• বুলবুলভাজা  অপার বাংলা

  • গোড়ায় গলদ

    বিপ্লব রহমান লেখকের গ্রাহক হোন
    অপার বাংলা | ২৪ জুলাই ২০১৬ | ৬৪৩ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • চাপাতিতন্ত্রের ভেতর


    বোধকরি মুক্তচিন্তক মাত্রই একমত হবেন যে, প্রতিক্রিয়াশীলতার দীর্ঘ ছায়ার নীচে মুক্তমনার সংগ্রামটি দীর্ঘতর ও অভিজিৎ রায়দের রক্তে পিচ্ছিল। বোধকরি, পথ বন্ধুর বলেই এ সংগ্রামে আমরা যারা নিজেদের মুক্তমনা বলে দাবি করি, যারা নিজেদের অভিজিৎ রায়ের লোক বলে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করি, তারা চাপাতিতন্ত্রের ভেতর জীবন বাজি রেখেই নিজ নিজ অবস্থান থেকে চেতনার সংগ্রামটিকে এগিয়ে নিতে মরিয়া।



    এ হচ্ছে সেই কোপার্নিকাস-বুনোর উত্তরসূরিতার পথ ধরে চলে আসা অসির সঙ্গে মসির লড়াই। ইতিহাস বলছে, যুগে যুগে মসির কাছে অসি পরাজিত হয়েছে। এ জন্য মূল্য দিতে হয়েছে অনেকটাই, জীবন রক্ত ঘাম সময়—প্রতিক্রিয়াশীলরা এমনই সব অমূল্য সম্পদ কেড়ে নিয়েছে ঠিকই, কিন্তু প্রগতি, মুক্তচিন্তা, জ্ঞান-বিজ্ঞানের সংগ্রামটিকে স্তব্ধ করা যায়নি। যেমন, গলা কেটেই রোধ করা যায়নি অভিজিতদের কণ্ঠস্বর, এক অভিজিতের মর্মান্তিক মৃত্যু বিশ্বজোড়া বাংলা ভাষাভাষীর মধ্যে আরো দ্রুত বিস্তৃত করেছে মুক্তমনার সংগ্রাম।…এক অভিজিতের শাররীক মৃত্যু লাখো কোটি চেতনার অভিজিতের জন্ম দিয়েছে।



    মদিনা সনদে দেশ চলবে?


    আমাদের সরকারের হর্তাকর্তারা তো বটেই, এমনকি সরকারি উজির-নাজির-চাটুকার-টকশো তালেবরবৃন্দ এতোদিন ব্লগার খুন হলে খুনীর বদলে নিহতর “অপরাধ” সনাক্তে বিস্তর সময় ব্যয় করেছেন। গণমাধ্যমে, এমনকি জাতীয় সংসদে হিতাপোদেশ দিয়েছেন, ধর্মকে আঘাত না করে লেখার। কিন্তু তখন জিহাদী জঙ্গিদের বিরুদ্ধে তারা টু-শব্দ করতে ভুলে গেছেন। এ-ও ভুলে গেছেন, আস্তিক হোক, আর নাস্তিক হোক, প্রতিটি হত্যাই ফৌজদারী অপরাধ, এসব অপরাধকে অপরাধ হিসেবেই আমলে নিতে হবে, যথার্থই কাজ করতে হবে হত্যাকারী বিচারে।



    কিন্তু ভোটের অংক কষে হেফাজত ইসলামকে নিজ হেফাজতে নিতে মশগুল সরকার বাহাদুর তখন মদিনা সনদে দেশ পরিচালনার পথে হেঁটেছিলেন। তাই শাহবাগ গণজাগরণের কাল থেকে গত চার বছরে কোনো ব্লগার-লেখক হত্যারই এখনো সুবিচার হয়নি।



    তাই তো অভিজিৎ হত্যার প্রত্যক্ষদর্শী ও তার স্ত্রী, সহব্লগার বন্যা আহমেদকে আক্ষেপ করে লিখতে হয়, এদেশের হত্যার বিচার চাইতে গেলে আকুতি জানাতে হয়।



    অভিজিতের বাবা অধ্যাপক অজয় রায় এই লেখককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, মুক্তমনা এখন বিপন্ন। অভিজিৎ হত্যার বিচারকে সবার আগে প্রাধান্য দেওয়া হবে বলে খোদ প্রধানমন্ত্রী টেলিফোনে তাকে আশ্বাস্ত করলেও তিনি তার কথা রাখেননি।



    আর জঙ্গি হামলায় খুন হওয়া অভিজিতের প্রকাশক ফয়সাল আরেফিন দীপনের বাবা অধ্যাপক আবুল কাশেম তো আক্ষেপ করে বলেই ফেলেন সেই অকপট সত্য, তিনি 


    আদৌ পুত্র হত্যার বিচার চান না, কারণ এদেশে মুক্তমনা হত্যার বিচার চেয়ে লাভ নেই।



    তোমারে বধিবে যে


    জিহাদীদের সিরিজ খুনের চাপাতির কোপ “নাস্তিক ব্লগার” এর পরিধি ছাড়িয়ে শিগগিরই বিদেশী, ভিন্ন ধর্মালম্বী, অধ্যাপক, হোমিও চিকিৎসক, সমকামী, এমনকি মসজিদের ইমাম, শিয়া ও পুলিশ পর্যন্ত গড়ালে শেষমেষ সরকার কিছুটা নড়েচড়ে বসেন। ঢাকাসহ দেশের বেশ কিছু স্থানে অভিযানে জঙ্গি আস্তানার সন্ধান পায় আইন-শৃংখলা বাহিনী। অভিযানে ধরা পড়ে বেশ কয়েকজন সন্দেহভাজন সন্ত্রাসী-জঙ্গি। অবশ্য আমরা মুক্তমনারা আগেই সরকারকে সতর্ক করে বলেছিলাম, ব্লগার খুন হচ্ছে জিহাদের সূচনা মাত্র; খেলাফত, তথা ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার খোয়াবে মশগুল মুজাহিদরা শিগগিরই হত্যার পরিধি বিস্তৃত করবে। রাষ্ট্র দখল করাই যেহেতু তাদের লক্ষ্য, তাই তারা রাষ্ট্রযন্ত্রের ওপর আঘাত হানবে শিগগিরই। আর সরকারি উদাসিনতায়, বলা ভালো, জিহাদীদের প্রচ্ছন্ন প্রশ্রয় দিয়ে শেষ পর্যন্ত তাদের হত্যাযজ্ঞ দেশজুড়ে ছড়াতে দেওয়ার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে। …



    ঠিক এমনিভাবেই বিএনপি-জামাত সরকারের প্রত্যক্ষ আশ্রয়ে সে সময় গড়ে ওঠা জঙ্গি নেতা বাংলাভাই সম্পর্কে জানতে চাইলে তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফজ্জামান বাবর সাংবাদিকদের বলেছিলেন, বাংলা ভাই-ইংশিল ভাই কাউকে খুঁজে পাচ্ছি না। ১৯৭১-এর ঘাতক, বিএনপি সরকারের মন্ত্রী, জামাতের আমির মতিউর রহমান নিজামী ছিলেন আরো এক কাঠি এগিয়ে, সাংবাদিকদের বলেছিলেন, বাংলা ভাই বলে নাকি কেউ নেই। সবই নাকি মিডিয়ার সৃষ্টি!  



    বিশ্বাসের ভাইরাস


    গোকূলে বেড়ে ওঠা জিহাদীরা এরই মধ্যে এক সপ্তাহের ব্যবধানে গুলশানে ও শোলাকিয়ায় দুটি বড় ধরণের হামলা চালিয়ে পুরো বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিয়েছে। দেশ-বিদেশের চাপে সরকারও বাধ্য হয়েছেন, আগের নমনীয় অবস্থান থেকে সরে এসে “জঙ্গি বিরোধী জিরো টলারেন্স” নীতি ঘোষণা করার।



    এখানে লক্ষ্যনীয়, হলি আর্টিজানে একসঙ্গে ১৭ বিদেশিসহ ২০ জনকে জঙ্গিরা খুন না করে যদি কোনো ব্লগার সমাবেশে একই হত্যাযজ্ঞ চালাতো, তাহলে কী দেশে-বিদেশে একই প্রতিক্রিয়া হতো? সরকারের পাশাপাশি সাধারণ মানুষ এখন যেভাবে জঙ্গি বিরোধীতায় সোচ্চার, তখন কী তারা একইভাবে সোচ্চার হতেন?



    সবচেয়ে বিস্ময়কর হচ্ছে, জঙ্গি হামলার ঘটনায় যাদের বিচার করার কথা, তারাও এখন জঙ্গিদের বিচার চাইছে। আর ব্লগার খুনের জন্য প্রকাশ্যে ফতোয়া দেওয়ায় যে হেজাজতি শফি হুজুরকে বিচারের মুখোমুখি করা খুবই জরুরি, তিনিও দেখি সেদিন বিবৃতি দিয়ে ধর্মের নামে মানুষ হত্যা অ-ইসলামিক বলে নতুন ফতোয়া দিয়েছেন!


    আরো লক্ষ্যনীয়, গুলশান থেকে শোলাকীয়ার হামলাকারীরা সকলেই ধনী ঘরের ছেলে, ইংলিশ মিডিয়াম পড়ুয়া, উচ্চ শিক্ষিত—এই তথ্য বেরিয়ে আসার পর উচ্চবিত্ত শ্রেণী নড়েচড়ে বসেছেন। এতোদিন “নাস্তিক ব্লগার খুন” মাদ্রাসার বিপথগামীতা ও দূরাগত বিষয় বলে তাদের কাছে মনে হলেও রাষ্ট্রের মূখ্য পরিচালক এই শ্রেণীটি এখন জঙ্গি সমস্যাকে স্বার্থগত কারণে নিজেদের ব্যক্তিগত সমস্যা বলে ভাবতে শুরু করেছেন। নিজ নিজ সন্তানের পথোভ্রষ্টতা নিয়ে তারাও শংকিত।  



    এরই ধারাবাহিতায় এখন কেঁচো খুড়তে সাপ ও পরে অ্যানাকোন্ডা বেরিয়ে আসছে।



    জিহাদ আমদানী হচ্ছে


    সম্প্রতি ড়্যাব যে ২৬২ জনের নিখোঁজের তালিকা প্রকাশ করেছে, তাদের অনেকেই জঙ্গি গ্রুপের সঙ্গে জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই তালিকার কয়েকজন নিহত জঙ্গির নাম তো আছেই, আছেন বৈমানিক, প্রকৌশলী, চিকিৎসক, শিক্ষক থেকে শুরু করে ছাত্র-ছাত্রীরাও।


    খবরে প্রকাশ, আইন-শৃংখলা বাহিনীর অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, তালিকায় রয়েছে একটি ঢাকার একটি চিকিৎসক পরিবারের নাম, যারা কিছুদিন আগে জিহাদে যোগ দিতে স্বপরিবারে সিরিয়ায় পাড়ি জমিয়েছেন।



    যশোরের একজন কলেজ শিক্ষিকাও একাইভাবে পরিবারসহ চলে গেছেন সিরিয়ায়।



    চট্টগ্রামের আরেক প্রকৌশলী জিহাদ করতে জাহাজের চাকরি ছেড়ে দিয়ে ইরাক ও সিরিয়ায় গেছেন বলে তার পরিবারকে জানিয়েছেন।



    খবরে আরো প্রকাশ, জিহাদীদের অনেকেই মালয়শিয়া ফেরৎ ও বেসরকারি নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন। মালয়শিয়ায় দীর্ঘদিন আইএস ঘাঁটি গেড়ে প্রশিক্ষণ শিবির চালাচ্ছে। আর নর্থসাউথে কয়েক বছর ধরে ছাত্র-শিক্ষকদের সহায়তায় জঙ্গিগ্রুপ হিজবুত তাহরীর খুলে বসেছে রিক্রুট সেন্টার।   



    প্রশ্ন হচ্ছে, গুলশান হামলায় না হয় “কাফের নাসারা” কতল করা হলো, কিন্তু শোলাকিয়ায় ঈদের জামাতে কেন জঙ্গিরা হামলা করতে গেল? কেন মুসলিম হয়ে মুসলিম ভাইদের ওপর আঘাত? কেন এই ফ্রেন্ডলি ফায়ার? এটি আর কিছুই নয়, জঙ্গিরা সহি ইসলাম কায়েম করতে চায়। আর ঈদের নামাজ সহি ইসলাম নয়। কারণ, বছর দুয়েক আগে আইএস ফতোয়া দিয়ে সিরিয়ায় ঈদের নামাজ নিষিদ্ধ করেছে। তাদের ভাষ্যমতে, নবীজী ঈদের নামাজ পড়তেন না, তাই ঈদের নামাজ পড়া হারাম!


    সহি ইসলাম চেয়েছে বলেই গুলশানে জঙ্গিরা হিজাবধারী বেশকয়েকজন দেশি-বিদেশি জিম্মীকে ছেড়ে দেয়েছ, যারা ঠিকঠাক মতো আয়াত বলতে পেরেছেন, সে সব বাঙালিদের মুক্তিও মিলিছে। হলি আর্টিজানের জিম্মী দশা থেকে মুক্ত কর্মচারিরাও এরকম ভাষ্য দিয়েছেন বলে খবরে প্রকাশ।



    আর গুলশান হামলার পর পরই আইএস, তথা সাইট ইন্টেলিজেন্ট জিহাদী পাঁচ জঙ্গির অস্ত্রসহ ছবি ও নামধাম প্রকাশ করেছে। দুদিন পর আরো তিন বাঙালি যুবকের একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেছে আইএস, যেখানে গুলশান হামলার প্রশংসা করে বাংলা ও ইংরেজিতে যুবকেরা জিহাদে ঝাঁপিয়ে পড়তে আহ্বান জানাচ্ছে।


    আগেও ব্লগারসহ ভিন্নমতের জনদের খুন করার পর আইএস এসব হত্যার দায় স্বীকার করে টুইট করেছে। সরকার পক্ষ বলেছে, দেশে নাকি কোনো আইএস নেই, দেশিয় জঙ্গিরাই আইএস-এর নামে এসব টুইট করছে।



    আর এবার গুলশান অপরেশনের পর  হাতেনাতে প্রমান হলো, আইএস-ই পরিচালিত করছে এসব হত্যাযজ্ঞ, আফগানিস্তান, পাকিস্তানের পর এখন জঙ্গিরা বাংলাদেশকে বেছে নিয়েছে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে, তাদের অস্ত্র-শস্ত্র, টাকা-পয়সা, আশ্রয়, প্রশিক্ষণ শিবির তো রয়েছেই, জঙ্গিরা এখন সুইসাইডাল মিশনে বেপরোয়া।…



    কাঁটায় কাঁটা নাশ?


    খবরে প্রকাশ, দেশের ২৩ শতাংশ প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে জাতীয় সংগীত গাওয়া হয় না। জাতীয় পতাকা উত্তোলিত হয় না ৯ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে। আর ৪৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠানে নেই সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা। এই যখন মূলধারার শিক্ষা প্রাথমিকের প্রকৃত চিত্র, তখন মাদ্রাসা শিক্ষার বেহাল দশা সহজেই অনুমেয়।



    বলা ভালো, সরকারের কথিত জঙ্গি বিরোধী জিরো টলারেন্স নীতি শুরু থেকে কার্যকর হলে সহজেই হয়তো এতো প্রাণনাশ এড়ানো যেতো। জঙ্গিরাও ভেতর থেকে দুর্বল হতো অনেকাংশে। কিন্তু দৃশ্যতই তা হয়নি, বিষবৃক্ষটিকে অবাধে বেড়ে উঠতে সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।



    কিন্তু ইতিহাস বলছে, শুধু অস্ত্রে জিহাদী সন্ত্রাস বন্ধ করা যায় না। বিশেষ করে জিহাদ যখন সুইসাইডাল হয়, তখন তো নয়ই। আফসোস, মগজ ধোলাই হওয়া জিহাদীরা যদি ভাবতে পারতেন, আইএস কাদের সৃষ্ট, এর অস্ত্র-অর্থের উৎস, নিরীহ মানুষ বধে ক্ষতি কার, লাভই বা কার, জিহাদীরা কাদের ক্রিড়ানক, তাহলে হয়তো পুরো কর্মযজ্ঞ কঠিন হতো, কিন্তু তা হওয়ার নয়, জঙ্গিদের ধর্মের নামে ভাবনার জগৎটিকে একপেশে করে তৈরি করা হয়েছে একেকটি মুজাহিদ কিলিং মেশিন। তাই শুধু বল প্রয়োগে ফ্যানাটিক ফারাবি থেকে শুরু করে নিবরাসদের দমন করা যাবে না। আর দু-একটি মাদ্রাসা বা পিস টিভি বন্ধই যথেষ্ট নয়।  



    আসলে প্রয়োজন সন্ত্রাস-জঙ্গিবাদের উৎসমুখ বন্ধ করা। জঙ্গিবাদের ছানাপোনা উর্বরভূমি মাদ্রাসা শিক্ষার আমূল সংস্কার চাই। দরকার ইংরেজি শিক্ষারও সংস্কার। পুরো শিক্ষা ব্যবস্থাটিকেই অভিন্ন অসাম্প্রদায়িক-বিজ্ঞানমনস্ক শিক্ষানীতির ভেতরে পরিচালনা জরুরি। কাজটি কঠিন, কিন্তু অসম্ভব নয়। দেশপ্রেমিক সরকারের সদিচ্ছা, জনসচেতনা তো বটেই, পারিবারিক শিক্ষা-দীক্ষাও জরুরি।



    তবে রাস্তায় নামি চলো


    আমাদের কলেজে পড়ুয়া গিটারিস্ট ছেলে অদ্বিত অনন্ত সেদিন গুলশান হামলার পর একটি নতুন গানের খসড়া করেছে। তার শেষ কথাগুলো অনেকটা এরকমঃ



    “…যতো আলপনা সব আমরা আঁকবো


    যতো ভেজা রক্ত ধুয়ে ফেলি না হয়


    এখানে থাকবে না কোনো মগজ-ধোলাই


    পিছলে পড়বে না কোনো মেধাবী সন্তান


    চাপাতি থাকবে শুধু কসাইয়ের হাতে


    একজন নারী নিশ্চিন্তে ঘরে ফিরবে রাত ১২টায়


    সবাই হয়ে উঠবো তরতাজা


    দুশ্চিন্তগ্রস্থ মানসিক রোগি নয়


    এখানে আমরা সবাই রাজা।



    এখনো নামবে না রাস্তায়?



    তবে পুরো পৃথিবী রক্তাক্ত গুলশান হতে


    আর বেশি দূর নেই


    এইতো কাছেই দেখা যাচ্ছে-


    সেদিন মৃত্যুর সাক্ষী শুধু আমি থাকবো।…”



    অর্থাৎ তৃতীয় প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধার আহ্বান, মুক্তমনাদের অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে জোটবদ্ধ হওয়াটা জরুরি। অধ্যাপক অজয় রায় যেমন বলেন, জঙ্গিগোষ্ঠীর বিপক্ষে প্রগতিশীল-মুক্তচিন্তার মানুষদের সংগঠিত হয়ে এসব হত্যাকাণ্ডের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া দরকার। বুদ্ধিজীবী, লেখক, সাংবাদিক, ছাত্র, শিক্ষকসহ সব শ্রেণীপেশার মানুষের একত্রিত হওয়া চাই।



    বটম লাইনে- কলম চলবে।…

  • বিভাগ : অপার বাংলা | ২৪ জুলাই ২০১৬ | ৬৪৩ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
আরও পড়ুন
বিনোদ - Pradip Ray
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ekak | 53.224.129.61 (*) | ০১ আগস্ট ২০১৬ ১২:৩৩81737
  • নিরীশ্বরতা বৈজ্ঞানিক সত্য নাকি ? কোন বইতে /থিওরিতে /পেপারে প্রমাণিত ?

    বিজ্ঞান এমরাল । ঈশ্বরের এরিয়া নিয়ে ভাবিত নয় । আলাদা করে নিরীশ্বরতা প্রমান কোনো বৈজ্ঞানিক করেছেন বলে তো শুনিনি ।

    অন্যদিকে রাজনীতি -ধর্ম এগুলোর ফাউন্ডেশন মোরালিটির বিভিন্ন এরিয়া জুড়ে । কাজেই তারা ঈশ্বর -নীরিশ্বর এসব নিয়ে মাথা ঘামায় । সে সমর্থন -বিরোধিতা যাই করুক ।
  • কুমড়োপটাশ | 198.155.168.109 (*) | ০১ আগস্ট ২০১৬ ১২:৩৬81738
  • দাঁড়ান দাঁড়ান, আগে বলেছিলেন জার্মান, এখন বলছেন সুইস। তাহলেও এই বক্তব্য যদি সে করে থাকে সেটা পানিশেবল অফেন্স। এর সঙ্গে ব্রেক্সিটের কোনো কানেকশান নেই। য়িহুদীদের বিরুদ্ধে কোনো মন্তব্য এভাবে করা যায় না। সেকেন্ড ওয়ার্লড ওয়ার বলে একটা ব্যাপার হয়ে গেছে। কাজে কাজেই নিয়মকানুন অনেক অন্যরকম। সুইস জার্মান মানে আমাদের এলাকার লোক। তারা যত বড় হেটারই হোক এরকম মন্তব্য কক্ষনো করবে না। এবং য়িহুদীদের এখন হেট করা হয় না। সেকেন্ড ওয়ার্লড ওয়ার অনেক কিছু পাল্টে দিয়েছে। এসব অঞ্চলে ঘৃণা প্রকাশের পদ্ধতি বলুন কি স্টাইল, অন্যরকম। মুখের ওপর ওরকম কেউ বলে না, তা সে শিক্ষিত হোক কি অশিক্ষিত। যাইহোক, বিশ্বাস যে হয়নি সেটা এখন কনফার্মড। আর কিছু বলছি না। আলোচনা চলুক।
  • π | 24.139.209.3 (*) | ০১ আগস্ট ২০১৬ ১২:৩৯81698
  • আপনার বক্তব্য বা উদ্দেশ্যটা কী ? দুনিয়ার মুসলিমকে গাল দেওয়া আর দুনিয়ার মুসলিমদের গাল না দিলে তাদের আতলামি বকে হাততালি কুড়োনো ( আগেও বোধহয় অন্য এক সূত্রে এইসব বলেছিলেন, মিডিয়াতে গিয়ে মুখ দেখানো না কি), এইসব বলে গাল দেওয়া ?
    তো, তাতে কী আচিভড হচ্ছে ? আপনি আপনার রূপরেখাটা দিন না। উদ্দেশ্য যদি মৌলবাদ কমানো হয়, তো ইসলাম আর মুসলিমকে তেড়ে গাল দিয়ে সেটা কীকরে আচিভ করছেন বা করবেন ভাবছেন, তার ফল কী হচ্ছে, একটু দেখান।
    নাকি দুনিয়া থেকে সব মুসলিমকে সাফা করে দিতে হবে ?
  • aranya | 154.160.226.94 (*) | ০১ আগস্ট ২০১৬ ১২:৪৫81699
  • হুম, অভিজিতের সাথে ফারাবী-র অনেক দিন ধরে ডায়ালগ চলেছিল বটে, তাতে খুন হওয়া আটকায় নি।
    কিন্তু তাও ডায়ালগ ছাড়া কী ই বা করার আছে?
  • T | 24.100.134.9 (*) | ০১ আগস্ট ২০১৬ ১২:৪৭81739
  • এককের জন্য :)
  • π | 24.139.209.3 (*) | ০১ আগস্ট ২০১৬ ১২:৪৮81700
  • না না, আমি খুব স্পেসিফিকালি জানতে চাই, ওঁদের সল্যুশানটা কী ? বা ওঁরা কী আচিভ করতে চাইছেন।

    ( কোথাও গিয়ে কী মারিয়ে হাততালি কোড়াতে চাইছেন, এধরণের কোন আক্রমণ করে স্পেকুলেশন অবশ্য করলাম না, সেটাই অমিতবাবুর কথা বলার ধরণ হলেও)
  • কুমড়োপটাশ | 198.155.168.109 (*) | ০১ আগস্ট ২০১৬ ১২:৫২81740
  • আমি কোনো লিংক বা কার্টুন দিতে পারব না, তবে এই ঢপটা জাস্ট হজম হয় নি। সেইজন্যেই ফ্যাক্ট চেক করার কথা বলেছিলাম।
  • aranya | 154.160.226.94 (*) | ০১ আগস্ট ২০১৬ ১২:৫৩81701
  • আর একটা পয়েন্ট - 'বিশ্বাসের ভাইরাস' বা ঐ ধরণের বই পড়ে কিছু ছেলে মেয়ে ধর্মের পথ ছেড়ে যুক্তি, বিজ্ঞানের পথ ধরতে পরে, সেটা ভাল ব্যাপার।

    অভিজিৎ মারা যাওয়ার পর একটি বাংলাদেশী ছেলের লেখা পড়েছিলাম, কিছু লোক তাদের ব্রেইন ওয়াশের চেষ্টা করত, সে ও তার বন্ধুরা মৌলবাদের দিকে ঝুঁকছিল, এমন সময় 'বিশ্বাসের ভাইরাস' বইটা হাতে আসে। সেটা পড়ার পর চিন্তায় অনেক পরিবর্তন হয় ইঃ
  • Ekak | 53.224.129.61 (*) | ০১ আগস্ট ২০১৬ ১২:৫৩81741
  • আপনার কোন এলাকা তো আমি জানিনা :) তার অরিজিন সুইস জার্মান । বাড়ি এন আর ডাব্লিউ-র কোন একটা সিটি তে । জিউ হেট্ করা আইনগতভাবে মারাত্মক অপরাধ এটা আমি জানি । আর সে কখনো জিউরা খারাপ বাজে লোক এরোকোম সরাসরি বলেনি । আগেই লিখেছি । ঠিক কোনো একজন থার্ড পার্টি নিয়ে কথা হচ্ছে যে খুব চতুর ডেভিলিস টাইপ তখনি টুক করে জুড়ে দেবে : লাইক আ জিউ । এবং খুব সার্কাস্টিক টোনে এসিফ খুব মজার কিছু বললো ।

    এবার আপনি আপনার অভিজ্ঞতা থেকে কে কনফার্ম করবেন আপনার ব্যাপার । আমিও আলাদা করে আর কিছু বলছিনা ।
  • π | 24.139.209.3 (*) | ০১ আগস্ট ২০১৬ ১২:৫৬81702
  • আমি একদম স্পেসিফিক্যালি অমিতবাবুর রূপরেখা জানার আগ্রহে বসে আছি। কোন রেটোরিক নয়।
  • 0 | 213.163.241.109 (*) | ০১ আগস্ট ২০১৬ ১২:৫৭81743
  • ঈশ্বরের কনসেপ্টও এমরাল। যেমন বৌদ্ধধর্মের অষ্টাঙ্গিক মার্গের মরাল ডকট্রিনগুলো ঈশ্বরের কনসেপ্ট ছাড়াই প্রচলিত।

    ইথারের অস্তিত্বের মতন ঈশ্বরের অস্তিত্বের যে ভুল (প্রাকৃতিক সৃষ্টির পেছনে সচেতন স্রষ্টার সম্ভাব্য অস্তিত্বের) কল্পনা মানুষ করেছিল তার বহু প্রমাণ নানান বৈজ্ঞানিক সত্য আবিষ্কৃত হবার মধ্যে দিয়ে মানুষ ক্রমাগত পেয়েছে এবং এখনও পেয়ে চলেছে।
  • কুমড়োপটাশ | 198.155.168.109 (*) | ০১ আগস্ট ২০১৬ ১২:৫৭81742
  • আমার এলাকাও সুইসজার্মান।
  • Ekak | 53.224.129.61 (*) | ০১ আগস্ট ২০১৬ ১২:৫৮81744
  • ওরকম হয় :) নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে দুনিয়া মাপলে অন্যরকম তথ্যকে ঢপ মনে হয় । বিগ কর্পোরেটে এমন নিয়ম থাকে যে কেও মুখ ফুটে অফিসিয়ালি কোন আনএথিক্যাল কথা বলেনা । তাই ব্যাঙ্গালোর এসে প্রথমবার যখন স্যাপ এর এক বন্ধুকে বলেছিলুম কান্নাদিগা রা মালয়ালিদের দের এতো হেট্ করে কেন ? সে চমকে উঠেছিল । কারণ তাদের অফিসে অমন অসাংবিধানিক কথাবার্তা কেও মুখে আনবেনা । তুলনায় আমার অফিস স্টার্ট আপ । অভিজ্ঞতা আলাদা ।
  • Biplob Rahman | 129.30.39.223 (*) | ০২ আগস্ট ২০১৬ ০৩:১৫81769
  • মুক্তমনার আর্কাইভ ঘেঁটে দেখলাম, অভিজিতদা খুন হওয়ার অল্প কিছুদিন আগেই বেসরকারি নর্থ সাউথ বিপদ সম্পর্কে অনুসন্ধানী ব্লগ নোট লিখেছিলেন। মূলধারার গণমাধ্যমে এ নিয়ে লেখালেখি করে সরকারকে সতর্ক করতে চেয়েছেন।

    কিন্তু জিহাদের বিরুদ্ধে পাল্টা জিহাদ ঘোষণা করা বর্তমান হাসিনা সরকার তখন সে সব আমলে নেয়নি। উল্টো "ধর্মানুভূতিতে আঘাত দিয়ে লেখালেখির" জন্য মুক্তমনাদের ছবক দিয়েছেন। ফলে পরিস্থিতি অনেকটাই চলে গেছে নিয়ন্ত্রনের বাইরে।

    https://blog.mukto-mona.com/2013/03/05/34105/

    অবিশ্বাসের দর্শন প্রশ্নে অশোক বাবুকে ক।

    আপনাদের আলোচনা চলুক। (ওয়াই)
  • dc | 120.227.229.43 (*) | ০২ আগস্ট ২০১৬ ০৩:১৭81770
  • অশোকবাবুর পোস্টের সাথে অনেকটা একমত, শুধু দেমাকের জায়গাটা বাদে (আমার মতে দেমাক থাকা অবশ্যই উচিত না, কারন ফলসিফায়েবিলিটি বিজ্ঞানের বা ফিলসফি অফ সায়েন্সের একটা মূল স্তম্ভ, সেখানে দেমাকের কোন জায়গাই নেই)।

    আর b যে প্রোপোজিশনটি দিয়েছেন অনেকটাই ওরকম একটা প্রোপোজিশান আমি প্রায়ই ব্যাবহার করি, রাসেল'স টিপট (এই বাক্যে কেউ কোনরকম পান খুঁজে পেলে জানবেন সেটি অনিচ্ছাকৃত)।

    টিপট প্রোপোজিশন এখানে আছেঃ

    http://rationalwiki.org/wiki/Russell's_Teapot
  • cm | 127.247.99.135 (*) | ০২ আগস্ট ২০১৬ ০৩:৩১81779
  • ঈশ্বর একটি কনসেপ্ট, ওর কোন প্রমাণ হয়না। সব কনসেপ্টের সবার প্রয়োজন হয়না, যার হয় সে বুঝে বা কখনো কখনো না বুঝেও তার সফল প্রয়োগ করতে পারে।
  • প্রমাণ | 195.100.86.69 (*) | ০২ আগস্ট ২০১৬ ০৪:১১81771
  • প্রমাণ তো প্রত্যক্ষ । মানে ঈশ্বর হলেন ডানাওয়ালা বেগুনী রসগোল্লা যাকে অনেকে চাক্ষুষ করেছেন । বিজ্ঞান কীভাবে এটা অপ্রমাণ করল সেটা রহস্যাবৃত ।
  • T | 165.69.198.44 (*) | ০২ আগস্ট ২০১৬ ০৪:২৩81772
  • ধুর, ঈশ্বর যে ডানাওয়ালা বেগুনী রসগোল্লা এ তো হামেশাই লোকে দেখছে। তাও আবার রীতিমতো বিজ্ঞানসম্মত ভাবেই দেখছে। কিচ্ছু রহস্যাবৃত নয়।
  • dc | 120.227.229.43 (*) | ০২ আগস্ট ২০১৬ ০৪:২৬81773
  • রসে টইটম্বুর ঈশ্বর।
  • Abhyu | 57.32.74.28 (*) | ০২ আগস্ট ২০১৬ ০৪:৫৪81774
  • “আমি নরেন্দ্রকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, মনে কর যে, এক খুলি রস আছে, আর তুই মাছি হয়েছিস ; তুই কোনখানে ব’সে রস খাবি ? নরেন্দ্র বল্পে, আড়ায় ( কিনারায় ) ব’সে মুখ বাড়িয়ে খাব। আমি বললুম, কেন ? মাঝখানে গিয়ে ডুবে খেলে কি দোষ ? নরেন্দ্র বললে, তা হ’লে যে রসে জড়িয়ে ম’রে যাব। তখন আমি বললুম, বাবা সচ্চিদানন্দ-রস তা নয়, এ রস অমৃতরস, এতে ডুবলে মানুষ মরে না, অমর হয়।”
  • dc | 120.227.229.43 (*) | ০২ আগস্ট ২০১৬ ০৪:৫৯81775
  • সচ্চিদানন্দ-রস?

    মানে...আচ্ছা, সে তো বটেই। অ্যাপ্রোপ্রিয়েট।
  • avi | 113.220.208.140 (*) | ০২ আগস্ট ২০১৬ ০৫:০৩81776
  • একদা এক ঐশ্বরিক চেতনায় সমৃদ্ধ গানকে কিছু অসুস্থ মানুষ অপোসমস্কিতি হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। আজ তার আধ্যাত্মিক বৈশিষ্ট্য ও অন্তর্নিহিত অর্থ সম্যক অনুধাবন করলাম।
  • Arpan | 233.227.251.47 (*) | ০২ আগস্ট ২০১৬ ০৫:০৯81777
  • খুলিটা একক আনাতে পারলেই তাতে রস ভরে এক্ষপেরিমেন্ট করা যাবে।
  • দেমাক | 186.10.104.243 (*) | ০২ আগস্ট ২০১৬ ১১:০৬81778
  • দেমাকি বৈজ্ঞানিক নাচ -
  • dc | 132.174.71.109 (*) | ০৩ আগস্ট ২০১৬ ০৬:২৮81781
  • একককে ধন্যবাদ লিংকটা দেওয়ার জন্য, পড়তে ভালো লাগলো। পুরো লেখাটার আসল জায়গা বোধায় এটাঃ Science is not about certainty. Science is about finding the most reliable way of thinking at the present level of knowledge. Science is extremely reliable; it’s not certain. In fact, not only is it not certain, but it’s the lack of certainty that grounds it. বিজ্ঞান হলো মানুষের তৈরি একটা মডেল, যা দিয়ে রিয়েলিটিকে এক্সপ্লোর করা যায়। রিয়েলিটি বলে কিছু আদৌ আছে কিনা, সেই রিয়েলিটি অবজেক্টিভ আর ইন্ডিপেন্ডেন্ট কিনা, সেটাকে মডেলিং করা যায় কিনা এসব নানান প্রশ্ন আছে। সেজন্যই বিজ্ঞান আর দেমাক এর একেবারে ইনভার্স রিলেশান।
  • 0 | 132.163.96.1 (*) | ০৪ আগস্ট ২০১৬ ০১:৩৩81783
  • কি অদ্ভুত ব্যাপার হলো শুরু
    গণ-অ্যাগ্‌নোসিয়ায় আক্রান্ত গুরু :-))
  • 0 | 132.163.96.1 (*) | ০৪ আগস্ট ২০১৬ ০১:৩৮81784
  • অ্যাগ্‌নোসিয়াটা বড্ড স্ট্রং, ওটা উইথ্ড্র করলাম।
    গণ-অ্যাগনোস্টিসিজ্‌মে আক্রান্ত গুরু :-)
  • cm | 127.247.96.27 (*) | ০৪ আগস্ট ২০১৬ ০১:৪৪81785
  • এক চশমা বেশি ব্যবহার করলে ঐ হয়। মাঝে মাঝে পাল্টানো দরকার।
  • Biplob Rahman | 129.30.32.98 (*) | ০৪ আগস্ট ২০১৬ ০৪:৩২81782
  • এই সুযোগে আমিও একটা ঝেড়ে দেই।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন