এই সাইটটি বার পঠিত
ভাটিয়ালি | টইপত্তর | বুলবুলভাজা | হরিদাস পাল | খেরোর খাতা | বই
  • টইপত্তর  অন্যান্য

  • স্বামী বিবেকানন্দ ই: নির্মোহ (তিন)

    Samik
    অন্যান্য | ৩১ জানুয়ারি ২০১২ | ৬৪৯০৬ বার পঠিত
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • Ekak | ২১ জুলাই ২০১৩ ১৩:০১513408
  • "ফেব্রুয়ারি ১৯৯৪ তে বরানগর রামকৃষ্ণ মিশনের বার্ষিক উৎসবে মহিলাদের নাটক করতে দেওয়া হয়নি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিলেন, বেলুড় মঠের ঐতিহ্য মেনেই এই ব্যবস্থা। রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের কোনও অনুষ্ঠানে মহিলারা সক্রিয় ভাগ নিতে পারেন না। ১৮৯৭ সালে বেলুড় মঠ প্রতিষ্ঠার সময় থেকেই এই নিয়ম। ২০১৩ তে এই নিয়ম বলবৎ আছে কিনা কেউ জানলে বলবেন।"

    হ্যা, আছে। মিশন তা মিশন।সেখানে কিছু বাধা নিষেধ আছে এবং থাকবে। এক ই ভাবে সারদা মিশনে ছেলেরা পারফর্ম করেনা।

    প্রসঙ্গত ১৯৯৪ এ মহিলাদের নাটক বলে কিছু হয়নি। কল শো তে একট্রেস ছিলেন যেটা আগে মিশন কে আলাদা করে জানানো হয়নি। মিশন ও খতিয়ে দেখেনি। ভুল বোঝাবুঝি। ইটা মিশনের নিয়ম সবাই জানে। ইন্স্তিতিউত অব কালচার এ ছেলে -মেয়ে সবাই পারফর্ম করতে পারে। কিন্তু মিশনের ক্ষেত্রে না। তখন বিস্বানাথানন্দ মহারাজ ছিলেন। আমি ক্লাস ১০ এ। না বুঝে যথ্সেত বাওয়াল করেছিলুম মহারাজ এর সঙ্গে। পরে বোঝাও গেছিল।
    একদল উদ গান্ডু পুরো ঘটনা তা নাম চেপে আজকাল পত্রিকার সম্পাদকীয় তে দিয়েছিল। পরে যখন ক্লিয়ারলি মিশনের সিদ্ধান্তের কারণ বোঝানো হয় তখন ও তারা পাল্টা চিঠি দিয়ে নিজেদের স্ত্যান্দ ক্লিয়ার করেনি। নাম প্রকাশের সাহস ই ছিলনা। মুশকিল তা হলো যে লোকে ভেবেছিল এই পত্রিকাতে দেয়ার কাজ তা আমি করেছি। এনিওয়ে, সেইসব হনুরা এখন সংসার ক্ষেত্রে গুস্টিসুখে ব্যস্ত। মিশনের ভালো মন্দে কারো উত্সাহ দেখিনা শুধু চুলকানোর সময় মস্তি করে নিয়েছিল।

    বরং যদি ঠিকঠাক ইনফরমেশন রাখতেন তাহলে অনেক পুরনো একটা ঘটনা জানতেন যেটা নরেন্দ্রপুর এ ঘটেছিল। প্রাতুল্দা র কাছে শোনা এন্ড অন্যত্র ভেরিফিয়েদ। সেক্ষেত্রে সম্পূর্ণ মিশনের ভুল ছিল।

    প্রশ্ন তা অন্যত্র, এই যে হাফ বেকড ইনফরমেশনের হরিনাম খাবলা খাবলা কচ্ছেন আপনার ব্যথা তা কোথায় বলুন তো ? বল্লুম তো সেন্টারে গিয়ে খোঁজ নিতে। সরাসরি ধরুন না গেরুয়া গুলোকে। শালারা কি করছে জেনে নিন ! সুপার্ফিসিয়ালি বকে যাচ্ছেন কেন ?
  • PM | ২১ জুলাই ২০১৩ ১৩:১৪513409
  • যদ্দুর মনে পড়ছে, বেলুর রামকৃষ্ণ মিশনের গোল্ডেন জুবিলিতে বাইরে থেকে নাটকের দল এসেছিলো অনেকগুলো ( জগন্নাথ ও ছিলো)। তাতে অভিনেতৃ-ও ছিলেন বলে মনে হচ্ছে।

    অবশ্য ইন জেনেরাল বেলুড়ে নারী মোটামুটি বিষ তুল্য ছিলো বলেই মনে হয়।

    ছেলেরা কলেজ ছড়ার পরে বান্ধবী জোটাতে পারলেই আগে যুগলে এসে মহারাজ দের এসে পেন্নাম করে যেতো। একটু স্যাডিসম আর কি ঃ)

    কিন্তু বেলুড়/বরানগর তো ঘোষিত ভাবে ছেলেদের ইস্কুল। ঠিক যেমোন নিবেদিতা/সারদা মেয়েদের ইস্কুল। তাতে কি। আপত্তিটা বুঝলাম না।

    মেয়েরা তো রাকৃ মিশনের শিষ্যত্ব নেয়। কোনো বাধা নেই তো?

    বেলুড়ে প্রত্যেক বছরে ১-২ জন মুসলিম থাকে। আমাদের ব্যচ এ যে ছিলো সে এখন কঃ বিঃ তে ইকোর অধ্যাপক। তার প্রার্থনা করা বাধ্যতামুলক ছিলো না। কিন্তু আমরা ডুব মারলেও সে যেতো। কেনো যেতো সেটা এখন দেখা হলে আমার প্রথম প্রশ্ন হতো। অনেককাল দেখা হয় নি
  • দীপ | ২১ জুলাই ২০১৩ ১৩:৪১513410
  • Your Highness, ...Here is a zamindar of Ramnath now staying in Madras. He is going to send me over to Europe and as you are already aware of I have great mind to see those places. So I have decided to take this opportunity of making a tour of Europe and America. But I can't do anything without asking your Highness 'the only friend on Earth' I have.
    ...Only I pray to your High Up if it be proper to take some care of my mother that she does not starve. I would be highly obliged to get a reply soon and pray your Highness to keep the latter part of this letter i.e. my going over to England etc. be confidential.

    ১৮৯৩ তে সচ্চিদানন্দের রাজা অজিত সিংকে লেখা চিঠি। রাজা বিবেকানন্দের অনুরোধ রেখেছিলেন। আমৃত্যু চিঠির 'প্রাইভেসি' রক্ষা করেছিলেন এবং মাতৃদেবীকে সাহায্য করার বাসনাও। ভুবনেশ্বরী দেবী ১৯১১ সালে মৃত্য পর্যন্ত মাসিক ১০০ টাকা করে রাজার কাছ থেকে পেয়ে এসেছেন।
  • Ekak | ২১ জুলাই ২০১৩ ১৪:৪৪513411
  • এই ওপরের চিঠি তায় কী প্রমান হচ্ছে ?
    বিবেকানন্দ গুলি মারুন, এখন যারা সন্যাসী তাদের ও বাড়ির লোক কে মিশন দেখে। তো ?
    এক ই পয়েন্ট ঘ্যান ঘ্যান ঘ্যান ঘ্যান করে যাচ্ছেন কী এস্ত্যাব্লিশ হচ্ছে তা কী ?

    একপাল লোক সংসার ছেড়ে সংঘের কাজ করবে আর সংঘ তাদের বাড়ির মত ভাত কাপড় টুকু দেখবে না ? নরেন দত্তের আমলে সংঘের কিছু ছিলনা তাই ওনাকেই খুঁটে যোগার করতে হয়েছে। একটা ব্যবস্থা করে দিয়ে তারপর নিজের উদ্যেশ্যের কথা ভাবতে পেরেছেন।
    এতে প্রবলেম তা কী ??

    আপনি এই থ্রেড এ প্রথম দিকে কিছু ফীসিব্ল পয়েন্ট তুলেছিলেন তার পর থেকে দিক ভ্রান্ত হয়ে নিজের অপিনিয়ন কে স্টেটমেন্ট বলে চালাচ্ছেন। পৃথিবী তে বহু জায়গায় সন্যাসী দের সংঘ হয়েছে এবং ভেঙ্গেও গ্যাছে। কেন ভেঙ্গেছে খোঁজ রাখেন ?

    সংসার ত্যাগ করা মানে মোহ ত্যাগ। দায়ীত্ব ত্যাগ নয়। একটা ছেলে সন্যাসী হতে চাইলে আগে খোঁজ নেওয়া হয় তার বাড়ির হাল কী । সে ঘর ছাড়লে উপার্জন করার কেও আছে কীনা। কত ছেলেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় বছর বছর। কোনো পরিবারে উপার্জন না থাকলে তাদের মোটা ভাত কাপড়ের বন্দোবস্ত করা হয়। যাতে লরেন দত্ত জীবনের শেষ দিন অবধি যে হেডেক বয়ে বেরিয়েছিল সেটা বয়ে বেরোতে না হয়।

    মিশন একটা ম্যানেজমেন্ট। ওই দুদিন বেলুরে খোল-কত্তাল বাজিয়ে কী পুজো হয় আর লোকে ভীড় করে ওটা মিশন না । আমার দেখা আর কে এম একমাত্র মনাস্ট্রি যেখানে বয়েসের সঙ্গে শিক্ষাগত যোগ্যতা বেঁধে সন্ন্যাসী হবার দরজা খোলা হয়। পরিস্কার বলা থাকে ঘন্টা নাড়ার জন্যে মিশনে আসার দকার নেই। কাজ করতে হবে এবং সেজন্য শিক্ষা দরকার। তারপরেও ১২ বছর ধরে সেন্টার তাকে তৈরী করে।
    খামোখা ঘোলা জলে মাছ না ধরে জানতে চান তো মঠেই যান না মশাই। কেন এক ই গোলে ঘুরপাক খাচ্ছেন :):)
  • দীপ | ২১ জুলাই ২০১৩ ১৬:৩১513412
  • একককে...
    আপনার লেখা আমার ভাল লাগছে। প্র্যাক্টিকাল কথাবার্তা।

    "সংসার ত্যাগ করা মানে মোহ ত্যাগ" - তাহলে ৬ই মার্চ ১৯০০ সালে মিসেস বুলকে লেখা চিঠিতে ৬ টাকা ২০ টাকা ঐসব হিসেব?

    আর ১৮৯৬ সালে এডওয়ার্ড স্টার্ডির নিবেদিতাকে লেখা চিঠি? "আমি কোনওভাবে আপনাকে প্রভাবিত করতে চাই না কিন্তু নানাদিক থেকে সন্ন্যাসীদের আদর্শে নিরাশ হয়েছি।"..."সন্ন্যাসীদের পোষণে আমাদের কেন্দ্রগুলির যে ব্যয় বহন করতে হচ্ছে, তা একজন অধ্যক্ষ, অধ্যাপক বা ডাক্তারের তুলনায় অনেক বেশী। ...যদি সন্ন্যাসীদের মধ্যে আমরা মানসিক স্থৈর্য, সন্তোষ, সরল পরিবেশের আকাঙ্খা ইত্যাদি না দেখি, এবং তার বদলে তাঁরা সর্বদা শিলিং মূল্যের চুরুট, উৎকৃষ্ট আহার, বেশভূষার দাবী জানাতে থাকেন তাহলে তাঁদের সম্বন্ধে আমাদের কি ধারণা হবে? আমি শুধু বলতে পারি তাঁদের জীবনে সন্ন্যাসীর আদর্শ প্রতিফলিত হয় নি।"
  • cb | ২১ জুলাই ২০১৩ ১৬:৪৩513413
  • কোনটা দেখি বলুন তো? ১৮৯৬ না ২০১৩?

    অন্তহীন, অর্থহীন কচকচি ( আচ্ছা,পাঁঠার কচকচি মানে কি পাঁঠার বি* ? :p)

    এককের জিনিষটা নিজের চোখে দেখা আছে বলে মনে হচ্ছে।

    পিএমের স্যাডিসম শালা মিশনে থাকলে আমিও করতাম :)
  • ন্যাড়া | ২১ জুলাই ২০১৩ ১৭:১৩513414
  • বাই দ্য ওয়ে, দীপবাবু কি জানেন পেশাদার রঙ্গমঞ্চে মেয়েদের অভিনয় করা বিদ্যেসাগরমশাইয়ের প্রবল আপত্তি ছিল।
  • dukhe | ২১ জুলাই ২০১৩ ১৮:১৯513415
  • দীপ বনামে উৎসাহী এবং ঐ নিয়ে লড়ে যাবেন। বেশ, ভিন্নরুচির লোকাঃ। তাহলে বিদ্যাসাগরের কী দোষ, রবিদাদুর কী দোষ টেনে আনা বন্ধ করার অনুরোধটা দ্বিচারিতাই ধরলাম। তবে বিবুদা কোথায় বিদ্যাসাগরের বা বিদ্যাসাগর কোথায় বিবুদার প্রত্যক্ষ বিরোধ করেছেন খুঁজে পেলে জানাবেন।

    সমাজের মূল্যবোধই তো আইনে রিফ্লেক্টেড হয়। চাট্টি আইন চাপিয়ে দিয়ে সব শোধরানো গেলে পণপ্রথা কবেই উঠে যেত। আইন পাসের পর বিধবাবিবাহ নিয়ে বিদ্যাসাগরের কী অভিজ্ঞতা হয়েছিল সেটাও পড়ুন। সাধে কি বিবুদা বলতেন - ধর্মের সাধ্য কি সমাজকে নিয়ন্ত্রণ করে? সমাজকে চালনা করে অর্থনীতি। এককালে কালাপানি পেরোলে লোককে জাত খোয়াতে হ'ত। এ নিয়ে আইনটাইন কী বদলেছে জানি না, তবে আজকাল দেখি অনেকেই যায়টায়। এর আইনি দিকটায় এট্টু আলোকপাত করুন।

    শূদ্রজাগরণ আর নারীমুক্তির কৃতিত্ব দাদুকে দিন, বিদ্যাসাগরকে দিন, জন্মনিয়ন্ত্রণের প্রযুক্তিকে দিন, নিবেদিতার ইস্কুলকে দিন, অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে দিন - শুধু বিবুদার নাম শুনলে কানে আঙুল দেবেন - এই তো? তা মানুষের তো নানারকম শুচিবায়ু থাকেই - কী আর করা।

    স্টার্ডির চিঠির প্রসঙ্গটা শঙ্করীবাবুর বই থেকে চাইলে পড়ে নিতে পারেন। স্টার্ডি কীভাবে ঐ চিঠির দায় ঝেড়ে ফেলতে চেয়েছিলেন, সেটাও। মানে যদি জানার ইচ্ছে থাকে। পত্রাবলী থেকে বিবুদার স্টার্ডিকে লেখা চিঠিও পড়তে পারেন। যদি চান। অবশ্য তেতো ছাড়া কিছু খাই না হ'লে অন্য কথা। হাফ বেকড ইনফো খাবলা খাবলা খেতে থাকুন। বিবুদা তো বলেই গেছেন - বলতে দে না। শত্রুভাবে শিগগির মুক্তি হয়।
  • দীপ | ২২ জুলাই ২০১৩ ০১:২১513416
  • "দীপবাবু কি জানেন পেশাদার রঙ্গমঞ্চে মেয়েদের অভিনয় করা বিদ্যেসাগরমশাইয়ের প্রবল আপত্তি ছিল" - জানি বৈকি, সে সময় বেবুশ্যেরা ছাড়া কেউ রঙ্গমঞ্চে অভিনয় করত না। সে আমি বিবেকানন্দকেও দায়ী করছি না বেলুড় মঠ স্থাপনের সময় কি নিয়ম রেখেছিলেন তার জন্য। তাই বলে ১৯৯৪/২০১৩ এ কেউ যদি সে নিয়মকে প্রাসঙ্গিক ভাবেন তাহলে তাঁর ভাবনা বা তাঁর প্রতিষ্ঠানের ভাবনা নিয়ে অবশ্যই প্রশ্ন তোলার অবকাশ আছে। শঙ্করীবাবুর বইয়ে অবশ্যই স্টার্ডির চিঠি প্রসঙ্গ পড়েছি। কিন্তু ৬ টাকা ২০ টাকা বাড়িভাড়ার হিসেব শঙ্করীবাবুর বইয়েও নেই। ওটা জানতে পারলে ভাল হত।

    "একপাল লোক সংসার ছেড়ে সংঘের কাজ করবে আর সংঘ তাদের বাড়ির মত ভাত কাপড় টুকু দেখবে না" - একশবার দেখুক। তবে নিশ্চয় প্রাইভেসির এক্সকিউজ দিয়ে নয়।

    "নরেন দত্তের আমলে সংঘের কিছু ছিলনা তাই ওনাকেই খুঁটে যোগার করতে হয়েছে। একটা ব্যবস্থা করে দিয়ে তারপর নিজের উদ্দেশ্যের কথা ভাবতে পেরেছেন" - মেনে নিলাম। যদিও গৃহত্যাগী সন্ন্যাসীর এরকম দাবী থাকার কোনও যৌক্তিকতা নেই। কিন্তু ১৮৯৩ সালে মাসিক ১০০ টাকা মানে ঠিক কত টাকা তা আশা করি আপনি জানেন। সন্ন্যাসীর মায়ের জন্য এই ব্যবস্থাটা একটু রাজকীয় হয়ে গেল না কি? তাহলে কি ধরে নেব সন্ন্যাসটাকে উনি আর পাঁচটা প্রফেসনের মত আরেকটা প্রফেসন বলেই ধরে নিয়েছিলেন?

    একককে বলি, রাকৃমির যে সব সন্ন্যাসীরা ব্রহ্মচর্য মেনে নিয়ে সন্ন্যাস নিয়েছেন, সেবায় নেমেছেন, তাঁদের ডেডিকেশনকে আমি শ্রদ্ধা করি। প্রশ্ন হল, এটা কি একটা ফিসিব্‌ল মডেল? ভারতবর্ষের ১.২ বিলিয়ন মানুষের মধ্যে ৩০% বিপিএল। সন্ন্যাস-ব্রহ্মচর্য-ধর্ম আবিষ্ট এই মডেল কি প্রাসঙ্গিক? যদিও এটা বিবেকানন্দর ব্যক্তিচরিত্র থেকে সরে এসে একটা আলাদা প্রসঙ্গ। এই টইয়ের মূল আলোচনা বিবেকানন্দের ব্যক্তিচরিত্র।
  • rivu | ২২ জুলাই ২০১৩ ০৩:৩৮513418
  • আবার এলুম। এই মডেল তো অবশ্যই ফিসিবল মশাই। মানে আমি ইশ্বরে বিশ্বাস করিনা, কিন্তু রিয়েলিটি হচ্ছে ভারতের মেজরিটি করে। ইশ্বর বিশ্বাসীরা বিভিন্ন মঠ মিশনে টাকা পয়সা দেবেই দোষ স্খলনের জন্যে। সেই টাকা পয়সা দিয়ে মঠ মিশন ত্রান কার্য কর্বে।

    আর এনিওয়ে, যার যেভাবে খুশি লোকের উপকার করুক না। ধম্ম প্রচার করে, বিজ্ঞান প্রচার করে, চুদুর বুদুর করে। কিছু লোকের উপকার হচ্ছে কিনা (অন্য লোকের ক্ষতি না করে) সেটাই পয়েন্ট।
  • aranya | ২২ জুলাই ২০১৩ ০৪:৪৪513419
  • রিভু-কে ক। বিবেকানন্দ-র স্ববিরোধিতা নিয়ে গোটা কয়েক পিএইচডি থিসিস নামানো ই যায়।
    কিন্তু তাতে লাভটা কি? তার চেয়ে বরং মঠ, মিশনের মডেল-টা কিছু মানুষের উপকার করছে কিনা, কতটা উপকার করছে বনাম কতটা ক্ষতি করছে - এই 'বনাম'-টা নিয়ে আলোচনা হোক।
  • rivu | ২২ জুলাই ২০১৩ ০৬:৫৬513420
  • না না ব্যক্তি বিবেকানন্দকে নিয়ে আলোচনায় আমার কোনো আপত্তি নেই। বিবেকানন্দ স্ববিরোধিতায় অপ্রতিম। মোটিভেশন দেওয়াতেও ঠিক ততটাই অপ্রতিম। আর উনি যাই হোন বা না হোন ওনাকে ভগবানের আসনে বসালে বিবেকানন্দ পড়ার উদ্দেশ্যটাই ব্যর্থ হয়ে যায়।

    পৃথিবীতে মহাপুরুষ বলে কিছু হয়না। বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ বিবেকানন্দ মার্ক্স গান্ধী ইঃ কেউই মহাপুরুষ নন। আপনি বিবেকানন্দ পড়ে উদ্বুদ্ধ হলেন দেশের জন্য কিছু করা দরকার; বিদ্যাসাগর, মার্ক্সিসম আর গান্ধীগিরি মিশিয়ে একটা সমাজ সংস্কার ও দেশোদ্ধারের থিওরি খাড়া কল্লেন; তাকে রবীন্দ্রনাথ মিশিয়ে লিখে ফেল্লেন, তাপ্পর সময় সুযোগ ইয়েতে দম ইঃ থাকলে তা প্রয়োগ কল্লেন। এত কিছু না থাকলে গুচতে তক্ক কল্লেন। ব্যাস এই পজ্জন্ত। কিন্তু ব্যাপারটা হচ্ছে আপনি কার থেকে কি নিতে চান।

    "
    শিষ্য। মহাশয়, সমাজ-সংস্কার সম্বন্ধে এখন সংক্ষেপে দুই-একটি উপদেশ দিন।

    স্বামীজী। উপদেশ তো তোকে ঢের দিলুম; একটি উপদেশও অন্ততঃ কাজে পরিণত কর্। জগৎ দেখুক যে, তোর শাস্ত্র পড়া ও আমার কথা শোনা সার্থক হয়েছে। এই যে মন্বাদি শাস্ত্র পড়লি, আরও কত কি পড়লি, বেশ ক’রে ভেবে দেখ্—এর মূল ভিত্তি বা উদ্দেশ্য কি। সেই ভিত্তিটা বজায় রেখে সার সার তত্বগুলি ও প্রাচীন ঋষিদের মত সংগ্রহ কর্ এবং সময়োপযোগী মতসকল তাতে নিবদ্ধ কর্; কেবল এইটুকু লক্ষ্য রাখিস, যেন সমগ্র ভারতবর্ষের সকল জাতের, সকল সম্প্রদায়েরই ঐসকল নিয়ম- পালনে যথার্থ কল্যাণ হয়। লেখ্ দেখি ঐরূপ একখানা স্মৃতি; আমি দেখে সংশোধন করে দেবো’খন।
    শিষ্য। মহাশয়, ব্যাপারটি সহজসাধ্য নহে; কিন্তু ঐরূপে স্মৃতি লিখিলেও উহা চলিবে কি?
    স্বামীজী। কেন চলবে না? তুই লেখ না। ‘কালো হ্যয়ং নিরবধির্বিপুলা চ পৃথ্বী’—যদি ঠিক ঠিক লিখিস তো একদিন না একদিন চলবেই। আপনাতে বিশ্বাস রাখ্। তোরাই তো পূর্বে বৈদিক ঋষি ছিলি। শুধু শরীর বদলিয়ে এসেছিস বইতো নয়? আমি দিব্যচক্ষে দেখছি, তোদের ভেতর অনন্ত শক্তি রয়েছে! সেই শক্তি জাগা; ওঠ্, ওঠ্, লেগে পড়, কোমর বাঁধ। কি হবে দু-দিনের ধন-মান নিয়ে? আমার ভাব কি জানিস? আমি মুক্তি-ফুক্তি চাই না। আমার কাজ হচ্ছে-তোদের ভেতর এই ভাবগুলি জাগিয়ে দেওয়া; একটা মানুষ তৈরি করতে লক্ষ জন্ম যদি নিতে হয়, আমি তাতেও প্রস্তুত।
    শিষ্য। কিন্তু মহাশয়, ঐরূপ কার্যে লাগিয়াই বা কি হইবে? মৃত্যু তো পশ্চাতে।
    স্বামীজী। দূর ছোঁড়া, মরতে হয় একবারই মরবি। কাপুরুষের মতো অহরহ়ঃ মৃত্যু-চিন্তা করে বারে বারে মরবি কেন?
    শিষ্য। আচ্ছা মহাশয়, মৃত্যু চিন্তা না হয় নাই করিলাম, কিন্তু এই অনিত্য সংসারে কর্ম করিয়াই বা ফল কি?
    স্বামীজী। ওরে, মৃত্যু যখন অনিবার্য, তখন ইট-পাটকেলের মতো মরার চেয়ে বীরের মতো মরা ভাল। এ অনিত্য সংসারে দু-দিন বেশী বেঁচেই বা লাভ কি? It is better to wear out than rust out।

    "
  • ... | ২২ জুলাই ২০১৩ ০৭:৪৮513421
  • Date:22 Jul 2013 -- 06:56 AM
    "অপ্রতিম" মানে কি? বিশেষ করে এই বাক্যে? "বিবেকানন্দ স্ববিরোধিতায় অপ্রতিম। মোটিভেশন দেওয়াতেও ঠিক ততটাই অপ্রতিম।"
  • dukhe | ২২ জুলাই ২০১৩ ০৯:০৪513422
  • দীপ অর্ধসত্য পেশ করছেন, তারপর বাকিটা পড়তে বললে বলছেন - হ্যাঁ হ্যাঁ পড়েছি। ডেলিবারেট অর্ধসত্য পেশ করলে তো নিজের ইন্টেলেকচুয়াল ডিসঅনেস্টি ছাড়া আর কিছু প্রমাণ হয় না।

    আপাততঃ অভিযোগটা হ'ল বিবুদা কেন সন্ন্যাসী হয়েও মায়ের অন্নসংস্থানের চিন্তা করেছিলেন? এবং তিনি তাঁর বিদেশযাত্রার প্রকল্প ইত্যাদি গোপন রাখতে চেয়েছিলেন কেন? এই তো? এটাই তো বিবুদার স্ববিরোধিতার দৃষ্টান্ত ব'লে দাবি?
  • aranya | ২২ জুলাই ২০১৩ ০৯:১৪513423
  • মায়ের অন্নসংস্থানের চিন্তা যে সন্তান না করে সে হল কুসন্তান, সে তিনি সন্ন্যাসী হোন বা নরদেহে দেবতাই হোন।
    বিবু-দা কুসন্তান ছিলেন না, এটা জেনে ভাল লাগে।
  • দীপ | ২২ জুলাই ২০১৩ ১৪:৫৫513424
  • "ডেলিবারেট অর্ধসত্য পেশ করলে তো নিজের ইন্টেলেকচুয়াল ডিসঅনেস্টি ছাড়া আর কিছু প্রমাণ হয় না" - ভক্তরাও তাই করছেন। বিবেকানন্দের মোটিভশনাল স্পীচগুলো সামনে রেখে গন্ডগোলের জায়গাগুলো ঢেকে রাখছেন। শঙ্করীবাবুর বই পড়ার সাথে সাথে স্টার্ডি, মুলারের ফ্রাস্ট্রেশনের চিঠি, বার্কের বিশ্লেষণ এগুলোও তো পড়তে হবে। নইলে 'সামগ্রিক' ভাবে দেখা হবে কি করে? স্টার্ডি প্রসঙ্গে দুখেবাবু একটু আগে পত্রাবলী থেকে একটা কোট দিয়েছিলেন - "প্রভু আমাকে ঠিক ঠিক লোকের হাত থেকে রক্ষা করুন।" আমি একটু দেই - "হ'তে পারে তোমার সমালোচনার অনেকখানি অংশ সঙ্গত ও সত্য, আবার এও সম্ভব যে, কোন একদিন তুমি দেখবে, এ- সকলই কতকগুলি লোকের প্রতি তোমার বিরাগ থেকে প্রসূত, আর আমি হয়েছি অপরের কৃত অপরাধের scapegoat. যা হোক, এ -সব নিয়ে তিক্ততার প্রয়োজন নেই, যেহেতু আমি যা নই, তার ভান কখনও করেছি ব'লে মনে পড়ে না। আর তা করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়, কারণ আমার ধূমপান, খারাপ মেজাজে ইত্যাদি ব্যাপার – আমার সঙ্গে ঘন্টাখানেক কাটালে যা - কেউ সহজে জানতে পারে।" বাকি চিঠি পাঠক নিজে পড়ে নেবেন। এখানে এর বেশী লিখলে আবার বাণী ও রচনা শেখানোর দায়ে পড়ব।
    http://www.dduttamajumder.org/baniorachana/node.php?pageno=71&khanda=8

    ভুবনেশ্বরী দেবী প্রসঙ্গে ১৯০০ সালে মিসেস বুলকে লেখা চিঠিগুলির থেকে কিছু উদ্ধৃতি দিচ্ছি -
    "তিনি আমার জন্য বহু কষ্ট সহ্য করেছেন। শেষ বয়সে তাঁকে শান্তিতে রাখার জন্য আমার সচেষ্ট হওয়া উচিত।" "আমার ও মায়ের শেষ জীবনে আমি মায়ের কাছে ফিরে যেতে চাই।" এরপরেই লেখা আছে নিউ ইয়র্কের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের সুদ, বাড়িভাড়া, ৬ টাকা ২০ টাকা ইত্যাদির হিসেব, যেটা আগেই লিখেছি।

    তো, এতে প্রমাণ হল যে বিবেকানন্দ কুসন্তান ছিলেন না। আর পাঁচজন গৃহী সন্তানের মতো তিনিও তাঁর মা ভাই পরিবারের ভবিষ্যত নিয়ে চিন্তিত ছিলেন এবং তাদের ভালমন্দ ব্যবস্থাও করে গেছিলেন। বিবেকানন্দকে 'মানুষ' বলে মেনে নিলেই এতে কোনও 'স্ববিরোধ' থাকে না। কিন্তু যেই মুহুর্তে কিছু লোক ওঁকে 'নির্মোহ' 'সর্বত্যাগী' 'সন্ন্যাসী' বলে মালা পরিয়ে বেচার চেষ্টা করবে তখনই এটা বিরোধ হয়ে যাবে।
  • dukhe | ২২ জুলাই ২০১৩ ১৫:৩৮513425
  • হ্যাঁ, স্টার্ডির চিঠি, নিবেদিতার চিঠি, বার্ক সবই পড়া ভালো। অনেকগুলোই শঙ্করীবাবু কোট করেছেন যদিও। কোনো 'ভক্ত' কি অস্বীকার করেছেন? স্টার্ডি প্রসঙ্গে নিবুদি যেমন লিখেছিলেন -
    "Again Swami is right. Work like this requires persons like you and myself who have no other object or thought in life. The Householder Disciple is always a failure, when he leads. As follower he does very well."

    বিবুদার স্টার্ডিকে লেখা চিঠিতে এটাও পাবেন -
    "With the exception of Capt. and Mrs. Sevier, I do not remember even one piece of rag as big as a handkerchief I got from England. On the other hand, the incessant demand on my body and mind in England is the cause of my breakdown in health. This was all you English people gave me, whilst working me to death; and now I am cursed for the luxuries I lived in!! Whosoever of you have given me a coat? Whosoever a cigar? Whosoever a bit of fish or flesh? Whosoever of you dare say I asked food or drink or smoke or dress or money from you? Ask, Sturdy, ask for God's sake, ask your friends, and first ask your own "God within who never sleeps."
    ...
    Well, Sturdy, my heart aches. I understand it all. I know what you are in — you are in the clutches of people who want to use you. I don't mean your wife. She is too simple to be dangerous. But, my poor boy, you have got the flesh-smell — a little money — and vultures are around. Such is life.
    You said a lot about ancient India. That India still lives, Sturdy, is not dead, and that living India dares even today to deliver her message without fear or favour of the rich, without fear of anybody's opinion, either in the land where her feet are in chains or in the very face of those who hold the end of the chain, her rulers. That India still lives, Sturdy, India of undying love, of everlasting faithfulness, the unchangeable, not only in manners and customs, but also in love, in faith, in friendship. And I, the least of that India's children, love you, Sturdy, with Indian love, and would any day give up a thousand bodies to help you out of this delusion."

    বিবুদাকে কেই বা এখানে বেচার চেষ্টা করল? বিবুদা সন্ন্যাসী ছিলেন, কামিনীকাঞ্চনত্যাগী ছিলেন, মাতৃত্যাগী ছিলেন না। তাতে যদি 'সর্বত্যাগী' বলতে আটকায়, বলবেন না। আর 'নির্মোহ' শব্দটা নিয়ে কথা না বাড়ানোই ভালো, ওটায় বিপের পেটেন্ট।
  • ন্যাড়া | ২২ জুলাই ২০১৩ ১৫:৪৫513426
  • অন্য সূত্রে জানি, বিবেকানন্দ নিজে সংসারত্যাগী হলেও সাংসারিকবুদ্ধি ছিল প্রখর। নিজে সন্ন্যাসী হয়ে পরিবারের লোকেদের, বিশেষতঃ নিজের মাকে ত্যাগ কেন করেননি, এই যদি দীপবাবুর সমালোচনার লাইন হয় - তাহলে বলব এই মুহূর্ত্যে যুক্তিবাদী সমালোচক হিসেবে তিনি সব বিশ্বাসযোগ্যতা খোয়ালেন। যদি কিছু অবশিষ্ট থেকে থাকে।
  • দীপ | ২২ জুলাই ২০১৩ ১৫:৫৭513427
  • ঋভু Date:22 Jul 2013 -- 03:38 AM - সহমত। কিন্তু আপনি আদর্শকে আগে রাখবেন নাকি উদ্দেশ্যকে - এটা যার যার নিজের ব্যাপার। আর যে যে কম্প্রমাইজগুলো করবেন সেগুলো নিয়ে সমালোচনাও শুনতে তৈরি থাকতে হবে। বিদ্যাসাগর আদর্শকে প্রায়রিটি দিয়েছেন, বিবেকানন্দ উদ্দেশ্যকে।

    আবার এসেই গেল - বনাম বিদ্যাসাগর। আসবেই - আধ্যাত্মিক ভাববাদ বনাম নাস্তিক বস্তুবাদ - এই বনাম এখনও আরো কয়েক জেনারেশন চলবে - আটকায় কে? দুখে প্রত্যক্ষ সংঘাতের নমুনা চেয়েছেন। বিবেকানন্দ শিক্ষকতা করতে গিয়ে বিদ্যাসাগরের স্কুল থেকে বিতাড়িত হয়েছিলেন। এছাড়াও সময়ে সময়ে বিদ্যাসাগরের আন্দোলনের প্রতি বিবেকানন্দের বক্রোক্তির উদাহরণ আছে। একটু আগেই তো আলোচনা হল - নিরাকার চৈতন্য বনাম উপনিষদ। মহেন দত্তর বইতে রয়েছে বিধবাবিবাহ নিয়ে নরেনের প্যারডি লেখার উল্লেখ।

    'বনাম' 'বিরোধ' এইসব নিয়ে বকতে গিয়ে ন্যাড়ার একটা কোট মনে পড়ে গেল। বিবুদা তো নিজেই নিজের বিরোধ মেনে নিয়ে তার সপক্ষে মারাত্মক যুক্তি দিয়ে গ্যাছেন - "তোরা জিগ্যেস করিস, কেন আমি একেক জায়গায় একেক রকমের কথা বলি? বলি এই জন্যে যে আজ থেকে একশো বছর পরে আমার আমিটাকে যারা এই সব কথা থেকে খাড়া করতে যাবে, সব কিরকম বুঝভোম্বল হয়ে যাবে।" - কেমন হল তো? অথচ আমি ইতিউতি খুঁটে খুঁটে 'উল্ট-পাল্টা' কথার নমুনা প্রকাশ করলেই ভক্তদের চোখে হাত!

    এবিসি 17 Jul 2013 -- 10:31 AM - "বিবুদা নিরাকার ঈশ্বরে বিশ্বাস না করে পৌত্তলিক ছিলেন এটাও শুনে মজা লাগলো।"
    দুখে 20 Jul 2013 -- 09:11 AM - "ঈশ্বর নিরাকার - ভালো কথা, কিন্তু একই সঙ্গে বিবুদা ও তাঁর গুরু জানতেন - তিনি সাকারও। তাহ'লে আর কালীপুজোয় ঝামেলা কিসের?"
    যদিও এবিসির বক্তব্যের দায়িত্ব দুখের নয় এবং ভাইসি-ভার্সা - তবু কার কথা নেব বুঝতে পারছি না। আর যাহা নিরাকার তাহাই সাকার "যেই তকাই, সেই বিস্কুট বা আলুনার্কোল..." - তিনটি ফুট্‌কি (18 Jul 2013 -- 11:32 AM) - "বিবেকানন্দর "উল্ট-পাল্টা কথা" সম্পর্কে বোঝাতে/বুঝতে গেলে এমন জ্ঞানেরই তো দরকার!!"
  • দীপ | ২২ জুলাই ২০১৩ ১৬:০৬513429
  • ন্যাড়া 22 Jul 2013 -- 03:45 PM "এই যদি দীপবাবুর সমালোচনার লাইন হয় - তাহলে বলব এই মুহূর্ত্যে যুক্তিবাদী সমালোচক হিসেবে তিনি সব বিশ্বাসযোগ্যতা খোয়ালেন" - সমালোচনা বিবেকানন্দের নয়। সমালোচনা তাঁদের যাঁরা এই বিষয়গুলি লুকিয়ে তাঁকে দেবতা বানিয়ে দেখাতে চান। প্রসঙ্গটা বুঝুন স্যার।
  • dukhe | ২২ জুলাই ২০১৩ ১৬:২৪513430
  • শোনেন, বরানগর মঠের কাণ্ড মনে হয়। বিবুদা নিয়ম করেছেন মহিলা ঢুকবেন না। তারপর একসময় বেজায় অসুখ। অন্যেরা ঘাবড়ে গিয়ে মাকে ডেকে আনলেন। ভুবনেশ্বরী দেবী ঢুকলেন। বিবুদার তখন নবীন বয়স - অসুখের মধ্যেই বিড়বিড় করছেন -আমিই নিয়ম করলাম, আমার জন্যই নিয়ম ভাঙা হ'ল?
    যত বুড়ো হলেন, মায়ের কথা ভাবলেন। নরমসরম হলেন। মাকে নিয়ে তীর্থে গেলেন।
    ল্যান, এই 'স্ববিরোধিতা'র ব করতে থাকুন।
  • abc | ২২ জুলাই ২০১৩ ১৬:৩২513431
  • বিদ্যাসাগর কে নাস্তিক না বানালে দীপ বাবুর ভাত হজম হচ্ছে না। তা এথেইস্ট নন তো বুঝলাম কিন্তু উনি নাস্তিক এর ডেফিনিশন কি দেন? নিরাকার চৈতন্য টাই বা কি? আপনার ঈশ্বরে এলার্জি থাকুক অসুবিধা নেই। কিন্তু আপনার ইচ্ছে মত নাস্তিকতা =নিরাকার চৈতন্য বলা হবে জেনে বড়ই আনন্দ পেলাম। কোন দর্শনে এটা সিদ্ধ জানাবেন।
    মায়ের অন্নচিন্তা করতেন বিবুদা। ও তো গদাধর বাবুর শিষ্য, ওর গুরু তো বারণ করে নি সাধু হলে মায়ের কথা ভাববি না। আপনার ডেফিনিশন অনুযায়ী "সর্বত্যাগী সন্ন্যাসী " তো হতে বলেন নি তার গুরু। তা নাহলে আত্মানো মোক্ষর্থোম -র সাথে জগদ্ধিতাও চ কথা যোগ হত না।
  • abc | ২২ জুলাই ২০১৩ ১৬:৪০513432
  • "অ্যালায়েন্স বলতে এই ঘটনাটা বোঝাতে চেয়েছিলাম। এরসাথে বিবেকানন্দ-জগদীশ বোস-ম্যাসাচুসেট্স-৭৫৫৮৪০ এ সবের উল্লেখ অবান্তর।" - ভাই আপনি কি বোঝেন পেটেন্ট করার হ্যাপা গুলো? সেখানে বিবুদার শিষ্য মিস বুল কে assignee করা টা আরেকজনের কথার ওপর ভিত্তি করে? তাও যে লোক টা জীবনে পেটেন্ট করেনি বলে মার্কনি-র চুরির শিকার সে কেন তার ডিসিসন চেঞ্জ করলো? ৭৫৫৮৪০ নম্বর তাকে উড়িয়ে দেবার আগে মনে রাখবেন এটা একজন ভারতবাসীর সর্বপ্রথম US পেটেণ্ট। গুগল পেটেণ্ট এ নম্বর লিখে দেখুন, পেটেণ্ট টা পাবেন। এবং এই ১৯০১ এর পেটেন্ট টা IEEE -র কাছে জগদীশ বাবুর ক্লেম টা প্রতিষ্ঠিত করতে বড় হাতিয়ার হযেছিল। শিলাইদহ বাগানবাড়ি তে যাবার থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা বিজ্জান্চর্চার ক্ষেত্রে।
  • /\ | ২২ জুলাই ২০১৩ ১৬:৪৩513433
  • বিপ একে একটু বেসিক দ্বৈত -অদ্বৈত আর বিশিষ্টাদ্বৈত বোঝান। সাকার নিরাকার, যত মত তত পথ এসবেই এর এখন তকাই বিস্কুট আলুনার্কোল লাগবে।
  • abc | ২২ জুলাই ২০১৩ ১৬:৪৫513434
  • "যতমত ততপথ বলা গুরুর নামাঙ্কিত আশ্রমে ইসলাম বা ক্রিশ্চানিটি নিয়ে কোন আলোচনার বা উৎসবের অবকাশ নেই" - রঞ্জন বাবু আপনি ঠিক জানেন? নরেন্দ্রপুরের কৃতি ছাত্র (অভ্যু হয়ত চিনবে) মহসিন মন্ডল কে একবার ডাকবেন নাকি ? ওর কাছেই শুনে নিন ঈদ বা ক্রিসমাস উযযাপন হত কিনা।
  • dukhe | ২২ জুলাই ২০১৩ ১৬:৪৬513435
  • দীপ, বিদ্যাসাগরের ইস্কুলে চাকরি যাওয়াটা রেলেভ্যান্ট কিছু নয়। তখন নরেন দত্ত বিবুদা হনওনি। ওটা আদর্শগত সংঘাতের ব্যাপারও ছিল না।
    বিবুদা বিধবাবিবাহকে আলাদা ক'রে গুরুত্ব দেননি, কিন্তু বিদ্যাসাগরের প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা কম ছিল না। আমাদের সৌভাগ্য যে শ্রীরামকৃষ্ণ ও বিদ্যাসাগর এই দুই মহাপুরুষ মাত্র কয়েক মাইলের মধ্যেই ছিলেন - এমন কথাও বলেছেন। ব'সে ব'সে প্রথম ভাগ পড়ছেন, লোকে জিজ্ঞাসা করেছে - কী হে? এখন প্রথম ভাগ? উত্তর দিয়েছেন - আগে প্রথম ভাগ পড়েছিলাম, এখন বিদ্যাসাগরকে পড়ছি। হ্যাঁ, ছোটোদের বইয়ের ব্যাপারে তিনি অন্য কিছু চেয়েছিলেন, কিন্তু বিদ্যাসাগরকে অশ্রদ্ধা করতেন না। বিদ্যাসাগরের ধুতি-চাদর পরে সাহেবদের কাছে উপস্থিত হওয়ার একটি ঘটনা তিনি অনেককেই বলতেন। আবার বলি - শঙ্করীবাবুর বই পড়ুন।

    আর বিবুদার মাতৃভক্তি আদৌ কোনো 'লুকোনো' ব্যাপার নয়। দীপের কাছে যদি দীর্ঘদিন অজ্ঞাত থেকে থাকে, বেশ অবাকই হব।
  • abc | ২২ জুলাই ২০১৩ ১৬:৪৯513436
  • ""অনেক কম রক্তপাতে ধর্ম বিস্তার করা যায়" - যেমন ৪০০ বছর ধরে চলা ক্রুসেড থেকে শুরু করে ২০০২-এর গোধরা।"
    দীপ বাবু দত্ত কে মোদী তে ম্যাপ করবেন ই। এবার হাসি পাচ্ছে ।
  • abc | ২২ জুলাই ২০১৩ ১৬:৫৮513437
  • "একপাল লোক সংসার ছেড়ে কমিউনে থাকবে পার্টির কাজ করবে আর পার্টি তাদের বাড়ির মত ভাত কাপড় টুকু দেখবে" - দীপ বাবুর এই কথাটা মনপুত হবে আশা করা যায়। লাল, অতিলাল সবাই তো এই মডেল আদর্শ হিসেবে ফলো করে। তার মধ্যেই কেউ কেউ আবার প্লেনে first ক্লাস চেপে বিদেশে যায় সম্পাদক হিসেবে রেপ্রেসেন্ট করতে। সব দেশেই। তাদের বেলায় ক্ষতি নেই আর যত দোষ বিবুদা র
  • abc | ২২ জুলাই ২০১৩ ১৭:০৩513438
  • " "কিন্তু সার্বিকভাবে আমরা কি সেদিকে এগোইনি" - তার কৃতিত্ব পাবেন রামমোহন-বিদ্যাসাগর-ডেভিড হেয়ার-ডিরোজিও-ইয়ং বেঙ্গল এমনকি ঠাকুর পরিবারও। বিবেকানন্দ নন। " - আপনি জাজমেন্ট দিয়েই ফেলেছেন। বাজারে গিয়ে মাইকে ঘোষণা করুন যদি সমাজে কিছু পরিবর্তন আনতে পারেন। other side of the VHP coin - সমান গোঁড়া
  • dukhe | ২২ জুলাই ২০১৩ ১৭:২২513440
  • দীপ সাকারত্ব আর নিরাকারত্বে বিরোধ পেয়েছেন। এরপর "এ ধর্মও সত্য, ও ধর্মও সত্য" - এতে পাবেন। তারপর "ইলিশও খাদ্য কাঁঠালও খাদ্য" - এইসব অতিগোপন তত্ত্বের মধ্যেও পাবেন। এইভাবে ছোট্ট ছোট্ট পায়ে চলতে চলতে ঠিক নির্বিরোধ জায়গায় গিয়ে পৌঁছবেন। তকাই বিস্কুট আলুনারকোলের প্রান্তে। শুভেচ্ছা।
  • মতামত দিন
  • বিষয়বস্তু*:
  • কি, কেন, ইত্যাদি
  • বাজার অর্থনীতির ধরাবাঁধা খাদ্য-খাদক সম্পর্কের বাইরে বেরিয়ে এসে এমন এক আস্তানা বানাব আমরা, যেখানে ক্রমশ: মুছে যাবে লেখক ও পাঠকের বিস্তীর্ণ ব্যবধান। পাঠকই লেখক হবে, মিডিয়ার জগতে থাকবেনা কোন ব্যকরণশিক্ষক, ক্লাসরুমে থাকবেনা মিডিয়ার মাস্টারমশাইয়ের জন্য কোন বিশেষ প্ল্যাটফর্ম। এসব আদৌ হবে কিনা, গুরুচণ্ডালি টিকবে কিনা, সে পরের কথা, কিন্তু দু পা ফেলে দেখতে দোষ কী? ... আরও ...
  • আমাদের কথা
  • আপনি কি কম্পিউটার স্যাভি? সারাদিন মেশিনের সামনে বসে থেকে আপনার ঘাড়ে পিঠে কি স্পন্ডেলাইটিস আর চোখে পুরু অ্যান্টিগ্লেয়ার হাইপাওয়ার চশমা? এন্টার মেরে মেরে ডান হাতের কড়ি আঙুলে কি কড়া পড়ে গেছে? আপনি কি অন্তর্জালের গোলকধাঁধায় পথ হারাইয়াছেন? সাইট থেকে সাইটান্তরে বাঁদরলাফ দিয়ে দিয়ে আপনি কি ক্লান্ত? বিরাট অঙ্কের টেলিফোন বিল কি জীবন থেকে সব সুখ কেড়ে নিচ্ছে? আপনার দুশ্‌চিন্তার দিন শেষ হল। ... আরও ...
  • বুলবুলভাজা
  • এ হল ক্ষমতাহীনের মিডিয়া। গাঁয়ে মানেনা আপনি মোড়ল যখন নিজের ঢাক নিজে পেটায়, তখন তাকেই বলে হরিদাস পালের বুলবুলভাজা। পড়তে থাকুন রোজরোজ। দু-পয়সা দিতে পারেন আপনিও, কারণ ক্ষমতাহীন মানেই অক্ষম নয়। বুলবুলভাজায় বাছাই করা সম্পাদিত লেখা প্রকাশিত হয়। এখানে লেখা দিতে হলে লেখাটি ইমেইল করুন, বা, গুরুচন্ডা৯ ব্লগ (হরিদাস পাল) বা অন্য কোথাও লেখা থাকলে সেই ওয়েব ঠিকানা পাঠান (ইমেইল ঠিকানা পাতার নীচে আছে), অনুমোদিত এবং সম্পাদিত হলে লেখা এখানে প্রকাশিত হবে। ... আরও ...
  • হরিদাস পালেরা
  • এটি একটি খোলা পাতা, যাকে আমরা ব্লগ বলে থাকি। গুরুচন্ডালির সম্পাদকমন্ডলীর হস্তক্ষেপ ছাড়াই, স্বীকৃত ব্যবহারকারীরা এখানে নিজের লেখা লিখতে পারেন। সেটি গুরুচন্ডালি সাইটে দেখা যাবে। খুলে ফেলুন আপনার নিজের বাংলা ব্লগ, হয়ে উঠুন একমেবাদ্বিতীয়ম হরিদাস পাল, এ সুযোগ পাবেন না আর, দেখে যান নিজের চোখে...... আরও ...
  • টইপত্তর
  • নতুন কোনো বই পড়ছেন? সদ্য দেখা কোনো সিনেমা নিয়ে আলোচনার জায়গা খুঁজছেন? নতুন কোনো অ্যালবাম কানে লেগে আছে এখনও? সবাইকে জানান। এখনই। ভালো লাগলে হাত খুলে প্রশংসা করুন। খারাপ লাগলে চুটিয়ে গাল দিন। জ্ঞানের কথা বলার হলে গুরুগম্ভীর প্রবন্ধ ফাঁদুন। হাসুন কাঁদুন তক্কো করুন। স্রেফ এই কারণেই এই সাইটে আছে আমাদের বিভাগ টইপত্তর। ... আরও ...
  • ভাটিয়া৯
  • যে যা খুশি লিখবেন৷ লিখবেন এবং পোস্ট করবেন৷ তৎক্ষণাৎ তা উঠে যাবে এই পাতায়৷ এখানে এডিটিং এর রক্তচক্ষু নেই, সেন্সরশিপের ঝামেলা নেই৷ এখানে কোনো ভান নেই, সাজিয়ে গুছিয়ে লেখা তৈরি করার কোনো ঝকমারি নেই৷ সাজানো বাগান নয়, আসুন তৈরি করি ফুল ফল ও বুনো আগাছায় ভরে থাকা এক নিজস্ব চারণভূমি৷ আসুন, গড়ে তুলি এক আড়ালহীন কমিউনিটি ... আরও ...
গুরুচণ্ডা৯-র সম্পাদিত বিভাগের যে কোনো লেখা অথবা লেখার অংশবিশেষ অন্যত্র প্রকাশ করার আগে গুরুচণ্ডা৯-র লিখিত অনুমতি নেওয়া আবশ্যক। অসম্পাদিত বিভাগের লেখা প্রকাশের সময় গুরুতে প্রকাশের উল্লেখ আমরা পারস্পরিক সৌজন্যের প্রকাশ হিসেবে অনুরোধ করি। যোগাযোগ করুন, লেখা পাঠান এই ঠিকানায় : [email protected]


মে ১৩, ২০১৪ থেকে সাইটটি বার পঠিত
পড়েই ক্ষান্ত দেবেন না। দ্বিধা না করে প্রতিক্রিয়া দিন