এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৩)

    সিকি
    নাটক | ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ | ১৪৭১৬৪ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • dc | 132.*.*.* | ৩০ মার্চ ২০১৫ ২১:৫৯659819
  • আরো লিংক পাচ্ছি, তবে এটাও টেলিগ্রাফঃ

    At a meeting organised by Citu, the CPM’s labour arm, Basu admitted that neither Dasgupta nor he could foresee that gheraos, sit-ins and other forms of militancy would spin out of control and mess up industrial relations, shattering Bengal’s economy and casting a shadow on its future with investors shunning the state.

    “Little did we, Promodebabu, Ajoybabu (Mukherjee, the first United Front chief minister) or myself, realise that gheraos, strikes and other extreme forms of trade unionism in support of workers’ demands in 1967 would take such a dangerous shape,” the former chief minister said.

    “Even a farsighted man like Promodebabu had failed to gauge its likely impact.”

    “Militant trade unionism is a mistake even for an organisation like Citu,” Basu said. “Gheraos, strikes and other kinds of hooliganism are not conducive to the changing industrial scenario in Bengal.”

    http://www.telegraphindia.com/1030106/asp/frontpage/story_1547303.asp
  • dc | 132.*.*.* | ৩০ মার্চ ২০১৫ ২২:০২659820
  • ডিডিদা তাহলে ঠিকই লিখেছেন, ১৯৭০র শুরু থেকে বা তার কিছু আগে থেকেই মিলিট্যান্ট ট্রেড ইউনিয়নিজম শুরু হয়ে গেছিল। পরের দিকে জ্যোতি বাবু বোধায় ভুল বুঝতে পেরেছিলেন, কিন্তু তদ্দিনে ঘোড়া পালিয়েছে।
  • dd | 132.*.*.* | ৩০ মার্চ ২০১৫ ২২:০৪659821
  • ওম্মা। আমি ক্ষি মরে গেছি না কি? যে আমার কথার ইন্টার্প্রিটেশন নিয়ে তক্কো হবে? বালাই ষাঠ। (একচুআলি বাশট্টি)

    "আগের থেকে" মানে হছে"আগের থেকে",ব্যাস। সিংহ্সানে যেই ই থাকুক ষাঠ দশকের মাঝা থেকেই মিলিটান্ম্ট ট্রেড ইউনিয়ন যেটা বাম পার্টী(ক্রমে বাঙালীদের) একটা আইকন ছিলো। (আইকনই তো কথাটা? যাগ্গে,মানেটা বুঝলেন তো? তাইলেই হোলো) সেটা পচ্চিম বংগের একটা অভিশাপ ছিলো, টেরটা এখনো পাছেন।

    নতুন ইন্ডাস্ট্রী করার কথা কেউ ভাবতেও পারতো না। পুরোনোগুলো চলে যেতে শুরু কল্লো। এই যেমতি সাধের পচ্চিম বংগে র এনার্কো নকু তিনোমুলী রাজত্বে এখন চলছে। ইন্ডাস্ট্রী তো দুরের কথা,রাস্তা ঘাট ওভার্ব্রীজ হাইওয়ে - সব কিছু বন্ধো। মেধা পাটকারের স্বপ্ন সফল।
  • dc | 132.*.*.* | ৩০ মার্চ ২০১৫ ২২:১২659822
  • "ইন্ডাস্ট্রী তো দুরের কথা,রাস্তা ঘাট ওভার্ব্রীজ হাইওয়ে - সব কিছু বন্ধো"

    এটা ভালো বলেছেন। বাকি ভারতে এখন এটাই পবর ইমেজ। আগে ছিল জ্যোতি বসু, এখন হলো মমতা। পব থাকলো পবতেই :d
  • সিকি | 166.*.*.* | ৩০ মার্চ ২০১৫ ২২:৩৫659823
  • তাতে কী। তেলেভাজার দোকান তো হয়েছে অনেকগুলো - ষাটের দশক থেকেই।
  • ন্যাড়া | 172.*.*.* | ৩০ মার্চ ২০১৫ ২২:৫৯659824
  • মমতার যেমন সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম, জ্যোতিবাবুর তেমনি মিলিট্যান্ট ট্রেড-ইউনিয়নিজম। গদিতে বসার সাক্সেসফুল ছক। সিঙ্গুর-নন্দিগ্রামে ডিরেক্টলি ঝাড় গেছে কয়েক-হাজার লোকের, মিলিট্যান্ট ট্রেডইউনিয়ানিজমে ঝাড় গেছে লাখ-লাখ লোকের। তার ফলে আমরা, আমাদের পরের জেনেরেশান সব ভুগছে। পিটিবাবুরা হাই তুলে মিথ্যেভরা তক্ক করে যান ছেলেপুলেদের প্রবাসে পাঠিয়ে।
  • PT | 213.*.*.* | ৩০ মার্চ ২০১৫ ২৩:২৪659825
  • @dc
    এর সঙ্গে একটু freight equalisation ব্যাপারটাও দেখে নেবেন। পব-র কল-কারখানার সব্বোনাশের শুরু সত্তরের আরো আগে থেকেই।

    In the western region, the policy especially benefited the coastal states such as Maharashtra and Gujarat.

    The finance minister T. T. Krishnamachari also equalized the freight, which greatly benefited the cement manufacturers in the South Indian states, as limestone and dolomite became cheaper to transport from North India.

    The North Indian areas that benefited from the policy included Delhi, its surrounding districts and Punjab.

    The sufferers of this policy were the states of West Bengal, Bihar (including present-day Jharkhand), Madhya Pradesh (including present-day Chhattisgarh) and Orissa.

    These states lost their competitive advantage of holding the minerals, as the factories could now be set up anywhere in India.

    This was NOT the case in the PRE-INDEPENDENCE era, when the major business houses like the Tatas and the Dalmias set up industries in these states, and most of the engineering industry was located in the state of West Bengal.
  • নির | 230.*.*.* | ৩০ মার্চ ২০১৫ ২৩:৩০659826
  • আপনারা সব কেমন যেন। শিল্প মানেই কি শুধু কলকারখানা? বায়স্কোপ-টিভি-যাত্রাপালা এগুলো শিল্প নয়? আমাকেই দেখুন না, সকালে তেলেভাজার দোকান দিতাম, রাত্রে যাত্রাদলে বেহালা বাজাতাম, সারাটা দিন শুধু শিল্প আর শিল্প। আপনারা ইয়ারদোস্ত, আপনাদের বলতে দোষ কি, এই করে করে যা টাকা করেছিলাম না, (জবর)দখল করা জমিটাতে পাঁচ-দশতলা বাড়ি একখানা হেসে খেলে হয়ে যেত, সিন্ডিকেটের ঝেড়ে আনা ইটপাটকেল-চুনসুরকি তো ছিলই। কিন্তু ঘোর কলি, কি আর বলব, বিশ্বাস করে একটা লোকের কাছে টাকা জমা রেখেছিলাম, ভক্ত লোক, সারা দিন শুধু মুখে ঠাকুর-মা-স্বামীজির বাণী, রোজ সকালে টাকা মাটি মাটি টাকা ১০৮ বার জপ না করে জল খেত না, তার কি ভীমরতি হলো, সব টাকা গাপ করে কাশ্মীর পালিয়ে গেল মাইরি! আবার শুরু থেকে শুরু করছি- নিউ মার্কেটের সামনে খানিকটা রাস্তা দখল করে একটা ত্রিপল পেতেছি, আশ্চর্য টু-ইন-ওয়ান মাদুলি বিক্রি হবে, পরিধানের ১৫ দিনের ভেতর নিশ্চিত সরকারী চাকরি পাওয়া যাবে ও একই সঙ্গে পেটের পুরনো রোগ ভালো হয়ে যাবে। আপনাদের জানিয়ে রাখি শিল্পের এই নতুন দিশা দেখানোর জন্য নবান্ন থেকে আমার নাম আগামী বঙ্গ-শিল্প-বিভূষণ পুরষ্কারের জন্য বিবেচনা করা হচ্ছে। আমার জন্য দোয়া করবেন।
  • ন্যাড়া | 172.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ০১:২৪659827
  • ফর্মুলামাফিক ফ্রেট ইকুয়ালাইজেশন এসে গেছে। "হায় গো আমরা কীরকম করে খাচ্ছিলুম সব আগলে বসে, এখন বলে দিয়ে-থুয়ে খেতে হবে"। ফ্রেট ইকুয়ালাইজেশনে পশ্চিমবঙ্গের আনফেয়ার অ্যাডভান্টেজ চলে গেছিল। কিন্তু এতদিন ধরে সেই আনফেয়ার অ্যাডভান্টেজ ভোগ করার ফলে যে শিল্পে অন্য অধিকাংশ রাজ্যের থেকে অনেক বিষয়ে এগিয়েছিল, সেটি আমাদের মহামান্য বামেদের কৃপায়- জ্যোতিবাবু প্রমুখদের মহান নেতৃত্বে - গাধার ইয়েতে পাঠিয়ে দিলেন। আশ্চর্য লাগে এখনও ধুয়ো ধরার লোকের অভাব হয়না। নিজেদের মেরুদন্ডের টেন্সাইল স্ট্রেংথটা মেপে দেখলেন নাকি?
  • . | 59.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ০১:৪৪659829
  • নিজের রাজ্যে উৎপাদিত বস্তুর দাম কম হবে পণ্য। মাশুলে কম হওয়ার জন্য এটাই তো হওয়া উচিত। নাকি তর্ক কর্তে হলে সত্যের সংঞ্জা বদলে যায়?
  • রুদ্র | 125.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ০৩:১৬659830
  • এটা ও রইল আশা করি আনেক কিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে ...............

    নন্দীগ্রাম আন্দোলনের নেপথ্যে ১

  • রুদ্র | 125.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ০৩:১৭659832
  • নন্দীগ্রাম আন্দোলনের নেপথ্যে - ৩

  • রুদ্র | 125.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ০৩:১৭659831
  • নন্দীগ্রাম আন্দোলনের নেপথ্যে ২

  • রুদ্র | 125.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ০৩:১৮659833
  • নন্দীগ্রাম আন্দোলনের নেপথ্যে -৪

  • shatadal | 99.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ০৭:৪৯659834
  • পলিটিকসে আবার ফেয়ারনেস কি? যেটা হলে প্রতিপক্ষের অসুবিধা হয় সেটাই ফেয়ার। বামেদের অসুবিধা হলে সেটা তৃণমূলের ফেয়ার, তৃণমূলের অসুবিধা হলে সেটা বামেদের ফেয়ার।

    তবে দেশবিশেষে এই ফেয়ারনেসের একটু ইতরবিশেষ হয়। অন্য রাজ্যে কোন কিছুতে রাজ্যের সুবিধা/অসুবিধা হলে সেটা দলনির্বিশেষে ফেয়ার/আনফেয়ার। এক বাঙালীরা সেটা মানে না। একমাত্র বাঙালীই বলতে পারে শিল্প চাই, কিন্তু আমি তো অবাম - তাই ফ্রেট ইকুয়ালাইজেশন ফেয়ার।
  • PT | 213.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ০৮:১১659835
  • আমার ধারনা ছিল যে ফ্রেট ইকুয়ালাইসেশনের বাম-অবাম কিছু নেই। এটা অনেক গুলো রাজ্যরই সমস্যা। আর সেই রাজ্যগুলো আজকের দিনেও ভারতের মধ্যে পেছনের সারিতে। একমাত্র পব ছাড়া আর কোথাও বামেরা রাজত্ব চালায় নি কিন্তু ঐ রজ্যাগুলো-ও মহারাষ্ট্র বা গুজরাতের সমকক্ষ হতে পারেনি।

    তবে বিধান রায়কে "পব-র রূপকার" বলার মত মেরুদন্ডহীনতার চাপ থাকলে এই ব্যাপারটাকে বামেদের ফর্মুলা বলে চালানোর চেষ্টা চালানো যায়। দীর্ঘদিনের কংগ্রেস প্রভাবিত মূলস্রোতের বাংলা মিডিয়া ঠিক এই ভাবেই ঘটনাটাকে ক্লিশে বানিয়ে দিয়েছে।
  • dc | 132.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ০৮:১৩659836
  • PT, এটা হতেই পারে যে ফ্রেট ইকুয়ালাইজেশন পলিসির জন্যও অনেক শিল্প পবর বাইরে চলে গেছিল। তার মানে, এই পলিসি ইমপ্লিমেন্ট করার পর যেসব জায়গা পবর তুলনায় বেশী কম্পিটিটিভ মনে হয়েছে ইনভেস্টররা সেসব জায়গায় চলে গেছেন। সেই সময়ে পবতে ট্রেড ইউনিয়নিজম আরো বেশী করে হয়েছে, ফলে ইন্ডাস্ট্রিও বেরিয়ে গেছে। এটা না করে জ্যোতি বসু যদি ইনভেস্টর ফ্রেন্ডলি পলিসি নিতেন তাহলে হয়তো কিছু শিল্প থেকে যেত বা অন্য কিছু শিল্প আসতো। বুদ্ধবাবুর মধ্যে কিন্তু এই প্র্যাগম্যাটিজমটা ছিল। উনি ট্রেড ইউনিজমে রাশ টানতে চেয়েছিলেন, আর ইনভেস্টর ফ্রেন্ডলি পলিসি নিতে চেয়েছিলেন কারন উনি বুঝেছিলেন যে ইনভেস্টমেন্ট একটা রাজ্যের কতোটা উপকার করতে পারে। এবার শতদল যেটা বলেছেন, বিরোধীদের কাজ বিরোধীরা করেছে, প্রোজেক্টের বিরোধীতা করেছে। বুদ্ধবাবু সেই বিরোধীতা সামলাতে পারেননি।
  • ন্যাড়া | 172.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ০৮:১৯659837
  • সোপবক্স ছাড়া আর সম্বলও তো কিসু নাই পিটিবাবু! কাজেই চোঙাই ফুঁকুন।
  • PT | 213.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ০৮:২৭659838
  • @dc
    এই আলোচনাতে আরো একটা ব্যাখ্যার প্রয়োজন আছে।
    পব-র চারিপাশের যে সব রাজ্যে বামেরা ছিল না বা সেই অর্থে "জঙ্গি" ট্রেড ইউনিয়ন করার সংস্কৃতি ছিল না সেগুলো কেন এখনও মহারাষ্ট্র বা গুজরাত হতে পারেনি?
  • dc | 132.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ০৮:৪৬659840
  • পবর পাশে মানে বিহার-ঝাড়খন্ড-ওড়িষা এই রাজ্যগুলো তো? এরা কেন কম্পিটিশনে পিছিয়ে পড়লো আমি খুব ভালো জানিনা। আপনি কি সেই "কেন্দ্রের বঞ্চনার" কথা বলছেন? আপনি কারনগুলো লিখুন, আগ্রহ নিয়ে পড়বো।

    কিন্তু একটা ব্যাপার আছে। পব তে ট্রেড ইউনিয়নিজম একটা বড়ো কারন ছিল শিল্প চলে যাওয়ার পেছনে, এটা নিয়ে অনেক পেপারেই লিখেছে আর জ্যোতি বসু নিজেও এটা পরের দিকে বুঝেছিলেন (যদি টেলিগ্রাফের রিপোর্টটা সত্যি হয় তো)। কাজেই পব র পাশের রাজ্যগুলোর সাথে কম্পেয়ার করলেও এই কারনটা পাশ কাটানো যাচ্ছেনা।
  • sm | 233.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ০৯:২৪659841
  • পিটির, কথা বুঝতে গেলে দিন পার হয়ে যাবে।ফ্রেট একুয়ালায়সেশন যদি একমাত্র কারণ হয় তাহলে বামেরা চিরটা কাল কংগ্রেস আর মাঝের কিছটা সময় বিজেপি কে সাপোর্ট দিয়ে এলো কেন? ৪০-৫০ টা করে এমপির সাপোর্ট দেওয়া লোকসভাতে তো মুখের কথা নয়।জ্যোতি বসুর সময় থেকে ৩৪ বছর কাল,কোথায় বামেরা এই নীতির বিরুদ্ধে কত পিতিবাদ করেছে? কেন্দ্রীয় সরকার এর প্রাণ ভোমরা বুদ্ধ বাবুর সরকার কবার এই নীতির বিরুদ্ধে লোকসভা ভেঙ্গে দেবার হুমকি দিয়েছে?
    কাঁচের ঘরে বসে ঢিল ছুড়লে, এটাই প্রাপ্য পিটি বাবু।

    আর ডিসি কে প্রশ্ন, ইনভেস্তার ফ্রেন্ডলি এনভায়রনমেন্ট বলতে ঠিক কি বোঝাতে চাইছেন।কোনো রাজ্যের সরকার ঠিক কি করলে ইনভেস্তার ফ্রেন্ডলি বলা যায়?
  • sm | 233.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ০৯:২৬659842
  • সরি বুদ্ধবাবুর অমলটা বাদ যাবে।
  • dc | 132.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১০:০৮659843
  • ইনভেস্তার ফ্রেন্ডলি এনভায়রনমেন্ট বলতে মোটামুটি দুটো জিনিষ বলতে চেয়েছি। এক, বুরোক্রেসি বা রেড টেপিজম কমানো। কিছু রাজ্যে এটা একটু কম, কিছু রাজ্যে বেশী। আর দুই, বড়ো ইনভেস্টররা যাতে আসে সেরকম কিছু পলিসি নেওয়া। যেমন ট্যাক্স ইনসেন্টিভ, জমির অ্যাভেলিবিলিটি, ট্রেড ইউনিয়নের বাড়াবাড়ি না হতে দেওয়া ইত্যাদি। এগুলোও একেক রাজ্যে একেকরকম।
  • sm | 53.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১০:২৪659844
  • ট্রেড ইউনিয়নের বাড়াবাড়ি ছাড়া, সব কিছুই পব তে বিদ্যমান ছিল।টাটারা ট্রেড ইউনিয়নের বাড়াবাড়ি জেনেই সিঙ্গুরে এসেছিল।আই টি ইন্দাস্ত্রী গুলোও ট্রেড ইউনিয়ন ছাড়াই ভালো মত চলছে।সুতরাং ট্রেড ইউনিয়ন নামক ভূত টি মিডিয়া সৃষ্ট।
    ইনভেস্টর ফ্রেন্ডলি মানে আমি বুঝি শিল্পপতি দের প্রায় বিনামূল্যে জমি সরবরাহ; তাও যেখানে তারা চাইবেন। কোষাগার থেকে হাজার হাজার কোটি খরচা করে তাদের স্বল্প সুদে টাকা দেওয়া,ঋণ মুকুবের বন্দোবস্ত করা,কারখানার জমিতে ভবিষ্যতে হোটেল, অবসান করতে দেওয়া ইত্যাদি।
    ডানলপ, জেসপ শিল্পপতিদের হাত তুলে দেওয়া সত্বেও চলল কি?এক্ষুনি হোটেল, আবাসনের পারমিশন দিন, দেখুন কাজ শুরু হয়ে যাবে।
    পব তে বেসরকারী বড় শিল্প না এসে ভালই হয়েছে।
  • PT | 213.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১১:০৮659845
  • " ফ্রেট একুয়ালায়সেশন যদি একমাত্র কারণ হয় ..."
    "একমাত্র" কারণ সেটা ঠিক কোথায় বলেছি? এই চায়ের দোকানের তক্কের বাইরে অন্য তথ্যও পাওয়া যায়। সেটাই যে একমাত্র তত্ব তাও হয়্ত নয়। তবু ফিরে তো দেখাই যায়ঃ

    The cliché about West Bengal, the most familiar story of how things could come to such a pass, is of course poor labor relations---who would invest in West Bengal, when they could invest in Maharashtra and Gujarat and buy themselves a much more docile labor force..............
    ..........A recent joint study by the World Bank and CII based on data from over a thousand firms,
    provides some support for the view that low profitability is the key problem in West Bengal, rather than labour militancy.
    http://www.econ.nyu.edu/user/debraj/Papers/westbeng.pdf
    প্রবন্ধে আরো অনেক বিশ্লেষণ ও তথ্য আছে। পব-র বাম সরকারের সমালোচনাও আছে। কিন্তু সেগুলো আবাপ-র ছাপানো গপ্প বা চায়ের দোকানের পার্সেপশন নির্ভর তক্কের তুলনায় অন্য রকম।
    অন্য অনেকের সঙ্গে প্রণব বর্ধনের নাম আছে এই প্রবন্ধের লেখক হিসেবে।
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১১:৩৬659846
  • পিটি ঠিকই বলেছেনঃ
    ওনার লিং থেকেঃ
    "The effects of poor infrastructure are much more palpable. A recent study puts West Bengal 14th among Indian states in 1997-98 in terms of an index of infrastructure, as compared with 4th position in 1971-72.2 The index comprises (a) roads, railways, ports, (b) irrigation, (c) electricity, (d) telephone, (e) loan-deposit ratios of banks and (d) tax collection of the state government.
    In terms of each of these individual items, West Bengal has fallen below the national average whereas in 1964-65 it either came first or second. These facts therefore suggest infrastructure to be a key factor explaining the decline of West Bengal’s industrial performance relative to the rest of the country.
    --- দেখা যাচ্ছে যে কৌশিক বসু/ প্রণব বর্ধন/মৈত্রীশদের রিপোর্ট অনুযায়ী কী কী কারণ ছিল। এখানে শুধু ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেক্টরের অংশ থেকে কোট করেছি।
    আর ৬৪-৬৫ সালে কং আমলে যেখানে বঙ্গ ভারতে প্রথম কি দ্বিতীয় ছিল সেখানে ১৯৯৭-৯৮ নাগাদ ২১ বছরের নিরবচ্ছিন্ন বাম রাজত্বে ১৪ তম !
    আর পিটির খুঁজে পাওয়া এই অমূল্য প্রবন্ধে তাবড় তাবড় অর্থনীতিবিদরা মাশুল-সমীকরণ নিয়ে বিশেষ কিছু বলেন নি দেখছি! ওদেরই ভুল!
    বাম সরকার এই প্রবন্ধে সরকারের জন্যে যেসব সাজেশন দিয়েছে তা ছুঁয়েও দেখেন নি সরকার!
    অব্শ্য ২০০২ এ প্রকাশিত এই দাওয়াই এর পর মাত্র ৯ বছর সময় পেয়েছিলেন বাম সরকার।কী আর করা!
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১১:৪১659847
  • "আজ বাংলার বুকে দারুণ হাহাকার!"

    --সারদা ঘপলাঃ ২২০০ কোটি (অনুমান)
    --- রোজভ্যালি ঘপলাঃ ২০০০০ কোটি (অনুমান)
    --- এম পি এস ঘপলাঃ ১০০০০ কোটি (অনুমান)

    এটা মানতেই হবে বামেরা এসব ব্যাপারে হাত কালো করে নি।
  • দেব | 135.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১১:৪৫659848
  • ফ্রেইট ইকুয়ালাইজেসন পূর্ব ভারতের তিনটি রাজ্যকে বাম্বু দিয়ে গেছে - বিহার (ঝাড়খন্ড সমেত), ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গ। বিহার ও ওড়িশা ঝাড়টা অনেক বেশী খেয়েছে অবশ্য। পবতে শিল্পের গুষ্টিনাশ হওয়ার পেছনে বামেদের ত্যাঁদড়ামোর চেয়ে কেন্দ্রের মাথামুন্ডুহীন আর্থিক নীতি দায়ী। একটা উদাহরণ দিই। পবতে ছোট ও মাঝারী ইঞ্জিনিয়ারিং কারখানা ছিল অনেক। এদের একটা কাঁচামাল ছিল তামা। তামা আমদানী করতে হত ভারতে। বিদেশী মুদ্রা বাঁচানোর জন্য কংগ্রেস সরকার ঠিক করল তামা আমদানীতে কোটা লাগাতে হবে। লাইসেন্স-পারমিট-কোটা রাজ শুনেছেন হয় তো এ সেই কোটা। ১৯৬২-৬৩ সালের হিসাব, পবতে কারখানাগুলোর দরকার ছিল ১৯৯০০ টন তামা। কেন্দ্রীয় সরকার অনুমতি দিল ১৮৩৫ টন আমদানী করার! কাঁচামালই নেই তো কারখানা চলবে কোদ্দিয়ে। এই অদ্ভূত পলিসী মুখ থুবড়িয়ে ফেলল ইন্ডাস্ট্রিটাকে কয়েক বছরের মধ্যে।

    ৪৭ উত্তর কালে কেন্দ্রীয় সরকারের নীতির থ্রাস্ট ছিল ইমপোর্ট সাব্স্টিটিউশন। অর্থাৎ যে পণ্যগুলো দেশে আমদানী করতে হয় সেগুলো দেশেই উৎপাদন করতে হবে। এই পলিসীর সুফল ভারত এবং পব পেয়েছে অনস্বীকার্য, হয় সরাসরি যেমন দূর্গাপুরের ইস্পাত কারখানা, বা ঘুরপথে যেমন দেশে উৎপাদিত ট্রেনের ইঞ্জিন রেলব্যবস্থার উন্নতি ঘটিয়েছে। কিন্তু এর উল্টোদিকটা, ইমপোর্ট সাব্স্টিটিউট করতে গিয়ে এক্সপোর্ট ওরিয়েন্টেড ইন্ডাসট্রিগুলোকে ডিসএডভ্যান্টেজ করা হয়েছে। চোটটা পবর জন্য ডিসপ্রোপরশনেট হয়েছে।

    এর সাথে যোগ করুন দেশভাগের ইমপ্যাক্ট আর সেইসঙ্গে উদ্বাস্তুদের ঢল। সব মিলিয়ে ৪৭ এর পর থেকে পবর সার্বিক অবনতি হয়েছে। মিলিট্যান্ট ট্রেড ইউনিয়নিসম শুরু হয়েছিল এই ডিক্লাইনটার রিয়্যাকসনে। এগুলো বাদ দিয়ে শুধু সিপিএমকে গাল দিলে ঠিক হয় না। কিন্তু ৭৭এর পরে অবশ্যই সিপিএমের দায় অনেকটাই।

    এসএমের লেখাগুলো পড়ে মনে হয় উনি বোধহয় ট্র্যাডিশনাল বামপন্থীদের ট্রল করছেন।
  • ranjan roy | 24.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১১:৫৫659849
  • দেব,
    পিটির দেওয়া লিংকে অর্থনীতিবিদরা মূলতঃ ১৯৮০-১৯৯৮ সময়ের ডিক্লাইন নিয়ে আলোচনা করেছেন। সেই সময়ে বঙ্গ কৃষিতে কিছু সময় গোটা ভারতে এগিয়ে যায়। কিন্তু পলিসি ভুলের জন্যে তারপর কৃষি/শিক্ষা/চিকিৎসাক্ষেত্রে অবনমন শুরু হয়।
  • cm | 127.*.*.* | ৩১ মার্চ ২০১৫ ১২:২৬659851
  • "বামেরা চিরটা কাল কংগ্রেস আর মাঝের কিছটা সময় বিজেপি কে সাপোর্ট দিয়ে এলো কেন? "

    ১) প্রথমে আলোচ্য সময় স্থির করুন। ২০০০ এর আগের না কি তার পরবর্তী সময় এই আলোচনায় প্রাসঙ্গিক।

    ২) তার পর এই সময়ে যতগুলো বছর বাম সমর্থন ছিল আর যতগুলো বছরে ছিলনা, তার অনুপাত নিয়ে ভাবুন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। ঠিক অথবা ভুল মতামত দিন