে জানুয়ারি ১৯৭৯ থেকে মরিচঝাঁপির নেতাজীনগরে অনাহারে মৃত ব্যক্তিদের নামের তালিকায় রয়েছেন ১৩৬ জন।অখাদ্য কুখাদ্য খেয়ে বিনা চিকিৎসায় মৃত ব্যক্তির তালিকায় ২৩৯ জন।ধর্ষিতা মহিলাদের তালিকায় ২৩ জন।নিখোঁজ ব্যক্তিদের তালিকায় ১২৮ জন। ৩১শে জানুয়ারি ১৯৭৯ গ্রেফতার হয়ে বসিরহাট ও আলিপুর জেলে আটক ব্যক্তিদের তালিকায় ৫২ জন। পরবর্তী সময় জেলে আটক ১৩০ জন। ২৪ শে জানুয়ারি ১৯৭৯ জল সংগ্রহ করতে গিয়ে আটক ৩০ জন। ২৪ শে জানুয়ারি থেকে ১১ই ফেব্রুয়ারি (১৯৭৯) পর্যন্ত পুলিশ-কর্তৃক ছিনতাই হওয়া নৌকার সংখ্যা ১৬৩। – এজাতীয় অসংখ্য প্রামাণ্য তথ্য।


    লজ্জায়, অবরুদ্ধ কান্নায় একের পর এক পৃষ্ঠা ওল্টাই, আর কেবলই মনে হয়, কেউ এসে চিৎকার করে বলুক – এ মিথ্যে মিথ্যে মিথ্যে।


    মানুষের অমানবিক প্রবৃত্তিতেই সংঘটিত হয় গণহত্যা। সেই কালো ইতিহাস একদিন উঠে আসে সাদা আলোয়। চব্বিশ বছর পরে এভাবে সমস্ত প্রামাণ্য বিশ্বাস্য নথি-সহ উঠে এল মরিচঝাঁপি।


    এ লজ্জা কোথায় লুকোব! ইস! আমি যে ভারতীয়, এই বাংলারই একজন। আর কী আশ্চর্য, মরিচঝাঁপি এই বাংলাতেই। প্রগতিশীল বাংলায় ‘মরিচঝাঁপি’ নিয়ে একটা ঝড় উঠবে না!


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • আলোচনা | ২৫ আগস্ট ২০১৪ | ১৬৭৬৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • π | 192.66.25.253 (*) | ২৫ অক্টোবর ২০১৪ ০৬:৩৭88295
  • ঐ বইটিতে প্রচুর মানুষের অ্যাকাউণ্ট আছে। একটু পড়ে দেখতে পারেন। আর উপরের লেখার তথ্যগুলো তো বেশিরভাগই সংবাদপত্রের, যার মধ্যে সিপিআই এর কালান্তর ও আছে।
  • ranjan roy | 132.167.0.107 (*) | ২৫ অক্টোবর ২০১৪ ০৬:৫৯88296
  • কেন এত ঝামেলা করছেন? মেনেই নিন না যে নন্দীগ্রামে ১৫০০ কেন ১ টাও খুন হয় নি। বুদ্ধবাবুর "পেইড ইন' বক্তব্যটি রূপক, লেখক মানুষ তো! যেমন ওনার "দুঃসময়" নাটক, যেমন বাম-সরকারকে "চোরেদের সরকার " বলে নিজেই পরে তার মুখ্যমন্ত্রী হওয়া।

    মেনেই নিন, মরিচঝাঁপিতে একটাও মানুষ মরে নি। তৎকালীন এস পি অমিয় সামন্ত যে বলেছেন -দুজন গুলিতে মরেছে ( অচিন্ত্যের লেখা দেখুন)-- সেটাও চাপে পড়ে বলা। ছত্তিশগড়ের মানা ক্যাম্প থেকে কোন উদ্বাস্তু সুন্দরবনে আসে নি। সব অপপ্রচার। বাম মন্ত্রী রাম চ্যাটার্জি উদ্বাস্তুদের আদৌ ওখানে আসতে বলেন নি।
    আর তুষার কাঞ্জিলাল সিআইএর লোক। ওর ফিলম্টার নিউজ ভ্যালু অনিন্দিতা অধিকারীর ফিল্মের মত।
    মেনেই নিন।
    এটাও মেনে নিন বাম ফ্রন্টের সব ভালো এমন কথা পিটি বলেন নি। সব খারাপ তাও বলেন নি। কোনটা খারাপ তাও বলেন নি।
    আর মেনে নিন নেতাই কান্ডে একটাও লোক-মেয়ে-শিশু মরে নি। ঘটনাটা বাম আমলে ঘটেছিল। বাম পুলিশ কেস রেজিস্টার করেছিল। ফলে বাম নেতা রথীন দন্ডপাট ফেরার হয়ে গেলেন বাম আমলেই।
    তাতে কি? পিটি বলেছেন কারা গুলি চালিয়েছিল সে নিয়ে সন্দেহ আছন্যেরা মিথ্যে এ।
    ব্যস্‌ হয়েই গেল।
    উনি সন্দেহ করেছেন মানেই --।
    যাদবপুরের ঘটনায় মমতা-পার্থ- সিপি সত্যি কথা বলছে -- ছাত্ররা মিথ্যে--পিটি বলেছেন। কাজেই মেনে নিন।

    পিটির্নামঃ পিটির্নামঃ পিটির্নামৈব কেবলম্‌,
    নাস্তৈব নাস্তৈব নাস্তৈব গতিরন্যথাঃ।
  • সিকি | 132.177.200.212 (*) | ২৫ অক্টোবর ২০১৪ ০৭:২৮88297
  • বেসিকালি এতদিন শুধু ল্যাম্পপোস্ট মনে হত। এখন মনে হচ্ছে ব্রেনের ওয়ারিংয়েও গণ্ডগোল আছে। এই লেভেলের উন্মাদ অনলাইনে এই প্রথম দেখছি।
  • aranya | 78.38.243.218 (*) | ২৫ অক্টোবর ২০১৪ ০৭:৩১88298
  • 'এমন কী শিশুদের বৃদ্ধদের দুধ দিতে দেয় নি। ফলে হাসনাবাদে প্রায় দেড় হাজার শিশু ও বৃদ্ধ বিনা চিকিৎসায় মারা যান।’– শক্তি সরকার (সুন্দরবনের প্রাক্তন সাংসদ)। সূত্রঃ নিরঞ্জন হালদার সম্পাদিত ‘মরিচঝাঁপি’,পৃষ্ঠা ৫২-৫৩'

    - ফুটকি এই লাইন-টার কথা বলছেন। ধরে নিলাম, প্রাক্তন সাংসদ (কোন দলের? ) শক্তি সরকার মিথ্যাবাদী।

    'উদ্বাস্তুরা যে ঘরগুলি তৈরি করেছিলেন তার সংখ্যা কোনোক্রমে এক হাজারের কম নয়। ঘরগুলির অধিকাংশই দৈর্ঘ্যে ১০০-১৫০ হাত, প্রস্থে ১২-১৪ হাত। ঘরগুলি শুধু ভেঙ্গে দেওয়া হয় নি, পুড়িয়েও দেওয়া হয়েছে। পুলিশ অকথ্য অমানুষিক অত্যাচার, লাঠিপেটা, নারীধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, লুঠতরাজের মাধ্যমে ১০-১৫ দিন ধরে অনবরত সন্ত্রাস ও ভীতি প্রদর্শন করেও উদ্বাস্তুদের সম্পূর্ণ উৎখাত করতে সক্ষম হয়নি। (যুগান্তর, ২০ ফাল্গুন, ১৩৮৪)।'

    'বামপন্থী সি পি আই এর মুখপত্র ‘কালান্তর’ পত্রিকায় ‘চার ভাঁটার পথঃ নিষিদ্ধ দ্বীপ’ শিরোনামে দিলীপ চক্রবর্তী ধারাবাহিক সংবাদ পরিবেশন করতে গিয়ে যে বর্ণনা দেন তা না পড়লে শিউরে উঠতে হয়।

    “...ওখানকার মানুষরা চৌদ্দ দিন এপারে আসেনি। ভাত খেতে পারেনি। জলও পায়নি। পুলিশ ঘিরে রেখেছে দ্বীপ। প্রথম প্রথম ২-৩ দিন বেশি শব্দ হয় নি।এরূপ কান্না শোনা যেত রোজ।কু মীর আর কামট-ভরা নদী পার হয়ে কিছু লোক লুকিয়ে আসত রাতে-চাল ইত্যাদির খোঁজে। জলের খোঁজে।এরপর তাও বন্ধ হল। জালিপাতা আর যদু পালং খেয়ে থেকেছে ওরা,মরেছেও অনেক। ওদের কান্না এখান থেকে রোজই শুনতে পাই।

    “... ২৪ শে জানুয়ারি থেকে সরকার দ্বীপ অবরোধ করে। ৩১ শে জানুয়ারি গুলি চলে। ৭ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের ইনজংশন অনুযায়ী জল-অন্ন আনার উপর থেকে বাধা প্রত্যাহৃত হয়।কিন্তু এর পরেও কড়াকড়ি চলছে। ।।।একমাত্র ১৬ ফেব্রুয়ারি তারিখেই চাল আনতে গিয়ে গ্রেফতার হয়েছেন অনন্ত মণ্ডল, অরবিন্দ রায়, নিরঞ্জন বাড়ৈ, কার্তিক সরকার, রণজিৎ মণ্ডল, কৃষ্ণদুলাল বিশ্বাস। ।।।২৪ জানুয়ারি সরকারের পক্ষ থেকে দ্বীপ অবরোধ করার পর ওখানে অনাহারে মারা গিয়েছেন ৪৩ জন।‘ (সূত্রঃ কালান্তর,২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৯)। '

    যুগান্তর, কালান্তর - এইসব পত্রিকার পরিচালক মন্ডলী, যে সাংবাদিক-রা প্রতিবেদন গুলো লিখেছিলেন , সবাই কি মিথ্যাবাদী?
  • কল্লোল | 111.63.73.99 (*) | ২৫ অক্টোবর ২০১৪ ১১:৫৫88302
  • পর্যবেক্ষণটি অতীব কৌতুহলোদ্দীপক।

    Comment from cm on 24 October 2014 12:56:31 IST 127.247.112.204 (*) #
    কল্লোলদা কি বলছেন কাউকে সমর্থন করা বাধ্যতামূলক। সিপিএম কি করবে জানিনা তবে আমি হলে বিজেপির সাথে যেতাম।

    এবার উল্টে দিয়ে পাল্টে গেলো।

    Comment from cm on 25 October 2014 09:43:57 IST 127.247.114.54 (*) #
    নৈরাজ্যবাদী অ্যাসাম্প্শনের উদ্দেশ্য হল সিপিএমকে বিজেপির সাথে বেঁধে বিসর্জন।
  • ujbuk | 96.156.190.40 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ০১:৪৫88318
  • অনেক লোক আছে মাইরি, যারা বহু দিন আগে কোনো ভাবে সিপিএম এর কোনো গান্ডু দ্বারা পিছনে কিছু খেয়েছিল, তারা আজ ও ঘিয়ের গন্ধ পায় ।

    যেকোনো দলই সিপিএম কে $$% মারলে ওনারা খুশি। সে যেই ফুলই হোক না কেন । চক্ষুলজ্জার খাতিরে অবশ্য সরাসরি (বা কোনাকুনি) সেইটা বলতে বাধে। সেটা অবশ্যই ভালো, চক্ষুলজ্জা আছে বলেই এখনো তারা ঠিক 'সুবোধ' নন।
  • cm | 127.247.114.242 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ০২:১১88303
  • আমার পোস্টে কোন কন্ট্রাডিকশন পাচ্ছিনা,
    ১) " সিপিএম কি করবে জানিনা"
    ২)"নৈরাজ্যবাদী অ্যাসাম্প্শনের উদ্দেশ্য হল সিপিএমকে বিজেপির সাথে বেঁধে বিসর্জন।"

    কেউ কোথাও উল্টেপাল্টে যায় নি। আমাকে আর সিপিএমকে সমার্থক ভাববেননা। আমি লেভি দিই না তাই সিপিএমের কি করা উচিত তা বলতে পারিনা।

    তবে নৈরাজ্যবাদীদের অ্যাসাম্প্শন সম্পর্কে
    কৌতুহলের অবসান ঘটাতে হলে জানতে হবে,
    ( Comment from কল্লোল on 24 October 2014 12:49:39 IST 111.63.78.178 (*) #
    বিজেপি বা তৃণ সিপুয়েম যাকে সমর্থন করবে সেই সরকার গড়বে। ত্যাকুন কাকে সমর্থন করবে পিটি, সিএম, পিএম, ফুটকি?

    আমি জানি, কিন্তু বলবো না।)

    কল্লোলদা কি জানেন? নিজের মতটা বলুন। নৈরাজ্যবাদীদের ভুল বুঝলাম কিনা দেখি।

    যদি আমরা নিজের নিজের মত বলি তাহলে অনেক সোজা হয়। সবার জ্যোতিষচর্চা করার মানে হয় না। নোটাপন্থীরা নিজেদের মত বলুন। আর যদি সিলেক্টিভ নেগেটিভ ক্যাম্পেইন চালান তাহলে আর নোটাপন্থী বলা যাবেনা।
  • কল্লোল | 111.59.29.33 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ০২:২৩88304
  • সিএম।
    আমি তো বহুবারই লিখলাম। আস্থা নাই কোন দলে। তাই নোটা।
    আমি চাই নোটার ভোট বাড়ুক। নৈরাজ্যের সম্ভাবনা দেখে ভয় পাক দলগুলো।
    এই নৈরাজ্য "এলোমেলো করে দে মা / লুটে পুটে খাই"এর নৈরাজ্য নয়। এই নৈরাজ্য ক্ষমতাকে অস্বীকার করার নৈরাজ্য।
    (মামু, তোমার কলে তলদাগ ও মোটা হরফ দাও - জীবন এট্টু মধুর হয়)

    আর আপনি একবার বলছেন আপনি যদি সিপিএম হতেন, তবে বিজেপির হাত ধরতেন।
    আবার বলছেন - "নৈরাজ্যবাদী অ্যাসাম্প্শনের উদ্দেশ্য হল সিপিএমকে বিজেপির সাথে বেঁধে বিসর্জন।"

    হে হে দ্বিচারীতা আর কারে কয়?
  • সিকি | 132.177.215.176 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ০২:৪১88319
  • ৩৫ প্লাস ৩ প্লাস কত যেন হয়ে গেল। কাশীপুর বরানগরের জন্যও কোনও PLA করা যায় নি। অতএব আর কয়েক বছরের মধ্যেই ওটাও আপাত মিথ্যে হয়ে যাবে। কে কার সঙ্গে কোয়ালিশনে ছিল সেই বিত্তান্তে বেস করে আবার কয়েন খুঁজতে হবে, হেড হলে কাশীপুর বরানগরে মাস কিলিং হয়েছিল, টেল হলে হয় নি।
  • সিকি | 132.177.11.108 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:০৫88305
  • এক টাকার কয়েন অছে?
  • PM | 233.223.159.125 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:২২88320
  • সিকি, এই আলোচনায় কি লাভ। তুমি তোমার মতে অটল থাকবে, আরেকজন তার মতে।

    ধরলাম এই ফোরামে সক্কলে এই ব্যাপারে একমত হোলো। তাতে কি এসে গেলো? কারো হাতে পর্যাপ্ত তথ্য প্রমান থাকলে সেটা প্রপার চ্যনেলে পেশ করা উচিত বাজার গরম না করে। আমার এইটুকুই বলার। এই বক্তব্যের সাথে কি দ্বিমত?

    যাকগে এই নন ইস্যু নিয়ে আর সময় সষ্ট করবো না।
  • সিকি | 132.177.163.0 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৩:৪১88321
  • কিছুই এসে যায় না। বেসিকালি এইসব তক্কের কোনও মানে হয় না। মরিচঝাঁপিতেও যে অবরোধ হয়েছিল, তখন পর্যাপ্ত মিডিয়ার প্রেজেন্স ছিল না। নন্দীগ্রামেও যে অপারেশন চালানো হয়েছিল, তাতে ডেলিবারেটলি সমস্ত মিডিয়াকে বাইরে আটকে রেখে অপারেশন চালানো হয়েছিল। প্রমাণ যখন নেই, তখন সৌমিত্র বসুদের লেখাই শেষতম প্রমাণ। এবার সবাই যার যার নিজস্ব রাজনৈতিক বিশ্বাস অনুযায়ী সৌমিত্র বসু বা অপর্ণা সেনদের বিশ্বাস বা অবিশ্বাস করবে, খিল্লি বা সহমর্মিতা দেখাবে, পাতার পর পাতা লেখা বাড়তে থাকবে। যাঁরা বলছেন নন্দীগ্রামে তেমন কিছুই হয় নি, তাঁরা তার সপক্ষে প্রমাণ এনে দেখান, প্রামাণ্য হলে মেনে নেওয়া হবে সৌমিত্র বসুরা ভুল ছিলেন।

    এ কথা আগেও অনেকবার বলা হয়েছে। আবার বলা হল। তথ্যপ্রমাণ সহ কেউ জানান যে নন্দীগ্রামে আসলে অপারেশনের নামে কী হয়েছিল, পুরো লেখা বুলবুলভাজায় তুলে শেয়ার করে দেওয়া হবে। নইলে সৌমিত্র বসুই শেষ কথা। অন্তত আমার কাছে। বেসলেস মতে অটল থাকব, এতটা গাঁট আমি হবো না, কথা দিচ্ছি।
  • cm | 127.247.114.178 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:০৪88306
  • বাঃ নিজের প্রশ্নটা ডাক কল্লেন যে,
    "আমি জানি কিন্তু বলব না"।

    ঠিক কি জানেন বলুন দেখি? তাহলেই বুঝবেন নৈরাজ্যবাদীরা কার চেয়ারে হাওয়া দিচ্ছে। তা কলরববাজি থেমে গেল নাকি!
  • cm | 127.247.114.178 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:০৬88307
  • ক্ষমতাকে অস্বীকারের নৈরাজ্য হলে বার বার ভোট বয়কট করতে বলুন। পিটিদাকে দেখে শিখুন। আপনার বক্তব্যে অন্য এজেন্ডা প্রকট হচ্ছে মনে হয়।
  • aranya | 154.160.226.53 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:২৮88322
  • 'মিথ্যে কেউ বলছে না। কিন্তু সত্যি বলে যারা বাজার গরম করছে তাদের-ও সমর্থন করা হচ্ছে না।'

    এটা মজার :-)

    'যাকগে এই নন ইস্যু নিয়ে আর সময় সষ্ট করবো না'

    'নন ইস্যু' শব্দবন্ধ দুঃখের
  • aranya | 154.160.226.53 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:৩১88323
  • অব্শ্য বিজেপি বা আরএসএস-এর কাছে গোধরা কিলিং-ও 'নন ইস্যু', ফর শিওর
  • সিকি | 132.177.163.0 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৪:৪৯88324
  • নিজের নিজের রাজনৈতিক বিশ্বাসবোধ থেকে সবাইই তো সৎ, ধোয়া তুলসীপাতা। গুজরাত দাঙ্গার জন্য তো অনেকেই গর্বিত।
  • কল্লোল | 125.242.189.191 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৫:০৪88325
  • সিএম।
    আমি খুব পষ্টো করে লিখে দিয়েছি -
    Comment from কল্লোল on 26 October 2014 07:53:45 IST 111.59.29.33 (*) #
    সিএম।
    আমি তো বহুবারই লিখলাম। আস্থা নাই কোন দলে। তাই নোটা।

    আরও পষ্টো করে বলবো?
    তৃণমুল, বিজেপি, সিপিএম কোন দলেই আস্থা নাই।
    নোটা চাই নোটা।
    নৈরাজ্য আসুক। সব দলেরা ভয় পাক মানুষকে।
  • PM | 233.223.159.125 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৫:৪০88326
  • মুসলিমরা যেমন কয়মতের দিনের জন্য আর খৃষ্টানরা জাজ্মেন্ট ডের জন্য অপেক্ষা করে-নতুন বোতলে পুড়নো মদ-মানুষকে কষ্ট ভোলানোর জন্য আরেক নতুন ধর্মমত নতুন প্যাকেজে ঃ)

    " তথ্য প্রমান না পেলে ওমুক যা বলেছে সেটাই শেষ কথা"-আর তথ্য প্রমান দেবার দায়িত্ব অভিযোগকারীর নয়-অভিযুক্তের। এটা একটা সংবিধান বিরোধী অবস্থান যেটা এখন রাজ্য সরকার বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিচ্ছে।

    থ্রেডের বক্তব্য নিয়ে আমার নতুন কিছু বলার নেই। যা বোঝা গেলো তদন্ত--ইত্যাদি কেউ চায় না। সেই সংক্রান্ত কোনো দাবী নেই। রাও কাড়ছে না কেউ সে বিষয়ে। যতটা জল ঘোলা হয় সেই চেষ্টা। আমি হাওয়ায় লড়াই করা থেকে খান্ত দিলাম। আপনারা চালিয়ে যান।
  • aranya | 154.160.226.53 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৫:৪৮88327
  • 'যা বোঝা গেলো তদন্ত--ইত্যাদি কেউ চায় না'

    - অসাধারণ পর্যবেক্ষণ :-)
  • cm | 116.208.39.190 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৬:২৬88328
  • নন্দীগ্রাম ইস্যুতে তদন্তের দাবীতে সোচ্চার হোন।

    কলরবের কি হল?
  • . | 59.207.222.137 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৮:০৮88308
  • রঞ্জন আর কল্লোল এত জানেন আর এটা জানেন না সিপিআই ১৯৭৭ এ ফ্রণ্ট্রের শরিক ছিল না, তাই কালন্তরের লেখাকে প্রামাণ্য হিসাবে চালানো টা বেশ চালাকি। কিন্তু সেকথা ওঁরা বলবেন না তাহলে ওনাদের আসল এজেন্ডাটা প্রকট হবে।
  • PM | 233.223.159.125 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৯:২৭88309
  • এই সব ছোটো খাটো ইঁট খুলে নেবেন না প্লিজ। তাহলে গুরুতে বানানো অনেক সৌধ আর প্রাসাদ-ই ধুলিস্বাত হয়ে যাবে ঃ(
  • | 24.97.142.217 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ০৯:৪৬88310
  • ও আচ্ছা ফ্রন্টের শরিক না হলে সেই কাগজে যা বেরোয় সেসবই আসলে মিথ্যে।
    বাঃ বেশ বেশ

    এই বইগুলোতে যে সব পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট আছে সবই মিথ্যে!
    বাঃ বেশ বেশ।

    কি অবলীলায় বইয়ের পাতা পর্যন্ত না উল্টে কিছু অসম্ভব দুর্দশাগ্রস্ত মানুষের ব্যক্তিগত কথনকে 'মিথ্যে' বলে দেওয়া যায়!!

    তা এতসব 'মিথ্যে' ভেঙ্গে দিতে বইগুলোর সম্পাদকদের নামে, পত্রিকার পরিচালকদের উত্তরসুরীদের নামে মানহানির মামলা করার মুরোদ হচ্ছে না কারো?
  • কল্লোল | 125.242.134.243 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ১০:২০88311
  • সিএম।
    সিপিএম সেরকম অবস্থায় পড়লে (তিনো বা চাড্ডি কাউকে একটা সমর্থন করতে হলে) বিজেপিকেই বাছবে। এটাই আমার - জানি কিন্তু বলদো না।

    হীরক রাণীর টইতে আপনি ও পিএম ঠিক এই রকম প্রশ্নে জবাব দিয়েছিলেন যে আপনারা বরং বিজেপিকেই পছন্দ করবেন।

    সেই কারনেই আমি বলবো না বলেছিলাম। চেয়েছিলাম আপনারাই বলুন - বলেওছেন।

    সেটাই স্বাভাবিক। কারন সিপিএম এই ব্যবস্থাকে টিঁকিয়ে রাখার বিষয়ে দায়বদ্ধ (যদিও পাট্টি পোগ্গামে জনগণতান্ত্রিক বিপ্লব এখনও শোভা পাচ্ছে), তাই কাউকেই সমর্থন করব না - এই সিদ্ধান্ত নিতে চাপ আছে।

    নির্বাচন বয়কট করতে বলবো কেন? এখন তো নোটা আছে। যত বেশী বেশী মানুষ নোটায় ছাপ দেবেন ততই দলগুলো ভয় পাবে।

    তা, আপনার পাল্টি খাওয়া নিয়ে আর কিছু সুভাষিত বাণী?
  • cm | 127.247.112.136 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ১১:১১88312
  • আমি ভেবেছিলাম সিপিএম কি করবে তা আমার লেখা থেকে স্পষ্ট। যাকগে, আমি সিপিএমকে পরামর্শ দেওয়ার কেউ নই তবে প্রেডিকশন নিতান্তই সহজ সিপিএম দল হিসেবে কাউকেই সমর্থন করবেনা। (খেয়াল করবেন বলেছিলাম কাউকে সমর্থন বাধ্যতামূলক নাকি) তবে গোটা আলোচনাটাই হাইপোথেটিকাল কারণ সে অবস্থা আসবে মনে হয় না। আরো খানিকটা সময় আছে। দেখাই যাকনা তদ্দিন তিনোরা কিরকম নিজেরা এককাট্টা হয়ে থাকতে পারে। বিজেপি নবলব্ধ মুসলিম সমর্থনে খুব একটা স্বস্তির জায়গায় নাও থাকতে পারে। কালই শুনলাম অনুপ্রবেশ বিরোধী আন্দোলন শুরু হবে। শুরু হোক তখন দেখি। ভোট ভাগের খেলায় তুলনামূলক কম ভোটেও কেউ জিততে পারে।

    আপনার বাইট মূলত সিপিএম বিরোধী আর এখন যোগ হয়েছে বিজেপি বিরোধ। অর্থাৎ কিনা তিনোর বিরোধীদের আপনিও বিরোধ করছেন অবশ্যই নোটার আড়াল থেকে। সিপিএম বিরোধী অবস্থানে যেমন আপনি পাকা তেমনি আপাতত বিশেষ দল বিরোধী অবস্থান আমার।

    পরিশেষে জানাই রাজনীতিতে কারুরই অবস্থান ধ্রুব নয় পরিবর্তনশীল।
  • sm | 233.223.159.253 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ১১:৫৩88313
  • cm ,আপনি বলেছেন তেমন অবস্থা হলে বি জে পির হাত ধরতে অসুবিধে নেই। পি টি ও আগের একটি পোস্টে লিখলেন, বি জে পি কি অসাংবিধানিক দল নাকি; এইরকম কিছু একটা।
    আম্মো কিছু পোস্টে আগে লিখেছিলাম, জোট বাঁধলে সি পি এম তলে তলে(সামনা সামনি হয়্তহবেনা, লজ্জার খাতিরে) বি জে পি র সঙ্গেই জোট বাঁধবে।কারণ কিছুদিন আগে যে সি পি এম , বিজেপি দেশের বিপদ, সাম্প্রদায়িক বলে হুঙ্কার ছাড়ত ; তারা এখন বি জে পি র বিরুদ্ধে মিউ মিউ করে বা দায়সারা গোছের কিছু কথা বলে।
    আবার দেখুন, বি জে পির, হালে নেওয়া কিছু স্টেপ যেমন ১০০ দিনের বরাদ্দ অর্থ সংকোচনের পরিকল্পনা, ওষুধের দামের ক্যাপ তুলে নেওয়া; এই সবের বিরুদ্ধে কোনো সোচ্চার বাণী ই শোনা যাছে না।
    বঙ্গে তিনমূলের সঙ্গে বি জে পি হাড্ডা হাড্ডি লড়াই করবে। সুতরাং হাত গুটিয়ে বসে থাকলে, সি পি এম নিজের ভোট ব্যান্ক , বিশেষ করে সংখ্যা লঘু ভোট ব্যাঙ্কের ধ্বস নামা রুখতে পারবে না। এবার পিটি ই বলুন কে কাকে অক্সিজেন সাপ্লাই করবে।
  • সিকি | 132.177.11.108 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ১১:৫৬88314
  • আর ইয়ে, প্রশ্ন ডাক করায় একজনেরই প্রতিভা আছে। একমেবাদ্বিতীয়ম টং টং। কল্লোলদা তার ধারেকাছেও কোনওদিন পৌঁছতে পারবে বলে মনে হয় না।

    আমার করা সেই প্রশ্নটর কত মাস যেন হয়ে গেল। এখনও ওপেনই আছে।
  • cm | 127.247.115.4 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ১২:১২88315
  • নাঃ সিপিএম আশ্চর্যজনক ভাবে বাউন্স ব্যাক করবে, হল। ভালো করে নোট করে জপ করুন।
  • PM | 233.223.159.125 (*) | ২৬ অক্টোবর ২০১৪ ১২:৩৬88316
  • "ও আচ্ছা ফ্রন্টের শরিক না হলে সেই কাগজে যা বেরোয় সেসবই আসলে মিথ্যে।
    বাঃ বেশ বেশ

    এই বইগুলোতে যে সব পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট আছে সবই মিথ্যে!
    বাঃ বেশ বেশ।"

    মিথ্যে কেউ বলছে না। কিন্তু সত্যি বলে যারা বাজার গরম করছে তাদের-ও সমর্থন করা হচ্ছে না।

    এতো বড় অভিযোগ নিয়ে এতো বড় বই লেখা হলো আর ৩৫ বছরে একটা PLA করা গেলো না? এই দেখুন সরকার ১২ কোটি টাকা খরচ করেও সারদা তদন্ত আটকাতে পারলো না। রকম কোনো চেষ্টা হয়েছিলো?

    আর "পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট"? ২০০৭ এ নন্দীগ্রামের পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট আর খেজুরীর পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট কি এক হতো? নাকি তার কোনোটার সাথে পরবর্ত্তী কালের সিবিআই তদন্তের অ্যাকাউন্ট এক হয়েছে ?

    ৩৫ বছর আগেকার একটা ঘটনা সত্যি প্রমান করে দোষীকে শাস্তি দিতে গেলে ফোরামে তির মেরে কি লাভ? ছাপা বইএ লিখ হলেই মেনে নিতে হলে তো তাহলে তো KC PAL এর বই ও তো প্রামান্য বলে মেনে নিতে হয়। যদি বাজার গরম করে রাজনৈতিক লাভ চান সেক্ষেত্রে চেষ্টা করতেই পারেন। প্রোপাগান্ডায় হাজার হাজার স্তনবৃন্তের গল্প বলা গনতান্ত্রিক অধীকার। আর যদি চান সত্যি প্রকাশ পাক তাহলে ঠিক জায়্গায় চেষ্টা করতে হবে।

    বাজার গরম না করে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবী জানচ্ছেন না কেনো? সরকার না করলে কোর্টে যাচ্ছেন না কেনো?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন