এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • ladnohc | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১৫:৩০161612
  • পুরীতে গেলে বীচ ধরে পশ্চিম্মুখে পায়ে চলে এখানে যেতে পারেন, একটা ছোট্ট নদীর মোহনা........
  • Ekak | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১৫:২৬161609
  • বাঙালি ছেলে দের সঙ্গে মারাঠীদের প্রচুর মিল দেখেছি মেয়েদের ব্যাপারে।
    মুখে মিষ্টি। পেছনে পরচর্চা এবং অনলি-মেল গ্রুপে ভার্জিনিটি ফেতিশের বন্যা বয়ে যায়। আবার সামনে বিশাল লিবারাল।
  • kumu | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১৫:২২161606
  • সিকি ও ব্যাং, সত্যি কিছুই বলার নেই।
  • Tim | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১৫:২২161607
  • হায়, আমার ঘ্যান ঘ্যান করার টেইম পর্যন্ত নাই।
  • de | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১৫:২২161608
  • জেনারালাইজেশন হবে হয়তো -- তা হোক -- শুক্কুরবারের দুপুর --

    মারাঠী ছেলেদের সম্পর্কে আমার একটু কওনের আছে। অন অ্যান অ্যাভারেজ, আমার দেখা মারাঠীরা মেয়েদের বেসিক সম্মানটুকু কিন্তু করে। ইউপি ওয়ালা দের মতো অতো জেন্ডার বায়াসও নেই!
  • dd | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১৫:১৫161604
  • এতোদ্বারা (নীচের পোস্ট খ্যাল করুন) আমি সাপ্তাহান্তিক ঘ্যানঘ্যানানি অগ্রিম শুরু করে দিলেম।
  • dd | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১৫:১৪161603
  • শুক্কুরের দুকুরব্যালা একটা গাছমছমে ভাব থাকে গুচর উঠোনে।

    ন্যাচারাল। পরপর দু দিনের ছুটি। ছ্যাৎ প্যাৎ কাজ কম্মো একটু সেরে নিই। দু দিন দারুন মোচ্ছোব চলবে। রাত জাগা পাট্টী, দিন ভোর ঘুমানো, গুরু ভোজোন, বহুপান। শরীরটাকে তো চাঙা রাখতে হবে।

    আমার অবশ্যো শনিবারেও আপিস থাকে। তাই শুক্কুরের দুক্কুরব্যালা থেকেই বেল্ট সেঁটে মালকোচা মেরে রেডী সেডি ঘো বলে তৈরী থাকবার প্রয়োজন দেখছি না।
  • siki | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১৪:০৩161602
  • ব্যাঙের লিংটা পড়লাম।

    কী বলব ...
  • siki | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১৪:০০161600
  • ব্যান্ডেল চার্চ এখনও পরিষ্কার।

    পুরীর মন্দিরে আমি ঢুকেছিলাম একবার। বেরোবার পথে এক শালা পন্ডা আমার মাথায় লাঠি তাক করেছিল, কিন্তু তাল বুঝে আমি মাথা সরিয়ে নিয়েছিলাম, সেটা অন্য কার যেন গায়ে লেগেছিল।
  • kc | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১৩:৫৭161599
  • কিন্তু যদি আবার বিহারি হয়? তাইলে তো এবার আরও মারবে। সকালে টিভিতে এমেনেসের একজনকে দেখলাম আগুন ওগরাতে।
  • dd | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১৩:৪৬161598
  • আরেকটা কথা, সে যতই না ব্যাড টেস্টের হোক। শুনুন।

    এই যে মুম্বাই গ্যাংরেপের একজনকে ধরেছে আর বাকী চারজনকে আইডেন্টিফাই করেছে, খুব চাইছি এরা মারাঠী হোক।

    আর কিছু না। আগের একটা রেপিস্ট বিহারের বলে থ্যাকারেরা খামোখাই বিহার ইউপির কিছু লোককে নাহোক পেঁদিয়েছিলো। "এরাই সব অধর্মের মুল"। এ সবও কয়েছিলো।

    এই জন্যেই।
  • dd | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১৩:৪১161597
  • সব অধার্মিককে জানাই।
    শুনুন পুরীতে ৭/৮ বার গ্যালেও মন্দিরে কভু ঢুকতাম না, খালি একবারই ঢুকেছিলাম।
    সেটা বিকেল নাগাদ, সে সময়ে কি একটা আরোতি গোছের হয়। জগন্নাথ ঘুম থেকে ওঠেন এরকম ব্যাপার। মন্দিরের ভিতরে একেবারে নিশ্ছিদ্র নীরেট অন্ধকার। এক রত্তি আলো নেই। তারপর অল্প ধুপ কাঠি জ্বালিয়ে আর তারপরে অনেক পাটকাঠি একত্তর করে মশাল টাইপের করে প্লাস পঞ্চ পিদিমের আলোয় আরোতি হোলো। ঘনো আঁধার তারমধ্যে ছিটকে ছুটকে আগুনের আলো, জগন্নাথ ফেমিলির ঐ রকম মুর্ত্তি,তাতে স্ট্রোব লাইটের মতোন আলো ঠিকরাচ্ছে আর তারোস্বরে শ্লোক।

    খুব রোমাঞ্চকর। সে প্রায় চল্লিশ বছোর আগের ঘটনা। এখনো ওরম হয় কি না, হলেও সবাই ঢুকতে পারে কি না জানি না।
  • cm | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১৩:২৭161596
  • আমাদের দেশে যা দেখেছি মন্দির কাদায় ভর্তি মসজিদ আর চার্চ ধুলোয় ভর্তি। একমাত্র ব্যতিক্রম দক্ষিণেশ্বর। অক্ষরধামে যাইনি। ও ব্যান্ডেল চার্চও পরিষ্কার। তবে সে কয়েক দশক আগের স্মৃতি।
  • ঐশিক | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১৩:২২161595
  • ওদের থালি পাওয়া যায়, খুব সুন্দর আর জায়গাটাও বেশ সাজানো, খুব সম্ভবত শিবাংশুদার লেখায় পাই
    http://wildgrasspuri.com/gallery.php
  • ঐশিক | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১৩:২০161594
  • আরে পুরিতে গিয়ে Wild Grass এ খেও শ্রাবনী দি
  • Kaju | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১৩:০৪161593
  • সোসেন্দি এখন কোথায়? এখানে?
  • sosen | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১৩:০৩161592
  • চিরকাল দেখে এলুম এসব ব্যাপারে সুন্দরী মেয়ে, সুন্দর ছেলেদের রমরমা। ছেলেদের দিয়েও করানো হয় তো। তবে বলিয়ে কইয়ে হলেও ওরকম হয়। অনেকে এগুলো করতে চায়। বেশ খুশি হয়ে। সেক্ষেত্রে এই বোকা বোকা ব্যাপার তুলে দিলেই হাড় জুড়োয়।
  • de | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১২:৫৯161591
  • পুরীতে মন্দিরের বাইরে যে আনন্দবাজার ছিলো সেটা কি এখন আছে? সেখানকার জিবেগজা আর নানা রকম শুকনো প্রসাদ দারুণ খেতে ছিলো!
  • san | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১২:৫৬161590
  • ওদের ভোগের জিবেগজাটা জাস্ট দারুণ, এমনি দোকানের গুলোর চেয়ে অনেক ভাল !
  • শ্রাবণী | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১২:৪৯161589
  • আমার আবার পুরীর জিবেগজা একটু বেশী মিষ্টি লাগে। কাল যাচ্ছি তো, আনব কিনা ভাবছি! মন্দিরে ঢোকার অবশ্য সিন নেই যদিও আমার পুরী মন্দির দেখার খুব ইচ্ছে ছিল কিন্তু পান্ডার জ্বালাতন সহ্য করা সম্ভব নয়।

    বলতে নেই, আমাদের বাড়ির বলির যে মাংস, পেঁয়াজ ছাড়া তা এমনই স্বাদ, ওই স্বাদ এমনি কিনে আনা মাংসতে হয়না। সে অবশ্য সবাই বলে ঠাকুরের জিনিস তাই ভালো। যদিও আমরা অনেকেই বলি তুলে দেওয়ার ধুয়ো তুলি মাঝে মাঝেই তবু এটা মানতেই হয়!
  • কৃশানু | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১২:৪৭161588
  • আসলে আমি এখন অফিসে রেগুলার চেক করতে পারি না, চাপ। বেরোতেও দেরী হয়। তাই ব্যাকলগ কিলিয়ার-ও করা হয় না।
  • san | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১২:৩২161587
  • আহা প্রসাদে জিবেগজা পেলে ফেরাই কে বলেছে? :-)
  • | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১২:৩১161586
  • প্রসাদ তো বেশীরভাগ সময়ই খেতে খুবই ভাল হয়। কালীঘাটের প্রসাদও, ঐ চিনি কিটকিটে প্যাঁড়া ছাড়া অত্যন্ত ভালো খেতে।
  • siki | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১২:৩০161584
  • ঐ মিয়োনো মুড়ি আমিও ফেরত দিয়ে দিই, কেবল আখরোট ইঃ পেলে নিয়ে নি।
  • san | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১২:৩০161585
  • হালুয়া তো ভাল খেতে ! তা বলে শুকনো মুড়ি :-(
  • san | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১২:২৭161583
  • কিশানু, লিখলাম যে সেদিন। সিদল বাটা কাচকি শুঁটকি লইট্যা ভর্তা কচু চিংড়ি শোল মাছ চিতল পেটি চিকেন ভর্তা আমের চাটনি। আহা বড়ো ভাল খেয়েছিলাম।
  • শ্রাবণী | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১২:২৬161582
  • কিন্তু স্যান বাংলা সাহেবের হালুয়া খেতে গিয়েছিল, মাথায় ওড়না দিয়ে গ্রন্থসাহেব পাঠও শুনে এসেছিল না?

    অমৃতসরের কোন একটা মন্দিরের ঘি চপচপে হালুয়া, এত টেস্টি হালুয়া আমি জীবনে খাইনি, সেই ছোটবেলায় গেছি কিন্তু এখনো মনে আছে। স্বর্ণ মন্দিরের লঙ্গরের কালি দালও। পুজোর খিচুড়ী ভোগ, মাতাদীর আটার পুরী আর আলু কুমড়োর ঘ্যাঁট..............প্রসাদ তো বেশীরভাগ সময়ই ভালো হয়, বেশ ভালো। বৈষ্ণো দেবীর ওই মুড়ি মিক্সটা বেশ বাজে অবশ্য, একটু আগেই ফিরিয়ে দিলাম।
  • siki | ২৩ আগস্ট ২০১৩ ১২:১৯161581
  • এই মে মাসের ঘটনা। কনট প্লেসের একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্ক। সেখানে সিকিনীর অ্যাকাউন্ট আছে, সিকিনীর সিটিএস চেকবুক সেখানে এসে পড়ে আছে, আনতে গেছি। কনট প্লেস থেকে সিকিনীর আপিস বেশি দূরে নয়, তাই অফিস টাইমেই বেরিয়েছি, ওখানে কাজ সেরে সিকিনীকে আপিস ড্রপ করে ফিরে আসব।

    ব্যাঙ্কে পৌঁছলাম সাড়ে নটায়। তখনও ব্যাঙ্কের সিকিওরিটি আর একজন সিনিয়র লোক ছাড়া কেউ আসে নি। তাও সিনিয়র ব্যক্তি এসেছেন কারণ সকাল থেকে ব্যাঙ্কের পাওয়ার কানেকশন কেটে গেছে, তিনি তাই নিয়ে খুব ব্যস্ত হয়ে ইলেকটিরি আপিসে ফোন করে যাচ্ছেন। একটু ফুরসত পেতে জিজ্ঞেস করলাম, চেকবই নিতে এসেছি, কে দেবে?

    তো ভদ্রলোক ভদ্র ভাবেই বললেন ঐ টেবিলে একজন ম্যাডাম আসবেন, তিনি দেবেন, তিনি না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন।

    ম্যাডাম এলেন নটা পঞ্চাশ নাগাদ। আসতেই ধরেছি, তা উনি বললেন, দিচ্ছি, একটু দাঁড়ান, একটু পরে। এদিকে কোনও কাজও করছেন না, পাশের কলিগের সাথে খোশগল্প করছেন।

    আমি মনে মনে সরকারি ব্যাঙ্কের লোকেদের মনোভাব নিয়ে মনে মনে খিস্তি করে যাচ্ছি, এমন সময়ে ঘড়ির কাঁটা দশটা ছুঁল, অমনি অফিসে যুদ্ধকালীন তৎপরতা শুরু হয়ে গেল। হুড়মুড় করে সবাই দৌড়ে এল মাঝখানটিতে, হাত জোড়, আমি তাকিয়ে দেখলাম, সামনেই একটা সোনালী কুলুঙ্গীতে ঠাকুর দেবতা রাখা। লাইট ফ্যান অফ করে ফেলা হল, কারণ ব্যাকআপ টানতে পারবে না বেশিক্ষণ, কারেন্ট নেই তো, কিন্তু লাইট ফ্যান অফ কেন?

    হিডেন বক্স থেকে গলা ছাড়লেন লতা মঙ্গেশকর বা অনুরাধা পড়োয়াল। মিউজিক সিস্টেমে ছড়িয়ে পড়ল গান, আর তার সাথে সমস্ত ব্যাঙ্ক এমপ্লয়িদের কোরাস, ইতনি শক্তি দেনা মুঝে মাতা, মন কি বিশ্বাস কভি ভঙ্গ না হো।

    বল্লে বিশ্বাস করবেন না, টানা সাত মিনিট ধরে ঐ কোরাস ভক্তিগীতি হল, তারপরে হিপ হিপ হুররে স্টাইলে জয় মাতাদি জয় মাতাদি হল, আর তারপরে ব্যাঙ্কের কাজ শুরু হল। ততক্ষণে ব্যাঙ্কের কাস্টমার যত এসেছিল তারাও ভক্তিগীতিতে যোগ দিয়েছিল, আমরা দুজনই বেকুবের মত সাইডের বেঞ্চিতে বসে ঘামছিলাম।

    তারপর কারেন্টও এসে গেল, আমাদের কাজও হয়ে গেল ঠিক সাত মিনিটের মধ্যে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত