এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  নাটক

  • হীরকের রানী ভগবান (৩)

    সিকি
    নাটক | ১৪ জানুয়ারি ২০১৫ | ১৪৭২২৯ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • PT | 213.*.*.* | ১৫ মার্চ ২০১৫ ১৫:০৭659218
  • "তার অনেক আগেই তো জ্যোতি-বাজপেয়ীর হাত ধরেছিলো।"

    এবারে শব্দ ও সময় নিয়ে খেলা।
    যদিও তোমার সাহস আছে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান প্রসঙ্গে জ্যোতিবাবুকে টেনে আনার তবুও বলি যে তুমি যে বিজেপির হাত ধরেছিলে তাদের হাতে বাবরি ও গোধরার রক্ত মাখা ছিল।
    সেই রক্তের ছিটে কি তাহলে APDR-র গায়েও লাগিয়েছিলে?

    "ও হ্যাঁ, নন্দীগ্রামের জলাজমির কি খপর? সেটা ঠিক না ভুল?
    এবার আসবে জলাজমি নিয়ে হীরণ্ময় নীরবতা।"
    আগেই বলেছি যে আমি যা জানিনা তাই নিয়ে পান্ডিত্য করিনা বা শেষ কথা বলার চেষ্টা করিনা। তুমি পুর্ব মেদিনীপুর নিয়ে করেছিলে-ঘেঁটে ফেলেছ।

    আমি জলাজমি না থাকলেও জমি অধিগ্রহণ করে কেমিকাল হাব করার পক্ষে। কাজেই সেটা থাক বা না থাক তা নিয়ে আমার অবস্থানের বিশেষ বদল হবেনা।
  • cm | 127.*.*.* | ১৫ মার্চ ২০১৫ ১৫:৫৫659219
  • জলাজমি ছাড়া কেমিকাল হাব হয় না বুঝি?

    মেদিনীপুরে ফালতু জমি নেই এক ফোঁটাও !

    কি প্রমাণের চেষ্টা চলছে কে জানে।
  • cm | 116.*.*.* | ১৫ মার্চ ২০১৫ ১৬:২৯659221
  • "এই সমাজবাদ, বামপন্থা হ্যান ত্যান বুকনি কপচিয়ে পবতে যতো সহজে প্রোজেক্ট আটকে দেওয়া যায় "

    সাম্প্রতিক অতীতে এভাবে প্রোজেক্ট আটকানো হয়েছে নাকি? বামফ্রন্ট হঠাতে হবে সেই জন্য আটকানো হয়েছে। এখানে তো সেরকমই লিখছেন অনেকে। বামফ্রন্টকে তাড়ানোর দরকার ছিল তাই। "সমাজবাদ, বামপন্থা হ্যান ত্যান" ছিল না মনে হয়।
  • dc | 213.*.*.* | ১৫ মার্চ ২০১৫ ১৬:৪৯659222
  • " বামফ্রন্ট হঠাতে হবে সেই জন্য আটকানো হয়েছে। এখানে তো সেরকমই লিখছেন অনেকে।"

    হ্যাঁ আমিও সেরকমই লিখেছি, যদিও আমি বামফ্রন্টের সমর্থক নই। মানে আমি যেকোন সরকারকে ইস্যুভিত্তিক সমর্থন করি :p, যে সরকার শিল্পায়নে জোর দেয় সেই সরকারকে সমর্থন করি। আর "সমাজবাদ, বামপন্থা হ্যান ত্যান" এর কথা লিখলাম এই জন্য যে পবতে লোকে ওটা ভালো খায়, তাই বিরোধীরা ওটাই ইউজ করেছে।

    তবে নন্দীগ্রাম আর সিঙ্গুর প্রোজেক্ট আটকানোর মূল উদ্দেশ্য ছিল ক্ষমতা দখল, সেটা আমার কথা না। কোন এক বিরোধী নেতা, যিনি কলকাতার মেয়রও হয়েছিলেন, তিনি বলেছিলেন, "সরকার উন্নয়নএর রাস্তা দিয়ে গাড়ী চালিয়ে চলে যাবে আর আমরা বিরোধীরা রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে আঙ্গুল চুষব নাকি?"

    এমনিতে বামফ্রন্ট ক্ষমতার থেকে সরে গেছে, অন্য কেউ এসেছে, এই নিয়ে আমার তেমন কিছু বলার নেই। তবে বুদ্ধবাবু প্রোজেক্ট গুলো করে ফেলতে পারলে পবর অর্থনৈতিক দিক দিয়ে লাভ হতো, সেটা মনে করি। আর বুদ্ধবাবু নিজের প্রশাসনিক ব্যর্থতার জন্য অপোজিশনকে হ্যান্ডল করতে পারেননি, সেটাও অবশ্যই স্বীকার করি।
  • cm | 116.*.*.* | ১৫ মার্চ ২০১৫ ১৭:০৬659223
  • আবার পড়ে দেখলাম আমার আগের পোস্টে একটু ভুল লিখেছি, "বামফ্রন্টকে তাড়ানোর দরকার ছিল তাই" নয় "কারু কারু কাছে বামফ্রন্টকে তাড়ানোর দরকার ছিল তাই" হবে। নইলে মনে হতে পারে আমার ওটিই মত। বামফ্রন্ট ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে ভুল সময়ে।
  • sm | 233.*.*.* | ১৫ মার্চ ২০১৫ ১৭:১৩659224
  • যথার্থ বলেছেন। তবে একটু সংশোধন; আর কয়েক বছর আগে, মানে জ্যোতিবাবুর সময়ে পরিবর্তন হলে ভালো হত। বুদ্ধবাবু তাও ভুল ত্রুটি স্বীকার করেছেন; জ্যোতি বসু ২৪ বছর কোনো কাজ না করেই, রাজ্যপাট সামলিয়েছেন।কেবল বিদেশ ভ্রমন, বড় বড় মৌ সাক্ষর এসব করেই চালিয়ে গেলেন। জনগণ কে এত টা বোকা বানানো দীর্ঘ সময় ধরে কোনো নেতাই করতে পারে নি।
  • dc | 132.*.*.* | ১৫ মার্চ ২০১৫ ১৭:১৪659225
  • "বামফ্রন্ট ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে ভুল সময়ে।"

    একমত।
  • dc | 132.*.*.* | ১৫ মার্চ ২০১৫ ১৭:১৬659226
  • sm এর সাথেও একমত।
  • কল্লোল | 125.*.*.* | ১৫ মার্চ ২০১৫ ১৭:৫৮659229
  • Name: cm IP Address : 127.96.131.145 (*) Date:15 Mar 2015 -- 03:55 PM
    জলাজমি ছাড়া কেমিকাল হাব হয় না বুঝি?
    মেদিনীপুরে ফালতু জমি নেই এক ফোঁটাও !
    কি প্রমাণের চেষ্টা চলছে কে জানে।

    অমি একটু চেষ্টা করি "কি প্রমাণের চেষ্টা চলছে" সেটা তুলে ধরার।
    পিটি লিখলো -
    Name: PTIP Address : 213.110.246.230 (*) Date:13 Mar 2015 -- 08:22 AM
    "নন্দীগ্রামে কৃষিজমি নেওয়া হচ্ছে বলে যে প্রচার শুরু হয়েছিল তার মোকাবিলা করা যায়নি। কারণ এই জমির বৃহৎ অংশই কৃষিজমি ছিল না। স্রেফ জলা জমি ছিল।"
    এই যেমন খবরের "অনিলায়ন" টুকু দেখলে। নন্দীগ্রামের এই জরুরী খবরটা তোমার নজরে এলনা। http://www.epaper.eisamay.com/Details.aspx?id=15352&boxid=11059343 এই হলো সেই খবরের লিং।

    তাতে আমি লিখলুম যে নন্দীগ্রামে কেন, গোটা পূর্ব মেদিনীপুরেই কোন জলা জমি নাই।
    আমি তার সমর্থনে অ্যাটলাস ইন্ডিয়ার প্রকাশিত পবয়ের ওয়েস্টল্যান্ডের একটা ম্যাপের লিং দিলুম।
    http://www.dolr.nic.in/wasteland2010/west%20Bengal.pdf এই সেই লিং।
    তাতে পিটি একটা লিং দিলো যাতে দেখানো হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুরের রামগড় ১ ও ২এ ৯টি জলা জমি আছে।
    কিন্তু সে রামগড় নন্দীগ্রাম ও খেজুরীর পর কাঁথি পেরিয়ে। নন্দীগ্রাম থেকে প্রয় ৮২ কিমি দূরে।
    অর্থাৎ পিটির লিং অনুযায়ী এটাই প্রমাণের চেষ্টা হলো ও এটাই প্রমাণ হলো যে নন্দীগ্রামে কোন জলাজমি নাই। তার সাথে এটাও প্রমান হলো যে সিপিএমের কিছু নেতারা এখনো মিথ্যা কথা বলে যাচ্ছেন, ও তাদের উচ্চতর নেতৃত্বকে বিভ্রান্ত করছেন।
  • PT | 213.*.*.* | ১৫ মার্চ ২০১৫ ১৮:২৪659231
  • "জ্যোতি বসু ২৪ বছর কোনো কাজ না করেই, রাজ্যপাট সামলিয়েছেন"
    এবারে কে কাকে ছাগল বলছে কে জানে!!
  • sm | 233.*.*.* | ১৫ মার্চ ২০১৫ ১৯:২১659232
  • কিছু লোক ভয়ে ছাগল বনে যায়। একঘরে করে দেব, লাইফ হেল করে দেব; এগুলো তো কথার কথা ছিল না।
  • PT | 213.*.*.* | ১৫ মার্চ ২০১৫ ১৯:৫১659233
  • "জনগণ কে এত টা বোকা বানানো দীর্ঘ সময় ধরে কোনো নেতাই করতে পারে নি।"
    সত্যি?
    ৬৫ বছরের কংগ্রেস শাসনেও সেটা হয়নি?
  • Du | 24.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০১৫ ১৯:৪২659236
  • সত্যি কি পেপারগুলো বিশ্বাস করছে যে এতবড় ঘটনা হবার ঠিক পরদিনই স্কুলের ছাত্রচাত্রীরা পোস্টার লিখে নিয়ে এসে রাজনীতির লোকের ঢোকা নিয়ে প্রতিবাদ করছে - কে জানে! তাও যদি লকেটকে না আটকাতো।
  • PT | 213.*.*.* | ১৬ মার্চ ২০১৫ ২১:৩৬659237
  • একদা ধর্ষণ নিয়ে যারা রাইটার্সের অলিন্দ থেকে ফয়দা লুটেছিল এখন তারা সেই ধর্ষণ নিয়েই রাজ্যসভা থেকেও ফয়দা লোটার চেষ্টা করছে।
    TMC on Monday gave a notice to the Rajya Sabha to raise the issue of the alleged gang-rape of an elderly nun ....
    http://www.dnaindia.com/india/report-trinamool-congress-gives-notice-to-rajya-sabha-to-raise-nun-gang-rape-issue-2069185
  • shatadal | 119.*.*.* | ১৭ মার্চ ২০১৫ ১১:৩০659241
  • রাজনৈতিক দিক দিয়ে এসব ঘটনা খুব গুরুত্বপূর্ণ না। কামদুনি মনে করুন, শিলাদিত্য মনে করুন। মমতা যতক্ষণ প্রসাদ বিলি করার কথাটা মনে রাখবে, আর এইসব খুন-ধর্ষণ একেবারে পাড়ায় পাড়ায় না ঘটতে থাকবে, তৃণমূল প্রতিটি ইলেকশনেই বিপুল ভোটে জিতবে।

    মমতা রাজনৈতিক বুদ্ধি যথেষ্টই রাখে। এই প্রসাদ বিলির রাজনীতিতে সবচেয়ে বড় ঝুঁকি হল অর্থনৈতিক উন্নয়ন। যাঁরা আর্থিক ভাবে স্বচ্ছল, তাদের প্রসাদে রুচি নেই। কিন্তু বেশীরভাগ লোকের অবস্থা সেরকম না। এ ব্যাপারটা জ্যোতি বুঝত। বুদ্ধ প্রডিগাল সান হয়ে রাজ্যপাট গোল্লায় দিল। দিদি কাজের লোক, তাই বুদ্ধের ভুল চট করে করবে না।
  • নির | 122.*.*.* | ১৭ মার্চ ২০১৫ ১২:৩৩659242
  • তাহলে গুরগাঁও-পুনে-ব্যঙগালোর ইত্যাদিরা যে অাদাজল খেয়ে নেমেছে ইনভেস্টমেন্ট টানতে, প্রচুর প্রচুর জব ক্রিয়েটও করছে, তারা কী ভুল রাজনীতি করছে? নাকি ওই রাজনীতি পশ্চিমবঙ্গে চলবে না? যদি না চলে তার কারণ কি?
  • Ekak | 24.*.*.* | ১৭ মার্চ ২০১৫ ১৩:৩৬659243
  • গুরগাঁও,পুনে,ব্যাঙ্গালোরে যা হচ্ছে তা পশ্চিমবঙ্গেও হতে হবে এমন কোনো ব্যাপার নেই তো। যার যেমন ফার্নিচার হাগা দরকার সেরকম কাঠ খাবে। পশ্চিমবঙ্গে চাকরিজীবিরা ওলডেস্ট জব মার্কেট সারভাইভার এইটা খ্যাল রাখবেন। সেই মুঘল-ব্রিটিশ আমল থেকে বাঙালি আইদার চাগরি বাবু অর গেরামের চাষাভূষ এই দুইভাগে বিভক্ত। এরকম ফোর্থ-ফিফথ জেনেরেশনের চাকরিজীবি হওয়াতে এদের মাইগ্রেটিঙ পাওয়ার অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। এরা এখন পশ্চিমবঙ্গ কে একটা পুওরম্যানস হাব হিসেবে বাঁচিয়ে রাখতে চায় যেখানে বছরে কয়েকবার উড়ে গিয়ে সস্তায় ফুটপাথের গয়না কেনাকাটি করে, একটু ফুচকা খেয়ে, একটু গঙ্গার ধারে ঘুরে ছবিছাবা তুলে আবার নিজের কাজের জায়গায় ফেরত আসা যায়। কেও ৩৬৫ দিন কলকেতা বা পশ্চিমবঙ্গ বাসি নয়। কাজেই শতদল যেটা বলছেন ওটা একদিক দিয়ে ঠিক। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতি বহুদিন ধরেই জাস্ট ভোট পকেট ধরে পাইয়ে দেওয়ায় পর্যবসিত। লং টার্ম প্ল্যান করতে গেলেই সরকার পরে যাবে। মমতা কম সময়ে বেশি হাতাতে গিয়ে লোকজনকে কিঞ্চিত চটিয়েছেন, সেটা সামলে দিতে পারলে সামনের ভোটে হইহই করে জয় অনিবার্য। এবং ততদিনে অপরাধ গুলো সময়ের স্রোতেই একটা নেটওয়ার্কের মধ্যে চলে আসবে। অপরাধীদের মধ্যে হায়ারার্কি ফর্ম করে যাবে এবং টপ লেভেলে পলিটিক্স ও মিডিয়ার গাঁটছড়া সম্পূর্ণ হবে। কাজেই এতো রিপোর্টিং ও দেখতে পাবেন না।
  • dc | 132.*.*.* | ১৭ মার্চ ২০১৫ ১৩:৫১659244
  • এককের পোস্টটা ঠিক বলেই মনে হলো, বিশেষ করে এটা - "এরা এখন পশ্চিমবঙ্গ কে একটা পুওরম্যানস হাব হিসেবে বাঁচিয়ে রাখতে চায় যেখানে বছরে কয়েকবার উড়ে গিয়ে সস্তায় ফুটপাথের গয়না কেনাকাটি করে, একটু ফুচকা খেয়ে, একটু গঙ্গার ধারে ঘুরে ছবিছাবা তুলে আবার নিজের কাজের জায়গায় ফেরত আসা যায়। "

    অনেক দিন ধরেই আমার কলকাতায় ঘুরতে যেতে ভাল্লাগে খাবার দাবারের জন্য, ঘোরাঘুরি করতে, সস্তায় জিনিষপত্র কিনতে। কিন্তু কলকাতায় পার্মানেন্টলি সেটল করার কথা এখন আর ভাবিনা। কলকাতা বা পবতে একে তো অত্যধিক রাজনীতি, তার ওপর আবার সব কিছুতে সুপারম্যানের জাঙ্গিয়ার মতো বামপন্থী রাজনীতির আবরন দেওয়ার চেষ্টা। যেমন সিঙ্গুরের সময়ে সবাই দৌড়চ্ছে কে কতো "বাম" প্রমান করতে। একটা গাড়ী কারখানার প্রোজেক্ট হচ্ছে, তার বিরোধিতা করছে একুশটা দলের একটা উদ্ভট জোট, তাদের ইউএসপি কে কতো সমাজতন্ত্রী তার প্রমান দাখিল করা। এরকম রাজনীতি যে রাজ্যে চলে আর সফল হয়, সেই রাজ্য আর তার প্রধান শহর মৃত। আর সেইজন্যই কলকাতার সাথে গুরগাঁও-পুনে-ব্যঙগালোরের তুলনা কোন তুলনাই না।
  • dc | 132.*.*.* | ১৭ মার্চ ২০১৫ ১৩:৫৯659245
  • গুরগাঁও-পুনে-ব্যঙগালোর মনে হয়না ভুল রাজনীতি করছে বলে। তার সবচেয়ে বড়ো কারন ওখানকার লোকজন সবকিছুতেই বিরাট বিরাট সমাজবাদ আর মার্ক্সবাদের ফান্ডা নিয়ে এসে হাজির করেনা। ওসব জায়্গাতেও প্রোজেক্ট হলে কিছু লোকের অসন্তোষ হয়, অনেক সময় আন্দোলন হয়। সরকার বেশীর ভাগ সময়ে সেসব আন্দোলন সামলেও নেয়, টাকা বেশী দেয়। যার জন্য মেধা-অনুরাধার মতো অ্যাক্টিভিস্টরাও সবসময়ে প্রোজেক্ট বাঞ্চাল করে দিতে পারে না। মারুতি আন্দোলনের মতো জটিল আন্দোলনও সরকার সামলে নিতে পারে। মারুতির মতো ইনসিডেন্ট পবতে হলে তো কোম্পানিটা গ্যারান্টি সহকারে বন্ধ হয়ে যেত! মার্ক্সবাদের একটা নতুন অধ্যায়ই লেখা হয়ে যেত। পবতে লোক ক্ষেপানোও সোজা, লোক ক্ষেপার জন্য রেডি হয়ে বসেও আছে।
  • xyz | 125.*.*.* | ১৭ মার্চ ২০১৫ ১৭:৪২659246
  • "মার্ক্সবাদ ই সত্য কারণ তাহা বিজ্ঞান" কথাটা মুখস্ত করানো হয়েছিল। পব তে কাজ নেই তাই লোকের অকাজের সময় ও বেশি।
    যাইহোক আজকালে একটা ইন্টারেষ্টিং রিপোর্ট দেখলাম - আলুচাষী দের হাহাকারের মাঝে যারা চুক্তিচাষ করেছিল পেপসির জন্যে তারা বিরাট লাভ করেছে
    http://www.aajkaal.net/17-03-2015/news/240790/
    "বহু দিন পর এ বছর আলু চাষ করে তাঁরা মোটা টাকা লাভের মুখ দেখেছেন৷‌ চারদিকে যখন আলুচাষীদের মধ্যে হাহাকার, তখন এই সব চাষীর বাড়িতে স্বস্তির ছায়া৷‌ কিন্তু কীভাবে এই অসাধ্য সাধন করলেন তাঁরা? এই সব চাষী জানালেন, তাঁরা বহুজাতিক কোম্পানি পেপসির মাধ্যমে আলুবীজ নিয়ে চাষ করেছিলেন৷‌ তাদের শর্ত অনুযায়ী চাষ করায় এ বছর তাঁরা আলু চাষের সবচেয়ে বড় বিপর্যয়ের হাত থেকে বেঁচে গেছেন৷‌"
    তার মানে চুক্তিচাষ মাত্রেই খারাপ অত সরল নয় ব্যাপার টা।এটা বাম রাও বুঝেছিল শেষ দিকে তাই পেপসি কে ডেকেছিল।
  • dc | 132.*.*.* | ১৭ মার্চ ২০১৫ ১৮:০৭659247
  • বামরাও বুঝেছিলো তার কারন বোধায় বুদ্ধবাবু অনেকটাই প্র্যাগমাটিক বা বাস্তববাদী ছিলেন। কর্পোরেট শোষন আর সাম্রাজ্যবাদী ষড়যন্ত্র আর বুর্জোয়া শিল্পপতি, এই বাঁধা বুলিগুলোর থেকে বেরোতে চেয়েছিলেন। উনি যদি দক্ষ অ্যাডমিনিস্ট্রেটর হতেন তো পবতেও আরো বেশী শিল্প আনতে পারতেন।
  • PT | 213.*.*.* | ১৭ মার্চ ২০১৫ ২২:১৮659248
  • রাণাঘাটের ঘটনার তিন চার দিন বাদেও কলকাতা শহরের সেই ধা- আর বা- বুজীগুলো কোন গত্তে সেঁধিয়ে আছে?
  • pi | 174.*.*.* | ১৭ মার্চ ২০১৫ ২২:২০659249
  • গত্ত থেকে এইসব করছে। আপনি আসবেন তো ?

    'সবাইকে পাশে চাই
    শুধু ১৯শে মার্চ নয়, তারপরও
    একদিনে যৌন হিংসা বন্ধ হবে না

    দশ থেকে দশ হাজার
    পথে নামব বারবার

    যৌন হিংসার বিরুদ্ধে আমরা

    সারা দেশে নারী ও শিশুকন্যার উপরে ধর্ষণ, যৌন নির্যাতন সহ্যের সীমা ছাড়িয়েছে শুধু সংখ্যায় নয়, বীভৎসতাতেও এবং সবরকমভাবে মাত্রা ছাড়া হয়ে উঠেছে।
    এই অত্যাচার শুধুমাত্র নারী বা শিশুকন্যার উপরে নয়, সমকামী, রুপান্তরকামী, যৌন পেশাভুক্ত মানুষের উপরেও ঘটে চলেছে। শারীরিক ও মানসিক প্রতিবন্ধী মানুষ, বিশেষ করে মেয়েরাও এর থেকে ছাড় পায় নি।
    দেশে নারী নির্যাতন বিরোধী আইন কিছু কম নয়। নতুন করে কিছু আইনও হয়েছে বা আগের আইনের সংস্কারও হয়েছে।কিন্তু আইন-এর ফাঁক ফোকর, বা বলা যায় সামগ্রিক প্রশাসনিক ও বিচার ব্যবস্থার নিস্ক্রিয়তা ও নিঃস্পৃহতার জন্য দোষী ধরা পড়ে না, ধরা পড়লেও শাস্তি হয় না। রাজনৈতিক পালা বদল হয় কিন্তু যৌন নির্যাতনের এই ধারাবাহিকতার কোথাও ছেদ হয় না।
    আমাদের রাজ্যও এর ব্যতিক্রম নয়। বরঞ্চ যৌন নির্যাতন ও প্রতিকারহীনতার মিছিলে প্রথম সারিতেই রয়েছে।
    সমস্ত ধরণের মানুষের উপরে, রাজ্যের শহর ও শহরতলীতে, মফস্বলে, গ্রামে-গঞ্জে, নির্যাতন, হত্যা, নির্মম অত্যাচার নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।যে সরকার নারীর ওপর যৌন নির্যাতনকে সামনে রেখে ক্ষমতায় এল, কত তাড়াতাড়ি ভোল পালটিয়ে সে নির্যাতিতর বদলে নির্যাতনকারীর আশ্রয়, ভরসাস্থল ও মদতদাতা হয়ে উঠল! ফলে যৌন হিংসার ঘটনা শুধু মাত্রছাড়া ভাবে বেড়ে চলেছে তাই নয়, প্রতিবাদ, তা সে ব্যক্তিগত বা দলবদ্ধ যাই হোক না কেন, তাকে ভেঙে, গুঁড়িয়ে মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া চলেছে একই ক্ষিপ্রতায়।অথচ সমান দ্রুততার সঙ্গে অপরাধীদের গ্রেপ্তার বা শাস্তি কিছুই হয় না।অধিকাংশক্ষেত্রেই অভিযোগ গ্রহন নিয়ে টালবাহানা, বা চাপান উতোর, রাজনৈতিক টানাপোড়েন শুরু হয় –অভিযোগকারির সুবিচার পাওয়ার আশা ক্ষীণ থেকে ক্ষীণতর, ক্ষীণতম হয়ে যায়।
    অবশ্য এই ধারার শুরু আজ নয়, বিগত সরকার ও ক্ষমতাসীন দল একইভাবে যৌন নির্যাতনকে ব্যবহার করেছে ভয় আর সন্ত্রাস এর মাধ্যমে ক্ষমতা কুক্ষিগত করে রাখতে, একইভাবে পুলিশ প্রশাসনকে ঢাল হিসেবে খাড়া করেছে নির্যাতনকারীকে আশ্রয় ও প্রশ্রয় দিতে।
    এই প্রশ্রয় শুধু রাজনৈতিক দল বা ক্ষমতাসীন সরকারই দেয় না, এর শিকড় চারিয়ে গেছে আমাদের বড় হয়ে ওঠার মধ্যে। আমরা বিশ্বাস করতে শিখেছি পৌরুষের শ্রেষ্ঠত্বে। তাই একদিকে যেমন এই পৌরুষের আস্ফালন ঘটে যৌন হিংসার মাধ্যমে তেমনি অন্যদিকে এই যৌন হিংসা পৌরুষকে প্রতিষ্ঠিত করে। পুঁজির দাপটের সঙ্গেও এর নিবিড় যোগ রয়েছে। কোথাও একচেটিয়া পুঁজির হাতে খনিজ সম্পদ নিষ্কাশনের সময় নারী ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, আবার কোথাও কাজ পেতে গেলে বা রাখতে গেলে যৌন অত্যাচার মেনে নেওয়াটা মেয়েদের নিত্য অভিজ্ঞতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
    শুধু এই নয়, এই সমাজ নারী সহ সমস্ত প্রান্তিক যৌনতার মানুষের উপর নানাধরণের নিষেধাজ্ঞা জারী করেছে – সামাজিক, আইনি ও ধর্মীয়। কিন্তু নির্যাতনকারীদের শাস্তি দেওয়া বা সংশোধন করা তো দূরের কথা – ওদের দুষ্কর্মগুলোকে নানা ভাবে প্রশ্রয় দিচ্ছে সমাজ এবং রাষ্ট্র।এইভাবেই একটা বিষাক্ত ধর্ষণ সংস্কৃতির প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে।
    এইসবই আমরা জানি, সবাই জানি। কি হয় না, কি হয় নি, কি হবে না, কেন হবে না, বহু বছর ধরে আমাদের জানা আছে। কি হতে পারে তারই একটা মরিয়া চেষ্টার জন্য আমাদের এক হওয়া। আমাদের বিভিন্নতার কারণগুলি নানা ধরণের – সামাজিক অবস্থান, পেশা, যৌনতা, মতাদর্শ। কিন্তু একটা জায়গায় আমরা আজ একই অবস্থানে – নারী ও শিশুকন্যা সহ সমস্ত প্রান্তিক মানুষের উপর সমস্ত ধরণের যৌন নির্যাতন বন্ধ করতেই হবে। তাই সমষ্টির সম্মিলিত শক্তি নিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্য আমরা আজ তৈরী।

    আমাদের দাবী
    ১। সমস্ত যৌন হিংসার মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি করতে হবে ফাস্টট্র্যাক কোর্টের মাধ্যমে।
    ২। জেলায় জেলায় পর্যাপ্ত সংখ্যায় ফাস্টট্র্যাক কোর্ট ও যৌন হিংসা বিরোধী কমিটি গঠন করতে হবে।
    ৩। প্রত্যেক জেলায় ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টার (ধর্ষিতার জন্য একই ছাদের নিচে চিকিৎসা, কাউন্সেলিং, এফ আই আর, আইনি সহযোগিতা) গঠন করতে হবে।
    ৪। যৌন হিংসাকে রাজনৈতিক বিরোধের হাতিয়ার করা যাবে না।
    ৫। অসংগঠিত শ্রমিক নারীদের উপর যৌন হিংসা বন্ধ করতে হবে এবং এই সংক্রান্ত আইনগুলিকে অবিলম্বে কার্যকরী করতে হবে।
    ৬। বৈবাহিক সম্পর্কের মধ্যে যে ধর্ষণ ঘটে তাকে আইনীভাবে স্বীকার করতে হবে।
    ৭।সরকার ও রাজনৈতিক দলের মদতে পুলিশি নিস্ক্রিয়তা ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিতে হবে।
    ৮।যৌন হিংসার ঘটনাকে সংবেদনশীল ভাবে পরিবেশন করতে হবে, সংবাদ মাধ্যমে “চাটনি” বানানো চলবে না।
    ৯। ধর্মীয় মৌলবাদ যৌন হিংসাকে বৈধতা দেয়, নৈতিক খবরদারিকে জোরদার করে – এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। মানুষের লিঙ্গ ও যৌন পরিচয়ের স্বাধিকারের উপর বিজেপি, আর এস এস, জামাতি আগ্রাসনের বিরোধিতা করতে হবে।
    ১০। আর্মড ফোর্সেস স্পেশাল পাওয়ার অ্যাক্ট এর সুযোগ নিয়ে মেয়েদের উপর লাগাতার মেয়েদের যৌন অত্যাচার বন্ধ করতে হবে এবং এই অ্যাক্ট অবিলম্বে প্রত্যাহার করতে হবে।
    ১১। অবিলম্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহ বিভিন্ন কর্মক্ষেত্রে যৌন নির্যাতন বিরোধী সেল গঠন করতে হবে।

    সামগ্রিকভাবে সমাজের কাছে আমাদের দাবী -
    রাষ্ট্রের মদতপুষ্ট ভোগবাদী, আগ্রাসী যৌন হিংসার সংস্কৃতির বিরুদ্ধে সচেতন হতে হবে, সক্রিয় হতে হবে ও প্রতিবাদ করতে হবে – নাহলে আমি-আপনিও এই যৌন হিংসার অংশীদার হব।'
  • PT | 213.*.*.* | ১৭ মার্চ ২০১৫ ২২:৫০659251
  • অপর্ণা-শাঁওলী-অর্পিতা আছে তো এই দলে?
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যুদ্ধ চেয়ে মতামত দিন