এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • nina | ২২ জুলাই ২০১২ ০১:০৭25167
  • মানুষমাত্রই বোধহয় নিজের ক্লিক তৈরি করে----কেউ করে----ওরা ট্যাঁশ, পটপট করে ইংলিশ বলতে পারে কিন্তু লিখতে পারেনা অঙ্কতে জিরো বুদ্ধি---আবার কোথাও ওরা গাঁইয়া--কি খায় কি পরে -ইয়াক! আবার কোথাও ওরা সব বড়লোকের শো অফ জনতা--আমরা ভেঙে দেব সব বুর্জোয়া ব্যাপার---ইত্যাদি প্রভৃতি---কিন্তু বটম লাইন --সেই যে যার নিজের ক্লিকের মধ্যে স্বস্তিতে বাস করে-----
    জানিনা এতে দিনের পর দিন খরাপের চাষ ই শুধু হয়ে চলেছে----
    এগুলো অবশ্যই আমার বিকেলবেলার (জীবনের) ক্লান্ত মাথার ভ্রান্ত ধারণা---হয়তবা!
  • san | ২২ জুলাই ২০১২ ০১:০৭25168
  • আপেল সেদ্ধ খারাপ কিন্তু আরো খারাপ হল মাছসেদ্ধ। ডায়েটিং এর নামে তাও অবশ্য আমরা টানা দুতিনমাস খেয়েছি। অবশ্য ওজন সত্যি কমেছিল ঃ-)
  • a x | ২২ জুলাই ২০১২ ০১:০৭25169
  • জানিনা ইংরিজি মিডিয়ামে কেত ছিল হয়ত। আমি তো বাংলা মিডিয়াম। তবে কেত ছিল বলেই বোধহয় পা;ভঃ ছেড়ে তোমার স্কুলে ;-)
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ০১:০৭25170
  • আর হ্যাঁ, ঐ শ্যামলীর ছবি যদি কোনোদিন তুলতে পারতাম। আজ তো দেখা হলে মনে হয় চিনতেও পারবো না। এখনো ঐ মুখটা ভাসে। কালোর ওপরে অত সুন্দর ঐ নন্দিতা দাশকে কেবল দেখেছি।
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ০১:০৪25165
  • আমার আরো একটি উৎপাত ছিল। একটি করে কমলালেবু ও আপেল। কিন্তু কিছুদিন বাদেই তার একটা বন্দোবস্ত করে ফেলেছিলুম। ঐ বিকেলে আমরা বেরুলেই শ্যামলী আসতো। বাবার হাত কাটা, কারখানার চাকরি গেছে। মা বাড়ি বাড়ি কাজ করতেন। ও ও মাকে সাহায্য করতো। আমাদের স্কুলেই একটা সেকশনে সন্ধের দিকে ওর পড়ার বন্দোবসও হয়েছিল। ওর বোনের নামটা এখনো মনে আচে। অমন নাম আর শুনিনি। বৃহস্পতি।
    অসুখবিসুখ হলেই মা আজও দুক্খু করে বলে, তোকে কত কষ্ট করে রোজ রোজ আপেল, কমলালেবু খাইয়েছি, তাও যে কেন এম্নি হল !

    এমনিতে আমার টিফিন পছন্দের ছিল। রুটি আলুভাজা, নয় রুটি আলু ঢ্যাঁড়্শ, নয় রুটি-আলু পোস্ত, নয় রুটি আলুদ্দম। ছানার উৎপাতও মাঝেসাঝে হত। তখনো শ্যামলী ভরসা ছিল।
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ০১:০৪25166
  • * স্টাইলিশ

    পোচুর টাইপো হয়েছে।
  • Blank | ২২ জুলাই ২০১২ ০১:০৩25163
  • দুই টাকা ছিল টিপিন। ১ টাকার ঝালমুড়ি আর বাকি ১ টাকার অনেক কিছু। কোনোদিন আঙুল পাঁপড়, কোনোদিন চালতার আচার, নাহলে কাঠি আলুদ্দম, ইলেকট্রিক নুন সহযোগে আইসক্রিম।
  • Qy | ২২ জুলাই ২০১২ ০১:০৩25164
  • এটাও আরেক ব্যাপার, আমাদের স্কুলে যেসব ছেলেপিলেরা পড়তো তাদের অবস্থা মোটামুটি এক ছিলো এটা একদিক দিয়ে সত্যি, কারণ কিছু কিছু বড়লোক পরিবার ছিলো পাড়ায় তারা নিজেদের ছেলেমেয়েদের অনেক দূরের শহরের কন্ভেন্ট স্কুলে পড়াতেন বা মিশনারি স্কুলে বা এমনি ভালো ইংলিশ মেডিয়াম স্কুলে। এইসব ছেলেমেয়েদের সঙ্গে আমাদের কোনোদিন কোনো ইন্টার অ্যাকশনই হয় নি, ওরা বিশেষ গাড়ীতে করে স্টেশনের দিকে চলে যেতো, এইটুকু দেখা যেতো খালি। তবে ওরা ছিলো হাতেগোনা কিছু পরিবার(এখন ভাবি ঐসব ছেলেমেয়েদেরই বা কেমন লগতো, চারপাশের এক দুনিয়া আর সেখান থেকে ছিঁড়ে গিয়ে পড়ার দুনিয়া অন্য)।এখন অবস্থার পরিবর্তনে অনেক লোকই ঐরকম স্কুল ছেলেপিলে পঠায়, এখন খুব কাছে কাছেই মহার্ঘ্য স্কুল গজিয়েও গেছে, টেকনো ইন্ডিয়া বলে একটা পঁচিশ হাজারী পঞ্চাশ হাজারী ডোনেশন নেওয়া প্রাইমারি স্কুল পর্যন্ত গজিয়েছে প্রায় পাড়াতেই। কালের গতি!
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ০১:০১25162
  • ভাইঝি হলে কী করে গুহ লাস্ট নেম হয় আমায় জিগাবেন না। ওরকমই গুজব রটেছিল বটে। তবে প্রশান্ত শূরের আত্মীয় ছিল কোনভাবে।
  • san | ২২ জুলাই ২০১২ ০১:০০25161
  • আমি ছানা বা তার সন্দেশ কোনোটাই খেতে রাজি হতাম না। কিন্তু সেই কালো কালো পাথরের ছাঁচগুলো কোথায় যে গেল ! একটা বরফি মতন, একটা কল্কা আরেকটা অবিকল মাছ। এলাচের গন্ধ লেগে থাকত।
  • pipi | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৫৯25156
  • উফ্‌, আপেল সেদ্ধ আর ছানার সন্দেশ (আসলে বাড়িতে তৈরী ছানা চিনি দিয়ে চটকানো)! মাগো! ক্ষি অত্যাচার!
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৫৯25157
  • সৌরভ।
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৫৯25158
  • ক্লাস এইটে একটি নতুন মেয়ে এসে ভর্তি হল, চোখে স্টাইলিস্ট ফ্রেম আর বুদ্ধিদীপ্ত মুখ, শোনা গেল সে প্রশান্ত শূরের ভাইঝি। এদ্দিন পাঠভবনে পড়ত। ফার্স্ট পিরিয়ডে নিজের পরিচয় দেবার সময় নিজের নাম বলল দেবারতি গুহা।

    গুহা বলেছে বলে অনেকেই তাৎক্ষণিক হিনী দিল এবং পরে এই নিয়ে খোরাক করল কিছুদিন, কিন্তু সেইসঙ্গে বুঝে গেল পাঠভবন খুব কেতের স্কুল। আম সরকারি স্কুলের সাথে ঠিক খাপে খাপে যায় না।

    ঠিক বলেছি না, অক্ষ-দিমুনি? ;-)
  • kc | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৫৯25159
  • সৌরভ না প্রলয়?
  • Blank | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৫৯25160
  • আলুর চোখা তো মশলা দিয়ে মাখা আলু ভাতে কে বলে। আর সব্বাই বাড়ি থেকে টিপিন নিয়ে যেত !!
  • riddhi | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৫৭25155
  • হ্যান এই ছানার সন্দেশ বাড়িতে খেয়েছি খুব, এটা ভালই মনে আছে।
  • Qy | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৫৪25151
  • টাইপো ছিলো, কম না কমন ঃ-)
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৫৪25152
  • না, ডাকুয়ার বাবা হোমরাচোমরা মন্ত্রী ছিলেন না। কোচবিহার থেকে নির্বাচিত হয়ে আসা তফশিলি উপজাতি বিধায়ক, খুব সম্ভবত আদিবাসী উন্নয়ন বা ওরকম কিছু দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত ছিলেন (কেসি কনফার্ম করতে পারবে)।

    তো তার ছেলে ছিল মুখচোরা। এখান বুঝি খুবই হীনমণ্যতায় দিন কাটাত। তার বাংলা উচ্চারণ, কথাবার্তা সব কিছুই কেমন অচেনা লাগত বাকিদের কানে। কাজেই বলা বাহুল্য তার বিশেষ কেউ বন্ধু হয়নি। সবাই তাকে ডাকুয়া নামেই ডাকতাম, এদ্দিন পরে মনে পড়ছে তার ভালো নাম ছিল সৌরভ, কেতাদুরস্ত শহুরে নাম, কিন্তু লোকে সেইটা ভুলে গেছিল খুব স্বাভাবিক ভাবেই।
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৫৪25153
  • *মঞ্জরী

    সিট রোটেশনে মনে পড়লো, সেও এক মজার জিনিস ছিল। একবার তো এক দিদিমণি, তাঁর আবার নিত্যনতুন আইডিয়া মাথায় কিলবিলাত, তিনি সিটগুলোকেই রোটেট করে অন্যরাম করে দিলেন। এমনি ক্লাশরুমের মতন দু তিন কলাম, অনেক রো, নয়, চার দেওয়ালের সমান্তরালে দুটো করে রো। পুরো বর্গক্ষেত্র। সবাই প্রতি হপ্তায় একটা করে শিফট করতো। কী একট অল্টারনেট ব্যাপার ছিল, যাতে পাশাপাশি জায়গাগুলো বদলে যায়। ক্লাসের মাঝখানটা ফাঁকা। অর সেই মাঝখানে, আমাকে একবার বসিয়ে দেওয়া হয়েছিল ঃ( জিনিসপত্র অগোছালো করে রাখতাম বলে। মানে আমর প্রথম পিরিয়ড থেকেই ব্যাগ থেকে সেই যে বই আর খাতা বেরুতে থাকতো, সে পুরো টুথপেস্টের বেরোনোর মত। দিনের শেষে একটা লতপত করা ব্যাগ আর চারদিকে ছড়ানো ছিটানো বই খাতা। ঐ মাঝখানটাতে একা বসার ফলে পুরো নজরদারিতে থাকতাম। প্রতি ক্লাসের পর সব গুছিয়ে রাখতে হত। কিন্তু কী হল ক্লাস ফাইভে ঐসব করে ?
    ক্লাস টেনেও সেই লাস্ট পিরিয়ডের পর অতপত করা ব্যাগ আর চারদিকে ছড়ানো ছিটানো বই খাতা। সেটা তখন আবার নানা আয়গয় ছড়ানো থাকতো। কারণ ক্লাস টেনে ফ্রিডম মিলেছিলো, মাঝের কিছু পিরিয়ডে এদিক ওদিক করার। নানা জায়গায় এদিক ওদিকে করে বসতাম আর বইখাতা ফেলতে ফেলতে যেতাম। ছুটির পরে আধটি ঘণ্টা লাগতো ঐ গুছাতে। আমার এক বন্ধু ও থাকতো অবিশ্যি। রোজ ই আমাকে বকতো আর বকতে বকতে গুছিয়েও দিত। তারপর আমরা দুজনে, প্রায় খালি হয়ে যাওয় ইস্কুল থেকে, চাতালে হস্টেলের মেয়েদের সাথে একটু গপ্পো করে, প্রায়ান্ধকার সেই নিবেদিতা লেন দিয়ে বেরুতাম। আর তারপর তো সেই তিন নং অভিযান। সে আরো কত কাণ্ড। বগ্বাজারের সেই ধূসর বিকেলগুলোর ছবি তুলতে খুব ইচ্ছে করে। কিন্তু গেলেই আমাদেরকে খোঁজার চেষ্টা করবো, পাবোনা, আর মন খারাপ হবে বলে আর যাই না।

    সেই বন্ধু গতবার এখানে এসে বাড়ির অবস্থা দেখে বকাঝকা ক'রে আবার সব গুছিয়ে দিয়ে গ্যালো ঃ)
    ঐ অরোরাতে থাকে। কাল ফোন না পেয়ে কিছুক্ষণের জন্য কেমন একটা লাগছিল। ওর বাড়ির জাস্ট একটূ দূরেই ঐ হল।
  • Qy | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৫৪25154
  • আমাদের তো চট্টি হাতরুটি আর আলুর উরাঝুরা খুব একটা কম টিফিন ছিলো। আলুর উরাঝুরা হলো, কালোজিরা ফোড়ন দিয়ে আলুভর্তা বেশ করে লালবাদামী করে ভেজে ঝুরা ঝুরা করে নেওয়া, তা রুটির ভিতরে দিয়ে রোল করে দেওয়া হতো। সঙ্গে ডেকোরেশন হিসাবে সবুজ কাঁচালংকা। একেবারে গা গেরামের ব্যাপার।
    আমাদের টিফিন খাওয়া ছিলো একেবারে সমবায় প্রথায়, সবার টিফিন একসঙ্গে মিলিয়ে দিয়ে ভাগবন্টক করে খাওয়া। এক্দম ফাইভ থেকে টেন অবধি। তবে গ্রুপে গ্রুপে সমবায়, নইলে ৪০ জনের টিফিন মেলাতে গেলে একেবারে সোভিয়েত হয়ে যেতো, ও জিনিস ম্যানেজ করা কি সম্ভব? বড়জোর ১০/১২ জনেরটা মেলানো যায়।
    ঃ-)
  • kc | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৫২25150
  • এই ছানার সন্দেশ আর ড্রেনের জল দিয়ে বানানো আইসক্রিমের স্মৃতি, বোধহয় আমাদের জেনারেশনের একচেটিয়া।
  • a x | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৪৯25149
  • ছানার সন্দেশ মানে বাড়িতে বানানো ছানা মেখে ছাঁচে ফেলে তাকে সন্দেশ বলে চালানো। কোনোরকমে গলাঃধকরণ করতে হত।
  • san | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৪৭25148
  • আরে এই পাঁউরুটিতে আলুর পুরকে আমাদের বাড়িতে বলত 'আলুর ঠাসা'। কেন কে জানে। অন্য অন্য জায়গায় তো আলুর চোখা বলে। এটা আবার আমার মায়ের খুব ফেভারিট টিফিন ছিল। পারলেই দিত।
  • Qy | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৪৬25147
  • উরে বাবা, তোমাদের দেখি সব ডাকুয়া ডাকুয়া ব্যাপার! বড় বড় সব মন্ত্রাসান্ত্রীদের ছেলেপিলের স্কুল!!!! ঃ-)
    আমাদের অজ গায়ের স্কুলে বেশিরভাগের বাবা সরকরী আপিসের চাকুরি বাবেসকরকারি আপিসের চাকুরি করতেন বলে মনে হতো, কেউ কেউ হয়তো ব্যবসা কত্তেন, কিসুই সেসব জানতাম না, শুধু কারুর মা স্কুলটিচার হলে কেমনে কেমনে সেটা জানা যেতো ঠিকই।
  • a x | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৪৫25146
  • হুঁ। তিনি কে সেটাও জানলাম উঃমাঃ দিতে গিয়ে মা'র সাথে যখন ওর মা'র আলাপ হল তখন বাড়ি এসে আমাকে বলা হল তিনি কিনি।
  • kc | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৪৪25145
  • দীপাঞ্জন রায়চৌধুরি মানে ডিআরসি?
  • a x | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৪২25142
  • আমিও দেবযানীর বাবার পেশা জানতাম উনি পুলিশ ছিলেন বলেই ঃ-))

    আর একটু ভুল বলেছি। ১১/১২'এ আরো দুজনের বাবা কি করতেন জানতাম। তুষার তালুকদারের মেয়ের আর দীপাঞ্জন রায়চৌধুরির মেয়ের।
  • riddhi | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৪২25143
  • "আর আমার চিরকালের দুঃখ ছিল আমাকে কেন মা চাউমিন, লুচি এসব দেয় না। খালি পাউঁরুটি জেলি, ছানার সন্দেশ এসব ঃ-(("
    আমারো। ছানার সন্দেশ যদিও ছিল না। পাউরুটি জেলি, একটা আলুর পুর। যদিও আমি অন্যদের গুলো খেতাম। কিন্তু দিতে না পারার দুঃখ টা ছিল। কেউই আমার টা খুব বেশী খেতে চাইত না।
  • Qy | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৪২25144
  • আমি ওনার প্রথম লেখা পড়ি দেশ এর এক পূজাসংখ্যায়, তখনো লেখক দেখার অভ্যাস তৈরী হয় নি, লেখাটা পড়তে পড়তে কেমন ভালো লেগে গেলো, একেবারে অন্যরকম ব্যাপার। হিমালয় বলে এক চরিত্র যার বাবা তাকে মহাপুরুষ তৈরী করবেন বলে নিজে নিজেই শিক্ষা দিতেন। তাকে নিয়ে অদ্ভুত গল্প, জঙ্গলে জ্যোস্না দেখার গল্প-- এ একে অন্য জগৎ, লেখার স্টাইলেও অন্য ব্যাপার। খুব ভালো লাগলো কিন্তু নাম মনে রইলো না, কারণ এই লেখকের লেখা আর কখনো পড়িনি। পরে দুনিয়া বদলালো, অনলাইন জগত এলো, সেখানে কনফুসিয়াসের সাথে দেখা, সে হিমালয়ের গল্প শুনে বললো হুমায়ুন আহমেদের নাম শোনো নি দিদি? ওনার হিমু চরিত্র নিয়ে তো হাজার হাজার ছেলে পাগল! তারপরে সে আমাকে পাঠালো হু আ এর গল্প জলিল সাহেবের পিটিশন। খুব ভালো গল্প। মন টেনে ধরলো, অনলাইন জগতের আশীর্বাদে একে একে ওনার ভালো ভালো লেখা গুলো নন্দিত নরকে শঙ্খনীল কারাগার অচিনপুর সবাই গেছে বনে এসব পড়লাম কিন্ছু কিছু সাই ফাই পড়লাম আর অজস্র হিমু কাহিনি। ক্রমে ওনার বানানো সিনেমাগুলো ও দেখলাম।
    তারপরে ই শক খেলাম ওনার ব্যক্তিগত জীবনের কথা শুনে, জানি কবি বা লেখককে তার ব্যক্তিগত জীবন দিয়ে বিচার করতে নেই, কিন্তু আজও আমি আর "আজ রবিবার" সিনেমাটা দেখতে পারিনা, তিতলি আর কঙ্কাকে দেখলে ভিতরটা কেমন করে ওঠে, দুটি বোন, এই চরিত্র দুটি যারা করেছিলেন একইঅ বয়সী, খেলার সাথী, আজো তারা দুজনেই আছেন, অথচ কী ভয়ংকর তফাৎ হয়ে গেছে।
    তবু, সব ছাপিয়ে থেকে যায় সৃষ্টি, নশ্বর মরমানবের ব্যক্তিগত জীবন তার সব আলো অন্ধকার ভুল ঠিক সব নিয়ে মিলিয়ে যায়। এই টুকুই সান্ত্বনা আমাদের।
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৪০25141
  • বাব্বা, পাঠভবনের ক্ষী চাপ! আমরা টিফিনের সময় সারা স্কুল দৌড়দৌড়ি করে (বড় বয়সে খুচরো প্রেম, গ্রুপে গুলতানি) ইত্যাদি করে কাটাতাম। যাকে বলে নরক গুলজার। ওই আধঘন্টা ছিল যাকে বলে স্বর্গীয় অনুভূতি। ঃ)
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত