এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • হীরকের রানী ভগবান!

    aanteldi
    অন্যান্য | ০৭ জানুয়ারি ২০১২ | ৩৩২৪৬৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Super Mo | 24.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৪:২০519754
  • একটা ব্যাপারে পিটিকে ক দেবো। এই বুদ্ধিজীবীদের একটা অংশের এখন "মমতাকে চিনতে পারিনি" বলাটা দুটো জিনিস বোঝাতে পারে -

    (১) তাঁদের রাজনৈতিক জ্ঞানগম্যি বিন্দুমাত্র নেই, ছিলোও না।
    (২) অন্য কেউ ঘি খাচ্ছে বলে সহ্য করতে পারছেন না।

    যারা রাজনৈতিকভাবে অতদূর এগিয়েছিলেন তাঁরা তখন মমতার স্বরূপ জানতেন না এটা বল্লে ঘোড়ায় হাসবে। মমতার স্বরূপ বহুদিন ধরেই জানা, আর তার জন্যে "অ্যাক্টিভলি* রাজনীতি করার দরকার পড়ে না (বোতীন যেমন বলেছিলো)। প্রত্যেকটা ঘটনা ভালোভাবে ডকুমেন্টেড। এই কথাটা সেদিনও বললাম - তানিয়া ভরদ্বাজ বললে মানা যায়, সমীর আইচ বললে মানা যায় না। তখন নাইভই বলতে হয়।

    সেদিন সুমনের ব্যাপারে "কোথা হইতে কী হইয়া গেলো" খিল্লি করাতে কে যেন কমেন্ট করলেন সিপিএম এখন সুমনকে আবার ওপরে ওঠাচ্ছে। আদৌ সেরকম নয়। সুমন কী বল্লেন সেই সাবজেক্টটা বড় নয়, সুমন যে বল্লেন সেটাই খিল্লির সাবজেক্ট। "দিনে চারটে করে সিপিএম মারুন" আমি ভুলিনি, ভুলবোও না, এবং আর কেউ ভুলেছে বলেও মনে হয় না। সুজন চক্রবর্তী সুমনকে হাসপাতালে দেখতে গেছিলেন - এটা সাধারণ সৌজন্য - ঘটনাটা সুমনকে অ্যাফেক্ট করে থাকতে পারে, আমার কাছে আশ্চর্য্য মনে হয়নি, কারণ সুজনদা/শমীকদা-দের আমি সেই নব্বইয়ের দশক থেকে চিনি। সুমনের যে ক্ষোভ ছিলো - যে তৃণমূলের কেউ দেখতে যায়নি - তাতেও আমি আশ্চর্য হইনি, কারণ তাদেরও চিনি। সুমনকে অত্যন্ত ট্যালেন্টেড একজন গাইয়ে হিসেবেই মনে রাখবো, ব্যাস্‌ ওইটুকুই।
  • PT | 213.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৪:২৪519755
  • আপনি হাঠাৎ আমাকে single out করলেন কেন কে জানে-অনেকেই তো খোঁচা মেরেই লেখেন। আমার খোঁচাটা কি আপনার লাগল? কিন্তু সে উদ্দেশ্যে তো আমি লিখিনি।

    আপনি এবার সাধারণ মানুষদের বাদ দিয়ে শুধু বুজীদের কথা লিখেছেন। ভাল কথা- কিন্তু এই সরে আসা বুজীদের মাথারা প্রকাশ্য সমাবেশে বা টিভিতে কোন রাজনৈতিক দলের লোকেদের গুলি চালিয়ে হত্যা করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন বা তাদের মারধোর করার সমর্থনে কথা বলেছেন। তাই আমার বরাবরি মনে হয়েছে যে এরা কেউ "আইনের শাসন" নিয়ে চিন্তিত ছিলনা-শুধুমাত্র সকলের ব্যক্তিগত সিপিএম-বিরোধী অবস্থানের একটি ক্ষণস্থায়ী আঁতাত হয়েছিল।

    আর পরিবর্তনের পরেঃ
    সুনন্দ শিক্ষাকমিটিতে পাত্তা পাননি
    সমীরকে তৃণরা বার্ণপুরে ডেকে নিয়ে গিয়ে পাত্তা দেয়নি
    কসুকে জল-শোভন পাত্তা দেয়নি
    তরুণ সান্যালকে এমনকি নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানেও ডাকা হয়নি
    সুমনের কিং লিয়ার বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে......
    ইত্যাদি,
    প্রভৃতি

    তাই এরা যদি কোনদিন বামেদের পক্ষেও সওয়াল করে তাও আমি এদের বিশ্বাস করার আগে অনেক বার ভেবে দেখব।
  • Super Mo | 24.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৪:২৭519757
  • এবার পিটির জন্যে কারেকশন। সুমন মুখোপাধ্যায়কে আমি এই গোষ্ঠীর বাইরেই রাখবো। উনি একমাত্র লোক যিনি "পরিবর্তন চাই" ব্যানার থেকে একেবারে শুরুতেই নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন। এবং তখন থেকে এখন অবধি বক্তব্যে কোনো ইনকন্সিস্টেন্সি পাইনি।

    কৌশিক সেন বরং মাঝে মাঝেই কনফিউজড হয়ে যায়;-)
  • siki | 132.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৪:২৭519756
  • অরিজিৎ,

    "দিনে চারটে করে সিপিএম মারুন"-এর খুব কাছাকাছি মনোভাব পোষণ করে আমার বাবা। হুগলি চুঁচুড়া এলাকার স্পেসিফিক কিছু সিপিএম নেতা এবং ক্যাডারের নাম করে এখনও বলে "আমার ক্ষমতা থাকলে এই বালির মোড়ে ওদের খুন করতাম"।

    সিপিএম এই জায়গায় পৌঁছেছিল। স্বীকার করো আর না-ই করো। কোন অবস্থান থেকে এই ধরণের মতবাদ বেরিয়ে আসে সেটা বিচার করাটাও জরুরি।

    অবশ্য এটাও মানা জরুরি যে আমার বাবার "মনে করা" আর সুমনের মত ফিগারের রাজনৈতিক ডায়াসে দাঁড়িয়ে মনে হওয়ার মধ্যে বিস্তর তফাৎ।

    তবু কোথাও একটা মিল পাই। সিপিএম সত্যি সত্যি এই জায়গায় পৌঁছেছিল। সাধারণ মানুষগুলো ঘরের মধ্যে গজরাত, শাপমন্যি করত, মৃত্যু কামনা করত লোকাল সিপিএম ক্যাডারদের।

    এখনও করে, কেবল সেই তীব্রতা আর নেই। অন্যদিকেও এখন শাপমন্যির বোঝা বাড়ছে। সাধারণ মানুষ এখন শুধু স্টার আনন্দে রাজনৈতিক কূটকচালি শোনে আর মাথা নাড়ে। কিছুই বলে না।
  • Super Mo | 24.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৪:২৯519758
  • "অবশ্য এটাও মানা জরুরি যে আমার বাবার "মনে করা" আর সুমনের মত ফিগারের রাজনৈতিক ডায়াসে দাঁড়িয়ে মনে হওয়ার মধ্যে বিস্তর তফাৎ।"

    এই তো নিজেই বলে দিলে।
  • PT | 213.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৪:৩৭519759
  • আবার বলি যে সাধারণ মানুষ যদি সিপিএমকে শাপমন্যি করে বা তাদের বিরুদ্ধে ভোট দেয় তাহলে তারা বেশ করে। কেননা তারা তাদের পাড়ার ক্যাডারের দুর্ব্যবহারে উত্ক্ত হয়েছিল। কিন্তু তাদের পক্ষে জানা সম্ভব নয় যে মমতার সাত দিনের হেলিক্প্টারের উড়ানের পয়সা কারা কিকারণে জুগিয়েছিল। যারা এই হেলিকপ্টারের পয়সা জুগিয়েছিল তাদের কোন "সমস্যা" সৃষ্টি করার ক্ষমতা কোন সিপিএম ক্যাডারের ব্ড় দাদাদেরও ছিলনা। কিন্তু এই উত্তরটা বুজীদের জানার কথা।
  • PT | 213.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৪:৪০519760
  • SuperMo
    ধন্যবাদ, কিন্তু তিনিও "বুঝতে পারেন না" যে কিং লিয়ার কেন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সপ্তাহ খানেক আগেই টিভিতে বললেন এই কথা।
  • siki | 132.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৫:১৩519761
  • সুমন রাজনৈতিক সচেতনতাসম্পন্ন মানুষ, কিন্তু রাজনীতিবিদ হিসেবে চূড়ান্ত ইম্ম্যাচিওর্ড। সেটা সুমন শুরুতে বুঝতে পারে নি, পরে বুঝেছে।

    আমার এই রকমই মনে হয়। কোনও ব্যক্তিগত মুনাফার লোভে সুমন বা কৌশিক সেন বা সমীর আইচ মমতার সঙ্গে ভিড়েছিলেন একথা আমি আজও মনে করি না। নাইভও মনে করি না। মমতার সঙ্গে তাদের নৈকট্য আমার তোমার থেকে বেশি ছিল। হেলিকপ্টারের খরচা সম্বন্ধে তাঁরা কতটা জানতেন বা তাঁদের কী বিশ্বাস করানো হয়েছিল সেটা আমাদের পক্ষে অনুমান করা সম্ভব নয়।

    হোয়াটেভার, যা বলেছিলাম, দুজনকার মনে হওয়ার মধ্যে তফাৎ থাকলেও দিনের শেষে ঘরের মধ্যে আমার বাবা আর সুমনে বিশেষ তফাত দেখি না।

    জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক সিপিএমের জমানায় দীর্ঘদিন ঘরছাড়া ছিলেন, বাড়ি ফিরতে পারেন নি। আমি জ্যোতিপ্রিয়কে সাপোর্ট করছি না, বরং দেখা হলে গালে দুটো থাপ্পড় মারার চেষ্টা করতে পারি, তবে ঠিক কোন স্মৃতি থেকে, কোন ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে লোকে এই ধরণের উক্তি করতে পারে সেটা ভেবে দেখা দরকার।

    আবারও, আমার বাবার মনে হওয়া আর জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের মনে হওয়ার মধ্যে বিস্তর তফাত। আমার বাবা পাবলিক ফিগার নয়। এটুকু বলতে পারি জ্যোতিপ্রিয় টাইপের জীবগুলো পাবলিক ফিগার হওয়া ডিজার্ভ করে না।

    (ডিঃ জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের ঘরছাড়া থাকার ব্যাপারটা গল্প হলেও হতে পারে, আমি জানি না, বাবার থেকে শোনা এবং পরিবর্তনের জমানায় বাবার বক্তব্যে আমি খুব একটা আস্থা রাখি না আজকাল :))
  • T | 24.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৫:২৮519763
  • জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকের বাড়ী তো সল্লেকে। অরুণাভ ঘোষের দু একটা বাড়ী পরেই। ওখানেই তো বহুদিন ধরে থাকেন। তার আগে ঘরছাড়া ছিলেন নাকি? কি জানি!
  • siki | 132.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৫:৩৬519764
  • তাইলে ঢপই হবে। কোয়াইট এক্ষপেক্টেড। :)

    উইথড্র করলাম বক্তব্যটা।
  • j | 230.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৫:৩৮519765
  • উনি বদ্দোমানের এক জোতদার বাড়ীর বংশধর, কংরেসের তালেবর হওয়ার পর ভুমি সংস্কারে ভেষ্ট হওয়া জমি উদ্ধার করতে গিয়ে তাড়া খেয়ে পালিয়ে এসেছিলেন

    ত্তো এই হচ্ছে ওনার সিপিএমের প্রতি যাবতীয় শ্রেণীঘৃণার ভিত্তি
  • PT | 213.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৬:৩৪519766
  • আমার জামাইবাবু ৭০-এর দশকে কংগ্রেসের গুন্ডাদের আটকানোর জন্য যন্ত্র হাতে নিয়েছিলেন। সিপিএমের জমানায় সিটুর অবিমৃষ্যকারিতার জন্য TCPL থেকে চাকরী যায়। কিন্তু এখনো নিয়মিত চেষ্টা করেন সিপিএমের মিটিং-এ যাওয়ার জন্য আর নেত্রীর ছবি দেখলেই "মার-মার" করে চিৎকার করেন। কেন কে জানে!!

    কাজেই "সত্তর দশকের কংশালদের হত্যাকান্ডের পুনরাবৃত্তির ভয়ে নন্দীগ্রাম আর নেতাইয়ের গুলী চালানো হয়েছিল" এইজাতীয় কোন তত্ব কেউ মানবেন কি?
  • dukhe | 212.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৮:০০519767
  • ইয়ে, হেলিকপ্টারের খরচা কারা দিচ্ছেটিচ্ছে আজকাল? মে মাসে দার্জিলিং যাব (মানে পাহাড় যদি কান্নাকাটি না করে আর কি), কিন্তু ট্রেনে ওয়েটিং লিস্ট, ওটা হলে এট্টু সুবিধে হয়।
  • চান্দু মিঞা | 127.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৮:২৪519768
  • পিটিদার Date:06 Feb 2013 -- 01:49 PM শেষ দু লাইনে ক দিলাম গোটাকতক।

    তথাকথিত শিক্ষিতমহলে আসলে সততার ভীষণ অভাব। আর এরাই নানান ভাবে আর ভঙ্গিতে বলে সি পি এম উদ্ধত আর তৃণমূল হল বিনয়ের অবতার। এত বড় হাস্যকর কথা আর জীবনে শুনিনি।
  • siki | 132.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৮:৪৩519769
  • আম্মো শুনি নি। কে বলেছেন এমন কথা, চান্দু ভাই?
  • চান্দু মিঞা | 127.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৮:৫২519770
  • সি পি এমের ঔদ্ধত্যের জন্য যখন তাদের
    তাড়িয়ে তৃণমূল আনা হয়েছে তখন নিশ্চয়ই তারা বিনয়ের অবতার!

    মানে আমার সাধারণ বুদ্ধি তাই বলে।
  • siki | 132.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৯:১৩519771
  • বাহ। কী সুন্দর সরলরৈখিক সমীকরণ। মনমোহন সিং আর চিদাম্বরম খুব পাজি লোক মানেই নরেন্দ্র মোদীর মতন ভালো লোক আর হয় না।

    এইবার চেপে যান।
  • Super Mo | 125.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৯:১৭519772
  • একটু ফোড়ন দিয়ে ফের সিনিমা দেখতে যাই।

    কং-কে হারিয়ে এখন যদি বিজেপি ক্ষমতায় আসে আর মোদী প্রাইম মিনিস্টার হয় তাইলে কিন্তু মানেটা তাই দাঁড়াবে;-)
  • চান্দু মিঞা | 127.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৯:৪০519774
  • আবার সেই গুলিয়ে দেওয়ার প্রয়াস আমি তা বলিনি তবে হ্যাঁ সি পি এমের ঔদ্ধত্যের জন্য যারা তৃণমূলের জন্য সওয়াল করেছেন তারা নিশ্চয়ই মানেন যে তৃণমূল ঠিক ততটা উদ্ধত নয়।

    নিজের যুক্তি ভাল করে ভাবুন।
  • siki | 132.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ১৯:৪৭519775
  • অরিজিৎ, সেদিকেই এগোচ্ছে ব্যাপারটা। সারা ভারত জুড়ে এখন প্রো-মোদী হাওয়া। মানে উত্তর পুব পশ্চিম ভারত জুড়ে।

    চান্দু, ভেবেই বলছি। একটু মুড়ি খেয়ে নিয়ে লিখছি।
  • PM | 93.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২০:৫২519776
  • কেস১ঃ কেউ বলল চিদাম্বরম খারাপ, কংগ্রেস খুব খারাপ। দেশের সর্বনাশ করছে। মানুষের রুখে দাঁড়ানো উচিত, প্রতিবাদ করা উচিত। কিন্তু ভোট কাকে দেবেন সেটা আপনারা ঠিক করুন

    কেস২ ঃ কেউ বলল কংগ্রেস কে ভোট দেবেন না। কংগ্রেস, সর্বনাশা, তাদের যেতেই হবে। তার জয়্গায় কে আসলো পরোয়া করি না।

    কেস৩ ঃ কেউ বলল কংগ্রেস কে ভোট দেবেন না। কংগ্রেস,মনু, চিদু সর্বনাশা, তদের যেতেই হবে। তার জয়্গায় বিজেপি ( মোদি) কে ভোট দিন।

    ওপোরের তিনটে রাজ্নৈতিক অবস্থান এক নয়।
    পঃ বঃ-এর প্রেক্ষিতে বুদ্ধিজীবিরা উপোরের তিনটি অবস্থান-ই নিয়েছিলেন।
    শঙ্খ ঘোষ, সুমন মুখোপাধ্যায়, কিছুটা কৌশিক ১ নং কেস। বলার কিছু নেই।

    ২ নং দলে কোন বুদ্ধিজীবিরা ছিলেন তা মনে নেই। গুরুতে অনেকে ছিলেন তা জানি। অন্যান্য অনেক ব্যপারে তারা অনেকেই অসাধারন, কিন্তু রাজ্নৈতিক ব্যপারে এদের মতামত ভবিষ্যতে কতটা গুরুত্ব দেবো তা ভেবে দেখবো।

    ৩ নং দলে পড়েন সুমন, ব্রাত্য, নচিকেতা, শুভা,সমীর আইচ ইত্যদিরা সরাসরি তৃনমুল কে ভোট দিতে বলেছিলেন। মানুষকে এই ধারনা দিয়েছিলেন যে মমতা সব সমস্যার সমাধান। এর দুটো কারন হতে পারে-
    ক) এরা রাজনৈতিক ভাবে বালখিল্য
    খ) আখের গোছনোর জন্য

    কে কোনটা সেটা তর্ক সাপেক্ষ।

    কিন্তু সিকি, কেউ যদি সচেতন ভাবে প্রচার করে যে মনমোহন, চিদম্বরম খারাপ তাই মোদীকে ভোট দিন, তাহলে সে কি ভবিষ্যতে মোদীর কার্যক্লাপ এর দয়িত্ব অস্বীকার করতে পারে এই বলে যে " আমি ভেবেছিলাম মোদী শুধরে গেছে, এই রকম করবে বুঝ্তে পারি নি।"
  • bb | 24.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২১:৪০519777
  • সারা ভারত জুড়ে মোদি হাওয়া!! শুধু দিল্লীর কয়েকটি কাগজ কি বলছে তাই দিয়ে ভারত দর্শন?
    সিকি সেই উত্তর ভারতীয় হিন্দীভাষী লোকেদের মত কথা বলছেন,যারা আশা করেন হিন্দি সবাইকেই জানতে হবে কারণ হিন্দি রাষ্ট্রভাষা আর তারা তাতে স্বচ্ছ্ন্দ বোধ করেন। অন্য লোক না জানলেই আরে হিন্দী নেহি বোল সকতে? দিল্লীর লোক যা ভাবছেন সমগ্র দেশই তাই ভাবছে!!
  • siki | 132.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২১:৫১519778
  • চান্দু যদি পবঙ্গের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের দিকে ভালো করে তাকিয়ে দ্যাখেন তা হলে বুঝতে পারবেন মানুষ কেন সিপিএমকে ছুঁড়ে ফেলে তিনোমুলকে এনেছিল। এক কথা এখানকার পুরনো অনেক পোস্টে লেখা হয়েছে, নতুন করে সেইসব ঘ্যানপদ্য লেখার দরকার নেই, একটু কষ্ট করে পুরনো টই ইত্যাদি পড়ুন। তৃণমূল বিনয়ী আর সিপিএম উদ্ধত, এই ইকোয়েশনে তৃণমূল ক্ষমতায় আসে নি। তৃণমূল যে কোনও বেটার অল্টারনেটিভ নয় সেটা হাজারবার আলোচনা হয়েছে। মানুষ সিপিএমের চৌতিরিশ বছরের শাসনব্যবস্থার নমুনা দেখে দেখে বীতশ্রদ্ধ হয়ে পড়েছিল, এতটাই মরিয়া হয়ে উঠেছিল যে তারা ভেবেছিল যে খুশি আসুক, অন্তত সিপিএম তো যাক! যে আসবে তখন দেখা যাবে তাকে। এই মনোভাব ভোটের আগের পাঁচ বছর ধরেই ধীরে ধীরে তৈরি হচ্ছিল। কিন্তু সিপিএম, উনতিরিশ বছর ধরে ক্ষমতার গর্বে গর্বিত অন্ধ সিপিএম সেই মনোভাব পড়তে পারে নি সময়মত। ভেবেছিল তারা চিরকাল মসনদে থেকে যাবে, বিশ্বরেকর্ড গড়বে। সেই ঔদ্ধত্য থেকে নন্দীগ্রাম, মিডিয়াকে দূরে সরিয়ে রেখে ঘটানো ধর্ষণ হত্যালীলা ( যেটা অনেক সিপিএম সমর্থক অবিশ্বাস করেন, ঢপ বলেন), সেই ঔদ্ধত্য থেকে নেতাই। এবং বুদ্ধ ভটচাযের মত একটি পলিশড কিন্তু আপাদমস্তক অপদার্থ মুখ্যমন্ত্রী, যিনি জানেন না মিডিয়ার সামনে কোন ভাষায় কথা বলতে হয়, সিপিএমের চলে যাওয়াটা ত্বরান্বিত করেছিলেন। আরেক শাগরেদ ছিলেন বিমান বোস। সমান মাপের উদ্ধত, দুর্বিনীত। সিপিএমের মুখ বলে পরিচিত যতগুলো লোক ছিলেন সেই সময়ে, ঔদ্ধত্যে কেউ কম যেতেন না।

    সিঙ্গুরে কোনও সদর্থক স্টেপ নিতে পারে নি সিপিএম। না পেরেছে মমতার প্রতিরোধ ভাঙ্তে, না পেরেছে টাটাকে পোষ মানাতে। বাংলায় ততদিনে একের পর এক বন্ধ হয়ে গেছে শিল্প। ডানলপ আমার চোখের সামনে বড়তম উদাহরণ। এরকম গুচ্ছ গুচ্ছ উদাহরণ ছড়িয়ে আছে দিল্লি রোডের দুপাশে, হুগলি নদীর দুপাশে। বেরোজগারি বেড়েছে। একটা জেনারেশন শেষ হয়ে গেছে চাকরি করতে না পরে, পরের জেনারেশন প্রায় শেষ হতে বসেছিল ভালো করে সর্বভারতীয় স্ট্যান্ডার্ডের লেখাপড়া শিখতে না পেরে, পশ্চিমবঙ্গ বোর্ডে। উচ্চশিক্ষায় দলতন্ত্র কায়েম করে রাখা হয়েছিল। সেই সমস্ত ইতিহাসের পরে হঠাৎ সিঙ্গুরে ন্যানো হলেই পবঙ্গ পাল্টে যাবে, বেকারি দূর হবে, এটা কোনও স্তরের মানুষ জাস্ট বিশ্বাস করতে পারে নি। বিশ্বাস করানোর মত ক্রেডিবিলিটি সিপিএমের ছিল না।

    কেউ বিশ্বাস করে নি। না চাষ করা সম্প্রদায়, না চাকরি করা সম্প্রদায়। পাড়াতে আমরা দেখেছি সিপিএম ক্যাডারের রেলা। দুর্বিনীত, অসভ্য, ইতর।

    অন্যদিকে তিনোমুলে তখন একমাত্র মমতা। তার জনমোহিনী ক্যারিশমা। নাকি ২৩ দিন অনশন করে ছিল। সবাই জানে সেটা অদ্যন্ত ঢপ, কিন্তু সবাই খেল। সাধারণ মানুষ বুদ্ধ ভটচাযের ধুতি পাঞ্জাবির থেকে মমতার পাতি শাড়ির সঙ্গে বেশি রিলেট করতে পারল নিজেদের। মমতা বাদে বাকি উদ্ধত নেতা তখন কোথায়? আরাবুলের নাম তখন কজন শুনেছে? অরিজিৎ যতই ডকুমেন্টেড এভিডেন্স দেখাক না কেন, হয় তো অরিজিৎ রাজনীতিতে খুব অ্যাক্টিভলি কানেক্টেড বলে জানত, বাকি প্রায় কেউই জানত না আরাবুলের নাম। (সিপিএম সমর্থক হিসেবে পরিচিত নন, এমন কতজন লোক ভোটের আগে আরাবুলের কীর্তিকাহিনি শুনেছিলেন, একবার হাত তুলবেন?)দুর্বিনীত ছিল মমতা। কিন্তু শেষদিকে ভোটের আগে মমতা সিঙ্গুরের জন্য ন্যাশনাল হাইওয়ে অবরোধ ছাড়া আর কোনও বেফাঁস কথা বা উদ্ধত মন্তব্য করে নি। বুদ্ধিজীবি সম্প্রদায়ের ভালো ভালো মুখগুলোকে তাই তারা পেল। কারণ তারাও মরিয়া হয়ে উঠছিল একটা পরিবর্তনের জন্য। ব্রাত্য বসুর উইংকল টুইংকল বন্ধ করে দেওয়া তো খুব বেশিদিন আগের ঘটনা নয়। পাশাপাশি সিপিএম নেতাদের উদ্ধত দুর্বিনীত বাক্যবর্ষণ। কখনও সেক্সিস্ট মন্তব্য, কখনও ডেরোগেটরি মন্তব্য। সুমনের বিরুদ্ধে লড়ার জন্য সুমনের পার্সোনাল লাইফ ধরে যাদাবপুরে লিফলেট বিলি করল সিপিএম।

    একবার সেই সময়টা ভেবে দেখুন। ২০১১র মে মাসের আগের এক বছর, দেড় বছর। সিপিএমের বাক্যবাজির পাশে তৃণমূল তখন কোথায়? পাত্তা পায় না। একা মমতা বাওয়ালি করে যাচ্ছে আর লোকে ভাবছে, লিটারালি, এতদিনে সিপিএমকে টাইট দেবার জন্য সঠিক লোক এসেছে। পারলে এ-ই পারবে। গুন্ডা রেপিস্টদের দলের সঙ্গে টক্কর দিতে গেলে এই রকম ভাবেই প্রতিবাদ জানাতে হয়।

    কিন্তু অধিকাংশ সিপিএম সমর্থকরা সেভাবে ভাবেন না। সবাই নয়।

    রাজনীতির সঙ্গে সরাসরি যুক্ত না থাকলেও পবঙ্গের রাজনীতি সম্বন্ধে মোটামুটি ওয়াকিবহাল আমি অনেকদিন থেকেই। আমার মত আরও অনেকেই। আজকের যে তৃণমূলকে আমরা দেখছি, সেই জিনিস কিন্তু তৃণমূল ছিল না ক্ষমতায় আসার আগে। তৃণমূল বিনয়ী ছিল না সবাই জানে, কিন্তু ত্রিণমূল ২০১০-২০১১-র সিপিএমের সাথেও তুলনীয় ছিল না। তার পরে, তৃণমূলের রাজ্যচালনার কোনও প্রায়র এক্সপিরিয়েন্সই ছিল না। মানুষ সেইটাকেই একটা পজিটিভ পয়েন্ট ভেবে নিল। তখনকার রেসপেক্টে একদম ঠিক ভাবনা।

    মানুষ সিপিএমের বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে, সিপিএমকে তাড়ানোর জন্য, তৃণমূলকে ভালোবেসে কেউ তৃণমূলকে ভোট দেয় নি। ভালোবাসা পাবার মত কোনও কাজই তৃণমূল তখনও করে উঠতে পারে নি। অন্যদিকে ঘেন্না করার মতন হাজারখানা পয়েন্ট সিপিএম জমিয়ে ফেলেছে ততদিনে, আর জানতেও পারে নি মানুষ তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে নিঃশব্দে।

    লাস্টলি পিএমকে। নরেন্দ্র মোদী একটা ইন্টারেস্টিং আলোচনার টপিক। নরেন্দ্র মোদী প্রধানমন্ত্রী হলে, যদি সম্ভব হত আমি আমার ভারতীয় নাগরিকত্ব ত্যাগ করতাম। ভারতীয় হিসেবে আমি লজ্জিত হব, নিজেকে ঘেন্না করব নরেন মোদী প্রধানমন্ত্রী হলে। কারণ নরেন মোদীকে আমি চিনি।

    চেনে সারা ভারতও। কিন্তু দুঃখজনকভাবে আমার মানসিকতার উল্টো মানসিকতা এখন প্রতিফলিত হচ্ছে সারা ভারতে। সে আলাদা টপিক। না, আমাকে কেউ যদি বলে চিদাম্বরম খারাপ তাই মোদীকে ভোট দিন, আমি দেব না, কিন্তু কেউ যদি বলে চিদাম্বরম খারাপ, মোদী খারাপ কিন্তু অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি ভালো, তা হলে (কেউ না বললেও) আমি ভোট দেব। প্রশাসক নরেন মোদীকে আমি চিনি, সে হাজারে হাজারে মানুষ খুন করিয়েছে, সে খুনী, চিদাম্বরম করাপ্টেড, চোর, দেশের টাকা লুঠ করে সুইস ব্যাঙ্কে জমাচ্ছে। কিন্তু কেজরিওয়ালের নামে বা তার পার্টির নামে এখনও পর্যন্ত কোনও বাজে রেকর্ড নেই।

    আশা করি কিছুটা বোঝাতে পারলাম।

    আমি মমতাকেও সাপোর্ট করি না, ২০১০-১১-র সিপিএমকে মনপ্রাণ দিয়ে ঘেন্না করি, এখনকার তিনোমুলকেও ঠিক ততটাই ঘেন্না করি, হয় তো তার থেকে বেশি। আমার কাছে তিন নম্বর কোনও অল্টারনেটিভ নেই, তাই আমি দু তরফকেই খিস্তি মেরে যাব, কাউকেই ভোট দেব না। এখন আমার কাছে কেউই আর কোনও অল্টারনেটিভ নয়।

    পশ্চিমবঙ্গ একটি মৃত রাজ্য, আমার কাছে। নতুন কোনও রাজনৈতিক দল এলে নতুন করে ভেবে দেখব। সেই আশাতেই রয়েছি।
  • siki | 132.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২২:০১519779
  • বিবি, আই টেক ব্যাক মাই ওয়ার্ড। আমি দক্ষিণ ভারত বাদ দিয়ে বলেছি। পবঙ্গে মোদীর ব্যাপারে লোকে কী বলে জানি না, তবে হ্যাঁ, আমার ভারত দর্শন মূলত উত্তর, পশ্চিম এবং কিছুটা পূর্ব ভারত নিয়ে।

    আজকে এসআরসিসি কলেজে মোদী সুপার ডুপার হিট। দিল্লির গলিতে গলিতে এখন মোদীর নাম। আমেদাবাদ তো ছেড়েই দিলাম। খুব বেশি লোক একরকম ভাবতে শুরু করলে বিরোধী ভয়েস চাপা পড়ে যায়। তাই তাদের দিকে জলকামান ছোঁড়া যায়, র‌্যাফ লেলিয়ে দেওয়া যায়। যা হয়েছে আজকে শখানেক প্রোটেস্টিং স্টুডেন্টের ওপর। তারা মোদীকে খুনী বলে প্রতিবাদ জানাচ্ছিল কলেজের গেটে। কালো কাপড় নিয়ে। বাইরে একশো বিরোধী, আর অডিটোরিয়ামের ভেতরে আঠেরোশো গুণমুগ্ধ ছাত্রছাত্রী। আঠেরো থেকে বাইশ। লোহা গরম, হাতুড়ি রেডি। মোদী আজ স্কিড্যুলড টাইমের থেকে বেশি সময় নিয়ে বক্তৃতা দিয়েছেন, ছাত্রছাত্রীরা সোৎসাহে পারমিশন দিয়েছে, তাই নিয়ে ব্লগ চালু হয়ে গেছে।

    ক্ষমতার লাইমলাইটে আসার জন্য ঠিক যা করা দরকার ছিল সেই সময়ে, মোদী ঠিক তাইই করেছে। ও জানে একবার ক্ষমতায় এসে গেলে ওর কোনও মোজা কেউ ছিঁড়তে পারবে না। ঠিক সেই কারণেই তখন রামমন্দির ইস্যু গরম ছিল, জাস্ট কিছু হিন্দুকে পুড়িয়ে সেই অছিলায় শয়ে শয়ে মুসলমানকে পুড়িয়ে ওর পলিটিকাল মাইলেজ জোগাড় করার দরকার ছিল। যখনই সেই কাজটা হয়ে গেল, মোদী আর খুন করায় নি। ওর খুনের কাজ শেষ। পারফেক্ট বানিয়া। ধান্দা স্রেফ মুনাফার জন্য। তার জন্য যেখানে মাথা ঝুঁকিয়ে স্যর বলতে হয় বলব, যেখানে লাথ মারতে হয় মারব।

    গুজরাতের এত বিকাশ ঘটিয়েছে মোদী একা যে তার নিচে চাপা পড়ে গেছে গুজরাতের ম্যালনিউট্রিশন, গুজরাতে মুসলমানদের প্রকৃত অবস্থা। গুজরাতে মুসলমানরা অনেক সংখ্যালঘু হয়ে গেছে ২০০২ এর পরে। কিন্তু মোদীর এখন পাখির চোখ দিল্লি। তার জন্য দিল্লির দিল জিততে হবে আগে। দক্ষিণে বিজেপির শক্ত ঘাঁটি কর্ণাটক, সেখানে এখন টালমাটাল চলছে কিন্তু সামালযোগ্য, সামলে নিয়েওছে। বাকি রাজ্যগুলোতে যেমন যেমন ছিল তেমন তেমন রইলেও মধ্য, উত্তর, পশ্চিম আর পূর্ব ভারতে বেশির ভাগ কংগ্রেস বা কং অ্যালির ভোটব্যাঙ্কে ইতিমধ্যেই ধস নামাতে শুরু করেছে বিজেপি। আর বিজেপি মানেই এখন মোদী। সেভাবেই প্রমোট করা হচ্ছে। এক নিতীশ কুমার ছাড়া আর কারুরই আপত্তি নেই।
  • siki | 132.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২২:০২519780
  • *নীতিশ।
  • ঊমেশ | 90.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২২:০৪519781
  • সিকি'র লেখাটা বেশ ভালো লাগলো।
  • Super Mo | 24.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২২:০৯519782
  • আনফরচুনেটলি বোঝাতে পারলে না, বরং ঘ্যানপদ্যই লেখা হল। আর সেটা ওই ঠিক আগে পিএম-এর দেওয়া দুই নং অবস্থান, যেটা রাদার বুলশিট। খুব ব্লান্টলি বললে।

    আর দুই নং - আরাবুল "তাজা" ছেলে, মানে রাহ্য রাজনীতিতে শিশু। কিন্তু বাদবাকি - সুব্রত/সোমেন/কল্যাণ/সোনালী/শুভেন্দু এবং সর্বোপরি মমতা - এদের কীর্তিকলাপ (আর হ্যাঁ - এদের বাক্যবন্ধগুলো ইউটিউবেও দেখা যায়) ডকুমেন্টেড নয় বা কেউ জানতো না বললে সত্যিই ঘোড়ায় হাসবে।

    সেই যখন কয়েকদিন রাস্তায়/বস্তিতে ঘুরে এসে ****ঘর্মাক্ত স্টেটমেন্ট**** দিয়েছিলাম তখন সত্যিই মনে হয়েছিলো যে লোকে তো এগুলো সবই জানে, তারপরেও কী এই চেঞ্জটা আনবে?
  • Super Mo | 24.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২২:১২519783
  • বাই দ্য ওয়ে - তোমার অবস্থান তোমার ব্যক্তিগত পছন্দ, কাজেই সেটা নিয়ে কিছু বলার নেই। কিন্তু অবস্থানটা আমার মতে ঠিক না ভুল - সেটুকু আশা করি বলতে পারি।
  • aka | 178.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২২:২১519785
  • পঃবঃয়ের দূর্ভাগ্য সেখানে সিপিএম ও তিনো ছাড়া কোন দল নাই। পচা ঘ্যাঁট নাকি পচা ডাল কোনটা বেশি পচা সেই নিয়ে তক্কো করুন।
  • Sibu | 84.*.*.* | ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৩ ২২:২৪519786
  • আমার একটা ক্ষমতায় থাকা ভাল রাজনৈতিক দল দেখতে ইচ্ছে করছে। পৃথিবীর যে কোন জায়গায় হলে হবে।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। যা মনে চায় মতামত দিন