এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • হীরকের রানী ভগবান!

    aanteldi
    অন্যান্য | ০৭ জানুয়ারি ২০১২ | ৩৩৪২৪৫ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • pi | 127.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ০৩:২৮517754
  • একদিনে বেরোনো, আর এই প্রশ্নগুলো নিয়ে আগেও কয়েক দফা বিস্তারিত আলোচনা হয়েছিল। সেই নতুন সরকারের শিল্পনীতি ইঃ ৬,৭,৮ টইগুলোতে ...
  • pi | 127.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ০৪:৪২517755
  • খসড়া নিয়ে অর্পিতাদি-পিনাকীদা-সৈকতদার প্রশ্ন উত্তর প্রত্যুত্তর গুরুতেই বের করার কথা ছিল, খসড়ার ফলো আপ সংক্রান্ত লেখাপত্তরের সাথে। এই টইএর আলোচনার সুবিধা হলে এখানেই কোথাও দিয়ে দেব, যখন পারবো। এখন একটু এলোমেলো সময় যাচ্ছে, একটু সময় লাগতে পারে।
  • pi | 127.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ০৫:০১517756
  • প্রথম পোস্টে 'এই প্রশ্নগুলো ' বলতে বিশেষজ্ঞ, অটেকনিকাল এইসব ইস্যুগুলো নিয়ে প্রশ্ন।
  • aranya | 78.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ০৬:৫৭517758
  • মাই গড, খসড়া নিয়ে ত্খন মহাভারত প্রমাণ তক্কো হয়েছিল!!
  • Ishan | 60.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ০৯:২৯517759
  • বাঃ, এক্ষপার্ট বিষয়ে লম্বা লিখেছিলাম তো। পেস্ট করে দিই।
  • Ishan | 60.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ০৯:৩৬517760
  • আগেই বলেছি, এক্ষপর্ট ব্যাশিং আমার উদ্দেশ্য নয়। এক্সপার্ট হীন বা টেকনিকালিটিহীন একটি সমাজের কোনো দাবী নেই। আমার একমাত্র দাবী হল, এক্ষপার্টের অপেক্ষায় বসে না থেকে নিজের কাজে নিজে হাত লাগান। নিজের ময়লা নিজে সরানো শুরু করুন। নীতিগত এক্ষপার্টের অপেক্ষায় বসে থাকলে রাত কাবার হয়ে যাবে। এইটাই হল প্রাথমিক কথা। আর কিছু না।

    -----------------------------

    যখন আমি মনে করছি এক্ষপার্ট না জুটলে হাত-পা গুটিয়ে বসে থাকার কোনো মানে নেই, সেটা তো ঠিকই আছে, আপাতঃ দৃষ্টিতে। কিন্তু এইখানে একটা কোশ্নোও আসতে পারে, এক্ষপার্টের অভাব টা কি? সরকারের তো ডিপার্টমেন্টেরও অভাব নাই, এক্ষপার্টেরও অভাব নাই। প্ল্যানিং কমিশন আছে প্ল্যান করার জন্য। গাদা গাদা বিশেষজ্ঞ, গুচ্ছের সায়েন্টিস্ট, ইকনমিস্ট থেকে শুরু করে ইঞ্জিনিয়ার হয়ে স্ট্যাটিস্টিশিয়ান পর্যন্ত, কোনো কিছুরই অভাব নাই। তাহলে এক্ষপার্টের অভাব বলছি কেন?

    এর উত্তরটাও খুঁজুন কমরেড। আমি নাহয় পরে বিশদে ব্যাখ্যা করব। কিন্তু চাদ্দিকে কিছু উদাহরণ নিন।

    ধরুন, বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য দামোদরের বাঁধ। এক্ষপার্টরা বানিয়েছেন। তাঁদের মধ্যেও মতবিরোধ ছিল, কিন্তু আল্টিমেটলি যাঁরা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তাঁরা এক্ষপার্টই। এই বাঁধগুলি বানানো হয়েছিল বন্যা নিয়ন্ত্রণের জন্য, কিন্তু এক্ষপার্টদের তুমুল ইনপুট সত্বেও সেটা হয়ে দাঁড়িয়েছে বন্যা বানানোর কল। দক্ষিণবঙ্গে এখন যে বন্যা হয়, তার অন্তত ২৫ থেক ৫০ শতাংশ একার কৃতিত্বে ঘটায় দামোদর ভ্যালি কর্পোরেশন।

    নগরায়নের উদাহরণ নিন। কলকাতা বাড়ছে। কোন দিকে বাড়ছে? না পুব দিকে। যেদিকে কলকাতার "স্বাভাবিক' নিকাশী ব্যবস্থা ছিল। সেই নিচু জমি/জলাভূমি বুজিয়ে ফেলে তৈরি হচ্ছে নগর। ফলে বাটির মতো শহর কলকাতা জলবন্দী হচ্ছে। এবং হয়েচি চলেছে। এই পুব দিকে শহর বাড়ানোর সিদ্ধান্তটা কিন্তু এক্ষপার্টরাই নিয়েছেন। সম্ভবত প্রচুর ভাবনা-চিন্তা করেই।

    --------------

    জলাভূমি বোজানো তো ছোটোখাটো জিনিস। এবার একটু কেউটে ধরা যাক। ঃ)

    ভারতবর্ষের বহু প্রচারিত পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় আসি। সোভিয়েতের প্রত্যক্ষ মদতে সোভিয়েত মডেলের অনুকরণে পোচ্চুর এক্ষপার্টের ইনপুটে কেন্দ্রীয় সরকার উন্নয়নের এই মডেলটি চালু করেন (বৃহৎ নদীববঁধ এই মডেলেরই ফসল)। আশা ছিল এরপর সোভিয়েতের মতই লাপিয়ে লাপিয়ে বৃদ্ধি বিকাশ এসব হবে। এক্ষপার্টরা পোচ্চুর আঁক-টাঁক কষে আমাদের নানা স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। কেমন স্বপ্ন? সেই পুরাতন সোভিয়েত নারীর স্বাস্থ্যবতী নারী ও গুবলু শিশুরা ট্রাক্টরের উপরে চড়ে আপিল খাচ্ছে -- এই ছবি স্মরণ করুন। (সোভিয়েতের লোকে নাকি কস্মিন কালেও ঐ কোয়ালিটির কাগজ চোখে দেখেনি, সে অন্য গপ্পো)।

    তা গুচ্ছের পঞ্চবার্ষিকী এল এবং গেল। একেবারে কিছুই হয়নি বললে মিথ্যা কথা বলা হবে। কিন্তু ট্রাক্টরের উপরে চড়া ঐ সুন্দরী মা? নাঃ সেখান থেকে বহু যোজন দূরে। শিক্ষা-স্বাস্থ্য ইত্যাদি মাপকাঠির কথা সকলেই জানেন, সে আর পুনরাবৃত্ত করলাম না।

    তা, কিওশ্নো হল, পুঁথিপড়া এক্ষপার্ট ও সমাজকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ রাজনীতিবিদরা এতো আঁক কষা পরিকল্পনা নিয়ে মুখ থুবড়ে পড়লেন কেন? কিঁউ? কিঁউ কিঁউ? স্রেফ ধান্দাবাজি বা অবলিগেশনকে দোষ দিলে হবেনা। স্বাধীনতার পরের উন্মাদনা উৎসাহ এগুলো মাথায় রাখবেন। প্লাস ভারতের শ্রেষ্ঠ মাথারা (সম্ভবত সোভিয়েতের শ্রেষ্ঠ মাথারাও) হাতে হাত মিলিয়ে নীতি নির্ধারণ করেছিলেন। তাহলে কেন এই দুর্গতি?

    ----------------

    বামপন্থীরা এর একরকম করে উত্তর দিয়েছেন। সেইটা প্রথমে বুঝে নিই ঝট করে।

    নানা বর্ণের ও গন্ধের বামপন্থীতে দুনিয়া ছেয়ে আছে। তবুও ছোট্টো এবং সরল করে বললে উত্তরটা এরকম, যে, এই ব্যবস্থায়, মানে এই পুঁজিপতি-জমিদার শাসিত এই কাঠামোয় "প্রগতিশীল' নীতি নিলেও শেষ্পর্যন্ত ব্যবস্থাই তা ইমপ্লিমেন্ট করতে দেবেনা। আর কিছু নীতি তো একেবারেই নেওয়া সম্ভব না। যেমন টাটা-বিড়লাদের আধিপত্য খর্ব করা যাবেনা। নীতিগতভাবেই। আর ভূমিসংস্কার করার নীতি নিলেও জমিদারদের চাপে তা ইমপ্লিমেন্ট করা যাবেনা। এবং, এই পয়েন্টটা গুরুত্বপূর্ণ, দুর্নীতি ইত্যাদি এই ব্যবস্থারই বাই প্রোডাক্ট। মানে জমিদাররা ভূমি সংস্কার না হতে দেবার জন্য কালেক্টরকে টাকা খাওয়াবে। রাজনীতিবিদরা সেটা দেখেও চোখ বুজে থাকবেন। বা টাটা-বিড়লা পার্টি ফান্ডে চাঁদা দেবে। এবং বিনিময়ে নানা সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হবে। অর্থাৎ উপর থেকে নিচ পর্যন্ত যে দুর্নীতি, সেটা এই ব্যবস্থার বাই প্রোডাক্ট। ব্যবস্থা না বদলে কিসু করা যাবেনা। সে আপনি মাঠে যতই তাগড়া তাগড়া এক্ষপার্ট নামান না কেন।

    এই অবস্থান থেকে নকশালরা "আধা-ঔপনিবেশিক আধা-সামন্ততান্ত্রিক' ব্যবস্থার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে। আর সিপিএম "পুঁজিপতি-জমিদার' শাসিত কাঠামোর মধ্যেও ভোটে অংশগ্রহণ করে স্রেফ চাট্টি রিলিফ দেবার জন্য (এই অবস্থানটা কিছুদিনে আগে স্লাইট বদলেছে, কিন্তু ওটা এখন ধরছিনা)। কিন্তু মোদ্দা বক্তব্যটা একই। যে, বস, এই অবস্থায়, এই হাত-পা-বাঁধা অবস্থায় কিস্যু করা যাবেনা। পুলিশ ঘুষ নেবেই। দুর্নীতি থাকবেই। আমলাতান্ত্রিক গড়িমসি থাকবেই। এমনকি জনবিরোধী নীতি থাকবেই। বিপ্লব না এলে কিছুই করা যাবেনা।

    -----------------

    বামপন্থীদের কথাটা খুব ভুল এমন না। খুব সহজ করে বললে টাটা যদি থাকে, তো সে ভোটে টাকাও দেবে। আর রাজনৈতিক ব্যবস্থাও টাটার পিছনেই দৌড়বে। ফলে একটা ব্যবস্থার মধ্যেই একটা অন্তর্নিহিত বৈষম্য থাকবেই। কেউ জামাই আদর পাবে, কেউ লাথি। কাউকে দেখলে মন্ত্রীরা "অসুন স্যার বসুন স্যার বলবেন', আর কাউকে দেখলে আমলারা "আবার কালকে আসুন' বলে ফুটিয়ে দেবেন।

    কিন্তু প্রশ্ন হল, এটাই কি সব? এক্ষপার্টর সব ঠিক বলেছেন, খালি ব্যবস্থার দোষে সেগুলো নামানো গেলনা, টাটাবাবু কলকাঠি নেড়ে সব জনহিতকর প্রকল্প ভেস্তে দিলেন, এটা কি একটা "যথাযথ' বিশ্লেষণ? সোজা বাংলায় বললে সিস্টেমের যাবতীয় নির্মমতা ও অদক্ষতা, সবই কি বুজ্জোয়া চক্রান্ত?

    ------------------

    যদি ভারতবর্ষের ইতিহাস খুঁটিয়ে দেখেন, মানে জাস্ট রাজা-রাজড়া আর ভাইসরয়দের ইতিহাস নয়, সামাজিক কলকব্জাগুলোর ইতিহাস দেখেন, তাহলে দেখবেন, গোটা ব্যবস্থার এই যে একটা অগোছালো-অদক্ষতা, এর সঙ্গে বুজ্জোয়া-শ্রেণীশাসনের খুব একটা সম্পর্ক নেই। বরং ঔপনিবেশিকতার একটা সম্পর্ক আছে।

    ধরুন, পুলিশের দমনমূলক ব্যবস্থা। কলকাতার পুলিশি ব্যবস্থার গোড়াটা যদি দেখেন, তো দেখবেন, ব্রিটিশ পুলিশ এবং জুডিসিয়ারি আসার আগে দেশে বিচিত্র সব বিচার ব্যবস্থা ছিল। তার অনেকটা (মূলতঃ হিন্দুদের) ছিল দৈবনির্ভর। যেমন একটি লোক চোর কি চোর না বোঝার উপায় ছিল তাকে জ্বলন্ত কয়লার উপর দিয়ে হাঁটানো। যদি তাতে লোকটি উ-আ করে তো সে ব্যাটা চোর। যদি না করে তো সে সাধু। শাস্তিরও অনুরূপ সব বিচিত্র পদ্ধতি ছিল। সবই নিপীড়নমূলক। নাক কাটা, কান কাটা, মাটিতে পোঁতা জাতীয় যে শাস্তিগুলির বর্ণনা আমরা উপকথায় পড়ি, তার সবকটাই ব্রিটিশ জমানার আগে শাস্তির প্রকরণ হিসেবে বিদ্যমান ছিল।

    ব্রিটিশ পুলিশ বাজারে নামার পর, এই দমমূলক ব্যবস্থাটিকেই গ্রহণ করে। অনেকগুলো প্রচলিত শাস্তি বজায়ও রাখে। পরে নিজেদের দেশ থেকে "উন্নততর' কিছু শাস্তির প্রকরণ নিয়ে আসে। তখন আস্তে আস্তে এই পুরোনো পদ্ধতিগুলি হটে যায়। এবং প্রকাশ্যে বেত্রাঘাত, কামানের মুখে বেঁধে উড়িয়ে দেওয়া এবং প্রকাশ্যে ফাঁসি, এই গুলি বেশ কিছুদিন প্রধানতম শাস্তির প্রকরণ হিসেবে কাজ করতে থাকে।

    এর পর দমনের আরও "আধুনিক' কিছু প্রকরণকে আনা হয়। এবং লোক ঠ্যাঙানোই হয়ে ওঠে পুলিশের একটা বড়ো কাজ। এই সময় ব্রিটেনে দমনমূলক পুলিশি ব্যবস্থা আস্তে আস্তে কমের দিকে যেতে থাকলেও ভারতে তা কমেনি।

    আরও পরে, গোটা পশ্চিমেই পুলিশি ব্যবস্থা একটা প্যারাডাইম শিফটের মধ্যে দিয়ে যায়। যেখানে পুলিশকে "না ঠ্যাঙানো'র পদ্ধতিতে শিক্ষিত করা হয়। ভারতীয় পুলিশ একেবারেই সেই পদ্ধতির মধ্যে দিয়ে যায়নি।

    -------------------
  • Ishan | 60.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ০৯:৩৭517761
  • পুলিশি ব্যবস্থার বিবর্তনের চমৎকার বর্ণনা পাবেন সুমন্ত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দা উইকেড সিটি নামক গ্রন্থটিতে।

    এটা সাতকাহন করে বর্ণনা করলাম এই কারণে, যে, পুলিশের আজকের সংগঠনের মধ্যে দুটো উপাদান ঐতিহাসিক ভাবে আছে। ১। জমিদার সুলভ আচরণ (অর্থাৎ পুলিশ হল মাই বাপ) -- এটা সেই প্রাক বৃটিশ আমল থেকে নেওয়া। ২। লোক ঠ্যাঙানো নেচার (অর্থাৎ নেটিভগুলোকে পিটিয়ে সিধে রাখা) -- এটা বৃটিশ আমল থেকে নেওয়া।

    আর পশ্চিমী পুলিশের সঙ্গে এ দেশের পুলিশের একটা মৌলিক পার্থক্য হল "লোক না ঠ্যাঙানো'র সামাজিক ট্রেনিংটার মধ্যে দিয়ে তারা যায়নি।

    এবার এখানে লক্ষ্যণীয় বিষয় হল, যে, এই তিনখানা পয়েন্টের মধ্যে "বুজ্জোয়াদের চক্রান্ত' কোত্থাও নেই। পুলিশ ডিপার্টমেন্টের একটা নির্দিষ্ট ইতিহাস আছে। পুলিশের আজকের চরিত্র সেখান থেকেই উদ্ভুত।

    হ্যাঁ, এর সঙ্গে শ্রেণীশাসন ইত্যাদি গোলাবেন না। "পুলিশ এই ব্যবস্থায় পুঁজিপতিদের সেবা করে' এই স্টেমেন্ট সত্যি হতেই পারে। কিন্তু তার সঙ্গে পাসপোর্ট চাইতে গেলে ঘুষ চাইবার কোনো সম্পর্ক নেই। বা থাকলেও খুব কম। সম্পর্কটা পুলিশের ইতিহাসের সঙ্গে অনেক বেশি গভীর।

    -------------------

    এবার এটা শুধু পুলিশের চরিত্র না। গোটা সমাজেরই চিত্র। আমলাতন্ত্র থেকে শুরু করে শিক্ষা সকলেরই একটা নির্দিষ্ট ইতিহাস আছে। সবকটাই মোটামুটি এক। বা কাছাকাছি। আমলাতন্ত্রকে সহজেই পুলিশের সঙ্গে মেলানো যায়। শিক্ষাকে মেলাতে হবে একই রকম তিনটে উপাদানের সঙ্গেঃ
    ১। প্রাক ব্রিটিশ শিক্ষাপদ্ধতি (নামতা মুখস্থ বা কান ধরে দাঁড়ানো যেখান থেকে এসেছে)
    ২। মেকলের কেরানি বানানোর পদ্ধতি ( শিক্ষাক্ষেত্রে এখনও শিক্ষকের প্রতি প্রশ্নহীন আনুগত্য আশা করা হয়)।

    এবং পাশ্চাত্যের সঙ্গে তফাত এই যে, শিক্ষা জগতের দমনমূলক চরিত্র পরিবর্তনের যে প্যারাডাইম শিফট পশ্চিম দেখেছে, সেই সামাজিক ট্রেনিং ভারতে হয়নি।

    --------------------

    এইবার এইখান থেকে আমি দুটো পয়েন্টে যাব।

    প্রথম পয়েন্ট হল, ব্যবস্থা না বদলে কিছুই করা যাবেনা, এটা এক্কেবারে ঠিক না। এই ব্যবস্থার মধ্যেই কিছু কিছু জিনিস করা যায়। এমনকি পুঁজিপতিদের স্বার্থহানি না করেও কিছু কিছু জিনিস করা যায়। ধরেন আমলাতন্ত্র যদি সহজ ও সরল হয়, তাহলে পুঁজিপতিরা তাতে বাধা দেবেন বলে মনে হয়না। বরং খুশিই হবেন।

    কিন্তু এটা খুচরো পয়েন্ট। আসল পয়েন্টটা হল, যে করা যদি যায়ই তো অ্যাদ্দিন যায়নি কেন? এবং এখানেই আমাদের এক্ষপার্টদের প্রসঙ্গ চলে আসে। ঃ)

    আমাদের এক্ষপার্টরা, মনে রাখবেন আকাশ থেকে পড়েননি। তাঁরা, আপনার আমার মতই এই শিক্ষাব্যবস্থারই সন্তান। আমাদের পুলিশরা যেমন পুলিশ ডিপার্টমেন্টের সন্তান, আমাদের এক্ষপার্টরাও এক অর্থে মেকলের সন্তান। এখানে এক্ষপার্টাইজের ছত্রে ছত্রে মুখস্থবিদ্যা, বাঁধা-গত এবং ঔপনিবেশিকতার ছায়া আপনি দেখতে পারবেন। সর্বত্র।

    সেই জন্য আমাদের এক্ষপার্টরা যখন নদী বাঁধের পরিকল্পনা করেন, তখন তাঁরা ব্যাপারটা রিয়েলিটির উপরে দাঁড়িয়ে নয়, টেক্সট বইয়ের মুখস্থবিদ্যার উপরে দাঁড়িয়ে করেন। এবং বিপর্যয় ডেকে আনেন। পাবলিক মনই খচ্চা করে লোকের ক্ষতি করেন। যেটাকে আকা টাইপ টু এরর বলবে। ঃ)

    তাঁরা যখন পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা করেন, তখন ভুলে যান, যে, দেশটা সোভিয়েত না। যখন কাছা খোলা উদারনীতির কথা ভাবেন তখন ভুলে যান, দেশটা আমেরিকা না। ভুলে যান, কারণ তাঁরা টেক্সট বই দেখেন, মুখস্থ বিদ্যা ওগরান। কিন্তু রিয়েলিটি দেখেন না। এবং পলিসি বানিয়ে দেশের গুষ্টির পিন্ডি চটকান।

    শুধু এইটুকু হলেই হত। এই এক্ষপার্টরা নিজেরা তো মুখস্থের বাইরে যান ই না। অন্য কেউ গেলে তাকে যতটা পারা যায় হ্যাটা করেন। কারণ এঁরা অন্তর থেকে বিশ্বাস করেন, এই কাঠামোয়, এই চাকরের জাতের পক্ষে নতুন কিছু করা অসম্ভব। হাতের কাছে টেস্ট-টিউব বেবি খ্যাত সুভাষবাবুর উদাহরণ আছে। মনে করে দেখতে পারেন।

    ফলে যখন এক্ষপার্ট এক্ষপার্ট করে লাফানো হয়, তখন এটাও মনে রাখতে হবে দেশের এই অবস্থার জন্য তথাকথিত এক্ষপার্টাইজও কিছু কম দায়ী না। এঁদের উপর, শুধু এঁদের উপর ভরসা রাখব কোন আক্কেলে?

