এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • হরিদাস পাল  ব্লগ

  • জনগণমন

    dilip ghosh লেখকের গ্রাহক হোন
    ব্লগ | ১৫ আগস্ট ২০১৫ | ৩৩৪২ বার পঠিত
  • চাকরি করার সময়, অফিসে ফ্ল্যাগ তুলে একটু সিঙ্গাড়া মিষ্টি খেয়েই প্রশাসক হিসেবে দেশভক্তির যথেষ্ট প্রমান দেওয়া যেত। চাকরির একটা নির্দিষ্ট ধাপের পর থেকে স্বাধীনতা দিবসে বিকেলে মাননীয় রাজ্যপাল চা পানের নিমন্ত্রণের একটা কার্ড পাঠাতেন, তবে ঐ অত আমলার ভীড়ে এক আধজন কে দেখা না গেলে বুঝতে পারবেন না বলে অনেক সময়েই…বুঝলেন না ……হে…… হে ।

    বছর ষোল আগে হঠাৎ নেমন্তন্য করলেন নরেন্দ্রপুর রামকৃষ্ণ মিশনের শিক্ষকরা, ওঁদের আচার্য পল্লীর আবাসনে স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে। এটা এড়ানো মুশকিল, আমার পুত্র তখনো মিশনে অধ্যয়নরত। তার জননী এই অপরাধ কোনো মতেই ক্ষমা করবেন না। সকাল সকাল স্নান সেরে, নরেন্দ্রপুরের খাতিরে ধুতি পাঞ্জাবী চড়িয়ে, ফ্ল্যাগ তোলার নেমন্তন্য রাখতে বেড়িয়ে পড়েছিলাম। একখান্ বক্তিমেও মক্স করেছিলাম আগের দিন থেকে। সেখানে সব বাঘা বাঘা মাস্টার মশাইরা আছেন স্কুল কলেজ দুটোতেই। ভুল ভাল বকলে সপরিবারে মহা বেইজ্জতি। বেশ অনেকটাই রাস্তা, চিরকূট কাগজে পয়েন্ট মক্স করতে করতে চললাম। রাস্তায় তখন প্রভাত ফেরি করছে স্কুলের ছেলেমেয়েরা, একটা স্কুলের পাশ দিয়ে যেতে যেতে দেখলাম সার বেধে ফ্ল্যাগের সামনের দাঁড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীত গাইছে সবাই।

    আমাদের দরমার দেওয়াল আর বাঁশের চাল দেওয়া প্রাথমিক স্কুলটা মনে পড়ে গেল, যেখানে কখনো মাটিতে আর কখনো বেঞ্চিতে বসে অক্ষরজ্ঞান হয়েছিল। স্বাধীনতা দিবসে ওরকমই সার বেঁধে দাঁড়াতাম। পতাকা উঠত। তারপর “জন গণ মন অধিনায়ক, জয় হে।” কিন্তু এখনকার মত কেবল আস্থায়ীটুকু গেয়ে শেষ করে দিলে হত না। স্কুলে গান শেখাতেন জগদীশবাবু। দেশভাগের ধাক্কায় প্রায় একবস্ত্রে এসে ঊঠেছিলেন অসমের শিবসাগর জেলার সেই প্রান্তীয় জনপদ শিমালুগুড়িতে। কয়েকটা গানের টিউশনি আর রেলের প্রাথমিক স্কুলে গান শিখিয়েই কোনোক্রমে দিন কাটাতেন সপরিবারে। তিনি আমাদের পুরো পাঁচটা স্তবকই গাইতে শিখিয়েছিলেন, সেভাবেই গাওয়া হত স্বাধীনতা দিবসে। মাস্টারমশাই যখন শেষ স্তবক, “রাত্রি প্রভাতিল, উদিল রবিচ্ছবি পূর্ব- উদয়গিরি ভালে - / গাহে বিহঙ্গম, পুণ্য সমীরণ নবজীবনরস ঢালে।“ গাইতেন তখন মুখ চকচক করত, দুচোখে জলের ধারা বইত, মুখে একটা অদ্ভুত হাসির আভাস খেলত, ফেলে আসা ঘরবাড়ির স্মৃতি আর স্বাধীন দেশে নতুন করে শুরু করার উৎসাহ দুয়ে মিলে একটা ভারি মিশ্র ব্যাপার। কষ্ট পেতেন না খুশি হতেন সেটা তখনো বুঝি নি, এখনো বুঝি না। গানটা সবটা শেষ হলে তবে বোঁদে সিঙ্গাড়া এসব আসতো।

    সন্ধ্যা বেলা তিনি আমার মা-য়ের সঙ্গীত শিক্ষক। আমাকেও ছাত্র বানিয়ে নিয়েছিলেন কিছুদিনের মধ্যে। মা-কে বলতেন খোকার গলায় সুর আছে। বেশির ভাগ সময়ে লঘু শাস্ত্রীয় সঙ্গীত, নাহলে রবীন্দ্রনাথ বা নজরুল শেখাতেন। হারমনিয়মের চাইতে এসরাজ পচ্ছন্দ করতেন বেশি। ভারী চমৎকার বাজাতেন সেটা। তবলাতেও বেশ সচ্ছন্দ ছিলেন। রাগরূপের প্রথমিক ধারনার জন্য তাঁর কাছেই ঋণী আমি। এখনো মনে পড়ে নজরুলের গান শেখাচ্ছেন , “মহাকালের কোলে এসে গৌরী হল মহাকালী”, শেখাতে শেখাতে বললেন, “না না, ঐ স্বরটা ও ভাবে লাগালে হবে না, এভাবে লাগাও, এটা তো দূর্গা?” আমি তো অবাক? এতক্ষণ কালি কালি করে আবার দূর্গা কোত্থেকে এল? ব্যস, এরপর বেশ কিছুদিন দুর্গার তালিম চলল, খানিকটা কব্জা করার পর আবার ব্যাক টু মহাকালী। গান সেভাবে শেখা হয়নি আমার কিন্তু শুনে যে প্রবল আনন্দ পাই , সেটা অনেকটাই তাঁর দান।

    ১৯৬০ অবধি এ ভাবেই লড়ে যাচ্ছিলেন তিনি। ষাটের “বঙাল খেদা” আন্দোলনে দ্বিতীয়বার বাস্তুচ্যুত হয়েছিলেন মাস্টারমশাই। সে যাত্রা আমরাও ছিটকে পড়েছিলাম অসম থেকে, অবশ্য তাঁর মতো সর্বস্ব খুইয়ে নয়। আরো অনেক রেলওয়ে আধিকারিকের মতো আমার বাবাও পশ্চিম বঙ্গে বদলি হয়ে এলেন, মাস্টার মশাইর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেল আমাদের। অনেক অনেক দিন পরে, বাবা যখন অবসর নিয়ে হাওড়ায় স্থিত হয়েছেন, এবং আমি প্রশাসনের একটি ঢিলে ইস্কুরুপ হয়ে উত্তরবঙ্গে বাস করছি, সেই সময়ে মাস্টার্মশাই খুঁজে খুঁজে আমাদের হাওড়ার বাড়িতে এসেছিলেন বাবা মার সঙ্গে দেখা করতে । অসম এর আন্দোলনের ধাক্কায় ছিটকে এসে ধুবুলিয়ায় শরণার্থী শিবিরে উঠেছিলেন। দারিদ্ররেখার যতটা নীচে তাঁর সঙ্গে আমাদের অসমে শেষ দেখা হয়েছিল, কুড়ি বছরে সেখান থেকে এক দাগও উঠতে পারেননি আর। কিন্তু ভারি খুশি হয়েছিলেন এসে। বাবা তাঁকে আমার ঠিকানা দিয়ে বলেছিলেন যোগাযোগ করতে। কিন্তু সেটা আর তিনি করেননি, নিজের ঠিকানাটাও লিখে যাননি বাবার কাছে। বাবা তার ক’দিন পরেই চলে গেছিলেন । মাস্টারমশাইকে আর আমার খুঁজে বার করা হয়নি।

    সেদিন নরেন্দ্রপুরের পথে আমাকে প্রবলভাবে আচ্ছন্ন করে ফেলেছিলেন সেই গানের মাস্টারমশাই। বক্তৃতার চিরকুটটা সেই যে পকেটে ঢোকালাম, আর বের করলাম না। দরকারও হল না। পতাকা তোলার পর যখন মাইক ধরিয়ে দিলেন উদ্যোক্তারা তখন মাথায় জাঁকিয়ে বসে আছেন শৈশবের স্বাধীনতা দিবস আর গানের মাস্টারমশাই। স্বাধীনতা সাহেবেরা দয়া করে দিয়ে গেছে, কিম্বা এটা “ঝুটা” , এ কথাগুলো কোনোমতেই বিশ্বাস করতেন না তিনি। স্বাধীনতা নিয়ে তাঁর উচ্ছাস আনন্দ ঐ ‘জনগণমন’ – তে যে আবেগে ফুটে উঠত আমি তার সাক্ষী।

    স্বাধীনতা উন্নয়নের প্রধান লক্ষ্য এবং প্রাথমিক পথ। উল্টোদিকে উন্নয়ন-ও স্বাধীনতার প্রধান লক্ষ্য এবং প্রাথমিক পথ। সমীকরণে কোনো জটিলতা নেই, স্বাধীনতা এবং উন্নয়ন তত্ত্ববিশ্বে অচ্ছেদ্য। তবুও দেশের ‘স্বাধীনতা’ তাঁকে এবং তাঁর পরিজনদের কেন দারিদ্র, অশিক্ষা, অপুষ্টি, অস্বাস্থ্যের কাছে পরাধীন করল সে প্রশ্নের উত্তরটা আমার জানা নেই, এই কনফেশনটাই রেখেছিলাম সেদিন নরেন্দ্রপুরের আচার্য পল্লীতে। অধ্যাপক সতীপ্রসাদ মাইতি, সেবছরের ঐ আবাসন সমিতির কর্মকর্তাদের প্রধান এবং আমার নিমন্ত্রন-কর্তা, অনুষ্ঠানের শেষে বললেন “একটা আনন্দের দিনে বড় কষ্ট দিলেন!” ক্ষমা চেয়ে বলেছিলাম, দিতে চাইনি, কিন্তু রাস্তায় আস্তে আস্তে আমার আশাবাদী ভাল বক্তৃতাটা কেন জানি ঘেঁটে গেল। তিনি বললেন, “ভাগ্যিস, নাহলে কী আর এই প্রশ্নগুলো উঠতো?”

    ফি বছর স্বাধীনতা দিবস এলেই ‘জনগণমন’ –র পুরো পাঁচ খানা স্তবক নিয়ে মাথার মধ্যে হাজির হন গানের মাস্টারমশাই। চতুর্থ স্তবকের প্রথম পংক্তিতে আমাদের দেশের পিনটা আটকে গেছে, নাকি একটা ‘লুপে’ পড়ে গেছে কে জানে? “ঘোর তিমিরঘন নিবিড় নিশীথে পীড়িত মুর্ছিত দেশে”। মাস্টারমশাই জানতে চান “এতদিন করদাতাদের টাকায় মাইনে নিয়ে তুমি কী করলে খোকা?” আমি ঐ স্তবকের দ্বিতীয় লাইনটা গাওয়ার চেষ্টা করি, যেমন তিনি শিখিয়েছিলেন, “জাগ্রত ছিল তব অবিচল মঙ্গল নতনয়নে অনিমেষে। ” ষাটোত্তীর্ণ রেওয়াজহীন গলায় সুরের ছিটেফোঁটা মাঝেমাঝে লাগে আলগা ভাবে। একটা দীর্ঘশ্বাস শুনতে পাই, একটা হাসির আভা দেখতে পাই তাঁর ঠোঁটের কোনে।

    “পরের বার ভাল করে চেষ্টা কর খোকা।”
    পুনঃপ্রকাশ সম্পর্কিত নীতিঃ এই লেখাটি ছাপা, ডিজিটাল, দৃশ্য, শ্রাব্য, বা অন্য যেকোনো মাধ্যমে আংশিক বা সম্পূর্ণ ভাবে প্রতিলিপিকরণ বা অন্যত্র প্রকাশের জন্য গুরুচণ্ডা৯র অনুমতি বাধ্যতামূলক। লেখক চাইলে অন্যত্র প্রকাশ করতে পারেন, সেক্ষেত্রে গুরুচণ্ডা৯র উল্লেখ প্রত্যাশিত।
  • ব্লগ | ১৫ আগস্ট ২০১৫ | ৩৩৪২ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • I | 192.66.21.123 (*) | ১৫ আগস্ট ২০১৫ ০৩:১৫67721
  • বাহ !
  • a x | 83.136.18.161 (*) | ১৫ আগস্ট ২০১৫ ০৩:৪০67722
  • ভালো লাগল।
  • sinfaut | 127.195.51.68 (*) | ১৫ আগস্ট ২০১৫ ০৩:৫০67723
  • !
  • Arindam Chakrabarti | 55.64.220.214 (*) | ১৫ আগস্ট ২০১৫ ০৫:০৩67724
  • বাহ্‌ এল প্রথমে। তারপর হাল্কা মন খারাপের চাদর...সহজ সুন্দর লেখা
  • | 183.17.193.253 (*) | ১৫ আগস্ট ২০১৫ ০৫:০৫67725
  • সুন্দর।
  • Abhyu | 85.137.13.237 (*) | ১৫ আগস্ট ২০১৫ ১০:৩৮67726
  • ভালো লাগল। সতীপ্রসাদ মাইতির উল্লেখে একটা ছবি ভেসে উঠল চোখের সামনে।
    শান্ত সুন্দর লেখা
  • শিবাংশু | 127.248.165.192 (*) | ১৬ আগস্ট ২০১৫ ০৫:১৬67727
  • স্পর্শ করে....
  • ranjan roy | 192.69.150.184 (*) | ১৬ আগস্ট ২০১৫ ০৫:১৮67729
  • আমার জনম গেল বৃথা কাজে,
    আমি কাটানু দিন ঘরের মাঝে,
    তুমি বৃথাই আমায় শক্তি দিলে শক্তিদাতা।
  • kumu | 132.161.18.75 (*) | ১৬ আগস্ট ২০১৫ ০৮:৫৭67728
  • আনন্দ পেলাম।আমি ছোটবেলায় কৃষ্ণনগর গভর্নমেন্ট গার্লস স্কুলে পড়েছি।সেখানে সর্বদ সবগুলো স্তবক গাওয়া হত।ঐ স্কুল ছড়বার পর এই দীর্ঘ সময়ে কোথাও আনুষ্ঠানিক ভাবে পুরো গানটি শুনিনি।আপনার লেখাটি সংযত ও সুলিখিত বিশেষতঃ শেষ অংশটি।খুব ভল লাগল।
  • Du | 107.79.230.34 (*) | ১৬ আগস্ট ২০১৫ ০৯:৫৭67730
  • কিছু বলা যায় না এর পরে।
  • moukana | 53.252.141.234 (*) | ১৯ আগস্ট ২০১৫ ০৫:৫৫67731
  • সত্যি স্যর। একবার ভেবে দেখা যায় না লেখা মেলা গুলো একত্রিত করে পুব্লিশ করা যায় কি না। আরো অনেক কে পড়ার সুযোগ না করে দেওয়া টাও অন্যায়
  • moukana | 53.252.141.234 (*) | ১৯ আগস্ট ২০১৫ ০৫:৫৬67732
  • সত্যি স্যর। একবার ভেবে দেখা যায় না লেখা মেলা গুলো একত্রিত করে পাবলিশ করা যায় কি না। আরো অনেক কে পড়ার সুযোগ না করে দেওয়া টাও অন্যায়
  • de | 24.139.119.171 (*) | ১৯ আগস্ট ২০১৫ ০৫:৫৯67733
  • বাঃ!
  • অশোক দেব | 127.214.102.72 (*) | ১৯ আগস্ট ২০১৫ ০৮:১০67734
  • ভালো লাগল।
  • বাবুরাম সাপুড়ে | 127.194.28.192 (*) | ১৫ আগস্ট ২০১৬ ০৬:২২67736
  • মন খারাপ করা লেখা......
    বেশ ভাল লেখা
  • pi | 127.194.0.2 (*) | ১৫ আগস্ট ২০১৬ ০৭:৫১67735
  • তুললাম।
  • কান্তি | 113.26.218.60 (*) | ১৬ আগস্ট ২০১৬ ০২:৩৪67737
  • বিষাদ মাখা ভাল লাগা।
  • দেবাশিস সেনগুপ্ত | 113.51.59.236 (*) | ১৭ আগস্ট ২০১৬ ১২:২৩67738
  • বড্ড ভাল লাগল
  • Amitabha Kar | 147.59.156.158 (*) | ১৯ আগস্ট ২০১৬ ১০:১৯67739
  • একটা গভীর নাড়া দেওয়া লেখা ।
  • অনিমিত্র চক্রবর্তী | 113.42.126.235 (*) | ১৯ আগস্ট ২০১৬ ১১:২৮67740
  • লেখাটি মুগ্ধ করল। তা এই "তবুও দেশের ‘স্বাধীনতা’ তাঁকে এবং তাঁর পরিজনদের কেন দারিদ্র, অশিক্ষা, অপুষ্টি, অস্বাস্থ্যের কাছে পরাধীন করল'' প্রসঙ্গে স্বাধীনতার পর সমগ্র ভারতবর্ষে দক্ষিণপন্থী আর বামপন্থী সরকার গুলির আমলে রাজ্যব্যাপী উন্নতির ধারা, বিকাশের প্রণয়ন, শিক্ষা-অন্ন-বস্ত্র-উপার্জন-কৃষি-শিল্প র ওপর কোন comparative analysis পেলে সুবিধে হয়। তাহলে দেখা যাবে স্বপ্ন ও আদর্শের কল্পনা থেকে রূঢ়, কর্কশ বাস্তব কতটা দূরত্বে। তারপর ই লেখার মূল বক্তব্যের evaluation সম্ভব। ভালো কথা, বাম শাসনে কোন ব্যর্থতা সংশোধনবাদের প্রকাশ বা "ওটা সংসদীয় বামপন্থা" বলে যেন চিহ্নিত করা না হয়।
  • সৌমিক | 117.226.253.155 | ১০ আগস্ট ২০২০ ০৯:৩০96119
  • দারুণ লেখা...... 

  • নলিনাক্ষ ভট্টাচার্য | 72.42.190.196 | ১০ আগস্ট ২০২০ ১০:৫২96121
  • , - ?
  • Sukla Sen | 2401:4900:1807:ee0d:1:2:2adc:6c99 | ১২ আগস্ট ২০২০ ১৭:০৫96199
  • কিছু বলার মতো ভাষা নেই আমার কাছে।

    একটি স্বপ্নের অপমৃত্যু।

    আমরা মৌন দর্শক।

  • Nirmalya Nag | ১৫ আগস্ট ২০২০ ০১:৫২96257
  • ভাল লাগলো।

  • জয় বাংলা | 2409:4060:28f:e123:f49e:869:ec3f:973 | ১৫ আগস্ট ২০২০ ১২:৩৫96273
  • বঙ্গাল খেদা, তার জন্য শরণার্থী এসব প্রসঙ্গ না উচ্চারণ করলেই ভাল হয়।বাঙালির বিশ্ব মানবতাবাদ হাগাতপ্রাপ্ত হয়।  

  • Debjani | 2409:4060:87:22a4:b1c2:f357:5ef8:3866 | ১৫ আগস্ট ২০২০ ১২:৪৭96275
  • As usual darun Sir.

  • শক্তি | 2401:4900:1046:ddc3:0:14:576d:7d01 | ১৫ আগস্ট ২০২০ ১২:৫৬96276
  • অসাধারণ দৃষ্টিকোণে দেখা অসাধারণ সারল্যে বলা সত্য 

  • সৌম‍্যদীপ | 2409:4060:2018:3ae7:4c6e:2583:911b:8ceb | ১৬ আগস্ট ২০২০ ২২:২৯96372
  • প্রয়োজনীয় লেখা। খুব ভালো মতামত রেখেছেন।

  • Sayani Raha | 157.43.172.3 | ১৭ আগস্ট ২০২০ ১৯:২৮96397
  • Darun lekhata.

  • মলি ঘোষ | 2402:3a80:a87:f22f:0:4f:c7d4:bb01 | ১৭ আগস্ট ২০২০ ২৩:২৯96402
  • এত সত্যকথন বহুদিন শুনিনি। বাবা মা কে হারানোর পর এমন করে ঠিক কথাটা বলতে বলেনি কেউ। তাই সৌজন্য রক্ষার বদ অভ্যাস হয়ে গেছে। সৎ সাহস পেলাম

  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে প্রতিক্রিয়া দিন