• বুলবুলভাজা  আলোচনা  বিবিধ

  • তাহলে, শিকার শুরু হয়ে যাক

    শোভন পান্ডা লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ১৫ জুন ২০১৬ | ৯৭৮ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • তাহলে, শিকার শুরু হয়ে যাক


    আরে না,না। কোনও যুদ্ধ বিগ্রহের কথা হচ্ছে না!  স্রেফ আর একটা চিৎকৃত বিজ্ঞাপন। দেখেছেন হয়তো যে ক’দিন ধরে ‘বহুল প্রচারিত’ দৈনিকগুলোর মুখ ডেকে রেখেছে। কী বেচতে চাইছে বলুন তো? ঠিক ধরেছেন। এস ইউ ভি। আধুনিকতার  প্রতীক। কী হল? ‘শিকার’ শব্দটা খচ খচ করছে? দ্যাখো কান্ড!  ওটা তো এখন ‘ফূর্তি’র  প্রতিশব্দ। শিকার মানেই বেজায় ফূর্তি নয় কি? আচ্ছা নিন, এই আরেকটা দেখুন। “ক্ষমতা মেশে আয়েশ-এ এসে”। আরেকটা এসইউভি। কুল না? আরে, ক্ষমতা তে যদি আয়েশই না হল তাহলে আর ফূর্তি কোথায়? কিম্বা ঝাঁ চকচকে রাস্তা দিয়ে উড়তে উড়তে আয়েশের ক্ষমতাটাই না টের পেলেন?     


    রাস্তা। উন্নয়নের অনিঃশেষ তৃষ্ণা নিয়ে যে সমালোচকরা দিন রাত্তির খিটখিট করেই যাচ্ছেন তাঁদের মুখের মতো জবাব।   প্রগতির জন্য আপনার উদ্বেগেরও।   এই রাস্তাটি গেছে দূর্গাপুর শিল্পনগরী থেকে  কৃষিভিত্তিক বাঁকুড়া জেলা পর্যন্ত, দু-পাশের চোখ জুড়োনো মাঠ-ঘাটের মধ্যে দিয়ে এঁকে বেঁকে, প্রগতি পরিবহন করে। হ্যাঁ, উন্নয়ন কিন্তু সত্যিই চুঁইয়ে পড়ছে। নৃপেন রুইদাস কে আর হীনম্মন্যতায় ভুগতে হয় না “চাষার ব্যাটা চাষাই” হয়েছে বলে।   রাস্তাটা  হয়ে যাওয়ায় তার গ্রাম প্রতাপপুর থেকে সাইকেল চালিয়েই দূর্গাপুরের  স্পঞ্জ আয়রন কারখানায় যাচ্ছে। সে আর ‘পিছিয়ে পড়া কৃষক’ নেই কিন্তু। রীতিমত একজন সর্বহারা যে দিন-রাত্তির যেকোনও সময়ে কারখানায় যেকোনও শিফটে কাজে যোগ দেওয়ার জন্য সাইকেল নিয়ে রওনা দিচ্ছে। আর এই একই রাস্তায় এসইউভিরাও শিকারে বেরোচ্ছে।   


    এই রাস্তার ওপরেই  ক্ষমতা আয়েশে এসে মেশার সময়  একটা এসইউভি নৃপেন রুইদাসকে শিকার করলো। তার বাঁ পাটা হাঁটুর তলা থেকে আক্ষরিক অর্থেই চুরমার হয়ে গেল। এমন ভাবে যে  তাকে তুলে দূর্গাপুরের সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময়  চামড়া আর মাংসের টুকরোগুলোকে রাস্তাতেই ফেলে আসতে হলো। এমার্জেন্সির ডাক্তারবাবুরও এরকম হুশহুশ করে রক্ত পড়ে যাওয়া রুগী আর তার  মারমুখো সঙ্গীসাথীদের দেখে হাত পা ঠান্ডা হওয়ার যোগাড়।  তবু মোটামুটি সাহস সঞ্চয় করে  ব্যাখ্যা করলেন যে, রুগীকে বাঁচাতে হলে ছিঁড়ে যাওয়া রক্তনালিকাগুলোকে এক্ষুণি বেঁধে দিতে হবে আর তার ফলে ওই পা’য়ে রক্তচলাচল বন্ধ হবে। এমনিতেও পায়ের যা অবস্থা তাতে ওটা সারানোর কোন উপায় নেই। তাই যাই করা হোক না কেন, ওই পা বাদ না দিয়ে উপায় নেই। তবে  অঙ্গচ্ছেদ খুব একটা সুখকর প্রস্তাব তো নয়, তাই  রুগীর বন্ধুরা আরও ক্রোধান্বিত হলো।  কিন্তু সৌভাগ্যের বিষয়, তাদের কেবল ক্রোধটাই ছিলো না, আধুনিকতা নিয়ে কাঙ্খিত সচেতনতাও  ছিলো। উন্নয়ন আর প্রগতির প্যাকেজের মধ্যেই আধুনিক চিকিৎসা এবং ‘সুপার স্পেশালিটি’ হাসপাতাল সম্পর্কে এই ‘সচেতনতা’ চুঁইয়ে আসে। নৃপেন রুইদাস আর তার বন্ধুরাও তার প্রসাদ থেকে বঞ্চিত নয়।  কাজেই অযথা  সময় নষ্ট না করেই ওখানে ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে ওঠা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালগুলোর মধ্যে একটার কাচের দরজা ঠেলে তারা ঢুকে পড়লো।


    একদম সঠিক সিদ্ধান্ত। কর্পোরেট হাসপাতালের সামনের ডেস্কে বসে থাকা সপ্রতিভ মহিলা  আশ্বস্ত করলেন। ওই হাসপাতালেই তো রয়েছেন সেরা ভাস্কুলার সার্জেন। সেটা কী বস্তু? সার্জেন নিজেই ব্যাখ্যা করলেন।  তিনি ইউএস থেকে ডিগ্রী এনেছেন, ছেঁড়া রক্তনালিকা জোড়ার ট্রেনিং নিয়েছেন সিঙ্গাপুরে। মিঃ রুইদাস প্রতাপপুর থেকে আসতে পারেন, কিন্তু বন্ধু, এটা তো বিশ্বায়িত গ্রাম। ওনাকে একটা সুযোগ তো দিন। হ্যাঁ, ব্যাপারটা শুধু একটা চেষ্টা করে দেখা।  সে চেষ্টাতে  ওনার পা ঠিক হতে পারে, নাও পারে। আর... ইয়ে... মানে এতে কিছু খরচাও হবে।  কিন্তু তা বলে তো আর তাকে সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা যায় না। তা সে সুযোগে ভাল হওয়ার সম্ভাবনা যত ক্ষীণই   হোক না কেন!


    নৃপেন রুইদাস সুযোগ পেলো। কিছু খরচাও হল। এই পাঁচ লাখের মতো। সপ্তাহখানেক পর আরও কিছু দিতে হলো। মানুষে তো আর তাত্ত্বিক সম্ভাবনায় ভর করে হাঁটে না। তাই আট  দিনের মাথায় তার পা কেটে বাদ দিতে হল। সেটার জন্য আরও পঞ্চাশ হাজার পড়লো।  


    না, তারা কোনও নালিশ করেনি। আফশোষও করেনি। শত হলেও, তারা তো নৃপেনকে বাঁচাতেই চেষ্টা করেছিলো। কপালে নেই তো কি করা যাবে। আর কপাল তো টাকা দিয়ে    কিনতে পাবেন না। তাই না? 


    এই জন্যেই শিকার এত মিষ্টি।  এততো মজার। শিকার সর্বত্র আদৃত। এসইউভি’র  নতুন নতুন ল্যান্ডস্কেপের  খোঁজে,  বিনিয়োগের নতুন নতুন চারণভূমি’র  খোঁজে। স্পঞ্জ আয়রন কারখানাতেও, আবার কর্পোরেট হাসপাতালেও। শিকারীর কাছেও, শিকারের কাছেও।  


    হ্যাপি হান্টিং!  


    অনুবাদঃ সোমেন বসু 

  • বিভাগ : আলোচনা | ১৫ জুন ২০১৬ | ৯৭৮ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | 24.97.12.84 (*) | ২১ জুন ২০১৬ ০২:৫৬81153
  • হুঁ ওনাকে কেউ 'মেসেজ' করে টই দেখতে বলেছে আর উনি এসেই প্রকাশিত বুবুভা সম্পর্কে বিশেষ কিছু না বলে সোওজা লোকজনকে 'মাছি' ছাগল' (ছাগল টা কাঁঠালপাতার নীচে ক্যামোফ্ল্যাজ করে বলা) ইত্যাদি বলছেন। আমার এতে এটাই ইমপ্রেশন হল যে অফলাইনে মেসেজের মাধ্যমে দল পাকিয়ে এসে অকাতরে গালি দেওয়া টন্ট করা হয়েছে।
  • | 24.97.12.84 (*) | ২১ জুন ২০১৬ ০৩:০০81154
  • অন্য সাইটের সাথে একই সাইটের বিভিন্ন অংশের তুলনা চলে না তো। এই পেজটা স্ক্রোল করে উঠে বাঁদিকে ক্লিকালেই ভাট খোলে।

    আর ভাটের কথা আলোচনা ক্যামোফ্ল্যাজ করে বিরুদ্ধমতাবলম্বীদের খোঁচা দেওয়া যখন চলে তখন শুধু একপক্ষকে চুপ করতে বলাটা কেমন যেন।
  • dc | 132.164.234.236 (*) | ২১ জুন ২০১৬ ০৩:০৩81155
  • ঈশানের পোস্টের প্রথম দুটো প্যারা পছন্দ হলো।

    প্রথম প্যারা প্রসঙ্গে, হ্যাঁ দুপক্ষই খোঁচাখুঁচি করেছে, কাজেই দেবব্রতবাবুর কাঁঠালপাতা, মাছি ইতাদি নিয়ে আমার তেমন কোন মন্তব্য নেই। অনলাইন ফোরামে এসব হয়েই থাকে, দায়িত্ব টায়িত্ব নেওয়ারও দরকার নেই।

    আর সেকেন্ড প্যারায়, উই হ্যাভ এগ্রিড টু ডিসেগ্রি। আমার দিক থেকে ইতি ঃ)

    মহামতি ইলিচকে নিয়ে টই খুললে পড়বো, উইকিতে ওনার সম্বন্ধে যেটুকু পড়লাম তার মধ্যে একটায় দেখলাম উনি এডুকেশানাল ওয়েব তৈরিতে আগ্রহী ছিলেন। তা এখনকার সোশ্যাল মিডিয়া বা অনলাইন লার্নিং ইত্যাদি তো বোধায় সেদিকেই এগোচ্ছে। এসব নিয়ে লেখালিখি হলে ভালোই হয়।
  • Pi | 222.77.220.108 (*) | ২১ জুন ২০১৬ ০৩:০৯81156
  • একেবারে সময় ন্বেই। পরে লিখবো। এক্লাইন লিকে জাই। ইভান ইলিচ মে নিয়েই নাম র কিছু কথার উল্লেখমাত্র খিল্লির বন্যা বয়্স গেছিল। এখানে। হাটে। অন্য কেয় বলাতে সুরিয়াস আলোচনার কথা এল। তার মানে সিরিয়াসলি কিছু দেখা যায় কিনা সেটাও তো দেখা হয়না। খিল্লির সুযোগ চলে এলেই। তাহলে কি খিল্লি কোন নোন দ'êত্রে হতই খালি সুযোগের অপেক্ষা ?
  • Pi | 222.77.220.108 (*) | ২১ জুন ২০১৬ ০৩:১০81157
  • ধুর কীসব এল ঃ((

    যহোক র সময় নেও, পরে।
  • bhagidaar | 106.2.247.250 (*) | ২১ জুন ২০১৬ ০৩:১৪81158
  • এতো এককের ওপর দিয়ে যাচ্ছে!
  • Pi | 222.77.220.108 (*) | ২১ জুন ২০১৬ ০৩:১৬81159
  • মানে বলার অন্য কিছু থ্হকলে তা বাদ দিয়ে ঝিল্লির এলিমেন্ট এলে সেটা নিয়েই পড়ে যাবার একটা ন্যাচারাল টেন্ডেন্সি হয়ত আমাদের সবার মধ্যেই আছে। আবার সেটায় পড়ে যাওয়া হয় বলেই অন্য দিকগুলো নিয়ে হয়ত সিরিয়াসলি দেখি ঈ না। হয়ত ওটাই লোকাল মিনিমা ;)
  • dc | 132.174.111.196 (*) | ২১ জুন ২০১৬ ০৪:০৪81160
  • মহামতি ইলিচ কে নিয়ে তো আমিও খিল্লি করেছি। সেটা কিছুটা এই টইতে যে কনটেক্সটে এসেছে সেইজন্য, আর কিছুটা চেলোমমের সাইটে ইলিচের গাড়ির অ্যাভারেজ গতি মাপার অংকের উল্লেখ আছে সেইজন্য। ঐভাবে যদি ইলিচ সায়েব গাড়ির গতি মেপে থাকেন তো সেটা অবশ্যই খিল্লির উপাদান। ইন্টারনেটে এই চেলোমম টাইপের ক্র্যাকপট সাইট প্রচুর আছে, সেসব নিয়ে অন্য বিভিন্ন সাইটে প্রচুর খিল্লি হয়ও (আরেকটা উদাহরন মনে এলো, সায়েন্টোলজি)। আর এর বাইরে ইলিচ সায়েব এডুকেশান নিয়ে সিরিয়াস কিছু লিখে থাকলে, যেমন উইকি পড়ে মনে হয়েছে, আর সেটা নিয়ে কেউ কিছু লিখলে, সিরিয়াসলি পড়ব।
  • ঈশান | 183.21.199.39 (*) | ২১ জুন ২০১৬ ১২:০২81145
  • ধুর, ব্ল্যাংকি বারের আড্ডার সমস্ত টপিক লিখুক আগে, তারপর এসব মানব। এতদ্ভিন্ন লোকজনকে চারদিকে সততই বোকা** বলে সম্বোধন করতে দেখি আড্ডা টাড্ডায়। গুরুতে কাউকে দেখিনি। সব জায়গারই ডেকোরাম আছে, এখানেও আছে। বেসিক জিনিস, এ নিয়ে নতুন করে তক্কো ফেঁদে লাভ নেই।

    আর এই 'আমি তিনো ও গাম্বাটদের খিল্লি করি' এইটা বলতে গিয়ে দেখা হলনা, যে, বহু লোকেই 'আমি সিপিএম ও গাম্বাটদের খিল্লি করি' মোডে চলেননা। পাবলিক ফোরাম যখন, কে গাম্বাট আর কে নয় সে হিসেব কে করবে জানা নেই যখন, তখন দা ফেভার শুড বি রিটার্নড।
  • R2h | 76.87.85.7 (*) | ২১ জুন ২০১৬ ১২:১১81146
  • মনের মাজার পীড়ের তো বটেই, তবে ঐতিহাসিকতা দেখতে গেলে শিশুটকের জনৈক শিশুর ঃ)
  • ঈশান | 183.21.199.39 (*) | ২১ জুন ২০১৬ ১২:১৪81147
  • তাহলে অভি কী বলতে চেয়েছে বুঝতে পারিনি। বুঝিয়ে দিলে উত্তর দেব।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। মন শক্ত করে প্রতিক্রিয়া দিন