এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ১৪:৩৪25469
  • Private unaided schools providing free and compulsory education to marginalized sections under the Right to Education (RTE) Act might have to absorb most of the financial burden initially. The state government has plans to pay the reimbursement amount to schools in two instalments: The first in July, and the second only at the end of an academic year in April. এটা মহারাষ্ট্রের কথা। বাকিদেরগুও দেখতে হবে।
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ১৪:৩৪25470
  • না, প্রশ্নটা তোমাকে করিনি। এমনিই হাওয়ায় ভাসিয়ে দিয়েছি।
  • kc | ২২ জুলাই ২০১২ ১৪:৩৩25467
  • আবহাওয়া ভারী হয়ে আছে। এই আবহাওয়াতে গান ধরেন গো সুধীজনেরা,

    কাল সে পেহলে বহি থা...
    কাল কে বাদ বহি
    যানে কিতনি সদিঁয়োন সে ...
    লে রাহা ওহ তেরি
    তেরি... তেরি...
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ১৪:৩৩25468
  • খুব ভাল কর ঃ) কিন্তু বাঙালী মা বাবা তাহলে স্কুলেও ঐ বাচ্ছার সাথে মিশতে বারণ করবেন নিগ্ঘাত।

    এই RTE নিয়ে এইটা আরেক সমস্যা লাগছে। এই সমস্ত স্কুলের বাজনার দাম মেটাতে ঐ লোকজনকে না মনসা বিকোতে হয়।

    যাইহোক, তাহলে এই ছেলেপুলেদের কুঁকড়ে থাকা নিয়ে মামুর যে বক্তব্য ছিল, মানে এটা নিয়ে মূল ড্রব্যাক যেটা মনে হয়েছিল, সেটা হয়তো অত চিন্তার নাও হতে পারে।

    মামুকে আরেকটা কথা। আমাদের আগের সময়, গ্রামের সিস্টেম কী মহান ছিল, সেটা বক্তব্য ছিল না। কিন্তু সেটার থেকে এখন যা হয়েছে (এই রেস্পেক্টে), আরো খারাপ হয়েছে, এটাই বক্তব্য ছিল। RTE আসলে সেই খারাপটা একটু কমতে পারে, এটাও মনে হয়েছে। আর আগের সিস্টেমে যেখানে বিচ্ছিন্নভাবে এগুলো হয়েছে, অ্যানেকডোটস বলছে, তা কোথাও কোথাও ভালোই করেছে, তোমার অভিজ্ঞতার মত কোথাও ভাল কিছু করেনি। কিন্তু খারাপ কিছুও কি করেছে ? মানে দুষ্টু গরু তো আর নউয়। আর, ওটা না হলে অন্য কী বা হত ? ওটার বিকল্প তো ছিল নাই মামা ঃ)

    আমার তো মনে হয় এই RTE র এক বছরের অভিজ্ঞতা নিয়ে কিছু কাজ হওয়া উচিত। কোথায় কোথায় কীরকম হচ্ছে, কী সুবিধা অসুবিধা, সেগুলো মিডিয়াতে ভাল করে আসা উচিত। সেসবের উপর ভিত্তি করে কী করিতে হইবে ভাবা উচিত।
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৪:৩০25466
  • প্পন, প্রশ্নটা কি আমাকে করলি? বুঝলাম না। তাও সর্দারি করে উত্তরটা দিই। ঋভুদের স্কুলটা তো প্রায় একশোপঁচাত্তর বছরেরও বেশি পুরানো। তখন কী সুবিধে পেয়েছিল আমি জানি না।
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৪:২৭25465
  • পাই, ওর অ্যাডমিশনের আগে যখন স্কুলে গেছিলাম তখন দেখেছিলাম কোনো ক্লাসে এ, বি থেকে শুরু করে আই অব্দি সেকশন, আর প্রতিটি সেকশনে ষাট থেকে পঁয়ষট্টি করে বাচ্চা। ওদের বছরে নতুন প্রিন্সিপাল কমিয়ে আটটি সেকশন করলেন মানে এইচ অব্দি, আর প্রতিটা ক্লাসে পঞ্চাশের বেশি বাচ্চা ভর্তি করতে দিলেন না। তারপর তো ওনাকে চলে যেতে বাধ্য করা হল চারবছরের মাথায়, যেহেতু উনি টাকা নেওয়া ইত্যাদি বন্ধ করেছিলেন কড়া হাতে। এখন দেখছি আবার বাচ্চা বাড়ছে ঋভুদের সেকশনে এখন পঞ্চান্নটি ছেলে। অন্য সেকশনগুলিতেও তাই।
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ১৪:২৪25464
  • বেসরকারি আনেডেড স্কুল বিজনেস শুরু করার সময় সরকারের থেকে সাহায্য পায় না? কম দামে জমি/ট্যাক্স হলিডে ইত্যাদি?
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৪:১৯25463
  • পাই, আমি তো তাদের কুঁকড়ে থাকতে দেখি না। সবাই মিলে মিলেমিশেই খেলে, ঝগড়া করে, মারামারি করে ইত্যাদি।
    তবে তাদের বাবা-মারা কী করে ইউনিফর্ম, বইয়ের খরচা জোগান সেটা আমার কাছেও প্রশ্ন। এই বছর ঋভুর তিন সেট ইউনিফর্ম কিনতে সাড়ে পাঁচহাজার টাকা লেগেছে আমাদের। তো ওদের বাবা-মারা কী করে আমি জানি না। জিজ্ঞেস করতেও তো পারি না। তারপর একটুভেবে নিজেই উত্তরটা পাই, আমি তো আমার বাড়ির কাজের লোককে প্রতি বছর নতুন ক্লাসে ওঠার সময়ে দুই-তিনহাজার টাকা দিয়ে থাকি, আরো অন্যান্য বাড়িতে যেখানে কাজ করে তারাও দিয়ে থাকেন, এভাবেই হয়তো হয়।
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৪:১৪25462
  • তবে পাই, একবার ঋভুর জন্মদিনে ঋভুর এক বন্ধু ও তার বাবা-মাকে ডেকে ঋভুর ক্লাসেরই অন্য কিছু বাঙালী বাবা-মাকে অসন্তুষ্ট করে ফেলেছিলাম। খোলাপাতা হলেও একটু লিখি ঐসব বাঙালী বাবামায়ের ব্যাপারে। ঐ সব বাবা-মায়েরা অধিকাংশই ছিলেন উচ্চশিক্ষিত। এমবিএ, এমটেক, সিএ ইত্যাদি ডিগ্রি নিয়ে আমেরিকাজাপান-সিঙ্গাপুরে বাস করে আসা বাবা-মা।
    এই স্কুলে ঋভুর প্রথম বন্ধুটি ছিল খ্রীশ্চান তামিল। তার মায়ের সঙ্গে প্রথম যেদিন কথা বলি, তার মা খুব খুশি হয়ে বলেছিল "এই প্রথম আমার কোনো বাঙালী বন্ধু হল। জানো তো আমি অনেক বাংলা সিনেমা দেখেছি, সেই যে রোব্বার দুপুরে ইংরেজি সাবটাইটেল দিয়ে সিনেমা দেখাত টিভিতে! সেই দেখে দেখেই ইংরেজি শিখেছিলাম একটু আধটু জানো তো?" তারপর সে হুড়মুড়িয়ে সিনেমা দেখার দিনগুলোর স্মৃতিচারণ করে তার থেকে জানতে পারি, সে বড় হয়েছে এক অনাথ আশ্রমে, বাবা-মা খুব দরিদ্র হওয়ায় তাদের ভাই-বোনদের খরচ চালাতে না পারায় তাদের পাঠিয়ে দিয়েছিলেন এক অনাথ আশ্রমে, সেখানে থেকেই সে স্কুল-কলেজের পড়া শেষ করে। তাকে কোন বাংলা সিনেমা সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে জিজ্ঞেস করে আমি ভাবছিলাম নির্ঘাৎ সে সত্যজিৎ রায় এর নাম করবে, কিন্তু আমাকে চুপ করিয়ে দিয়ে সে বলেছিল আকালের সন্ধানে। ব্যাস অম্নি সে আমার বন্ধু হয়ে গেছিল। আমিও আমার দেখা তামিল সিনেমাগুলো (যেগুলো রোব্বার দুপুরে দেখাত) নিয়ে তার সঙ্গে গপ্পো ফেঁদে বসলাম। এইভাবে দেখা হলেই সিনেমা নিয়ে গল্প হত। ওর ছেলেটি ছিল খুব চঞ্চল আর দুষ্টু। তখনও আমি জানি না, ওর বাবা কী করেন। মা যে চাকরি করে না সেটা জানতাম। আমি তো তখন করতাম না। এবারে এল ঋভুর জন্মদিন, প্রচুর লোক বলা হল, ঋভুর প্রায় সব বন্ধু এবং তাদের বাবা-মাদের ডাকা হল। সবাই আসার পরে যথারীতি দেখা গেল বাঙালী মা-বাবারা আলাদা একটা দল বানিয়ে গল্প করছে। কিছুক্ষণ বাদে একটি বাঙালী মা এসে আমাকে শুধোল "ওদেরকে ডেকেছ কেন? ইস কীরকম মিসফিট ওরা পার্টির মধ্যে! ওর ছেলের মাথায় উকুন আছে জানো? মা-টাকেও দেখ কেমন! আর বাবাটা! কেমন ঢলঢলে একটা প্যান্ট পরে এসেছে! এদেরকে কেউ ডাকে?" তো এই বাঙালী মাটি ছিলেন একটি কোম্পানির মার্কেটিং একজিকিউটিভ। কিছুক্ষণ বাদে একটি বাবাও বললেন " এত ওপাড়ার লোক ডেকেছ!" অম্নি আরেক বাঙালী মা, "বাব্বা তুমি দেখছি মহাসেকুলার!" ঐ বাবাটি খড়গপুর আইআইটির এমটেক। আর অন্য মাটির কথা বললাম না, টু অবভিয়াস হয়ে যাবে বলে।
    তারপর থেকে আমি আমার ছেলের জন্মদিনে বাচ্চাদের ডাকি, অনেকের বাবা-মাকেও ডাকি, কিন্তু বাঙালী বাবা-মাদের ভুলেও ডাকি না।
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ১৪:০৯25461
  • কেডিদা, উত্তর দেবো কিনা ভাবছি। কারণ, মজা হল যে প্রশ্ন করা হলে উত্তর দিলে সেটা হয়ে যায় নিজেকে মহান দেখানোর চেষ্টা ঃ)

    ব্যাঙদি, আচ্ছা। আর ঐ বাচ্চাগুলো ? তারা কি নিজেরা কুঁকড়ে থাকে ?
    আরেকটা প্রশ্ন ছিল, স্কুলের মাইনে বাদেও তো এই পোশাক আশাক, ফাংশন ইত্যাদি বাবদ অনেক টাকা যায়, সেগুলো ওরা কীভাবে দ্যায় ?
    আর, এমনিতে ওদের প্রতি ক্লাসে ক'জন ছাত্র ?
  • kd | ২২ জুলাই ২০১২ ১৪:০১25460
  • আমার মতোই ভাবে এখানে দেখলুম একজনই আছে।

    নানান জায়গাতেই শুনি "লেখাপড়া শেখা" নাকি বেসিক রাইট। একজ্যাক্টলি কেন তা যদিও এখনও ঠিক বুঝে উঠতে পারিনি। তা যাই হোক, সকলে বলছে যখন মেনেই নিলুম নাহয়। আর তাই এই RTEর নামে যা হচ্ছে সেটাও নিশ্চয়ই ঠিকঠাকই হচ্ছে মেনে নিলুম।

    এটাও শুনেছি ফুড, শেল্টার ইত্যাদিও বেসিক রাইট। তো সরকার যদি RTS নামে আর একটা বিল পাস করে আর সেই বিল অনুযায়ী সকল নাগরিককে অর্ডার করে তারা তাদের বাড়ি/ফ্ল্যাটে ঝুপড়িবাসীদের রাখতে হবে - নিজেরা যেমন যেমনটি থাকে, ঠিক তেমন ভাবে - মানে 2BR ফ্ল্যাটে নিজেরা এক ঘরে (ছেলেপুলে থাকলে তাদের নিয়ে) আর ঝুপড়িবাসী পরিবার অন্য ঘরে ছেলেপুলে নিয়ে। হ্যাঁ, খাওয়াদাওয়াও একই রকম হবে।

    ওই বেসরকারি আনেডেড স্কুল, পেড ছাত্রছাত্রীদের ও তাদের বাবামাদের যেটা অ্যাকসেপ্ট করতে বলা হচ্ছে তার প্যারালাল টানার চেষ্টা আরকি।

    এটা গুরুর সমাজদরদীদের একই রকম সাপোর্ট পাবে তো? না তখন NIMBY পলিসি?
  • sch | ২২ জুলাই ২০১২ ১৩:৫৫25459
  • " সিগন্যালে সিগন্যালে ছয়লাপ করে দ্যায় কৌশিকি চক্রবর্তী।"
    KC da অনেকগুলো ক
  • ব্যাঙ | ২২ জুলাই ২০১২ ১৩:৪৯25458
  • পাই, ঋভুদের স্কুলে কিন্তু আগে থেকেই এই নিয়ম ছিল। মানে ঋভুর অ্যাডমিশনের সময়েই জেনেছিলাম, ওদের প্রতিটা ক্লাসে আটটা করে সেকশন এবং প্রতিটি সেকশনের ডিস্ট্রিবিউশনে এটা লক্ষ্য রাখা হয়, যাতে প্রতিটা সেক্শনে কম করেও পাঁচটি করে এই ধরণের বাচ্চা থাকে। তবে কখনৈ চোখে আঙুল দিয়ে তাদের সঙ্গে পার্থক্যটা বুঝিয়ে দেওয়ার কোনো চেষ্টা দেখি নি স্কুল থেকে। তবে এক্ষেত্রে যেটা আমি লক্ষ্য করেছি, চল্লিশ থেকে পঞ্চাশটি বাচ্চার প্রায় সব কটিই খ্রীশচান, যেহেতু এটি খ্রীশ্চান স্কুল এবং চার্চের রেকমেন্ডেশনে এই বাচ্চারা আসে। হাতে গোণা একটি বা দুটি হিন্দু বা মুস্লিম ছেলে থাকে ঐ চল্লিশ-পঞ্চাশটি বাচ্চার মধ্যে। তাদের বাবা-মারা হয়তো এই স্কুলেরই এম্প্লয়ী বা কোনো টিচারের কোটায় আসে। তা বাদে বাকি সাড়ে তিনশো-চারশো ছেলেরা যারা উচ্চবিত্ত বা মধ্যবিত্ত ঘর থেকে আসে, তাদের মধ্যেও দেখেছি, হিন্দু-মুসলিম-খ্রীশচান ডিস্ট্রিবিউশনটা প্রায় সমান।
    ঋভু তো এখন ক্লাস ফোরে পড়ে, ওর বা ওর বন্ধুদের মধ্যে এই নিয়ে কোনো সচেতনতা বা মাথা ঘামানো দেখি নি, খেলাধুলো নিয়েই তারা মত্ত থাকে।
  • পাই | ২২ জুলাই ২০১২ ১৩:৪২25457
  • ওসব বলে তাতিয়ে দেবেন না। সেটাকে সিক মেন্টালিটি বলে।
  • bb | ২২ জুলাই ২০১২ ১৩:৩৯25456
  • অনেক্দিন পর লেখার হরফে "ছোটোলোকের বাচ্চা" পড়লাম। বুঝলাম আজ আমাদের গভীর অসুখ আর তাই আমাদের ছোটরা আমাদের কাছ থেকে শেখার কিছু পায় না।
  • পাই | ২২ জুলাই ২০১২ ১৩:৩৭25455
  • * হলেও
    কেশীদা, পাঠিয়ে দিন। এমনিতে ভ্রমণকাহিনী খুব ভালবাসিনা। লেখার গুণে অবশ্য হয় ও নয় হয় ঃ)

    আমারো শরৎচন্দ্রের বেশিরভাগই ভাল লাগে না।
  • পাই | ২২ জুলাই ২০১২ ১৩:৩৩25453
  • ব্যাঙদি, রিভুদের স্কুলেও RTE দিয়ে অ্যাডমিশন শুরু হয়েছে না ? কীরকম রেসপন্স ?
  • kc | ২২ জুলাই ২০১২ ১৩:৩৩25454
  • প্পন, লিং ফিং মনে থাকেনা। রাত্তিরে ডাইরেক্ট পাঠ্যে দিমু।
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ১৩:৩২25452
  • কেসি, লিং দাও।
  • kc | ২২ জুলাই ২০১২ ১৩:৩১25450
  • ফাই, হুআর ভ্রমণকাহিনী গুলো পড়, ভাল লাগবেই।
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ১৩:৩১25451
  • শরৎচন্দ্র আমি কোনদিনই সুবিধা করে উঠতে পারিনি। আবেগে জ্যাবজেবে ফ্যানাভাত যেন। দ্বিতীয় কথা ওই সামন্ততান্ত্রিক পরিবেশ আমি চোখে দেখিনি, কাজেই কেমন ডিসকানেক্টেড লাগে।
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ১৩:২৬25449
  • শুধু হালকা ভাল লাগা ? আর জনপ্রিয়তায় শরৎচন্দ্রীয় হেলও লেখার দিক দিয়ে কি কোনোভাবে তাই ?
    ভাল লাগে ওঁর উইটটা। মহর্ষির সাথে তুলনা হলে বলব, উইটটা ওঁর থেকে বেশ বেশি।
    মেঘের উপর বাড়ি কেমন লেগেছে জনতার ?
  • kc | ২২ জুলাই ২০১২ ১৩:০০25448
  • *মনে
  • kc | ২২ জুলাই ২০১২ ১২:৫৯25447
  • আহামরিত্বের কিছু নেই তো। সত্যি সত্যি নেই। জনপ্রিয়তা আছে। প্রচুর আছে। সহজ ভাবে সহজ গল্প বলার জন্য, মন ছুঁয়ে যাওয়া (মেন গেঁথে যাওয়া নয়) আছে। হালকা ভাল লাগা আছে। শরৎচন্দ্রের মতন।
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ১২:৫৬25445
  • মহর্ষির মধ্যে উপাদান ছিল। যুবক যুবতীরা অথবা গরম ভাত পড়লে বোঝা যায়। প্রোডাকশন হাউজ হতে গিয়ে ভদ্রলোকের এই অবস্থা হল।
  • sdfsdgsgdfsdsf | ২২ জুলাই ২০১২ ১২:৫৬25446
  • সত্যি বলতে আগে দুই একটা মোটে হিমু পড়েছিলাম। মারা যাবার পরে আরও অনেকগুলো বই পরপর পড়ছি। সুখপাঠ্য নিঃসন্দেহে। জনপ্রিয় তো বটেই। কিন্তু আহামরিত্বের ব্যাপারটা খুঁজে পাচ্ছি না।
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ১২:৫০25444
  • হুমায়ুন আহমেদের কয়েকটা মিশির আলিই একবারের বেশি পড়ার মত।
  • | ২২ জুলাই ২০১২ ১২:৪৭25443
  • হুঁ
    মাহমুদুল হক বা শহিদুল জহীর পড়তেও অনেক বেশী ভাল লাগে। মাহমুদুল হকের 'জীবন আমার বোন' কিম্বা 'কালো বরফ' অসামান্য লেগেছে। আমার ব্যক্তিগত পাঠতালিকায় যে কোনোদিন হু-আ'র চেয়ে কয়েকশো মাইল আগে রাখবো।
  • kc | ২২ জুলাই ২০১২ ১২:৪৬25442
  • দমুর হুআকে ভাল না লেগেও গোটা দশ বার বইয়ের নাম বলে দিল। মহর্ষির বলুক দেখি, মনে হয় পারবেনা। আর খোয়াবনামা লেভেলের লেখা কখনো কখনঐ হয়। বইটার নোবেল পাওয়া উচিত। অথচ এপারের অনেক সিরিয়াস পাঠকও বইটা পড়েননি।
  • sdsgssfsfdgdsagf | ২২ জুলাই ২০১২ ১২:৩৯25441
  • দমু আমার কথাটাই বলে দিল। হুমায়ুন আহমেদ বেশি পড়ি নি, কিন্তু যা পড়েছি খুব একটা আহামরি লাগে নি। খুব ভালো গল্প বলিয়ে, একধরনের সহজ কথনরীতি আছে। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের গদ্যভাষার সঙ্গে হুমায়ুন আহমেদের ভাষার প্রচুর মিল পাই। আখতারুজ্জামান ইলিয়াস বা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ অনেক বেশি আগ্রহ নিয়ে পড়ব।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত