• বুলবুলভাজা  আলোচনা  বিবিধ

  • যাদবপুর - আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে একটি বিবৃতি

    অভিষেক তুঙ্গা লেখকের গ্রাহক হোন
    আলোচনা | বিবিধ | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ | ৯৭৫ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে সাম্প্রতিক কিছু ঘটনাবলীর পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট ছাত্র সংসদের থেকে আমরা একটি চিঠি পাই। সেটি খোলা চিঠি হিসেবে প্রকাশ করা হল। বলা বাহুল্য, লেখার বক্তব্য ও দৃষ্টিভঙ্গি লেখকের নিজস্ব।


    ----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------------


    ঠিক কী ঘটেছিল ?


      ঘটনার সূত্রপাত চতুর্থ বর্ষের ছাত্র PRINTING DEPT. এর মানিক হালদার এবং CONSTRUCTION DEPT. এর অনুপম ঘোষ ও IT DEPT. এর দ্বিতীয় বর্ষের একটি ছাত্রকে দিয়ে। সকলেই থাকত JADAVPUR UNIVERSITY-এর SALTLAKE CAMPUS-এর হস্টেলে। দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রটি এসেছিল দার্জিলিং থেকে, স্বাভাবিকভাবেই রয়ে গিয়েছিল ভাষা ও সংস্কৃতিগত ভিন্নতা। যদিও দার্জিলিং থেকে আসা বহু ছাত্র-ছাত্রীই ক্রমশ মিশে যায় যাদবপুরের সংস্কৃতির সাথে, এক্ষেত্রে তা হয়নি। প্রথম বর্ষেই যে কারণে ছাত্রটি কথা কাটাকাটির মধ্যে চতুর্থ বর্ষের এক ছাত্রের নাকে ঘুষি চালায়। তবে তখনকার মতো ঝামেলাটি নিজেদের মধ্যে মিটিয়ে নেওয়া হয়। ঘটনাপ্রবাহে ছাত্রটি নিজেকে আরও গুটিয়ে নিতে থাকে।


                         দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রটি অবৈধভাবে হস্টেলে নিজের রুমে দুজন প্রথম বর্ষের ছাত্রকে রাখতে শুরু করে। গত ২২এ অগাস্ট চতুর্থ বর্ষের প্রিন্টিং টেকনোলজির ছাত্র তথা হস্টেলের anti-ragging squad এর প্রাক্তন সদস্য মানিক হালদার তা হস্টেল সুপারের নজরে আনে, এতে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রটি প্রচণ্ড ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এরই মধ্যে কেউ বা কারা দ্বিতীয় বর্ষের ছেলেটির ঘরের কাঁচ ভেঙ্গে দিয়ে যায়। কে বা কারা ঘটনাটি কেন ঘটাল নাকি ঘটনাটি নিছকই দুর্ঘটনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ২৩শে অগাস্ট ঘটনাটি নিজেদের মধ্যেই মিটিয়ে নিতে হস্টেলে একটি মিটিং বসে যেখানে মানিক, অনুপম ও অন্যান্য ছাত্ররাও উপস্থিত ছিল। মিটিং-এ দু-তরফেই উত্তপ্ত কথা কাটাকাটি চলে, ২য় বর্ষের ছাত্রটি সাহস থাকলে one to one লড়াই-এর চ্যালেঞ্জ জানাতে থাকে। এরই মধ্যে অনুপম মেজাজ হারিয়ে ২য় বর্ষের ছাত্রটিকে চড় মেরে বসে। যদিও মিটিংটি শেষ হয় সবাই-সবাই কে ক্ষমা চেয়ে নিয়ে। এমনকি অনুপম ও সেই ছাত্রটি পরস্পরকে কোলাকুলিও করে।


                        পরের দিন কেউ ২য় বর্ষের ছাত্রটির দরজার বাইরে মলত্যাগ করে যায়। এরকম পশুচিত কাজ কোন জানোয়ার করে গেল কে জানে, কিন্তু ২য় বর্ষের ছাত্রটি UGC –এর ওয়েবসাইটে অভিযোগ দায়ের করে। (অভিযোগটি র‍্যাগিং এর অভিযোগ হিসেবে দায়ের করেনি)



    এর পরের ঘটনাপ্রবাহঃ


    ১) VC ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিন সদস্যের একটি FACT FINDING COMMITTEE তৈরি করে। যদিও কোন ছাত্র কোনোভাবেই এই তদন্ত কমিটির বিন্দুমাত্র অস্তিত্ব টের পায়নি।


    ২)এই কমিটি অনুপম ও মানিককে ডেকে পাঠায় ও সেদিনের চড় মারার ঘটনার স্বীকারোক্তি নানা ছলা-কৌশলে লিখিয়ে নেয়। যদিও এরা জানতই না এই কমিটি আসলে তথাকথিত র্যামগিং-এর তদন্ত কমিটি। এমনকি এই কমিটি ঘটনাস্থলে উপস্থিত সবাইকে জেরা করেনি।


    ৩) গত ১০ই  সেপ্টেম্বর anti-ragging committee-এর মিটিং ডাকা হয়, কোন agenda ছাড়াই। যেখানে on table agenda –য় এই প্রসঙ্গটির উত্থাপন করা হয়। যেহেতু প্রায় সব ছাত্রছাত্রীরাই র‍্যাগিং–এর বিরোধী, তাই ছাত্র-সদস্যরা ঘটনাটি র‍্যাগিং ধরে নিয়ে শাস্তির পক্ষে সম্মতি দিয়ে আসে, একমাত্র সল্টলেক ক্যাম্পাসের সদস্য মিঠুন ও সাধারণ সম্পাদক সৌভিক ছাড়া। এরা অল্পবিস্তর ঘটনাটি সম্পর্কে ওয়াকিবহল ছিল। শাস্তির পূর্বে নিয়ম অনুযায়ী অনুপম ও মানিককে শোকজ করা হয়।


    ৪) show-cause –এর জবাব পাওয়ার আগেই registrar মিডিয়াতে শাস্তির ঘোষণা করে দেয়।



    আমাদের বক্তব্য কী?


    ১) যে কেউ অভিযোগ করতেই পারে তাকে র‍্যাগিং করা হয়েছে,কিন্তু প্রকৃতই র‍্যাগিং হয়েছে কিনা,তার সঠিক অনুসন্ধান হওয়া উচিত।


    ২) গোটা ঘটনায় মানিক এর দোষ অবৈধভাবে রুম-এ ছাত্র রাখার ঘটনা সুপার-এর নজরে আনা! অনুপমের দোষ উত্যক্ত কথাকাটাকাটি মধ্যে চড় মেরে বসা,যেটা আবার নিজে মিটিয়েও ফেলে। বাকি ঘটনাগুলো কারা করেছে প্রমাণিত নয়, তাহলে কি করে এই দুজনকে র‍্যাগিং এর শাস্তি দেওয়া হচ্ছে?


    ৩) Fact Finding Committee এভাবে লুকিয়ে অনুসন্ধান চালানো কেন? এমনকি Anti Ragging Committee-এর মেম্বারও জানতে পারলো না!


    ৪) Anti Ragging Committee Meeting-এর আগেও agenda তে কেন সদস্যদের Ragging-এর অভিযোগ বা মিটিং এর বিষয়ে কিছু জানাল হল না?


    ৫) একটি বচসার ভিত্তিতে যদি Ragging-এর শাস্তি দেওয়া হয়, তাহলে কাল football মাঠে offside নিয়ে বচসা বা প্রেম নিয়ে senior-junior-এর মধ্যে গণ্ডগোলকেও Ragging বলে চালানো হবে।


    ৬) তবে চড় মারার ঘটনা অবশ্যই অনভিপ্রেত ও অপ্রীতিকর,তাই Hostel-এর Code of Conduct-এর নিয়ম অনুযায়ী অভিযুক্তের শাস্তি পাওয়া উচিত।


    ৭) কাচ ভাঙ্গা ও মলত্যাগ এর ঘটনা কঠোরভাবে নিন্দনীয়,অভিযুক্তদের অবিলম্বে খুঁজে বের করে উপযুক্ত শাস্তি দেওয়া উচিত।



    আমাদের দাবী কী?


    ১) এত অবিচার ও অস্বছত্তার জন্য  Anti Ragging Committee Meeting পুনরায় ডেকে পুরো ঘটনাটির পুনরালোচনা করা হোক।


    ২) যতক্ষণ না পুরো ঘটনাটির পুনারালোচনা করা হচ্ছে, ততক্ষণ শাস্তি লাগু করা যাবে না।



    আরো কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তরঃ


    ১) ভিসি (উপাচার্য) কি আইনবিরোধী কিছু করেছেন?


    - র‍্যাগিং-এর শাস্তির আইন তো রয়েছেই, কিন্তু কর্তৃপক্ষ মিথ্যে অভিযোগে ব্যবস্থা নেবেন এরকম কোনও আইন নিশ্চয়ই নেই। কিন্তু এক্ষেত্রে সেটাই তো হয়েছে।


    ২) আমরা কেন আচার্য (রাজ্যপাল)-এর কাছে যাচ্ছি না?


    - ভিসি নিজে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী। তিনি যদি এখানকার ছাত্রদের রুচি এবং মূল্যবোধ গুলিকে মাথায় না রেখে শুধুমাত্র মিথ্যে অভিযোগের ভিত্তিতে ব্যবস্থা নিতে চান, তাহলে আমরা বাইরের কাউকে কীভাবে ভরসা করবো? আর, আচার্যের কাছে যাওয়া মানে তো পক্ষান্তরে মেনেই নেওয়া যে ভিসির ক্ষমতার আওতায় বিষয়টা মেটানো যাচ্ছে না।


    ৩) কর্তৃপক্ষ কি র‍্যাগিং-এর অভিযোগকে পুনর্মূল্যায়ণ করতে পারেন?


    - পারেন না এরকম কোনও আইন কিন্তু নেই। তার মানে নতুন করে তদন্ত ও বিচার করাই যায়।


    ৪) আমরা কেন আলোচনার বদলে আন্দোলনের (শান্তিপূর্ণ হলেও) রাস্তা বেছে নিলাম?


    -আমরা ভিসির সঙ্গে দেখা করেছিলাম, তিনি বললেন যে ইউজিসিকে রিপোর্ট পাঠানো হয়ে গেছে, ফলে সিদ্ধান্তগুলো আর পুনর্বিবেচনা করা যাবে না। সেক্ষেত্রে আলোচনার কোনও রাসতা তিনি খুলে রাখতে দিলেন না। ফলে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করতে হল।


    ৫) আমাদের আন্দোলনে কেন ভিসি, প্রোভিসি ও রেজিস্ট্রারকে অমানবিক ভাবে ঘেরাও করে রাখা হয়েছিল?


    - আমরা কাউকেই ঘেরাও করিনি। তাঁরা চাইলেই বেরিয়ে যেতে পারতেন। কিন্তু তাঁরা নিজেরাই থেকে গেছিলেন। তাঁদের কাছে খাবার জল বা ওষুধ ও পৌঁছোচ্ছিল। কিন্তু বাইরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থা মোটেও স্বাভাবিক ছিল না। স্বাভাবিক পড়াশোনার পরিবেশ বেশ কিছুদিন ধরেই ব্যাহত হচ্ছিল। সে নিয়ে তাঁদের খুব হেলদোল দেখা যায় নি।


    ৬) প্রো ভিসি অসুস্থ জানা স্বত্ত্বেও তাঁকে কেন আটকে রাখা হল?


    - আগেই বলা হল কাউকে আটকে রাখা হয় নি। মিডিয়ায় প্রো ভিসি-র অসুস্থতার খবর পাওয়ার সঙ্গেসঙ্গে তাঁর সঙ্গে আমরা দেখা করি। তিনি জানান যে ঠিক আছেন, কিন্তু আমরা তাঁকে আবারও বলি তিনি চাইলেই চলে যেতে পারেন। পুরো কথোপকথনটাই ভিডিও রেকর্ড করা আছে। মিডিয়া অন্যভাবে প্রচার করছে, কিন্তু মিডিয়া যেটা দেখাচ্ছে না যে তিনজন ছাত্র গুরুতর ভাবে অসুস্থ, তাদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।


    ৭) ফেটসুর জিএস অ্যান্টি র‍্যাগিং কমিটির মিটিং-এ গিয়ে কেন ছাত্রদের শাস্তির পক্ষে মত দিয়েছিল?


    - ভুল তথ্য। অ্যান্টির‍্যাগিং কমিটির মিটিং-এর মিনিট দেখলেই সেটা পরিস্কার হয়ে যাবে। রেজিস্ট্রার নিজেও তা স্বীকার করেছেন?


    ৮) আমাদের আন্দোলনের কী কোনও রাজনৈতিক রং আছে?


    আমাদের আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি ও পদক্ষেপগুলি জেনারেল বডির মিটিং-এ ঠিক করা হয়। এর মধ্যে কোনও রাজনৈতিক ব্যানারের পার্টি যুক্ত নেই।


     ৯) আমরা কি র‍্যাগিং এর সমর্থক?


    - কখনোই না। আমরা মনে করি র‍্যাগিং একটি সামাজিক ব্যাধি। আর সিনিয়র জুনিয়র হিসেবের বাইরেও সমাজের সর্বত্র র‍্যাগিং হয়ে আসে। কোথাও অফিসার অধস্তন কর্মচারীকে র‍্যাগিং করে, কোথাও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অথরিটি ছাত্রদের র‍্যাগ করে। তাই র‍্যাগিং-এর বিরুদ্ধে সর্বস্তরের সচেতনতা এবং র‍্যাগিং করবো না এই আত্মসচেতনতাও দরকার। শুধুমাত্র শাস্তি দিয়ে র‍্যাগিং নির্মূল করা যাবেনা।



    ছাত্রছাত্রী ও বৃহত্তর সমাজের কাছে আমাদের আবেদন-


    টানা ৫২ ঘণ্টা অবস্থান বিক্ষোভের পর আমাদের রিলে অনশন প্রায় ৯০ ঘণ্টা অতিক্রম হতে চলল। এখন অব্দি পিতৃসম কর্তৃপক্ষ একবার জানারও প্রয়োজন মনে করল না, ছাত্রছাত্রীরা কেমন আছে! এর মধেই আমরা পাচ্ছি বিশাল সমর্থন- দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্ররা তাদের fest- U-Turn স্থগিত রেখেছে, Electronics-এর দুই ছাত্র VC-র হাত থেকে switzerland-এর একটি নামী scholarship নিতে অস্বীকার কারেছে, Production ও Computer Science-এর বিভিন্ন বর্ষের ছাত্রছাত্রীরা অনির্দিষ্ট কালের জন্য নিজেদের ক্লাস বয়কট এর সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এছাড়াও চলছে বিক্ষিপ্ত ক্লাস বয়কট। রয়েছে প্রাক্তন ছাত্রছাত্রীদেরও বিশাল সমর্থন- Virginia Tech থেকে Sector-V, IIT থেকে IIM চিঠি পাঠাচ্ছেন তারাও। JNU থেকে Presidency, আমরা পাচ্ছি বিভিন্ন কলেজের সমর্থন। আসলে সমর্থন ছাড়া আমাদের এই আন্দোলন কখনই টেনে নিয়ে যাওয়া সম্ভব ছিল না। এই আন্দোলন আর শুধু ইঞ্জিনিয়ারীং ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনে আটকে নেই, Arts থেকে Science, সমস্ত Faculty-র ছাত্রছাত্রীরা এতে যোগদান করেছে। আগামী বুধবার বিকেল ৩টায় (সময় পরিবর্তিত হতে পারে) Union Room-এর সামনে থেকে একটি মিছিলের ডাক দেওয়া হচ্ছে- যেকোনো কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় নির্বিশেষে ,যেকোনো বয়স ও পেশার মানুষ এতে যোগদান করতে পারেন, অবশ্যই কোনোরকম রাজনৈতিক ব্যানার ছাড়া। উন্নততর ক্যাম্পাস গড়ে তুলতে পাশে চাই সবাইকে।

  • বিভাগ : আলোচনা | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ | ৯৭৫ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • র‌্যাগিং | 132.164.214.79 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৩ ০১:৩৬75823
  • ১) মানে ইন্টেন্শন নিয়ে কোন এমবিগুইটি থাকা পসিবল না??

    কে বলল পসিবল না? UGC ডেফিনিশনে যদি অ্যামবিগুইটি থাকে তো সেই আইনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করলেই তো হয়! আর প্রীতমের কেসে যদি অ্যামবিগুইটি থাকে তাহলেও তো আদালতে যাওয়া যেতে পারে!

    "পৃথিবিতে যে কোন কেসে পুনর্তদন্তের দাবিতে আন্দোলন হয়। শাস্তিকে চ্যালেন্জ করা হয়। মানে এইটা বিচারব্যবস্থা এলাউ করে।"

    এক্দম সঠিক কথা। সেই কারনেই শাস্তিপ্রাপ্ত ছাত্রদের কোর্টে যাওয়ার পরামর্শও দেওয়া হয়েছিল।
  • aka | 79.73.9.7 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৩ ০১:৪২75824
  • মাক্কালি কি টাইমিংঃ

    এই বালের সিনেমাটায় বারবার বলা হচ্ছে

    হামলোগ উসে মর্দ বানা রহা হায়

    অউর ইস বাতো কো ইতনা সিরিয়াসলি কিউ লে র‌্যাহি হায়।

    উফফ পুরো এই র‌্যাগিং পন্থী জনগণের ইকো।
  • a x | 138.249.1.198 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৩ ০১:৫৪75831
  • ৮ তারিখ আবার মিটিংএর কথা ছিলনা, তাতে কী হল?
  • antiragging | 127.194.202.202 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৩ ০২:২৭75825
  • আদলতে ইউনিভার্সিটি ইউজিসি এসবের নামে মামলা করলে , করাই যায় , কিন্তু অ্যাকাডেমিক কেরিয়ারের হাতে পুরো হ্যারিকেন ধরিয়ে দেবে। কোথাও কক্ষনো ছাত্রদের ফর এ, ইউনিভার্সিটির এগেইনস্টে ভারতে মামলয় সুবিধে হয় না, পিছনে লবি ইত্যা না থাকলে।
  • a | 132.179.39.193 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৩ ০২:৩৪75826
  • ধুর এইসব আধা আতেল আধা পেছন পাকা পাব্লিক যারা শুধু তর্ক করার জন্যে তর্ক করে চলেছে তাদের সাথে ভাট চালিয়ে যাবার ইচ্ছ্হা বা সময় কোনটাই নেই!! গুড লাক রিদ্ধি টু প্রুভ অল্ল আর রং বাট ইউ।
  • র‌্যাগিং | 132.164.214.79 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৩ ০৩:১৩75827
  • 'আদলতে ইউনিভার্সিটি ইউজিসি এসবের নামে মামলা করলে , করাই যায় , কিন্তু অ্যাকাডেমিক কেরিয়ারের হাতে পুরো হ্যারিকেন ধরিয়ে দেবে। কোথাও কক্ষনো ছাত্রদের ফর এ, ইউনিভার্সিটির এগেইনস্টে ভারতে মামলয় সুবিধে হয় না, পিছনে লবি ইত্যা না থাকলে।'

    র‌্যাগিংও করতে চাই, সেই র‌্যাগিং ধরা পড়লে শাস্তিও দেওয়া যাবেনা, আদালতেও যেতে চাইনা কারন যদি আদালত সেই শাস্তি বহাল রাখে? এই দাবীগুলো নিয়ে একটা আন্দোলন করলেই তো হয়! আর সেই আন্দোলনে UGCর র‌্যাগিংআইন ব্দ্লাতে হবে ও সেই আইনে যাদের শাস্তি দেওয়া হয়েছে তাদের ছেড়ে দিতে হবে, এই দাবীদুটো জুড়ে নিতে পারলে তো সোনায় সোহাগা।
  • aka | 79.73.9.7 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৩ ০৩:১৫75832
  • এই হোস্টেল সিনেমার মতন গপ্পো কিছু কম শুনি নাই। হাতের কাছের উদাহরণ হচ্ছে সন্দীপ সিনহা রায়, উচ্চমাধ্যমিক টপার। আইআইটি কেজিপি তে রেলিং ধরে হাঁটতে গিয়ে পড়ে প্রায় মৃত্যুশয্যায় ছিল। তারপরে নরেন্দ্রপুর থেকে স্ট্যাট পড়ে পরে আইএসাইতে পড়ে। তখন আলাপ হয়েছিল, আমাদের থেকে একবছরের সিনিয়র। তাকেও দাদারা একটু মানুষ করছিল বাইরের জগতের জন্য।
  • aka | 79.73.9.7 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৩ ০৩:২০75828
  • কিন্তু এত কিছুর পরেও র‌্যাগিংয়ের পক্ষে রিদ্ধি কোন কোয়ান্ট দিল না। হোয়াই অ্যান্ড হোয়াই। কোথায় কোয়ান্ট আর কোথায় অ্যানেকডোটস। জমল না।
  • antiragging | 69.160.210.2 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:৪৪75829
  • আকা একটু কেস হচ্ছে। হস্টেল সিনেমাটা পুরো অ্যান্টি র‌্যাগিং সমিতির বানানো। টিপিকাল র‌্যাগিং প্রোটোটাইপের গুচ্ছ প্রেজেন্টেশন আছে। ওটা ঠিক খিস্তিযোগ্য কেস নয়। অর্থাৎ ওটা র‌্যাগারদের খিস্তি মেরেই বানানো। এমনকি থ্রি ইডিয়েটস ও নয়। র‌্যাগিং জনিত গ্রে এরিয়ার খোঁজ পেতে চাইলে অন্য সিনেমার খোঁজ করতে হবে। কি সিনেমা বলে আমায় না খোঁচানোই ভালো অবশ্য।
  • Rémy-fication | 223.41.169.196 (*) | ০৮ অক্টোবর ২০১৩ ১১:৩৩75830
  • কিসুই জমলো না। কোয়ান্ট দিলেও জমতো না, বক্তব্যের তো কোনো ওজন নেই।
  • π | 172.129.44.87 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৩ ০৭:৩৫75833
  • একটা কমিটি গঠন করা হয়েছে, হচ্ছে বা হবে, এরকম কিছু শুনলাম।
  • riddhi | 146.165.223.193 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৩ ০৯:৪৩75834
  • আকাদা, এই গল্পগুলো করে কি কোন লাভ হচ্ছে? আদৌ প্রাসঙ্গিক? সাহেব ক্যালানোর কথা বললেই কি অন্ধকূপ হত্যার রেফারেন্স টানতে হবে?
    আর বাকিরা ধরেই নিচ্ছে এরা 'র‌্যাগার" আর র‌্যগার বোলে তো সেই আদিম বর্বর যুগের বাল্বে চুমু খাওয়ানো সিনিয়র। এবার ছকে ফেলে খিস্তিয়ে যাও।

    এস এমকে আর কি বলব। প্রেম পলিটিক্স বিরিয়ানি সিনেমা সব কিছুই ডেন্জারাস। কেরিয়ারের বারোটা বাজার হলে বাজবে।
  • aranya | 154.160.226.53 (*) | ০৯ অক্টোবর ২০১৩ ১০:১৭75835
  • র‌্যাগিং ব্যাপারটা বাইনারি নয়, ঋদ্ধি আগেই বলেছ এটা, এ ব্যাপারে ঐকমত্য না হলে, এই আলোচনা কোথাও যাবে না।

    ক্যান্টিনে ফুল প্যান্ট, ফুল হাতা জমা পরে আসতে বলা আর বাল্বে চুমু খাওয়া - র‌্যাগিং নামক অন্ধকার মহাসাগরের প্রায় দুই এক্সট্রিমে বিরাজ করছে ...
  • π | 118.12.173.94 (*) | ১০ অক্টোবর ২০১৩ ০১:৫৯75842
  • ফেবুগুরু থেকে এই পোস্টটা দিলাম।

    Subham Rath Apatoto 8 th er Ec meeting ei niye discussion hoyeche. Kintu kono resolution beroeni karn most of the ec member cheyechilen sedin ec te i ekta kono decision hok.. Kintu vc chan ni serom kichu. VC nijer responsibility te ekta three member committee form korechen jara rediscuss korben and by 30 th oct report deben. Till then ja decision newa hyechilo withheld thakche. Vc r ei cmmittee formation tar sole responsibility . Ec member ra etar part hte channi..kajei ec r minutes e egulo recorded hyni.
  • sm | 122.79.37.28 (*) | ১০ অক্টোবর ২০১৩ ০৪:৫৭75836
  • রাগ্গিং, এর মেন উদ্দেশ্য হলো, একজন অ্যাডাল্ট লোকের ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনো কাজ করানো; ভয় দেখিয়ে বা বলপূর্বক। যে সব জনতা ব্যক্তি স্বাধীনতা নিয়ে এত গরম গরম কথা বলে তারা কিকরে এই জঘন্য প্রথা কে মৃদু সমর্থন করে, বোঝা কঠিন। রাগ্গিং জিনিস তাই হলো গ্যাং culture এর অঙ্গ। আর একটি কুত্সিত দিক হলো, গ্রাম থেকে আসা জনতা বা একটু নিরীহ লোকের উপর সর্দারি করা।

    যেমন ধরুন মোহনবাগান- eastbengal বা অন্যকোন বড় match দেখতে যাওয়া দর্শকেরা, দল বেধে যাওআর সময়, কুত্সিত গালাগালি, অঙ্গভঙ্গি বা মহিলা দের দিকে অশালীন মন্ত্যব্য করে থাকেন। ব্যাকিগত জীবনে, কেউ হয়ত মেয়ের বাবা, অফিস কর্মী বা নিরীহ বেকার যুবক। এরাই হতাঠ এমন পাল্টে যায়, সুধু মাত্র দলবদ্ধ থাকে বলে।
    আমার কলেজ জীবনে, গ্রাম থেকে আসা কোনো ছেলে কে ধুতি পাঞ্জাবি বা যুগের সাথে বেমানান কোনো ড্রেস পরে আসতে দেখিনি । তবু তাদের স্মার্ট করার জন্য senoir দের এত উত্কন্ঠা কেন?
    হয়ত কেউ হোস্টেলে মুড়ি বা চিড়ে সেদ্ধ খাচ্ছে, তাকে পিত্জা, বার্গার খায়না বলে হ্যাটা দেওয়ার মানে কি।
    এমনি তেই fresher রা ভীষন anxiety র মধ্যে থাকে, তাকে গাঁজায় টান দেওয়া , ট্যাবলেট খেতে বলা, পান্ট খুলতে বলা ,এগুলোর মানে কি?
    এই ভীষন রকম স্মার্ট জনতাই ,অফিস এ গিয়ে বাধ্য ছেলের মত অফিস এর প্রটোকল মেইনটেইন করে।কোনো রকম নেশা করে না,কোনো সহকর্মী /কর্মিনির দিকে অশালীন মন্ত্যব্য করেনা, কারণ কেস খেয়ে যাবে।
  • র‌্যাগিং | 132.164.213.252 (*) | ১০ অক্টোবর ২০১৩ ০৬:২০75837
  • "আর বাকিরা ধরেই নিচ্ছে এরা 'র‌্যাগার" আর র‌্যগার বোলে তো সেই আদিম বর্বর যুগের বাল্বে চুমু খাওয়ানো সিনিয়র। "

    এখানে তো কিছু ধরে নেওয়া হচ্ছেনা! UGC আইন মানলে তো পরিষ্কারভবেই ওরা র‌্যাগার! আপনি অবশ্য বলেছেন যে UGC আইন পাল্টাতে হবে, কিন্তু যতদিন পাল্টানো না হচ্ছে ততদিন তো ঐ UGC আইন মেনেই চলতে হবে। আপনি নিজে র‌্যাগিং এর যে ডেফিনিশন দিয়েছেন, সেই ডেফিনিশন যতদিন না ভারতের সব কলেজে চালু হচ্ছে ততদিন তো ওরা চালু আইনের আওতাতেই আসবে! তাহলে "ধরে নেওয়ার" অবকাশ কোথায়?
  • antiragging | 69.160.210.2 (*) | ১০ অক্টোবর ২০১৩ ০৬:৩৭75838
  • জীবনের ওঠাপড়া যাতে গায়ে না লাগে। প্রিহস্টেল জীবন আর পোস্ট হস্টেল জীবনের মধ্যে বিশাল ফারাক। নন-হস্টেল জীবন সেটা কখনই বুঝবে না। ইচ্ছা, মতাদর্শ, মতামত, মরালিটি, ইন্টার‌্যাকশন - ইন্ট্রোভার্ট একস্ট্রোভার্ট , আবেগ, লোড নেওয়া, গুমড়ানো, শরীরের প্রত্যঙ্গসমূহের প্রতি ট্যাবু, দৃষ্টিভঙ্গি - এসবই একটা বয়স পর্যন্ত পারিপার্শ্বিক, বন্ধুসঙ্গ এসবের মাধ্যমে একরকমভাবে গড়ে ওঠে। সেটা অনেকসময়ই চেনা-পরিচিতদের স্নেহচ্ছায়ার বাইরের রূঢ় হার্স জীবনের সঙ্গে পাঙ্গা নেওয়ার মত কবজকুন্ডল-বর্মবিহীন। অ্যাকসেপ্টেন্স লেভেল ও সাধারণভাবে কম। সবকিছু হজম হয় না। হোস্টেল জীবনে এসমস্ত ব্যপার গুছিয়ে একটা লেভেলিং এফেক্ট আসে। বিভিন্ন জায়গা ও পরিবেশ থেকে আসা জনতার বিপুল ইন্টার‌্যাকশনে এই লেভেলিং টা হতে কখনো ৩-৪ বছর লেগে যায়, কখনো কারোর হয় ও না। র‌্যাগিং পিরিয়ড এর অবর্তমানে। ব্যক্তিগত ভাবে কখনোই র‌্যাগিং ফেস না করলেও, মনে হয়, এই ৩-৪ বছরের লেভেলিং এর সময়স্প্যানটা র‌্যাগিং পিরিয়ডের দরুণ অনেকটা কমে আসে। তারপর ফ্রেশার্স ওয়েলকাম গোছের অনুষ্ঠান হয়, যখন পারফর্মেন্সের দরুণ আবার পজিটিভ ইন্টার‌্যাকশন হয়। তারপর ফেস্ট ইত্যাদি হয়, যখন একেবারে হাতে হাত, কাঁধে কাঁধ খাটা খাটনি থাকে। একটা সময় পর ঐ খিস্তি শুনে এককালে কান গরম হয়ে যেত, বা ঐ পানু দেখে এককালে বমি হয়ে গেছিল - এগুলো নিজের কাছেই নিজের ইমম্যাচিওরিটি মনে হয়। অবশ্যই কোনো হার্ড র‌্যাগিং সমর্থন করে লিখলাম না। তবে র‌্যাগিং মানেই খারাপ এটা সবসময় ঠিক না। ঐ গ্রে এরিয়া প্রচুর রয়েছে। ব্ল্যাংকেট বলা যায় না। কেস টু কেস বেসিসে বুঝতে হবে।
  • র‌্যাগিং | 132.164.213.252 (*) | ১০ অক্টোবর ২০১৩ ০৬:৫৬75839
  • তাহলে কি আশা করা যায় যে আন্দোলন হবে যাতে UGC হার্ড র‌্যাগিং আর সফ্ট র‌্যাগিং এর জন্য আলাদা আলাদা আইন প্রনয়ন করে? আর হোস্টেলে সফ্ট র‌্যাগিং করাতে উত্সাহ দেয়? আর ইয়ে, "একটা চড় মারা" ঐ সফ্ট র‌্যাগিংএর আওতায় আসবে মনে হয়?
  • sm | 122.79.36.89 (*) | ১০ অক্টোবর ২০১৩ ০৭:৪৪75840
  • রাগ্গিং, মূলত ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গুলো তে বেশি হয়। ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গুলোর মধ্যে, হোস্টেল গুলো তে আবার রাগ্গিং বেশি হয়। ধরা যাক যদুপুরের ৬০ % ডে স্কল্লের ,আর শিবপুরের সবাই hostelite। এদের ভিতর যদুপুরের , ডে স্কল্লের রা কি আনস্মার্ট, না তাদের লেভেলিং effect কম। আবার জেনারেল স্ট্রিম এর বহু কলেজ যেখানে রাগ্গিং এর অস্তিত্য ই নেই এবং সকলেই ডে স্কল্লের , তাদের মধ্যে ইন্টারঅ্যাকশন, কলেজ ফেস্ট এ কাঁধে কাঁধে মিলিয়ে খাটা র পরিমান কম?
    এগুলো কি শুধু ই ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজ গুলোর এক চেটিয়া অধিকার?
    বাজে জিনিস কে বাজে বলাই ভালো, শুধুমুধু হালকা ব্লান্কেত দিয়ে কভার করে কি লাভ?
  • Ranjan Roy | 24.99.117.243 (*) | ১০ অক্টোবর ২০১৩ ০৮:০৮75841
  • কোন সন্দেহ নেই যে হোস্টেলের কলেক্টিভ লাইফ মানুষকে বদলে দেয়। ঘরের প্রোটেক্টিভ বাতাবরণের বাইরে এই লাইফ গ্রুপ বিহেভিয়ার, হিউম্যান ইন্টের‌্যাকশন, প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সমাধান বা অপটিমাম সল্যুশন খোঁজা ইত্যাদি শেখায়; বৃহত্তর জীবনের কঠোর বাস্তবতার মধ্যে বাঁচার মানসিকতা তৈরি করতে সাহায্য করে।
    আমি মনে করি অন্ততঃ কলেজ জীবনে হোস্টেলে থেকে পড়াশুনোর অ্যাডভান্টেজ আছে। তাই দুই মেয়েকেই হোস্টেলে পাঠিয়েছিলাম, ফলও পেয়েছি। নিজে স্কুল থেকেই হোস্টেলে।
    কিন্তু কোন জিনিসই অবিমিশ্র ভাল নয়, র‌্যাগিং এর সবচেয়ে খারাপ দিক।
    হোস্টেল লাইফের উপরোক্ত সুফলগুলো পেতে র‌্যাগিং থাকা দরকারি নয়। খামোকা র‌্যাগিং কে ক্রেডিট দেয়া কেন? যেসব জায়গায় র‌্যাগিং নেই সেখানেও হোস্টেলের কলেক্টিভ লাইফের সুফল ছাত্ররা পেয়ে থাকে।
    প্র্যাংক, ঝগড়া, মারামারি এগুলো অল্পবয়সে লাইফের অংগ।
    কিন্তু র‌্যাগিং এর ক্ল্যানিশ বা মাফিয়া মনোবৃত্তি ব্যানিশ হওয়া উচিত যেখানে নবাগত বা জুনিয়রের আত্মসম্মানকে আঘাত করে পরে পেট ভরে খাওয়ানো হয়!
    এখনো অনেকে শাউড়ির ডমিনেশনের প্রশংসা করে বলে যে উনি অসুখে বিসুখে কত কেয়ার করতেন! তারপর সেই বউয়েরা অমনি শাস হয়।
    আগে থেকে চলে আসছে বলে, কিছু প্রটেক্শন আছে বলে আজকেও জয়েন্ট ফ্যামিলি, জাতপাত, স্কুলে শারীরিক শাস্তি এবং হস্টেলে র‌্যাগিং চালিয়ে যেতে হবে --এটা মানতে পারছি না।
  • Rahul Dev Chakraborty | 120.227.156.102 (*) | ১১ অক্টোবর ২০১৩ ০৩:২৪75843
  • আমি বেসু র ছাত্র।আসলে আমাদের পূর্বপুরুষরা ভারত এর বিভিন্ন কলেজ-ইউনিভার্সিটি তে যা কীর্তিকলাপ করে গেছেন,তার মাশুল তো আমাদের দিতেই হবে।এই ঘটনায় যে সিঁদুরে মেঘ দেখা হয়েছে সে বোঝাই যাচ্ছে।তবে ঘেরাও করার আগে ভাবা উচিত ছিল।এর আগেও যখন ju তে শিখখক ঘেরাও হয়েছে লোকে তা ভালো ভাবে নেই নি।এই বিষয় টা মাথায় রাখা উচিত ছিল।ঘেরাও তে কর্ত্রিপখ্খ ফাউ ফুটেজ পেলেন।
    তবে যারা স্কুল-কলেজ এ অনিয়ম নিয়ে চ্যানেল এ চ্যানেল এ হাওয়া গরম করছেন,তারা একটু ভেবে দেখবেন কেন ছাত্ররা এই রাস্তা নিল।ju ,প্রেসি,বেসু তে যারা পরে,তাদের সাথে পারার ক্লাব এর নন্টে,বিল্টু দের গুলোবেন না।শ্রদ্ধা কি চাকরির সাথে incentive এর মতো?মাস গেলে মাইনের সাথে পাওয়া যায়?ছাত্রদের কেন এই রাস্তায় হাটতে হচ্ছে,কেন শিখখকরা মাস গেলে মাইনের সাথে শ্রদ্ধা পাচ্ছেন না,এই নিয়ে তদন্ত কমিটি হবে কি?CBI তদন্ত ও হতে পারে।
  • Amit | 153.238.154.214 (*) | ১৫ অক্টোবর ২০১৩ ০৭:৫৬75844
  • Being an ex student of JU & after seeing quite a few universities abroad, everywhere ragging is treated very seriously & no one takes it for granted. There must be punishment to act as an example. Whatever JU authority has done, it'll make the other so called seniors think twice before any such nuisance. Only reason the so called students didn't go to governor as he is a known tough guy, he would not given any space for nuisance. Same students earlier protested against CCTV in campus despite number of security violations. Next time, any such so called student agitations, immediately police should be called in.
  • a | 132.179.44.28 (*) | ২৩ অক্টোবর ২০১৩ ০২:০৫75846
  • কিন্তু এটা তো এখনো বোঝা গেল না যে মানিকবাবু কি অধিকারে "জানতে" গেছিলেন যে প্রথম বর্ষের ছত্রদের বার করে দেওয়া হয়েছে?
  • ranjan roy | 132.175.160.141 (*) | ২৩ অক্টোবর ২০১৩ ০৬:০০75847
  • এটাও বোঝা যাচ্ছে না যে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের ফলশ্রুতিতে সিনিয়রদের জুনিয়রের ঘরের কাঁচভাঙা বা দরজায় নোংরা লেপে দেওয়া কী করে যুক্তিসংগত পরিণাম হয়?
  • π | 118.12.173.94 (*) | ২৩ অক্টোবর ২০১৩ ১২:৩৪75845
  • Du | 107.79.230.34 (*) | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০১:৩২75852
  • এইটা অনেক পুরোনো কিন্তু এখনই পড়লাম বলে লিখছি --ট্রাইব্যাল স্টুডেন্টদের একটু 'সংস্কৃতি'র ===প্রদান কর্মসূচি থেকে ছাড় দেওয়া গেলে ভাল হয়। দায়িত্বশীল ছাত্রকুল একটু ভেবে দেখতে পারেন।
  • m | 121.93.178.110 (*) | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৭:৩০75848
  • জে ইউ মেন হোস্টেল র‌্যগিঙ্গ
  • m | 121.93.178.110 (*) | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৭:৩২75849
  • Two students of Jadavpur University were allegedly beaten up and thrown out of their hostel room by another group of students in the wee hours today.

    In a complaint to the university authorities, the students Jahangir Hossain and Partha Mal alleged that a group of students had been threatening them to keep silent over a case of molestation in March, this year.

    They said the students beat them up at 1 am and pushed them out of the Jadavpur Main Hostel where they had been staying.

    Hossain alleged that he had earlier also complained to the dean of students and hostel superintendent, but no action was taken.

    He said that they had been facing ragging themselves and had tried to prevent the new students from getting ragged inside the hostel two weeks back after which they were beaten up in the wee hours today.

    When contacted, the university's dean of students, Dr Rajat Ray, told PTI that an enquiry was initiated into the complaint.

    "We have an anti-ragging squad which is investigating into the incident. Action will be taken on the complaint as per the rules and regulations," he said.
    http://www.business-standard.com/article/pti-stories/ju-students-beaten-pushed-out-of-hostel-115090300670_1.html
  • sutol | 121.93.178.110 (*) | ০৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ ০৮:২৯75850
  • In the recent past, two members of the Jadavpur University Men's Hostel have been vocal about the issue of ragging/hazing on social media and have openly stated their concerns.
    I just found out that last night, in a general body meeting at the hostel, the GB 'decided' that these two members shall not be 'allowed' to live in the hostel anymore because they have 'campaigned against' the hostel. They have now been forcefully evicted by the 'general body'.
    Are we going to be silent about this or try and do something?
    Tagging elected union representatives and waiting for their response: Payal Sarkar Shraman Guha Subhabrata Hokkolorob
    https://www.facebook.com/dibyokamal/posts/10152933123432581?pnref=story
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। আলোচনা করতে মতামত দিন