    --------------------

    এক্ষপার্ট ব্যাশিং করার ইচ্ছা একেবারেই নেই।

    তবে আগে এক্ষপার্টাইজের দুটো উদাহরণ দিই।

    প্রথম উদাহরণটা নদী বাঁধের। বৃহৎ বাঁধ নিয়ে বিভিন্নরকম সেকশন থেকে বিভিন্নরকম আপত্তি আছে। আমি শুধু দামোদরের কথাটাই তুলব। দামোদরে আগে বচ্ছর বচ্ছর বন্যা হত। সারাবছর জল থাকতনা। বর্ষায় দু কুল ভাসিয়ে বন্যা হত। লোকে তল্পিতল্প গুটিয়ে এলাকা ছেড়ে পালাত। এবং একে বাংলার দুঃখ না কি একটা বলত।

    এই বন্যা দূর করার জন্য বাঁধ দেওয়া হল। ড্যাম হল। বর্ষর তাৎক্ষণিক বন্যা দূর হল। কিন্তু বন্যা দূর হলনা। ড্যাম থেকে জল ছেড়ে বন্যা শুরু হল। এতে কাজের কাজটা হল এই, যে, আগে লোকে প্রস্তুতির সময় পেত, বেশি বৃষ্টি হলে এলাকা ছেড়ে তল্পিতল্পা গুটিয়ে পলাত। এখন আর সে সুযোগ নেই। সঙ্গে আরও দেখা গেল, প্রাকৃতিক নিয়মে বন্যা হলে বন্যার পরে পলি পড়ে যেত সন্নিহিত এলাকায়। জমি উর্বর হত। এখন সেই পলি জমা হচ্ছে জলাধারে। একদিকে অপ্রত্যাশিত বন্যা হচ্ছে, অন্যদিকে জমি অনুর্বর হচ্ছে। পলি জমছে ড্যামে, লাভের মধ্যে ড্যামের ধারণক্ষমতা কমছে, এবং পরের বছর আরও কম বৃষ্টিতেই বন্যা হচ্ছে। এবং এই ভাবে চক্রাকারে চলছে পুরোটা।

    পরিবেশ নিয়ে অনেকগুলো উদাহরণ দেওয়া যায়। সেগুলো আর দেবনা। বরং দ্বিতীয় উদাহরণটা হাতের কাছ থেকেই দেওয়া যাক। নগরায়ন। চোখের সামনে দেখছি নিউটাউন গড়ে উঠতে। ইয়া ইয়া রাস্তা হচ্ছে। টাউন প্ল্যানাররা ঘ্যামা প্ল্যান করছেন। একদম পরিকল্পিত নগরী, যেখানে ছয় লেন রাস্তা দিয়ে হু হা ছুটবে গাড়ি।

    এইবার মজা হচ্ছে, যদিও ছয় লেন রাস্তাটি এক্সপ্রেসওয়ের কপি, তাই এর পাশে কোনো ফুটপাথ নেই। ফুটপাথের জায়গায় বসানো হয়েছে বৃক্ষ। মাথায় রাখা হয়নি, যে, এটা ইউএস এক্সপ্রেসওয়ে না। এর পাশে জনবসতি। এখান দিয়ে অটো যাবে, বাস যাবে, থামবে, লোক তুলবে। ফলে যা হবার তাই হচ্ছে। তিনটি লেনের একটিতে দাঁড়িয়ে আছে বা হাঁটছে লোক। পরের লেনটিতে দাঁড়াচ্ছে বাস। এবং গাড়ি চলছে একটি লেন দিয়ে। লোক দাঁড়ানোর লেনটিতে জমা হচ্ছে মাটি, বালি আবর্জনা, তার উপরে জমছে জল, এবং খন্দ তৈরি হল বলে। ছয়লেন রাস্তা পরিণত হচ্ছে দুই লেনে। অর্থাৎ রাস্তার দুই তৃতীয়াংশ ফালতু। না বানালেও চলত। পাবলিক মানির ওয়েস্টেজ।

    ---------------------

    সাতকাহন করে এসব বলা একটি কারণেই। বাস্তবতাকে বিচার না করে স্রেফ পুঁথি পড়ে পরিকল্পনা করা আমাদের দেশের এক্ষপার্টাইজের একটি রোগ। এক্ষপার্ট বলতে আলদা কাউকে দোষ দেওয়া হচ্ছে না। এই রোগে নিজেদের ফিল্ডে আমি-আপনি সকলেই আক্রান্ত। কম বেশি।

    অথচ রিয়েলিটির দিকে তাকালে এই রোগটিকে অতিক্রম করা যেত। যেমন ধরুন, পরিবেশবাদীরা দেখিয়েছেন, যে, দামোদরের বন্যার সুফলগুলি সম্পর্কে স্থানীয় মানুষ যথেষ্টভাবেই ওয়াকিবহাল ছিলেন। তাঁদেরকে একবারটি জিজ্ঞাসা করলেই সব মিলিয়ে একটা কার্যকর সমাধানসূত্র তৈরি করে ফেলা যেত। সেটা এক্ষপার্টরাই পারতেন।

    একই ভাবে, এক্সপ্রেসওয়ের কপি-পেস্ট না করে ভারতীয় জনবসতির চরিত্র কেমন, এ নিয়ে একটু মাথা ঘামালেই এক্ষপার্টরা বুঝতে পারতেন, দরকারটা আসলে কিসের। হয়তো একটু ছোটো একতু রাস্তা, যার ধারে আছে ফুটপাথ, তা দিয়েই কাজ চলে যেত। সেটাও এক্ষপার্টরাই বার করতে পারতেন।

    ফলে, এক্ষপার্টদের বাদ দিয়ে চলে যাবে একেবারেই এরকম দাবী নেই। কিন্তুক, ঐ রিয়েলিটি-বিবর্জিত-পুঁথি-পড়া-পেপার-পুজোয় প্রবল আপত্তি। পরিকল্পনা হোক, এক্ষপার্টরা তাতে থাকুন, কিন্তু "সাধারণ মানুষ'ও থাকুন। এক্ষপার্টরা ভগবান নন। তাঁরা ল্যালাদের সঙ্গে ডায়ালগে আসুন। এইটাই দাবী। এবং যেহেতু ডায়ালগ, তাই সেটা দ্বিমুখী। রাজা-প্রজার সম্পর্ক একেবারেই নয়।

    -----------------------

    মোটামুটি এইসব দাবীদাওয়াকে ভিত্তি করেই নিয়েই আমাদের খসড়া শুরু। (এক্ষটেম্পোর লিখছি। এক আধটা পয়েন বাদ যেতে পারে, কিছু মনে করেন না।) এতক্ষণ যা লিখলাম, তাতে দেখা যাচ্ছে, পয়েন্ট মোটামুটি দুটো।

    ১। সীমিত সামর্থ্যের মধ্যেও এই রাজ্যে কিছু করা যায়। এক্কেবারে কিছুই করা যায়না তা নয়।

    ২। এতদিন যে অনেক কিছুই করা যায়নি, তার পিছনের শ্রেণীশোষণ, বা কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক, এগুলো অবশ্যই ফ্যাক্টর। কিন্তু এগুলো হাতের বাইরে। অতএব ফোকাস করা উচিত পরিকল্পনার গোড়াতে নিশ্চয়ই একটা বা একাধিক গ্যাপ থেকে গেছে, সেদিকে।

    এই কারণেই লোকের কাছে শুনতে চাওয়া। এক্ষপার্টের চাদর ফেলে দিয়ে একটু রিয়েলিটির দিকে সোজা ভাবে তাকানোর আহ্বান। এখানে কোনো এক্ষপার্ট পয়েন্ট আউট করতে পারেন, বস আসলে রিয়েলিটির এই পার্টটা অ্যাদ্দিন মিস করেছি। বা কোনো পাতি পাবলিক আঙুল উঁচিয়ে বলতে পারেন, আরে ধুর এক্ষপার্টরা এই সোজা মালটা বুঝতেই পারেনি। এই আরকি।

    এই অ্যাপ্রোচে একটা খাপছাড়া ভাব থাকবে। অন্ততঃ প্রাথমিক ভাবে। বিভিন্ন লোক বিভিন্ন জিনিস পয়েন্ট আউট করছেন, কেউ সেটা কোলেট করছেন। কেউ এক্ষপার্ট, কেউ চাষি। কেউ জেন-ওয়াই, কেউ বহু পুরোনো পাপী। তাঁরা একযোগে একটা মাল নামাচ্ছেন, তাতে টানাপোড়েন থাকবে। মতবিরোধ থাকবে। এমনকি এরকমও ভাবা হহ্যেছিল সম্পূর্ণ দুরকম মত এলে সুটোই ডিসক্লেমার দিয়ে তুলে দেওয়া যায় কিনা।

    কিন্তু দেখা গেল প্রথাগত এক্ষপার্টাইজের জগতের ব্রাহ্মণ যাঁরা, তাঁরা এটা একেবারেই পছন্দ করছেন না। ডায়ালগ করে পলিসি? পুঁথি পড়ে নয়? সে আবার হয় নাকি?

    সেই সমালোচনার জবাব দেবার জন্যই এতটা লেখা। যে দাদারা ও দিদিরা স্রেফ পুঁথিপড়া এক্ষপার্টাইজ দিয়ে তো ঐ দামোদরের বাঁধ বানিয়েছেন। নিউ টাউনের রাস্তা বানিয়েছেন। এবার একটু পাতি পাবলিককে মর্যাদা দিন না। একটু রিয়েলিটির দিকে নজর ফেরান না।

    ------------------------

    এটা একবারেই এক্ষপার্ট ব্যাশিং নয়। বরং ক্রিটিক বলা যেতে পারে। একই ভাবে এটা পাতি পাবলিককে মাথায় তোলাও নয়। পাতি পাবলিক গ্রাউন্ড রিয়েলিটিটা দেখতে পায়। কিন্তু পুরো জিনিসটা বড়ো দেখার ক্ষমতা অনেক সময়ই তার থাকেনা। আবার এক্ষপার্ট পুরোটা দেখতে পান, কিন্তু গ্রাউন্ড রিয়েলিটিটা চোখের আড়ালে থেকে যায়। আমরা এই দুটোকে মেলাতে চেয়েছি।

    মেলানোর কাজটা সহজ নয়। শক হুন পাঠান মোগল একদিন সক্কালে এক দেহে লীন হয়ে যাবে, এ আশা যাঁরা করেন, তাঁরা হয় এক্ষপার্ট, নয় সিপিএম। ঃ) এটা লম্বা প্রক্রিয়া। এতে সময় লাগে। সেই সময়টা দিতে হবে। পাবলিক যে গোড়েগোব্দ জিনিসের বাইরে কিছু ভাবছে এই মেসেজটা কোথাও একটা দেবার দরকার ছিল। সেটা হয়েছে। বাকিটা ধীরে ধীরে হবে।

    পার্টিজানরা এটা বুঝবেন না। তাঁরা তৃণমূল-সিপিএম নিয়ে ব্যস্ত। পেপার-পুজোর জগতেও এখনি এর কোনো জায়গা হবেনা। দশ বছর পরে তাঁরা এই নিয়ে একটা পেপার লিখবেন বড়োজোর। ঃ) সে ঠিক আছে। এই সব নিয়েই চলতে হবে। চলবও।

    জয় হিন্দ। ঃ)

    -------------------------

    শেষ করার পরেও একটা পুনশ্চ থাকে। সেটা লিখে ফেলি।

    খসড়া খুললেই উপরে দেখবেন জ্বলজ্বল করছে "পূর্বশর্ত'। মানে "নীতি' বা "পলিসি' বলে অ্যাদ্দিন যা চলেছে বা চালানো হয়েছে, তার কিছু ফঁকফোকর আছে বলে আমাদের মনে হয়েছে। অর্থাৎ আজকের রিয়েলিটি যা, তাতে বেশ কিছু পূর্বশর্ত পালন না করলে সব নীতিই মুখ থুবড়ে পড়বে।

    সেটা কি? না এক্ষপার্টাইজের প্যারামিটারে সব আছে। জিডিপি আছে, ইনকাম আছে, জনস্বাস্থ্য আছে, ভরতুকির পরিমাপ আছে, কিন্তু একটা জিনিসের কোনো পরিমাপ নেই। সেটা হল দক্ষতা। পাইপের একদিক থেকে জল ঢাললে আসল জায়গায় গিয়ে কতটা জল পড়ে তার কোনো পরিমাপ নেই। কোনো মাপকাঠি নেই। তো, আমরা দাবী করেছি, এটাকে মাপতে হবে এবং দক্ষতর করতে হবে। পূর্বশর্ত বলতে যদি আমাদের কিছু দাবী থেকে থাকে সেটা এইটুকুই। এরপরে দক্ষতর করার উপায় গুলো কি সে নিয়ে কিছু আউটলাইন দেওয়া হয়েছে। এইগুলো করতে পারেন, ঐগুলো করতে পারেন। জনতার নজরদারি চাই। ইত্যাদি। এগুলো পরিবর্ধিত পরিমার্জিত হতে পারে। এমনকি কিছু অবাস্তব বলে বাদও যেতে পারে (যেমন ধরা যাক আকার হটলাইন ঃ) )। সেটা খুব বড়ো ব্যাপার নয়। বড়ো ব্যাপারটা হল, এই মেসেজটা দেওয়া, যে, প্রশাসনকে, সরকারি ব্যবস্থাকে দক্ষতর করতে হবে, জনগণের জন্য দায়বদ্ধ করতে হবে। এবং জনতার একতি অংশ এই দাবী তুলছে।

    ওয়েব ক্যাম কেনার টাকা কোত্থেকে আসবে, ই-গভর্নেন্সের বাজেট কে বানাবে, এগুলো বলখিল্য এক্ষপার্টসুলভ প্রশ্ন। সেটা জনগণ নেটে বসে ঠিক করে দিতে পারেনা। যেমন ওয়্যারলেস নিয়ে থানায় থানায় কি করা হবে তার ডিটেল একদিনে বানিয়ে ফেলা যায়না। ফেলা হবেও না। ব্যস।
  • Marveaux | 131.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ০৯:৩৯517763
  • ওকে, যেটা বলার ছিলো। একটু সিকোয়েন্সটা দেখা দরকার।

    (১) খসড়া নিয়ে গোলাগুলি - দু চার পাতা জুড়ে
    (২) খসড়ার সঙ্গে ওপেন সোর্সের তুলনা করে কমেন্ট - "ওপর ওপর" মনে হওয়া - ইহা একটি ইমপ্রেশন, সাথে হাইপোথিসিস
    (৩) ফের গোলাগুলি
    (৪) ইশানের মধ্যমা দেখানো পোস্ট
    (৫) কনক্লুজন - হাইপোথিসিস প্রুভড

    এইবারে ইশানের বক্তব্য হল কনক্লুজনটা কী করে টানা হল, কারণ দুটো আলাদা কনটেক্সট। কিন্তু সিকোয়েন্সটা দেখলে কি মনে হচ্ছে কনটেক্সট আলাদা? মধ্যমা দেখানোটা গোলাগুলির রিয়্যাকশন হতেই পারে, কিন্তু সেই উদাহরণটা ভ্যালিড মনে হচ্ছে।

    অবশ্য শুধু *মনে হচ্ছে*। লজিক্যালি কেউ যদি বোঝায় যে কনক্লুজনটা আউট অফ কনটেক্সট তাহলে মেনে নেবো। এটা তো জার্নাল, কাজেই রিভিশনের স্কোপ আছে;-)
  • Marveaux | 131.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ০৯:৪৩517764
  • কলকাতার পূবদিকে বাড়ার সিদ্ধান্ত এক্ষপার্টদের নেওয়া নয়। এক্ষপার্টরা বরং প্রথম খসড়ায় (হুঁ, ফের খসড়াই) প্রবল বিরোধিতা করেছিলেন। সেই খসড়া এবং সেখানা যখন শোধন হল কালো কালি দিয়ে সেই ক্রিটিসিজমগুলো চাপা দিয়ে - দুটোই আমার নিজের চোখে দেখা।

    এই সিদ্ধান্তটা একটা বিরাট ভুল। কে জানে রাজনৈতিক না অর্থনৈতিক - জানি না। তবে ভুলটা শুরু বিধান রায়ের সময় থেকে (সল্লেক)। তারপর সেটা শোধরানোর বদলে আরো বাড়ানো হল (রাজারহাট)।
  • Ishan | 60.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ০৯:৫১517765
  • সিকোয়েন্সে গলতা আছে।

    (১) এখানে কোত্থাও খসড়া নিয়ে গোলাগুলি চলছিলনা। চলছিল গুরু কিভাবে দিদিকে তোয়াজ করে সেই নিয়ে খিস্তাখিস্তি।

    চোখ থাকলেই দেখা যাবে। অবশ্য যদি খুলে রাখা হয়। কনভিনিয়েন্টলি বন্ধ রাখলে অন্য কথা। সেক্ষেত্রে কেন কনভিনিয়েন্টলি বন্ধ রাখা হয়, সেই প্রশ্নও চলে আসবে।
  • bb | 127.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ০৯:৫৪517767
  • ভাল লাগালো ঈশানের উত্তর, আমার প্র্শ্ন গুলি লিখব, উত্তর দেবেন, দেরী হলেও।
    আর এর মধ্যে ব্যক্তিগত বা দলবাজি ধরণের ব্যাপার না এলে ভাল। দু-তরফেই ব্যাপারটা অবজেকটিভ ভাবে দেখা হোক এটাই অনুরোধ।
    ১) সম্পাদক মন্ড্লী কি এই খসড়া ব্যাপার টা চালু রাখবেন, না এই প্রথম অভিঞ্জতার ভিত্তিতে ( অনেক সময় সাপেক্ষ) এই নিয়ে বেশী এগোবেন না?
  • Marveaux | 131.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ০৯:৫৪517766
  • গলতা নেই। খসড়ার কথা ওই সুত্রেই উঠেছিলো। ২৭শে আগস্টের পোস্ট দেখছিলাম - গুচ্ছবার খসড়া খসড়া হয়েছে।
  • Ishan | 60.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ০৯:৫৭517768
  • উদা একঃ

    "মনে হয় গুরুর গণতন্ত্রের একটা অলিখিত লক্ষণ রেখা আছে। গত তিন বছরের চাপান-উতোর ঘাঁটলে বোঝা যায় যে সিপিএম-সহ সরকারি বামেদের কৃতকর্ম এক কথায় "ভুল সবই ভুল" এবং সেকারণে যথেচ্ছ গাল দেওয়াতে কোন আপত্তি নাই। সেই কারণেই কিনা কে জানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর রুদ্ধদ্বার সভা করার অনুমতি না মেলার খবরটিও এক ব্যাখ্যাতীত নৈঃশব্দের নীচে চাপা পড়ে যায়। এমনকি রাতের অন্ধকারে কোন ক্ষীণ "ঘেউ-ঘেউ" উচ্চারণও শোনা যায়্না।

    কিন্তু তৃণপন্থী-মাওব্যথী-মানবাধিকার কর্মীদের/বুদ্ধিজীবিদের বিরুদ্ধে বেশী কিছু কইলে বা তাদের রাজনৈতিক বোধ নিয়ে বেশী পোশ্চেন করলে ঐ লক্ষণ রেখাটি ওঁয়া-ওঁয়া শব্দ করতে শুরু করে। তাতে অবিশ্যি আপত্তি করার কিছু নেই - সব প্রকাশ/প্রচার মাধ্যমেরই কোন না কোন - যেমন "নিরপেক্ষ, নির্ভীক", "মেহনতি মানুষের পক্ষে", "ভগবান ছাড়া।।।ইত্যাদি" অথবা এই তালিকায় নবতম সংযোজন "দেশ ছাড়া কোন আবেগ নেই" জাতীয় (কূট)নৈতিক শ্লোগান থাকে - গুরুও সের'ম কোন ঘোষিত নীতি থাকলে সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধে হয় যে না পড়লে পিছোব না পিছলোব!!"

    এটা পিটি লিখেছেন। সে লিখেছেন বেশ করেছেন। কিন্তু এটাকে খসড়া বিষয়ক আলোচনা বলে চালালে আমার বুঝতে একটু অসুবিধে আছে। এবং এরকম গাদা গাদা আছে। এক আধটা না।
  • a | 132.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ০৯:৫৯517769
  • এই তো খসড়ার বেসিক দুটো পিলার

    ১। এক্সপার্টরা মূলত মুখস্থ বিদ্যার ফসল, তাই টেক্স্টবুকের বাইরে ভাবেন না। গ্রাউন্ড রিয়ালিটি বোঝেন না। তাই তাদের পরিকল্পনা মুখ থুবড়ে পড়ে

    ২। পাতি পাব্লিক শুধুই "গোড়েগোব্দ" জিনিসই ভেবে চলেছে, এর বাইরে কিছু ভাবছে তার প্রথম উন্মোচন হল এই খসড়া

    এর উপর বেস করে আগে এগোলে যা হবার তাই হয়েছে।

    আসলে এই খসড়া যারা লিখেছেন, সেই পাতি পাব্লিক-ম্মন্য এক্ষপার্টেরা, তারা পঃ বঃ এর গ্রাউন্ড রিয়ালিটি কিসুই বোঝেন নি, (বিদেশে বসে বোঝাটাও মুশকিল, একথা তখনো লিখেছিলাম) তাই এই "পরিকল্পনা" স্রেফ মুখ থুবড়ে পড়েছে।
  • Marveaux | 131.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ১০:০১517770
  • এইটা সিলেক্টিভ, নাকি সিলেক্টিভ নয়?
  • Ishan | 60.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ১০:০৬517771
  • সিলেক্টিভ? হ্যাঁ সিলেক্টিভই তো। কিন্তু এক আধটা পোস্ট নয়। খুঁজতে শুরু করলে গাঁ উজাড় হয়ে যাবে। সেসব যখন কারো চোখে পড়েনা, শুধু প্রত্যুত্তরই চোখে পড়ে, তখন তো দেখার ভঙ্গী নিয়ে প্রশ্ন ওঠেই।
  • lcm | 34.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ১০:১০517772
  • পৃথিবীর কোনো পরিকল্পনাই, কোনো থিওরি, কোনো খসড়াই - কাজ না করলে হবে বাস্তবায়িত হবে না। এক্সপার্ট বানিয়েছে না অ্যামেচার বানিয়েছে, সে তো পরের প্রশ্ন।
    তামিলনাড়ু, পাঞ্জাব - এরা কিন্তু ঐ ডামাডোলের মধ্যেই কাজকম্মো কিছু করে।

    আর যারা ভাবছেন, পূবদিকে না বাড়িয়ে শহর উত্তর বা দক্ষিণে বাড়ালে আজ এক্কেবারে লন্ডন হত - দে আর লিভিং ইন দেয়ার ইমাজিনেশন।
  • Marveaux | 131.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ১০:১২517774
  • এর উত্তর তো আগেই দিয়েছি। রিভিউয়ার প্রশ্ন করবেই, আর যা খুশি প্রশ্ন করবে। ওনার কখনো রিভিউয়ারের ইনটেনশন নিয়ে প্রশ্ন করতে পারে না - এই হল দস্তুর। মাইরি বলছি - জার্নালে একজন রিভিউয়ার যদি বলে যে পেপারটা ভুষি, বা অমুক জায়গা থেকে টোকা, আর তাকে আমি ওর'ম প্রত্যুত্তর দিই, আর দেখতে হবে না।

    কালকের পোস্ট থেকে কোটঃ

    "আবার বলি - এখানে যারা প্রশ্ন করছে (সেটা বালের প্রশ্ন বা কমেন্ট হলেও, না বুঝিয়ে উড়িয়ে দেওয়া হলেও) তারা রিভিউয়ার।

    হ্যাঁ, হইতে পারে এই অ্যাকাডেমিক তত্ত্ব এখানে পছন্দ নয়। আমি যে পদ্ধতি জানি তার কথাই বলতে পারি বড়জোর।"
  • Marveaux | 131.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ১০:১৪517775
  • এলসিএমদা - উত্তর/দক্ষিণ নয়, লজিক্যালি (টাউন প্ল্যানিং-এর লজিক মানলে) পশ্চিম দিকে বাড়া উচিত ছিলো - যেটা এখন আস্তে আস্তে হচ্ছে - গত বছর তিনেক ধরে। যদি আগেই হত, তাহলে আজকের অনেক প্রবলেম কখনো তৈরীই হত না। লন্ডন হত না অবভিয়াসলি, কিন্তু অনেকগুলো সমস্যা থাকতো না।
  • Marveaux | 131.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ১০:২২517777
  • তবে এই তর্কটা অনেকটা মান-অভিমান টাইপ হয়ে যাচ্ছে। বুড়ো বয়সে ভাল্লাগে না মাইরি।
  • h | 213.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ১০:২২517776
  • আমি ফান্ডামেন্টালি একটা জিনিস বুঝছি না। সেটা হল একদল লোক, একটা সরকার কে কিছু সাজেশন দিয়েছে। নতুন সরকার, তার কাছে মানুষের চাহিদা / আবদার থাকতেই পারে। তারা মনে করেছে সরকার তাদের এই সাজেশন সিরিয়াসলি নেবে। মনে করেছে যেহেতু, তারা এক্সপার্ট ও উচ্চ-শিক্ষিত কিন্তু প্ল্যানিং বা ইকোনোমিক্সে বা গভরনেন্সে অ-এক্সপার্ট অ লোকজনের একটা মিশ্র গ্রুপ, তাই সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভংগী আর বিভিন্ন টেকনিকাল এক্সপার্ট দের দৃষ্টিভংগীর একটা মিল-মিশ হলে, সাজেশন গুলো যে এক্বারে আকাশকুসুম নয় এটা সরকার বুঝবেন।

    এবার নেবে কিনা সেটা সরকারের ব্যাপার, নিয়ে 'মশাই আপনার সাজেশনেই দেশ এগিয়ে গেল' বলবে কিনা সেটাও সরকারের ব্যাপার।

    এটা তে এত চাপ কিসের।

    প্রশ্ন কেন করা যাবে না, প্রশ্ন গুলোর তিনটে পয়েন্ট ছিলঃ
    ১- এজেন্সী সংক্রান্ত - যাঁরা লিখলেন তাঁরা কতটা এক্সপার্ট বা যাঁরা লিখলেন তাঁরা কতটা সাধারণ। এই বিতর্কে তো প্লেনে চড়া লোকেদের ট্রেনে চড়ার স্ট্রাগল এর আত্মজীবনী, আর সাইকেলে চড়া লোকেদের প্লেনে চড়ার উচ্চাকাংখা র মিশ্রণ নিয়ে যেমন সমাজ তৈরি তেমন ই সব কথা উঠেছে, আর বাল নতুন কি আলোচনার আছে এই লাইনে।
    ২- সরকারের সঙ্গে এই সংস্থা বা গ্রুপের নৈকট্য আছে কিনা। সংগঠক রা ক্লেম করেছেন নেই, অভিযোগকারীরা ক্লেম করেছেন আছে। এর থেকে কি আঅদৌ আলোচনা টা এগিয়েছে? এ বাল আর ভাল্লাগে না। আর যোগাযোগ যাঅদের নেই, তারা খুব বিপ্লবী আর যোগাযোগ যাদের আছে তাদের কথা শুনে একেবারে সরকার উদ্ধার করে দিচ্ছে, এই সব বালখিল্য চিন্তা। যে কোনো কারণেই হোক এই গ্রুপের মনে হয়েছে তারা চিঠি লিকেছে, তাতে সর্বা সাধারণের উপকার হয় এরকম কিছু তাতে আছে। এটা তো যে মায়ের নামে অমুক স্মৃতি টিউকল করতে চেয়ে পোস্টাপিসে বা পঞ্চায়েতে চিঠি দেয়, সেও মনে করে এতে এলাকার উনয়্ন হবে। সেটা হাস্যকর হলেও, আগে যে টিউকল চিহ্ল না সেটা অন্তত প্রমাণ হয়। অরে সাজেশন কি কেউ রেফারেন্ডাম করে দেয় নাকি?- দেশের উপকারের জন্য যাঁরা পেপার যাঅঁরা লেখেন তারা কি আমায় জিগেস করে লেখেন?

    ৩- মেরিট অভ দ্য টেক্স্ট, এটা নিয়ে যাঁরা লিখেছেন তান্দের মনে হবে তাঁরা দারুন লিখেছেন, পাঠকরা কেউ পসন্দ করবেন কেউ করবেন না, কেউ রিয়াক্ট করবেন না। এটা নিয়েও প্রচুর আলোচনা হয়েছে। নতুন কথা গত এক দের হপ্তায় তো কিসু পেলাম না।
    পৃথিবীর সমস্ত রাজনীতি সচেতন মানুষ সর্কার কেমন ভাবে চলছে সেই নিয়ে মতামত পোষণ করেন, তাঁদের কেউ কেউ চিঠি বা খসড়া লেখেন। তো কি হয়েসে টা কি? এত চাপের কি হল?

    ইট ইজ জাস্ট নট গো-ইং এনিহোয়ার, দিস ডিসকাসন। এই যে এত মহান বিতর্ক এতে সর কার বা কোনো পার্টির লোকেরা ডেমোক্রাসি কে টিঁকিয়ে রাখার জন্য আপনাদের কাছে কৃতজ্ঞ থাকবেন, এই আশা করে কি এই ফাল্তু আলোচন এত চর্বিত চর্বন হচ্ছে? বুঝছি না ভাই। সেল্ফ অ্যাপয়েন্টেড সাধারণ মানুষ না একেবারে অর্ণব গোস্বামির ভাবশিষ্য হিসেবে ইংরেজি শিক্ষিত চিন্তিত নাগরিক হিসেবে এই কথাটি বলে গেলাম। আর এক জিনিস আর ভাল্লাগে না।
  • Marveaux | 131.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ১০:২৪517779
  • বোধিকে ক।
  • Ishan | 60.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ১০:২৪517778
  • প্রথমতঃ, এখানে আমি আমার কোনো পেপার, যাথা খসড়া, রিভিউ করাতে বসিনি। একদম কিলিয়ার করে দিই। ফলে কেউ যদি নিজেকে রিভিউয়ার ভেবে থাকেন (ভাবেননি আমি জানি, তবু বাই চান্স), একদম ভুল ভেবেছেন।

    দ্বিতীয়তঃ প্যাপার আমি কখনও কোথাও সাবমিট করিনি। সেখানে রিভিউয়ার এসে "তুমি সালা মমতাকে তেলাও", কিংবা "তুমি প্যারানয়েড" জাতীয় কথা বলতে পারেন কিনা আমার সন্দো আছে। তবে বললেও, রিভিউয়ারদেরও একটা লক্ষণরেখা নিশ্চয়ই আছে। ধরা যাক, রিভিউয়ের নামে রেসিস্ট কমেন্ট নিশ্চয়ই কেউ করতে পারেন না।
    আমি জানিনা, তবে দুর্ভাগ্যজনক ভাবে যদি সেই লক্ষণরেখা না থেকে থাকে, আমার সামনে এইসব করলে সেই রিভিউয়ার ঝাড় খেতেন। প্রবল ঝাড় খেতেন। তাতে যাই হোক না কেন। আমি এরকমই। সেটাও কিলিয়ার করে দিলাম।
  • Marveaux | 131.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ১০:২৭517780
  • ল্লেপ্পচা। মতামত চাওয়া মানে কি রিভিউ করানো নয়?
  • সিদ্ধার্থ | 141.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ১০:২৮517781
  • ইন্টেন্সন নিয়ে আবার কে কি বলল! মানে, যারা বলছে তারা তো দেখছি ১ বচর ধরেই বলছে। নতুন করে তো কেউ কিছু বলেনি আর!

    আমিও ভাবছি মমতাকে একটা খসড়া পাঠাব। তাতে একটাই দাবী থাকবে ` হয় রিজাইন করুন নাহলে ছিঁড়ে আঁটি বাঁধুন`
  • Ishan | 60.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ১০:৩০517783
  • মতামত যখন চাওয়া হয়েছে হয়েছে। সে কেস বহু আগে মিটে গেছে। এখন কেউ কোত্থাও কোনো মতামত চায়নি। যা দেওয়া হচ্ছে, নিজের উদ্যোগেই দেওয়া হচ্ছে। কাজেই কারো নিজেকে রিভিউয়ার ভাবার কোনো কারণ নেই।
  • Marveaux | 131.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ১০:৩০517782
  • শুধুমাত্র অ্যাকাডেমিক কারণে কিছু সিলেক্টেড কমেন্ট তুলে দিই দেখানোর জন্যে যে কী ধরণের কমেন্ট আসেঃ

    (1) This paper is desperate. Please reject it completely and then block the author’s email ID so they can’t use the online system in future.
    (2) The biggest problem with this manuscript, which has nearly sucked the will to live out of me, is the terrible writing style.
    (3) Ken, I would suggest that EM is setting up a fund that pays for the red wine reviewers may need to digest manuscripts like this one. (Ed.: this excellent suggestion was duly proposed to the Publisher. However, given the logistical difficulties of problem-solving within narrow time frames, combined with the known deleterious effect of transport on good wine, a modification of the remedy was adopted, namely that Editors would act as proxies for reviewers with said digestive complaints.)
    (4) I suppose that I should be happy that I don’t have to spend a lot of time reviewing this dreadful paper; however I am depressed that people are performing such bad science.
    (5) The presentation is of a standard that I would reject from an undergraduate student. Take Table 1: none of the data has units or an explanation. Negative controls gave a positive signal, but there is no explanation of why and how this was dealt with; just that it was different.
    (6) The lack of negative controls. . . . results in the authors being lost in the funhouse. Unfortunately, I do not think they even realize this.
    (7) Reject – More holes than my grandad’s string vest!

    ডিঃ এগুলো কোনোটাই আমার পাওয়া নয়, সেটাও জানিয়ে দিলাম;-)
  • সিদ্ধার্থ | 141.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ১০:৩২517785
  • আসলে বহুকাল ধরে খসড়া নিয়ে কচকচি শোনার পর কালকেই সবে পড়লাম। হয়ত এমন কিছু প্রশ্ন করেছি যেগুলো নিয়েই আগেই অনেক কথা হয়ে গেছে। সে যাক !

    পাব্লিককে একটা সাজেশন। এসব খসড়া ফসড়া নিয়ে আর চুল ছেঁড়াছেঁড়ি করবেন না। ইয়েস মিনিস্টার দেখুন। রিয়েল পলিটিক, সরকার, বুরোক্রাসি কি মাল, বুঝে যাবেন। অনেক না জানা প্রশ্নের উত্তর মিলবে .....
  • Marveaux | 131.*.*.* | ৩১ আগস্ট ২০১২ ১০:৩৮517786
  • উইন্ডোজ মিলেনিয়াম যখন বেরলো তখন নিশ্চয় ইউজার রিভিউ হয়েছিলো। অতি বালের জিনিস, কিন্তু বাজারে এসেছিলো। বেশিদিন চলেনি সেটাও ঠিক। লোকে তখনও গাল দিয়েছিলো, এখনো দেয় - যদিও মাঃসঃ এখন কোনো মতামত চায়নি/চায়না। তবে গাল দিলে রেগেও যায় না। তারা মাঃসঃ, তাও।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা খুশি মতামত দিন