এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • | ২২ জুলাই ২০১২ ১৭:১৮25500
  • *১৯৫০-৫২
    **তৈরী
  • | ২২ জুলাই ২০১২ ১৭:১৫25499
  • তা এই ভাগাড়পাড়ার স্কুলের একদিকে ভাগাড়ের পাশেই মেথরপট্টি। সেখান থেকে কোনও ছাত্রী আমাদের স্কুলে কোনোদিনই আসে নি। কেউ কোনোদিন ভর্তি হওয়ার চেষ্টা করেছিল কিনা জানি না। ৮০ সাল নাগাদ ঐ মেথরপট্টির ভেতরেই একটা প্রাথমিক বিদ্যালয় বানিয়ে দেয় কোন্নগর মিউনিসিপালিটি।

    এই ভাগাড়পাড়া স্কুলের আরেকটা চলতি নাম ছিল মাস্টারপাড়া স্কুল। কারণ স্কুলের পেছন দিকের পল্লীটির নাম 'মাস্টারপাড়া'।

    স্কুলগুলো মূলতঃ তৈরী হয়েছিল ১৯৫০-৩২ নাগাদ বাংলাদেশ (তৎকালীন পূর্ব্ববঙ্গ) থেকে আসা উদ্বাস্তুদের ছেলে মেয়েদের শিক্ষার জন্য। স্থানীয় অন্যান্য স্কুলগুলির ওপরে চাপ কমাতে। আরেকটা উদ্দেশ্য হল কিছু, তা যতই সামান্য হোক, কর্মসংস্থানের উদ্যোগ। 'কোন্নগর কল্যাণ পরিষদ' নামক রেজিস্টার্ড সোসাইটি তৈ করেন কিছু খদ্দরধারী কিঞ্চিৎ অবস্থাপন্ন উদ্বাস্তু। স্কুলের জমিটির মাঝামাঝি একটি পাকা বাড়ী। তার নীচের তলায় বিভিন্ন সেকশানের কমন রুম বাদ দিয়ে ক্লাসরুম হল দুটো। দোতলায় আরো খান তিনেক। সামনে মাঠের বাঁ দিকে পাকা ঘর, মাথায় এসবেস্টসের ছউনি দেওয়া দুটো ঘর, মেঝেটা পয়েন্টিং করা। তারপর ছিটে বেড়ার দেওয়াল, টালির চাল আর মাটির মেঝেওলা আরো দুটো ঘর। স্কুলের পেছনে ইঁটের দেওয়াল, টালির চাল আর পাকা মেঝেওলা টানা ক্লাসরুম পরপর ছয় সাতটা, বাঁদিকে এল শেপে আরো দুটো। এই অংশে যেতে গেলে একটা সরু পাকারাস্তা পেরিয়ে যেতে হত। এ রাস্তা মাস্টারপাড়ার কমন রাস্তা, লোক, আর সাইকেল মোটামুটি চলে, রিকশা কালেভদ্রে। ঐ যে টানা ক্লাসরুম, তার পাশেই একটা জল টলটলে মস্ত পুকুর।

    কোথাও কোনো বাউন্ডারি ওয়াল বা গেট ফেটের বালাই নেই।
  • kd | ২২ জুলাই ২০১২ ১৬:৫৮25498
  • ব্যাঙ, তুমি যা বলার মুখের ওপর বলো, কোন ভণিতা করো না। আমার এটা খুব ভালো লাগে

    কাব্লিদা, আমি ভণিতা কোথায় করলাম! মুখের উপরেই তো বললাম কত কিছু।
    ============

    দেকলে দেকলে, সক্কলে দেকলে তো! ব্যাঙ পুরা উল্টা বুঝিলা। ঃ)
  • kd | ২২ জুলাই ২০১২ ১৬:৪৭25497
  • ব্যাঙ, এই তো! এটা তো অনেক বেটার কনসেপ্ট - আফটার স্কুল টিউটোরিয়াল। এতে মাস্টারেরা ঠিকমত জেনে যাচ্ছেন অ্যাকচুয়াল ফিল্ডে কাদের কেমন অ্যাডজাস্টমেন্ট দরকার - আর সেইমতো গাইড করতে পারছেন। আর অনেক তাড়াতাড়িই বাচ্ছারা সকলের সঙ্গে ব্লেন্ড ইন করতে পারছে।

