এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৩)

    সিকি
    নাটক | ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ | ১৪৭১৩৩ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • S | 109.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০০:৪০660119
  • তার কারণ আর কোনো রাজ্যে শিল্পের এমন হাল নয়। আর পাটশিল্প উঠে গেছিলো বলে টেক্স্টাইলের কোনো কারখানা করতে দেবোনা, এইটা কোনো কথা হোলো। তবে বাঙ্গালীদের একটা চাষের জমি নিয়ে কান্দো কান্দো চোখ মুখ নিয়ে নেকামো আছে - তাই নিয়েই থাকুন।

    আর জ্যোতি বাবু ওরকম অনেককেই পাত্তা দেননি। তাইতো তিনি মহামানব। মা-মাটি-মানুষের মনে হয় ধারনা ছিলো ছিপিএম বাজেট থেকে প্রচুর টাকা মারে - সেই টাকা দিয়ে চিটফান্ডের টাকা ফেরত দিয়ে দেবো। ক্ষমতায় আসার পর দেখা গেলো কোথায় টাকা? তখনই সব খেল খতম।

    কোলকাতা কখনই ব্যাঙ্গালোর হবে না, সিঙ্গুর কখনই অটো হাব হবে না - কিন্তু কিছু চাকরির বন্দোবস্ত হোতো। সেইটা দুজন মিলে এক্কেবারে চটকে দিয়েছেন।
  • shatadal | 62.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০১:২২660120
  • রাজনীতিকের প্রথম এবং সবচেয়ে দরকারী কাজ হল ক্ষমতায় থাকা। জ্যোতির সময় কম্পিউটার বিরোধীতা খুব বেশী রকমই ছিল। হয়তো আজকের ন্যানো বিরোধীতার চেয়েও বেশী। সুতরাং জ্যোতি তার কনস্টিটিউয়েন্টদের কথা শুনে কম্পিউটারের বিরোধীতা করেছে। তার ফলে জ্যোতির ক্ষমতায় থাকতে কোন অসুবিধা হয় নি। জমি কতটা কি লাগত সেটা কোন কথা নয়।

    মমতারও ন্যানো বিরোধীতা নিয়ে একই ঘটনা। আর জ্যোতি-মমতা দুজনেই পাইয়ে দেবার দরকার বুঝত/বোঝে।

    জ্যোতি অনেক কাল রাজত্ব করেছে, মমতাও করবে। মরাল হল, আবাপ বা প্রবাসী বাঙালির কথা শোনার চেয়ে ভোটার সেন্টিমেন্ট মেনে কাজ করাটা পলিটিশিয়ানদের পক্ষে বেশী দরকার।
  • একক | 24.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০১:৩৬660121
  • ক্ষমতায় থেকে কী লাভ যদি মাল্লু কামাতে না পারল ? জ্যোতি-বিমান-বুদ্ধ থেকে মমতা কী এমন কামিয়েছে ? অনেক অনেক কম সময় জুড়ে ক্ষমতায় থেকে ইয়েইদুরাপ্পা বা এসএম কৃষ্ণার এচিভমেন্ট তারচে অনেক বেশি।
    কাজেই ওই সব ক্ষমতায় থাকার ইকয়েষণ ও যদি ধরি সেদিক দিয়েও পব র নেতারা আটার ফেইলীয়র। কারণ ভেড়ার রক্ত চুষতে গেলেও ভেড়াকে ঘাস খাওয়াতে হয়। এরা সেটুকুও পারেনি। বৈঠে বৈঠে টাইম ওয়েস্ট করেছে। বড় ইন্দাস্ত্রী না হলে, কাট মানি না হলে রাজনীতি করেই বা লাভ কী ? চৌমাথায় মূর্তি হয়ে কাগের হাগা খাওয়া ছাড়া পব র রাজনীতিক দের ব্যক্তিগত এচিভমেন্ট নীল। এরা ভালো-খারাপ সব দিক দিয়ে অযোগ্য। বেগার দের সাম্রাজ্য ধরে রেখে নিজেরাও খুব্বেশী হলে ওই ভিখিরির ফরে। বানচ অফ লুসার্স।
  • নির | 230.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০১:৪২660122
  • ^^দরকার, যদি রাজত্ব করাটাই একমাত্র লক্ষ্য হয়।
    জ্যোতি মরার পরে এখনো গাল খাচ্ছে কম্পিউটার বিরোধিতা করেছিল বলে। ওদিকে বুদ্ধের মূল্যায়ন কিন্তু, 'হ্যা, লোকটা চেষ্টা করেছিল।'
    বিধান রায় যে এখনো কতটা জনপ্রিয় সেটা বলে দিতে হবে না নিশ্চয়ই। চন্দ্রবাবু নাইডুও ক্ষমতায় আছে, মমতাও। পরবর্তী প্রজন্মের কাছে দুজনের মূল্যায়ন কিন্তু এক হবে না, যেমন এক হয় না বিন-তুঘলক আর আকবরের, যদিও দুজনেই সম্রাট ছিল তাদের সময়ে।
  • shatadal | 99.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০১:৪৯660123
  • এঃ, একক একেবারে মুখ থেকে টেনে নিয়ে কথা বলে। মাল্লু কামাতে না পারলে আবার অ্যাচিভমেন্ট কি? একটু আগেই এক পরিচিতকে বোঝাচ্ছিলাম, জীবনানন্দের চেয়ে শুভাপ্রসন্নের বা গান্ধীর চেয়ে জয়ললিতার ব্যক্তিগত অ্যাচিভমেন্ট অনেক অনেক বেশী।
  • একক | 24.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০১:৫০660124
  • বলে দেওয়া ভালো :এচিভমেন্ট নীল টা সর্বভারতীয় নেতাদের এচিভমেন্ট এর নিরিখে। ডাকাতদের দুনিয়ায় ছিঁচকে চোর আরকি। সরকারী পরিকল্পনার টাকা মেরে আর কতটুকু সম্ভব যদি শিল্প না হয়।
  • S | 109.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০১:৫৭660125
  • ঠিক আছে না হয় বুঝলাম আমরা সব প্রবাসিরা হেব্বি বাজে লোক। কেন অবশ্য বুঝলাম না। মানে সিঙ্গুরে টাটার কারখানা হলে আমাদের মধ্যে কেউ কি চাকরি ছেড়ে ঐখানে চাকরি করতে যেতাম। কে জানে?

    যাই হোক, কিন্তু তাহলে অল্টারনেটিভটা কি? স্টেটাস কুও মেইন্টেইন করো। যেমন চলছে, তেমনি চলতে দাও। আর আমি একটা অতি খাজা রাজ্যের প্রধান হয়ে বসে থাকি। আর এম্প্লয়মেন্ট ইনকাম কমতে থাকুক। তার সাথে সাথে যে সোশাল আর সিকিউরিটি রিলেটেড প্রব্লেমগুলো আসে সেগুলোর কি হবে?
  • একক | 24.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০১:৫৯660126
  • শুভাপ্রসন্ন তো আর্ট এর দালাল। মমতার রাজত্বে এই একজন যার রাজনৈতিক যোগাযোগ থেকে পাওয়া ক্ষমতা ছাড়াও নিজের একটা সর্বভারতীয় ক্ষমতা রয়েছে। সে কাক আঁকুক আর যাই আঁকুক শুভার চ্যানেল বিশাল।
  • SC | 79.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০২:০২660129
  • ব্যক্তিগত ভাবে এদের দুজনের কাছেই ক্ষমতাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল, মাল্লু নয়। আর মমতার এটাই একমাত্র চান্স ছিল মহাকরণ পৌঁছনোর। আর কোনো চান্স পেত না, টি এম সি পার্টি তাই উঠে যেত হয়ত, পরেরবার ৩০ তা আসন হলে বিধানসভায়। কেরিয়ার এর একদম শেষে পৌঁছে গিয়েছিলেন তৃনমূল নেত্রী। অতএব উনি একদম মরণ কামর দিয়েছিলেন। মাল কমানোর সুযোগ পরেও আসবে, যদি মহাকরণ দখল করতে পারেন। না পারলে আর কোনদিনও সেই সুযোগ আসবে না। ওই এস ইউ সি আই জাতীয় একটা পার্টি হয়ে যেত তিনোমুল হয়ত।
  • S | 109.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০২:০২660127
  • তিনি এখন কোথায়?
  • S | 109.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০২:১০660130
  • আজকে ক্ষমতায় থাকতে গেলে প্রচুর মাল্লু লাগে। মা-মাটি-মানুষ যেটা চিট ফান্ডের আড়ালে জোগাড় করেছিলো। যাইহোক, এইবারে দেখতে হবে ভাজপা কি করে। ওদের প্রচুর মাল্লু আছে। সাথে একটা ভালো সংগঠন পেয়ে গেলে, আস্তে আস্তে ছড়াতে পারবে।
  • shatadal | 186.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০২:১৫660131
  • প্রবাসীরা খারাপ লোক হবে কেন? আমার বন্ধু/আত্মীয় কি সব খারাপ লোক নাকি?

    তবে ভোটের বেলায় প্রবাসীদের মতামতের দাম খুব কম। একে তো অপ্রবাসীদের তুলনায় সংখ্যা অনেক কম। তাতে অনেকেই ভোট দেয় না। আর মতামতেও অপ্রবাসীদের সাথে অনেক সময়েই মেলে না।
  • একক | 24.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০২:২১660132
  • কিন্তু মমতা ক্ষমতা হাতে নিয়ে সামলাতে পারলেন কই ? ক্ষমতায় আসার ইকুএশোন পারফেক্ট ছিল। জ্যোতি বোস কোনদিন বুদ্ধিজীবি সভাসদ মেন্টেন করেনি। বুদ্ধ যেদিন এটা শুরু করলো সেদিনই জানা এই জন্তর-মন্তর ঘরে ও একদিন নিজেই ঢুকবে। হীরক রাজাকে খানখান করতে হীরা ঘুষ দেওয়া হলো, সভাসদ হাত করা হলো। এরপরেই তো গল্প ঘুরল। যারা ঘুষ খেয়ে ঘুষের আশায় বিপ্লব করে হীরক রাজা কে হাটালো তারা হীরক রাণী কে এমনি ছেড়ে দেবে না এটা রানীও জানতেন। তাই বারংবার সভাসদ বদল করে করে চালাতে চাইছিলেন। কিন্তু কম সময়ে বেশি রিসার্ভ বাড়াতে গিয়ে ব্যবসাদার দের চটিয়ে বসলেন। সঙ্গে গোদের উপর বিষফোঁড়া সর্বভারতীয় ব্যবসায়ী লবির বিজেপি কে কেন্দ্র করে এককাট্টা হওয়া। পব র বড় বিসনেসম্যান রা মু-মাঙ্গে টাকা দিয়েও প্রজেক্ট আটকে, তৃণমূল টাকা নেয় কিন্তু কাজ এগোয় না এটা ভীতি সঞ্চার করলো ব্যবসাদার দের মনে। তার ই ফল একটার পর একটা কেসে তৃণমূলের অর্থনৈতিক তছরুপ ফাঁস হওয়া। হীরকরাজা টু হীরকরাণী .......আরও বেশি পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি মমতার নিজেরই ব্যুমেরাং হয়ে গেছে। কন্ট্রোল করতে না পারলে ওকেও যন্তর মন্তরে ঢোকানো হবে। তবে এখনো আশা আছে মমতা কন্ট্রোল করতে পারবে। দেখা যাক।
  • S | 109.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৩:০৯660133
  • আসলে জ্যোতিবাবু আর দিদির একটা নিজস্ব বড় ভোট ব্যান্ক আছে, যেটা খুব লয়াল। প্রথম ক্ষেত্রে সেটা সরকারী-কর্মচারি- শিক্ষক-পুলিশ-ইত্যাদি ছিলো, আর পরের ক্ষেত্রে সেটা একটু নিম্নবিত্তদের মাঝে। এইটা বুদ্ধবাবুর একদম ছিলো না - থাকলেও খুব ছোটো।

    আর বিজেপি দিদির লাইন ধরেছে - ওরাও বুজিবীদের হাত করতে চাইছে। তবে দু-তিনজন বড় মাস লিডার চাই, যাদের ঢপগুলো লোকে বিশ্বাস করবে।
  • S | 109.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৩:১২660134
  • তবে জ্যোতিবাবু আর দিদির মধ্যে একটা ফারাক আছে - সেইটাই হয়তো ফ্যাক্টর হয়ে যাবে। জ্যোতিবাবু তাঁর ঔদ্ধত্য দেখাতে শুরু করেন নিজের জমানার শেষ দিকে - যখন হি পার্সোনালি হ্যাড নাথিঙ্গ টু লুজ।
  • SC | 34.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৪:৫৩660135
  • জ্যোতি বাবু আর মমতার মধ্যে আরো একটা বড় পার্থক্য আছে। জ্যোতিবাবু অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ভালো সামলাতে পারতেন। এই ধরনের বিরোধী আন্দোলন একদম বাড়ার আগেই মোকাবিলা করতে পারতেন। মমতা খুব ভালো বিরোধী নেত্রী, agitational পলিটিক্স খুব ভালো পারেন, কিন্তু অ্যাডমিনিস্ট্রেশন সামলানো তে শুন্য। সেটা ওনাকে ভোগাবে।
    (জ্যোতি বাবুও হয়ত ভালো বিরোধী নেতা ছিলেন, সেটা আমার দেখার সুযোগ হয়নি)
    আর চিত্ফুন্দ এর কেসটা হলো মোদী একক ভাবে ক্ষমতায় চলে আসে। এরা পুরো ধরেই নিয়েছিল যে এখন coalition রাজনীতির যুগ অনেকদিন চলবে, পব থেকে ৩৫ তা মত সিত পাবই, আমাদের কে কোনো সিবিআই ছুঁতে পারবে না। মোদী একক ভাবে ক্ষমতায় আসে পুরো ছক ভেস্তে গেছে।
  • S | 109.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৫:১৮660136
  • বুদ্ধবাবু যেটা একদম পারেননি। তবে পার্টির অন্য নেতারাও স্ট্রঙ্গ ছিলো। পরের দিকে অনিল বাবুর রোলটা প্লে করার মতন লোক ছিলো না।

    তারমানে মোদি তো এদেরকে বেশ কয়েকদিন জ্বালাবে। ততদিনে কত আর নতুন নেতা বের করবে ঝুলি থেকে।
  • shatadal | 186.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:২৮660137
  • জ্যোতি আর মমতা, দুজনেরই একটা করে ডেডিকেটেড ভোট ব্যাঙ্ক ছিল/আছে। দুটো ভোট ব্যাঙ্কই তৈরী হয়েছিল এরা তাদের নিজেদের ভোট ব্যাঙ্ককে সেবা করতেন বলে। জ্যোতির ভোট ব্যাঙ্ক, সরকারী ও বেসরকারী ছোট/মাঝারী চাকুরেদের জন্য আইন-শৃঙ্খলা, প্রশাসন এগুলো জরুরী। তাই জ্যোতিকে ভাল প্রশাসক হতে হয়েছে। অন্য দিকে মমতার যেটা ভোটব্যাঙ্ক, সমাজের মার্জিনালাইজড মানুষ ও লুম্পেনরা, তাদের পক্ষে আইন-শৃঙ্খলার ব্যাপারটা এত গুরুত্বপূর্ণ নয়। বরং সেসব একটু কম হলেই তাদের ভাল। তাই মমতা প্রশাসনের দিকটা খুব কেয়ার করে না।

    একটা কথা মনে করিয়ে দেই। বুদ্ধ জ্যোতির ভোটব্যাঙ্কের পেছনে কাঠি করে প্রচুর সমর্থন নষ্ট করেছিল। শিক্ষকদের ছুটি কমানো, টিউশনি বেআইনি করা, এসবের ফল ভাল হয় নি।

    ভারতের বড় ব্যাবসায়ীরা অবশ্যই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে চাইবে। তবে তার জন্য তাদের অপেক্ষা করতে হবে। মমতার ভোটব্যাঙ্ক সারদা-টারদা নিয়ে একটুও চিন্তিত না, অন্ততঃ এখনি না।
  • S | 109.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:৪০660138
  • ভালো কথা। কিন্তু চিটফান্ড আর কিছু না হলেও নেতা নেত্রিদের মধ্যে ভয় সন্চার করেছে। অনেকেই নৌকা বদলাতে চান - বিজেপি রেডি হয়েই আছে। এইভাবে যদি শহরটা ক্যাপচার করা যায় - অবাঙ্গালী ভোট আগে থেকেই সঙ্গে আছে। কিন্তু একজন লিডার চাই - তপন শিকদার টাইপের।
  • pi | 192.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:৪৫660140
  • ' আর এম্প্লয়মেন্ট ইনকাম কমতে থাকুক।'

    এমপ্লয়মেন্ট, ইনকাম এগুলো কমছে, এটার ডাটাটা একটু পাওয়া যাবে ?
  • S | 109.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:৪৬660141
  • বাড়ছে? তাহলে আমি আমার সব কথা উথড্র করলাম।
  • PT | 213.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:৫৪660142
  • বিজেপির একটি প্রধান তাত্বিক অবস্থান হচ্ছে যেকোন ধরণের বাম উত্থান বন্ধ রাখা। তিনোর-ও বাঁচার রাস্তা একটাই-বামেদের আটকে রাখা। এ এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক সমাপতন।

    তিনো সরকার অতিবামদের ধোলাই করে দিয়েছে-তাতে মোগম্বো খুস। আর অন্য বামেদের আটকানোর জন্য তিনোরা বিজেপিকে ২০% মত বাড়তে দেবে যাতে বিরোধী ভোগ ভাগ হয়ে যায়। এর থেকে বেশী বাড়লেই চড়-থাপ্পর। বিজেপির দিল্লীলবি এই নিয়ে বিশেষ মাথা ঘামাবে না। দেশের "বৃহত্তর" স্বার্থে বাংলার বিজেপি আত্মবলিদান দেবে RSS-এর ইচ্ছানুসারে।

    কাজেই বিজেপি আপাততঃ পব-তে তিনোর লক্ষ্মীপ্যাঁচা হয়েই থাকবে।
  • pi | 192.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:৫৫660143
  • আমি তো তা বলিনি। আপনি বলেছেন, কমছে। নিশ্চয় কোন ডাটার ভিত্তিতে বললেন, তাই সেটা চাইলাম। এই নিয়ে ঘেঁটে দেখিনি।
  • dc | 132.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:০৯660144
  • "আহা, পুরো ব্যাপারটাই তো স্পেকুলেশন।
    টাটা এলে তারপরে হুয়ান্ডাই, ফোর্ড, বিএমডাব্লু, নিশান, রেনল্ট সব লাইন দিয়ে চলে আসত - কিন্তু তারা কোথায় বানাতো ফ্যাক্টরি? কোন জমিতে?
    কেউ এসব প্রশ্নের উত্তর দেয় না।
    জিগ্গেস করলেই বলে ও সব ঠিক হয়ে যেত। শুধু একবার টাটা এলেই সব হয়ে যেত।"

    lcm বোধায় টাটার ওপর প্রয়োজনের বেশী জোর দিয়ে ফেলছেন। পাবলিক পলিসি সবসময়েই কিছুটা স্পেকুলেশনের ওপর চলে, যাকে বলা হয় লজিকাল স্পেকুলেশন বা আগে যা হয়েছে সেরকম প্যাটার্নের ওপর ভিত্তি করে স্পেকুলেশন। একটা রাজ্যে ইনভেস্টমেন্টের অনুকূল পরিবেশ তৈরি করতে পারলে সেখানে ইনভেস্টররা আসতে পারে সেটা তো স্পেকুলেশন বটেই। তবে কিনা অন্যান্য রাজ্যেও এটা সধারনত হয়, তাই এটাকে কিছুটা লজিকাল স্পেকুলেশন বলা যায়। যেমন আপনি নিজেই বল্লেন সানন্দে পরপর বেশ কিছু ইনভেস্টমেন্ট হয়েছে কারন রাজ্যটার নাম গুজরাট। এটাও স্পেকুলেশন, কিন্তু লজিকাল স্পেকুলেশন। এবার পবতে যদি টাটারা ইনভেস্ট করে কারখানাটা ঠিকমতো বানাতে পারতো তাহলে হয়তো আরো দুয়েকজনকে কনভিন্স করা যেতে পারতো যে পবতেও বড়ো ব্যবসা খোলা যায়। এই স্পেকুলেশন করার মানে এটা না যে "শুধু একবার টাটা এলেই সব হয়ে যেত।" এটার মানে হলো ইনভেস্টমেন্টের অনুকূল পরিবেশ আস্তে আস্তে তৈরী হয়তো হতে পারতো। যে অনুকূল পরিবেশটা জ্যোতিবাবুর আমলেও ছিল না, হীরক রানীর আমলেও নেই। এবার অন্য ইন্ভেস্টররা এলে তাদের জন্যেও জমি লাগতো। হয়তো সরকার অন্য জায়গাতেও জমি অধিগ্রহন করতো, সেখানেও অনুসারী শিল্প গড়ে উঠতো, আজ যেমন তামিল নাড়ু বা গুজরাটে হয়েছে। একটা প্রসেস চালু হলে সেই প্রসেসটা হয়তো চলতে থাকতো। প্রসেসটার শুরুতে টাটা ছিল না আম্বানি ছিল নাকি মাহিন্দ্রা ছিল সেটা অতোটা ইম্প্র্ট্যান্ট না, প্রসেসটা শুরু হওয়া নিয়ে কথা। আর প্রসেসটা শুরু হলেও আরো নানা রকমের সমস্যা আসতেই পারে, কিন্তু তার জন্য প্রসেসটা শুরুই হতে দেবনা, এরকম কথা শুধু পবতেই বোধায় বলা যায়।
  • shatadal | 186.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:১৭660145
  • বুদ্ধিজীবিদের এই আলোচনায় আনার কোন মানে হয় না, এক যদি না ফিল্মি জনতাকে (দেব, শতাব্দী ইত্যাদি) বুদ্ধিজীবি বলে ধরেন। মানবাধিকারের লোকেদেরও তাই। সাধারণ ভোটারের ওপর এদের কোন প্রভাব ছিল না এবং নেই। এরা সন্দেশের ওপর চেরীর মত। সাজিয়ে দিলে দেখতে ভাল লাগে, না থাকলেও কিছু এসে যায় না। বুদ্ধ এদের অতিরিক্ত গুরুত্ব দিয়েছিল বলে এরা নিজেদের খুব হনু ভাবতে শুরু করেছিল। প্রাইজ, টাকা, কমিটির মেম্বারশিপ এসব আরো বেশী করে কেন হচ্ছে না তাতে এদের খুব রাগ হচ্ছিল। এই তো ব্যাপার। মমতা এখন এদের প্রয়োজন মত টাকা দেয়, প্রয়োজন মত পাত্তা দেয় না। কেউ উচ্ছিষ্টেই সন্তুষ্ট, কেউ রাগ দেখিয়ে ধর্ণা, বিবৃতি এই সব আন্দোলন আন্দোলন খেলা করে। মমতারও কিছু যায় আসে না, সাধারণ ভোটারেরও তাই।

    জ্যোতিও এদের একইভাবে রাখত।
  • Spaceman Bells Bump | 125.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৪৭660146
  • http://www.anandabazar.com/district/2.915/vandalism-in-champdani-police-camp-1.131636

    পুলিশের কী দুরবস্থা! কেউ থাপ্পড় মারছে, কেউ সবার সামনে চাবকাতে চাইছে, কেউ ঠেঙিয়ে পাট করে দিচ্ছে, পুলিশ ভয়ে টেবিলের নীচে লুকোচ্ছে...জ্ঞান হয়ে থেকে এরকম দেখেছি বলে মনে পড়ে না।
  • PT | 213.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৫২660147
  • সেকি! ৩৪ বছরের "অপশাসন"-এর সময়ে এসব হত না?
    ওপরের আলোচনা দেখুনঃ মমতা-জ্যোতি মুড়ি-মিছড়ি সব একাকার হয়ে গেছে!!
  • একক | 24.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৫৫660148
  • পুলিশের খুব দুরবস্থা। দুবরাজ্পুরের এসআই কে খুন করে দিলো। চোখের সামনে অপরাধী, পুলিশ একটা ওয়ারেন্ট অবধি বার করতে পারেনি আজও।
    মন্ত্রীদের বিরাগভাজন হওয়ায় আইএসেস অফিসার খুন এরকম নজির ভারতবর্ষে একাধিক। কিন্তু এই ওসি-ইন্সপেক্টর লেভেলেও যখন লোকাল গুন্ডারা নির্ভয়ে বোমা মেরে যায় তখন বুঝতে হবে সাম্য এক্কেরে হাড়েমজ্জায় হইচে :))
  • Spaceman Bells Bump | 125.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৫৬660149
  • "ফরমান" অনুযায়ী ওপরের পোস্টকর্তা একজন...হুঁ হুঁ...

    উক্ত পোস্টকর্তার ক্ষেত্রে আপনার প্রশ্ন অবান্তর।
  • Spaceman Bells Bump | 125.*.*.* | ০৬ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৫৭660151
  • ওপরের পোস্টটা পিটিবাবুকে। মাঝে একক ঢুকে গিয়ে কিউটা ঘেঁটে দিলো।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ভালবেসে প্রতিক্রিয়া দিন