এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • nina | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:৪৬23820
  • তাই তো !! বলি তো হয় পাঁঠাদের আর মহিষদের--তাও মায়ের সামনে ঃ-০ আচ্ছা কোনো পুরুষ-দেবতার পুজোতে বলি হয় কি??
  • Qy | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:৪৪23817
  • স্যান, পুনঃ স্বাগতম। বলো তো আমি কে? ঃ-)
  • nina | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:৪৪23818
  • ও কিকি এক মিনিট--একেই কি শ্মশান দেখব বলেছিলি? ঘেঁটে গেলুম---তো ও কাপালিক হতে সাহস কল্লনা?
  • san | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:৪৪23819
  • আমি ভাবলাম শ্মশান দেখতে চাওয়াটা প্রতীকী ঃ-)
  • Qy | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:৪৩23816
  • কিকি, মনে হয় ও পক্ষকে কেউ চুকলি কেটেছিলো বা লাগানি ভাঙানি দিয়েছিলো। এসব তো বাঙালি সমাজের এক সাংঘাতিক জিনিস। মফস্বল ও গ্রামের দিকে এসব আরো প্রবল।
  • nina | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:৪২23814
  • ওমা স্যান কতদিন পর---অক্ষ আর স্যান কে আবার দেখতে পেয়ে খুব ভাল লগছে ঃ-)
    স্যান হাড়িকাঠে কিকির কুন্নো ভয় নেই--ওর সাইজের হাড়িকাঠ হয়ই না--ফুরফুরিয়ে উড়ে যাবে কিকি-পাখী ঃ-)
  • kiki | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:৪২23815
  • স্যান,
    কি ভালো লাগছে তোমায় দেখে।ঃ)

    না না। না জেনেই ভয় খেতুম।
  • Qy | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:৪০23813
  • হাড়িকাঠে তো শুধু মহিষ আর পাঁঠা পড়ে, মহিষী বা পাঁঠীরা তো হাড়িকাঠে পড়া শাস্ত্রে নিষেধ। ঃ-)
  • kiki | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:৩৯23810
  • ব্যস! এই হলো গল্প। এদিকে কাল ঋভুকে স্কুলে পাঠাতে পারলে হয়।
  • hu | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:৩৯23811
  • স্যানকে ভাটে দেখে খুব খুশি হয়ে একবার মুখ দেখিয়ে গেলাম ঃ-)
  • kiki | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:৩৯23812
  • আমাদের গ্রুপটা কাঠিবাজি করেই দিন কাটাতো আর নেচে। আমার যেহেতু প্রথম বিয়ে হলো বন্ধুদের মধ্যে, তো আমার বর ও একবার থাকতে না পেরে অনুযোগ করেছিলো, বিয়ে করতে হলে একটু পাকা উচিত।

    আমি তাদের বাড়ী গেলাম। ছেলেটি গিটার বাজায়। খুব বই পড়ে আর দারুন আঁকে। সেখানেও ভারী অসভ্যতামো করলাম। কিচ্ছু খেলাম না। কেমন একটা অদ্ভুত শিক্ষা আমাদের মধ্যবিত্তদের ছিলো তখন। কেউ কিছু অফার করলে সেটা নেওয়া মানে হ্যাংলামো। আমি হ্যাংলামো না করার ই চেষ্টা করেছিলাম। এখন বুঝি সেটা অসভ্যতামো। আমাদের বরাবর ই হাফ শিক্ষে দেওয়া হতো। আর চোখে বেঁধে রাখা হতো। আর এক্সপেক্টেড ছিলো যে বাকি আমরা নিজেরাই ঐ চোখ বাঁধা অবস্থায় শিখে যাবো। অবশ্য দোষ আমারো ছিলো। কখন ও বাঁধন খোলার ও চেষ্টা করিনি।

    তো আমাকে ফেরার সময় একটা বই দেওয়া হলো, কার জানিনা। শেষের কবিতা।:P

    তারপর তো দুই বাড়ী সাজ সাজ রব। আমার আবার কল্যানী ইউনিতে ভর্তি হবার ভাবনা, তার মধ্যে এদিকেও জীবন বইছে। আমরা বন্ধুরা নানারকম প্ল্যান বানাচ্ছি পিডিপিসির রকে বসে। তারমধ্যে সে ফার্স্ট ডিভিসন না যেতে পারা ছেলেকে সামলানো। ইত্যাদি প্রভৃতি ডামাডোল। ড্যাড এদিকে অফিসে লোনের দরখস্ত করবে। তখন চিঠি এলো, ওরা এ বিয়েতে রাজি নয়। মানে যে মুহুর্তে আমি কেসটা মেনে নিয়েছি।

    বাবা অপমানে একাকার হয়ে গেলো। গিয়ে জানতেও চেয়েছিলো, কি জন্যে না? সেটুকু বলো। আমার মেয়েকে কখন ও এরপরে এখানে আমি বিয়ে দেবো না। কিন্তু জানা যায়নি।
  • san | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:৩৭23809
  • কিকি কি তখনই জানত বিয়ে আর হাড়িকাঠে তেমন কোন তফাৎ নেই ?
  • nina | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:৩৬23808
  • কোয়াই সব কিছুরই কজ-আর-এফেক্ট --তার সঙ্গে কত কিছু যোগ হয়---বাইরে থেকে দেখে দুমদাম রায় দিয়ে দেয়া যায়----যে যেটা ভোগে সেই জানে তার যাতনা!
  • nina | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:৩৩23807
  • হা হা হা হা কিকিয়া--বেচ্চারা---তোকে ভাবল বদ্ধ পাগ্ল---তাই বলে শশ্মান দেখতে চাইলি? কি ভৈরবী রে তুই ঃ-))))
    তাপর ই কি সে ঘেবড়ে গিয়ে না বল্ল ?
  • Qy | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:৩২23806
  • আর তার এক ধাপ পরের জেনারেশনের মানে আমাদের মাখুড়ীজ্যেঠিদের আমলের, প্রথম দুটি সন্তান নির্বিঘ্নে হয়ে গেল, তৃতীয়বারে গোল বাঁধলো, প্রচন্ড কম্প্লিকেশন, শেষে জরুরী ভিত্তিতে বাচ্চাকে সি সেকশন করে বার করে আনা হলো, বাচ্চার মাও বাঁচে কি না বাঁচে। প্রিম্যাচিওর শিশুটি মারা গেল দেড়দিন পরে, শিশুর মা কোনোক্রমে রক্ষা পেলেন ভালো মেডিকেল হেল্প ও উপরওয়ালার কৃপায়।
    এই মহিলাকে গর্ভব্স্থায় প্রচন্ড খাটাখাটুনির মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছিলো, উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম থেকে আত্মীয়রা সব এসে আতিথ্যের সুযোগ নিতো তাদের বাড়ীতে, সব খাটুনির ভার এই বৌয়ের ঘাড়ে, নিজের চাকরি বাকরি নাই, বাপের বাড়ীর জোর নাই, সে কী করবে? তার আজো বিশ্বাস এরই ফলে ঐ অবস্থা হয়েছিলো।
  • kiki | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:২৭23805
  • তো তখনি স্কুলের এক বন্ধুকে এইচেসের মুখে বলতে হলো লড়ে যা, ফার্স্ট ডিভিসন পেলে তোর প্রস্তাবে সারা দিয়ে ফেলবো। মাল আমায় দেখিয়েছিলো আমার জন্য তার পড়াশুনা চৌপাট হচ্ছে, আমি ও চান্স পেয়ে হুড়কো দিলুম।

    তখন হঠাৎ মামাবাড়ীর তরফ থেকে বিয়ের প্রস্তাব এলো। মোটামুটি বাবাকে চাপাচাপি। প্রায় বিয়ে হয়েই গেলো টাইপ ব্যাপার। বাবাও পাত্তর বামুন নয় দেখেও রাজি হয়ে গেলো। অবশ্য বাবার অত গোড়ামো ছিলো না। সে এক সুপার কেলো। সে আমাদের বাড়ী এসে থেকেও গেলো। আমিও আবার হালিশহর গেলাম। তার মা আমায় দেখবেন বলে। এদিকে আমার আবার বিয়ের নাম শুনেই জ্বর এসে যেত তখন। খুব ভয় পেতাম বিয়ে করতে। বাস্তবিক ই বিয়ে ভারী ভয়ঙ্কর জিনিস। না করাই উচিত।

    এবার যেহেতু পাত্রী হিসাবে তাই কেমন ঘাঁটা হয়ে গেলাম। সে ছেলে হাঁ করে তাকিয়ে আছে। আমি কাঠ হয়ে অন্যদিকে তাকিয়ে। আমাদের একা ছেড়ে দেওয়া হলো এক বাড়ী থেকে আরেক বাড়ী যাবার জন্য। আমায় যা জিগায় তার সব অদ্ভুত উত্তর দি। আসলে বিয়ে করবে বলেছে বলেই হেবি রেগে ছিলাম। নইলে সবাইকে খুব ভালো লেগেছিলো।
    কোথায় ঘুরতে চাই জিগালে শ্মশান দেখতে চেয়েছিলুম। অবিশ্যি এটা রাগের চোটে নয়। সত্যি দেখতে চেয়েছিলুম। ঐ যে বোধ বুদ্ধি কম হলে যা হয়। মাছের ভেরি দেখে তানিয়ে প্রশ্ন করে বোর করে দিলুম। শেষে ছোট মামা আর মাসীরা জানতে চেয়েছিলো, হ্যাঁরে মাম, তোদের কোনো বন্ধু প্রেম করে না? সত্যি কর্তো না আমার বন্ধুরা। মানে ক্লোজ ফ্রেন্ড রা।
  • Qy | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:২৩23804
  • রিমি, যদি কিছু মনে না করো বলি, হয়তো তিনটি সন্তানের জন্ম দেবার পরে ভদ্রমহিলা আর ওভাবে সন্তানধারণের মেশিন হয়ে থাকতে চাননি, মনও অবসন্ন হয়ে পড়েছিলো, হয়তো উনি আর একেবারেই রাজী হন নি, একেবারেই না, তাই ঐ বহিষ্কার।
    পাগল অপবাদ দিয়ে বৌকে তাড়িয়ে আরেক বিয়ে করা, এটা খুব কমন কৌশল ছিলো আগের কালে।
  • kiki | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:১৫23803
  • না, এগুলো সেভ করার নয়। ভাসিয়ে দেবার।ঃ)
  • Qy | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:১৪23802
  • আসলে দুই দিকই দেখেছি, একজন বৃদ্ধাকে দেখেছি সাত সন্তানের জননী, সবকটি সন্তানই বেঁচেছে, এই মহিলার স্বাস্থ্য ভাঙে নি, ক্ষোভ টোভ নেই, আপনমনে নিজের হাতের কাজ ও পুজোআচ্চা নিয়ে থাকেন, টুকিটাকি কাজ করেন। হাসিখুশী। বুদ্ধিমতী, লড়ুয়ে।
    আরেকজনকে দেখেছি চারটি সন্তানের জননী(তিনটি বেচেছে, একটি ছোটোবেলা মরে গেছে সর্পাঘাতে), এই মহিলাকে দেখলেই মনে হতো দুখ আর অকালবার্ধক্যের মূর্তি, এর স্বামীও নাকি রুগ্ন ছিলেন ও অল্পবয়সে মারা যান। সারা জীবন বাপের বাড়ীতে বাচ্চাদের নিয়ে আশ্রিতের মতন দাসীর মতন থেকে অর্ধোন্মাদিনী অবস্থায় মারা যান শেষে।
    একই কালের একই লোকচারের এমনকি মোটামুটি একই অবস্থার মানুষে মানুষেও কত তফাৎ হয়ে যায়, না?
  • san | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:১৩23800
  • তখন বোধ হয় সূতিকা নামক অসুখটি খুব বেশি হত। বেশ অনেকেরই শুনেছি সন্তান জন্মের পর সূতিকা হল এবং মারা গেলেন।

    btw এটার ইংরিজি নাম কী ?
  • kiki | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:১৩23801
  • তখন সে ছেলেকেও দেখেছি। কিন্তু আমার আবার ন্যাকা বলো আর যাই বলো হোধবোধ চিরকাল ই কম। তা যদি অমন বাচ্চাদের মত ট্রিট করে আমি আর ক্ষি ক্ষরে ম্যাচিওর্ড হই?

    ওখানে থাকতেই মাধ্যমিকের রেজাল্ট বেরোলো। তাড়াতাড়ি বাড়ী চলে এলাম। তারপর তো সাপের পাঁচ পা দেখলাম। আমাদের দীপুদা বলতেন( ঐ অত প্রানচঞ্চল দীপুদা, দীপঙ্কর মুখার্জি হুব সম্ভবতঃ, জয়পুরিয়ার কেমিস্ট্রির প্রফ, তিনি ও নাকি আত্মহত্যা করেছেন। মাস ছয়েক আগে শুনলাম) লোফার লোচ্চা কাদের বলে জানো? যারা মাধ্যমিকে ফার্স্ট ডিভিসনে যায় আর এইচেসে পি। আমাদের তাক করেই বলতেন। পুরো দুবছর নেচে কুঁদে আর ইউথ উইক ক্যাম্প, হ্যানা ক্যাম্প, ত্যানা ক্যাম্প আর প্রেসিডেন্সি গাইড, ন্যাশানাল কম্পিটিশন ইত্যাদি করে, কেবল পড়াশুনা না করে কাটিয়ে দিলুম। আর অসংখ্য প্রোপোজাল ডজ করে করে।:P প্রেমে পরার মতো বোকামো করবো না ঠিক ই ছিলো। তখন কে আর জানতো! ইত্যাদি।
  • nina | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:০৮23799
  • কোয়াই
    আজও কিন্তু এমন হয়---ডেটা দিয়ে % কম দেখানো যেতে পারে --কিন্তু যখন হবার নয় তখন কোনো কিছুই কাজে লাগেনা--
  • nina | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:০৭23797
  • আর খেতেও হবে কিন্তু কলাই করা থালায় --ও সব পেলেট ফেলেটে চলবেনি---যার সঙ্গে যা---
  • Qy | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:০৭23798
  • আরে লিখলাম, সব উড়ে গেলো ঃ-(
    বলতে যাচ্ছিলাম হ্যাঁ, সেতো হতই, জন্ম দিতে গিয়ে সন্তানসহ মা মারা যেতেন, শুধু মা মারা যেতেন, বা শুধু সন্তানটি মারা যেতো--এরকম কেস তো হতই।
  • nina | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:০৫23796
  • কিকিয়া থাম্বিনা বলে দিলুম---তাপ্পর?? এই লেখাগুলো সেভ কর--পরে একসঙ্গে রাখিস---জমে ক্ষীর--
  • একক | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:০৪23795
  • আহা ফুলুড়ি-কাঁচালংকা-পেয়াঁজ দিয়ে পান্তা ! হালকা মেতে থাকবে।
  • kiki | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:০৩23794
  • আমরা গেলাম। হালিশহর। আমি বলতে বাধ্য যে প্রথম দর্শনেই আমি প্রেমে পরে গেলাম হালিশহরের। গঙ্গার ধার দিয়ে মোটা মোটা দেওয়ালের পুরোনো সব বাড়ী। পুরানো বাড়ী জানিনা কেন আমায় কি ভীষন যে টানে! এক অদ্ভুত গন্ধ আছে। আর কেমন ছমছমে একটা ব্যাপার। কেমন যেন বর্তমান আর অতীত মিলে মিশে থাকে।

    আর মামারবাড়ী তো দারুন। এক্কেবারে অন্যরকম পরিবেশ। ভাবনা চিন্তা ভীষন খোলামেলা। আমার চারপাশ তখন অন্যরকম। তখন ও আমাদের বাচ্চা হিসাবে বাড়ীতে বা আত্মীয়রা ট্রিট করতো। বড়রা আলাদা গল্প করে। লুকিয়ে বড়দের গল্প করে। এরকম। কিন্তু এখানে সবাই মিলে আড্ডা।আর প্রথম দিনেই মনে হলো সবাইকে চিনি।

    দুদিন বোধায় ছিলাম। ছাদে বসে আড্ডা, নদীর ধারে ঘুরে বেড়ানো। তার মধ্যেই ছোটমামার হনেবালী চলে এলেন। সেই মাসী ও কি জে ভালো। আর আমি তো প্রেম করাটাই এক সাংঘাতিক পাপ জানতাম তখন। আর সেটা জে কেউ এমন খোলাখুলি সবাইকে জানান দেয় তা ভাবতেও পারি না। অথচ আমি কলকাতার মেয়ে। পুরো ইম্প্রেসড। তখন সবাই বল্লো মাম এখানে চলে আয়। কল্যানী ইউনিতে ভর্তি হবি। আমিও মনে মনে ভাবছি আহা কি আনন্দই না হবে। ইত্যাদি। কিন্তু তখন কি আর জানতাম!
  • nina | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:০২23791
  • *সওয়াবে
  • rimi | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:০২23792
  • আরে হ্যাঁ, আমার মাই তো মায়ের নিজের ছোটোমাসির থেকে এক বছরের ছোটো, আর ছোটোমামার থেকে আড়াই বছরের ছোটো। তার ফলে আমার মামা মাসিরা (মানে মায়ের কাজিনরা, মা নিজে এক মেয়ে ছিল) আমাদের দাদা দিদির বয়সী। তাদের মামা মাসি বলতে বেজায় অসুবিধা হত আমাদের। আর খুব দুঃখও হত, সম্পর্কের হিসেবে আমার স্ট্যাটাস ওদের থেকে এক ধাপ নিচে বলে। ধুউউর।

    কিকি, তারপরে তোমার গল্পটা বলো।
  • pi | ১৭ জুলাই ২০১২ ০০:০২23793
  • কোয়াই, জন্ম দিতে গিয়ে অনেকেই মারা যেতেন।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত