এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ১৮:৪৬25530
  • আমি বড় হবার সাথে সাথে মা'র মনে হয়েছিল আমার চুলেরও বড় হওয়া দরকার ঃ(

    ওদিকে তোমার পোস্টের ঐ ছাঁটাই পড়ে মনে হল। কালকে স্কুলের এই ভাল সেই ভাল লেখার সময়ই মনে হচ্ছিল, এই একটা ব্যাপার, যা বেশ খারাপ লাগতো। মাধ্যমিকে ঐ সবাই স্টার পাবে মার্কা জিনিস অ্যাচিভ করার জন্য এইট থেকে নাইনে একটা বিশাল ছাঁটাই হত। এইটে কয়েকজনকে রাখা হত, কিন্তু বাকিদের ঐ ক্লাস নাইনে টিসি !! আর এরকম ভাল রেজাল্টের মানে কি ? যারা তা করতে পারবেনা, তাদের বাদ দিলে তো রেজাল্ট ভালো হবেই। আর তাদের দিয়ে ভাল করানোটাই তো চ্যালেঞ্জ ! স্কুলের অজুহাত ছিল, ক্লাস এইট অব্দি সে চেষ্টা যথেষ্ট করা হয়েছে। এদিকে তার আগের ক্লাসগুলোতে তারা পাশ করলো, কিন্তু এইট থেকে নাইনেই দুম করে পরীক্ষা শক্ত, খাতা দেখা শক্ত, পাশের অন্য ক্রাইটেরিয়া ঢুকিয়ে বেশি ফেল করানোর পিছবে আমি তো যুক্তি খুঁজে পাই নি। অনেকেই পেত না। এটা নিয়ে অনেকেই সমালোচনা করতো। আর, তখন কেমন মনে হত, ভাল রেজাল্টের জন্য বলিপ্রদত্ত শিক্ষা, যেটা কিনা ঐ স্কুলের অনেক শিক্ষিকাই ছোট থেকে ভুল বলে শিখিয়ে এসেছিলেন !
    আর মজা হল, তারা টিসি নিয়ে অন্য স্কুল থেকে যথেষ্ট ভাল রেজাল্ট করেই বেরোত। বেশ কয়েকজন অন্য স্কুলে গিয়ে টপ করেছে, স্টার পেয়েছে। কী জানি, যে স্কুল তাড়ালো,তাকে দেখিয়ে দেবার জন্য একটা জেদ কাজ করত মনে হয়।
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৮:৩৮25529
  • কে মোছে রে অতগুলো ঘর। একদিন আমাকে ঐ বাড়ি মুছতে হলে ঐদিনই আমার মৃত্যুদিন।
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ১৮:৩৪25528
  • 'ঈশান এবং রিদ্ধি বর্ণিত "সভ্যতা" সদাসর্বদা শেখাবে "ছোটলোকের বাচ্ছা" মানে নো সেক্সুয়াল সিগন্যাল ' পড়ে সেটা মনে হয়ন। যাগ্গে ঃ)
    তোমার পয়েন্ট টা বুঝেছি। মামুরটাও। কিন্তু কিকিদির টা বুঝি নাই। দুটোকে কিছু জায়গায় বিপরীত মনে হয়েছে। কারণ অভিভাবকেরা কী বলবেন ও কেন বলবেন এটা মনে হয়েছিল কিকিদি জাস্টিফাই ই করেছে, প্রতিভাবান, কষ্ট করে পয়সা রোজগার করা লোকজন এইসব স্কুলে পাঠাচ্ছে ইত্যাদি বলে। মামুর তো এই মানসিকতা নিয়েই আপত্তি আছে বলে মনে হয়েছে। মানে, যারা সো কলড এই রক কথা বলছে না, নাক সিঁটকোচ্ছে না, তারাও আসলেতে ক্যামোফ্লেজ করছে, এরকম কিছু, আর সেই জন্য অসুবিধা। জাস্টিফিকেশন নয়, সারানো দরকার আর সভ্যতা এটা সারানোর বদলে ক্যামোফ্লেজ করছে ইত্যাদি।
    আর বাকি লেখা পড়ে আমার খুব কন্ফিউসিং লেগেছে। এই পুরো প্রসংআঈ এসেছে নিম্নবিত্তদের বড়লোকের স্কুলে পড়ানো নিয়ে। সেই নিয়ে আপত্তি। সেই প্রসঙ্গে ছোটলোকের বাচ্ছা কেন এসেছে বুঝিনি। পরে বুঝলাম, অনেকেই ছোটলোক হতে পারে। কিন্তু গরীব লোকজন ও হতে পারে। আর হবে ধরেই নেওয়া হচ্ছে, নইলে আর সে নিয়ে আপত্তি, অ্যাপ্রিহেনশন কেন ?

    যাইহোক, কিকিদের একটি পয়েন্টে কিছু। সেটা হল, আশেপাশের লোকজনকে দেখে বাচ্ছাটির মনে নিজের অবস্থা নিয়ে কোন প্রতিক্রিয়া হতে পারে। এই প্রসঙ্গেই আমাদের অভিজ্ঞতার কথা এসেছিল। আশেপাশের লোকজন, আমাদের স্কুলের অভিজ্ঞতায় নিজেদের লাইফ স্টাইল, অ্যাফ্লুয়েন্সি নিয়ে তেমন আলোচনা করতো না। রিদ্ধি বলেছে, করতো। মামুর বর্ণিত স্কুলগুলোতে সবাই সেটা জানতো ইত্যাদি। আমার নিজের মনে হয়, বর্তমান পরিস্থিতে এগুলো হবার সম্ভাবনা বেশি। কিন্তু ব্যাঙদির পোস্ট পড়ে মনে হল, নাও হতে পারে। অন্ততঃ ছোটবেলায়। বাচ্চারা এনিয়ে অত মাথা ঘামায় না। অভিভাবকেরা ঘামানো বন্ধ করলেই অনেক সমস্যার সমাধান হয়। যাগ্গে, এনিয়ে আর তর্কে যেতে চাই না।

    শুধু একটাই কথা, একটু স্পষ্ট করে। গরীব লোকজনকে ঘাড় ধরে ধরে বড়লোকদের স্কুলে ঢুকিয়ে দিলেই সব অসুখ সেরে যাবে, এমন ক্লেইম বোধহয় এখানে কেউই করেনি।
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৮:১৯25527
  • আমার চুল কেটে দিত আমার মা। আমারও ছোটবেলায় খুব কোঁকড়া চুল ছিল আর প্রচন্ড সর্দিকাশিটন্সিলফোলা ইত্যাদিতে ভুগতাম বলে মা ছোট করে চুল কেটে দিত। কারণ ঐ একই, ভেজা চুল বাঁধা যায় না। কিন্তু কিছু বেয়াড়া কোঁক্ড়া চুলের গোছ কপালে সুড়সুড়ি দিতই দিত ফ্যান চললে। আর আমার ক্লাস ফাইভের ক্লাসটিচার মোটেও পছন্দ করতেন না আমার সেই মুখশোভাটি। আমাকে দেখলেই ওনার বাঁধা বুলি ছিল "চুল কেটে রুমালে বেঁধে মায়ের জন্য পাঠিয়ে দেব"
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ১৮:১৬25526
  • রাশ্ট্রপতি ভবনে ৩৪০টা ঘর থাকে।
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ১৮:১৩25525
  • হ্যাঁ, হ্যাঁ, ফিতের প্রস্থও ছিল ঃ(
    আর চুল চোখের উপর এসে পড়ার মত স্টাইল মারার গর্হিত অপরাধ হলে তো আর কথাই নেই !!

    কিন্তু গুরু লে আউটে 'গর্হিত' লিখতে পারছিনা কেন !
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৮:১০25524
  • ব্যাজ, হাউসব্যাজের কথা তো ছেড়েই দিলাম। আমাদেরও ওরকম প্রতিটা সেকশনেই এক্স্ট্রা ব্যাজ, সব হাউসের হাউস ব্যাজ একাধিক থাকতই।
    বইয়ের মলাট ব্রাউন পেপার দিয়েই দিতে হবে। খবরের কাগজের মলাট দেওয়া চলবে না। আমরা একবার ক্লাস টেনে পড়ার সময়ে কয়েকজন শাস্তি পেয়ে গেলাম। কী কারণ? না আমরা তিন-চারজন মিলে একটা এবিটিএয়ের তেস্ট পেপার থেকে প্রশ্ন লিখছিলাম, আর টেস্টপেপারটায় খাবরের কাগজের মলাট ছিল, আর দুর্ভাগ্যক্রমে তাতে জ্যাকি শ্রফের সাদাকালো ছবি ছিল।
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৮:০৬25523
  • হ্যাঁ পাই, তুই যেমন বললি, ওগুলো আমাদের স্কুলেও ছিল, কিন্তু লিখতে লিখতে এত বোরিং লাগছিল যে আর লিস্টি বাড়াই নি।
    আমাদেরও ঐ সিঁড়ির গাঁটে গাঁটে প্রহরী রাখা হত, লাইন করে যাওয়া আসার সময়।
    চুলের ফিতের প্রস্থ দেড় থেকে দুই ইঞ্চি হতে হবে, তার চেয়ে সরু হওয়া চলবে না।
    নেলপালিশের আভা তো নয়ই, নখও যতটা হওয়ার কথা কাটা অবস্থায়, তার আদ্ধেক হতে হবে।
    চুলের কুচি কপালের উপর এসে পড়তে পাবে না।
    কত যে বলি!!!!
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ১৮:০১25522
  • ব্যাং দির ডিসিপ্লিনের লিস্টে প্রায় ক। আমাদের কিছু বাড়তি ছিল। স্তবগুচ্ছ, ব্যাজ নিয়েছি কিনা, একটা কত যেন ইঞ্চির বেশি হলে লাল ফিতে দিয়ে দুই বেণী করে চুল বেঁধেছি কিনা, নখ ঠিক আছে কিনা ইত্যাদি। প্রার্থনার সময় লাইন দিয়ে ক্লাস থেকে বেরোতে ও ফিরতে হত, পিনড্রপ সাইলেন্স রেখে, আর সেই যাতায়াতের রাস্তার গাঁটে গাঁটে প্রহরী হিসেবে কয়েকজন মেয়েকে ফিক্স করে রাখা হত, যারা দেখতো এই সব কটি ঠিকঠাক আছে কিনা, কারুর নখে নেলপালিশের কোন আভা দেখা যাচ্ছে কিনা ইত্যাদি। এসবের জন্য আমাদেরো ফন্দি ফিকির ছিল। ক্লাসে এক দুটো এক্স্ট্রা স্তবগুচ্ছ, ব্যাজ কিনে রেখে দেওয়া হত, যে যেদিন নিয়ে আসতে ভুলত, ঐ Kঅমন অ্যাসেট তাকে সেদিন উদ্ধার করতো। তিনজন ভুল্লে কেলো হত। সেরকম সময়্জন্যের বইয়ের জাস্ট দুটো মলাট ও জোগাড় করে রখা হয়েছিল, সেদুটো বুকের কাছে জড়ো করে কনফিডেন্টলি চলে যাওয়া হত। এই কনফিডেন্সটাই আসল ছিল। আমাদের প্রহরীরাও এক্ষপেরিয়েন্সে বেশ ঝানু হয়ে গেছিল, অনেক সময় মুখ দেখে বুঝে যেত কে ক্যামোফ্লেজ করছে। তারপর দিদিমণির কাছে ঐ বইয়ের দুটো মলাট নিয়ে যাওয়া নিয়ে সে কী বকা !
    চুলটা একটা সমস্যা ছিল বটে। ঐ কয়েক ইঞ্চির ডেডলাইন ক্রস করে যাওয়াতে আমি পড়লাম গিয়ে বেণী বাঁধিয়েদের দলে। এদিকে
    আমার ঘোরতর সাইনাস সমস্যা। ভিজে চুল বাঁধলেই মাথা ব্যথা হয়। এদিকে বেণী না বেঁধে গেলে শাস্তি। সেজন্য সাত সকালে চান করে চুল শুকিয়ে রাখো রে। বলা বাহুল্য, সে আমার প্রায়শঃই হত না। তখনি এই টেকনিকটা আবিষ্কার করি। আমার চুল অন্য দিক দিয়ে প্রচুর গণ্ডগোলের হলেও একটি সুবিধে অছে তা হল ভিজে অবস্থায় মাটির তালের মত। তাকে যা শেপ দেওয়া হবে, মোটামুটি তাই থাকবে। তো, ভিজে অবশ্থাতেই গুটিয়ে গুটিয়ে আঁচড়ে ফেলতাম আর তারা শিকিয়ে গিয়ে ম্যাগির মত পাকিয়ে মাথায় সেঁটে থাকতো।
    তবে ঐ, ওটার ও ফ্রিকোয়েন্সি বেড়ে গেলে সমস্যা ছিল। প্লাস প্রহরীদের অনেকেই এমনিও চিনতো। যখনি খেয়াল করতো একদিন বেণী, পরেরদিন ছোটচুল, আবার পরের দিন বেণী .. তখনি চোখ গোল্লা করতো। এদিকে বেণী বেঁধে রাখায় সেদিন শাস্তিও দিতে পারতো না। অপেক্ষা করতো, আবার কোনদিন অম্নি করি। এই করে একজন ফাঁসিয়েছিল। ঃ(
    আর ক্লাসে কথা বলার ব্যাপারে সে আমরা অন্য সল্যুশান বের করেছিলাম। মনিট্রেসরাই সর্ষের মধ্যে ভূত হত। সে গল্প বোধহয় লিখেছিলাম।

    তবে শেষমেশ আমারো একি প্রশন, ঐ অত ডিসিপ্লিন টিন করে হয়েছেটা কী ! অন্তত আমাকে এক ফোঁটাও ডিসিপ্লিনড করতে পারেনি,যেমন যা হবার তাই হয়েছি বোধহয় ঃ(
    লোকজন আবার আমাদের অতি ডিসিপ্লিন ওয়ালা স্কুল থেকে বেরোনো নিয়ে বলতো বাঁধা গরু ছাড়া পেলে যা হয় .... সেরকম কেসও অনেকের সাথেই হয়েছে বটেক।
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৮:০০25521
  • আকাবাবু, সব কিছু পানই একদম বন্ধ করে দিন। সে হাড়িয়াই হোক অথবা বীজ্জো।
    যদিও আজ্জোর সঙ্গে বীজ্জোটা ক্যামোন রাইম করছে দেখে কবিতা লিখতে ইচ্ছে করছে! কিন্তু আমি তো কবি নই। রেসিডেন্ট কবিরাই লিখবে নিশ্চয়ই।
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ১৭:৫৪25520
  • হ্যাঁ, তাইতো। আমি এইমাত্র শুনলাম।
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৭:৪৯25519
  • সেটা তো লর্ড কিচেনারের গাওয়া। অন্তত ভিডিওতে তো সেটাই দেখাচ্ছে!
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ১৭:৪৬25518
  • কালকের ক্যালিপোসোর লিংটা।
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৭:৪৪25516
  • কোন গানটা আলেক বেডসার গেয়েছে আকা?
  • Paakhi | ২২ জুলাই ২০১২ ১৭:৪২25514
  • পাওলি দাম কে কাল স্বপ্নে দেখ্লুম।
  • aka | ২২ জুলাই ২০১২ ১৭:৩৮25513
  • আমিও তাই বললাম। ঃ)
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ১৭:৩৭25512
  • নাঃ আকাদা, রিদ্ধির বক্তব্য কিউ ঠিক ই পাঠায়, কিন্তু তারপর বিয়ে কম হয় ঃ)
  • aka | ২২ জুলাই ২০১২ ১৭:৩৪25511
  • ব্যাঙ গানটা যে আলেক বেডসার গেয়েছে দেখে আরও ভালো লেগেছে। বলে দিস রিভুবাবুকে।
  • aka | ২২ জুলাই ২০১২ ১৭:৩৩25510
  • এক জায়গায় যে দুজনেই এগ্রি করেছে "সভ্যতা" আমাদের ডি-ক্লাসড হতে দিচ্ছে না বা "সভ্যতার" দোহাই দিয়ে আমাদের অন্তর্নিহিত প্রেজুডিসকে ব্যাখ্যা করছি। ঈশান বলেছে সেক্সুয়াল কিউ পাঠায় না, রিদ্ধি বলেছে বিয়ে হয় না। কিন্তু সোশাল এবং ইকনমিক স্ট্যাণ্ডার্ড যে এক একটা স্ট্র্যাটা তৈরি করে এই নিয়ে দুজনেই একমত।
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৭:৩২25509
  • পাই ঃ-))
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৭:৩১25506
  • আকা, সকালে উঠেই একজনের প্রশ্ন, "আর্য্যমামা শুনেছে গানটা? কী বলল? আগে থেকেই জানত এরকম গান আছে?" সে এখন তোকে আরো একটা গান শোনাতে চায়, এই যে রামাধীন অ্যাণ্ড ভ্যালেন্টাইন
  • aka | ২২ জুলাই ২০১২ ১৭:৩১25507
  • দ, বিলকুল ফাসক্লাস। কাল জনা কুড়ি লোক বাড়িতে এয়েছিল, তারা তো গোলবাড়ির কষা মাংস খেয়ে ফিদা। যদিও কাল অক্ষর চাঁপটা অত ভালো হয় নি। চাঁপটা একটু বেশি পরিমাণে করতে ফ্ল্যাট বটম পাত্র খুব বড় হতে হয়। নইলে চাপ হয়ে যায়। কাল সেটাই হয়েছিল।
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ১৭:৩১25508
  • আকাদার হ্যাং ওভার তো কাটেনি মনে হচ্ছে। মামু আর R্দ্ধিকে কোথায় একমত হতে দেখলো ?
  • aka | ২২ জুলাই ২০১২ ১৭:২৯25505
  • এঃ একটু পরে জন্মালে ভালো হত। দুই তিন হাজার?
  • | ২২ জুলাই ২০১২ ১৭:২৮25504
  • এইযো আকা, ঘুমটুম ঠিকঠাক হয়েছে তো? ভাল আছ তো?
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৭:২৭25503
  • কাব্লিদা, সত্যিই আমি বুঝতে পারি নি। শুধু শুধু আপনাকে আরো একটু বকুনি দিয়ে ফেললাম। ঃ-(

    আর যেসব বাবা-মারা স্কুলের ছেলেদের হাতে দুই-তিনহাজার টাকা তুলে দেন, সেই সব বাবা-মাদের বোঝানো উচিৎ যে নিজেদের ছেলেমেয়েদের কবরটা তারা নিজেরা খুঁড়ছেন। যেঅসব ছেলেমেয়েরা হাতে এত টাকা পায় না, তাদের কিছু বোঝানোর বা কেমন করে অ্যাডজাস্ট করতে হয় শেখানোর দরকার আছে বলে মনে করি না।
  • aka | ২২ জুলাই ২০১২ ১৭:২৩25502
  • ম এবং কেসি, রূপকার্থে। "জায়গার জিনিষ জায়গায়" মানে আমার চোখ অনুযায়ী সেক্সি, আর "ছাড়ি নি" মানে সেক্সুয়াল সিগনাল পাঠায়। ঃ)

    স্লো ইন্সুয়িংগিং ইয়র্কারকে লোকে মাঝে মাঝে ফুলটস ভেবে ভুল করে। ;)
  • aka | ২২ জুলাই ২০১২ ১৭:১৯25501
  • কিকির কথা আমি পোষ্কার বুইতে পেরেছি বলে মনে হল। কিকির বক্তব্য হল সিঁড়ি না করে দোতলা করলে খুব একটা লাভ নেই। এমনিতে ঈশান এবং রিদ্ধি বর্ণিত "সভ্যতা" সদাসর্বদা শেখাবে "ছোটলোকের বাচ্ছা" মানে নো সেক্সুয়াল সিগন্যাল, "ছোটলোকের বাচ্ছা" মানে ভেণ্ডারে যাতায়াত আবার উল্টোদিকে সেই "ছোটলোকের বাচ্ছা" আমার ছেলে/মেয়ের সাথে স্কুলে পড়বে। আমি তো আর ট্রেনের ভেণ্ডার আর স্কুলে সম্পূর্ণ দুটো আলাদ মানুষ হয়ে গেলাম না।

    ফার্স্ট জেনারেশন স্কুল পড়ুয়াদের একেবারে অন্যরকম নিড, বা একটু পিছিয়ে যারা রয়েছে তাদের একেবারে অন্যরকম নিড। এটা কেয়ারফুল্লি ভাবার একটা বিষয়। অনেক দেশেই অনেক রকম সলিউশন ভাবা হয়েছে কিন্তু ভারতের জন্য কোনটা কাজে লাগবে সেটা দুম করে বলা যায় না। সেদিন আবাপর আলোচনা সেকশনে একটা নতু বই দেখছিলাম, নামটা ভুলে গেছি। প্রতীচি ট্রাস্টের সহযোগীতায় পঃবঃয়ের প্রায় ৩০০ জন শিক্ষক তাঁদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করেছেন, মনে হল ভালো হবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত