এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • a | ২২ জুলাই ২০১২ ০০:০৫25110
  • Hemlok Society
    1. Hero Heroine dujonkei bhalo lage jokhon mukh bondho rakhe. Param tao marginally better
    2. Boddo slow, arbit ar predictable, not at all acceptable from so called next-gen director.
    3. Anupam: getting more cliche in every passing movie
    4. Definitely have drawn good political (Bratya) and Financial (BMW, Fortis) clout.
    Overall, you would not miss anything if you do not see it.
  • pi | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:৫৯25109
  • কেশীদা, হু আ কে নিয়ে ঐটুকু খবর নিয়ে গুরুর ফেবু গ্রুপ তুলকালাম। সেখানে আবাপ র সাংবাদিক ও এসে লিখে গেছেন, কেন 'বাজার' না থাকার কারণে ছোট খবর ইত্যাদি।
  • pi | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:৫৮25108
  • রিদ্ধি, কোলকাতার ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল গুলোতে ভালৈ বিভাজ ছিল।
    আর ঐ দিদিমণির বস্তি তুলে খোঁটা দেওয়াটাও কোল্কাতার এক নামে স্কুলেই। আর ওটা প্রায় আমাদের আমলের ও ঘটনা।
  • Blank | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:৫৭25105
  • eki re . bechaaraa syaan
  • kc | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:৫৭25106
  • হুমায়ুন আহমেদকে নিয়ে আবাপতে শুধুমাত্র একটা টুকরো খবর? বাংলা সংস্কৃতির ধ্বজাধারী আবাপতে সবচেয়ে জনপ্রিয় বাংলা ভাষার লেখকের মৃত্যু একটা টুকরো খবর? প্রচণ্ড লজ্জিত ছিলাম শুরু থেকেই, আজকের নেমন্তে দুই বাংলাদেশের বন্ধু হেব্বি চাটল, আমিও তাদেরকে বল্লাম 'ওহে আমিও তোমাদের মতই আবাপকে লাইক করিনা'। কিন্তু তাও চাটনগুলো গায়ে লাগল খুব।

    আবাপ থেকে ভাটের পাতা ফলো করা হয়, জানি। ও মশাইরা, ধিক আপনাদের।
  • pi | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:৫৭25107
  • আর হ্যাঁ, পরে হায়ার স্টাডিজে গুলোতে গিয়ে এরকম অনেককে দেখেছি। যাদের ব্যাকগ্রাউণ্ড সবাই প্রায় জানতাম ই। এদের মধ্যে শহুরে স্মার্টনেসের অভাব ছিল আর ঐ ইংজিরি নিয়ে গুটিয়ে থাকা। যেখানে পড়েছি, হয় টাকা লাগতো না, অন্য যেখানে লাগতো, সেখানে এরা মেরিট স্কলারশিপ পেত। তাই অর্থনৈতিক অবস্থা নিয়ে খুব গুটিয়ে থাকতে দেখিনি। আর তারপরে তো নিজেরাই স্কলারশিপ পেত। তার আরেকটা বড় কারণ ছিল, এরা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অত্যন্ত মেধাবী, পড়াশুনায় তুখোড়। অত্যন্ত মেধাবী। আর এই অব্দি এসে জেনে গেছে, সামনে বেটার ভবিষ্যত। সেটা হয়তো একরকম করে কন্ফিডেন্স দিতো।
    জি আর ই ইত্যাদি দেবার টাকা পয়সা যোগাড় নিয়ে একটু বেশি চিন্তায় থাকতো। বা, বাড়িতেও এই সময় অনেক বেশি দায়িত্ব থাকতো। কেউ কেউ হয়তো সেই চাপে নিজের পছন্দমত আর এগোতেও পারেনি। কিন্তু, ঐ 'একঘরে' ঠিক হয়ে থাকতো না।' এদের সবাই কিন্তু খুব চ্যারিটি পেয়ে পড়শুনা করেছে, এমন নয়। হ্যাঁ, ভালো রেজাল্ট করার জন্য ছোট থেকেই স্কলারশিপ ইত্যাদি পেয়ে আর পাঁচজনের সাথেই পড়েছে। গ্রাম কি শহরতলির 'ভালো' স্কুল। ' স্কলারশিপ' কে আমি ঠিক চ্যারিটি বলতে চাই না।
  • Blank | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:৫৬25104
  • ইস্কুল কলেজ কোথাও বিভাজন টের পাইনি। আমাদের গ্রাম্য ইস্কুলে এসব হাবভাব ছিলোনা।
  • san | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:৫৪25103
  • আমাদের ছোটবেলায় মনে হয় না লাইফস্টাইল রিলেটেড খুব কিছু গল্প থাকত আমাদের। কে কি জামা পরে, কার গাড়ি আছে/নেই, কার বাড়িতে কটা ঘর কিচ্ছু জানতাম না। বড়জোর পুজোর ছুটিতে বেড়াতে যাওয়া। কী চাট্টি নতুন গল্পের বই কেনার গল্প করে থাকব। আমি মনে হয় সিনিক হয়ে যাচ্ছি, কিন্তু আজকাল সত্যি মনে হয় আমার ছোটবেলা খুব অমলিন ছিল। সেদিন একটি দশ বছরের মেয়ের (মায়ের ছাত্রীর মেয়ে) প্রথমে আমাকে গাড়ির মডেল জিগ্যেস করা এবং শুনে স্লাইট তাচ্ছিল্যের সঙ্গে পরমুহূর্তেই আমার বর কি করে জিগ্যেস করার শক এখনো কাটিয়ে উঠতে পারি নি ঃ-(
  • riddhi | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:৫১25102
  • ঈশানের পোস্ট যে বিভাজনের কথা বলছে, সেটা আমি দেখেছি, অনেক জায়গায় খুব সুক্ষ্ম ভাবে চলতে। কিন্তু ঐ যেটা বল্লাম, এই 'খারাপ লাগা' টা স্কুলে না ঢোকার সুযোগের খারাপের থেকে অনেক কম।
  • pi | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:৪৬25101
  • তাহলে স্যান বা আমার সৌভাগ্য যে আমাদের স্কুলে এরকম কোন বিভাজন ছিল না।
  • পাই | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:৪৫25099
  • 'রাইট' টু এডুকেশন। রাইট তো। ভিক্ষা দেওয়া হচ্ছে নাকি ? চ্যারিটি নিয়ে দর কষাকশি আবার কী ?
  • Ishan | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:৪৫25100
  • অ্যাকচুয়ালি আমার দুটো ইশকুলে পড়ার অভিজ্ঞতা আছে। একটা লোকা ইশকুল। সেখানে কোত্থেকে এল, কারা মা বাড়িতে কাজ করে, এসব নিয়ে কারো মাথাব্যথা ছিলনা। তার পরেও বিভাজন ছিল। কে কোন বেঞ্চে বসবে, কে কার সঙ্গে টিফিন খাবে, ইত্যাদি। খুব সচেতন নয়, কিন্তু ছিলল।

    আরেকটা ইশকুল হল তুলনায় "ভালো" ইশকুল। কলকাতার মতো "ভালো" নয়, কিন্তু শহরতলীর "ভালো" আর কি। সেখানে প্রত্যন্ত এলাকা থেকে কিছু ছেলেপুলেকে এনে রাখা হত। তাদের দেখলে, সেই বয়সেও খারাপই লাগত।

    পরে শহরের ইশকুলের "আবাসিক" পিছিয়ে পড়া ছাত্রদের নিয়েও এরকম কিছু অভিজ্ঞতা শুনেছি। যেটা আমার অভিজ্ঞতার সঙ্গে মেলে। ইশকুল টা মনে হয় সেন্ট লরেন্স। গুলোচ্ছি কিনা, অজ্জিত বা অন্য কেউ কনফার্ম করতে পারবে।

    কিন্তু আর না, এবার অন্য কাজ। ভাটে একবার বসলে দেখি আজকাল আর উঠতে পারিনা।:)
  • pi | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:৪২25098
  • আমদের ছোটবেলায় জন্মদিনের অত ' পার্টি' থ্রোয়িং ছিল না, কাছে পিঠে থাকা ছাড়া বা খুব কাছের একজন দুজন ছাড়া স্কুলের বন্ধুবান্ধবদেরও নেমন্তন্ন করার রেওয়াজ ছিল না।

    আর এসব তো এখনকার হাই ফাই স্কুলের কথা। আর সেগুলো তো একরকম করে গেটেড বটেই। সবাই প্রায় একই রকম উচ্চ বা উচ্চ মধ্যবিত্ত। সবার বাবা মা ই বেশ কিছু না কিছু। তার মধ্যে ঐ রকমফের আছে। তাই এই মিক্সিং এর এরকম প্রথাও রয়েছে। RTE দিয়ে নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারের কেউ গেলে জন্মদিনে ওসব পর্টি নিশ্চয় থ্রো করতে পারবে না। এই রেওয়াজ না থাকলেই বা কি। বা, এই ঠ্যালায় এগুলো কোথাও
    মাঝামাঝি কোন জায়গায় এলেই বা ক্ষতি কী।

    আর ব্যাকগ্রাউণ্ড জানালেও, বল্লাম তো, সেটা শিক্ষকদের দায়িত্ব, বোঝানো, এই ব্যাকগ্রাউন্ডের ডিফারেন্সটা ম্যাটার করে না। ওটা এক্সট্রা দায়িত্ব।
  • pi | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:৩৬25097
  • ক্লাস নাইনে উঠে যখন জানতে পেরেছিলাম, আমার সেই খুব কাছের সহপাঠিনীর মা বাড়িতে কাজ করেন, তখন অসুবিধে হয়নি তো কিকিদি। আর আমার ধারণা ওটাও 'বাস্তব' ই ছিল ঃ) তারও অসুবিধে হয়নি।
    বরং অসুবিধে হত, যখন ছোটবেলায় দেখতাম, আমার বা আশেপাশের বাড়িতে কাজ করতে আসা, আমার থেকে একটু আধটু বড় মেয়েদের জন্য আলাদা সিস্টেম। আলাদা খাট বিছানা, থালা গেলাস। আলাদা জীবন। সেটা কেন, বুঝতে খুব অসুবিধে হত। ওটাও বোধহত 'বাস্তব' ই ছিল। আর এটা আলাদা হওয়া উচিত, এটা যারা বলে, তাদের কথা বুঝতে এখনো অসুবিধে হয়।

    কিন্তু আমি 'বেসিক' অধিকার গুলো নিয়ে কোন উত্তর ই পেলম্না।
  • Ishan | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:৩৪25096
  • ইশকুলের বাচ্চারা একে অপরের ব্যাকগ্রাউন্ড জানবেনা কেন। একে অপরের বাড়ি নিয়ে কথা বলে। পোশাক আশাক দেখে। জন্মদিনে নেমন্তন্ন খেতে যায়। আমার ছেলের ইশকুলে একজনের মা পুলিশ বলে তার বেশি খাতির ছিল। :)
  • শ্রী সদা | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:২৯25095
  • সত্যের পথে অবিচল থাকার জন্যে বলতেই হল যে চ্যারিটির জিনিস নিয়ে এরকম দর কষাকষি দেখলে কেমন একটা লাগে। ঐ ইস্কুলগুলোর তো কোনো দায় ছিল না গরিব বাচ্চাদের ফ্রিতে পড়ানোর, তাও কিছু তো করছে। এতে যে ইস্কুলগুলো খুব মহান কিছু হয়ে যায় তা অবশ্যই নয়, তবে ঐ আর কি।
  • kc | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:২৮25093
  • Kaal se pehle wahi tha...kaal ke baad wahi
    Jane kitni sadiyon se ...le raha wo teri...teri... teri...
  • san | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:২৮25094
  • আমাদের ইশকুলেও বিভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে মেয়েরা পড়তে আসত। অনেককেই এক্সট্রা সাহায্য করেছেন দিদিরা। একদম ছোটবেলায় জানতামই না। তারাও দিব্যি ঝাঁকের কই ঝাঁকে মিশে থাকত। পরে জানতে পারি এদের জন্য আলাদা করে হোমওয়ার্ক করানোর ব্যবস্থা আছে, মাধ্যমিকের আগে এক্সট্রা কেয়ার নেবার ব্যবস্থা আছে। দিদিরা তো করতেনই, কিছু কিছু ভলান্টিয়ারও থাকত উঁচু নাইন-টেনের স্টুডেন্টদের মধ্যে। তো তারা পরে কেউ কেউ ইঞ্জিনিয়ারিং-ডাক্তারি পড়েছে। (মানে এই দুটো স্ট্রিম আমি জানি)। এখন কে কি করে জানিনা, তবে অ্যাকসেপ্টেন্সের প্রবলেম ইশকুলে থাকাকালীন ডেফিনিটলি হয়নি। এটুকু বলতে পারি।
  • riddhi | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:২৩25091
  • আমাদের ভাইয়ের স্কুলে দেখেছি। বড়লোক আর গরীব বাচ্চাদের মধ্যে ডিভাইড। আমার দেখ প্রায় সব স্কুল কলেজেই লোকে অর্থনৈতিক স্টেটাস অনুযায়ি ক্লাস্টার করে, ভাল স্কুল কলেজে অন্কে সুক্ষ্ম ভাবে, কথা বলার কমন পয়েন্ট তো চাই। বাচ্চাবেলায় এগুলো বেশী মনে দাগ কাটে। কিন্তু এটা একেবারেই মনে করি না, যে এই অসুবিধে গুলো ঐ স্কুল কলেহের পড়ার সমান সুযোগে বা সুবিধেকে কাউন্তার করতে পারে।
    আর কলেজেও। এখানের অনেকে জানবেন, আই আইটি ইঃ কালেজে পড়তে আসা ভারতের বিভিন্ন জায়্গার প্রত্য়্ন্ত গরীব গ্রাম থেকে আসা লোকজন। একটা বিশা-আ-আ-ল কালচারাল তফাত। বড় হবার জন্য ক্সারাক্ষন নিজেদের মধ্যেই কাটিয়ে দেয়। কি করা যাবে? কিন্তু এরা বেশীর্ভাগ এই ইন্স্টি গুলোর টপার।
    আর সবার আগে আমাদের আমেরিকায় আসা টাই বন্ধ করা উচিত। আমাদের নিজেদের ভালqর জন্যি। আমি আমার আমেরিকান বন্ধুদের সেক্স লাইফের গল্প শুনে খুব দুঃখে রোজ বাড়ি ফিরতাম।
  • kiki | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:২৩25092
  • এবার আমি ঘেঁটে গেলাম। কি থেকে শুরু হয়েছিলো। যাগ্গে ঘুমোতে যাই এবার।
  • a x | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:২২25090
  • তোমার ১১ঃ১০'এর পোস্টেই তো আছে, অভিভাবকেরা মেনে নেবেনা। কি মেনে নেবেনা তাহলে?
  • a x | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:২১25089
  • লাড়াই? কিন্তু আদৌ তা হয়না। লড়াই কই? আমি তো পয়সা দিয়ে আমার বাচ্চাকে ভালো স্কুলে পাঠাচ্ছি, তাকে তো লড়াই করে ভালো স্কুলে ঢুকতে হয়নি? আমি তো পয়সা দিয়ে হার্ভার্ডে পাঠাচ্ছি, যেখানে এনরোনের ফিউচার সিইও যাবে, উই উইল বিলং টু দ্য সেম ক্লাব। পরে দরকার হলে ঐ চেনার জন্যই আমি আরো উপরে উঠব। বেশি উপরে উঠে গেলে এমনি এমনি বেইল-আউটও পয়ে যাব। এদিকে ৭০% পোস্টাল ওয়ার্কারদের চাকরি যাবে। এর মধ্যে লড়াইটা এক্স্যাক্টলি কে করল?
  • kiki | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:১৯25088
  • সেরেছে!
    অক্ষ,
    বংশ পরিচয় কে জানাচ্ছে। স্কুল কতৃপক্ষ জানায় নাতো!

    অন্ততঃ কলকাতায় এমন ঘটে বলে শুনিনি।
  • a x | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:১৬25087
  • ওহো, এইবার বুঝলাম, দে!
  • de | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:১৪25084
  • অক্ষ-- পাতা উল্টে আর দেখলাম না, বোধহয় লিখে বোঝাতে গিয়ে কিছু গন্ডগোল হলো, অ্যাকচুয়ালি রেপ ভিক্টিম মা-ই পড়াশুনা করতে চায়, তার মোটে তেরো-চোদ্দ বছর বয়স, বাচ্চাটাকে মেরে ফেলতে চায়নি বেচারী! কত সাহস থাকলে অতোটুকু মেয়ে এমনি ডিসিশান নিতে পারে তাই ভাবি!

    আমিও সব মিলেমিশে যাওয়ার পক্ষে, বাচ্চাদের প্রোটেক্ট করতে গিয়ে বাস্তব থেকে দূরে রাখতে মোটেও চাইনা। সমাজে ক্লেদ তো আছেই, সেটাকে আগে অ্যাকসেপ্ট করতে না শিখলে ক্লেদ দূরীকরণের কাজ হবে কি করে?

    তবে আজগের হীরো আকা -- কোন কতা হবে না ঃ))-- এমন সরল স্বীকারোক্তি এর আগে কোন কমরেডকে করতে দেখিনি ঃ))
  • kiki | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:১৪25085
  • ঈশান,
    হ্যাঁ, লড়াইয়ে যে জেতে সেই টেঁকে। নানারকম লড়াই হয়। চালাকির লড়াই, খুন, ইত্যাদি দাদাগিরির লড়াই, মেধার লড়াই, প্রত্যেকটা সেটের আলাদা আলাদা জায়গা, আলাদা আলাদা লড়াই। কখন ও কখনো এর সাথে ওর লড়াই হয়ে যাই বটে।

    কিন্তু আমি আর পারছি না। আমার এত জটিলতা ভাবতে ভাল্লগেনা। ক্ষান্ত দিলুম।
  • a x | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:১৪25086
  • কিকি, তুমি আমার পোস্টগুলো দেখনি। অভিভাবকদের জানার কোনো অধিকার নেই বলে আমি মনে করি যে তার ছেলে/মেয়ের সহপাঠির কি বংশপরিচয়। কাজেই কাউকে কিছু জানতে হবে কেন? বাবা মা না জানলে বাচ্চাও জানবেনা। ঈশানের ঠিক উল্টো অভিজ্ঞতা আমার, আমাদের সাথে এমন কিছু ছেলে মেয়ে পড়ত, জানতামনাও। এই কিছু বছর আগে জানলাম। তারাও আমি এখন যেমন, তেমনই।

    আর তোমার যেমন নিজের সর্বস্ব দিয়ে ভালো স্কুলে পাঠানোর ইচ্ছে, সব বাবা-মার'ই তো তাই ইচ্ছে, তুমিও যেমন তোমার ছোটবেলার স্কুলের মত স্কুলে পাঠাওনি তোমার ছেলেকে, তেমনই "ওদের" ক্ষেত্রেও বা হবেনা কেন?
  • প্পন | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:১১25083
  • আর সমানাধিকার দিতে গেলে বাচ্চাদেরই দিতে হবে। প্রাথমিক শিক্ষাক্ষেত্রে তো বটেই। দরকার হলে RTE-এর মত আইন করে।

    কমুনিজমের সঙ্গে অ্যানালজিটা একেবারেই যায় না।প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য সমান প্লাটফর্ম এনফোর্স করার কথা এইখানে কেউই বলছে না।
  • pi | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:১০25081
  • নাঃ, আমাদের সাথে এরকম কেউ কেউ পড়তো। ভাল করেছে, বেশ ভাল করেছে। আমরা বহুদিন অব্দি জানতাম ই না। দিদিমণিরা কিছু বলেনওনি। পরেও সবাই জেনেছে, এমন না। বন্ধুত্ব হবার পরে, ওদের কাছ থেকেই আমি আর কিছু বন্ধু জেনেছিলাম।

    কার কী ব্যাকগ্রাউণ্ড সেটা ফ্যাক্টর হবে কেন, জানাতে হবে কেন ? আর, সে নিয়ে যাতে জলছাড়া মাছের মত 'একঘরে' হয়ে পড়ে না থাকে, সেটা দেখাই তো মাস্টারমশায়, দিদিমণিদের কাজ। ওটা এক্স্ট্রা দায়িত্ব।
  • kiki | ২১ জুলাই ২০১২ ২৩:১০25082
  • তোমরা রিয়েলি পাইয়ে দেওয়ার গল্পটা জানোনা?

    অক্ষ,
    আমিও ঠিক সেটাই মনে করি। যে সমস্ত বাচ্চা পরিস্থিতির স্বীকার তাদের কে প্রাথমিক লড়াই টাতে সাহাজ্য করে দেওয়াটা উচিত। কিন্তু তার জন্য এটা বিশাল জরুরী নয় কি তাদের জোর করে কিছু স্কুলে ঢুকিয়ে দেওয়া হলো, যেখানে কেউ তাদের সুস্থ ভাবে মেনে নেবে না। আজ যদি স্কুল কতৃপক্ষ ও মেনে নেয়, অনেক বাবা মা সেটা মেনে নেবে না। এবং এই স্কুল গুলো মনে হয় কোনো গ্রান্ট পায় না। কাজেই তাদের পক্ষে সেটা চাপ। বরং এটা করা যেতেই পারে যে পয়সা দিয়ে বা নিজে গিয়ে পড়িয়ে বা শ্রম দান করে সেসব বাচ্চাদের এগিয়ে নিয়ে আসা সেই পর্যন্ত্য যতক্ষন না তারা নিজেরা লড়ে নিতে শিখছে। আর হয় ও প্রচুর এরকম। আমাদের বেহালায় ই আমি বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান দেখেছি ছোটবেলায় যারা কোচিং, বই ইত্যাদি দিয়ে হেল্প করে। কিছুদিন আগে তোমরাই এমনি স্কুলে কেন যাবে না নিয়ে লড়ছিলে না? সেই স্কুলে পাঠাতে আপত্তি কোথায়? আমার বাড়ী জে কাজ করে তার ছেলে তো আমি যে স্কুল থেকে ইলেভেন টুয়েল্ভ পড়েছি, সেখানেই পড়ছে। প্রবলেম কোথায়? যখন সে তার দাঁড়ানোর জায়গা পাবে তাকে সমাজ মেনে নিতে বাধ্য।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত