• বুলবুলভাজা  অপর বাংলা

  • নো ওয়ান কিলড ফেলানি

    একরামুল হক শামিম লেখকের গ্রাহক হোন
    অপর বাংলা | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ | ৭১০ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন পুনঃপ্রচার
  • বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিষয়ে অধ্যয়নকালে চতুর্থ বর্ষে 'আন্তর্জাতিক আইনে' গার্সিয়া অ্যান্ড গারজা মামলা পড়তে হয়েছিল। মনে আছে, এ নিয়ে ক্লাসরুমে বেশ আলোচনাও হয়েছিল। আনুষ্ঠানিকভাবে মামলাটি মেক্সিকো ভার্সেস ইউএসএ, ১৯২৬ নামে পরিচিত। এই মামলাটি শেষ পর্যন্ত মেক্সিকো-যুক্তরাষ্ট্র জেনারেল ক্লেইমস কমিশনে নিষ্পত্তি হয়েছিল। মেক্সিকোর একটি দরিদ্র পরিবারের দুই সন্তান রাতের আঁধারে রিওগ্রানদে নদী সাঁতরে যুক্তরাষ্ট্রের সীমানা অতিক্রম করার সময় যুক্তরাষ্ট্রের সীমান্তরক্ষীর গুলিতে নিহত হয়। তারা এমন এক স্থানে গুলিবিদ্ধ হয় যেখানে মেক্সিকো ওযুক্তরাষ্ট্রের আইনে নদী পারাপার নিষিদ্ধ ছিল। সীমান্তরক্ষী অফিসার চোরাচালানের উপর নজর রাখার জন্যই বিশেষভাবে নিযুক্ত হয়েছিল। যুক্তরাষ্ট্রের কোর্ট অব মার্শাল সীমান্তরক্ষী অফিসারকে দোষী সাব্যস্ত করে এবং অফিসারকে চাকরি থেকে অব্যাহতির আদেশ দেয়। কিন্তু কিছুদিন পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট সেই আদেশের সঙ্গে ভিন্নমত পোষণ করেন এবং অফিসারকে পুনঃরায় চাকরিতে বহাল করেন। বিষয়টি মেক্সিকো-ইউএসএ জেনারেল ক্লেইমস কমিশনে বিবেচনার জন্য প্রেরণ করা হয়। আদালত সিদ্ধান্ত দেয়, অফিসারের কৃতকর্ম রাষ্ট্রীয় আইন দ্বারা যেভাবেই বৈধ করার চেষ্টা করা হোক না কেন এটি আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য কোনো কাজ নয়। শিশু দুটির অনানুমোদিত স্থান দিয়ে নদী পারাপারের চেষ্টা নিঃসন্দেহে বেআইনি কাজ। কিন্তু কেবল এই কারণে কেনো ব্যক্তির মৃত্যু ঘটানো আন্তর্জাতিক আইনে স্বীকৃত বা অনুমোদিত হতে পারে না। আন্তর্জাতিক আইনে ব্যক্তির প্রতি আচরণের একটি ন্যূনতম গ্রহণযোগ্য মাত্রা রয়েছে। এমন কোনো আইন নেই যার মাধ্যমে ব্যক্তির প্রতি এমন অমানবিক আচরণ সমর্থিত হতে পারে। সুতরাং মেক্সিকান শিশু দুটির হত্যা নিঃসন্দেহে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং এর জন্য যুক্তরাষ্ট্র দায়ী হবে। সেই মামলায় যুক্তরাষ্ট্রকে নিহতের বাবা-মাকে ২ হাজার ডলার ক্ষতিপূরণ দিতে বলা হয়। ক্ষতিপূরণের টাকার পরিমাণের চেয়ে বড় বিষয় হলো দায়ী পক্ষ দণ্ড পেয়েছে।


    গার্সিয়া এবং গারজা মামলাটি অনেকদিন পরে প্রাসঙ্গিকভাবে মনে পড়ে গেল। তবে এবারের ফলাফল ভিন্ন। ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি। ভোরবেলা পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার অন্তর্গত চৌধুরীহাট সীমান্ত চৌকির কাছে কাঁটাতারের বেড়া পার হওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হয় বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানী খাতুন। কনস্টেবল অমিয় ঘোষ গুলি করে। কাঁটাতারে দীর্ঘ সময় ধরে ঝুলে থাকে ফেলানীর মৃতদেহ। এ নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। তারপর থেকেই ফেলানী হত্যার বিচারের দাবি জানানো হয়। নানা ধাপের পর সেই বিচার শুরু হয় ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট। স্বাভাবিকভাবেই এ বিচার কাজ নিয়ে অনেক রকমের প্রত্যাশা ছিল। বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তকে বলা হয় পৃথিবীর অন্যতম রক্তক্ষয়ী সীমান্ত। সেই সীমান্তের হত্যাকাণ্ড নিয়ে প্রথম কোনো বিচার নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই অনেক রকমের প্রত্যাশা থাকে। সীমান্তের হত্যাকাণ্ড বন্ধে এই মামলা হতে পারতো প্রথম ধাপ। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সেই পথ উন্মোচিত হয়নি। প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে বিচারপ্রক্রিয়া।


    ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট অত্যন্ত গোপনীয়তা বজায় রেখে শুরু হয় ফেলানী হত্যাকাণ্ডের বিচার। সকালে কোচবিহারের সোনারীতে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) ১৮১ ব্যাটালিয়নের সদর দপ্তরে উক্ত বিচারকাজ শুরু হয়। বিএসএফ এর আইন The Border Security Force Act, 1968 অনুযায়ী গঠন করা হয় জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্ট। মোট পাঁচজন বিচারক বিচার প্রক্রিয়া চালান আর কোর্ট পরিচালনা করেন বিএসএফের গুয়াহাটি ফ্রন্টিয়ারের ডি আই জি কমিউনিকেশনস সি পি ত্রিবেদী। ১৪ আগস্ট বুধবার থেকে শুনানি শুরু হয়। কনস্টেবল অমিয় ঘোষের বিরুদ্ধে ভারতীয় দন্ডবিধির ৩০৪ ধারায় অনিচ্ছাকৃত খুন এবং বিএসএফ আইনের ১৪৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়। এই অমিয় ঘোষ তাঁর ৫ দশমিক ৫৬ মিলিমিটার ইনসাস রাইফেল থেকে গুলি চালিয়েছিলেন, যাতে নিহত হয় ফেলানী। ফেলানীকে হত্যার দায়ে বিএসএফের অভিযুক্ত কনস্টেবল অমিয় ঘোষ ঘটনার পর থেকেই ক্লোজ অ্যারেস্ট থাকেন। অর্থাৎ তিনি তাঁর ইউনিটের ১৮১ নম্বর ব্যাটালিয়নের এলাকার মধ্যেই সীমিতভাবে ঘোরাফেরা করতে পারতেন। শুনানির শুরুতে অভিযুক্ত ব্যক্তির বক্তব্য শোনা হয়। নিজের রাইফেল থেকে গুলি চালিয়ে ফেলানীকে হত্যা করলেও এর জন্য দোষ স্বীকার করেনি কনস্টেবল অমিয় ঘোষ। এরপর ১৯ আগস্ট ফেলানীর বাবা নুরুল ইসলাম ও মামা আবদুল হানিফের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। জেনারেলসিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্ট ৬ সেপ্টেম্বর বিচারকাজ শেষ করে।  রায়ে ভারত-বাংলাদেশসীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশী কিশোরী ফেলানী খাতুন হত্যার মামলায় অভিযুক্ত সীমান্তরক্ষী অমিয় ঘোষকে নির্দোষ ঘোষণা করা হয়। রায়ের পরে বিএসএফের ১৮১ নম্বর ব্যাটালিয়নের কনস্টেবল অমিয় ঘোষকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। দ্য বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স অ্যাক্ট ১৯৬৮ অনুযায়ী জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টের রায়ের চূড়ান্ত ছাড়পত্রের জন্য বাহিনীর মহাপরিচালকের কাছে পাঠাতে হয়। সেই প্রক্রিয়া শুরুর কথাও জানানো হয়।


    দুখঃজনক হলেও সত্য, জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টের এই বিচার ন্যায়বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। 'নো ওয়ান কিলড জেসিকা'র মতো যেন বলা হলো 'নো ওয়ান কিলড ফেলানী'! বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তে ব্যক্তি ফেলানীর ওপর যে নির্মম ও অমানবিক আচরণ করা হয়েছে তা কোনো আন্তর্জাতিক আইনেই সমর্থিত হতে পারে না। এ প্রসঙ্গে গার্সিয়াঅ্ যান্ড গারজা মামলায় আদালতের পর্যবেক্ষণের কথা আবারও মনে করা যেতে পারে।


    ফেলানী হত্যাকাণ্ড সীমান্তে হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্রে আইকনিক ঘটনা হয়ে উঠেছে। এই হত্যাকাণ্ডের ন্যায়বিচারের সঙ্গে ভবিষ্যতের আরও অনেক ঘটনার সংযোগ হয়েছে। সুতরাং বাংলাদেশ সরকারকে এখন এ ব্যাপারে সক্রিয় হতে হবে। এতোদিন বিষয়টি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর পর্যায় থেকে দেখা হয়েছে। এখন আশা করবো বাংলাদেশ সরকার এ ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন। সীমান্তে হত্যাকাণ্ড বন্ধ করতে হলে অবশ্যই ফেলানী হত্যাকাণ্ডে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। সবাই যেখানে জানে যে অভিযুক্ত অমিয় ঘোষের রাইফেল থেকে চালানো গুলিতেই ফেলানীর মৃত্যু হয়েছে এবং মৃত্যুর পর অমানবিকভাবে ঘন্টার পর ঘন্টা ফেলানীর মৃতদেহ কাঁটাতারে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে সেখানে অভিযুক্তকে বেকসুর খালাস দেওয়া নিঃসন্দেহে বিচারপ্রক্রিয়ার প্রতি মানুষকে বিমুখ করে তুলবে।


    দ্য বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স অ্যাক্ট, ১৯৬৮ এর ১১৭ ধারা অনুযায়ী এই আদেশের বিরুদ্ধে পিটিশন দায়ের করার সুযোগ রয়েছে। সেই সুযোগটি অবশ্যই গ্রহণ করতে হবে।


    ১১৭ ধারায় রয়েছে- 117.Remedy against order, finding or sentence of Security force Court.


    (1) Any person subject to this Act who considers himself aggrieved by any order passed by any Security Force Court may present a petition to the officer or authority empowered to confirm any finding or sentence of such Security Force Court, and the confirming authority may take such steps as may be considered necessary to satisfy itself as to the correctness, legality or propriety of the order passed or as to the regularity of any proceeding to which the order relates.


    (2) Any person subject to this Act who considers himself aggrieved by a finding or sentence of any Security Force Court which has been confirmed, may present a petition to the Central Government, the Director- General, or any prescribed officer superior in command to the one who confirmed such finding or sentence,and the Central Government, the Director- General, or the prescribed officer,as the case may be, may. pass such order thereon as it or he thinks fit.


    ২০১৩ সালের ২৫ এপ্রিল ভারতের সুপ্রিমকোর্ট আদেশ প্রদান করেছে যে সিকিউরিটি ফোর্সের সদস্যদের বিচার ক্রিমিনাল কোর্টেও করা যাবে। সুপ্রিম কোর্ট এ আদেশের মাধ্যমে জম্মু ও কাশ্মীরের হাইকোর্ট ও নিম্ন আদালতের রায়কে সেট অ্যাসাইড করে দেয়। ২০১০ সালের ফেব্রুয়ারিতে দুইজন বিএসএফ সদস্য কর্তৃক একজন কাশ্মিরী কিশোরীকে হত্যার মামলায় এমন আদেশ দেয় ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। সেখানে সুপ্রিম কোর্ট জানায়, সব ধরনের মামলা সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্টে করা বাধ্যতামূলক নয়।  (The SC held that it was not mandatory to try all such cases in the security force court, and the commanding officer must adduce sufficient reasons on why the case should not be sent to a criminal court. It said specific provisions under the armed forces laws could not summarily take away general laws.)


    কিছুটা দেরি হয়ে গেলেও সুপ্রিম কোর্টের এই আদেশকে বিবেচনায় নিতে হবে। যেভাবে জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্স ফেলানী হত্যা মামলায় রায় প্রদান করেছে তা ন্যায়বিচার বাধাগ্রস্ত করেছে। পাশাপাশি সীমান্তে হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পথকে আরও উন্মুক্ত করেছে। বাংলাদেশ এবং ভারত দুটি দেশকেই সীমান্তে হত্যাকান্ডে বন্ধে ফেলানী হত্যা মামলাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্বের সাথে নিতে হবে।

  • বিভাগ : অপর বাংলা | ০৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ | ৭১০ বার পঠিত
  • পছন্দ
    জমিয়ে রাখুন গ্রাহক পুনঃপ্রচার
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | 118.22.228.16 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১২:৫৬75365
  • জাস্ট পাশের থ্রেডই চলছে, আসিফ মহীউদ্দীনের লেখা নিয়ে। তো, আমরাও কিন্তু বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ অবস্থা নিয়ে যথেষ্ট মন্তব্য করি।
  • siki | 131.243.33.212 (*) | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১২:৫৮75366
  • আমার গায়ে লাগে নি। সত্যি কথা বললে গায়ে লাগবে কেন? তবে ঐ জাতীয়তাবাদী ব্যাঘ্রহুঙ্কার শুনে, সত্যি বলছি, বড় ভয় পেয়ে গেলাম।

    সমস্যাটা হচ্ছে, একটু কোট করিঃ

    "নিজেদের অখণ্ডতা রক্ষা করুন।আসাম নিয়ে তো আর কিছু বলার নাই। তেলেঙ্গানা নিয়ে এইতো গতকালও একটা কলাম পড়লাম।নিজেরা কট্টর হিন্দুত্ববাদী আর গোড়ামি থেকে এখনো বের হতে পারেন নাই। সাম্প্রদায়িক হামলা , দাঙ্গা সবচেয়ে বেশি হয় ভারতে। সঙ্খ্যালঘু মুসলমানদের কোন নিরাপত্তা নাই ভারতে। কুসংস্কারাচ্ছন্ন হয়ে আছেন নিজেরাই।অভাবের তাড়নায় মানুষ আত্মহত্যার নজির ভারতেই আছে।"

    ... সাইফুলবাবু ভারতকে বা ভারতীয়দের একটা হোমোজিনিয়াস এনটিটি ভেবে লাঠি চালিয়ে গেছেন। ভারত অ্যাজ আ গ্রস হিন্দুত্ববাদী নোংরামো থেকে বের হতে পারে নি সেটা যেমন সত্যি তেমনি ভারতে এইসব নোংরামিকে সাপোর্ট করে না এমন লোকও প্রচুর আছে যারা প্রতিনিয়ত এই নিয়ে আওয়াজ তুলে চলেছে। বাংলাদেশ নিজে কি কট্টর মুসলমানী গোঁড়ামি থেকে বেরোতে পেরেছে? দেশের উন্নতির কথা না ভেবে এখনও কি ওখানকার সংখ্যাগুরু লোক আল্লার মান অপমান নিয়ে বেশি ভাবে না?

    বাকি সাপ্রদায়িক দাঙ্গা ভারতে বেশি হয় না বাংলাদেশে বেশি হয়, সেটা সাইফুলবাবুই ভালো জানবেন। ভারতের জনসংখ্যা আর বাংলাদেশের জনসংখ্যা তো সমান নয়। ভারতে সংখ্যালঘু মুসলমানের নিরাপত্তা সম্ভবত বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দু, বৌদ্ধ বা অন্যান্য আদিবাসীদের থেকে অনেকটাই বেশি। কুসংস্কারেরও কিছু কমতি নেই বাংলাদেশে। অভাবের তাড়নায় বাংলাদেশেও মানুষ আত্মহত্যা করে বা সীমান্ত পেরিয়ে ভারতে চলে আসে। আসছে প্রতিদিন।

    প্রতিটা কথাই ভারতের জন্য যতটা সত্যি, বাংলাদেশের জন্যেও ততটাই সত্যি। এই তরফে আঙুল তুললে ঐ তরফেও আঙুল তুলবে। তার পরিণতিতে আসবে এই ধরণের ভদ্রলোক থেকে বাঘ হওয়ার মত বিদ্বেষমূলক পোস্ট।

    এগুলো করে কি সত্যিই কোনও লাভ হচ্ছে? কোনও দেশেই পারফেক্ট নয়, ভারত আর বাংলাদেশের অনেক সমস্যাই এক ধরণের, সুতরাং ঐসব সমস্যার কথা তুলে একে অন্যকে আক্রমণ করলে সেটা নিজের দিকেই থুতু ছেটানো হয়।
  • b | 135.20.82.166 (*) | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০২:৫৯75418
  • 13 September 2013 21:53:43 IST 181.207.39.182 (*)
    মইনুল মানুষ কেমন জানি না, তবে লেখার টোন বেশ অসম্ভব অভদ্র লাগলো।
  • pi | 118.22.239.30 (*) | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৩:৪৯75419
  • আমি মইনুল বাবুর পোস্টে আশ্চর্য হইনি। ফেবু গ্রুপে দেখে অভ্যস্ত। এবং এরকম বা এর থেকেও অনেক অভদ্র টোনের পোস্ট এপারের বাঙালীরা হাল হামেশা বাঙলাদেশীদের উদ্দেশ্যে করে চলেছেন। ভরসার কথা এটাই, এই ফোরামের মত অনেকে তার প্রতিবাদও করেন।
  • jannata | 127.216.212.71 (*) | ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৫:৩২75420
  • কিছুদিন আগে বাংলাদেশ যাওয়ার সৌভাগ্য হয়েছিল। আমার উপলব্ধি দুইবাংলার মানুষ এক, তাদের সমস্যাও এক- শুধু ধর্ম আর রাজনীতি আমাদের বিরোধ জিইয়ে রাখছে। আর আমার ক্ষুদ্র বুদ্ধিতে মনে হয়েছে আগামী ১০ বছরের মধ্যে অর্থনৈতিক দিক থেকে বাংলাদেশ অনেক উন্নতি করবে।
    তবে এই সাথে এটাও বলি আমি রাষ্টের সার্বভৌমত্বে বিশ্বাস করি, তাই যে রকম থাকে তাকে সেই রকম থাকতে দেওয়া উচিত বলে মনে করি। ঐ নিজে গেটেড কমিউনিটিতে বসে সীমানা নিয়ে প্রশ্ন তুলে আত্মশ্লঘা অনুভব করি না।
  • বিপ্লব রহমান | 212.164.212.20 (*) | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১১:১৪75421
  • সিকিকে আধুলি মাপের "ক"।

    কৃশানু'র খিস্তিকে জোর সমর্থন। তাকে বিনয় করে বলি, সীমান্তের চৌকিদার চাড্ডি/ মোল্লাদের আরো কিছু খিস্তি ব্যবহার করুন। তবু বলেশ্বর উকুনদের নাশ চাই। :পি
  • বিপ্লব রহমান | 212.164.212.20 (*) | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১১:১৬75422
  • আপডেট-০১:

    ["গুগল ম্যাপে ‘ফেলানী রোড’
    বিএসএফের বিচার নিয়ে সমালোচনার প্রেক্ষাপটে ফেইসবুকে একটি গ্রুপের দাবির মধ্যে গুলশানে ভারতীয় হাই কমিশনের সামনের সড়ক ‘ফেলানী রোড’ নামে স্থান পেয়েছে গুগল ম্যাপে।

    শুক্রবার রাতে গুগল ম্যাপে দেখা যায়, ভারতীয় হাই কমিশন ও ব্রাজিল দূতাবাসের মধ্যবর্তী সড়কের নাম ইংরেজিতে ফেলানী রোড (Felani Rd) লেখা হয়েছে।

    বাংলাদেশি কিশোরী ফেলানী ২০১১ সালে কুড়িগ্রামের অনন্তপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত হন। কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলে থাকা ফেলানীর মৃতদেহ তখন বিশ্বব্যাপী সমালোচনার ঝড় তুলেছিল।

    আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি আর ঢাকার বারবার আহ্বানের পর বিএসএফ ফেলানী হত্যাকাণ্ডের বিচারের উদ্যোগ নেয়। তবে বিএসএফের বিশেষ আদালত গত ৬ সেপ্টেম্বর ফেলানী হত্যায় অভিযুক্ত বিএসএফের হাবিলদার অমিয় ঘোষকে নির্দোষ বলে রায় দেয়ার পর বাংলাদেশে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।

    বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এই রায়ে অসন্তোষ জানানোর পর শুক্রবার ভারত জানিয়েছে, এই রায় পুনর্বিবেচনা করা হবে।
    রায়ের পরপরই বৃহস্পতিবার ফেইসবুকে ঢাকায় ইন্ডিয়ান হাই কমিশনের সামনের রাস্তার নাম ‘ফেলানী রোড’ করার দাবিতে ফেইসবুকে একটি পাতা খোলা হয়। শুক্রবার রাত আড়াইটা পর্যন্ত এতে সমর্থন জানিয়ে ২৬ হাজার ৯৩৯ জন ফেইসবুক ব্যবহারকারী লাইক দেন।

    ওই পেইজে বলা হয়েছিল, “সরকার দিক বা না দিক, আজ থেকে গুলশান-১ এর ১৪২ নাম্বার রোডের নাম "ফেলানী রোড"!!!”

    কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার দক্ষিণ রামখানা ইউনিয়নের বানার ভিটা গ্রামের কিশোরী ফেলানী ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি বাবার সঙ্গে ভারত থেকে বাড়ি ফিরছিল। কিছুদিন পর তার বিয়ের কথা ছিল।

    অনন্তপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত হয়ে কাঁটাতারের বেড়ায় ৫ ঘণ্টা তার লাশ ঝুলে থাকার ছবি দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে ব্যাপক সমালোচনা হয়।"]
    http://bangla.bdnews24.com/bangladesh/article671441.bdnews
  • বিপ্লব রহমান | 212.164.212.20 (*) | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ১১:১৮75423
  • আপডেট-০২:

    [" ফেলানি হত্যার পুনর্বিচারের সিদ্ধান্ত নিল বিএসএফ

    ভারতের সীমান্ত রক্ষী বাহিনী বিএসএফ জানিয়েছে, সীমান্তে বাংলাদেশের কিশোরী ফেলানি খাতুন হত্যা মামলার ‘রিভিশন ট্রায়াল’ বা পুনর্বিচারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

    বিএসএফের একজন উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বিবিসি বাংলাকে জানিয়েছেন, সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়ার ওপর ফেলানি খাতুন হত্যাকান্ডের যে রায় বিএএসএফের বিভাগীয় আদালত দিয়েছে, সেই রায়ের সঙ্গে তারা একমত হতে পারছেন না। তাই অভিযুক্ত বিএসএফ সদস্য অমিয় ঘোষকে অবিলম্বে পুনর্বিচার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তারা। বিএসএফেরই আভ্যন্তরীণ আদালতে এই বিচার হবে।

    বিএসএফের মহাপরিচালক সুভাষ যোশি বাংলাদেশ সফরে যাওয়ার মাত্র একদিন আগে ফেলানি হত্যাকান্ডের বিচারের ব্যাপারে এই সিদ্ধান্ত জানানো হলো। ঢাকায় দুই দেশের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর মধ্যে মহাপরিচালক পর্যায়ের এক বৈঠকে যোগ দিতে সুভাষ যোশি সেখানে যাচ্ছেন। বিএসএফের মহাপরিচালক হিসেবে এটিই হবে তার প্রথম ঢাকা সফর।

    দিল্লি থেকে বিবিসির শুভজ্যোতি ঘোষ জানান, ফেলানি হত্যা মামলার রায়ে বাংলাদেশে যে বিক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে, সে পটভূমিতেই বিএসএফ এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

    তিনি জানান, ঢাকা সফরে যাওয়ার আগে বিএসএফের মহাপরিচালক শুক্রবার দিল্লিতে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। তারপরেই বিএএসএফের তরফ থেকে ফেলানি হত্যা মামলার পুনর্বিচারের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়।

    ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারী ভোরে পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলার অন্তর্গত চৌধুরীহাট সীমান্ত চৌকির কাছে কাঁটাতারের বেড়া পেরনোর সময়ে ফেলানি খাতুন কনস্টেবল অমিয় ঘোষের গুলিতে মারা যান। দীর্ঘক্ষণ তাঁর দেহ বেড়ার ওপরেই ঝুলে ছিল।

    নিহত এই কিশোরির ছবি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর এর তীব্র প্রতিক্রিয়া হয় বাংলাদেশে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংগঠনগুলোও এই হত্যাকান্ডের জন্য বি এস এফের কড়া নিন্দা করেছিল।

    বি এস এফের ১৮১ নম্বর ব্যাটালিয়নের কনস্টেবল অমিয় ঘোষের বিরুদ্ধে ভারতীয় দন্ডবিধির ৩০৪ ধারায় অনিচ্ছাকৃত খুন এবং বি এস এফ আইনের ১৪৬ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছিল।

    সেনাবাহিনীর কোর্টমার্শালের অনুরূপ বি এস এফের নিজস্ব আদালত জেনারেল সিকিউরিটি ফোর্সেস কোর্ট এই মামলায় অমিয় ঘোষকে নির্দোষ বলে মুক্তি দেয়। এই মামলাটিই এখন আবার পুনর্বিচারের সিদ্ধান্ত নিল বিএসএফ।

    ফেলানির পরিবারের প্রতিক্রিয়া

    বিএসএফের এই সিদ্ধান্তের পর ফেলানি খাতুনের বাবা নুরুল ইসলাম বিবিসিকে তাঁর প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেন, "আমরা চাই বিচারটা যেন সুষ্ঠুভাবে হয়, ভালোভাবে হয়। আমি চাই, যে বা যারা আমার মেয়েকে হত্যা করেছে, তাদের যেন ফাঁসি হয়। ভারত সরকারের কাছে, বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। নতুন সিদ্ধান্তের কথা জেনে আমার ভালো লাগছে। ভালোভাবে যেন বিচারটি শেষ করা হয়, এটাই আমার চাওয়া।"

    বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বিবিসিকে জানিয়েছেন, তারা এখনি এই সিদ্ধান্ত নিয়ে কোন মন্তব্য করতে চান, বরং পুরো প্রক্রিয়াটি পর্যবেক্ষণ করছেন।

    মেজর জেনারেল আজিজ আহমেদ বলছেন, রায়ের বিষয়টি যখনি আমরা জানতে পেরেছি, বিভিন্ন লেভেলে আমরা বিএসএফের সাথে যোগাযোগ করেছি। তারা আমাদের জানিয়েছে, যে রায়টি হয়েছে, সেটি মহাপরিচালক পর্যায়ে যায়নি এবং সেখান থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি। যেকোনো বাহিনীতে, নিন্মপর্যায়ে যখন কোন বিচারিক রায় হয়, যতক্ষণ পর্যন্ত সেটি বাহিনী প্রধান নিশ্চিত না করেন, সেটাকে চূড়ান্ত রায় বলা যাবে না। এটা নিশ্চিত হয়নি বলেই আমরা জেনেছি। বাহিনী প্রধানের কাছে যখন বিষয়টি যায়, তিনি কিন্তু অনেকগুলো বিষয় দেখেই সিদ্ধান্ত নেন। তিনি সামগ্রিকভাবেই বিচারিক বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি আইনি বিষয় যেমন দেখেন, পারিপার্শ্বিক বিষয় দেখেন, প্রেক্ষাপট দেখেন।

    বিজিবি জানিয়েছে, দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর বৈঠকে এই বিষয়টি নিয়ে আলোচনার পাশাপাশি সীমান্তের হত্যাকাণ্ড আর আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার বন্ধের বিষয়েও আলোচনা হবে।

    বিজিবি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ফেলানি হত্যার বিচারের পাশাপাশি পাশাপাশি সীমান্তে হত্যা বা গুলিবর্ষণের মতো ঘটনা যাতে না ঘটে, সেই বিষয়টিতেও তারা জোর দিচ্ছেন।"]

    http://www.bbc.co.uk/bengali/news/2013/09/130913_mh_felani_murder_retrial.shtml?utm_source=twitterfeed&utm_medium=twitter
  • aranya | 78.38.243.161 (*) | ২১ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ০৮:৩৯75426
  • সুমন, the maestro ইজ স্টিল ক্রিয়েটিং। থ্যাংকস রোবু।
আমার গুরুবন্ধুদের জানানকরোনা
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার খেরোর খাতা, লিখতে থাকুন, বানান নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]
মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত


পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন