এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • sinfaut | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১১:৩০151349
  • *মেয়েকে
  • sinfaut | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১১:২৯151348
  • আমি অজ্জিদ্দার ময়েকে এখনও ছোট্টো ভেবেছিলাম, এত বড় হয়ে গেছে !! মনে হচ্ছে এই তো সেদিন জন্মালো।
  • kumu | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১১:২৮151347
  • স্কুল পাল্টে যেখানে যাবে সেখানে এইরকম কিছু হবে না?
    স্কুল পাল্টাতে মেয়ে রাজি?
    দিল্লীতে এই ঘটনাগুলো খুব কমন।
  • siki | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১১:২১151345
  • আরে আসল গল্পটাই তো লিখতে ভুলে গেলাম। ঐ যে, অফেন্স ইজ বেস্ট ডিফেন্স। দুদিন আগে মায়ের ফোন পেয়ে দিদিমণি জেনেই গেছিলেন মেয়ের বাবা মা এসে আর্গু করতে পারে এই টাকা নিয়ে, অতএব আগে তাদের মুখ বন্ধ করতে হবে।

    ক্লাসে ঢোকামাত্র প্রথমে মেয়েকে বলা হল তুমি বাইরে গিয়ে দাঁড়াও, আমি তোমার মাম্মিপাপার সাথে কথা বলব।

    মাম্মিপাপাকে জানালেন (ইনি অন্য দিদিমণি, আগের বছরের নন) আপনার মেয়ে খুব স্ল্যাং বলছে ক্লাসের মধ্যে, আমি খুব বিরক্ত হচ্ছি, আপনারা একটু সামলান (কমপ্লেনের প্যাটার্নটা, লক্ষ্য করুন, এক রকমের। সম্ভবত এই রকমেরই ট্রেনিং দেওয়া হয় কাউন্টার অ্যাটাকের জন্য)।

    এইবারে আর মেয়ের বাবা মা ভড়কে যায় নি। খুব হাসিমুখেই জিজ্ঞেস করে, কী স্ল্যাং?

    (আপনারাও শুনে হাসবেন্না প্লিজ) মেয়ে নাকি কাকে বলেছে, তেরা দিমাগ খারাব হ্যায়, তেরা দিমাগ কা স্ক্রু ঢিলা হ্যায়।

    এর পরে, অ্যাজ এক্সপেক্টেড, পরের বক্তব্যও এল, একটু দেখুন, আফটার স্কুল মেয়ে কার সাথে মিশছে ইত্যাদি। মেয়ের বাবা অতএব, অম্লানবদনে বলে দিল, ওর স্কুলবাসে না, একটা ছেলে আছে, যে খুব স্ল্যাং বলে, বোধ হয় ওর থেকেই শিখছে, আপনি ওর বাস টিচারের সাথে একটু কথা বলে দেখুন তো ...

    এর পরে ফীজ বুকলেট এবং ঐ সাবস্ক্রিপশন নিয়ে বাদানুবাদ। দিদিমণি এক্সপেক্ট করেছিলেন প্রথমেই মেয়ের নামে অভিযোগ শুনে বাবা মা চুপসে যাবে। তা না হওয়ায় তিনি খুব অপমানিত বোধ করেছেন। মেয়ের মা টাকা দিতে গিয়ে কথা বলে সেই রকমই নাকি দেখে এসেছে।
  • siki | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১১:১২151344
  • দিল্লিতে স্কুল বদলানোটা খুব মুখের কথা নয়। নেক্সট টু ইমপসিবল। তবু চেষ্টা চলছে।

    স্কুল বদলানো ভার্চুয়ালি ইমপসিবল বলেই আমাকে একা একা বাইরে যেতে হয়, ফ্যামিলি নিয়ে লং টার্মে বাইরে যেতে পারি না।

    বি, স্কুলের নাম প্রকাশ্যে লিখলাম না। ভারতের এক প্রিমিয়ার স্কুল। মেলে জানাতে পারি।
  • b | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১১:০৭151343
  • এগুলো-ও লা জবাব দেহলী-র মধ্যে যাবে কি? তবে শুধু দেহলী নয়, এ সারা ভারতের ক্যান্সার।
  • b | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১১:০৫151342
  • সিকি, স্কুলটার নাম জানতে পারি?
  • de | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১১:০২151341
  • সিকি, যথেষ্ট সময় আছে, সাঁঝ এখনো অনেক ছোটো -- শিগ্গিরী স্কুল বদলাও -- কাছাকাছি কোন কেভি নেই?
  • kumu | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১০:৫৬151340
  • পোটকে সিকি বলে দিয়েছে বোটানিকাল গার্ডেনের রাস্তা।
  • siki | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১০:৫৩151339
  • কদিন আগে স্কুল থেকে একটা নোটিস এল, বাচ্চাদের নিউজপেপার পড়তে উৎসাহিত করার জন্য হিন্দুস্তান টাইমসের সাথে টাই আপ করা হয়েছে। বাচ্চাদের জন্য এইচটির স্পেশাল এডিশন ছাপানো হচ্ছে শুধু এই স্কুলের জন্য। আপনারা দয়া করে এত টাকা সাবস্ক্রিপশন বাবদ পাঠান। সঙ্গে স্যাম্পল পেপার।

    মেয়ের বাবা এইবারে রেগে গেল। এ কী ঝামেলা? স্কুলটির অ্যানুয়াল ফিজের বাইরেও যখন তখন বিভিন্ন খাতে এই রকম টাকা চাইবার বাতিক আছে। বিনা রসিদে। এমনিতে অন্যান্যবার কনসেন্ট নেওয়া হয়। এইবারে কনসেন্টের বালাই নেই।

    বাবা বললেন, পাঠাবো না টাকা।

    চাপ পড়ল ক্লাস থ্রি তে পড়া মেয়ের ওপর। তকে রোজ দিদিমণি বলে, টাকা দেওয়াটা ম্যান্ডেটরি। পাঠাতেই হবে। বাবাকে গিয়ে বলো।

    তিন দিনের দিন মেয়ের মা ফোন করলেন দিদিমণিকে। এই পেপার পড়ার পক্ষে আমার মেয়ে এখনও বাচ্চা। ব্যাপারটাকে কম্পালসারি কেন করা হচ্ছে? আর বাজারে আরও তো অনেক ভালো ভালো বাচ্চাদের নিউজ বেসড ম্যাগাজিন আছে। হোয়াই হিন্দুস্তান টাইমস?

    দিদিমণি তেমন কোনও উত্তর দিতে পারলেন না, কেবল বললেন, এটা কম্পালসারি। দিতেই হবে, না দিলে পরের উইকলি টেস্টে মেয়েকে বসতে দেওয়া হবে না।

    এর কদিন পরেই ছিল পিটিএম। মেয়ের বাবা গেছিল ফীজ বুকলেট নিয়ে। মাত্র তিনটে পয়েন্ট বলল,

    ১) আমিও একদিন ক্লাস থ্রি তে পড়তাম। আমার তো মনে হয় না সেদিন নিউজপেপার পড়ি নি বলে জীবনে খুব কিছু মিস করেছি। নিউজপেপার পড়ার পক্ষে ও কি যথেষ্ট ছোট নয়?

    ২) আপনারা সেসনের শুরুতেই ১২০০০ টাকা একটা মিসলেনিয়াস ফী নেন। কেন নিউজপেপার সাবস্ক্রিপশনের টাকাটা সেখান থেকেই কেটে নিচ্ছেন না? কেন আলাদা করে টাকা চাইছেন?

    ৩) কেন রসিদ দিচ্ছেন না? অন্তত রসিদ দিন যে আমি টাকাটা পে করছি।

    দিদিমণি খুব খুব অপমানিত হলেন, নাকের পাটা ফুলিয়ে বললেন আমাকে এসব কথা বলার মানে কী? আমি কি কোর্স কোঅর্ডিনেটর? আপনি আপনার গ্রিভান্স কোর্স কোঅর্ডিনেটরকে জানান। আমি শুধু বলতে পারি টাকা না দিলে আপনার মেয়েকে এক্সাম দিতে দেওয়া হবে না।

    কোর্স কোঅর্ডিনেটরের ঘর সেদিন তালাবন্ধ ছিল। কথা বলা যায় নি। প্রিন্সিপাল ম্যাম কিনা রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্তা, তাই তাঁকে সহজে ধরাছোঁয়া যায় না। এদিক ওদিক কান পেতে আরও অনেক অসন্তুষ্ট বাবা মায়ের গলা পাওয়া গেল, তাদের একজন জানালেন, তাঁর দুই বাচ্চাই এই স্কুলে পড়ে। একই নিউজপেপারের দুটো কপি বাড়িতে আসার কোনও দরকার নেই, তবু তাঁকে দিতে হয়েছে ডবল পয়সা, নইলে একই হুমকি তাঁকেও দেওয়া হয়েছে।

    আরেকজন মা জানালেন তিনি কোর্স কোঅর্ডিনেটরের সঙ্গে কথা বলতে পেরেছেন, কোর্স কোঅর্ডিনেটর ম্যাম মধুর হেসে তাঁকে জানিয়েছেন ডিসিশন পছন্দ না হলে তিনি তাঁর বাচ্চাকে অন্য স্কুলে ভর্তি করাতে পারেন।

    এর পরে আর কারুর টাকা না দেবার সাহস হয় নি। কিন্তু এই মেয়েটির বাবা একটু গোঁয়ার টাইপের। সে টাকা দিল বটে, কিন্তু বাড়ি ফিরে টাইমস অফ ইন্ডিয়াকে একটা চিঠি লিখেছে সব জানিয়ে, সঙ্গে মিনিস্ট্রি অফ এইচারডিকেও।

    এক সপ্তাহ হয়ে গেছে, কোনও দিক থেকেই কোনও উত্তর আসে নি।

    মেয়েটির বাবা, আরও অনেক বাচ্চার বাবার মতই ভাবছে পরের সেশনে স্কুল পাল্টানোর কথা।
  • siki | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১০:৩৯151338
  • অফেন্স ইজ দা বেস্ট ডিফেন্স। জানেন তো? অনেকেই মানেন এটা। নয়ডার একটা নামকরা স্কুলও মানে।

    এই গতবছরের ঘটনা। স্কুলটা গতবছর থেকে একটা দৈনিক ডে কেয়ার ফেসিলিটি চালু করেছে। এমনিতে যেখানে আর পাঁচটা ডে কেয়ারের মাসিক খরচা দু আড়াই হাজারের বেশি হয় না, সেইখানে এই স্কুলে ডে কেয়ারের খরচা রাখা হল মাসিক পাঁচ হাজার টাকা। খাওয়া দেওয়া হবে, হোমওয়ার্ক করিয়ে দেওয়া হবে, এবং সাড়ে পাঁচটার সময়ে স্কুল ট্র্যান্সপোর্টে চড়িয়ে ছটার মধ্যে বাড়ি ফিরিয়ে দেওয়া হবে। নামী স্কুল কিনা, তাই খাঁইটা এট্টু বেশি।

    তো, এই ফেসিলিটি অ্যাভেইল করার জন্য কাদের অ্যাপ্রোচ করা যায়? কাদের আবার! অবশ্যই ওয়ার্কিং কাপলদের।

    একটি ছোট্ট মেয়ে, যার বাবা মা দুজনেই ওয়ার্কিং, ঐ স্কুলে পড়ে। গতবছর সে ছিল ক্লাস টু তে। তো, দিদিমণিরা তাকে টার্গেট করলেন। প্রথমে মেয়েটির ব্রেনওয়াশ, তুমি যে "ক্রেচে" থাকো, সেটা খুব খারাপ, আমাদের "ক্রেচে" এসো, মা বাবাকে বলো, এটা কতো ভালো, এখানে কতো পুতুল পাবে। ইত্যাদি এবং ইত্যাদি।

    পিটিএমে মিষ্টি মিষ্টি করে প্রথমে বলা হল, আপনার মেয়ে কত ভালো, কী সুন্দর, ওকে যদি আমরা স্কুল আওয়ারের পরেও পাই, ওকে আমরা আরও সুন্দর করে তৈরি করতে পারব, আপনাকে জাস্ট পাঁচ হাজার টাকা করে খচ্চা করতে হবে।

    মেয়েটির বাবা মা-কে মিষ্টি হেসেই রিফিউজ করতে হল, বিভিন্ন গ্রাউন্ডে সম্ভব নয়। প্রথমত তারা বাড়িই ফেরে সাড়ে ছটার পরে, ছটায় মেয়েকে ড্রপ করে দিলে সে থাকবে কোথায় আধঘণ্টার জন্য। দ্বিতীয়ত ক্রেশ ফেসিলিটি তো শুধু স্কুল ডেজের জন্য নয়, সারা বছরের জন্য। কোনওদিন স্কুল ছুটি থাকলে আর বাবা মায়ের অফিসে ছুটি না থাকলে তো লাভ হবে না কিছুই। এই সব কারণ দেখিয়ে নিবৃত্ত করা হল। টাকাপয়সার ব্যাপারটা আলাদা করে বলা হল না।

    দিদিমণিরা খুশি হলেন না। কারণ প্রিন্সিপাল ম্যাম তাদের টার্গেট দিয়ে রেখেছেন, বছরে এতগুলো বাচ্চাকে ক্রেশে ঢোকাতেই হবে।

    দু মাস পরের পিটিএম। প্রথমেই মেয়েটির বাবাকে বলা হল, আপনি একটু মেয়েকে নিয়ে বাইরে দাঁড়ান প্লিজ, আমরা ওর মায়ের সঙ্গে কথা বলতে চাই।

    মায়ের সঙ্গে যে কথা হল, তা হল এই, আপনার মেয়ে স্কুলের বাইরে কোন সঙ্গে মিশছে, একটু খোঁজ রাখবেন প্লিজ। ও ক্লাসের মধ্যে স্ল্যাং ওয়র্ডস বলছে।

    মা তো হতভম্ব, স্ল্যাং কী তা তো আমার মেয়ে এখনও বোঝেই না। কী বলেছে?

    ক্লাসের একটি ছেলেকে তু রোমিও হ্যায় তু রোমিও হ্যায় বলেছে।

    বাবা মায়ের থেকে এই গল্প শুনে হাসবে না রেগে যাবে বুঝতে পারল না প্রথমে। যেখানে টিভি খুললেই হিন্দি গানে অনর্গল এই ধরণের স্ল্যাং শোনা যায়, সেখানে সঙ্গদোষের কী ঘটল?

    বাড়ি এসে মেয়েকে ধরা হল, প্রথমে সে শুনে খুব একচোট কান্নাকাটি করল। তারপরে যা বোঝা গেল তা হল এই, ওর পাশে যে ছেলেটি বসে, সে নাকি বার বার মেয়েটিকে বলে, মেরা নাম রোমিও হ্যায়, তু মুঝে রোমিও নাম সে বুলানা। প্রায়ই বলে, তাই শুনে একদিন মেয়ে খুব রেগে গিয়ে ছেলেটাকে বলেছে, কেয়া রোজ রোজ রোমিও রোমিও বোলতা রহতা হ্যায়?

    দিদিমণির কানে সেইটি গেছে।

    এর পরে অফিস কামাই করে মেয়েটির বাবা মা একদিন স্কুলে গেল। এক্সপ্ল্যানেশন শুনে দিদিমণি খুবই অপ্রস্তুত। আরে আরে, এর জন্য আবার স্কুলে আসার কী ছিল, আমরা তো এমনিই বলেছিলাম, এনিওয়ে, ও স্কুলের পরে কোথায় থাকে? ওকে কেন আমাদের স্কুলের ডে কেয়ারে রাখছেন না?

    আরেক প্রস্থ বোঝানো হল, কেন স্কুলের ক্রেশ ফিজিবল নয়। তবে দিদিমণি বুঝলেন।

    কয়েক মাস বাদে মেয়ে ক্লাস থ্রি তে উঠল।

    (সেশ হয় নি এখনও)
  • Mad-eye Moody | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১০:৩৫151337
  • http://timesofindia.indiatimes.com/sports/more-sports/others/Sports-ministry-seeks-Bharat-Ratna-for-Dhyan-Chand/articleshow/21153021.cms

    ধ্যানচাঁদ হকি খেলতেন গত শতাব্দীর দ্বিতীয় এবং তৃতীয় দশকে। ভারতরত্ন চালু হয় ১৯৫৪ সালে। ধ্যানচাঁদ মারা যান ১৯৭৯ সালে। লন্ডন ২০১২-এর সময় লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ডের একটা স্টেশনের নাম দেওয়া হয় ধ্যানচাঁদের নামে - এরকম আরো অনেক অলিম্পিক লেজেন্ডের নামে লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ডের স্টেশনগুলোর নাম দেওয়া হয়েছিলো। ভদ্রলোক মারা যাবার ৩৪ বছর পরে তাঁর দেশের সরকার তাঁকে "লেজেন্ড" হিসেবে চিনলো!
  • Ekak | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১০:০৭151336
  • যারা সোন্দরবনে ছবি তুলতে যায় তারা মতেই লঞ্চে ঘোরে না। রিস্ক নিয়ে খাঁড়ি তে ঢোকে। ম্যানগ্রোভ এ পা ফা না কাটলে আর কি।
  • | ১৯ জুলাই ২০১৩ ১০:০০151335
  • চাদ্দিক ঝাপসা করে কি বিষ্টি! এদিকে বাক্সে তিনখানা কলের ক্যান্সেলেশান নোটিশ। এমন খুশীর দিনে আর আপিস যাব না। দুদ্দুর। বাড়ী থেকেই আই এম এ লগিন করে থাকি।
    নাঃ পিত্থিমিতে ছিটেফোঁটা হলেও ন্যায়বিচের আছে। :-D
  • Mad-eye Moody | ১৯ জুলাই ২০১৩ ০৯:৫৭151334
  • ঘর নেই। মালদায় আমাদের ক্লাবের একটা ছেলে আছে - তাকে বল্লুম একটু খোঁজ নিতে।
  • kc | ১৯ জুলাই ২০১৩ ০৯:৫৫151333
  • ট্যুরিস্ট লজ।
  • Mad-eye Moody | ১৯ জুলাই ২০১৩ ০৯:৪৫151332
  • এখন মালদায় থাকার জায়গা খুঁজতে হবে।

    লোকে মরতে কেন সুন্দরবন যায়? কিস্যু নেই, লঞ্চে পনেরো মিনিট পরেই বোর হয়ে যাবে লোকে। লঞ্চ থেকে ছবিও তেমন হয় না। দুদ্দুর।
  • lcm | ১৯ জুলাই ২০১৩ ০৯:১৬151330
  • ডিডিদা মেক্সিকো না, চিন, চিন। নেক্স্ট ধনী হতে চলেছে চিন। সমীক্ষার ফলাফল বেরিয়েছে - এমনকি বড় সংখ্যক আমেরিকানও মনে করে আমেরিকার বিত্ত কমছে আর চিনের বাড়ছে।
    সুতরাং, কোনো রকমে চেপেচুপে অরুনাচল বর্ডার দিয়ে গলে একবার যদি ওপারে যান তাইঅলেই আপনার সিদ্ধিলাভ হয়।
  • dd | ১৯ জুলাই ২০১৩ ০৯:০১151329
  • আর অরণ্যের মতম আমারও সারাদিন মাথা ধরে থাকে। এদানী।

    কদিন সাইনসাইটিসের ওসুদ খেলাম, খেয়েই গ্যালাম। কিসু হোলো না। চোক দ্যাখালাম, সেগুলো ও বিলকুল ঠিকঠাক। এখোন মাথার ভিতোরে কি হয়েছে কি করে জানা যাবে?

    স্ট্রেস থেকেও হয়। কিন্তু ঐ বিবুদার টইতে লেখা ছাড়া আর কোনো নতুন স্ট্রেস তো নেই। এখোন অবশ্য আমেরিকা গরীব হয়ে যাচ্ছে শুনে মন খারাপ হয়ে গ্যালো।

    দুম দাম পোস্টিংএর আগে একটু ভাবুন না, কারুর মনে যদি আঘাত লাগে?
  • pi | ১৯ জুলাই ২০১৩ ০৮:৫৫151328
  • ধর্ষিত হবার জন্য দুবাইয়ে এক নরওয়েজিয়ান মহিলার জেল হল।
  • pi | ১৯ জুলাই ২০১৩ ০৮:৪৮151327
  • ঃ))
  • dd | ১৯ জুলাই ২০১৩ ০৮:৪৩151326
  • এভাবেই, ক্রমে ক্রমে মেক্ষিকো খুব বড়োলোক দেশ হয়ে যাবে, দুষ্ট লোকেরা নিজেদের মধ্যে মারামারি করে সব্বাই মরে ভুত হয়ে যাবে। একটি শান্তো নির্ভেজাল বড়লোক দেশ হয়ে উঠবে।

    আর আম্রিগা গরীব হয়ে যাবে। চেষ্টা করবে কোনো রকোমে যদি মেক্ষিকোতে লুকিয়ে চলে যাওয়া যায় ইল্লিগ্যাল ইমিগ্রান্ট হয়ে - সস্তায় মেক্ষিকানদের কম্পুটার ধোয়া মোছার কাজ করে দেবে।

    আর দেখে রাখবেন,তখুনি, সেই অদুর ভবিষ্যতে, আমি হতচ্ছাড়া আম্রিগাতেই পুনর্জন্ম নেবো। যেটা এই জন্মে রিগ্রেট থেকে গ্যালো।

    আমার এম্নি কপাল।
  • a x | ১৯ জুলাই ২০১৩ ০৮:৩৬151325
  • | ১৯ জুলাই ২০১৩ ০৮:৩৪151324
  • আরেকটা জিনিসও হয়েছিলো। বহু জব মেক্সিকোতে চলে গেছে। কদিন আগেই মেক্সিকোতে জিএম ৬৯০ মিলিয়ান ইনভেস্ট করেছে। সস্তা লেবার আর বহু সুযোগসুবিধা- এদিকে লাভের অংকও বাড়ছে। এদেশে নতুন গাড়ির বাজার চড়ছেঃ)
  • lcm | ১৯ জুলাই ২০১৩ ০৮:১৭151323
  • ডেট্রয়েট - ক্লাসিক কেস। আপাতদৃষ্টিতে অটোমোবাইল সেক্টর ক্র্যাশ। পেছনে আসল কালপ্রিট অটোমেশন। ২০০৮-এর গ্রেট রিসেশনের আগে ইউএস-এ অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রিতে ওয়ার্কফোর্স ছিল ১ মিলিয়ন, মানে ১০ লাখের কাছাকাছি। এখন, ২০১৩-তে সেটা নেমে এসেছে ৬ লাখের মতন (এর মধ্যে অবশ্য আরো নেমে গিয়েছিল)। কিন্তু ইন্টারেস্টিং ব্যাপার হল মোট গাড়ীর প্রোডাক্শন ২০০৮-এর তুলনায় এখন বেড়েছে।
    আর একটা ব্যাপার হল, ওয়ার্কফোর্স রিঅ্যালাইনমেন্ট - যখন অটো` ইন্ডাস্ট্রিতে ফুল অটোমেশন হয় নি, তখন যে সব কর্মী ছিলেন, স্কিল্‌ড ওয়ার্কার - তাদের স্কিল মাঠে মারা গেল। সেই স্কিল কাজে লাগে তেমন কাজই নেই। কিছু লোক, ড্যাকোটা-তে ফ্র্যাকিং-এর কাজ করতে গেল।
  • siki | ১৯ জুলাই ২০১৩ ০৬:১৫151322
  • পটকে, অরেঞ্জ নয়। দিল্লি এয়ারপোর্ট টিথ্রি থেকে এয়ারপোর্ট মেট্রো লাইন ধরবে। নামবে নিউ দিল্লি স্টেশনে। মাইন্ড ইট, এয়ারপোর্ট মেট্রো ইজ নট দিল্লি মেট্রো। এর আলাদা টিকেটিং সিস্টেম।

    নিউ দিল্লিতে এসে তোমাকে স্টেশন চেঞ্জ করে নিউ দিল্লির দিল্লি ম্র্ট্রোতে আসতে হবে। এইখানে বোটানিকাল গার্ডেনের টিকিট কাটো। ইয়েলো লাইন এটা। মেট্রো ধরে এক স্টেশন পরে, রাজীব চকে নামো। এখান থেকে ব্লু লাইন ধরো। ব্লু তে অল্টারনেট মেট্রো যায় নয়ডা সিটি সেন্টার, আর বৈশালী। তুমি নয়ডা সিটি সেন্টারের মেট্রোয় বসবে। সেটা তোমাকে সোজা নিয়ে যাবে বোটানিকাল গার্ডেন।
  • | ১৯ জুলাই ২০১৩ ০৪:২৩151321
  • ৬৩ শতাংশ লোক অন্যত্র মুভ করে গেছে। এখন যত ফাঁকা জায়গা আছে,তাতে নাকি প্যারিস শহরটাকে ভরে ফেলা যায়।
    ভাঙা বাড়ি, আগাছাভরা পার্ক- একটা ভৌতিক আবহাওয়াঃ(
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত