এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • ভাটিয়ালি

  • এ হল কথা চালাচালির পাতা। খোলামেলা আড্ডা দিন। ঝপাঝপ লিখুন। অন্যের পোস্টের টপাটপ উত্তর দিন। এই পাতার কোনো বিষয়বস্তু নেই। যে যা খুশি লেখেন, লিখেই চলেন। ইয়ার্কি মারেন, গম্ভীর কথা বলেন, তর্ক করেন, ফাটিয়ে হাসেন, কেঁদে ভাসান, এমনকি রেগে পাতা ছেড়ে চলেও যান।
    যা খুশি লিখবেন। লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়। এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই। সাজানো বাগান নয়, ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি। এই হল আমাদের অনলাইন কমিউনিটি ঠেক। আপনিও জমে যান। বাংলা লেখা দেখবেন জলের মতো সোজা। আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি।
  • এস-আই-আর গুরুভার আমার গুরু গুরুতে নতুন? বন্ধুদের জানান
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • π | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৮:৩৬364350
  • অভিনয় করেছেন দেখেছিলাম, এরকম গল্পও উনি লিখেছেন, ভাবিনি।
  • Robu | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৮:৩৫364349
  • ইশানদা ঃ-)
    উমেশদাকে ডাকা হোক ঃ-)
  • ঈশান | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৮:৩১364348
  • তবে হনুর জন্য আমার একটা বিশেষ রেকমেন্ডেশন আছে। স্মরণজিৎ চক্রবর্তীর যেকোনো একটি ফিকশনের খানিকটা। অত পরিশ্রম করতে না চাইলে অন্তত এই প্রবন্ধটিঃ
    http://www.anandabazar.com/supplementary/rabibashoriyo/write-up-on-thrill-of-thriller-writing-by-smaranjit-chakraborty-1.361635

    আমার আন্দাজ, সত্যিই যদি পড়ে, তাহলে শীর্ষেন্দুকে গাল তো দেবেই না, একেবারে বোলতি বন্ধ হয়ে যাবে। আন্দাজ সত্যি কিনা পরীক্ষা করতে চাই। হনু প্লিজ, একবার।
  • Robu | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৮:২৯364347
  • অনেক কিছু লেখার ছিল, এক এক করে।
    পাইদিকে, না- শৈলেন ঘোষকে নিয়ে আবাপ-র লেখা পড়িনি।
    রাস্কিন বন্ড সাখুমা-তে অভিনয়-ও করেছেন ঃ-)

    কুমুদি - সব কুশল তো? কালই আপ্নার কথা দুবার বলেছি। চোরের গল্প নিয়ে। আপনি আমি যখন চাদর ট্রেকের আগে দিল্লিতে, তখন ফোন করেছিলেন, সেটাও ঘটনাচক্রে মনে পড়েছিল ঃ-)
    হানুদাকে কি যেন বলার ছিল - ও, লিস্ট খুব ইম্প্রেসিভ নয়।
    আমার নকু প্রাইভেট দিদি আমাকে রাশান ছোটদর ও বড়দের সাহিত্যে অল্প বয়সেই এন্ট্রি দিয়ে দিয়েছিলেন। সে ঋণ ভুলব না। সুমন প্রতুলেও উনিই এন্ট্রি দোয়েছিলেন।
  • dc | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৮:২৮364346
  • ওদিকে অসিরিস-রেক্স সফলভাবে মিশন শুরু করলো।
  • dc | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৮:২৪364345
  • স্পাই থ্রিলার ঃ)
  • T | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৮:১৬364344
  • ক্রাইম থ্রিলার লিখলে একটা বোর্ন আইডেন্টিটি লিখে ফেলবেন এইটা পড়ে খ্যা খ্যা হাসি পেল।
  • Robu | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৮:০৮364343
  • ক্যাচার ইন দা রাই এর ব্যাপারে দুদির সাথে একমত। আন্ডারকারেন্ততা বোঝা গেল, সার্ফেসে কিসু নাই।
  • Atoz | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৮:০৩364342
  • পটাঙ্গ ই কেবল মনে আছে, অন্য গল্পগুলোর স্টোরি লাইন ঝাপসা মনে আছে, কিন্তু পটাশগড়ে গড়ভুতুয়া পর্যন্ত মনে আছে। কিংবা গড়ভুতুয়া ব্যাপারটাই হয়তো মনে রাখিয়েছে জিনিসটাকে।
  • dc | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৭:৫৭364341
  • এঃ এককের দেওয়া বাবু মিত্তির পড়ে ছোটবেলার কতো কিছু মনে পড়ল ঃ) একটা সময় ছিল যখন পটাশগড়ের জঙ্গলে ইত্যাদি পড়ে আমি শীর্ষেন্দুর বিরাট ফ্যান, ওনার যেকোন গল্পই পেলে আর সব ফেলে পড়ে দেখব এরকম অবস্থা। তো সোনার মেডেলও পড়তে শুরু করলাম। আর একক যেমন লিখেছেন, পড়তে শুরু করেই হোঁচট খেতে শুরু করলাম। এ কি অখাদ্য, ল্যাবেঞ্চুষ মার্কা লেখা! তখন আমার শীর্ষেন্দুর থেকে এক্সপেকটেশান যে ক্রাইম থ্রিলার লিখলে একটা বোর্ন আইডেনটিটি লিখে ফেলবেন, বা হয়তো স্মাইলিস পিপল বা টেলর অফ পানামা। সেখানে বাবু মিত্তিরের ওরকম বর্ননা! "সাহেবরা নাম দিয়েছিল কোবরা" পড়েই তো খ্যা খ্যা করে হাসি পেতে শুরু করলো, যেন ক্লাস ওয়ানের বাচ্চাকে গপ্পো পড়ে শোনানো হচ্ছে - যেখানে আমার এক্সপেক্টেশান ছিল যে শীর্ষেন্দু মানে একটা মল্টিজ ফ্যাল্কন টাইপের ওপেনিং। যাই হোক, তাও তিন চার পাতা পড়ে ফেলেছিলাম। তারপর স্কিম করে করে আরো কয়েক পাতা, শেষের দিকে আরেকটু। কি হতাশ যে হয়েছিলাম! তার পরে আবিষ্কার করেছিলাম যিনি পাগলা সাহেবের কবর বা পাতালঘর এর মতো ওয়ার্ল্ড ক্লাস সাহিত্য লেখেন তিনিই আবার সোনার মেডেল টাইপের অতি অখাদ্য লেখাও লেখেন। তারপর থেকে সাবধান হয়ে গেছিলাম, ভবরোগ টবরোগ টাইপের গল্পগুলো স্কিম করে দুয়েক প্যারা পড়ে আর পড়িনি। কিন্তু হ্যাঁ, গজাননের কৌটো যে কতোবার পড়েছি তার ঠিক নেই। এখনো, যদি কনট্যাক্ট আর পটাশগড়ের জঙ্গলে পাশাপাশি রেখে দেওয়া হয় তো বলতে পারবোনা কোন গল্পটা বেশী রোমাঞ্চকর।
  • ঈশান | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৭:৫৬364340
  • এবার ভিজুয়াল এলিমেন্ট প্রসঙ্গে লিখি। ভিজুয়াল এলিমেন্ট ধরে লেখা নিশ্চয়ই লেখার একটা টেকনিক। তুষার রায় ওই লাইনে বেশ ভালো লিখেছেন। যদিও শেষ নৌকো এখন একবার পড়লে কেমন লাগবে শিওর না। পড়ে দেখতে হবে। এককের কিছু ভয়ের গপ্পো পড়েছিলাম, সেটাও ওই পদ্ধতি ধরে লেখা।

    একক কথিত প্যারাগ্রাফটিতে ভিজুয়াল টেনশন তৈরি করাই যেত। তাহলেও কিছু আরবিট ভিজুয়াল এলিমেন্ট টেনে আনতে হত। যেমন, "সন্ধিবাবু একটা লাল রঙের ত্যাবড়া গ্লাসে সিদ্ধি খেতে বসেছেন, এমন সময় কান্ডটা ঘটল। চাকর রামদিন এই সময়টা খাঁকি হাফপ্যান্ট পরে ঘোরে আর প্রায়ই সিদ্ধি হাতসাফাই করে। আজকে সন্ধিবাবু 'কই কী লুকোচ্ছিস দেখি' বলে হুঙ্কার পাড়তেই পিছন থেকে মৃদু স্বরে একটা গলা বলল, আমি এখানে। " ইত্যাদি প্রভৃতি।

    শীর্ষেন্দু এই ফর্ম্যাটটাতেও লেখেন। এখানে লেখেননি, সে অন্য কথা। কিন্তু পয়েন্টটা হল। যে, ভিজুয়াল হোক বা নেহাৎই গদ্যগত, পদ্ধতিটা একই। আরবিট কিছু জিনিস এনে টেনশন তৈরি। পরে যেটা রিলিজ করা হবে। ভিজুয়াল এবং অ-ভিজ্যাল দুটো এলিমেন্ট তৈরিতেই শীর্ষেন্দু সিদ্ধহস্ত।

    এছাড়াও গদ্য আরও অনেক পদ্ধতি আছে অবশ্যই। ন্যারেটিভ ব্যাপারটাকেই চ্যালেঞ্জ করা-টরাও আছে। সুনীল গঙ্গো যেমন ওই আত্মপ্রকাশ আর যুবক-যুবতীতে নতুন ঘরানার একটা ন্যারেটিভ বানিয়েইছিলেন। সেটা সমোঊর্ণ নিজস্ব ছিল। সেসব নিয়ে কথা পরে বলা যাবে। আপাতত প্রতিপাদ্য হল, লিখে যাই থাকুন, এঁরা দীর্ঘকায় মানুষ ছিলেন, টেকনিক-ইত্যাদি জিনিসগুলো জানতেন। সম্ভবত সত্তর দশক থেকেই মেনস্ট্রিম পত্রিকায় এইসব মিনিমাম এক্সপেরিমেন্টেশনও উঠে গেল। সমরেশ মজুমদার লেখক হিসেবে পরিচিত হলেন। এখন তো স্মরণজিৎ। হড়বড়িয়ে মনের ভাব লিখে ফেললেই যে সাহিত্য হয়না, লেখালিখি যে বস্তুত একটা প্লাস্টিক পার্ট, সেটা অনুশীলন করতে হয়, সাধনা করতে হয়, এই বোধটা মেনস্ট্রিম ক্রমশ লেখকদের মাথা থেকে তুলে দিতে সক্ষম হয়েছ্হে।

    অবশ্য আলাদা আর কী হবে। আগে সা-রে-গা-মা না সেধে কেউ গান গাইতনা। এখন তাও গায়। ঠিকই আছে।
  • Atoz | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৭:৫৫364339
  • দুর দুর দুর! বড়ো হয়ে প্রাপ্তবয়স্ক আরব্যরজনী পড়ে দেখলাম, হাসি পেল। আবার তার সঙ্গে বড়ো বড়ো লোম ওয়ালা দাঁত বার করে থাকা বিচ্ছিরি বাদশার ছবি। এ হে হে হে! বাজে বাজে।
    অথচ ছোটোবেলা ঐ "হাজার রাতে রাণী/ শোনাও তোমার কাহিনি / শেহেরা জা আ আ ন" শোনার জন্য সারা সপ্তাহ অপেক্ষা করে থাকতাম! কেমন একটা অন্য জগতের মধ্যে উড়ে উড়ে যাবার মতন ভাব।
    ঃ-)
  • 4z | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৭:৫২364338
  • ডিজাস্টার বলা আর দুঃখ পাওয়া এক হল?

    আর অজ্জিতদার ৭ঃ২৫ এর প্রশ্নগুলো আমারও।
  • rabaahuta | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৭:৪৩364337
  • আমিও পুরনো টই পড়তে পড়তে আজই ভাবছিলাম কুমুদির সঙ্গে অনেকদিন সাক্ষাৎ নেই।
  • ?? | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৭:৪১364335
  • 'ইসকাপনের টেক্কা' টা কেউ পড়েছেন? ইন্সপেক্টর শৈলেশ আর গাম্বা নামে একটা কুকুর ছিল? ওটা কী হেমেন্দ্রকুমার না নীহাররঞ্জন?
  • Du | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৭:৪১364336
  • কুমুদিকে দেখে খুব খুশি হলাম-- ভালো আছো কুমুদি? পুজোর নতুন নাটক করাচ্ছো? মহানায়ক দেখছো?
  • Alcyoneus | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৭:৪০364334
  • মানে যদি বলেন এইগুলো কালজয়ী ইত্যাদি, পড়া উচিত - আছি। আর যদি বলেন শুধু এগুলোই পড়া উচিত - তাইলে সেটা ঊনবিংশ শতাব্দীর টিকিওয়ালা পন্ডিতের সার্মন হয়ে যায় আরকি।
  • ঈশান | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৭:৩৯364333
  • এককের ব্লগে কী হল? বিস্তারিত ব্লগের টইতে লিখো। এখানে লিখলে কাল সকালে এসে আর খুঁজে পাওয়া যাবেনা।
  • Kumu | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৭:৩৮364332
  • পাই ১২ ২১ এ এম একদম একমত।ঐ কাঠের বাড়ী কাঠের থাম-আহা।পাইও ভালোবাসে শুনে আনন্দ পেলাম।
    মালগুডি ডেজ বড় প্রিয়।
  • rabaahuta | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৭:৩৪364331
  • বিভূতিবাবু ইত্যাদি প্রসঙ্গ মনে পড়ায় আবার পড়ে টই তুলে রাখলামঃ)

    অমি আবার বাংলাদেশের আহ্লাদিনী বা গৌরের কবচ ভ্যান গখ ভাই ইত্যাদির পাশে আরব্য রজনীর গল্পকে কিছুতে রাখতে পারবো না। কাইট্টা ফালাইলেও না। দক্ষিণ ভারতের রূপকথা উপকথা রাজা রানী ভারমল পাখি পিঠে খেতে চাওয়া গ্রামের লোক ইত্যাদি শৈশবেও শিশুপাঠ্য লাগতো।

    তবে হবে নাই বা কেন, আমি কিনা আশির দশকে আনন্দমেলার অত্যাচার শুরু হওয়ার আগে সাক্ষর হইনি, আর আমাদের সুদূর পাড়াগাঁয়ে অন্য কেউ ডিস্ট্রিবিউশন করেনি, আর আবাপ পয়সা ছড়ানোতে নানাবিধ খারাপ কাজের মধ্যে একটা চমৎকার জিনিস হয়েছে যে লেখকেরা পয়সা কড়ি পান, অবশ্য কদিন পর আবাপগোষ্ঠীর লেখকদের লেখাপত্র ভোগে যায়, কিন্তু সে যাক, আমার সাহিত্যক্ষুধা মেটাতে গিয়ে লেখক প্রকাশকের দোরে অপমানিত হবেন ও পরিবারে গঞ্জনা খাবেন এ আমি সইতে পরিনা, তাছাড়া এমনিতেও আমার চোরা (তত চোরাও নয়) ইন্টারেস্ট আছেই কারন আমি প্রচন্ড বাজার এবং আনন্দবাজারপন্থী ইত্যাদি।

    কিন্তু আরব্যরজনী? না, কিছুতেই পারলাম না। তবে এ স্বীকার করতে হবে ছোটবেলায় হাবসী খোজা একশো বাঁদী এইসব পড়ে একটু ইসে হত, আর মনে হতো বড় হয়ে কঠোরভাবে প্রাপ্তবয়স্কদের ভার্সনটা কিনে পড়ে দেখতে হবে।
  • T | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৭:২৮364330
  • 'নাঃ নাঃ ট' এটা কোনো নাম হ'ল! বাংলা ভাষায় এই ভাব কত সুন্দর ভাষায় প্রকাশ করা যায়। যেমন বাল ট। বা বাল্টু বা বাল্টি বা বালতি বা বালতিকারি (ঘ্যাঁটই যখন হবে), যা ত্তারা :)

    আর হ-গাঁটটাই বা কিরম হ'ল! ধুস, তারচেয়ে হেইচ ই বেটার।

    যাক গে, ব্যাপারটা কিরম ব্র্যাডম্যান বনাম শচীন হয়ে যাচ্ছে। এইবার এ বিষয়ে লিখতে গেলে তো আর ভাটে দশ লাইন লিখে দেওয়া যাবে না। টই খুলে লিখতে হবে। পরে সময় করে লিখছি। এছাড়া এককও লিখেছে দেখলাম। ও বিষয়েও কিছু বলার আছে।
  • Alcyoneus | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৭:২৫364329
  • ইয়ে মানে প্রশ্ন হল এগুলো পড়ার সাথে স্ট্রাইকার/স্টপার বা অদ্ভুতুড়ে ইত্যাদি পড়লে কী সাহিত্যদেবতা কূপিত হবেন? মানে এগুলো প্রায় সবই পড়া আবার অন্যগুলোও পড়েছি। আমার কী হওয়া উচিত? তিন মাসের জেল, সাত দিনের ফাঁসি না দুটোই?
  • Du | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৭:১৫364328
  • এটা টিনেজ নভেল আবার বড়দের।
  • Du | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৭:১৪364327
  • এই ফেনানো প্রসঙ্গে - একটা বই পড়ছি - ক্যাচার ইন দ্য রাই - বইটা বেশ বিখ্যাতই - প্রথমে পড়তে গিয়ে খুবই ভালো লেগেছিল এবং অভিনব কিন্তু এত বর্ণনা অথচ ঘটনার অত কিছু ঘনঘটা নেই যে আর শেষই করে উঠতে পারছি না।
  • হ-গাঁট | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৭:০৮364326
  • ইকুআলিটির আদর্শের দায় হল, ট ছোঁড়াটিকে যখন একটি নাম দেওয়া হয়েছে, তখন আমাকেও একটা নাম নিতে হয়, তাই নেওয়া হয়েছে। এবার সে ইনসিস্ট করছে দুটো জিনিশ, কারা শীর্ষেন্দুর(প্রতীকী) সমকক্ষ তার তালিকা আর তার সম্পর্কে আমার মূল অভিযোগ কি। অভিযোগ গুলো আমি ছড়িয়ে ছিটিয়ে বলেছি, ফাইট দিতে গেলে পড়ে নিতে হবে।

    এবার তালিকা, তো শীর্ষেন্দুর সমকক্ষ কেউ ই নেই, মানে অত বাজে সত্যি ই কেউ নেই, ছোটোদের দু একটা গল্প ছাড়া। তবে ওনার লেখার মত ক্ষমতা যে সব লোকের বা বইয়ের নেই, তাদের কিছু কিছু তালিকা সময়ে অসময়ে প্রকাশ করা হবে, আমিও সাহিত্য সমালোচক দের তালিকার অপেক্ষায় থাকবো।

    তালিকা এক - নতুন অল্পবয়সী পাঠক্রা যারা একদা ৮০ র দশকে আনন্দ মেলার অত্যাচার শুরু হওয়ার আগেও বেঁচে ছিলেন, তবে এখন আর কেউ ই বেঁচে নেই, বিক্রি হয়ে গেছেন।

    জাতকের গল্প
    আরব্য রজনীর গল্প
    হামজা নামা
    পুরানের গল্প
    দক্ষিন ভারতের রূপকথা উপকথা (পরে এ কে রামানুজন সম্পাদিত)
    রাজসেখর বসু কৃত মহাভারত রামায়ন হনুমানের স্বপ্ন ভূষন্ডীর মাঠ
    অবন ঠাকুর
    লীলা মজুমদার
    ইউরোপীয় রূপকথা
    দক্ষিনা রঞ্জন
    রংমশাল রামধনু আলোর ফুলকি সন্দেশ সংকলন
    মহাশ্বেতার জিম কর্বেট এর অনুবাদ
    শিবশংকর মিত্র

    তো তালিকা দেখে genre কম্পেয়ার করে লোকে বলবে, এ বাবা এগুলো কি তুলনীয় নাকি, তো সেখানেই বিতর্ক টা আবার শুরু করা যাবে। নো পাসারন। বিতর্কের বিষয় হবে, ঠিক কেন ঐতিহাসিক ভাবে আশি নব্বই তে টীন এজ কালচারাল প্রোডাক্ট এর একটা নতুন ধরণ আসছে, যেটা বালকে ছিল না, এমনকি কিশোর ভারতী তেও ছিল না।
    মলোটোভ তৈরে রাখতে পারো অসুবিধে নেই, এরকম তালিকা আরো অন্তা ১০ টা প্রকাশ হবে, সব্টাই নিউ রিডার দের জন্য, অন্ধ অ্যাডাল্ট দের জন্য।
  • | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৭:০৬364325
  • হুতো টইটা তুলে রেখেছে কেন? :-O
  • | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৭:০৫364324
  • huto TaiTaa tule rekhechhe ken? :-O
  • Atoz | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৭:০০364323
  • লেঃ নাঃ হঃ

    ঃ-)

    বলুন তো কী? ঃ-)
  • h | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৬:৫৮364322
  • ফোজ্জি, মেয়ের পড়ার ব্যাপারে আমি নাক গলাবো বলি নি, সে যদি উনিশ কুড়ি থেকে ফ্যাশন ছাড়াও ফিকশন পরে তাহলে দুঃখ পাবো বলেছি। এখন সে বড় হবার পরে যদি দেখা যায় উনিশ কুড়ি স্মরজিত না ছেপে ডরিস লেসিং ছাপছে, তখন দুঃখ পাবো না ;-)
  • h | ০৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ০৬:৫৪364321
  • কেন হ্যাকম বলছি, বুজছো নিশচয়ি, মনে করো অরন্যের অধিকার লেখার দশ বছরের মধ্যে একটা মুন্ডা ছেলের দিল্লী তে গিয়ে সেকশুয়াল এক্সপ্লয়েট্স নিয়ে নানা ব্যাদনা দেখানো হল, এবং দ্যাখানো হল, সে শালবনী তে ফিরে এসে ফইজ আহমদ ফইজ আবৃত্তি করছে, তো যেরকম বিচিত্র ইম্প্যাক্ট হত, এটা তার থেকে কিসু কম না।

    বাই দ্য ওয়ে আই এম্ফাথাইজ উইথ জয়ন্ত ঘোষাল। হি ইজ লাইক মি, কম্পপ্লিটলি ট্যালেন্টলেস (হোয়েন হি ইজ রাইটিং), তো লিখতে পারি লিখতে পারি এই সব হাওয় তুলে আমার ই মত ওনার চুপ চাপ ভাট করা উচিত। তাইলে বাংলা জার্নালিজম একটু মুক্তি পায়।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত