• বুলবুলভাজা  ধারাবাহিক  শিক্ষা

  • উচ্চশিক্ষার অধিকার ও সুব্বির লড়াই (প্রথম পর্ব)

    অনিকেত পথিক লেখকের গ্রাহক হোন
    ধারাবাহিক | শিক্ষা | ১৭ মে ২০১৯ | ৪৮৫ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • প্রথম পর্ব | দ্বিতীয় পর্ব

    সুব্বি-র লড়াইয়ের গল্প

    গল্পটা একজন উজ্জ্বল যুবকের, অনেক প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়ে যিনি কানপুর আই আই টি-র মত প্রথম সারির একটা প্রতিষ্ঠানে ঢুকতে পেরেছিলেন। কিন্তু গল্পটা শুধু তাঁর সাফল্যের নয়, চাকরী পাবার পর সহকর্মীদের তরফ থেকে তিনি যে অহেতুক শত্রুতার শিকার হয়েছিলেন, আর যেরকম শান্তভাবে অথচ দৃষ্টান্তমূলক দৃঢ়তার সঙ্গে তার মোকাবিলা করেছিলেন এটা আসলে সেই গল্প। মানুষের চরিত্র ও নীতিবোধ যে কতখানি ভঙ্গুর হতে পারে, পরশ্রীকাতরতা যে মানুষের নিজস্ব আচরণ কিভাবে ধ্বংস করে দিতে পারে সেটা চাক্ষুষ করার জন্যও গল্পটা সকলের জানা দরকার।

    কানপুর সমেত সমস্ত আই আই টির শিক্ষক গোষ্ঠীতেই সংরক্ষিত শ্রেণীর প্রতিনিধিত্ব নেহাৎই নগণ্য। সেই ফাঁক ভরাতেই ২০১৭ সালের অগস্ট মাসে শুধুমাত্র সংরক্ষিত শ্রেণীর কাছ থেকে আবেদনপত্র চাওয়া হয়েছিল। যথারীতি জমা পড়া আবেদনের মধ্যে থেকে বাছাই করে কিছু কিছু আবেদনপত্র সংশ্লিষ্ট দপ্তরে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল। এরোস্পেস ইঞ্জিনিয়ারিং দপ্তরের জন্য আবেদন করেছিলেন অন্ধ্রপ্রদেশের বাসিন্দা, এই গল্পের নায়ক, তার নামটা সংক্ষেপে লেখা যাক সুব্বি, যিনি এম টেক আর পি এইচ ডি দুইই করেছেন কানপুর আই আই টি থেকে। যাঁর অধীনে করেছেন, সেই প্রফেসরই (এ কে জি) তখন বিভাগীয় প্রধান।

    নির্বাচনের অন্তরালে

    এইসব ক্ষেত্রে সাধারণতঃ আবেদনকারীদের নিজের কাজের ওপর একটা বক্তৃতা (জব-টক) দিতে ডাকা হয়, সেখানে কিছু প্রশ্নোত্তরের মধ্যে দিয়ে একপ্রস্থ যাচাই হওয়ার পর তাঁদের টক-এর ফলাফল, অনুমোদনপত্র (রেকোমেন্ডেশন), যোগ্যতামান ইত্যাদি খুঁটিয়ে দেখে নির্বাচিত কিছু আবেদনকারীকে সরাসরি ইন্টারভিউতে ডাকা হয়। তার আগে এই প্রার্থীদের বিষয়ে সমস্ত তথ্য পর পর অনেকগুলো কমিটিরর হাতে যাচাই হয়, যার মধ্যে বিভাগীয় প্রধান, বিভাগের প্রবীণ ও অভিজ্ঞ কিছু শিক্ষক, অধিকর্তা, বিভিন্ন বিভাগীয় ডিন এমনকি কয়েকজন বাইরের সদস্যও থাকেন। ইন্টারভিউ-এর পর চূড়ান্ত পর্যায়ের নির্বাচিত প্রার্থীদের নিয়োগ করা হয়। মোটের ওপর পদ্ধতিটা খুবই জটিল এবং যথাসম্ভব নিরপেক্ষ, যার প্রথম পর্যায়ে সুব্বি কেও বক্তৃতা দিতে ডাকা হল, আর গল্পটা শুরু হল সেখান থেকে।

    আরে ! দেখো কে আবেদন করেছে !

    নিয়মমত এই বক্তৃতাগুলোয় সকলেরই আসার সুযোগ থাকলেও সাধারণতঃ যে বিভাগের ‘টক’ সেখানকার শিক্ষক-গবেষকরাই এই টক শুনতে আসেন। এই ক্ষেত্রে কিছু ব্যাতীক্রম দেখা গেল এরোস্পেস বিভাগ ছাড়াও মেকানিক্যাল ইঞ্জনিয়ারিং এর কিছু শিক্ষককেও দেখা গেল এই টক শুনতে। এই রকম টক-এর সময় নানারকম প্রশ্নোত্তরের মধ্যে দিয়ে বক্তার জ্ঞান-বুদ্ধির একটা মূল্যায়ণ চলে, তাই কঠিন কঠিন প্রশ্ন করা হিসেবের মধ্যেই থাকলেও সাধারণতঃ আমন্ত্রিত বক্তাকে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ করা হয় না। সুব্বি যদিও নিজের বিভাগে নিজের মাস্টারমশাই ও বন্ধুদের সামনে টক দিতে খুবই উৎসাহিত ছিলেন কিন্তু আলোচনাসভায় তাঁকে কেউ কেউ সরাসরিই বিদ্রুপ করলেন। তবে যাবতীয় প্রতিকূলতা সত্ত্বেও সুব্বির টক ভালোই উতরে গেল, দু-একজন ছাড়া বেশির ভাগ শিক্ষক সুব্বি-র স্বপক্ষেই মতামত দিলেন, এবং সংক্ষেপে বলতে গেলে পরবর্তী যাবতীয় পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে যাবার পর সুব্বি কানপুর আই আই টি-র শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপত্র পেলেন।

    চূড়ান্ত পর্যায়ের নির্বাচন কমিটিতে ছিলেন সদ্য নিযুক্ত অধিকর্তা ডঃ মণীন্দ্র আগরওয়াল, যিনি লিখেছেন যে কমিটির তিনজন সদস্য একমত হয়ে সুব্বি-র নিয়োগকে সমর্থন জানিয়েছিলেন। (বলে রাখা ভালো বিভিন্ন পর্যায়ের কমিটির মধ্যে বিভাগীয় প্রধান এ কে জি ছিলেন না। সুব্বি-র পি-এইচ-ডি-র গাইড হিসেবে কোনোরকম পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে যাতে না ওঠে সে জন্য তিনি নিজেকে আগেই সরিয়ে নিয়েছিলেন।) সুব্বি যে বিশেষ বৈশিষ্ট্যযুক্ত UAV (Unmanned Air Vehicle) বানিয়েছেন সেটা নিয়ে ওঁরা খুবই উচ্ছসিত ছিলেন। ওই ধরনের দক্ষতা খুব বেশি লোকের নেই আর সেইজন্যই সুব্বিকে পেলে আই আই টি কে (কানপুর)-র মঙ্গল। সুতরাঙ সুব্বি-র স্বপ্ন সার্থক হল, নিজের প্রতিষ্ঠানে উনি শিক্ষক হয়ে যোগ দিলেন, এক সময়কার শিক্ষকরা তাঁর সহকর্মী হয়ে গেলেন। সেটা নভেম্বর মাস।

    তিন সপ্তাহে স্বপ্নভঙ্গ !

    কয়েকদিনের মধ্যেই বিভাগের কয়েকজন প্রবীণ শিক্ষক অধিকর্তার কাছে গিয়ে অভিযোগ করলেন যে সুব্বি-র নিয়োগটা একটা ভুলভাল সিদ্ধান্ত, উনি এই রকম প্রতিষ্ঠানে পড়াবার যোগ্য নন, মানসিকভাবেও স্থির নন এমনকি ঠিকমত ইংরেজীও নাকি বলতে পারেন না। এতজন সম্মাননীয় ব্যক্তি একজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানালে ব্যাপারটা কিছুটা গুরুত্ব পায় কিন্তু যেহেতু সুব্বি তখন যোগদান করে ফেলেছেন আর ডঃ মণীন্দ্র নিজে ইন্টারভিউ তে তাঁকে ঝরঝরে ইংরেজী বলতে শুনেছেন তাই তিনি এই নিয়ে আর জল ঘোলা করতে বারণ করলেন। অভিযোগকারীরা জানিয়ে গেলেন যে তাঁরা ছাড়বেন না, আর তারপর ঘটনাগুলো পরপর ঘটতেই থাকল।

    • বিভাগের বিভিন্ন আলোচনায় সুব্বিকে বাদ রাখা হতে লাগল
    • সকলের উপস্থিতিতে কেউ কেউ বলতে লাগলেন বিভাগের গুণমান দিন দিন এমন নেমে যাচ্ছে তিনি অন্য কোথাও চলে যাবার কথা ভাবছেন
    • কেউ সরাসরি ই-মেল করে সহকর্মীদের মধ্যে সুব্বি-র বিষয়ে বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ছড়াতে লাগলেন; কেউ জানালেন একটা ভুলভাল নিয়োগের কারনে বিভাগের মান পড়ে যাচ্ছে
    • এইসব এত দ্রুত ঘটতে লাগল যে মাত্র জানুয়ারীর আট তারিখেই সুব্বি এসে ডঃ মনীন্দ্রকে জানালেন যে তাঁকে যদি প্রতিষ্ঠান যোগ্য মনে না করে তাহলে তিনি এক্ষুণি সরে যেতে রাজি। ডঃ মণীন্দ্র তাঁকে চুপচাপ নিজের পড়ানো আর গবেষণার কাজে মন দিতে পরামর্শ দিলেন কারণ সব গুজবই একদিন থেমে যাবে ।
    • ১০ই জানুয়ারী সুব্বি সহ দুজন কনিষ্ঠ সহকর্মীকে বাদ দিয়ে বিভাগের এক দীর্ঘ রুদ্ধদ্বার বৈঠক হল, যার শেষে বিভাগের ১২ জন সদস্যের স্বাক্ষরিত চিঠি পৌঁছল অধিকর্তা ডঃ মণিন্দ্র-র হাতে যেখানে সুব্বির নিয়োগ নিয়ে নানারকম কটাক্ষের সঙ্গে এই নিয়োগের সময় কেন তাঁদের মতামত নেওয়া হয়নি সেই উষ্মাও প্রকাশ করা হয়েছে তীব্রভাবে।
    • কয়েকদিনের মধ্যে সুব্বি বিরোধি শিবির কোনও রাখ-ঢাকের তোয়াক্কা না করে প্রচার শুরু করে দিল। বারান্দায়, ক্যান্টিনে, রাস্তার ধারে যেখানে সম্ভব তাঁরা সবাইকে শুনিয়ে খোলা গলায় আলোচনা করতে লাগলেন। আই আই টি-র মত একটা ছোট্ট জায়গায় কিছুদিনের মধ্যেই ব্যাপারটা জানাজানি হয়ে গেল, প্রায় সবাই এরোস্পেস বিভাগের একজন অযোগ্য কর্মীকে নিয়ে আলোচনা করতে লাগলেন, যে নাকি ‘হেড-ডিপ’-কে হাত করে (পড়ুন তেল মেরে) চাকরী পেয়েছে আর কাউকে তোয়াক্কা করছে না। এর দরুণ খুব তারাতাড়িই এমন হল যে সবাই সুব্বি-কে এড়িয়ে চলতে লাগল আর ওঁর পেছনে ফিসফাস করতে লাগল।

    বলতে গেলে যাঁর পরিবারে লেখাপড়ার চলই নেই তেমন পরিবার থেকে উঠে আসা একজন উচ্চাকাঙ্খী মেধাবী তরুণ ইঞ্জিনিয়ার যিনি যোগ্যতাবলেই একটা প্রথমসারির প্রতিষ্ঠানে চাকরী পেয়েছেন, তাঁকে ভেঙেচুরে দিতে আর কি লাগে !


    ক্রমশঃ
    কানপুর আই আই টি-র তদানীন্তন ডিরেক্টর ড. মনীন্দ্র আগরওয়ালের লেখা অবলম্বনে।

    প্রথম পর্ব | দ্বিতীয় পর্ব
  • বিভাগ : ধারাবাহিক | ১৭ মে ২০১৯ | ৪৮৫ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • কোনোরকম কর্পোরেট ফান্ডিং ছাড়া সম্পূর্ণরূপে জনতার শ্রম ও অর্থে পরিচালিত এই নন-প্রফিট এবং স্বাধীন উদ্যোগটিকে বাঁচিয়ে রাখতে
    গুরুচণ্ডা৯-র গ্রাহক হোন
    গুরুচণ্ডা৯তে প্রকাশিত লেখাগুলি হোয়াটসঅ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত হোন। টেলিগ্রাম অ্যাপে পেতে চাইলে এখানে ক্লিক করে আমাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলটির গ্রাহক হোন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • স্বাতী রায় | 781212.194.2334.97 (*) | ১৭ মে ২০১৯ ০১:১৪78626
  • সত্যি কথা বলতে কি একজন আউটসাইডার হিসেবে এই ঘটনাটা একদম অবিশ্বাস্য মনে হয়েছিল! আই আই টি, যে কিনা একটা আইকনিক প্রতিষ্ঠান, সারা বিশ্বজোড়া নাম - সেখানে এই রকম খুললাম খুল্লা নোংরামি হতে পারে সেটা ভাবনার অতীত! কিন্তু তারপর মনে পড়ল এক আই আই টি অধ্যাপকদের কোন গুরুর আশীর্বাদে এক সহকর্মীর বৌ এর সন্তানলাভের ঘটনাকে ঘিরে উৎসাহ প্রকাশ - পৃথিবীতে নাকি অনেক কিছু ঘটে যেটা বিজ্ঞান দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না !
  • Mahua | 566712.225.450112.65 (*) | ১৭ মে ২০১৯ ০৭:৩৩78624
  • তারপর?
  • Aniket Pathik | 232312.15.3467.241 (*) | ১৭ মে ২০১৯ ১১:১০78625
  • কানপুর আই আই টি-র তখনকার ডিরেক্টর দক্তর মনীন্দ্র আগরওয়ালের একটি লেখা অবলম্বনে এই কাহিনী। পরের পর্ব আসছে।
  • পারমিতা | 785612.40.341212.57 (*) | ১৮ মে ২০১৯ ০৭:৪০78627
  • সুব্বি এই লড়াইয়ে জিতে গেছেন মনেহয়। কাগজে পড়েছিলাম।
  • শিবাংশু | 5645.249.2378.250 (*) | ১৮ মে ২০১৯ ১০:০৮78628
  • যুদ্ধের পরের পর্ব শোনার অপেক্ষায়...
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভ্যাবাচ্যাকা না খেয়ে প্রতিক্রিয়া দিন