এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • সামরায়ণ

    কল্লোল লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ২২ মে ২০১৪ | ৮০৫ বার পঠিত
  • অতঃপর অন্তঃপুরে – সামরান হুদা
    গাঙ্গচিল, কলকাতা ২০১৪। তিনশো টাকা।

    আমার মায়ের সোনার নোলক
    হারিয়ে গেলো শেষে
    হেথায় খুঁজি হোথায় খুঁজি
    সারা বাংলাদেশে
    (আল মাহমুদ – সোনালী কাবিন, নোলক। ১৯৭০)

    বহু তত্ত্বতালাশের পর নোলকটি পাওয়া গেলো অতঃপর অন্তঃপুরে। নদীর কাছে, বনের কাছে, পাহাড়ের কাছে, পাখপাখালীর কাছে খুঁজে খুঁজে হয়রান কবি ফিরে গেছেন। আর এই দুইশতচৌষট্টি ঋতু পার করে সিলেটের কোন এক প্রত্যন্ত গ্রামের বাড়ির অন্তঃপুরে অতঃপর পাওয়া গেলো তারে।

    বর্ষার জল এলে বাড়িটা একটা দ্বীপের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে বলে মনে হয়। (পৃঃ ১২)

    সামরান তার পিচ্চিবেলার হাত ধরে পাঠককে নিয়ে যান এক নিখাদ যাপনে, যেখানে যেকোন প্রসঙ্গ একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক।
    অন্তঃপুরে প্রবেশ তাই ঝড়বাদলের রাতে। যে রাতে দুয়ারগুলি ভেঙ্গেছিলো, ভেঙ্গেছিলো ঘিঞ্জি শহরের ফ্ল্যাটবাড়ির জানালার কাঁচ, আর সেই ভাঙ্গা জানালা দিয়ে হুহু হাওয়া আর বৃষ্টির ছাঁটের সাথে ভেসে আসছিলো দাদির আজান
    আল্লা হু আকবর আশ হাদু আল্লাহ ইলাহা..........................

    প্রচন্ড ভয় পেত দাদি ঝড়-বৃষ্টিকে.......দরজা জানালা সব দৌড়ে দৌড়ে বন্ধ করা......একছুটে গোয়ালঘর......খোঁয়াড়ে আছে তো সব ক’টা মুরিগি, হাঁস ছানা পোনা সব। দৌড়ে আবার ঘরে ঢুকে সক্কলের নাম ধরে ধরে ডাকতে শুরু করত, রীতিমত চেঁচিয়ে, এই তোরা আজান দে রে!.........নিজেই আজান দিতে শুরু করে দিত। ঝড়ের শব্দকে দাবিয়ে দেওয়ার চেষ্টা। ঝড়কে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা। (পৃঃ ৩-৪)

    ঝড়জল থামে একসময়। ডুবে যায় কতো কি। আর ওই বর্ষাইত্যা ফানিতে টইটুম্বুর পুকুরে অন্তহীন স্নান শেষে ধুম জ্বর।

    খই ফুটতাসে গো জ্বরে। (পৃঃ ৯-১০)

    আবারও এক ঝড়ের দিনে নৌকা যাত্রা।

    ঢেউয়ের দুলুনি বাড়ছে। আব্বা মাঝিকে বলল পাল নামিয়ে নিতে।.......ফুফু সজোরে দরুদ পড়তে শুরু করেছে। ভাইয়া ফুফুকে জড়িয় ধরে তার কোলে মুখ গুঁজে পড়ে আছে।......আব্বা মাঝিকে বলল, উল্টোদিকে নৌকা ঘুরিয়ে দিতে।......বাচ্চা দুটো আছে সঙ্গে, তুমি নাও ঘোরাও। আব্বা গিয়ে হাল ধরে বসল, প্রাণপণে সেই হাল ধরে বসে রইল। (পৃঃ ১৫-১৬)

    পাঠকও হালের পাশে বসেন গিয়ে আব্বার সাথে। সে এক অনন্ত লড়াই হাওয়ার সাথে পানির সাথে। পার করে আসে নৌকা আগাইয়ের বিল। পাঠক, দু’জন মাঝি আর আব্বার জামা কাপড় কিছুই শুকনো থাকে না।
    এইভাবে চলে আসে শীতের ছুটি। সাথে নিয়ে আসে কাছে দূরে ছায়া ছায়া সব গ্রাম আর অফুরান নীল আকাশ।

    সেখানে ধোঁয়া ধোঁয়া শীত, ভোর ভোর সাদেক চাচার এনে দেওয়া কলসি ভর্তি হিমঠান্ডা মিষ্টি খেজুরের রস, উঠানে কাটা ফসলের পাহাড়, সদ্য ঘরে ওঠা নতুন চালে সকালে চিতই, বিকেলে ভাপা পিঠে, আজ পুলি তো কাল শুটকির ভর্তার পুর দিয়ে ভর্তাপিঠে। (পৃঃ ২২)

    এইসব সুখাদ্যের আঘ্রান, গফুর বাশাহ, বানেসা পরী, কাঞ্চনমালা আর জ্বিনেদের কথকতা, পাঠককে নিয়ে আসে ঈদের প্রাক্কালে।
    রোযা শুরু হলো তো ইস্কুল ছুটি এবং দেশের বাড়ি দাদির কাছে দাদার কাছে। কেনাকাটা হচ্ছে বিস্তর। মামা, কাকা, ফুফুদের থেকে পাওয়া হত জামা জুতো ফিতে আর পুতুল। আর আছে আম্মার নিজের হাতে বানানো ফ্রক, তাতে নিজের হাতে কাজ করা। ফিরোজা নীল আকাশে পেঁজা মেঘ থাক বা না থাক, নদীর চর কাশফুলে ঢাকা থাক বা না থাক, এ তো চেনা চেনা সেই আমলকী বনের দুরু দুরু বুক, আশ্বিনের মাঝামাঝি। ঈদ-পূজো-বড়দিন সব কেমন একাকার হয়ে যেতে থাকে চেতন অবচেতনের অন্তস্থলে। আর উঠে আসে পিচ্চিদের আশ্চর্য রোযা রাখার দেল কুরাণের নিয়মাবলী। নবীর কুরাণ এক কুরাণ। আরও এক কুরাণের কথা বলেন ফকির দরবেশরা, সুফি সন্তেরা, যে কুরাণ থাকে দিল-এ। সে দেল কুরাণ। যার নসিব হয় তার হয়, যার হয়না তার হয়না।

    দাদি শিখিয়ে দিয়েছিল, কলসিতে হা দিয়ে তোমার রোযা কলসিতে রেখে ঢাকা চাপা দাও, তারপরে তুমি খেয়ে নিয়ে কলসির মুখ থেকে নিজের রোযা আবার নিয়ে নাও, এই করে তোমার একদিনে তিনটে রোযা হয়ে যাবে। (পৃঃ ২৫-২৬)

    একই আকাশ একই বাতাস / এক হৃদয়ে একই তো শ্বাস............। এভাবেই উপোস করেন পাঠক পিচ্চিবেলার সরস্বতী পূজো আর দূর্গা পূজোয়।
    ঈদের রকমারী সব খাওয়া দাওয়া আর তাদের প্রস্তুতি বিবরণের পাঁচালীতে ধরতাই দিয়ে যান সামরান অন্তঃপুরের অন্দরের বিস্তৃত আখ্যানের। পাঠক পৌঁছে যান শব-এ-বরাতের রাতে, যখন সারা রাতের নামাজ আদায় করে, তার প্রথম পড়া একশো রাকাত নামাজ শেষে, হাঁটতে হাঁটতে পাঠককে নিয়ে যান সামরান

    সুনসান রাত। চাঁদের আলোয় ভেসে যাচ্ছে চরাচর। পায়ের তলায় শিশিরে ভেজা ঘাস, খালি পায়ে ভেজা ঘাসের উপর দিয়ে আমরা হাঁটি। এই উঠোন ওই উঠোন ঘুরে আমরা ছোট্ট পাড়াটা ঘুরে যাই কবরস্থান অবধি।...........একটু দূরে দূরে কবর সব, পরিখা ভেঙ্গে মাটিতে ঢুকে যাওয়া কবরের সামনে চুপচাপ দাঁড়িয়ে চাচি প্রার্থনা করে...........(পৃঃ ৩৯)

    এ এক অনন্য অয়ন, যার শেষে সামরান পাঠককে দাঁড় করিয়ে দেন হাট করে খোলা এক কারুকার্যমন্ডিত দরজার সামনে, অন্তঃপুরের দরজা। যাও মন, ঘুরে এসো সেই যাপনের আলপথ ধরে। যেখানে খেজুর কাঁটায় পিঠের নকশা তোলে ফুফু, যে পিঠার পেটের ভাগে ফুলে ওঠা তিলের সৌরভ আজও ঘিঞ্জি শহরের ফ্ল্যাটবাড়ির সেই ভাঙ্গা জানালা দিয়ে বয়ে যায়, বয়ে যায় দারগিঝিয়ের হাতের রাঁধা পিয়ুরসালার সুবাস। সেই সব সুবাস আর দিগন্তবিস্তৃত হাওড় থেকে উঠে আসেন আজাবি, সংসারে এক তালব্য শ। পাঠক টের পেতে থাকেন নারীকন্ঠস্বর, ধ্রুপদী সঙ্গীতে আলাপের মতো ধীর অথচ প্রত্যয়ী চলনে। কখনো বা ঘাই মারে প্রাচীন মাছের মতন এক অন্য যাপন। অথচ এ আখ্যান তো স্বাধীন বাংলাদেশের, এই তো হালের কথা। উন্নয়ন বির্তক অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যায় এস ওয়াজেদ আলির ভারতবর্ষে। ঝড়ের রাতে আজান দেন দাদি, দাদা চুপ করে বসে থাকেন। ঝড়ের রাতে আজান দেন আম্মা, আব্বা চুপ করে বসে থাকেন। অথচ সামরান সেই ঝড়বাদলের রাতে, ঘিঞ্জি শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে, বিছানায় বসে থাকেন। না, আজান দেন না। এস ওয়াজেদ আলির ভারতবর্ষ, অপ্রাসঙ্গিক হয়ে যায় ।
    পরাজিত নই নারী
    পরাজিত হয় না কবিরা
    দারুণ আহত বটে
    আর্ত আজ শিরা উপশিরা
    (আল মাহমুদ, – সোনালী কাবিন, সোনালী কাবিন। ১৯৭০)।
    শেষ বেলায় দাওয়াৎ আসে মেজ কাকার বিয়ের। আচমন শেষে দাদির ঝিলমিল বাটায় ছেঁচে দেওয়া পান মুখে ফিরে আসে পাঠক ঘিঞ্জি শহরের ফ্ল্যাটবাড়িতে।
    টেলিভিষণে ছবিকথা হয়ে ফুটে ওঠা তরঙ্গসমূহ ঘোষনা করে সসাগরা জম্বুদ্বীপে এই ২০১৪ সালে রাজ বদলের।
    হঠাৎই এক অপ্রাসঙ্গিক প্রসঙ্গ ঠেলে ওঠে গ্রীষ্মদহন রাতে, এই কিতাবখানিকে কি অনুপ্রবেশকারী বলা চলে?
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ২২ মে ২০১৪ | ৮০৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • সলিল বিশ্বাস | 213.147.88.10 (*) | ২২ মে ২০১৪ ০৬:৩৮73053
  • সামরানের বইটি খুব মনোযোগ দিয়ে পড়েছি। কি অসাধারণ এক আকর্ষণ টেনে নিয়ে গেছে আমাকে তা বলার নয়। অসংখ্য ধন্যবাদ, সামরান। আমার আরও বলার আছে। আপাতত বলি, আরও লিখুন আপনি। জানতে চাই চিনতে চাই। অনুপ্রবেশকারী? সে তো ওই গেরুয়াধারী ভণ্ডের দল যারা দেশ বেচার প্রতিশ্রুতি দিয়ে রাজদণ্ড পেয়েছে, সে রাজদণ্ড বজায় রাখতে যারা মা-কে ক্রীতদাসী বানাতে বদ্ধপরিকর।
  • কল্লোল | 125.242.134.186 (*) | ২২ মে ২০১৪ ১১:৫৬73054
  • ধন্যবাদ সালিলদা। বইটা নিয়ে আরও কিছু লেখার থাকলে লিখুন।
    যাপনের এমন একটা সাংষ্কৃতিক ইতিহাস মানুষের কাছে আরও বেশী বেশী করে পৌঁছক।
  • Biplob Rahman | 212.164.212.61 (*) | ২৯ মে ২০১৪ ০১:৪০73055
  • এই বইটির পাখি পর্ব বছর পাঁচেক আগে ফটোকপি আকারে পড়েছিলাম। সামরান দি, ওরফে ব্লগার শ্যাজাদি সেবার লেখাটি সংগে করে ঢাকায় এনেছিলেন। তখনই বুঝেছিলাম, এ হচ্ছে প্রস্তুতি পর্বমাত্র। আপন তেজে জ্বলতে থাকা অনিবার্য, শুধু সময়ের অপেক্ষা। ...

    ভূতগ্রস্থর মতো বার বার বইটির লেখাগুলো পড়ি, অলংকরণ, মৈমনসিং গীতিকাসহ অক্ষরগুলো ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখি, মুগ্ধতা আর যায় না।

    একদিন নিশ্চিত শ্যাজাদির মতো লিখবো!
  • de | 190.149.51.69 (*) | ০৩ জুন ২০১৪ ১২:১৪73056
  • অসাধারণ বই - আমার মন খারাপ থাকলেই বইটা নিয়ে বসি - কতবার যে পড়লাম!
  • সে | 188.83.87.102 (*) | ০৩ মে ২০১৫ ০৬:৩৪73057
  • পুরষ্কার পেয়েছে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। সুচিন্তিত মতামত দিন