এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • বুলবুলভাজা  আলোচনা  বিবিধ

  • যাদবপুর - আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি

    অভিষেক তুঙ্গা লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ | ১৩৫১৩ বার পঠিত
  • যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ছাত্র সংসদের থেকে আমরা একটি চিঠি পাই। সেটি খোলা চিঠি হিসেবে প্রকাশ করা হল। বলা বাহুল্য, লেখার বক্তব্য ও দৃষ্টিভঙ্গি লেখকের নিজস্ব।


    ----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------


    ঠিক কী ঘটেছিল ?


      ঘটনার সূত্রপাত চতুর্থ বর্ষের ছাত্র PRINTING DEPT. এর মানিক হালদার এবং CONSTRUCTION DEPT. এর অনুপম ঘোষ ও IT DEPT. এর দ্বিতীয় বর্ষের একটি ছাত্রকে দিয়ে। সকলেই থাকত JADAVPUR UNIVERSITY-এর SALTLAKE CAMPUS-এর হস্টেলে। দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রটি এসেছিল দার্জিলিং থেকে, স্বাভাবিকভাবেই রয়ে গিয়েছিল ভাষা ও সংস্কৃতিগত ভিন্নতা। যদিও দার্জিলিং থেকে আসা বহু ছাত্র-ছাত্রীই ক্রমশ মিশে যায় যাদবপুরের সংস্কৃতির সাথে, এক্ষেত্রে তা হয়নি। প্রথম বর্ষেই যে কারণে ছাত্রটি কথা কাটাকাটির মধ্যে চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্রের নাকে ঘুষি চালায়। তবে তখনকার মতো ঝামেলাটি নিজেদের মধ্যে মিটিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনাপ্রবাহে ছাত্রটি নিজেকে আরও গুটিয়ে নিতে থাকে।


                         দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রটি অবৈধভাবে হস্টেলে নিজের রুমে দুজন প্রথম বর্ষের ছাত্রকে রাখতে শুরু করে। গত ২২এ অগাস্ট চতুর্থ বর্ষের প্রিন্টিং টেকনোলজির ছাত্র তথা হস্টেলের anti-ragging squad এর প্রাক্তন সদস্য মানিক হালদার তা হস্টেল সুপারের নজরে আনে, এতে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রটি প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এরই মধ্যে কেউ বা কারা দ্বিতীয় বর্ষের ছেলেটির ঘরের কাঁচ ভেঙ্গে দিয়ে যায়। কে বা কারা ঘটনাটি কেন ঘটাল নাকি ঘটনাটি নিছকই দুর্ঘটনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ২৩শে অগাস্ট ঘটনাটি নিজেদের মধ্যেই মিটিয়ে নিতে হস্টেলে একটি মিটিং বসে যেখানে মানিক, অনুপম ও অন্যান্য ছাত্ররাও উপস্থিত ছিল। মিটিং-এ দু-তরফেই উত্তপ্ত কথা কাটাকাটি চলে, ২য় বর্ষের ছাত্রটি সাহস থাকলে one to one লড়াই-এর চ্যালেঞ্জ জানাতে থাকে। এরই মধ্যে অনুপম মেজাজ হারিয়ে ২য় বর্ষের ছাত্রটিকে চড় মেরে বসে। যদিও মিটিংটি শেষ হয় সবাই-সবাই কে ক্ষমা চেয়ে নিয়ে। এমনকি অনুপম ও সেই ছাত্রটি পরস্পরকে কোলাকুলিও করে।


                        পরের দিন কেউ ২য় বর্ষের ছাত্রটির দরজার বাইরে মলত্যাগ করে যায়। এরকম পশুচিত কাজ কোন জানোয়ার করে গেল কে জানে, কিন্তু ২য় বর্ষের ছাত্রটি UGC –এর ওয়েবসাইটে অভিযোগ দায়ের করে। (অভিযোগটি র‍্যাগিং এর অভিযোগ হিসেবে দায়ের করেনি)



    এর পরের ঘটনাপ্রবাহঃ


    ১) VC ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিন সদস্যের একটি FACT FINDING COMMITTEE তৈরি করে। যদিও কোন ছাত্র কোনোভাবেই এই তদন্ত কমিটির বিন্দুমাত্র অস্তিত্ব টের পায়নি।


    ২)এই কমিটি অনুপম ও মানিককে ডেকে পাঠায় ও সেদিনের চড় মারার ঘটনার স্বীকারোক্তি নানা ছলা-কৌশলে লিখিয়ে নেয়। যদিও এরা জানতই না এই কমিটি আসলে তথাকথিত র্যামগিং-এর তদন্ত কমিটি। এমনকি এই কমিটি ঘটনাস্থলে উপস্থিত সবাইকে জেরা করেনি।


    ৩) গত ১০ই  সেপ্টেম্বর anti-ragging committee-এর মিটিং ডাকা হয়, কোন agenda ছাড়াই। যেখানে on table agenda –য় এই প্রসঙ্গটির উত্থাপন করা হয়। যেহেতু প্রায় সব ছাত্রছাত্রীরাই র‍্যাগিং–এর বিরোধী, তাই ছাত্র-সদস্যরা ঘটনাটি র‍্যাগিং ধরে নিয়ে শাস্তির পক্ষে সম্মতি দিয়ে আসে, একমাত্র সল্টলেক ক্যাম্পাসের সদস্য মিঠুন ও সাধারণ সম্পাদক সৌভিক ছাড়া। এরা অল্পবিস্তর ঘটনাটি সম্পর্কে ওয়াকিবহল ছিল। শাস্তির পূর্বে নিয়ম অনুযায়ী অনুপম ও মানিককে শোকজ করা হয়।


    ৪) show-cause –এর জবাব পাওয়ার আগেই registrar মিডিয়াতে শাস্তির ঘোষণা করে দেয়।



    আমাদের বক্তব্য কী?


    ১) যে কেউ অভিযোগ করতেই পারে তাকে র‍্যাগিং করা হয়েছে,কিন্তু প্রকৃতই র‍্যাগিং হয়েছে কিনা,তার সঠিক অনুসন্ধান হওয়া উচিত।


    ২) গোটা ঘটনায় মানিক এর দোষ অবৈধভাবে রুম-এ ছাত্র রাখার ঘটনা সুপার-এর নজরে আনা! অনুপমের দোষ উত্যক্ত কথাকাটাকাটি মধ্যে চড় মেরে বসা,যেটা আবার নিজে মিটিয়েও ফেলে। বাকি ঘটনাগুলো কারা করেছে প্রমাণিত নয়, তাহলে কি করে এই দুজনকে র‍্যাগিং এর শাস্তি দেওয়া হচ্ছে?


    ৩) Fact Finding Committee এভাবে লুকিয়ে অনুসন্ধান চালানো কেন? এমনকি Anti Ragging Committee-এর মেম্বারও জানতে পারলো না!


    ৪) Anti Ragging Committee Meeting-এর আগেও agenda তে কেন সদস্যদের Ragging-এর অভিযোগ বা মিটিং এর বিষয়ে কিছু জানাল হল না?


    ৫) একটি বচসার ভিত্তিতে যদি Ragging-এর শাস্তি দেওয়া হয়, তাহলে কাল football মাঠে offside নিয়ে বচসা বা প্রেম নিয়ে senior-junior-এর মধ্যে গণ্ডগোলকেও Ragging বলে চালানো হবে।


    ৬) তবে চড় মারার ঘটনা অবশ্যই অনভিপ্রেত ও অপ্রীতিকর,তাই Hostel-এর Code of Conduct-এর নিয়ম অনুযায়ী অভিযুক্তের শাস্তি পাওয়া উচিত।


    ৭) কাচ ভাঙ্গা ও মলত্যাগ এর ঘটনা কঠোরভাবে নিন্দনীয়,অভিযুক্তদের অবিলম্বে খুঁজে বের করে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া উচিত।



    আমাদের দাবী কী?


    ১) এত অবিচার ও অস্বছত্তার জন্য  Anti Ragging Committee Meeting পুনরায় ডেকে পুরো ঘটনাটির পুনরালোচনা করা হোক।


    ২) যতক্ষণ না পুরো ঘটনাটির পুনারালোচনা করা হচ্ছে, ততক্ষণ শাস্তি লাগু করা যাবে না।



    আরো কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তরঃ


    ১) ভিসি (উপাচার্য) কি আইনবিরোধী কিছু করেছেন?


    - র‍্যাগিং-এর শাস্তির আইন তো রয়েছেই, কিন্তু কর্তৃপক্ষ মিথ্যে অভিযোগে ব্যবস্থা নেবেন এরকম কোনও আইন নিশ্চয়ই নেই। কিন্তু এক্ষেত্রে সেটাই তো হয়েছে।


    ২) আমরা কেন আচার্য (রাজ্যপাল)-এর কাছে যাচ্ছি না?


    - ভিসি নিজে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী। তিনি যদি এখানকার ছাত্রদের রুচি এবং মূল্যবোধ গুলিকে মাথায় না রেখে শুধুমাত্র মিথ্যে অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিতে চান, তাহলে আমরা বাইরের কাউকে কীভাবে ভরসা করবো? আর, আচার্যের কাছে যাওয়া মানে তো পক্ষান্তরে মেনেই নেওয়া যে ভিসির ক্ষমতার আওতায় বিষয়টা মেটানো যাচ্ছে না।


    ৩) কর্তৃপক্ষ কি র‍্যাগিং-এর অভিযোগকে পুনর্মূল্যায়ণ করতে পারেন?


    - পারেন না এরকম কোনও আইন কিন্তু নেই। তার মানে নতুন করে তদন্ত ও বিচার করাই যায়।


    ৪) আমরা কেন আলোচনার বদলে আন্দোলনের (শান্তিপূর্ণ হলেও) রাস্তা বেছে নিলাম?


    -আমরা ভিসির সঙ্গে দেখা করেছিলাম, তিনি বললেন যে ইউজিসিকে রিপোর্ট পাঠানো হয়ে গেছে, ফলে সিদ্ধান্তগুলো আর পুনর্বিবেচনা করা যাবে না। সেক্ষেত্রে আলোচনার কোনও রাসতা তিনি খুলে রাখতে দিলেন না। ফলে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করতে হল।


    ৫) আমাদের আন্দোলনে কেন ভিসি, প্রোভিসি ও রেজিস্ট্রারকে অমানবিক ভাবে ঘেরাও করে রাখা হয়েছিল?


    - আমরা কাউকেই ঘেরাও করিনি। তাঁরা চাইলেই বেরিয়ে যেতে পারতেন। কিন্তু তাঁরা নিজেরাই থেকে গেছিলেন। তাঁদের কাছে খাবার জল বা ওষুধ ও পৌঁছোচ্ছিল। কিন্তু বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা মোটেও স্বাভাবিক ছিল না। স্বাভাবিক পড়াশোনার পরিবেশ বেশ কিছুদিন ধরেই ব্যাহত হচ্ছিল। সে নিয়ে তাঁদের খুব হেলদোল দেখা যায় নি।


    ৬) প্রো ভিসি অসুস্থ জানা স্বত্ত্বেও তাঁকে কেন আটকে রাখা হল?


    - আগেই বলা হল কাউকে আটকে রাখা হয় নি। মিডিয়ায় প্রো ভিসি-র অসুস্থতার খবর পাওয়ার সঙ্গেসঙ্গে তাঁর সঙ্গে আমরা দেখা করি। তিনি জানান যে ঠিক আছেন, কিন্তু আমরা তাঁকে আবারও বলি তিনি চাইলেই চলে যেতে পারেন। পুরো কথোপকথনটাই ভিডিও রেকর্ড করা আছে। মিডিয়া অন্যভাবে প্রচার করছে, কিন্তু মিডিয়া যেটা দেখাচ্ছে না যে তিনজন ছাত্র গুরুতর ভাবে অসুস্থ, তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


    ৭) ফেটসুর জিএস অ্যান্টি র‍্যাগিং কমিটির মিটিং-এ গিয়ে কেন ছাত্রদের শাস্তির পক্ষে মত দিয়েছিল?


    - ভুল তথ্য। অ্যান্টির‍্যাগিং কমিটির মিটিং-এর মিনিট দেখলেই সেটা পরিস্কার হয়ে যাবে। রেজিস্ট্রার নিজেও তা স্বীকার করেছেন?


    ৮) আমাদের আন্দোলনের কী কোনও রাজনৈতিক রং আছে?


    আমাদের আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি ও পদক্ষেপগুলি জেনারেল বডির মিটিং-এ ঠিক করা হয়। এর মধ্যে কোনও রাজনৈতিক ব্যানারের পার্টি যুক্ত নেই।


     ৯) আমরা কি র‍্যাগিং এর সমর্থক?


    - কখনোই না। আমরা মনে করি র‍্যাগিং একটি সামাজিক ব্যাধি। আর সিনিয়র জুনিয়র হিসেবের বাইরেও সমাজের সর্বত্র র‍্যাগিং হয়ে আসে। কোথাও অফিসার অধস্তন কর্মচারীকে র‍্যাগিং করে, কোথাও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অথরিটি ছাত্রদের র‍্যাগ করে। তাই র‍্যাগিং-এর বিরুদ্ধে সর্বস্তরের সচেতনতা এবং র‍্যাগিং করবো না এই আত্মসচেতনতাও দরকার। শুধুমাত্র শাস্তি দিয়ে র‍্যাগিং নির্মূল করা যাবেনা।



    ছাত্রছাত্রী ও বৃহত্তর সমাজের কাছে আমাদের আবেদন-


    টানা ৫২ ঘণ্টা অবস্থান বিক্ষোভের পর আমাদের রিলে অনশন প্রায় ৯০ ঘণ্টা অতিক্রম হতে চলল। এখন অব্দি পিতৃসম কর্তৃপক্ষ একবার জানারও প্রয়োজন মনে করল না, ছাত্রছাত্রীরা কেমন আছে! এর মধেই আমরা পাচ্ছি বিশাল সমর্থন- দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্ররা তাদের fest- U-Turn স্থগিত রেখেছে, Electronics-এর দুই ছাত্র VC-র হাত থেকে switzerland-এর একটি নামী scholarship নিতে অস্বীকার কারেছে, Production ও Computer Science-এর বিভিন্ন বর্ষের ছাত্রছাত্রীরা অনির্দিষ্ট কালের জন্য নিজেদের ক্লাস বয়কট এর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এছাড়াও চলছে বিক্ষিপ্ত ক্লাস বয়কট। রয়েছে প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদেরও বিশাল সমর্থন- Virginia Tech থেকে Sector-V, IIT থেকে IIM চিঠি পাঠাচ্ছেন তারাও। JNU থেকে Presidency, আমরা পাচ্ছি বিভিন্ন কলেজের সমর্থন। আসলে সমর্থন ছাড়া আমাদের এই আন্দোলন কখনই টেনে নিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না। এই আন্দোলন আর শুধু ইঞ্জিনিয়ারীং ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনে আটকে নেই, Arts থেকে Science, সমস্ত Faculty-র ছাত্রছাত্রীরা এতে যোগদান করেছে। আগামী বুধবার বিকেল ৩টায় (সময় পরিবর্তিত হতে পারে) Union Room-এর সামনে থেকে একটি মিছিলের ডাক দেওয়া হচ্ছে- যেকোনো কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় নির্বিশেষে ,যেকোনো বয়স ও পেশার মানুষ এতে যোগদান করতে পারেন, অবশ্যই কোনোরকম রাজনৈতিক ব্যানার ছাড়া। উন্নততর ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে পাশে চাই সবাইকে।


    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক।
  • আলোচনা | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ | ১৩৫১৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • s | 18.28.150.76 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৪:২৯75665
  • AICTEর এই রেগুলেশন কবে থেকে চালু হল জানি না। তবে সইত্যের খাতিরে এটা স্বীকার করে যাই যে AICTE র এই রেগুলেশন অনুযায়ী শাস্তি (সাসপেনশন ইত্যাদি) আমাদের সময়ে হলে বিইক্কলেজ ক্রমে ছাত্রশুন্য হত। হয়ত কতিপয় ছাত্রী টিঁকে থাকত ক্লাস করার জন্য। হয়ত নাম বদলে হত বিই গার্ল্স ইন্জিনিয়ারিং কলেজ।
  • Felix Felicis | 131.241.218.132 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৪:৩০75598
  • এই লেখাটা পুরোটাই আফটার-থট বলে মনে হল। প্যাথেটিক।
  • swarnendu | 138.178.69.138 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৪:৩২75666
  • "It was not illegal because he had signed them in. "
    তাই? তাহলে হোস্টেল সুপার বার করে দিল কেন? ছেলেগুলোকে হোস্টেল থেকে তো সিনিয়ার ছাত্র রা বার করেনি, অভিযোগের ভিত্তিতে অথরিটি ই বার করেছে ।
  • a x | 138.249.1.194 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৪:৩৯75667
  • সেটা তো আমি জানিনা। যদুপুর নামক ভূস্বর্গের সাপোসেডলি পপুলার প্রফ এইটি লিখেছেন। ওনাকে জিগানো হোক। বা ঐ সই খাতার কপি চাওয়া হোক।
  • swarnendu | 138.178.69.138 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৪:৪৪75668
  • আর হ্যাঁ, আগেও একজন লিখেছেন, কনফার্ম করতে বলি, একদম ই "signed them in" বলে যাদবপুর হোস্টেলে কিসসু হয় না... খাবার জন্য গেস্ট স্লিপ কাটতে হয়, একজনের গেস্ট হয়ে দীর্ঘদিন থাকা যায় না, অথবা পার্মানেন্ট গেস্ট হওয়া যায় ( সেক্ষেত্রে কেউকে স্লিপ কাটতে হয় না, কিন্তু মাসের শেষে মেস বিল এর টাকা দিতে হয় ), কিন্তু ফার্স্ট ইয়ারের ছেলে পার্মানেন্ট গেস্ট হতে পারে না।
  • swarnendu | 138.178.69.138 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৪:৪৮75669
  • a x,
    ওরকম কোন সই খাতাই তো নেই... প্রবেশ তো অবাধ... হোস্টেলে মিল খেলে ডাইনিং এর গেস্ট স্লিপ থাকবে শুধু...কি খাতায় সই করেছে তা জানি না... সামন্তক বাবুর ডায়েরি তে বোধহয় :)
  • Subham Rath | 127.194.36.156 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৫:৩১75670
  • The MOVEMENT is against any form of CHAUVINISM (LANGUAGE, RACE , CLAN RELIGION WHATSOEVER )
    ONE HAS EVERY RIGHT TO COMPLAIN WHAT HE / SHE FEELS .
    Our MOVEMENT IS NOT AGAINST THE VICTIM.
    The spirit of movement is anti authoritarian not communal.

    If someone OPPOSES SUBBA FROM CHAUVINIST POINT OF VIEW.
    We also OPPOSE that 'SOMEONE '

    The only demand is to REINVESTIGATE the Case as the investigation is very much incomplete and questionable
  • Subham Rath | 127.194.36.156 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৫:৩২75671
  • The MOVEMENT is against any form of CHAUVINISM (LANGUAGE, RACE , CLAN RELIGION WHATSOEVER )
    ONE HAS EVERY RIGHT TO COMPLAIN WHAT HE / SHE FEELS .
    Our MOVEMENT IS NOT AGAINST THE VICTIM.
    The spirit of movement is anti authoritarian not communal.

    If someone OPPOSES SUBBA FROM CHAUVINIST POINT OF VIEW.
    We also OPPOSE that 'SOMEONE '

    The only demand is to REINVESTIGATE the Case as the investigation is very much incomplete and questionable - F.E.T.S.U
  • siki | 127.213.247.242 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৫:৪৭75672
  • হস্টেলে সবসময়ে একটা কালেক্টিভ ইন্টারেস্ট কাজ করে, সে কেউ সহমত হোক বা না হোক। উত্তরবঙ্গে লিখেছিলাম। সেই খাস্তা যখন খনির বউকে আমাদের ওপরের উইং থেকে আওয়াজ দিল, আয় লালিমা তোকে চু**, সারা হস্টেল সাক্ষী ছিল কে বলেছে। পরীক্ষা বন্ধ হয়ে গেল, ক্লাস বন্ধ হয়ে গেল, যতক্ষণ না কালপ্রিটদের নাম দেওয়া হচ্ছে ততক্ষণ কেউ আর থার্ড ইয়ারের ক্লাস নেবে না।

    আমি বা আমার মত ছেলেরা তো কেউই সমর্থন করি নি এটা। তবু আমরা এগিয়ে গিয়ে খাস্তার নাম দিতে পারি নি, কারণ ঐ হস্টেল ইউনিটি। একজন যদি জানিয়ে দিত কে কালপ্রিট, সাসপেনশন উঠে যেত, কিন্তু সেই দেবদূতের পক্ষে পরে হস্টেলে টেকা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াত। কে কলপ্রিট এটা যেমন সবাই জানতে পারে, তেমনি কে দেবদূত এটাও সবাইই জেনে যায়, যতই লুকিয়ে করা হোক না কেন।

    অবিশ্যি এসব পনেরো কুড়ি বছর আগেকার কথা। এখন হস্টেলের মেন্টালিটি কেমন, আমি জানি না।
  • rivu | 78.232.127.201 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৫:৫৫75599
  • পুনর্তদন্ত কারা করবে সেটা ঠিক হলো কি ? এ যেরকম জটিল কেস সি বি আই লাগবে লিচ্চয়। পটি সংরক্ষণ করা হয়েছে তো? ঐটি আবার ডি এন এ মিলিয়ে টেস্ট কর্তে হবে।
  • a x | 138.249.1.198 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:০৭75673
  • ইউনিটি বা ক্ল্যান মেন্টালিটি, যে নামেই ডাক না কেন তাকে।

    হ্যাঁ, কেউ বলতনা/বলবেনা এটা আমারও মনে হয়। তাহলে বিকল্প হচ্ছে পুরো হোস্টেল শুদ্ধু কালেকটিভ শাস্তি - সেটা মেনে নেবে?

    স্বর্ণেন্দু, হয়ত গেট স্লিপের কথা বলতে চেয়েছেন।
  • aranya | 154.160.226.53 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:০৯75674
  • 'seniors had tried to rag them too by imposing dress code on them' - এটাও কি র‌্যাগিং - শাস্তিযোগ্য?
  • + | 213.110.243.22 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:০৯75600
  • লেখাটার পরের দিকের অংশগুলো ঠিক লেখা, দাবী দাওয়াও ঠিক। ভালো লাগল।

    কিন্তু প্রথম দিকের এই অংশটার কি দরকার ছিল?

    "দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রটি এসেছিল দার্জিলিং থেকে, স্বাভাবিকভাবেই রয়ে গিয়েছিল ভাষা ও সংস্কৃতিগত ভিন্নতা। যদিও দার্জিলিং থেকে আসা বহু ছাত্র-ছাত্রীই ক্রমশ মিশে যায় যাদবপুরের সংস্কৃতির সাথে, এক্ষেত্রে তা হয়নি। প্রথম বর্ষেই যে কারণে ছাত্রটি কথা কাটাকাটির মধ্যে চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্রের নাকে ঘুষি চালায়। তবে তখনকার মতো ঝামেলাটি নিজেদের মধ্যে মিটিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনাপ্রবাহে ছাত্রটি নিজেকে আরও গুটিয়ে নিতে থাকে।"

    এতেই ঐ ছেলেটার প্রতি যারা অন্দোলন করছে তাদের মনোভাব প্রকাশ পায়না??

    আর এই অংশগুলো একদম দস্যু মোহন

    "এরই মধ্যে কেউ বা কারা দ্বিতীয় বর্ষের ছেলেটির ঘরের কাঁচ ভেঙ্গে দিয়ে যায়। কে বা কারা ঘটনাটি কেন ঘটাল নাকি ঘটনাটি নিছকই দুর্ঘটনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়।"

    " পরের দিন কেউ ২য় বর্ষের ছাত্রটির দরজার বাইরে মলত্যাগ করে যায়। এরকম পশুচিত কাজ কোন জানোয়ার করে গেল কে জানে,"

    হোস্টেলে এসব কে করেছে যেন জানা যায়না।

    ভিসির দোষ বলে চিৎকার করছেন, নিজেদের দোষটাও স্বীকার করুন। আর থাপ্পড় মেরে যতই কোলাকুলি করা হোক, সেটা র‌্যাগিং-এর আওতাতেই পড়ে।
  • siki | 127.213.247.242 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:১৪75675
  • আমরা সেটাই মেনে নিয়েছিলাম। দীর্ঘ এক মাস কালেক্টিভ শাস্তি।
  • siki | 131.243.33.212 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:১৮75601
  • দস্যু মোহনই বটেক।

    দার্জিলিং থেকে এলেই "স্বাভাবিকভাবে" রয়ে যায় ভাষা ও সংস্কৃতিগত ভিন্নতা। সিঙ্গল আউট করা যায় তাদের সহজে। একই যুক্তি কিন্তু খাটে হিন্দিভাষী, গুজরাতবাসী, দাক্ষিণাত্যবাসী ছেলেপুলেদের ক্ষেত্রে। "স্বাভাবিকভাবেই" ভাষা ও সংস্কৃতিগত ভিন্নতা। কিন্তু তাদের অমন করে সিঙ্গলড আউট হতে হয় না।

    শুধু ভাষা আর সংস্কৃতির ভিন্নতাটাই কারণ, নাকি ওদের ঠিক "ভারতীয়" দেখতে নয়-টা কারণ?
  • + | 213.110.243.22 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:২২75676
  • দ্বিতীয় যে ছেলেটিকে শাস্তি দেওয়া হয়েছে, তার শাস্তি হয়ত দিতে পারবেনা (কোর্টে গেলে, কারণ কোনো প্রমাণ বা স্বাক্ষী নেই) কিন্তু যে ছেলেটি চড় মেরেছিল, সে কিন্তু যাই করা হোক, শাস্তি পাবেই। সেক্ষেত্রে ফেটসু কি সেটা মানবে? আর কালেক্টিভ শাস্তি হলে?

    র‌্যাগিং নামটা মানুক, না মানুক, রুল অনুযায়ী এটা র‌্যাগিং ই ।
  • aranya | 154.160.226.53 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:২৪75677
  • এক মাস শাস্তি - লালিমা-কে অপমান করা হয়েছে বলে? !!
  • রোবু | 213.147.88.10 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:২৫75678
  • 'seniors had tried to rag them too by imposing dress code on them' - অবশ্যই র‍্যাগিং, অবশ্যই শাস্তিযোগ্য।
  • cb | 127.194.70.127 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:২৭75679
  • লালিমা বলতেই কচি সংসদ মনে আসে :)
  • siki | 127.213.247.242 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:২৮75681
  • হ্যাঁ। খনি, মানে ক্যাম্পাসের ডাক্তার, লালিমার বর, রিপোর্ট করে প্রিন্সিপালের কাছে। পিনু নাম চায় জিএসের কাছে। এটা তো জানাই ছিল যে দু নম্বর হস্টেল থেকে আওয়াজ এসেছিল। লালিমা ছাড়াও আরও দু একজন প্রফেসর ছিলেন তখন রাস্তায়। আর দু নম্বর হস্টেলে তখন থার্ড ইয়ারই থাকত। শুধু নামটা জানার দরকার ছিল। নাম দেয় নি কেউ একমাস।

    শেষে কালপ্রিট নিজেই জনমতের চাপে গিয়ে কনফেস করে। ততদিনে খনি এবং প্রফেসরদেরও রাগ কমে গেছিল। এক মাস ধরে কে আর রেগে থাকে। তাই গার্জেন কল করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল।
  • Blank | 69.93.195.159 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:২৮75680
  • কোর্টে গেলে পুরো হোস্টেলও শাস্তি পেতে পারে।
    Collective punishment: when the persons committing or abetting the crime of ragging are not identified, the institution shall resort to collective punishment as adeterrent to ensure community pressure on the potential raggers.
  • siki | 127.213.247.242 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:২৯75682
  • লালিমা প্লেসহোল্ডার। আসল নাম লালিমা ছিল না। :)
  • j | 230.227.106.153 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:৩৫75602
  • এতো পুরো থ্রি ইডিয়টস ইনস্পায়াড কেস !

    ভিলেনরূপী সিনিয়র কর্তৃক জুনিয়রের ঘরে সামনে মুত্র থুড়ি মলবিসর্জন
  • aranya | 154.160.226.53 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:৩৬75683
  • হুম, র‌্যাগিং-এর দিন গিয়াছে , হেভি ডিউটি দৈহিক/মানসিক নির্যাতন না হলে, এককালে র‌্যাগিং শব্দ-টা ব্যবহার হত না। কি জামা-কাপড় পড়বে এ নিয়ে বিধিনিষেধ আমাদের সময় নেহাতই তুচ্ছ জ্ঞান করা হত, তাকে কোন ফ্রেশার র‌্যাগিং বললে অন্য ফ্রেশার -রাই হেসে ফেলত।
    অবশ্য সুপ্রীম কোর্টের যা রুলিং দেখলাম, গোয়িং বাই বুক, র‌্যাগিং-ই বলতে হবে।
  • মতি | 233.176.206.255 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:৩৯75684
  • ''...কিন্তু, অভিযোগকারীর সুবিচার পাওয়ার অধিকারকে নাকচ করে দিয়ে তাকেই অপরাধীর কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দেয়ার প্রবণতাকে আমরা তীব্র বিরোধিতা করছি| ঘটনাবলী থেকে একথা স্পষ্ট যে প্রীতম সুব্বার ওপর নিদারুন অন্যায় হয়েছে| সিনিয়র স্টুডেন্টের হাতে থাপ্পড় খাওয়ার পরও সে সবার কথা মেনে মিটমাট করে নিয়েছিল, অথচ তার পরেও তার ঘরের সামনে বিষ্ঠা ছড়িয়ে তাকে উত্যক্ত করা হয়| এই চরম লজ্জাজনক ঘটনার কথা ফেটসুও অস্বীকার করেনি| এই ঘটনা প্রীতম সুব্বার প্রতি আবাসিকদের একাংশের ঘৃণা ও বিদ্বেষের স্বরূপকেই দেখিয়ে দেয়| হস্টেলের যে বা যারাই একাজ করুক না কেন তারা যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কলঙ্ক| তাদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন, ঘৃণা বর্ষিত হওয়া উচিত তাদের এই অপকর্মের বিরুদ্ধেই| অথচ, ''রগচটা'' ''সিনিয়রকে ঘুঁসি মেরেছিল'' ইত্যাদি বলে প্রীতমের বিরুদ্ধেই ঘৃণা সম্প্রচার করতে দেখলাম আমরা আফসু নেতাদের তরফ থেকে, এবং সেটাও করা হল আফসুর সাধারণ সভার সিদ্ধান্তকে সম্পূর্ণ অবমাননা করে| আমরা এর তীব্র বিরোধিতা জানাচ্ছি| আন্দোলনের নেতৃত্বের একাংশের প্রচারেও একই সুর শুনতে পাওয়া গেছে| এই ধরণের প্রচারের ফলে নিজের ক্লাসে ও হস্টেলে প্রীতম সুব্বা ও তার ঘনিষ্ঠরা একঘরে হয়ে পড়তে পারে বলে আমাদের আশঙ্কা এবং সেটা হ'লে যাদবপুরের ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে তার চেয়ে লজ্জার বিষয় আর কী হবে!''

    যাদবপুরের আইসা ইউনিটের একটি লীফলেটের একটি অংশে এরম কথা লেখা হয়েছে দেখছি।
  • Blank | 69.93.195.159 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:৪২75685
  • এই প্রথম লজিকাল কোনো কথা দেখলাম লীফলেটে
  • a x | 138.249.1.202 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:৪৩75686
  • পুরো লিফলেটটা দেওয় যাবে মতি? এই পার্টটুকুর সাথে পুরোপুরি সহমত।
  • h | 213.99.212.54 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:৪৬75603
  • এই লেখাটার উপরে ইশানদের ডিসক্লেমার না থাকলে ইপসিতার সংগে যা ঝগড়া কত্তাম না;-) না করতে পেরে মনটা খারাপ হয়ে গেল ;-) ;-)
  • রোবু | 177.124.70.1 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:৫১75604
  • না, তবু বলেই যাই। পুনর্তদন্তের দাবি নিয়ে আমার আপত্তি নেই, যেহেতু শো-কজ করা হয়নি, এবং আগেই সংবাদ মাধ্যম আর ইউজিসি -র কাছে ব্যাপারটা চলে গ্যাছে।
    এ বাদে, অন্য একটা কেস-কে হাফ জড়িয়ে দেওয়া, ক্ষমা চাওয়া হয়ে গ্যাছে তাই ঝামেলা মিটে গ্যাছে, আমরা জানি এটা রাগিং নহে, কেউ জানেনা কে হাগু করলো, কে কাঁচ ভাঙ্গলো আর ওই 'যাদবপুরের সংস্কৃতি'(এটা কী বস্তু?)-র সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পারা - এইগুলো মানা যাচ্ছে না।
  • aka | 78.190.42.63 (*) | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৬:৫২75687
  • মতির এই লিফ্লেটের সাথে একমত। ঠিকঠাক কথাবার্তা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। লুকিয়ে না থেকে মতামত দিন