এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৩৮25140
  • আমি শুধু তিনজনের বাবা কী করেন জানতাম। এক্জন হল বড়ুয়া, তার বাবা আমদের স্কুলেই শিক্ষক ছিলেন। আর দ্বিতীয়জন (তার নামটা ভুলে গেছি, খুব সম্ভবত ওয়াজিদ) তার বাবা সল্লেক থানার ওসি ছিলেন, একবার ডিউটি চলাকালীন কী একটা কারণে পুলিশের জিপে করে স্কুলে এসেছিলেন আর তৃতীয়জন ডাকুয়া, এর বাবা দীনেশ ডাকুয়া মন্ত্রী ছিলেন।
  • পাই | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৩৬25138
  • মধ্যাহ্ন আমার বেশ, মানে বেশ ভাল লেগেছিল। রূপমঁজরী, সেই সময়ের এক পদ্মাপারের সংস্করণ অনেকটা।
  • a x | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৩৬25139
  • হ্যাঁ আমাদেরও ক্রমাগত রোটেশন করা হত সিটের। খুব ছোট ক্লাসে সবাই গোল হয়ে বসে টিফিন শেয়ার করে খাওয়া হত। কার কোন টিফিনও বুঝতাম না। আরো বড় ক্লাসে কেউ কোনোদিন টিফিন আনতে ভুলে গেলে পাশের জনের টিফিন শেয়ার করতেই হবে এমন ব্যাপার ছিল। আর আমার চিরকালের দুঃখ ছিল আমাকে কেন মা চাউমিন, লুচি এসব দেয় না। খালি পাউঁরুটি জেলি, ছানার সন্দেশ এসব ঃ-((
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৩৫25137
  • তালে কোন কোন সরকারি স্কুলে দেওয়া হত ? উঃ গঃ এ তো দেওয়া হত।
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৩২25135
  • খোয়াই, সেতো কিছুটা সমমনস্কদের মধ্যে বন্ধুত্ব হবেই। একটা প্রেফারেন্স থ্কেই তো গ্রুপ হয়।

    আর ওরকম রোজ পাশাপাশি বসে বন্ধুত্ব সত্যিই হত ঃ)
  • a x | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৩২25136
  • আমি আজ অবধি ঐ দেবযানীর বাবা কি করতেন ছাড়া আমার আর কোনো বন্ধু কিম্বা সহপাঠির বাবা-মা কি করত জানিনা। দেবযানীরটাও জেনেছি ক্লাস এইট-নাইনে উঠে।
  • kc | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৩১25134
  • মধ্যাহ্ন আমাকে হতাশ করেনি। আর হতাশের নিজস্ব লিস্টিতে দেকতে গেলে শরৎবাবু, তারাশঙ্কর এঁদেরও কিছু লেখা পেয়ে যাই।

    'নুহাশ পল্লী বলে একটা ছোটোখাটি সিনেমা গ্রাম'টি অনেকটা যেন শান্তিনিকেতনের ছোটোখাট সংস্করন। নেহাৎ সাহস নাই, তাই আরেন্টি স্যারের সাথে তুলনা টানতে পারছিনা।
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৩০25132
  • না।
  • Qy | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:৩০25133
  • কত টাইপো হলো ঃ-(
    সুভাশ না সুভাষ
    ঈদের না এদের
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:২৯25131
  • প্পনদের স্কুলে টিফিন দেওয়া হত না ?
  • Qy | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:২৮25130
  • পাই হে, পাশে বসিয়ে দিলেই তো মিক্সিং হয় না, বন্ধুদের গ্রুপ তৈরী হয় কিআভাবে? কিছু কমন কথা বলার বিষয় থাকলে, কিছু কমন ইন্টারেস্ট থাকলে, আরো কিছু কমন থাকলে। শুধু মেরিটই না, কয়েকজন হয়তো আমি সুভাশ বলছি, তিমি তিমিঙ্গিল, নক্ষত্রলোকের দেবতাত্মা এইসব বইগুলো এক্সচেঞ্জ করে করে পড়ছে, সেই নিয়ে আলোচনা করছে---তাদের ক্লোজ গ্রুপ হয়ে গেলো। কয়েকজন হয়তো টিভির কোনো সিরিয়াল দিয়ে আলোচনা করছে, কয়েকজন হয়তো টেনিস এর মার্টিনা গ্যাব্রিয়েলা ঈদের নিয়ে আলোচনা করছে, তাদের আলাদা গ্রুপ হয়ে গেলো। তারপরে ছিলো বিশ্বকাপ ফুটবল, সেখানে আবার কারুর কারুর ইন্টারেস্ট, কেউ কেউ রোমারিও বলতে পাগল, কেউ কেউ পেলে পেলে করে দিওয়ানা---এইসব নানা ফ্যাকটর। ঃ-)
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:২৬25129
  • হুমায়ুন আহমেদের সাথে জনপ্রিয়তার বিচারে একজনই কাছাকাছি আসেন, এই সময়ে, তিনি মহর্ষি।

    তবে দুজনেরি শেষদিকে ভার বেড়েছে, ধার কমেছে।
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:২৫25128
  • মধ্যাহ্ন হতাশ করেছে ? আমি অবশ্য দ্বিতীয় খণ্ডটা পড়িনি।
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:২৩25125
  • বাংলাদেশের এই সেন্টু খাবার কারণটা আমি বুঝি না। স্বীকৃতি পাবার জন্য কেন তাদের এখনো কলকাতার দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে। শিলচর বা আগরতলার বাঙালিদের থাকতে পাবে, কিন্তু বাংলাদেশী বাঙালিদের তো তার কোন দরকার নেই।
  • Qy | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:২৩25126
  • তাছাড়া হু আ সিনেমা টিনেমা বানাতেন, নুহাশ পল্লী বলে একটা ছোটোখাটি সিনেমা গ্রাম বানিয়ে সেখানে থাকতেন, টেলিফিল্ম নাটক সব ই বানাতেন। ইনি জনপ্রিয় হবেনই, শুধু তো লেখালেখি না রীতিমতন কর্পোরেট লেখালিখি।
    ওনার নন্দিত নরকে শঙ্খনীল কারাগার আর প্রথমদিকের হিমু কাহিনি গুলোর মতন ম্যাজিক আরে পরের দিকের লেখায় ছিলো না, জোছনা ও জননীর গল্প, বাদশাহ নামদার, মধ্যাহ্ন---আর শত শত টুনটুনি গল্প উপন্যাস---বহুলোককে হতাশ করেছে, এগুলো সব যেন ব্যবসার জন্য লেখা।
    কিন্তু নন্দিত নরকে শঙ্খনীল কারাগার হিমুর রুপালি রাত্রি ---এসবের ম্যাজিক চিরকালের। তখন লেখকটিও আসলে অন্য মানুষ ছিলেন, খুবই অন্যরকম, তখনো চোর্পোরেট দুনিয়া সেই নওলকিশরকে ধরতে পারেনি, তখন তার সাদা ঘোড়া ছুটছিলো পক্ষীরাজের মতন, তারপরে সময়ের ফাঁদে ধরা পড়ে গেলো।
  • san | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:২২25124
  • আমি আমাদের স্কুলকে যতটা ব্যতিক্রমী ভাবতাম এখন দেখছি তার চেয়ে বেশি ঃ-)
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:২০25123
  • ঝিনচ্যাক গেমস আমাদের স্কুলে কেউ আনত না। তবে আরো কিছু দিয়ে বোঝা যেত। টিফিনের খাবার, সাইকেলের মডেল এমনকী স্কুল ইউনিফর্মের কোয়ালিটি অনেক কিছু দিয়েই। তবে আজকালকার মত এত প্রকট বিভাজন তথা দেখনদারি ছিল না।

    তো, সেটা এই সময়ে দাঁড়িয়ে তো থাকবেই। RTE-এর উদ্দেশ্য একটা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এনফোর্স করা, সেইটুকু হলেই যথেষ্ট। তবে যেহেতু বিভাজন এত প্রকট, সেইহেতু চ্যালেঞ্জটাও বেশি।
  • পাই | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:১৯25122
  • খোয়াই, মেরিট মিক্সিং কিন্তু হত। আমাদের স্কুলে অয়কচুয়ালি বসিয়ে দেবার ব্যাপরেও অনেক সময় মিক্স করিয়ে দিত। বেশ কয়েকটা ক্লাসে এরকম হয়েছে, মনে আছে।ফার্স্ট গার্লের পাশে হয়ত যে ফেইল করেছে, সে। আর ফার্স্ট গার্লকে ঠিক চ্যারিটি দেখাতে বলা হত, তাও নয়। খুব বেশি কথা বল্লে যেমন খুব শান্তশিষ্ট সাত চড়ে মুখে রা কাড়ে না, মানে শুধু কাড়েই না নয়, মোটেও মনোযোগী শ্রোতাও নয়, এমনি কারুর পাশে বসিয়ে দেওয়া হত। সেটা অবশ্য খুবই বাজে ছিলঃ((
  • kc | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:১৬25121
  • শুধুমাত্র খবর ৩৬৫ দিন প্রথম পাতায় কভার করেছে। ওদেশের টিভিতে তো ধুয়ে দিচ্ছে।

    অয়ন বইয়ের বিক্রিতেই তো বোঝা যায় কে কত জনপ্রিয়।
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:১৫25120
  • কেউই প্রায় কিছু খবর করেনি মনে হয়।
    কাল রবিবাসরীয় তে করবে হয়তো। ঐ সাংবাদিককে লোকজন যেভাবে চেপে ধরেছিল ! ঃ)
  • প্পন | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:১২25119
  • হ্যাঁ, ঐটুকু খবর খুবই দৃষ্টিকটু লেগেছে। আর যাই হোক না কেন, হুমায়ুন আহমেদের লেখা দেশে বেরিয়েছিল। অন্তত একটা অবিচুয়ারি আশা করেছিলাম।

    বাকি কাগজগুলোতে কীরকম কভার করেছিল?
  • Qy | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:১১25118
  • আমাদের অজপাড়াগাঁয়ের স্কুল, সেকেন্ডারির কথা কইছি, সেখানে একেবারে জাতিবর্ণ-দলমত-বাপমায়ের-অর্থ সবকিছু নির্বিশেষে যে মেয়েরা অ্যাডমিশন টেস্ট দিয়ে চান্স পেতো তারাই ভর্তি হতে পারতো। সব বিভাজন সেখানে একেবারেই সাংখ্য, একেক ক্লাসে চার্টি করে সেকশন, এ বি সি ডি। এত এত ছাত্রী যে তার কমে সামলানো যেতো না। তারফলে মোটামুটি কাছাকাছি মেরিটের মেয়েরা সব একই সেকশনে পড়ে যেতো কারণ নম্বর কে কত পেলো সেই নিয়ে সেকশন বিভাজন হতো। পরে এই পদ্ধতির কিছু ফল্ট বেরোয় বলে ১ ২ ৩ ৪ তমকে কে এ বি সি ডি তে দিয়ে তারপরে ৫ ৬ ৭ ৮ তমকে ফের এ বি সি ডি তে এই অর্ডারে দিয়ে মেরিটের মিলমিশ করে দেওয়া হয়।
    কিন্তু তাও ছোটো ছোটো গ্রুপ তৈরী হয়ে যেতো মেয়েদের চিন্তাভাবনা মেরিট জীবনের উদ্ধেশ্য এইসব অনুসারে, তাছাড়া বাইরে কে কোন প্রাইভেট টিউটরের কাছে পড়লো সেই সব নিয়েও।
    তবে কিনা বাপের মায়ের টাকাকড়ি ভিত্তিতে বিভাজন হয় নি, সেও শেষ পর্যন্ত সেই স্কুলে হয়তো মোটামুটি একই অবস্থার ছেলেপিলে পড়তো বলে।
    প্রসঙ্গত, আরেকটি স্কুলও ঐ অঞ্চলে ছিলো তাকে বলতো জুনিয়র স্কুল, সেটি ছিলো কো এড, সেখানে যে ছেলেপিলেরা পড়তো তাদের সঙ্গে এই স্কুলের ছেলেপিলেদের সেরকম ইন্টার অ্যাকশন দেখা যেতো না, হয়তো উভয়পক্ষেই আগ্রহের অভাব ছিলো।
    এত এত ফ্যাকটর, যে সূক্ষ্ম ও স্থূল বহু বিভাজনের সম্ভাবনা, কে নিবারণ করতে পারে? এমনকি মেরিটের ভিত্তিতে যে লিস্ট, সেও কি একরম বিভাজন নয়? অথচ তা বিরাট সংখ্যকের কাছে অতি কাম্য।
  • riddhi | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:১০25117
  • স্যানের ছোটবেলার সাথে আমার ভাইয়ের কেন, আমর নিজেরি ছোটবেলার খুব অমিল।। গরীব তো কোন ছাড়, মধ্যবিত্ত ফ্যামিলি থেকে আসা লোকজনি হু-হ বড়লোকদের সথে পড়লে একটা বিভাজন ফিল করবেই কর্বে। আর লাইফ-স্টাইল কেউ তথ্য আকারে তো পরিবেশন করবে না, গল্প করতে বেরিয়ে যায়। বন্ধু যখন বলবে আমার মামা আম্মকে এই ঝিন্চ্যাক গেম্টা দিয়েছে, তখন মনে হবে আমি ল্যাও বাবার ল্যাও ছেলে। কিন্তু এই খারাপ লাগাটা ইউনিভার্শাল- এটাই ঐ কলেজ আর আমেরিকার গলপ দিয়ে বলছিলাম।
  • pipi | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:০৯25114
  • রিদ্ধি আর মামুর সাথে একমত। স্কুল কতৃপক্ষ না জানালেও বাচ্চারা জেনেই যায় তাদের সহপাঠীদের বাবা-মা কি করে, তাদের পারিবারিক পরিচয়। তারপর বাড়িতে নিজেদের বাবা-মা'কেও হয়তো বলে। সেইখান থেকে সমস্যার উৎপত্তি। একটা শিশুর কাছে তার সহপাঠীর পারিবারিক পরিচয়টা কোন মাথাব্যাথার কিছু নয় কিন্তু তার মা-বাবার কাছে হতেই পারে। অতএব হয় ফরমান জারি হয় তুমি ওর সাথে মিশবে না, খবদ্দার টিফিন শেয়ার করবে না গোছের অথবা আরো সিরিয়াস নোটে বাকী মা-বাবাদের জড়ো করে ঘোঁট পাকিয়ে স্কুলের উপর চাপ সৃষ্টি। আর, অনেক সময়েই একটা বাচ্চা যে প্রতিকূল অবস্থা বা সমাজের অন্ধ গলি থেকে এসেছে সে কিছুটা সিঁটিয়ে থাকে। অন্য কিছু না বুঝলেও সে এটা বোঝে সে তার বাকী সহপাঠীদের থেকে আলাদা। এর উপরে যদি সেই সহপাঠীদের থেকে উল্টোপাল্টা ব্যবহার পায় তো হয়েই গেল।
    স্যানের সাথেও একমত। আমাদের ছোটবেলায় এগুলো এত প্রমিনেন্ট ছিল না বা আমাদের মা-বাবারাও এই নিয়ে এত মাথা ঘামাত না। স্কুলের থেকে গার্জেন কল আসছে না অতএব ছেলে মেয়ে স্কুলে ঠিকঠাকই করছে এই ভেবেই সন্তুষ্ট থাকত। জমাদারের মেয়ের সাথে আমার মেয়ে কেন এক ক্লাসে পড়বে এই নিয়ে যে প্রতিবাদ কত্তে হয় এই ভাবনাটা তাদের মনেও ছিল না বা আমাদের মাথাতেও সেটা গেঁথে দেয় নি। কিন্তু এখনকার সিচ্যুএশন অনেক, অনেক আলাদা। আমার পরিচিত একজন সাধ্যের অতিরিক্ত করেও গার্ডেন হাইতে ভর্তি করেছে তার বাচ্চাকে। যুক্তি দুটো। এক, ওর বাবার কলিগদের ছেলেমেয়েরা সবাই 'ভাল ভাল' স্কুলে পড়ে। 'অর্ডিনারি' স্কুলে ভর্তি করলে আমাদের প্রেস্টিজটা কোথায় থাকে বল? প্লাস ওখানে কত এক্স্ট্রা কারিক্যুলাম অ্যাকটিভিটি।
    দুই, বাড়ির কাছে যে স্কুলটা মাধ্যমিকে প্রতিবার মোটামুটি ভালই রেসাল্ট করে সে সম্পর্কে তার বক্তব্য - দূর ওটা এখন 'ছোটলোক'দের স্কুল হয়ে গেছে।
    বলে রাখি, এই পরিচিত নিজে এক অগা গাঁয়ের খগা স্কুল থেকে পাস।
    কাজেই যতই RTE অ্যাক্ট নিয়ে লাফালাফি করে স্কুল লেভেলে বৈষম্য অত সহজে যাবার নয়। ওর জন্য টোটাল মানসিকতার পরিবর্তন দরকার এবং সেটা আমাদের, মা-বাবাদের। কিন্তু মগজধোলাই করবে কে?
  • pi | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:০৯25115
  • হ্যাঁ, আমারো মনে পড়ে না। লাইফস্টাইল রিলেটেড গল্প তেমন কিছু হত বলে। মানে কার কত বড় বাড়ি টাড়ি। গাড়ি ব্যাপরটাই তখন প্রায় ছিল না। না, মনে করে দেখলাম, এটা অ্যাকচুয়ালি একটু উল্টোভাবে ছিল। হাতে গোনা এক দুজনের থাকলে, আ তারা সেটা নিয়ে 'ঠাট' দেখালে, তাই নিয়ে বেশ খিল্লিই করা হত। বরং বেশি বড়লোক হলে আর সেটা নিয়ে কোনো শো অফ করে থাকলে তাদেরই একরকম করে একঘরে হতে হত। রামকৃষ্ণ মিশন বলেই কিনা জানিনা, এই ইকনমির বিভাজনটাকে গুরুত্ব না দেওয়াটা একরকম আন্ডারলাইন করেই শেখানো হত। নানারকম ভাবে।

    আর আমাদের ঐ ছুটিতে সিঙ্গাপুর, সুইৎজারল্যাণ্ডে বেড়াতে যাবার গপ্পোও ছিল না। তাই সেগুলোর ঠ্যালাতেও বিভাজন রেখা ফুটে ওঠার তেমন সম্ভাবনা ছিলনা। এখন তো এগুলো শুনি একটা ভাল হ্যাজার্ড। মা বাবা এসব স্কুলে পড়াতে পারলেও অনেকেই এতটা হয়ত অ্যাফোর্ড করতে পারেননা বা চান না। আর তাই নিয়ে অশান্তি শুরু হয়।
  • Blank | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:০৯25116
  • বাংলা দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় তো বটেই।
  • শ্রী সদা | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:০৮25113
  • পাইদি, রাইট টু এডুকেশন সুনিশ্চিত করার দায়িত্ব সরকারের। বেসরকারী স্কুলের তো সেই দায় নেই। কোনো সরকারী স্কুলে এরকম ডিসক্রিমিনেশন থাকলে অবশ্যই প্রতিবাদযোগ্য। বেসরকারী স্কুলগুলো আর যে কোনো বেসরকারী সংস্থার মতো লাভ-ক্ষতি বিচার করেই চলবে - এটাই তো স্বাভাবিক।
  • a | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:০৭25112
  • হু আ বাংলার সবচেয়ে জনপ্রিয় লেখক, এইটা কিভাবে মেজার হল? জাস্ট জানতে চাই আর কি
  • san | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:০৬25111
  • সৌভাগ্যই। এবং আজকাল আমি বুঝতে পারি আমার মাবাবা একগাদা সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীর মতামত অগ্রাহ্য করে কেন আমাকে বাংলা মিডিয়াম স্কুলে পড়িয়েছিলেন। তাঁদের প্রায় সমস্ত কলিগের ছেলেমেয়ে উচ্চবিত্তদের জন্য নির্ধারিত স্কুলে পড়ত। তাদের সঙ্গে একেবারে মিশতে পারিনি তা নয়, তবু খালি খালি আলাদা জগতের বাসিন্দা মনে হত। অথচ সেই এনিড ব্লাইটন, সেই আগাথা ক্রিস্টি, সেই হার্ডি বয়েজ।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত