এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৩)

    সিকি
    নাটক | ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ | ১৪৭১৫০ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | 132.*.*.* | ০২ এপ্রিল ২০১৫ ২১:৫৪659985
  • হুঁ সেসব ছিল সারা পৃথিবীর সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের গৌরবময় দিন। এমন একেকটা ব্রিগেড সমাবেশ হতো যে সাম্রাজ্যবাদ ভয়ে কেঁপে অস্থির হয়ে যেত।

    আর একটা ছিল অল ইন্ডিয়া স্ট্রাইক। যে কেউ যে কারনে অল ইন্ডিয়া স্ট্রাইক ডাকুক না কেন, আর কোন রাজ্যে তার এফেক্ট পড়ুক কি না পড়ুক, পবতে বন্ধ হতোই, আর রাস্তায় ক্রিকেট খেলা হতোই।
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ০২ এপ্রিল ২০১৫ ২২:০৫659986
  • পিটি,
    আমি তো কোন সওয়ালই করছি না।
    শুধু জানতে চাইছি আপনার বাক্যটির পেছনে ইকনমিক যুক্তিটি কী?
    কেন বঙ্গের উন্নতি পড়োশি রাজ্যের উন্নতি বিনা সম্ভব নয়?
    আপনি বল্লেন বিগত ৬৭ বছরে কেন এই রাজ্যগুলি এগোয় নি?
    আমি বললাম তার সঙ্গে ৬৭ বছরে ভারতবর্ষের মধ্যে বঙ্গের পিছিয়ে পরার সম্পর্ক কী?
    অমনি আপনি দেশভাগ-উদ্বাস্তু নিয়ে এলেন।
    প্রশ্ন ১৯৪৭ নয়, ৬০ এর দ্শকে বঙ্গ ভারতে দ্বিতীয় স্থানে ছিল। উদ্বাস্তু-বিহারী সব নিয়ে। তারপরে এই দশা কেন হল? তার সঙ্গে পড়োশি রাজ্যের অনুন্নয়নের সম্পর্ক কী?
    অমনি আপনি কথা ঘুরিয়ে --"কিন্তু আপনি কি সিরিয়াসলি পব-র জন্যে অন্যরাজ্যবাসীদের অনুন্নত রাখার পক্ষে সওয়াল করছেন? তোবা! তোবা!
    (নাকি এ শুধুই তক্কের জন্যে তক্ক করা?)"

    --এটা কী ধরণের আলোচনা? আমি কোন তক্কো করছি না। আপনার উক্তিটির অর্থনৈতিক ব্যাখ্যা চাইছি। সেটা বলুন না!
  • দেব | 111.*.*.* | ০২ এপ্রিল ২০১৫ ২২:০৯659987
  • তুলনা করছেন না?

    ভাল অবস্থায় আসতে পারেনি তার বহুবিধ কারণ আছে। এরা পিছিয়ে থেকে শুরু করেছে। কেন্দ্রের বঞ্চনা আছে, বিশেষ করে ওড়িশার ক্ষেত্রে। সিকিম ও উত্তর পূর্ব যোগাযোগ ব্যবস্থায় মার খেয়ে আছে। এথনিক স্ট্রাইফ আছে। সর্বোপরি প্যাথোলজিকালি বাজে প্রশাসন আছে বিহার ইউপিএর ক্ষেত্রে।

    খনিজ সম্পদ তো জানেনই, কেন্দ্রের হাতে থাকত, আছে।

    "এই রাজ্যগুলোর উন্নতি না হলে পবএর উন্নতি হবে না।" আংশিক ভাবে ঠিক। বিশেষ করে লং টার্মে প্রভাব পড়বেই। কিন্তু এই একটা ব্যাপারে আমাদের কিছুই তেমন করার নেই।
  • sm | 233.*.*.* | ০২ এপ্রিল ২০১৫ ২২:২৫659988
  • আমার তো মনে হয় দেশভাগের পর উদ্বাস্তু স্রোত একটা বড় ফ্যাক্টর।একসঙ্গে প্রায় দুকোটি মানুষের অন্ন ও কর্মসংস্থান করা ভীষণ দুরহ ব্যাপার ছিল।উপরন্তু কংগ্রেস ও বাম আমলে এদের ভিন রাজ্যে ভালো করে ছড়িয়ে দেওয়া যায় নি। আই মিন যারা গেছিলেন, নিজের উদ্যোগে; যেমনটি আজও দলে দলে বঙ্গ বাসী জনতা ভিন রাজ্যে শ্রমিক, ড্রাইভার, আয়ার কাজ করছেন। কিন্তু বিধু বাবু ও জ্যোতি বাবু কেন্দ্র সরকারের কাছে কোনো লবি করে নি, যাতে এনারা কেন্দ্রীয় সরকারী অনুদান বা চাকরি পেতে পারে। এদের হৃত সম্ম্পত্তি ফিরে পাবারও কোনো চুক্তি হয় নি। পুরোটাই ডামাডোলের বাজার ছিল।
    উল্টে এই ট্রেড ইউনিয়নের বাড়া বাড়ি, রেগুলার হরতাল, বাংলার ইমেজ কে ভালো রকম বাঁশ দিয়েছে।
    তবে একথা অনস্বীকার্য পব তে ভারী ও মাঝারি শিল্প গুলির ডিকে হতই। কারণ পুরনো টেকনোলজি বেশিদিন চলে না।
    মালিক পক্ষও কোনো রকম এক্সট্রা ইনভেস্ট করতে রাজি ছিল না। হাতে গরম উদাহরণ, দেশের একমাত্র ছোটো গাড়ির কারখানা হিন্দ মোটর।মালিক পক্ষ বহুদিন ধরেই চাইছিল কারখানা উঠে যাক আর জমিটা বিক্রি করে মোটা টাকা লাভ করা।
    জেসপ, ডানলপের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।
    আগের বাম সরকারের উচিত ছিল পব র স্ট্রং দিক গুলোর দিকে জোর দেওয়া। এগুলো হলো এগ্রো ইন্দাস্ত্রী,পরিষেবা,আই টি, খনিজ ও ট্রেডিং।ফালতু বড় সড় শিল্প গড়তে গিয়ে হেলে না ধরতে পেরে কেউটে ধরার অবস্থা হয়েছে।এটা বুদ্ধবাবুর অনভিজ্ঞতার ফসল।মনে হয়েছে দুর্বল ব্যক্তিকে ডোপ করানোর পরিস্থিতি। না পেরেছে ১০০ মিটার দৌড়ে ফার্স্ট হতে; উল্টে শরীল তা লর ঝরে হয়ে গয়েছে।
  • দেব | 111.*.*.* | ০২ এপ্রিল ২০১৫ ২২:৫৪659989
  • "আমার তো মনে হয় দেশভাগের পর উদ্বাস্তু স্রোত একটা বড় ফ্যাক্টর।"

    ঠিক। একটা নয় সবচেয়ে বড় ফ্যাক্টর। শুধু উদ্বাস্তুরা নন, বাংলাভাগের সরাসরি অর্থনৈতিক চোটটাও মারাত্মক হয়েছিল।

    একসঙ্গে নয়। ৪৭ থেকে ৭১ প্রায় ২৫ বছর ধরে হয়েছে। তার পরেও চলেছে তবে অনেক কম সংখ্যায়। পুরো সংখ্যাটা দু'কোটি নয়, ৬০ লক্ষ মত (৭৩ সালের হিসাব)। একসাথে দু'কোটি এলে আর দেখতে হত না।

    বিধান রায়ের সরকার লবি করেননি এমন নয়। গপ্পো অন্য। পাঞ্জাবে প্রায় সমান সমান 'এক্সচেঞ্জ' হয়েছিল পপুলেশন। যারা ছেড়ে গেছিলেন তাদের জমিতে সেটল করানো হয়েছিল। বাংলায় যারা এসেছিলেন তাদের তুলনায় গেছিলেন অনেক কম। এবং যারা গেছিলেন তারা মূলত চাকুরিজীবি বা ব্যবসা করে খেতেন। কৃষিজীবিরা তেমন কেউ যাননি এক নদিয়া ছাড়া। ফলে ব্যাপারটা পুরো একতরফা হয়ে যায়। পাঞ্জাবে প্রায় ব্যাপারটা খুব দক্ষ ভাবে সম্পন্ন হয়েছিল ঠিকই কিন্তু জমি না থাকলে সেখানেও একই পরিস্থিতি হত।

    আর হৃত সম্ম্পত্তিতো সব বাংলাদেশে। ফিরে পাবার প্রশ্ন উঠছে কোথায়। নেহেরু-লিয়াকত প্যাক্ট অনুযায়ী উদ্বাস্তুরা নিজের নিজের দেশে ফিরে গেলে তবেই ফেরত পেতেন (খাতায়কলমে)। সে আশায় কেউ বসে ছিলেন না।
  • নির | 230.*.*.* | ০২ এপ্রিল ২০১৫ ২২:৫৭659990
  • এখনকার পরিস্থিতিতে নতুন কোনো ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্ডাস্ট্রি ওয়েস্ট বেঙ্গল-এ হওয়া চাপ আছে। তবে আই টি, হেলথকেয়ার ইন্ডাস্ট্রি বাড়ানোই যায়। বাংলাদেশের প্রচুর মানুষ ভারতে আসে চিকিত্সার জন্য। রুবির ওদিকে একটা হেলথ সিটি গড়ে তোলা যেতেই পারে। সরকারকে শুধু এটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে যে হাসপাতালগুলো টাকা যেমন নেবে তেমনি ঠিকঠাক চিকিত্সা দেবে। আফটার কেয়ার ঠিকঠাক হতে হবে- আয়া ওয়ার্ড বয়, নার্স,ডাক্তারবাবুদের ব্যবহার ভালো করতে হবে। রাজারহাট-এ, বানতলায়, সায়েন্স সিটির সামনে থেকে বাসন্তী হাই ওয়ে ধরে বানতলা আই টি পার্ক অব্দি আই টি করিডোর (সেক্টর সিক্স) গড়ে তোলা যেতে পারে। এই ধরনের ইন্ডাস্ট্রি গুলো প্রচুর ইনডিরেক্ট জব ও জেনারেট করে। এগুলো এখনি করা যায়। কিন্তু সরকারের সদিচ্ছা থাকতে হবে তো। সুধু এই তীর্থ ওই তীর্থ বানিয়ে কাজের কাজ কিছু হবে না।
  • PT | 213.*.*.* | ০২ এপ্রিল ২০১৫ ২৩:০৩659991
  • RR
    আপনি কি তাহলে এই আলোচনা থেকে আমেরিকা-মেক্সিকো বাদ দিলেন?

    বাকিগুলোর উত্তর তো দেওয়ার চেষ্টা করেছিঃ
    আবার তুলে দিলামঃ
    "বঙ্গের ইন্ডাস্ট্রিতে কায়িক শ্রম করনেওলা শ্রমিকদের বেশ বড় অংশ আসেন ওই প্রতিবেশি গরীব দেশগুলির থেকে। এরা শস্তা শ্রমের জোগানদার।"
    "শস্তা" শ্রমের জোগানদারেরা সস্তার স্লামে থাকে সেটা কোন রাজ্যের পক্ষে খুব সুখদায়ক অবস্থা নয়। আর সেই সব শ্রমনিবিড় কায়িক শ্রমের কারখানা বন্ধ হয়ে গেলে (যেটা পব-তে হয়েছে প্রচুর পরিমাণে) তাদের পরবর্তি বেকার বংশধরেরা কি করে তা বোধহয় এখন খানিকটা আঁচ পাওয়া যাচ্ছে।

    "ফলে এরা অনুন্নত থাকলে তো বঙ্গের শিল্পে লাভের পার্সেন্টেজ বেড়ে যাওয়ার কথা!"
    ছিল একটা সময় পর্যন্ত। তখন বাঙালী বাবুরা কোঁচা দুলিয়ে ঘুরে বেড়াত। তারপরে দেশভাগ হওয়া ও উদ্বাস্তু আগমনের পরে অব্স্থাটা আর তা রইল না। আমার উদ্বাস্তু দাদারা বিহারীদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে রাস্তায় মাটি কাটার কাজ করত।
    আর গৃহহীন মানুষ রাস্তায় থাকে। যেকোন ছুটির দিনে -র সামনে থেকে হেঁটে স্ট্র্যান্ড রোড ধরে হাওড়া পর্যন্ত হাঁটবেন। দেখতে পাবেন কি পরিমাণ মানুষ -বেশীর ভাগই উপ বা বিহারের- রাস্তা জবর দখল করে রেখেছে। অন্যদিনের ভীড়ে সেটা বোঝা যায় না।

    এই দুটো ব্যাপার মেলালে পব-র বেলা শেষে কোন লাভ থাকে কিনা সেটা কোন অর্থনীতির এক্ষপার্ট বলতে পারবেন।
  • শ্রী সদা | 212.*.*.* | ০২ এপ্রিল ২০১৫ ২৩:০৪659992
  • সরকারের কথা বাদ দিন, মানুষের সদিচ্ছা আছে কিনা সেটাও তো দেখতে হবে। গুরুর পাতাতেই লোক্জন ইনফিকে সেজ না দেওয়ার সমর্থনে পাতার পর পাতা লিখেছে।
  • নির | 230.*.*.* | ০২ এপ্রিল ২০১৫ ২৩:০৬659993
  • সে তো বটেই। যেমন মানুষ তাদের তেমন সরকার।
  • PT | 213.*.*.* | ০২ এপ্রিল ২০১৫ ২৩:১৪659995
  • "I think it is no use just blaming the politicians for this and I think we all share the blame......
    ........The Left will say 'we are anti-neoliberal policies and anti- capitalists'. And all the other parties - with the possible exception of the BJP - are also basically anti-business in attitude. This is a major difference with other Indian states......The Bengalis are culturally anti-business and they do not appreciate the contribution that business makes.
    সেই প্রনব বর্ধন। কি আর করা যাবে!!
  • sm | 233.*.*.* | ০২ এপ্রিল ২০১৫ ২৩:২৫659996
  • আরে ইনফি হাজার হাজার কোটি টাকা লাভ করছে। তার সেজ নিয়ে ট্যাক্স কাটানোর ধান্দা কেন, সে নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে।এটা বলা হয়েছে এই ধান্দাবাজিতে রাজ্য সরকারের কি লোকসান হচ্ছে বোঝা যাচ্ছে না।হলে কেন্দ্রীয় সরকারের হচ্ছে।রাজ্য সরকার কেন সেজ এর সুবিধে দিচ্ছে না সেটা জনগণ কে বুঝিয়ে বলা দরকার।
  • শ্রী সদা | 212.*.*.* | ০২ এপ্রিল ২০১৫ ২৩:৩৯659997
  • বেগার্স আর নো চুজার্স - এরকম কি একটা পড়েছিলাম।
    যাগ্গে, ইনফিকে সেজ না দিয়ে নিশ্চয়ই এখন সব প্রবলেম সলভড ? মানে আরো দশটা কোং সেজ ইত্যাদির দাবীদাওয়া ছাড়াই আসতে রাজী হয়ে গেছে ?
  • sm | 233.*.*.* | ০৩ এপ্রিল ২০১৫ ০০:০৩659998
  • ইনফি কে যদি পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, নিদেন পক্ষে দুর্গাপুর, আসানসোল, হাবড়া, কল্যানিতেও কোম্পানি খুলতে বলা হয়; খুলবে?
    যদি ইনফি আই টি,কোম্পানি না খুলতে চায়, তাহলে জমি ছেড়ে দিক, অন্তত দশ টা ছোটো কোম্পানি যেন তাদের অফিস খুলতে পারে।
    এখানে কেউ বেগার্স নয়। সুতরাং চুজিঙ্গের প্রশ্নই নেই।নারায়ণ মূর্তি না খুললে বিপ পাল খুলবে।
  • একক | 24.*.*.* | ০৩ এপ্রিল ২০১৫ ০০:১০659999
  • বেগার্স আর নট চুসার্স :) এসব কলকাতার লোকদের বলে লাভ নেই । এরা পেটে কিল মেরে জাস্টিফিকেসনের পেছনে ছুটবে নইলে বাইরে বসে জাস্টিফিকেশন কে হাওয়া দেবে । দরাদরি করতে গেলে নিজেকে একটা মিনিমাম জায়গায় পৌছতে হয় । পব সেই জায়গায় নেই । ইনফি হোক কী বড় কোনো সার্ভিস সেক্টর কোম্পানি কে হাতে-পায়ে ধরে প্রথমে একটা উচ্চমধ্যবিত্ত শ্রেণী তৈরী করতে হবে । উচ্চমধ্যবিত্ত না থাকলে সেখানে স্টার্টআপ বুম হয়না , প্রোডাক্ট ইনোভেশন হয়না কারণ প্রাইমারি লেভেলে যে হাই মেকিং কস্ট সেটা সেখানকার বায়ার সেকসন এফোর্ড করতে পারেনা । দিস ইস ইনকিউবেশন মডেল । এভাবে শুরু করলে একদিন যা ফোট বিনিপয়সায় জমি দেবনা বলার জায়গা আসে । আর নইলে থিওরি প্যারালিসিস হয়ে পরে থাকতে হয় । মার্কেট ইম্প্লিমেন্টেশন কোনো আইডিয়াল সিনারিও নয় । একটা কমপ্লিট ডিসরাপটিভ ইনকিউবেশন পলিসি । অনেক ইধার-উধার ঝামেলা হবে। কিন্তু একটা ধাক্কা পেলে রাজ্য টা শুরু করতে পারবে । বেগার্স আর নট চুসার্স ।
  • শ্রী সদা | 212.*.*.* | ০৩ এপ্রিল ২০১৫ ০০:১৪660000
  • "অন্তত দশ টা ছোটো কোম্পানি যেন তাদের অফিস খুলতে পারে।" ~ হ্যা হ্যা হ্যা হ্যা জমি তো বিস্তর পড়ে আছে কোম্পানী কই ? ইনফির বদলে দুটো ছোটো প্রোডাক্ট কোং আসুক, তাও তো আসছে না ঃ) এর পরেও কনফিউশন, বেগার কে !!!
  • একক | 24.*.*.* | ০৩ এপ্রিল ২০১৫ ০০:২৩660001
  • ছোটো প্রোডাক্ট কোম্পানি পব তে গেলে বেঘোরে মারা পরবে। বায়ার সেকশন কই ? ফার্স্ট ফেজের অক্সিজেন তো এক্সট্রা ইনকাম করা জনতা। সেই মাস টা একমাত্র বড় সার্ভিস কোম্পানিই দিতে পারে। আর বড় প্রোডাক্ট কোম্পানি যাবেনা কারণ এমনিতেই তারা সংখায় কম আর যেকটা আছে লুরু-নয়ডা মিলিয়ে খাসা আছে। আগ বাড়িয়ে চাপ নেবেনা।
  • শ্রী সদা | 212.*.*.* | ০৩ এপ্রিল ২০১৫ ০০:৪১660002
  • আমি বলছি, যেমন ধরো লুরুতে, প্রচুর আমেরিকান প্রোডাক্ট কোং এর ডেভেলপমেন্ট সেন্টার আছে। বিক্রিবাটা, মার্কেটিং অন্যত্র, ওখানে শুধু আর অ্যান্ড ডি। সেটা পশ্চিমবঙ্গে হতে বাধা কোথায় ?
    তবে যা বুঝি, কিছু বড় বড় সার্ভিস কোং কে আনা দরকার প্রথমে, রেপুটেশনটা তৈরীর জন্যে। দরকার হলে তাদের টার্মসেই আনতে হবে। তারপর যখন কোলকাতার নামে কোম্পানী আসবে তখন না হয় তাদের সাথে দর কষা যাবে, কল্যাণীতে দোকান খুলবে কিনা সেটা তখন দেখা যাবে।
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ০৩ এপ্রিল ২০১৫ ০০:৪৫660003
  • পিটি,
    আপনি যা বললেন তা হল পড়োশি রাজ্যের শস্তা শ্রম ও কাঁচামালের ফয়দা বঙ্গ অনেক আগেই তুলে নিয়েছে, এখন এসব হয় না।
    যদি তর্কের খাতিরে মেনেও নিই কিন্তু উল্টোটা স্পষ্ট হল না। অর্থাৎ, কেন বঙ্গের উন্নতি পড়োশি রাজ্যগুলোর উন্নতির ওপর নির্ভরশীল।
    কেন বিহার-উড়িষ্যা-আসামের উন্নতি হলে তবেই বঙ্গের হবে, না হলে হবে না?
    ভেবে দেখুন, মিলিট্যান্ট ট্রেড ইউনিয়নিজম একমাত্র কারণ নয়, কিন্তু অন্যতম প্রধান কারণ।
    ৯০ দশকে জ্যোতিবাবুর ল্যামেন্টেশন ওপরে দেখুন।
    এবার আপনি বলছেন পড়োশি রাজ্যগুলির উন্নতি না হওয়া। এর সঙ্গে বঙ্গের উন্নতির সমানুপাতিক সম্পর্ক কী করে বলছেন? বিশেষতঃ এখনো ওই রাজ্যগুলি আমাদের শস্তা শ্রম ও কাঁচামালের জোগানদার।

    খেয়াল করুন, গতকাল যে সুগার রিফাইনারি বন্ধ হল তার একটা বড় কারণ ইউপি থেকে আসা অপরিশ্রুত চিনি নামক এতদিনের শস্তা কাঁচামালটির মাহাঙ্গা হয়ে যাওয়া!
    আশা করি বোঝাতে পেরেছি!
  • একক | 24.*.*.* | ০৩ এপ্রিল ২০১৫ ০১:১২660004
  • সদা
    দেখ,আমেরিকান প্রোডাক্ট কোম্পানির ডেভেলপমেন্ট সেন্টার সর্বদাই সেফ জায়গা খোঁজে। এদের পব তে আনা চাপ। কারণ এদের গো-টু মার্কেট টাইম খুব কম থাকে। কোনভাবেই নতুন জায়গায় এক্সপ্লোর করার চাপ নেয়না।
    লুরুতে আরেকদল প্রোডাক্ট কোম্পানি হচ্ছে ইউরোপিয়ান প্রোডাক্ট কোম্পানি। জার্মান,সুইস বেশকিছু কোম্পানি আছে। এরা আমেরিকান দের মত নিজের দেশের রেডিমেড কাস্টমার বেস নিয়ে ঢোকেনা। এদের প্রোডাক্ট এর গল্প টা হলো লুরু-দিল্লী-মুম্বাই এর কাস্টমার বেস এর ওপর প্রোডাক্ট ট্রায়াল টা চালিয়ে এবার ফাইনাল প্রোডাক্ট টা ইউএই-পেরু-স্পেন-সাউথ আফ্রিকা এইসব পকেট ধরে ধরে বিসনেস করা। এরা যদি পব তে একটা বেসিক এনভায়রনমেন্ট পেত আসতো। সেটা নেই। তুই ধর একটা রোবোটিক হ্যান্ড বানালি যেটা সার্জেন কে ল্যাপেরস্কপির সময় হেল্প করে বা বা এনিথিং, এনি এডভান্স টেক। লুরু তে হুট বলতে পাঁচটা জায়গা পাবি যাদের বুঝিয়ে বললে তারা এটা একটা প্যাকেজ হিসেবে চালু করে দেবে। তারপর ধর ডেটা। এখানে তবু তুই সরকারী জায়গায় গিয়ে কথা বলে ডেটা বের করতে পারবি। কলকাতায় ? তুই যত বড় জায়গা থেকেই যা কেরানিবাবুর ইচ্ছের দাস। আমি তো কিছুকাল কাজ করেছি কলকাতার পরিবেশে। একেবারে কিতিবিচ্চিরি কেস :( ওখানে ওই সার্ভিস কোম্পানি মডেল ঢুকিয়ে আগে মার্কেট টা ফাটিয়ে না নিলে কিস্যুই এগোবেনা। সরকার-লোকজন সবই একটা টাকা নাই তাই চাকা নাই আর চাকা নাই তাই টাকা নাই এর চক্করে পরে আছে।
  • একক | 24.*.*.* | ০৩ এপ্রিল ২০১৫ ০১:২৬660007
  • টাটা র সঙ্গে সম্পর্ক চটকে ফেলা এইজন্যেই একটা বড় ভুল। এই একটি বিসনেস হাউস যাদের বিগ মার্কেটের সঙ্গে স্মল মার্কেটেও পেনিট্রেশন লেভেল বিশাল। বহু আতিপাতি ছোটো কাজ করেছে এরা যা অন্য বড় কর্পোরেট ছুঁয়ে দেখবেনা। কেরানি-সরকারী অফিসার অধ্যুসিত ওই টিপিকাল পরিবেশ থেকে যে করে হোক কাজ বের করার এক্সপিরিয়েন্স আছে। ওদের একেবারে খেদিয়ে দেওয়া উচিত হয়নি। সামহাও একটা প্রফিটেবল রিলেশন রাখা দরকার ছিল। টাটা পব র জন্যে ফিট কোম্পানি। আমলা লেভেলে উত্তাল ক্যাচ ওদের। কোথায় খাওয়াতে হবে বোঝে। রিলেশন এত বিটার করা ঠিক হয়নি।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ০৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৭:৩৮660009
  • সুদীপ্তর মৃত্যুদিনে এস এফ আইয়ের এই অন্দোলনের সাথে আছি। নিন্দা করছি পুলিশের আক্রমনকে।
    রাস্তায় নামবে এস এফ আই আগামী দুদিন। ফিরে আসুক বামপন্থা, তার সঠিক মেজাজে।
  • PT | 213.*.*.* | ০৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:১৭660010
  • "কেন বঙ্গের উন্নতি পড়োশি রাজ্যগুলোর উন্নতির ওপর নির্ভরশীল। কেন বিহার-উড়িষ্যা-আসামের উন্নতি হলে তবেই বঙ্গের হবে, না হলে হবে না?"

    পব-র জনঘনত্ব যেহেতু অত্যন্ত বেশী, তাই অল্পশিক্ষিত মানুষের স্রোত সব কিছুর ওপরেই চাপ সৃষ্টি করবে। এটা উচ্চ-শিক্ষিত বাঙালীর পুণে বা লুরুতে যাওয়া নয়। পব-র গ্রাম থেকে কলকাতায় আসা জনস্রোত যেভাবে কলকাতার ওপরে চাপ সৃষ্টি করে সেই একই ভাবে পাটনা-ভাগলপুর থেকে আসা মানুষেরা গোটা রাজ্যের ওপরে চাপ সৃষ্টি করবে।
    As per 2001 Census, Maharashtra received largest number of migrants (7.9 million) by place of birth from other states and other countries, followed by Delhi (5.6 million) and West Bengal (5.5 million). In 1991 Census, the corresponding number of migrants in to Maharashtra was 4.3 million, Delhi 3.7 million and West Bengal 5.1 million, indicating a sharp rise in migration over the decade.

    chaakree Jatadin chhil takhan ekarakam byaapaar. aar jakhan nei? “If you can’t give them jobs, it may turn into a time bomb. I may add it’s already ticking quite loudly in West Bengal,” প্রনব বর্ধন, আবার!!
  • PT | 213.*.*.* | ০৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৮:১৮660011
  • ওঃ লিখতে ভুলে গিয়েছি। আমি "কাঁচামাল" সম্পর্কে কোন বক্তব্য রাখিনি।
  • Balsam Plumbs Pence | 125.*.*.* | ০৩ এপ্রিল ২০১৫ ০৯:৩০660012
  • কল্লোলদাকে বাসের সামনের দরজা নিয়ে খোঁচা দিতে যাচ্ছিলাম প্রায়।

    অন্য প্রসঙ্গে - স্টার্টাপ কালচারটা একেবারেই অন্যরকম। এখানে লোকে চাকরি করে মাইনে পেতেই বেশি অভ্যস্ত, এবং এটা ঐতিহাসিক সত্যি। সেক্টর ফাইভ বা নিউ টাউনে এত লোক কাজ করে, তাদের মধ্যে প্রচুর লোক গাদা গাদা মাইনে পায়, কজন রিস্ক নিয়ে স্টার্টাপ শুরু করবে সার্ভে করে দেখুন তো। বা কজন স্টার্টাপে চাকরি করবে? খুব কম, গ্যারান্টি দিয়ে বলা যায়। ওদিকে দিল্লীতে একই সার্ভে করুন, স্টার্টাপ খোলার জন্যে উৎসাহী লোকের কমতি হবে বলে মনে হয় না। বছর পনেরো আগেও ছিলো না - নিজেই দেখেছি - একের পর এক টেলিকম স্টার্টাপ খুলতে, হেড কোয়ার্টার্স বে এরিয়ায়, দিল্লীতে একটা অফিস, লোকজন নিজের হাতে তৈরী করা প্রোডাক্ট নিয়ে প্রচন্ড প্যাশনেট। এরকম একটা কোম্পানিতে ইন্টার্ভিউ দিয়ে চাকরি পাবার পরেও দোনোমনা ছিলো বলে একটা অল্পবয়সী ছেলে একটা বইয়ের রেকো দিয়েছিলো - নুডিস্ট ইন দ্য নাইটশিফ্ট। অবশ্য পড়াও হয়নি, সেই কোম্পানিতে জয়েন করাও হয়নি।

    তবে কলকাতায় ফিরে আসার পর বেশ কয়েকটা স্টার্টাপ দেখেছি, একটাতে তো ছিলামও বেশ কিছুদিন। সবকটাই বেশ প্রমিসিং ছিলো। কিন্তু সেইটা এবং আরো কয়েকটা একই রোগে মরলো - সিম্পলি চুরি করে ফাঁক করে দিয়েছিলো।

    এখন স্টার্টাপে ঢুকতে আপত্তি নেই, কিন্তু নিজে বানিয়ে ফেলার রিস্ক নিতে পারবো না। অন্য কেউ পয়সা ঢালুন, কাজ করতে আপত্তি করবো না :-p
  • TG | 125.*.*.* | ০৩ এপ্রিল ২০১৫ ১০:৪৫660013
  • হককলোরব এর আতুরঘর যাদবপুরের স্টুডেন্ট ইউনিয়ন আজ ঘরেই থাকবে মনে হয়, সলিডারিটি দেখাবে না এসেফায়ের সাথে। এলিটিস্ট। এবং সুবিধাবাদী।
  • শ্রী সদা | 212.*.*.* | ০৩ এপ্রিল ২০১৫ ১১:৩০660014
  • কোলকাতার লোকজনের স্টার্টাপ বানানো দূরে থাক, স্টার্টাপে কাজ করার মেন্টালিটি ও নেই। নিজের কলেজের ব্যাচমেটদেরই দেখি, বেশীরভাগই নিজের কাজ নিয়ে স্যাটিসফায়েড নয়, মাইনে নিয়ে স্যাটিসফায়েড নয়, দিবারাত্র কোম্পানীকে খিস্তাচ্ছে, কিন্তু তবুও ঐ এমেন্সির নিরাপদ আশ্রয় ছেড়ে বেরোবে না।
  • শ্রী সদা | 212.*.*.* | ০৩ এপ্রিল ২০১৫ ১১:৩৪660015
  • অবশ্য টিসিএস এর লে অফ টা র পর আর এত সহজে নিরাপদ কথাটাও লেখা যায়না।
  • Balsam Plumbs Pence | 125.*.*.* | ০৩ এপ্রিল ২০১৫ ১১:৪৪660016
  • এই মুহুর্তে এম এন সি ও নিরাপদ নয়। টিসিএস কয়েক বছর আগের বড় ডাউনটার্নের সময়ও লে-অফ করেনি, তাই এইবার খবরটা বড় ছিলো। কিন্তু প্রতি বছর আইবিএম ইঃ রা বেশ কয়েক হাজার করে রুটিন লে-অফ করে।

    এম এন সি-র সুবিধা হল বড় জাহাজ চট করে ডোবে না। কিন্তু ঝড়ের সমুদ্রে প্রচন্ড ভিড় হলে কী আর বেশকিছুকে জলে ফেলে দেবে না? এখন দেবে। সেটা ঠিক কিনা সে অন্য প্রশ্ন, ব্ল্যাক-অ্যান্ড-হোয়াইট কোনো উত্তর নেই।

    লোকে স্টার্টাপে চাকরি করতো - কলকাতাতেই। কিন্তু বছর কয়েক আগে গোটা কয়েক প্রমিসিং স্টার্টাপের গঙ্গাপ্রাপ্তির পর লোকে আবার ভয় পেতে শুরু করেছে। আমার না হয় এক মাসের মাইনে গেছে, কত লোকের সাত-আট মাসের মাইনে বাকি ছিলো যখন ফাইনালি পটল তুললো - মনে হয় না সেসব উদ্ধার হয়েছে।
  • শ্রী সদা | 212.*.*.* | ০৩ এপ্রিল ২০১৫ ১২:০০660018
  • হ্যাঁ সিনিয়ার লোকজন, ফ্যামিলি ইঃ আছে এরকম জনতার জব স্টেবিলিটি নিয়ে চিন্তার কারণ তাও বুঝি, কিন্তু ২-৩-৪ বছর এক্সপিরিএন্স এর লোকজন, যাদের ঐসব চিন্তা নেই, সবে কেরিয়ার শুরু হচ্ছে তাদের যে কিসের এত ইনসিকিউরিটি কে জানে। আর স্টার্টাপ গুলো এই সার্ভিস কোং গুলোর তুলনায় মাইনেও বেশ ভালো দেয়, অন্ততঃ আমার যা অভিজ্ঞতা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। না ঘাবড়ে মতামত দিন