    আসলে আমার নিজের তো কোন অভিজ্ঞতাই নেই, সবই এদিক ওদিক শুনে জানা।

    একটা প্রশ্ন। উঁচু ক্লাসেই মানে টীনএজ লেভেলেই ইস্যু হতে পারে। এইট-নাইনের ছেলেদের পকেটে (আশে পাশে যা দেখি) দু'তিন হাজার টাকা থাকা কোন ব্যাপার না। এই পরিস্থিতিতে এই বাচ্ছাদের (যাদের বাবার/মার রোজগারই হয়তো তেমন) কী করে অ্যাডজাস্ট করতে শেখানো যায়। (আমাদের সময়ে বাচ্ছাদের হাতে বেশী পয়সা দেওয়ার তেমন রীতি ছিলো না, বড়লোকেদেরও)।
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৬:৪২25496
  • আর কাল কে যেন লিখল না, স্কুলের পুরনো টিচাররা আক্ষেপ করেন এখনকার ছাতীরা আগেকার ছাত্রীদের মতন নয়!
    তো এটা আমি আমাদের স্কুলে এত দেখেছি, আমরা যখন ছোট ছিলাম পাশ করে যাওয়া কলেজে পড়া অথবা চাকরি করা দিদিরা হয়তো এল দিদিমণিদের সাথে দেখা করতে, প্রণাম করতে, অম্নি দিদিমণিরা খুশিতে জ্বলজ্বল করতেন আর তাদের কাছে আক্ষেপ জানাতেন যে তারা কত ভালো ছিল আর আমরা কত খারাপ।
    আমরা যখন বড় হয়ে দেখা করতে যেতাম, আমাদের দেখিয়ে এখনকার ছাত্রীদের বলা হল আমরা কত ভালো ছিলাম, আর তারা কত খারাপ।
    ঃ-))
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৬:৩৭25495
  • আর এই স্কুলে ডিসিপ্লিনের ব্যাপারটা আজ অব্দি আমার মাথায় ঢোকে নি। আমাদের স্কুলে ডিসিপ্লিনের বড্ড বাড়াবাড়ি ছিল। এখন ভাবলে এত হাসি পায়! কয়েকটা নমুনা দিই।
    ১) ক্লাসে টিচার না থাকলে চুপ করে ডেস্কের উপর মাথা রেখে বসে থাকতে হবে।
    ২) একান্তই যদি কারুর ডেস্কের উপর মাথা রেখে শুতে আপত্তি থাকে সে সোজা হয়ে বসে থাকতে পারে, কিন্তু মুখে আঙুল দিয়ে বসতে হবে।
    ৩) অ্যাসেম্বলির পর লাইন করে ক্লাসে যেতে হবে, লাইন করে যাওয়ার সময়ে কথা বলা যাবে না, একে অপরের দিকে তাকিয়ে হাসা যাবে না।
    ৪) সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামার সময়ে জুতোর আওয়াজ করা যাবে না। পা টিপে টিপে সাবধানে যেতে হবে।
    ৫) শুধু থার্ড এবং সেভেন্থ পিরিয়ডে বাথরুমে যাওয়া যাবে। ফার্স্ট, ফোর্থ, ফিফ্থ আর এইটথ পিরিয়ডে তো বাথরুমে যাওয়া জাবেই না, জলও খাওয়া যাবে না। যুক্তিটাও ভারি মজার ছিল। ফার্স্ত পিরিয়ডে সোজা বাড়ি থেকে আসছ। ফার্স্ট পিরিয়ডে তাই জল এবং বাথরুম যাওয়া কোনোটারই দরকার হতে পারে না। সেকেন পিরিয়ডে জল তেষ্টা পেলেও পেতে পারে, কিন্তু তয়লেট অত তাড়াতাড়ি পায় না। তাই বসে থাক। থার্ড পিরিয়ডে দুটৈ করা যেতে পারে। ফোর্থ পিরিয়ডে কোনোটাই করা যাবে না। কারণ একটু বাদেই টিফিনটাইম। ঐটুকু সহ্য শক্তি থাকা উচিৎ। ফিপ্থ পিরিয়ডে যথারীতি টিফিনের পরের ক্লাস তাই টিফিনের সময়েই ঐ দুটো প্রয়োজন সেরে নেওয়া উচিৎ। তাই ফিফ্থ পিরিয়ডে কোনো কিছুই পেতে পারে না। সিক্স্থ পিরিয়ডে বাথরুম পেতে পারে না, কিন্তু জলতেষ্টা পেতেই পারে। সেভেন্থ প্রিয়ডে দুটৈ পেতে পারে, আর যেতেও পার। কিন্তু এইট্থ পিরিয়ডে চুপ করে বসে থাক। এক্ষুনি তো ছুটি হয়ে যাবে। পরে এই নিয়ম রিভাইজ করে সেন্ড আর থার্ড পিরিয়ডের মাঝখানে পাঁচ মিনিটের ব্রেক দেওয়া হত। আর সিক্স্থ আর সেভেন্থ পিরিয়ডের মাঝখানে পাঁচ মিনিটের ব্রেক। কিছু কিছু দিদিমণি অবশ্য আমাদের অসুবিধে বুঝতেন ফোর্থ বা সেকেন্ড পিরিয়ডেও যেতে দিতেন। অথবা সিক্স্থ আর এইটথ পিরিয়ডেও।
    ৬) চুলে একটি ঝুঁটি বা একটি বেনী বাঁধা যাবে না। দুইদিকে দুই ঝুঁটি বা দুইবেণী বাঁধতে হবে। বিনুনির নীচের দিকটা বেশি ছেড়ে রাখা যাবে না। কলাবিনুনি বেশি প্রেফারেবল।
    ৭) স্কার্ট হাঁটুর নীচে দুই ইঞ্চি থাকবে।
    ৮) মোজা হাঁটু অব্দি উঠতে হবে।
    এগুলোয় কার কী লাভ হয়েছে জানি না।
  • | ২২ জুলাই ২০১২ ১৬:২৮25494
  • তিনক্লাস থেকে দশক্লাস অবধি যে স্কুলটায় আমি পড়েছি, তার ঠিক পাশেই ছিল একটা ভাগাড়৷ জায়গাটা টিনের দেওয়াল দিয়ে ঘেরা, আশেপাশের গাছগুলোতে বসে থাকত অজস্র শকুন৷ একটা বসতবাড়ীও ছিল কাছেই৷ দু চারটে শকুন সেই বাড়ীটার বারান্দায় বা ছাদেও বসত আর আমরা অবাক হয়ে বলাবলি করতাম ঐ বাড়ীর লোকেরা থাকে কেমন করে ওখানে? আর কীভাবেই বা ওরকম একটা জায়গায় জমি কিনে বাড়ী বানাবার কথা ভাবতে পারল!! কোন্নগর, আমাদের ছোট্ট মফস্বলে তখনও কিছু বাড়ীতে খাটা পায়খানা ছিল, আর পৌরসভা সেইসব বাড়ী থেকে টিনের ট্যাঙ্কার ধরণের গাড়ি করে পুরীষ সংগ্রহ করে এনে ঐ ভাগাড়ে ফেলত৷ এছাড়াও সারা কোন্নগরের যত মৃত জন্তুজানোয়ারও ফেলা হত ওখানে৷ আমাদের ছিল মর্নিং স্কুল৷ সাড়ে দশটায় যখন স্কুল ছুটি হত, তখনই বর্জ্য সংগ্রহ করে গাড়িগুলো ফেরত আসত৷ তাদের কারো কারো আবার ঢাকনি ভেঙে যাওয়ায় মুখটা খোলা৷ হরিদ্রাবর্ণের বিভিন্ন শেড ও বিভিন্ন ঘনত্বের তরল, অর্ধতরল গড়িয়ে আসার দৃশ্য খুবই সুলভ ছিল৷ প্রথমদিন ঐ স্কুলে যাওয়ার অভিজ্ঞতাটা ভয়ংকর৷ আকাশ বাতাস আমোদিত করা সেই গন্ধের থাপ্পড় যে না খেয়েছে, সে বুঝবে না সে কি বীভৎস! এরকম গন্ধকেই নিশ্চয়ই শাস্ত্রে টাস্ত্রে পুতিগন্ধ বলে৷ এক দেড়মাস পর থেকে অবশ্য উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে হাওয়া না দিলে গন্ধ আর তেমন করে টের পেতাম না৷ স্কুলের এক শিক্ষিকা প্রায়ই বলতেন স্বর্গে তাঁর জন্য স্পেশাল ব্যবস্থা হচ্ছে --- স্রেফ মরার অপেক্ষা৷ কারণ এতদীর্ঘ নরকবাসের পর স্বর্গ ছাড়া আর কোথায়ওই তিনি যেতে পারেন না৷

    ঐ ভাগাড়ের গন্ধটা আজও ছাড়তে চায় না আমাকে৷ মাঝে মাঝেই নাকে ফিরে আসে৷ কি যেন একটা অসুখ আছে না হঠাৎ হঠাৎ নাকে কোনও একটা গন্ধ এসে লাগে, যেটা হয়ত তখন সেখানে পাওয়ার কথাই না৷ কথা হল স্কুল কর্তৃপক্ষ ঐখানেই বা স্কুলটা স্থাপন করেছিলেন কেন কে জানে! ঐ ভাগাড় উঠিয়ে দেওয়ার জন্যও তাঁরা বিশেষ চেষ্টা করেন নি কখনওই৷ একই স্কুল বাড়ীতে সকালে একটি মেয়েদের ও একটি ছেলেদের প্রাইমারি স্কুল, মেয়ে দের একটি জুনিয়র হাই স্কুল (অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত) ও একটি হাই স্কুল হত৷ দুপুরে ছেলেদের একটি হাই স্কুল হত৷ তো এই এতগুলি স্কুল মিলিয়ে প্রতিদিন ছাত্রছাত্রীসংখ্যা কখনওই ৭০০ থেকে ৭৫০ র কম হত না৷ এই ৭০০-৭৫০ ছেলেমেয়ে প্রতিদিন বিদ্যালাভের সাথে সাথে গন্ধ সম্পর্কে সহনশীল হতেও শিখত৷ এই স্কুলগুলি অবশ্য কোন্নগরের ভাল স্কুলগুলির তালিকায় ছিল না৷ বিশেষত সকালের স্কুলগুলিতে প্রচুর প্রথম বা দ্বিতীয় প্রজন্মের পড়ুয়া থাকত৷ স্কুল ড্রপ-আউটের সংখ্যাও যথেষ্ট৷ তবে ড্রপ-আউটের ফলেও ছাত্রীসংখ্যা খুব একটা কমত না, কারণ অন্যান্য ভাল স্কুলগুলিতে একই ক্লাসে একাধিকবার অকৃতকার্য হওয়া ছাত্রীরা প্রায়ই এসে ক্লাস ভরিয়ে তুলত৷ তার ফলে কোন্নগরের সাধারণ লোকের এই স্কুলগুলি সম্পর্কে একটা তাচ্ছিল্যের মনোভাবই ছিল৷ শুধু বাইরের লোক নয়, শিক্ষক, শিক্ষিকারাও একইরকম তাচ্ছিল্যের মনোভাব দেখাতেন৷ সম্ভবত: এইজন্যই ভাগাড় ওঠানোর চেষ্টা তেমনভাবে করা হয় নি৷ বরং স্কুলটি আরও ভালভাবে 'ভাগাড়পাড়ার স্কুল' নামে পরিচিতি লাভ করেছে৷
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৬:১৯25493
  • কাব্লিদা, আমি ভণিতা কোথায় করলাম! মুখের উপরেই তো বললাম কত কিছু। আপত্তি আছে, চোখে লাগল। আর কী বলব! যা যা কিছুতে আপত্তি আছে সেগুলো তো বললাম-ই। আর নতুন কোনো আপত্তি এখনো হয় নি। হলেই বলব।
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৬:১৭25492
  • দুচ্ছাই নীচের ৪ঃ১৫র পোস্টটা আমার।
  • kd | ২২ জুলাই ২০১২ ১৬:১৬25491
  • ব্যাঙ, তুমি যা বলার মুখের ওপর বলো, কোন ভণিতা করো না। আমার এটা খুব ভালো লাগে - আমি পরিষ্কার বুঝতে পারি ভুল/অন্যায়টা কোথায় করেছি (বা আদৌ তেমন কিছু করেছি কি না)।

    "ব্যঙ্গ" শব্দটি অ্যাপ্রোপ্রিয়েট নয়, লেখার সময়েই মনে হয়েছিলো - তখন ঠিক প্রতিশব্দ মনে আসেনি - পোস্টের আগে ঠিকঠাক করে দেবো - হয় নি। এখনও মনে পড়ছে না। তবে এমন কিছু, যেটা আমার পছন্দ হয়নি।

    আর পাইএর ব্যাপারে যা লিখেছি, তা তোমার চোখে লাগাতে দুঃখিত। কিন্তু যা লিখেছি মন থেকে লিখেছি - পাই বলেই লিখেছি - অন্য তর্কে ওকে একইরকম ভিক্টিমাইজড হতে দেখে ব্যথা পেয়েছি - তার কাছ থেকেই ঠিক এমনটি আশা করিনি।
    তবুও, হয়তো আমার এখন ক্ষমা চেয়ে নেওয়াটাই ঠিক হবে।
  • aamaader klaaseo Jadio ekajana | ২২ জুলাই ২০১২ ১৬:১৫25489
  • আমাদের ক্লাসে যদিও একজনও এই ধরণের স্টুডেন্ট ছিল না। কিন্তু আমাদের স্কুলে একটা নাইট স্কুল ছিল, যেখানে সারাদিন লোকের বাড়িতে খেটে খাওয়া বিভিন্ন বয়সের মেয়েরা পড়তে আসত। আমাদের ক্লাস সিক্স থেকেই উৎসাহিত করা হত, আমরা যাতে ছুটির পর এক ঘন্টা এদের দিই, চারটে থেকে পাঁচটা, এদের আগের দিনের হোমওয়ার্ক শেষ করতে, পড়া বুঝতে সাহায্য করি। তো সেই ক্লাস সিক্স থেকেই এদের দেখে, পড়িয়ে আমার ধারণা, এরা ক্লাসরুম বিহেভিয়ার, ডিসিপ্লিন ইত্যাদি আমাদের থেকে অনেক ভালো জানে।
    পড়ে বড় হয়ে কিছুদিন আমি ভবানীপুরের খালসা স্কুলে পড়িয়েছিলাম। সেখানে বহু ছাত্রছাত্রী ছিল যারা অত্যন্ত গরীবঘরের ছেলেমেয়ে, কেউ কেউ আবার স্কুলের ফাঁকে জগুবাবুর বাজারে জিনিসপত্র তোলা-নামানোর কাজ করত। কেউ সকালবেলায় লোকের বাড়ি বাড়ি খবরের কাগজ বিলি করে স্কুলে আসত। তো এদেরকে পড়াতে গিয়ে দেখেছিলাম এদের ক্লাসে বিশৃঙ্খলার যে অভিযোগ কিছু কিছু টিচাররা করতেন, তা সেইসব টিচারদেরই দোষ। কারণ সেই সব টিচাররা হাত চালানো বা ছড়ি চালানোর মত সহজতম পথটি বেছে নিতে বেশি আগ্রহী ছিলেন। আমার মতন কমবয়সী টিচারদেরও পরামর্শ দিতেন, কেউ বাড়াবাড়ি করলেই তাদের চড়থাপ্পড় দিতে। কিন্তু অদ্ভুত ব্যাপার দেখতাম, আমি বা অন্তরা আমরা ক্লাস নিতে ঢুকলেই কেমন ম্যাজিকের মতন সব্বাই লক্ষ্মী হয়ে বসত, পড়া বুঝতেও তাদের কী আগ্রহ! তা খালসা স্কুল যে অসম্ভব ভালো স্কুল, খুব ডিসিপ্লিনের বহর সেখানে, এমন কথা কেউ বলবে না। কিন্তু আমি হলফ করে বলতে পারি ঐসব ছেলেমেয়েদের যদি ক্যাল্কাটা বয়েজ বা গার্ল্সে নিয়ে গিয়েও বসিয়ে দেওয়া হত, ইংরেজি বুঝতে অসুবিধে হওয়া ছাড়া আর কোনো ব্যাপারেই তাদের মানিয়ে নিতে অসুবিধে হত না।
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ১৬:১৫25490
  • হুঁ।
  • | ২২ জুলাই ২০১২ ১৬:১৩25488
  • আচ্ছা চন্দ্রিল কোন স্কুলে পড়ত? নরেন্দ্রপুর? আজকের লেখাটা পড়ে .......
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ১৬:১১25487
  • ব্যাঙের 4:03 PM-এর পোস্টে ক। আমার বুঝতে ভুল হয়েছিল। লংটার্ম সেপারেট ক্লাস জাতীয় ডিস্ক্রিকিমেশনের পক্ষপাতী একেবারেই নই। ডেফিসিয়েন্সি থাকলে এদের ওয়ান টাইম ট্রেনিং ওরিয়েন্টেশন ইত্যাদি অব্দি ঠিক আছে।

    যাগ্গে, আমি এই কনভোলুটেড আলোচনা থেকে রিটায়ার করলাম। প্রচুর পড়াশোনা বাকি।
  • | ২২ জুলাই ২০১২ ১৬:১০25486
  • কেসি, দশটা কেন, সুনীল গাঙ্গুর ১৫-২০ টা বইয়ের নাম অনায়াসেই বলে দেওয়া যাবে। সে এমন কোনও সমস্যা নয়। কিন্তু আমি তো তুলনা করতে বসি নি।

    হু-অঅ আমাকে ভাবায় নি। কি করব!
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৬:০৩25485
  • ক্লাসরুম, ডিসিপ্লিন, ম্যানার্স এসব শেখানোর জন্য আলাদা ক্লাস নেওয়ার কোনো দরকারই নেই। অন্ততঃ আমার অভিজ্ঞতা তাই বলে।
    যারা আলাদা ক্লাসে বসিয়ে এদের ক্লাস নেওয়ার পক্ষে যুক্তি খুঁজছেন, তাদের যদি এটা যুক্তি হয়ে থাকে যে এরা যতদিন না অন্য বাচ্চাদের মতন হয়ে উঠবে ততদিন এরা অন্য বাচ্চাদের সাথে এক ক্লাসে বসলে অন্য বাচ্চাদের এবং এদের অসুবিধে হবে, যেহেতু এরা ক্লাসরুম বিহেভিয়ার জানে না, তাহলে বলি এর থেকে অক্ষম যুক্তি আর হয় না। এদের আলাদা ক্লাসে বসিয়ে অন্যদের সমকক্ষ করে তোলার চেষ্টার মানে হল এদের এবং অন্যদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখানো যে এরা আলাদা, এরা ভদ্রসভ্যভাবে চলতে জানে না। এরা পাড়াশুনায়, ইংরেজি বলায় অন্যদের থেকে পিছিয়ে থাকতেই পারে, তার জন্য টিচারদের উচিৎ এদের আফটার ক্লাস টিউটোরিয়ালের বন্দোবস্ত করা। কিন্তু স্কুল আওয়ার্সে এদের আলাদা ক্লাস নেওয়াটা মানতে পারলাম না।
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ১৫:৫৮25484
  • কাব্লিদা, একমত। সব সমস্যার সমাধান ওভারনাইট হয় না। প্রায়োরিটি বলে একটা ব্যপার আছে।
  • kd | ২২ জুলাই ২০১২ ১৫:৫০25483
  • প্পন, থ্যান্ক্‌স। খুব সুন্দর করে ইস্যুটি বোঝানোর জন্যে। এটা আমার দরকার ছিলো।

    মুশকিল হচ্ছে এখানকার সব আলোচনাই আর "আলোচনা" থাকে না, টন্টিং কম্পিটিশনে গিয়ে দাঁড়ায়। ঠিকমত আলোচনা থেকে নতুন কিছু শেখার জায়গায় "আমি যে ঠিক" সেটা এস্ট্যাবলিশ করাই প্রাইমারি (অ্যাকচুয়ালি ওনলি) গোল হয়ে ওঠে - কে কত লিংক দিতে পারে (যেন লিংকে আছে বলেই সেটা ঠিক - সিগারেট খাওয়ার উপকারিতা নিয়েও বেশ কিছু লিংক পাওয়া যাবে)।

    একটা প্রশ্ন। কোন কোন ইস্কুলে নাকি এই আর্টিই ছাত্রছাত্রীদের আলাদা ক্লাস নেওয়া হয় আর তাতে কেউ কেউ আপত্তি জানিয়েছেন। কারণটা ঠিক বুঝলুম না (যদি না ডিস্ক্রিমিনেশনই একমাত্র উদ্দেশ্য হয়)। এমন তো হতেই পারে এই বাচ্ছাগুলো এতদিন যেমন শিক্ষা পেয়ে এসেছে, সেখান থেকে এদের বাকি ক্লাসের সঙ্গে synch করানোর জন্যেই করা হচ্ছে - শুধু লেখাপড়া না, ক্লাসরুম বিহেভিয়ার, ম্যানার্স, ডিসিপ্লিন এ'সবও - যাতে এরা পরের ক্লাসে উঠে সীমলেসলি বাকিদের সঙ্গে মিশে যেতে পারে। নীচু ক্লাসে তেমন অসুবিধে না হ'লেও উঁচু ক্লাসে তো দরকারই, তাই না।
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৫:৩৪25482
  • কিকির যদি মনেও হয়ে থাকে, যে কেউ কিকিকে ভুল বুঝেছে, সেক্ষেত্রেও প্পন এবং আরো কেউ কেউ অক্ষ, স্যান, পাই, প্রায় সবাইই আরেকটু ব্যাখা করে তাদের উদ্দেশ্য যে ব্যঙ্গ করা নয়, সেটা বুঝিয়েই লিখিয়েছিল। তারপর এইভাবে অভিযোগের আঙুল তোলাটা খুব চোখে লাগল। বিশেষ করে পাইকে যা বলা হল সেটা।
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৫:৩১25481
  • *বহু ছাত্রীকে ছেঁটে ফেলা হত। আমার ৩ঃ২৮এর পোস্ট।
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৫:৩০25480
  • কাবলিদা, সত্যিই কি কেউ কিকিকে ব্যঙ্গ করেছে! আমার কেন জানি না, একটা পোস্ট পড়েও সেটা মনে হল না। আপনার ৩ঃ২৩য়ের পোস্টে অনেক আপত্তি জানালাম।
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৫:২৮25479
  • পাই, এক সেকশনে পঞ্চাশ-পঞ্চান্ন বেশি তো বটেই। কিন্তু কী আর করা! আমার স্কুলেই এক সেকশনে পঞ্চাশজন থাকত। আমার রোল নম্বর কখনো আট্চল্লিশের উপরে ওঠে নি। শুধু ক্লাস নাইনে উঠে এক ঝটকায় অনেক এগিয়ে এসেছিল রোল নম্বর, কারণ স্ক্রীনীংয়ের দৌলতে এইট থেকে নাইনে ওঠার সময়ে অভু ছাত্রীকে ছেঁটে ফেলা হত আমাদের স্কুলে।
  • kd | ২২ জুলাই ২০১২ ১৫:২৩25478
  • "ছোটলোকের বাচ্চা" অনেকেরই বেশ পছন্দ হয়েছে দেখছি। এই এপিসোডে কিকি প্রথম এটা ব্যবহার করেছিলো আর সেই সঙ্গেই ওর ডেফিনিশন অফ "ছোটলোক" বুঝিয়ে দিয়েছিলো। কিন্তু ইচ্ছার্থে বা অনিচ্ছার্থে অনেকেই ওইটি মেনে নেননি আর নিজেদের তৈরী ডেফিনিশনে কিকিকে ব্যঙ্গ করেছেন।
    এতদিন দেখে এসেছি পাইদিদিকে এই টেকনিকের রেগুলার ভিক্টিম হতে। সত্যিই আশ্চর্য্য হলুম পাইও শেষ পর্যন্ত এই টেকনিক অ্যাডাপ্ট করে নিলো। ঠিকই বলে when you can't beat'em, join'em ঃ)
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ১৫:১৮25477
  • কাব্লিদা, আমার পয়েন্টটা ছিল কর্পোরেট হাউজ যখন কনসেশন পেয়ে অপারেশন শুরু করে তখন তার সামাজিক দায় একেবারেই থাকে না বলা চলে না। এইটা ডিপিএস থেকে শুরু করে ইনফি সবার জন্যই সত্যি। প্রশ্ন হল এখন কতটা তাদের দাক্ষিণ্যের উপর নির্ভর করে থাকব আর কতটা আইনের মাধ্যমে আদায় করব (পলিসিমেকারদের তরফে)।

    যেটুকু মিডিয়ায় চোখে পড়েছে যে বহু জায়গায় সরকারি স্কুল না থাকলেও বেসরকারি স্কুল আছে এবং সরকার নতুন স্কুল বানানো এবং পরিচালনা করার মত অবস্থায় নেই। সেই হিসেবে RTE প্রাসঙ্গিকতা পায় এবং যেহেতু একটা বেসরকারি স্কুলের সাথে অন্য স্কুলের ডিস্ক্রিমিনেশন করা যায় না (এই গ্রাউন্ডে) তো ইমপ্লিমেন্টেশনটা ইউনিফর্মলি হওয়াই উচিত।

    মিশনারি স্কুলগুলো নিয়েও ঝামেলা হ্যাজ, যেখানে ধর্মের বেসিসে সংরক্ষণের ব্যপার থাকে। সেইটা অন্য গল্প হলেও মেজর চ্যালেঞ্জ কোন কোন স্টেটে (তামিলনাড়ুতে আমি জানি)।

    এইবার এর পক্ষে বিপক্ষে তো যুক্তি তক্কো গপ্পো চলবেই। যাতে সবার কাছে না হোক, মেজরিটির কাছে একটা গ্রহণযোগ্য সমাধান বেরোয়। পুরোটাই আইটারেটিভ, কোন বিগ ব্যাং অ্যাপ্রোচ ফলো করা যায় না। সেটাই স্বাভাবিক।

    ব্যস, আর কিছু বলার নেই। ঃ)
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৫:১৫25476
  • পাই, ঋভু বা ঋভুর অনেক বন্ধুরা জানে না বলেই আমার ধারণা। আর আমি যে জানি, সেটা তাদের বাবা-মাদের দেখে জানি, তারা স্কুল বাসের খরচা অ্যাফোর্ড করতে পারে না, তাদের বাবা-মাদেরই তাদের দেওয়ানেওয়া করতে দেখেছি, বা পেরেন্ট-টিচার মিটিংয়ের সময় দেখেছি, আলাপ হয়েছে। আর ঋভুর যেসব বন্ধুরা জানে তারা কারা, সেটা তাদের বাবা-মারাই তাদের জানিয়েছে বলে আমার ধারণা।
  • kd | ২২ জুলাই ২০১২ ১৫:০৩25475
  • প্পন, আমি এদেশের কোন সিস্টেমই জানি না আর এখন তো জানার প্রয়োজনও নেই। আমি এখানে আর কাগজে এই "বেসরকারি আনেডেড" পড়ে যা বুঝেছি তা লিখেছি।

    আর অন্যদিক থেকে দেখতে হ'লে তেমন ভাবে "এডেড" তো প্রায় সকলেই - মানে বেশীরভাগই তো সাবসিডাইজড এডুকেশনেই বড় হয়ে রোজগারপাতি করছে।

    দ্বিতীয় প্যারাটা জাস্ট তক্কো করার জন্যে লেখা - ইগনোর করতে পারো।

    পাইদিদি, আমি কাউকেই মহান-টহান ভাবি না। তবে "এই করা উচিত, তাই করা উচিত" যারা বলে, তাদের কথা শুনতে অসোয়াস্তি হয়। আর যারা বলে "এটা নিজে করেছি" তাদের কথা শুনতে ভালো লাগে। তাই কল্লোল/রঞ্জনের কথা শুন্তে/পড়তে ভালো লাগে, বোঝার চেষ্টা করি আর পিটির কথা পুরো বকওয়াস মনে হয়।

    আদর্শ আর পাঁচ টাকা দিলে আমাদের রাস্তার মোড়ে এক ভাঁড় চা পাওয়া যায়।
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ১৪:৪৬25474
  • আর প্পনের উত্তরেঃ
    Under a policy to encourage private participation in schools and improving the quality of education, the state government has followed a policy of allotting lands at concessional lease rents to institutions. A majority of the unaided institutions have been allotted lands under the policy. The lease rents of many among these run into 99 years and above. "It would be unfair to bill these concessional rents as a benefit and deny grants to schools," a senior education department official said. এটাও মহারাষ্ট্রের কথা বল্লাম। অন্য রাজ্যেও বোধহয় এরকম ই কিছু। আনএইডেড হলেও সরকারের থেকে জমি জমা সংক্রান্ত কনসেশন পেয়ে থাকে। তবে এই RTE র জন্য রি ইন্বার্সমেন্টে সেটার জন্যেও কিছু কাটছে না ঃ)

    তাই, ঐ সব স্কুলের ফাইনান্শিয়ালি বিন্দুমাত্তর ক্ষতি টতি হচ্ছে না। 'এলিট' তকমাটায় আঁচড় লাগাই একমাত্র ক্ষতি।
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ১৪:৪২25473
  • ব্যাংদি, তাহলে RTE হলে ওদের স্কুলেও ওরকম আরো বাচ্চা আসবে। ২৫% তো। কিন্তু এক্ষেত্রে রিভু বা তোমরা জানো কীকরে, ওরা কারা ?

    একটা সেকশনে ৫৫ তো বেশ বেশি। মানে অত ভাল স্কুলের তুলনায়। এই বিলে তো এই রেশিও ও ইম্প্রুভ করার কথা বলেছে। ১ঃ৪০ বোধহয় টার্গেট।
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ১৪:৩৯25472
  • এরপরে স্কুলগুলোর আপত্তি, অভিভাবকদেরও, মূলতঃ ঐ ছোটলোকের বাচ্ছা একসাথে পড়া নিয়েই। মামু লিবারাল লোকজনের ভাবনা নিয়েই, তাদের ক্যামোফ্লেজ করা নিয়ে এত চিন্তিত, কিন্তু এই ভাবনাগুলো নিয়ে ? ঃ)
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ১৪:৩৫25471
  • আর হ্যাঁ।

    The RTE Act stipulates that unaided schools shall be reimbursed monetarily, but the amount will be on par with the per-child-expenditure incurred by the state in aided, government and semi-government schools or the "actuals charged for a student", whichever is less.

    সদা, এবারও আপত্তি আছে ? ঃ)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত